ফার্মগেটের নারীরা ১২ টায় গেলো কোথায় ?

একজন ভাই ১০ বছর পর এলো বাংলাদেশে , একটু ফুর্তির জন্য ১২ টায় গেল ফার্মগেট কোনো মেয়েকে না দেখতে পেয়ে বেচেরা বাড়ি ফিরলো খালি হাতে

এক সময় রাত ১২ টা বাজলে ফার্মগেট এ দেখা যেত শত শত নারী। ওই সব নারীরা টাকার বিনিময়ে নিজেকে বিক্রি করে দিত। এ সম্পর্কে দেশের সবাই অবগত আছে। এদের কে সহজ বাংলায় নোটি বা বেস্সা বলা হয়। এই নটীরা ছেলেদের থেকে টাকা নিয়ে তাদের বিছানায় চলে যেত। এই সব মেয়েরা ছেলেদের টাকা নিয়ে প্রতরণা করতো না। এইসব নারী যেমন সুন্দরী তেমনিই ছিল সুহাসিনী। তাই এইসব মেয়েদের চাহিদাও ছিল বেপক পরিমান। হটাৎ তাদের আর দেখা যাচ্ছে না সেই ফার্মগেট এ। প্রযুক্তির কল্যানে মানুষ যেমন পেয়েছে সহজ জীবন তেমনি ফার্মগেটের নারীরাও পেয়েছে ১২ টায় ফার্মগেটে না যে প্রযুক্তিকে বেবহার করে খদ্দের দরা। ঐ সব নারীদের এখন আর ফার্মগেট পাওয়া যায় না , এখন তাদের ভিবিন্ন লাইভ এ পাওয়া যায়। যেমন : vigo live , fb live etc
এখানে তারা তাদের শরিলের গুপন অঙ্গস দেখিয়ে দামাদামি করে। তাদের লেনদেন টা মূলত বিকাশ বা রকেট হাইওয়ে থাকে। কিন্তু ঐসব নটীরা টাকা পাওয়ার পর ছেলেদের সাথে যুগাযুগ বন্ধ করে দেয়। এতে অনেকেই প্রতরণার শিকার হয়।
কিছু কিছু নারী আছে যাদের মূল উদ্দ্যেশই হচ্ছে প্রবাসীদের কে শরিলের অঙ্গ দেখিয়ে টাকা কামানো। এত তাদের সরাসরি বিছনায় যেতে হয় না আরও রকেট বা বিকাশ এর মাধ্যমে লেনদেন করে। এদের কাছ থেকে প্রবাসীরা প্রতরণার স্বীকার কম হয়।
মাঝ রাতে ফেসবুক লাইভ এ এসে নগ্ন যুবতীদের ক্যান্ড! জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে আমাদের অনেক কিছু জানার ও শেখার সুযোগ রয়েছে।পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের চাঞ্চল্যকর ঘটনা বর্তমানে ফেসবুকেই সবার আগে পাওয়া যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুককে আরো জনপ্রিয় করে তুলেছে ‘ফেসবুক লাইভ’। বিভিন্ন সংবাদ লাইভ, টিভি লাইভ, প্রোগ্রাম এমন কি পুরো খেলাটাও ফেসবুক লাইভে পাওয়া যাচ্ছে।
তবে এই ফেসবুক লাইভকে অপব্যবহার করছে একটি গোষ্টি। মধ্যে রাত হলেই ফেসবুক লাইভে এসে হাজির হচ্ছে নগ্ন, অর্ধনগ্ন তরুণী, যুবতী এমনকি মধ্যবয়সী দেশি-বিদেশি নারীরা। আবেদনময়ী ভঙ্গিতে শরীরের নানা অঙ্গ দেখাতে ব্যস্ত তারা। তাদের আচরণের প্রতিক্রিয়ায় দর্শকরা কী বলছেন, তার উত্তরও দিচ্ছেন। এভাবেই সামাজিক এ মাধ্যমটিতে ছড়াচ্ছে যৌনতা।
ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ, পেজ গুলো এ সব কাজ গুলো করাচ্ছে। এটাকে তারা ব্যবসায়ের ডাল হিসেবে ব্যবহার করছে। এ লাইভ ভিডিও গুলোকে আবার ছাড়া হচ্ছে ইউটিউভ চ্যানেলে। তারপর সেখান থেকে করছে অর্থ আয়। এসব ভিডিও গুলোতে দর্শক যতো বেশি আয়ের পরিমাণও ততো বেশি।
জানা যায়, যারা কাজ গুলোর সাথে জড়িত তারা নানা নামে ফেসবুক আইডি, পেজ কিংবা গ্রুপ খুলে কম টাকায় পতিতা ভাড়া করে লাইভ করাচ্ছে। তাতে ওই ফেসবুক পেজের লাইক এবং দর্শক সংখ্যা বাড়ছে। সেখান থেকে আয় হচ্ছে অর্থ। দর্শকদের বিভিন্ন মন্তব্যে দেখা যাচ্ছে, লাইভে আসা এসব নারীকে উদ্দেশ করে কেউ অশালীন ভাষায় মন্তব্য করছেন। কেউ উত্তেজিত হচ্ছেন। আবার কেউ ঠাণ্ডা মাথায় চালিয়ে যাচ্ছেন রোমান্টিক আড্ডা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *