জোকসঃ গার্ল ফ্রেন্ড-রে নিয়া খামু।

০। ফকিরঃ বাবা আমারে ১০টা টাকা দেন চা খাব।
ভদ্রলোকঃ চা খেতে তো ৫টাকা লাগে, তুমি ১০ টাকা চাচ্ছ কেন?
ফকিরঃ গার্ল ফ্রেন্ড-রে নিয়া খামু।
ভদ্রলোকঃ হালার পাবলিক। ফকির হইয়াও গার্ল ফ্রেন্ড বানাইয়া ফেলছ!!

ফকিরঃ না স্যার, গার্ল ফ্রেন্ড-ই আমারে ফকির বানাইছে।

১। বাবা: এই সামনেই তো তোর জন্মদিন। উপহার কী চাই বল তো?
ছেলে: তেমন কিছু না, বাবা, একটা সিডি প্লেয়ার দিলেই চলবে।
বাবা: ব্যস! এটুকুই?
ছেলে: সিডি প্লেয়ার একটা গাড়িতে বসানো থাকলে ভালো হয়…।

২। মা: তুই এত অপদার্থ কেন! কোনো একটা কাজ অন্য ছেলের আগে শেষ করতে পারিস না।
ছেলে: পারি তো মা, আমার হাতের লেখা আমি সবার আগে পড়তে পারি।

৩। শিক্ষক: বল তো রাজু, ৪ গুণ ৭ সমান সমান কত?
রাজু: ২৮, স্যার।
শিক্ষক: এবার বল তো, ৭ গুণ ৪ সমান সমান কত?
রাজু: ৮২, স্যার।

৪। ইতিহাসের অধ্যাপক: বলো তো, ব্রিটেন আমাদের কত দিন শাসন করেছিল?
ছাত্র: আপনার বইয়ের ৫০-৭৭ পৃষ্ঠা পর্যন্ত শাসন করেছিল, স্যার।

৫। মাঝরাতে স্ত্রী স্বামীকে ঠেলা দিয়ে বলল, ‘অ্যাই…শোনো! একটা চোর ঢুকেছে বাসায়। আমার মা যে পিঠাগুলো পাঠিয়েছিল, সেসব খাচ্ছে ফ্রিজ থেকে বের করে।’
স্বামী: বলো কি! এখন তো পুলিশ বাদ দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে হবে!

৬। কানের সমস্যা নিয়ে এক বৃদ্ধ গেলেন ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার তাঁকে একটা শ্রবণযন্ত্র দিলেন। এর এক মাস পর ফিরে এলেন সেই বৃদ্ধ। ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, ‘কানে কেমন শুনছেন এখন?’
বৃদ্ধ: একদম পরিষ্কার।
ডাক্তার: ঘরের লোকজন নিশ্চয়ই খুব খুশি।
বৃদ্ধ: বাড়ির কাউকে এখনো জানাইনি। চুপচাপ বসে বসে ওদের কথা শুনি। এর মধ্যে পাঁচবার উইল পাল্টেছি।

৭। আধুনিক চিত্রকরেরা তাঁদের আঁকা ছবির নিচে ডান কোণে স্বাক্ষর বসান কেন?
—নইলে ছবির ওপর-নিচ আপনি বুঝতে পারতেন?

৮।  সাতসকালে ফোন বেজে উঠল। রিসিভার তুলে ঘুম ঘুম গলায় জোলতান বলল, ‘হ্যালো, কে বলছেন?’
‘আপনি আমাকে চিনবেন না।’
‘কোনো প্রয়োজনে ফোন করেছেন?’
‘না।’
‘তাহলে ফোন করার কারণটা কী?’
‘এই সময় ফোন সস্তা বলে।’

৯। হাবলু ও সঞ্জুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
সঞ্জু: কী রে, তুই অফিসে না গিয়ে এভাবে বসে আছিস কেন?
হাবলু: আর বলিস না। বড় কর্তা অফিসে আসতে বারণ করে দিয়েছেন। বস আমার ওপর খুব খেপা।
সঞ্জু: কেন?
হাবলু: অফিসে কাজ করার সময় একটা মশা মেরেছিলাম, এ কারণে হবে হয়তো।
সঞ্জু: শুধু একটা মশা মারার কারণে এই শাস্তি! তোর বড় কর্তা তো লোক ভালো না।
হাবলু: আরে বোকা, রেগেছেন কী সাধে! মশাটা যে উনার গালের ওপর বসে ছিল।

 

১০। বস-কর্মকর্তার মধ্যে কথা হচ্ছে—
কর্মকর্তা: স্যার, এবার আমার বেতনটা একটু বাড়িয়ে দিলে ভালো হতো।
বস: কেন?
কর্মকর্তা: গত সপ্তাহে বিয়ে করেছি। তাই আগের বেতনে দুজনের চলাটা বেশ কষ্ট হবে, স্যার।
বস: শুনুন, অফিসের বাইরের কোনো দুর্ঘটনার জন্য অফিস কোনোভাবেই দায়ী নয়। আর তার জন্য জরিমানা দিতেও অফিস রাজি নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *