এরপর আর কখনো আমার চোখ কোন বেগানা নারীর দিকে পড়েনি।”

 

কেমন হতো যদি জীবনের গল্পে এই তৃপ্ত বাক্যটা খুঁজে পাওয়া যেতো? নাকি এ বাক্য হবে মৃত্যু অধ্যায়ের ভূমিকায়? 
প্রবল ইচ্ছাসত্ত্বেও গুনাহ ছাড়তে পারছেন না? পারছেন না নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে?
.
এক শাইখের কাছে চোখের যিনা থেকে বাঁচতে নসীহা চাওয়ার পর এক ব্যাক্তিকে তিনি বলেছিলেন যতোবারই কোনো বেগানা নারীর দিকে চোখ পড়বে ততোবারই দু’রাকাত করে সালাত আদায় করবে। এই চর্চা ঐ ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ ফিরিয়ে দেয় ঐ গুনাহ থেকে।
.
গুনাহের বিপরীতে নেক আমল বাড়িয়ে দিন। ফজর মিস হলে সেদিন ক্বাযা আদায় করে আট দশ রাকাত নফল বেশি পড়ুন। অশ্লীল কাজের শিকার হলে তওবাহ করুন। বারবার। সারাদিন যিকিরে কাটান। যতোবার গুনাহ হবে তার কয়েকগুণ রাকাত নফল নামাজ আদায় করুন। সাদাকা বাড়িয়ে দিন। আপনার নেক ‘আমলে শয়তান হিংসায় পুড়বে। সে-ই হাল ছাড়বে ইনশাআল্লাহ। এরপর শুধু চেয়ে দেখবেন আপনি কীভাবে চেঞ্জ হয়ে গেছেন।
.
কখনোই হতাশ হবেন না। কেননা শয়তান শুধু এটাই চায়। হতাশ হৃদয়কে ইচ্ছামত ম্যানিপুলেইট করা সহজ। হতাশ হবেন কেন? দয়াবান মেহেরবান আল্লাহ তো আছেন। তিনি গুনাহ মাফ করেন তার কাছে পূর্ণভাবে ফিরে এলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *