এক জালিমের জান কবজের ঘটনা

ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। ‍তিনি বলেন, একবার মউতের ফেরেশতা হযরত আজরাঈল (আঃ) একজন বড় অত্যাচারী জালিমের রূহ কবজ করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সে এতো বড় জালিম ছিল যে, তখন দুনিয়ায় তার থেকে বড় জালিম আর ছিল না। পথিমধ্যে ফেরেশতাগণ হযরত আজরাঈল (আঃ) কে জিজ্ঞেস করলোঃ হে আজরাঈল! আপনি সর্বদা জান কবজ করে থাকেন।

আপনার কি জান কবজ করার সময় কারো প্রতি কখনো দয়া আসেনি? উত্তরে তিনি বললেনঃ হাঁ, একবার এক মহিলার জান কবজের সময় তার প্রতি আমার খুব দয়া হয়েছিল। সে মহিলা সম্পূর্ণ একা এক ময়দানে ছিল। যখন তার সন্তান ভূমিষ্ট হয় তখন আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে আমার প্রতি সেই মহিলার জান কবজ করার আদেশ আসে। ঐ মহিলা এবং তার সন্তানের প্রতি আমার খুব দয়া হলো। মনে মনে ভাবলাম- হায়! জনশূণ্য ময়দানে এ বাচ্চার কি উপায় হবে? তখন ফেরেশতাগণ বললোঃ আপনি আজ কার জান কবজ করে নিয়ে যাচ্ছেন? হযরত আজরাঈল (আঃ) বললেনঃ আমি আজ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জালিমের জান কবজ করে নিয়ে যাচ্ছি। ফেরেশতাগণ বললোঃ এ জালিমই হলো সেই অসহায় শিশুটি। একথা শুনে আজরাঈল অত্যন্ত আশ্চার্য হলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র এবং দয়ালু। আপনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন। এসবই আপনার কুদরত। আপনারা জানেন কি, এ জালিম ব্যক্তিটি কে? এ জালিমই হলো ইতিহাস প্রসিদ্ধ নমরুদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *