স্বাস্থ্যজ্জল চুলের রহস্য লুকিয়ে আমলকীতে!

চুলের যত্নে আমলকীর ব্যবহার সেই প্রাচীন কাল থেকেই হয়ে আসছে। আমলকীর মধ্যে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর উপাদান চুলের যত্নে এক যুগান্তকারী প্রাকৃতিক উপহার। প্রোটিন, মিনারেলস, কার্বহাইড্রেটস এবং ফাইবারে সমৃদ্ধ এই ফলটি নিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে ত্বক এবং চুলের বিভিন্ন সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

১। চুল বৃদ্ধি করেঃ
লম্বা কালো চুল কার না পছন্দ। বহু মহিলা চুলের যত্নে আমলকী ব্যবহার করে থাকেন। আমলকী জল চুলকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়, চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুলের বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে চুলের আগা ফেটে যাওয়া থেকেও চুলকে রক্ষা করে। তাই চুলের যে কোনও সমস্যা দূর করতে আমলকী জল প্রতি সপ্তাহে ব্যবহার করা উচিত।

২। চুল ঘন এবং মজবুত করেঃ
চুল অতিরিক্ত পাতলা হয়ে যাওয়া মহিলাদের একটি অন্যতম সমস্যা। কারণ, চুল যত পাতলা হয়, ততই প্রাণহীন হয়ে পড়ে এবং আগা ফেটে যায়। সেক্ষেত্রে আমলকী জলের নিয়মিত ব্যবহার এবং এর মধ্যে উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদান চুল ঝরে যাওয়া বন্ধ করে এবং চুল ঘন করতে সাহায্য করে।

৩। স্কাল্পের চুলকানি দূর করেঃ
আমলকী জল চুল এবং মাথার ত্বকের যত্নে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। আমাদের চুল বেশ কিছু সমস্যা যেমন, খুশকি, চুলকানি দ্বারা আক্রান্ত হয়। এর ফলে, চুলের গোড়া সহ চুলের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এইসব সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হলে আমলকী জল এক দারুণ ওষুধ।

৪। চুল পাকা রোধ করেঃ
শরীরে ভিটামিন সি এর অভাবে চুল পড়া বেড়ে যায় এবং চুল ভেঙ্গে পড়ে। আমলকীতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। তাই নিয়মিত আমলকী খাওয়ার মাধ্যমে চুলের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব। আমলকীতে থাকা প্রচুর পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট অকালে চুল পাকা রোধ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *