নবজাতকের নাম কে রাখবে?

আমাদের দেশে শিশুর জন্মের পর নাম রাখা
নিয়ে আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে একটা
প্রতিযোগিতা দেখা যায়। দাদা এক নাম রাখলে নানা অন্য একটা নাম পছন্দ করেন। বাবা-মা শিশুকে এক নামে ডাকে।
খালারা বা ফুফুরা আবার ভিন্ন নামে ডাকে। এভাবে একটা বিড়ম্বনা প্রায়শঃ দেখা যায়। এ ব্যাপারে শাইখ বাকর আবু যায়দ বলেন, “নাম রাখা নিয়ে পিতা-মাতার মাঝে বিরোধ দেখা দিলে শিশুর পিতাই নাম রাখার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।
“তোমরা তাদেরকে তাদের পিতৃপরিচয়ে ডাক। এটাই আল্লাহর কাছে ন্যায়সঙ্গত।”[সূরা আহযাব ৩৩:৫]

শিশুর পিতার অনুমোদন সাপেক্ষে আত্মীয়স্বজন বা অপর কোনো ব্যক্তি শিশুর নাম রাখতে পারেন।
তবে যে নামটি শিশুর জন্য পছন্দ করা হয় সে নামে শিশুকে ডাকা উচিত। আর বিরোধ দেখা দিলে পিতাই পাবেন অগ্রাধিকার। অর্থাৎ, * নাম রাখার অধিকার সন্তানের পিতার।

★ যদি কারো নাম ইসলামসম্মত না হয়; বরঞ্চ ইসলামী শরিয়তে নিষিদ্ধ এমন নাম হয় তাহলে এমন নাম পরিবর্তন করা উচিত। যেমন- ইতিপূর্বে উল্লেখিত হাদিস হতে আমরা জানতে পেরেছি একজন সাহাবীর সাথে ‘হাকাম’ শব্দটি সংশ্লিষ্ট
হয়েছিল, কিন্তু হাকাম আল্লাহর খাস নামসমূহের একটি; তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পরিবর্তন
করে দিয়ে তাঁর নাম রেখেছেন আবু শুরাইহ ।

মহিলা সাহাবী যয়নব রাদিয়াল্লাহু আনহা এর নাম ছিল বার্রা ( ﺑَﺮَّﺓٌ -পূর্ণবতী)। তা শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন তুমি কি আত্মস্তুতি করছ?
তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নামও পরিবর্তন করে ‘যয়নব’ রাখলেন।

* রাসুল (স) বলেছেন ” কেউ যখন কারও অনুসরণ করে সে তাদের মধ্যে গন্য হবে”
তাই কোন চিত্রে অভিনয়কারী দের সাথে নাম মিলিয়ে রাখা বড় একটি পাপ, আর অভিনয় শিল্পী দের স্থান তো দোযখে! কেনো, তা হাদিস থেকে পরে জেনে নিতে পারবেন !

যাদের নাম অভিনয়শিল্পী দের নায়িকা দের সাথে মিল, তাদের সাথে ইমানদার মুসলিমের বিয়ে “নাম না পালটিয়ে” জায়েজ নয়। তাই সাবধান।

কেয়ামতের দিন বাবা ও মায়েরা তার সন্তান দের ভালো নাম না রাখার কারণে লজ্জিত হবেন।। তাই তাদেরকেও সতর্ক হতে হবে।

mom-baby-620x330

দেশ-বিদেশের সকল খবর,
ব্রেকিং নিউজ ও সমসাময়িক
ইসলামিক আলোচনা পেতে : রিপোর্ট 24 বিডি তে লাইক দিন ।

পবিত্র জুম্মার দিনে মোমিন মুসলমানগণের জন্যে কি কি করনীয়।

পবিত্র জুম্মার দিনে মোমিন মুসলমানগণের জন্যে কি কি করনীয়।

পবিত্র জুম্মাহ মোবারাক আজ আপনাদের সামনে পবিত্র জুম্মার ফজিলত সম্পর্কে পবিত্র আল কোরআন উল কারিম ও হাদিস শরিফ উনাদের থেকে কিছু আয়াত শরীফ এবং হাদিস শরীফ তুলে ধরবো। অজানায় হয়ে থাকা ভুল ত্রুটির জন্য অগ্রিম ক্ষমা চাচ্ছি মহান আল্লাহ্‌ পাক রাব্বুল আলামিন উনার নিকট তিনি ক্ষমা করুন।

মহান আল্লাহ্‌ পাক রাব্বুল আলামিন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরিফে ইরশাদ মোবারক করেনঃ মুমিনগণ, পবিত্র জুম্মার দিনে যখন নামাযের আযান দেয়া হয়, তখন তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণের পানে ত্বরা কর এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝো। অতঃপর পবিত্র নামায সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ তালাশ করো ও মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফলকাম হও।

– সূত্রঃ সুরাহ জুম্মাহ শরিফঃ আয়াত শরিফ ৯-১০}

এখন দেখি হাদীস শরিফে কি বলা হয়েছেঃ পবিত্র জুম্মার ‍দিনের মর্যাদাঃ হযরত আবু লুবাবা ইবনে আবদুল মুনযির (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) উনার থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, পবিত্র জুম্মার দিন সকল দিনের সর্দার। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সকল ‍দিনের চেয়ে মর্যাদাবান। পবিত্র কোরবানীর দিন ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়ে বেশী মর্যাদাবান।

আবু হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আমরা শেষে এসেছি কিন্তু কেয়ামতের দিন সকলের আগে থাকবো। যদিও অন্য সকল জাতিগুলো (ইহুদী ও খৃষ্টান) কে গ্রন্থ দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আমাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর জেনে রাখো এই (পবিত্র জুম্মার) দিনটি মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তিনি আমাদের দান করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে আমাদের সঠিক পথের দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে আমাদের পিছনে আছে। ইহুদীরা পবিত্র জুম্মার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খৃষ্টানেরা তার পরের দিন (রবিবার) উদযাপন করে। (বর্ণনায়ঃ বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)

পবিত্র জুম্মার দিন মুসল্মানদের জন্যে কি কি করনিয়।

আসুন আমরা সবাই পবিত্র জুম্মার দিনে আগে ভাগে পবিত্র মসজিদে যাই, আমি আপনি যদি একটু আগে ভাগে পবিত্র মসজিদে যাই তবে এর জন্য অনেক ফজিলত রয়েছে। পবিত্র হাদিস শরিফ উনার মধ্যে আছে পবিত্র জুম্মার দিনে আগে ভাগে পবিত্র মসজিদে গেলে দান-খয়রাত বা পশু কুরবানী করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়া যায়। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) উনার থেকে বর্ণিত এক হাদীস শরীফে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি পবিত্র জুম্মার দিন ফরজ গোসলের মত গোসল করে প্রথম দিকে পবিত্র মসজিদে হাজির হয়, সে যেন একটি উট কুরবানী করল, দ্বিতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি পবিত্র মসজিদে প্রবেশ করে সে যেন একটি গরু কুরবানী করল, তৃতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি পবিত্র মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ছাগল কুরবানী করল। অতঃপর চতুর্থ সময়ে যে ব্যাক্তি পবিত্র মসজিদে গেল সে যেন একটি মুরগী কুরবানী করল। আর পঞ্চম সময়ে যে ব্যাক্তি পবিত্র মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ডিম কুরবানী করল। অতঃপর ইমাম যখন বেরিয়ে এসে মিম্বরে বসে গেলেন খুৎবার জন্য, তখন ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা লেখা বন্ধ করে খুৎবা শুনতে বসে যান।” (বুখারী শরীফ ৮৮১, ইফা ৮৩৭, আধুনিক ৮৩০)

যে ব্যাক্তি আদব রক্ষা করে পবিত্র জুম্মার পবিত্র সালাত আদায় করে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে তার জন্য পুরো এক বছরের পবিত্র রোজা পালন এবং রাত জেগে সম্মানিত তাহাজ্জুদ পড়ার সমান সওয়াব লিখা হয়। আউস বিন আউস আস সাকাফী (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) উনার থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ পবিত্র জুম্মার দিন যে ব্যাক্তি গোসল করায় (অর্থাৎ সহবাস করে, ফলে স্ত্রী ফরজ গোসল করে এবং) সে নিজেও ফরজ গোসল করে, পূর্বাহ্ণে মসজিদে আগমন করে এবং নিজেও প্রথম ভাগে মসজিদে গমন করে, পায়ে হেঁটে মসজিদে যায় (অর্থাৎ কোন কিছুতে আরোহণ করে নয়), ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কোন কিছু নিয়ে খেল তামাশা করে না; সে ব্যাক্তির প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য রয়েছে বছরব্যাপী পবিত্র রোজা পালন ও সারা বছর রাত জেগে ইবাদত করার সমতুল্য সওয়াব।” (মুসনাদে আহমাদ শরীফঃ হাদিস শরীফঃ ৬৯৫৪, ১৬২১৮)।

আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন আমরা যখন মসজিদে যাই তখন সেখানে তিন ধরনের মানুষ দেখতে পাই, যা হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিম্নোক্ত হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হয়ঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, পবিত্র জুম্মার পবিত্র সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়।

(ক) এক ধরনের লোক আছে যারা পবিত্র মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করে, তারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না।

(খ) দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা পবিত্র জুম্মায় হাজির হয় সেখানে দু’আ মুনাজাত করে, ফলে মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না।

(গ) তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা পবিত্র জুম্মায় হাজির হয়, চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তার পবিত্র দুই জুম্মার মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা মহান আল্লাহ পাক তিনি মাফ করে দেন।” (আবু দাউদ শরীফঃ হাদিস শরীফ ১১১৩)

যে সকল মসলমান পবিত্র জুম্মার নামাজ অত্যন্ত আদবের প্রতি লক্ষ্য রেখে আদায় করেন, সেই সকল আদায়কারীদের জন্য পবিত্র দুই জুম্মার মধ্যবর্তী সময় গুনাহের কাফফারা স্বরূপ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, “পাঁচ বেলা সালাত আদায়, এক পবিত্র জুম্মার থেকে পরবর্তী পবিত্র জুম্মার, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজানের মধ্যবর্তী সময়ে হয়ে যাওয়া সকল (সগীরা) গুনাহের কাফফারা স্বরূপ, এই শর্তে যে, বান্দা কবীরা গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখবে।” (মুসলিম শরীফঃ হাদিস শরীফ ২৩৩)

পবিত্র জুম্মার দিনে কিছু করণীয় কাজ নিচে দেয়া হলোঃ

১/ ফজরের আগে গোসল করা।
২/ ফজরের ফরজ নামাজ়ে সূরা সাজদা [সিজদা] ও সূরা দাহর/ইনসান তিলাওয়াত করা।
৩/ উত্তম পোষাক পরিধান করা।
৪/ সুগন্ধি লাগানো।
৫/ প্রথম ওয়াক্তে পবিত্র মসজিদে যাওয়া।
৬/ পবিত্র সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা।
৭/ পবিত্র মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকা’আত সুন্নত নামাজ আদায় করা।
৮/ ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা।
৯/ মনযোগ দিয়ে খুৎবাহ শোনা। খুৎবাহ চলাকালীন সময়ে কোন ধরনের কোন কথা না ১০/ বলা; এমনকি কাউকে কথা বলতে দেখলে তাকে কথা বলতে বারণ করাও কথা বলার শামিল।
১১/ দুই খুৎবাহর মাঝের সময়ে দু’আ করা।
১২/ অন্য সময়ে দু’আ করা। কারণ এদিন দু’আ কবুল হয়।
১৩/ রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার উপর সারাদিন বেশী বেশী দরূদ শরীফ পাঠ করা।

পবিত্র জুম্মার দিনের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যঃ

১/ এই দিনে হযরত আদম আলাইহিস সালাম-কে সৃষ্টি করা হয়েছে।
২/ এই দিনে মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন হযরত আদম আলাইহিস সালাম-কে দুনিয়াতে নামিয়ে দিয়েছেন।
৩/ এই দিনে হযরত আদম আলাইহিস সালাম অফাত গ্রহণ করেছেন।
৪/ এই দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যে সময়ে হারাম ছাড়া যে কোন জিনিস প্রার্থনা করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তা প্রদান করেন।
৫/ এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। তাই আসমান, যমীন ও মহান আল্লাহ পাক উনার সকল নৈকট্যশীল ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা জুম্মার দিনকে ভয় করেন।

(ইবনে মাজাহ শরীফঃ মুসনাদে আহমদ শরীফ)

আপনি প্রতিদিন জামাতে সব সালাত আদায় করছেন তো ?? ইনশাআল্লাহ। আজ জুম্মাবার মনে রাখবেন এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের ৫ ওয়াক্ত নামাজী হওয়ার তৌফিক দিন আমিন।

jomma-mubarak

দেশ-বিদেশের সকল খবর,
ব্রেকিং নিউজ ও সমসাময়িক
ইসলামিক আলোচনা পেতে : রিপোর্ট 24 বিডি তে লাইক দিন ।

আপনি ও লিখুন রিপোর্ট 24 বিডিতে ( report24bd.com)

আপনার লেখা গুলো আর হারিয়া যাবেনা। যাদের লিখার প্রতিভা অছে কিন্তু লিখা পোস্ট এর জন্য কোনো ভালো ওয়েবসাইট নাই তারা লিখতে পারেন এই ওয়েবসাইটে, পোস্ট করুন 24 বিডি তে ( report24bd.com). আপনার লিখা পোস্ট করতে যোগাযোগ করুন আর ইচ্ছা মত পোস্ট করুন।

 

writers>>>>এখানে ক্লিক করুন <<<<

বিএনপি একটা শয়তান মুক্ত হলো

12115644_434619463396585_8686551694761003546_nতিনি—–
(১) ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র” এর একজন চিহ্নিত সেবাদাস,
(২) তারেক রহমানকে নেতৃত্ব থেকে বাইরে রাখার চক্রান্তকারীদের একজন,
(৩) বিএনপির ভেতর গুরুত্বপুর্ন যেকোন সিদ্ধান্ত সরকারকে সার্বক্ষনিক ইনফর্মকারী,
(৪) ক্ষমতায় থাকাকালীন বিএনপিকে আন্তর্জাতিক মহলে একঘরে করে ফেলার কারিগর,
(৬) বিএনপির ভেতর রাম-বাম গ্রুপের নেতৃত্বদানকারী এবং
(৫) একজন চিহ্নিত মাতাল।
জ্বি, শমসের মবিন চৌধুরীর কথাই বলছি। এই লোক আপন স্বার্থ হাসিলের জন্য বিএনপিতে যোগ দিয়ে এতবছর বিএনপিকে আড়াল থেকে ক্ষতবিক্ষত করেছে। এর সম্পর্কে আমি ব্যাক্তিগতভাবে এবং আমার মত অনেক ভাইরা অনেকবার বিএনপিকে সতর্ক করেছে। কিন্তু বিএনপি বা খালেদা জিয়া শোনননি। শোনা যাচ্ছে, সম্প্রতি মবিনের মাইনাস ‘খালেদা-তারেক’ এবং বিএনপি বিরোধী ঘোরতর চক্রান্তের প্রমান তারেক রহমানের হাতে পৌছে। আর তাই টের পেয়ে, এই শয়তান নিজ থেকেই পলায়ন করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ…….. বিএনপি একটা শয়তান মুক্ত হলো ।

আগামী ১৫ নভেম্বর ফের রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ

গতকাল চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পার্বতীপুর হাইস্কুল মাঠে হেফাজতের বিভাগীয় মহাসমাবেশ থেকে ১৫ নভেম্বরের এ মহাসমাবেশের ঘোষণা দেয়া হয়। এতে বাধা দিলে পরে হরতালের মতো কর্মসূচি দেয়া হবে বলেও হাটহাজারীর মহাসমাবেশ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়। একই সঙ্গে শাপলা চত্বরের ১৫ নভেম্বর এ মহাসমাবেশের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে ৭ নভেম্বর সিলেট, ৮ নভেম্বর খুলনায় মহাসমাবেশ করার পাশাপাশি সারাদেশে জেলা পর্যায়ে সমাবেশ করার ঘোষণা দেন হেফাজত নেতারা মহাসমাবেশে অবিলম্বে শাপলা চত্বরের গণহত্যার বিচার, রাসুলের বিরুদ্ধে কটূক্তিকারী ব্লগার ও নাস্তিকদের বিচারের মাধ্যমে ফাঁসির দাবি জানানো হয়। অন্যথায় এদেশের সর্বস্তরের মুসলিম তৌহিদি জনতা তাদের ঈমানি শক্তি দিয়ে ওইসব নাস্তিক-মুরতাদদের কঠোরহস্তে প্রতিহত করবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। গতকালে হাটহাজারীর এ মহাবেশে লাখো আলেম-ওলামা ও তৌহিদি জনতার ঢল নামে। এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন দেশ শীর্ষ আলেম ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী। মহাসমাবেশ থেকে আগামী ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দেয়া হয়। এতে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে ইসলাম ও সত্য কথা লেখার কারণে আটক রাখা হয়েছে দাবি করে অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করেন হেফাজতের নেতারা। অন্যথায় বন্ধ মিডিয়া খুলে দিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কঠোর কর্মসূচি দেবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। প্রসঙ্গত মতিঝিলের শাপলা চত্বরেই ব্লগে আল্লাহ, রাসুল (স.) ও পবিত্র কোরআন নিয়ে অত্যন্ত জঘন্য ভাষায় কটূক্তির দায়ে নাস্তিক ব্লগারদের ফাঁসিসহ ১৩ দফা দাবিতে গত ৬ এপ্রিল ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ ও পরে ৫ মে ঢাকা অবরোধের পর বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের বিশাল জনসমাগম ঘটিয়ে দেশে- বিদেশে আলোচনার শীর্ষে উঠে আসে অরাজনৈতিক এ সংগঠনটি। তবে ৫ মে’র সমাবেশ লাখ লাখ আলেম-ওলামা ও তৌহিদি জনতার ওপর রাতের আঁধারে আইনশৃঙ্খল বাহিনী বর্বর গণহত্যা চালালে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ গণহত্যার পর হেফাজতে ইসলাম ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও গত ছয় মাসে বিভিন্ন সভা-সমাবেশের মাধ্যমে নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করে। তবে ১৫ নভেম্বর আবারও শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়ে নতুন করে নিজেদের শক্তিমত্তা প্রকাশের ঘোষণা দিল হেফাজত।গতকাল হাটহাজারীর মহাসমাবেশ থেকে হেফাজতের নেতারা হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন, হত্যা ও নির্যাতনের মাধ্যমে শাপলা চত্বর থেকে আলেম-ওলামাদের উচ্ছেদ করা হয়েছিল। সেই শাপলা চত্বরেই আবার তারা জমায়েত হবেন। এই সমাবেশে বাধা দিলে সরকারকে এর কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। কওমি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আইন পাস থেকে সরকারকে বিরত থাকা, উলামা-মাশায়েখ ও কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা ও কটূক্তি বন্ধ, সংসদ বহাল থাকতেই সংবিধান সংশোধন করে আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা, ইসলাম ও মহানবী (সা.)-এর কটূক্তিকারীদের ফাঁসির আইন পাস, ওলামায়ে কেরাম ও ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের হয়রানি, মিথ্যা মামলা ও দমন-পীড়ন বন্ধ করাসহ ১৩ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে গতকাল হাটহাজারীতে ওই মহাসমাবেশ করা হয়। গতকালের মহাসমাবেশে হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেন, হেফাজতের ১৩ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। দেশ বর্তমানের চেয়ে অনেক ভালো চলবে। আমাদের ১৩ দফায় কোনো মারামারি, হানাহানি, মিথ্যাচার, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী নেই। ওলামায়ে কেরাম সবসময় দুর্নীতি, মিথ্যাচার, সন্ত্রাস, হানাহানি ও জোর-জুলুমের বিরুদ্ধে। ১৩ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশের শ্রমিকরা ন্যায্য অধিকার পাবে। গামেন্টকর্মীরা তাদের নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন-ভাতাসহ তাদের সব অধিকার ফিরে পাবে।
তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে সরকারের কিছু মন্ত্রী, এমপি ও কর্তাব্যক্তিরা মিথ্যাচার ও কটূক্তি করে যাচ্ছেন। আমি যা বলেছি, তা ঠিকমত প্রকাশ না করে তারা মিথ্যা ও কারসাজির আশ্রয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আমি মহিলাদের ফুলের সঙ্গে তুলনা করেছি। রানীর সঙ্গে তুলনা করেছি। তারা মায়ের জাত। ওলামায়ে কেরাম সবসময় নারী জাতির সম্মান, ইজ্জত ও নিরাপত্তার কথা বলে থাকেন। ইসলাম নারীকে যে মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছে, কোনো ধর্ম সে সম্মান দেয়নি। হেফাজতের আমির বলেন, আমাদের ঈমানি আন্দোলনে শাপলা চত্বরসহ সারাদেশে যারা শহীদ হয়েছেন, জুলুম-অত্যাচার, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, আহত হয়েছেন তাদের আল্লাহ কবুল করুন। তিনি একই সঙ্গে বলেন, ৫ মে রাতে শাপলা চত্বরে দেড় লাখ গুলি খরচ হয়েছে।

Screenshot_1

দেশ-বিদেশের সকল খবর,
ব্রেকিং নিউজ ও সমসাময়িক
ইসলামিক আলোচনা পেতে : রিপোর্ট 24 বিডি তে লাইক দিন ।

 

কষ্টগুলো হলো আগুন ….

যদি কষ্টগুলো কাগজ হতো…
তাহলে আগুন দিয়ে সব কষ্ট পুড়িয়ে দিতাম |
কিন্তু ….
কষ্টগুলো হলো আগুন ….
যা আমাকেই কাগজের মতো পুড়িয়ে ছায় করে
দেয় !

emotional-pain

(সংগৃহীত)

ভালোবাসা মানে কি?

ভালোবাসা যৌনতা নয়,
ভালোবাসা হচ্ছে একটা পবিত্র সম্পর্ক
যেখানে কোনও পাপের ছায়া থাকেনা।
থাকে শুধু অনাবিল বিশ্বাস।
কেউ যদি মনে কর ভালোবাসা মানেই যৌনতা
তাহলে তুমি আদৌ জাননা ভালোবাসা মানে কি।

ad6aeab5-0f72-4541-b19e-8476283dc89c

(সংগৃহীত)

মসজিদের পাশে পুজা মণ্ডপ !!!!!

12038034_509660865875991_631766760606775616_n

মসজিদের পাশে পুজা মণ্ডপ, !!!!!
এটা বাংলাদেশেরই ছবি

কিন্তু কোন মুসলমান প্রতিবাদ করেনি ,
অন লাইনে এইটা নিয়ে কেউ কোন কথা বলে নাই ।
পিনাকিরাও টু শব্দ করে নাই, কারণ এটা মুসলমানদের অনুভূতির বিষয় তাই তারা কোন কথা বলছে না ।
মন্দিরের সামনে যদি গরু জবাই করা সাম্প্রদায়িক হয় তাহলে এটা কি ??
এতে কি মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত হয়নি
আমরাই মুসলমান, তোদের মতো এতো ছোট মনে না। মসজিদের পাশে মণ্ডপ বানালেও সেখানে কোন দাঙ্গা হামলা হয়নি, হবেও না।
কারণ আমাদের ধর্ম আমাদের শিক্ষা দিয়েছে অমুসলিমদের সাথে কিরূপ ব্যবহার করতে হয়।
এর চেয়ে অসাম্প্রদায়িক ধর্ম আছি কি ?
আমি সেই ধর্মেরই অনুসারী
ছবিটি লালমনির হাটের ।

একবিংশ শতাব্দীতে পুরো পৃথিবীর বুকে এ এক অতি বিরল দৃষ্টান্ত

1508094_912187402207234_4013867669514100651_n

আপনারা ভ্যান চালকের আসনে হলুদ ফতুয়া পরা যাকে দেখতে পাচ্ছেন তার নাম মোঃ আখের, তিনি পেশায় ভ্যানচালক হলেও তার অনেক বড় একটি পরিচয় হচ্ছে তিনি রাজবাড়ি জেলার কালুখালী থানার; রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত গত ইউপি নির্বাচনে আপামর জনগণের ভোটে নির্বাচন সম্মানিত বর্তমান মেম্বার সাহেব !!!

রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে বসবাসরত জনগণের প্রতিনিধি হয়েও, আখের সাহেবের নেই কোন আখের গোছানোর চিন্তা বা ক্ষমতার লোভ কিংবা চাল-ডাল-গম-অর্থ চুড়ির কোন প্রকার মোহ; তাই তিনি অদম্য শরীরের শক্তি বিনিয়োগ করে সারাদিন মাইলের পর মাইল প্যাডেল মেরে ভ্যান চালিয়ে নিজের জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন |

বর্তমান পৃথিবীর ক্রমবর্ধমান ব্যাপক দূর্ণীতির ধারায়, চুরি বিদ্যায় ধাবিত না হয়ে তিনি অতি বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে কোন প্রকার স্বার্থ ছাড়াই; ছাপোষা ভলান্টারের মত নিঃস্বার্থভাবে রতনদিয়া ইউনিয়নবাসীর জন প্রতিনিধি হয়ে নিরলসভাবে তাদের সেবা করে যাচ্ছেন |
যেখানে আখের মেম্বারের জায়গায় অন্য কেউ হলে, ঠিক নির্বাচনে জেতার পরের দিনই একটি মোটর সাইকেল কিনে তার ভ্যানটি ফেলে দিতেন সদ্য অর্জনকৃত সম্মানিত মেম্বার পরিচয়ের পাশ থেকে; অথচো অতি নির্লিপ্ততায় তিনি সগৌরবে আজও তার ভ্যানচালক পরিচয়টি বহন করে চলেছেন তার স্বীয় মাটির মানুষ তুল্য অসাধারণ ব্যাক্তিত্বে |

একবিংশ শতাব্দীতে পুরো পৃথিবীর বুকে এ এক অতি বিরল দৃষ্টান্ত, সত্যিই আজ আমার অতি উন্নত শির নত অসাধারণ আখের মেম্বার সাহেবের তরে; ইশশশশশশ আমাদের দেশের সর্বদলীয় রাজনীতিতে যদি এমন আর কয়েকজন আখের মেম্বার থাকতো….!!!
সালাম আখের মেম্বার সাহেব, আপনাকে শত-সহস্র-লাখো-কোটি সালাম; এই একবিংশ শতাব্দীর মহাকালে আপনিই আমাদের বাংলাদেশ ||

বি: দ্র: তিনি শুধু জনগণের ভোটে নির্বাচিত ইউপি মেম্বারই নন, তিনি অত্র কালুখালী থানা ভ্যান চালক সমিতির বর্তমান সভাপতি; এবং কালুখালী এলাকায় একজন বেকায়দা জনপ্রিয় সাধারণ মানুষ আখের ভাই |

ছবি কৃতজ্ঞতা : Tito Chowdhury
তথ্য সংবর্ধনে : Rinku Ahmed
পোষ্ট কার্টেসি : শিমুল খান

দেশ-বিদেশের সকল খবর,
ব্রেকিং নিউজ ও সমসাময়িক
ইসলামিক আলোচনা পেতে : রিপোর্ট 24 বিডি তে লাইক দিন ।