ঘরোয়া উপায়ে দূর করে ফেলুন যন্ত্রণাদায়ক পাইলস রোগ

পাইলস রোগ:

পাইলস বা হেমোরয়েড খুব পরিচিত একটি রোগ। প্রায় ঘরে এই রোগ হতে দেখা দেয়। সারাবিশ্বে ৫৫% মানুষ এই রোগে ভুগে থাকেন। বিশেষত ৪৫ থেকে ৬৫ বয়সী মানুষেরা এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। বর্তমান সময়ে সব বয়সী মানুষের এই রোগ হতে দেখা দেয়। মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, মলদ্বার ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ সমস্যা। পারিবারিক ইতিহাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, কম ফাইবারযুক্ত খাবার, স্থূলতা, শারীরিক কার্যকলাপ, গর্ভাবস্থায়, এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা ইত্যাদি কারণে পাইলস দেখা দেয়। সাধারণত ওষুধ, অপারেশন পাইলসের চিকিৎসা হয়ে থাকে। এর সাথে কিছু ঘরোয়া উপায় এই সমস্যা সমাধান করা যায়।

                                             চিকিৎসা  

১। বরফ

ঘরোয়া উপায়ে পাইলস নিরাময় করার অন্যতম উপায় হল বরফ। এটি রক্তনালী রক্ত চলাচল সচল রাখে এবং ব্যথা দূর করে দেয়। একটি কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে ১০ মিনিট রাখুন। এটি দিনে কয়েকবার করুন।

২। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার

একটি তুলোর বলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। শুরুতে এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করবে, কিছুক্ষণ পর এই জ্বালাপোড়া কমে যাবে। এটি দিনে কয়েকবার করুন। অভ্যন্তরীণ হেমোরয়েডের জন্য এক চা চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি দিনে দুইবার পান করুন। এরসাথে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিতে পারেন।

 

৩। অ্যালোভেরা

বাহ্যিক হেমোরয়েডের জন্য অ্যালোভেরা জেল আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি জ্বালাপোড়া দূর করে ব্যথা কমিয়ে দেবে। আভ্যন্তরীণ হেমোরয়েডের ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা পাতার কাঁটার অংশ কেটে জেল অংশটুকু একটি প্ল্যাস্টিকের প্যাকেটে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এবার এই ঠান্ডা অ্যালোভেরা জেলের টুকরো ক্ষত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এটি জ্বালাপোড়া, চুলকানি দূর করে দেবে।

৪। অলিভ অয়েল

প্রতিদিন এক চা চামচ অলিভ অয়েল খান। এটি দেহের প্রদাহ হ্রাস করে এবং মোনোস্যাচুরেটেড চর্বি উন্নত করে থাকে। এছাড়া কিছু বরই পাতা গুঁড়ো করে অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে নিন। এটি আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

৫। আদা এবং লেবুর রস

ডিহাইড্রেশন হেমোরয়েডের অন্যতম আরেকটি কারণ। আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রিত জুস দিনে দুইবার পান করুন। এটি নিয়মিত পান করুন। এটি শরীর হাইড্রেটেড করে পাইলস দূর করে দেয়। এছাড়া দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন।

যদি ওজন কমাতে চান আজ থেকেই বর্জন করুন কিছু খাবার

ওজন:

ওজন কমানোর বেশ যন্ত্রণাদায়ক একটি কাজ। কারণ যত দ্রুত ওজন বৃদ্ধি পায় তত দ্রুত ওজন কমানো যায় না। এই ওজন কমানোর জন্য চলে কত ডায়েট, কত ব্যায়াম আর কত কী! ওজন কমানোর জন্য কত খাবারই না খেয়ে থাকেন। কিছু খাবার আছে যা ওজন কমানোর সময় একদমই খাওয়া উচিত নয়। এমন কিছু খাবারের নাম নিয়ে আজকের এই ফিচার।

                                                 খাবার 

 

১। পটেটো চিপস এবং ফ্রেঞ্চ ফ্রাই

ওজন কমাতে চাইলে আপনার প্রিয় পটেটো চিপস এবং ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খাওয়া আজই বন্ধ করুন। ভাজা পটেটো চিপস উচ্চ ক্যালরি, ফ্যাট থাকে যা রক্তে সুগার এবং ইনসুলিন বৃদ্ধি করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে এক আউন্স পটেটো চিপস ১.৬৯ পাউন্ড ওজন বৃদ্ধি করে থাকে। আপনি আলু পছন্দ করলে চিপসের পরিবর্তে আলু সিদ্ধ খেতে পারেন।

২। ডায়েট সোডা

ওজন কমানোর জন্য এই কাজটি প্রায় সবাই করে থাকে। কিন্তু আপনি কি জানেন ডায়েট সোডার আর্টিফিশিয়াল সুগার আপনার ওজন আরও বৃদ্ধি করছে? ২০১৫ সালে American Geriatrics Society একটি জার্নাল প্রকাশ করেন যে, যারা ডায়েট সোডা পান করেন তাদের পেটের মেদ তিনগুণ বৃদ্ধি পায় নয় বছরে যারা সাধারণ সোডা পান করে থাকেন। এছড়া এটি ডায়াবেটিস, হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

 

৩। পাউরুটি

পাউরুটিতে অন্যতম শর্করা জাতীয় খাবার হলেও এর কোন পুষ্টিগুণ নেই। এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি রয়েছে যা আপনার ক্ষুধা লাগার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যারা নিয়মিত বেশি পরিমাণে পাউরুটি খেয়ে থাকেন, ১২ বছরের মধ্যে তাদের ওজন বৃদ্ধি পায় অতিরিক্ত পরিমাণে।

৪। সালাদ ড্রেসিং

ওজন কমানোর জন্য অনেকেই সালাদ খেয়ে থাকেন। কিন্তু এই সালাদে ব্যবহৃত কমার্শিয়াল সালাদ ড্রেসিং আপনার ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট এবং ক্যালরি থাকে। কিছু সালাদ ড্রেসিং এ বাদাম, কিশমিশ থাকে, যা ওজন বৃদ্ধি করে।

৫। প্যাকেট ফ্রুট জুস

ফ্রেশ ফলের রসে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান থাকে যা শরীরে শক্তি প্রদান করে। কিন্তু বাজারে প্যাকেটজাত ফলের রসে ফ্রুক্টোজ নামক উপাদান রয়েছে যা ওজন বৃদ্ধি করে থাকে। মূলত বাজারে আর্টিফিশিয়াল ফলের রস চিনি, পানি এবং কেমিক্যালের সংমিশ্রণে সৃষ্টি এক প্রকার পানীয়। তাই বাজারের ফলের রসের পরিবর্তে তাজা ফলের রস খাওয়ার অভ্যাস করুন।

দেখে নিন কম খাবার খেয়ে কিভাবে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখা যায়

খাবার:

আপনার খাওয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি আপনার ক্ষুধা থেকে যায় তাহলে আপনি কি খাচ্ছেন তার দিকে নজর দেয়া প্রয়োজন। পুষ্টিকর খাবার খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে সঠিক খাবার খাওয়া শুধু আপনার প্রাত্যহিক পুষ্টির চাহিদাই পূরণ করবে না সারাদিনে আপনার পেটভরা রাখতেও সাহায্য করবে। এর ফলে জাংক ফুড খাওয়া থেকেও দূরে থাকতে পারবেন। গবেষণায় জানা যায় যে, যারা প্রোটিন বেশি পরিমাণে গ্রহণ করেন তাদের দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। তাই বলে শুধু প্রোটিন খেলেই হবেনা। শরীরের জন্য প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার এবং ফ্যাট এর ভারসাম্য প্রয়োজন। যে খাবারগুলো কম করে খেলেও দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে সেগুলো হচ্ছে :

                                   খাবার

১। ডিম

ডিমে উচ্চমাত্রার প্রোটিন থাকে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে অত্যাবশ্যকীয় খনিজ, ভিটামিন ও ফ্যাট থাকে যা এনার্জি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয়। ডিম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার।

২। মাছ

মাছ শুধু ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডেই সমৃদ্ধ নয় বরং এতে প্রোটিন ও থাকে যা অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। দুপুরে বা রাতে আপনার পছন্দের খাবারের সাথে মাছ খান। এর ফলে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়ার সাথে সাথে ক্ষুধামুক্ত থাকতেও সাহায্য করবে আপনাকে।

৩। অঙ্কুরিত বীজ এবং মটরশুঁটি

যারা সবজি খেতে পছন্দ করেন তাদের জন্য অঙ্কুরিত বীজ এবং মটরশুঁটি হতে পারে প্রোটিনের চমৎকার উৎস। এগুলো আপনাকে পেট ভরা রাখার অনুভূতি দেবে এবং অনিয়মিত খাওয়া থেকেও আপনাকে দূরে থাকতে সাহায্য করবে।

 

৪। সয়া পণ্য

সয়া পণ্য যেমন সয়া দুধে অসাধারণ পুষ্টি উপাদান থাকে যা আপনাকে স্বাস্থ্যবান থাকতে সাহায্য করে। এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট ও থাকে। এতে খুব কম পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে এবং কোলেস্টেরল থাকেই না।

৫। দুগ্ধজাত পণ্য

পনির, মাখন, দই ও মাঠার মত দুগ্ধ জাতীয় পণ্য ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটের উৎস। আপনার খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন এই খাবারগুলো।

৬। মুরগীর মাংস

মুরগীর মাংস প্রোটিনের চমৎকার উৎস। এতে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে বলে খাওয়াও নিরাপদ।

৭। পানি

পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। দিনের প্রধান খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করুন।  নিউ ইয়র্কের হেরিসনের রেজিস্টার্ড ডায়েটেশিয়ান এলিজাবেথ ডি রবারটিস বলেন, “পানি  আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ, অস্থি সন্ধি, পেশী এবং পরিপাক তন্ত্রকে ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। পানি ক্ষুধা দূর করতেও সাহায্য করে”।

খাবার ধীরে ধীরে ও ভালো করে চিবিয়ে খেলে তৃপ্তি পাওয়া যায় এবং কম খেয়েও পেট ভরে যায়। মসলাযুক্ত খাবার খেলে ক্ষুধা কমে এবং বিপাক উদ্দীপ্ত হয়।

 

জেনে নিন বিসমিল্লাহ শব্দের নাযিলের কাহিনী এবং এর ফজিলত

বিসমিল্লাহ :

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। সমস্ত প্রশংসাই আল্লাহ সুবহানাওয়াতায়ালার। দরুদ ও সালাম আল্লহর প্রেরিত রসূল (সাঃ) এর প্রতি।
তাফসীর-ই-ইবনে আবি হাতিমে বলেছে যে, হযরত ওসমান বিন আফফান (রাঃ) রাসূল (সাঃ) কে ‘বিসমিল্লাহ’ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেনঃ ‘এতো আল্লাহতায়ালার নাম। আল্লাহর বড় নাম এবং এই বিসমিল্লাহ এর মধ্যে এতদূর নৈকট্য রয়েছে যেমন রয়েছে চক্ষুর কালো অংশ ও সাদা অংশের মধ্যে।’
ইবনে মরদুওয়াই এর তাফসিরে রয়েছে যে; রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘আমার উপর এমন একটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে যার মত আয়াত হযরত সোলাইমান ছাড়া অন্য কোন নবীর উপর অবতীর্ণ হয় নাই। আয়াতটি হল “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”।

                                             আল কুরআন

হযরত জাবির (রাঃ) বর্নণা করেন যে, যখন এ আয়াতটি নাযিল হয় তখন পূর্ব দিকে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায়, বায়ুমন্ডলী স্তব্ধ হয়ে যায়, তরঙ্গ বিক্ষুব্দ সমুদ্র প্রশান্ত হয়ে উঠে, জন্তু গুলো কান লাগিয়ে মনযোগ সহকারে শুনতে থাকে, আকাশ থেকে অগ্নিশিখা নিক্ষিপ্ত হয়ে শয়তানকে বিতারন করে এবং বিশ্ব প্রভু স্বীয় সন্মান ও মর্যাদার কছম করে বলেনঃ ‘যে জিনিসের উপর আমার এ নাম নেওয়া যাবে তাতে অবশ্যই বরকত হবে।’
হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন যে, দোযখের ১৯টি দারোগার হাত হতে যে বাঁচতে চায় সে যেন ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ পাঠ করে। এতেও ঘটেছে ১৯টি অক্ষরের সমাবেশ। প্রত্যেকটি অক্ষর প্রত্যেক ফেরেশতার জন্য রক্ষক হিসেবে কাজ করবে।’
মুসনাদ-ই-আহমাদের মধ্যে রয়েছে, রাসূল (সাঃ) এর সোয়ারীর উপর তাঁর পিছনে যে সাহাবী (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন তাঁর বর্ণনাটি এইঃ ‘রাসুল (সাঃ) এর উষ্ট্রীটির কিছু পদস্খলন ঘটলে (হোঁচট খেলে) আমি বললাম যে শয়তানের সর্বনাশ হোক।
তখন তিনি বললেন, এরূপ বলোনা, এতে শয়তান গর্বভরে ফুলে উঠে এবং মনে করে যে, যেন সে-ই স্বীয় শক্তির বলে ফেলে দিয়েছে। তবে হাঁ ‘বিসমিল্লাহ’ বলাতে সে মাছির মত লাঞ্ছিত ও হৃতগর্ব হয়ে পরে।’ ইমাম-নাসাঈ (রঃ) স্বীয় কিতাব ‘আমালুল ইয়াওমে ওয়াল লাইলাহ’ এর মধ্যে এবং ইবনে মরদুওয়াই (রঃ) স্বীয় তাফসীরের মধ্যে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং সাহাবীর নাম বলেছেন ওসামা-বিন-ওমায়ের (রাঃ)।
হাদীসে আছে যে ‘বিসমিল্লাহ’ এর দ্বারা কাজ আরম্ভ করা না হয় তা কল্যাণহীন ও বরকত শূন্য থাকে।
 হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুল (সাঃ) বলেছেন – যে ব্যাক্তি ওযুর সময় বিসমিল্লাহ বলে না তার ওযু হয় না।
রাসূল (সাঃ) হযরত ওমার বিন আবুসালামা (রাঃ) কে বলেনঃ ‘বিসমিল্লাহ বলে খাও, ডান হাতে খাও এবং তোমার সামনের দিক থেকে খেতে থাক।’
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এর অর্থঃ- ‘পরম করুনাময় ও অসীম মেহেরবান আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি।’
ইবনুল মোবারাক বলেন, ‘রহমান’ তাঁকেই বলে যাঁর কাছে চাইলে তিনি দান করেন, আর ‘রাহিম’ তাঁকে বলে যাঁর কাছে না চাইলে তিনি রাগ্বান্বিত হন। জামে’উত তিরমিযীতে আছে যে, আল্লাহতায়ালার নিকট যে ব্যাক্তি চায় না তিনি তার প্রতি রাগ্বান্বিত হন।

সহজ কিছু ম্যাসাজের মাধ্যমে দূর করে ফেলুন শরীরের অপ্রত্যাশিত ব্যথা

ম্যাসাজ:

শরীরের নাম মহায়শ, যা সওয়াবে তাই সয়- এটা সব সময় খাটে না। শরীর আছে যখন, ব্যথা-বেদনাও থাকবেই। শরীরের এই ব্যথা তুঙ্গে উঠলে মাঝে মাঝে মনে হয় শরীর মালিশ করে দেবার জন্য একজন সহকারী থাকা বুঝি খুব দরকার! না, সহকারী দরকার হবে না। কিছু কৌশল জানা থাকলে নিজেই নিজের শরীর ম্যাসাজ করে নিতে পারেন, সেই ব্যথা যেখানেই হোক না কেন। চলুন দেখে নিই সেসব কৌশল।

                                              ম্যাসাজ     

১) টেনিস বল
পায়ের পেশী টানটান আড়ষ্ট হয়ে আছে, কিছুতেই শিথিল করতে পারছেন না। এক্ষেত্রে একটি দেয়ালে হাত রেখে ভর দিয়ে দাঁড়ান এবং পায়ের ধনুকের মতো বাঁকানো অংশের নিচে একটা টেনিস বল রাখুন। আপনার পা ছোট হলে গলফ বল রাখতে পারেন। ধীরে ধীরে বলের ওপর শরীরের ভার দিতে থাকুন। পায়ের নিচে গড়িয়ে নিন। দেখবেন আরাম লাগছে। এছাড়া হিপ, শোল্ডার ব্লেডের মাঝামাঝি জায়গা অথবা পিঠের নিচের দিকের ব্যথা দূর করতেও টেনিস বল কাজে লাগাতে পারেন। মেঝেতে বল রেখে এর ওপর শুয়ে পড়ুন এবং ধীরে ধীরে এর ওপরে গড়িয়ে নিন। ক্লান্ত হাতের স্ট্রেস দূর করতে একটা টেনিস বল হাতের মুঠোয় শক্ত করে রেখে চাপ দিন।দেখবেন ভালো লাগসে|

৫) খাবার পরে পেটে হাত বোলানো
আপনি হয়তো বিয়েবাড়িতে গিয়ে প্রায়ই দেখেন মোটাসোটা ভুঁড়িওয়ালা কোনো ব্যক্তি খাওয়া শেষে আরাম করে পেটে হাত বোলাচ্ছেন। এতে আপনার হাসির উদ্রেক হলেও কাজটি কিন্তু উপকারী। এক হাত বা দুই হাতের তালু ক্লকওয়াইজ পেটের ওপর ঘুরিয়ে মাসাজ করুন। এতে হজম সহজ হবে।

৬) ব্যায়ামের আগে-পরে
ব্যায়ামের আগে-পরে শরীর ওয়ার্ম আপ করে নিতে হয় যাতে ইনজুরি এড়ানো যায়। এর জন্য ম্যাসাজ সহায়ক। হাত ও পায়ের মাসল হাতের মুঠো দিয়ে আলতো করে পিটিয়ে নিন। এবার ব্যায়াম শুরু করুন।

৭) ক্লান্ত চোখ
সারাদিন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা চোখেরও আরাম দরকার। এর জন্য দ্রুত দুই হাতের তালু ঘষে গরম করে নিন। এবার প্রতি চোখের ওপর হাতের তালু দিয়ে রাখুন। এই উষ্ণতা শান্তি দেবে। চোখের আশেপাশে ম্যাসাজ করেও নিতে পারেন।

৮) ঘরে তৈরি হিটিং প্যাড
একটা মোজার তিন চতুর্থাংশ ভরে নিন চাল দিয়ে। এটাকে গিঁট দিয়ে বা রাবার ব্যান্ড দিয়ে আটকে নিন। এবার মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ২ মিনিট গরম করে নিন। এরপর মাসলে ঘষে নিন ব্যথা দূর করার জন্য।

এছাড়াও যা করতে পারেন-
– হাতে লোশন মাখার সময়ে হাত মাসাজ করে নিন
– সাইনাসের ব্যথা হলে নাক ও কপাল মাসাজ করুন আঙ্গুল ঘুরিয়ে
– হাতের মাসল ব্যথা করলে ট্রাইসেপ চিমটি কাটুন
– ঘাড়ের আড়ষ্টতা দূর করতে নিজেকে জড়িয়ে ধরুন
– অল্প অল্প করে চুল টেনে নিলে মাথাব্যথা কমে যাবে
– রাতে ঘুমানোর আগে পা মাসাজ করে নিন ল্যাভেন্ডার তেল দিয়ে

ভিন্ন স্বাদের কিছু বিরানি , না শিখলে মিস করবেন

বিরানি:

গতানুগতিক বিরানি চেয়ে একটু ভিন্ন স্বাদে চমকে দিন সবাইকে।আজ থাকলো ভিন্ন ধরনের বিরানির রেসিপি।

খাসির লেগ রোস্টের বিরানি :

 

 

উপকরণ

আস্ত মাটন লেগ রোস্ট ১টি, পেঁপে বাটা ২ টেবিল চামচ, দই ১ কাপ, বিরিয়ানির মসলা ৪ টেবিল চামচ, আদা বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন ১ টেবিল চামচ, লবণ ২ চা চামচ, লং ১০টি, এলাচ ৬টি, দারুচিনি ৪টি, গোটা গোলমরিচ ১ টেবিল চামচ, চাল ১ কেজি, পানি ১ লিটার, মাখন ১ কাপ।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. মাটন লেগ রোস্টের সঙ্গে পেঁপে বাটা, দই, আদা ও রসুন বাটা, লবণ দিয়ে মেরিনেট করে সারা রাত রেখে দিন।

২. এখন মাখন গরম করে তাতে গোটা গরম মসলার ফোড়ন দিন।

৩. এবার মাটন লেগ রোস্ট ভাজুন।

৪. পানি দিয়ে মাটন সিদ্ধ করুন।

৫. সিদ্ধ হলে মাটন উঠিয়ে নিন।

৬. আরেকটি ফ্রাইপ্যানে মাখন দিয়ে মাটন ভাজা ভাজা করে রাখুন।

৭. অন্যদিকে মাটন সিদ্ধ করা পানিতে চাল দিয়ে পোলাও রান্না করুন।

৮. রান্না হলে নামিয়ে পোলাওয়ের ওপর খাসির লেগ রোস্ট দিয়ে পরিবেশন করুন।

ওউজি বিরানি:

 

ধাপ : ১

উপকরণ

খাসির মাংস ১ কেজি, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, দই আধা কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, মাখন সিকি কাপ।

মাংস রান্না : মাংস কেটে তাতে গরম মসলা গুঁড়া , দই, গোলমরিচের গুঁড়া, লবণ দিয়ে সারা রাত মেরিনেট করে রেখে দিন। মেরিনেট শেষে তাতে দেড় লিটার পরিমাণ পানি দিয়ে সিদ্ধ করুন। সিদ্ধ হয়ে গেলে পানি থেকে উঠিয়ে নিন। এরপর ফ্রাইপ্যানে মাখন গরম করে তাতে মাংসগুলো ভেজে নিন।

ধাপ : ২

উপকরণ

চাল ১ কেজি, পানি দেড় লিটার, কিশমিশ ১ টেবিল চামচ, লবণ ১ চা চামচ, দুধ ১ কাপ, মাখন সিকি কাপ।

পোলাও রান্না : সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পোলাওয়ের মতো রান্না করুন। রান্না হয়ে গেলে তাতে ধাপ-১ করা মাংস দিয়ে ৫ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে নিন।

ধাপ : ৩

উপকরণ

ময়দা ৩ কাপ, পানি ১ লিটার, ইস্ট ১ চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. সব উপকরণ মাখিয়ে ডো বানান।

২. এখন রুটির মতো বেলে তাতে ধাপ-২-এর রান্না করা বিরিয়ানি রাখুন।

৩. রুটি দিয়ে বিরিয়ানি ঢেকে ১০ মিনিটের জন্য প্রিহিট করা ওভেনে ১৬০ ডিগ্রিতে বেক করুন।

৪. এরপর পরিবেশন করুন।

কয়লা চিকেন স্টেক বিরানি:

উপকরণ

মুরগির স্টেক ৪ পিস, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, সাদা সরিষা বাটা ৪ চা চামচ, দই ৩ টেবিল চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া ২ চা চামচ, পাপরিকা ১ চা চামচ, আস্ত কাঁচা মরিচ ১০টি, লবণ ২ চা চামচ, চাল আধা কেজি, লং ১০টি, এলাচ ৬টি, দারুচিনি ৪টি, গোটা গোলমরিচ ১ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. মুরগির বুকের মাংস স্টেকের মতো করে কেটে নিন।

২. এর মধ্যে দই, সরিষা বাটা, গোলামরিচের গুঁড়া, পাপরিকা, লবণ মাখিয়ে মেরিনেট করুন।

৩. এখন ফ্রাইপ্যানে ঘি গরম করে তাতে স্টেকগুলো ভেজে নিন। ভাজা শেষে উঠিয়ে সেই মাখনে চাল ভাজুন।

৪. পানিসহ বাকি সব উপাদান দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে এর মধ্যে পোলাওয়ের চাল দিন।

৫. আধা সিদ্ধ হলে তাতে ভাজা স্টেক, আলু দিয়ে ঢেকে দিন। হয়ে গেলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

 

 

অতি সহজ এ বানিয়ে ফেলতে পারেন মজাদার রেড ভেলভেট কেক শিখে নিন

কেক:

“কেক” খাবারটি খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কমই আছে। বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় একটি কেক হল রেড ভেলভেট। বড় বেকারি শপ ছাড়া এই কেকটি পাওয়া যায় না। তাই খেতে ইচ্ছা করলেও সব সময় খাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। পছন্দের এই কেকটি আপনি চাইলে যখন তখন খেতে পারেন। ভাবছেন কীভাবে? খুব সহজে, মাত্র কয়েক মিনিটে রেড ভেলভেট কেক ঘরে তৈরি করে নেয়া যায়। আসুন তাহলে মজাদার  এই কেকের রেসিপিটি জেনে নেওয়া যাক।

                                                                                                                                                মজাদার রেড ভেলভেট                                                                               

উপকরণ:

৪ টেবিল চামচ ময়দা

১/৮ চা চামচ বেকিং পাউডার

৪ টেবিল চামচ চিনি

২ টেবিল চামচ কোকো পাউডার

৩ টেবিল চামচ দুধ

৩ টেবিল চামচ তেল

১টি ডিম

১/২ চা চামচ রেড ফুড কালার

ক্রিমের জন্য:

 

৪ টেবিল চামচ মাখন

ক্রিম চিজ

১/২ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স

১ কাপ চিনির গুঁড়ো

প্রণালী:

১। একটি পাত্রে ময়দা, বেকিং পাউডার, কোকো পাউডার, দুধ, তেল, চিনি এবং ডিম দিয়ে ভাল করে ফেটুন।

২। এরপর এতে লাল ফুড কালার দিয়ে ভাল করে মেশান।

৩। মিশ্রণটি মগে ঢালুন।

৪। এবার মাইক্রোওয়েভে ৭০ পাওয়ারে ২-৩ মিনিট বেক করতে দিন।

৫। আরেকটি পাত্রে মাখন এবং ক্রিম চিজ ভাল করে বিট করুন। এরসাথে ভ্যানিলা এসেন্স এবং চিনির গুঁড়ো দিয়ে দিন।

৬। মগ কেকের উপর এই ক্রিম দিয়ে দিন।

 ব্যস তৈরি হয়ে গেল দোকানের মত রেড ভেলভেট কেক।

মাত্র ১ টি সহজ ব্যায়ামের মাধ্যমে দ্রুত কমাতে পারেন কোমরের মেদ

ব্যায়াম:

দেহের অন্যান্য স্থানের মেদের তুলনায় অনেক বেশি বিরক্তিকর মেদ হচ্ছে কোমরের মেদ, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় লাভ হ্যান্ডেলস। পেটের মেদ, হাত-পায়ের মেদ এমনকি মুখের মেদও বেশ সহজেই ঝড়িয়ে ফেলা সম্ভব হয়। কিন্তু কোমরের দুপাশে উঁচু হয়ে ফুলে থাকা এই বিরক্তিকর মেদ দূর করা বেশ কঠিন। তবে আপনার নিয়মিত মাত্র ১ টি ব্যায়ামে এই বিরক্তিকর কোমরের মেদও ঝড়িয়ে ফেলা সম্ভব বেশ সহজেই এবং দ্রুত।
খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী মাত্র ১ টি ব্যায়াম শিখে নিন|

কোমরের মেদ ঝড়াতে আপনাকে অবশ্যই ব্যায়াম করতে হবে। কারণ কোমরের মেদ এমন এক ধরণের মেদ যা শুধুমাত্র খাবার নিয়ন্ত্রণ করে দূর করা সম্ভব নয়। তবে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই, কারণ খুব বেশি কঠিন ব্যায়াম করতে হবে না। খুব সহজ মাত্র ১ টি ব্যায়াম শিখে নিন। এই ব্যায়াম নিয়ম করে প্রতিদিন করে যেতে হবে। ভুল করা চলবে না, এতে বেশ দ্রুতই মুক্তি পাবেন কোমরের মেদ থেকে।

 

প্রথমে দুই পা সামনের দিকে ছড়িয়ে মেঝেতে বসুন। এরপর দু পায়ের পাতা, কোমর এবং কোমরের পেছনের অংশের উপর ভর দিয়ে কোমর থেকে দেহের উপরের অংশ পেছনের দিকে হেলিয়ে নিন।
এবার দুহাত একসাথে করে রেখে দেহের উপরের অংশ একবার ডানে নিয়ে হাত মাটিতে ছোঁয়ান। আবার একইভাবে বামে ছোঁয়ান।
এই ডান-বাম করার ব্যাপারটি দ্রুত করে করবেন। তবে প্রথমে খুব বেশিবার করবেন না, যতোটা পারবেন ততোটাই করুন। ধীরে ধীরে এর মাত্রা এবং গতি দুটিই বাড়িয়ে দেবেন। খুব দ্রুত ফলাফল পেয়ে যাবেন।
আরও ভালো ফলাফলের জন্য পায়ের পাতা মেঝে না রেখে পা দুটো একটু উপরে তুলে নিয়ে শুধুমাত্র কোমর ও কোমরের পেছনের অংশে ভর দিয়ে ব্যায়ামটি করে নিতে পারেন।
প্রথম দিকে প্রতিদিন ২-৫ মিনিট এই ব্যায়াম করুন, এরপর দেহ সয়ে এলে ব্যায়ামের সময় বাড়িয়ে নিন।

ব্যায়ামের পজিশন ভালো করে বুঝতে নিচের ছবিটি দেখে নিন –

                                                                                                                            

মনে রাখুন ছোট্ট কিছু বিষয়

ব্যায়ামের পাশাপাশি খাবারের দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে। অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে এই ব্যায়াম করলে ফলাফল পাওয়া সম্ভব নয়।
চিনি ও চিনি জাতীয় খাবার এবং পানীয় দূরে রাখুন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন একেবারে।
সকালে মাত্র ১০ মিনিটের জগিং বা সাইকেল চালানোর অভ্যাস অনেক দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করতে পারে। যদি পারেন এই অভ্যাসটিও রপ্ত করে ফেলুন।
প্রচুর পরিমাণে পানি পানের অভ্যাস করুন। এবং উপরের ব্যায়ামটি প্রতিদিন করুন।

মানব দেহের জন্য পেঁয়াজ এত উপকারী ভাবাই যায় না

পেঁয়াজ :

সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে চিকিৎসা ব্যবস্থার অনেক উন্নতি সাধন হয়েছে। একবার ভাবুন তো যখন এত উন্নতব্যবস্থা ছিল না, তখন মানুষ কি করত? প্রাকৃতিক উপাদান ছিল তখনকার সময়ের একমাত্র ওষুধ। ঘরে থাকা রান্নার উপাদান দিয়ে তারা সারিয়ে ফেলতে নানান রোগ।

রান্নার অন্যতম একটি উপাদান হল পেঁয়াজ। পেঁয়াজ ছাড়া রান্না প্রায় অসম্ভব। আপনি কি জানেন রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ছোটখাটো অনেক রোগ সারিয়ে তুলে এই পেঁয়াজ?                                                                                                                                                                                                                              piaj                                              পেঁয়াজ

                                                 

১। হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে

পেঁয়াজ উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে দেয় এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে। এর সালফার, ভিটামিন বি৬, ক্রৌমিয়াম উপাদান যা বিভিন্ন হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত রোগ প্রতিরোধ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্টোক প্রতিরোধ করে।

২। ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে পেঁয়াজ কিছু ক্যান্সার যেমন ওরাল ক্যান্সার, কলোরেক্টাল ক্যান্সার, পাকস্থলী ক্যান্সার এবং ওভারিয়ান ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন ১/২ কাপের মত পেঁয়াজ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

৩। জ্বর এবং বমি বমি ভাব দূর করতে

আপনরা যদি অল্প জ্বর থাকে তবে রাতে শোয়ার সময় পায়ে মোজা পরে মোজার ভেতর এক টুকরো পেঁয়াজ ঢুকিয়ে রাখুন। এইভাবে ঘুমান। পরেরদিন দেখবেন জ্বর অনেক খানি কমে গেছে। এছাড়া বমি বমি লাগলে

২ চা চামচ পেঁয়াজের রস খেয়ে নিন। দেখবেন বমি বমি ভাব দূর হয়ে গেছে।

৪। ইউরিন ইনফেকশন দূর করতে

পেঁয়াজে থাকা উপাদান ইউরিন ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। ৬ থেকে ৭ গ্রাম পেঁয়াজ পানিতে দিয়ে জ্বাল দিন। এটি পান করুন| 

৫। ত্বকে ফোস্কা পড়া রোধে                                                                                                                                                                                       অনেক সময় রান্না করতে যাওয়ার সময় তেল অথবা গরম পানি হাতে পড়ে ফোস্কা পড়ে যেতে পারে। একটি টুকরো পেঁয়াজ ফোস্কার স্থানে লাগিয়ে দিন। দেখবেন আর জ্বালাপোড়া সাথে সাথে কমে গেছে। পেঁয়াজের অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান ছোট খাটো পোড়া ভাল করে দেয়।

৬। পিরিয়ডের ব্যথা রোধে

 মাসিক শুরু হওয়ার কিছু দিন আগ থেকে প্রতিদিনকার ডায়েটে একটি করে কাঁচা পেঁয়াজ রাখুন। এটি মাসিকের পেট ব্যথা অনেক কমিয়ে দেবে।