ঘরোয়া উপায়ে দূর করে ফেলুন অসুন্দর স্ট্রেচ মার্ক

স্ট্রেচ মার্ক:

ত্বকের উপরে হালকা রঙয়ের কিছু লাইন বা ভাঁজের মত দাগকে স্ট্রেচ মার্ক বলা হয়। কোমর, ঘাড়ের ভাঁজে, পেটের ভাঁজে অথবা পায়ের ভাঁজে ত্বকে ফাটা ফাটা বা কুঁচকে যাওয়ার মত দাগ পড়ে। সাধারণত শরীরের অভ্যন্তরীণ অংশে এই দাগ পড়ে। তবে অনেক সময় শরীরের দৃশ্যমান অংশেও এই দাগ পড়তে পারে। টান পড়ার কারণে এই দাগ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন কারণে ত্বকে স্ট্রেচ মার্ক পড়তে পারে। তার মধ্যে অন্যতম হল গর্ভধারণ,অতিরিক্ত ওজন বাড়ানো, অতিরিক্ত ওজন কমানো, হরমোনের অসামঞ্জস্যতা,বংশগত কারণ ইত্যাদি। এই বিশ্রী দাগটি দূর করুন ঘরোয়া কিছু উপায়ে।                                                                                                                                                                                                               
                                              স্ট্রেচ মার্ক                                                                                                                                                                                                                      

১। ক্যাস্টর অয়েল

স্ট্রেচ মার্কের উপর কিছু পরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল চক্রাকারে ৫-১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এবার পাতলা সুতির কাপড় দিয়ে স্থানটি পেঁচিয়ে রাখুন। এবার গরম পানির বোতল দিয়ে রাখুন। এটি আধা ঘণ্টা রাখুন। এটি প্রতিদিন এক মাস করুন। দেখবেন দাগ হালকা হয়ে গেছে।

২। আলুর রস

আলুর রসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেল আছে যা কোষ পুনর্বিন্যাস করে থাকে। এক টুকরা আলু কেটে রস বের করে নিন এবার আলুর রস স্ট্রেচ মার্কের স্থানে লাগান। এমনভাবে লাগাবেন যেন স্ট্রেচ মার্ক সম্পূর্ণভাবে আলুর রসে ঢেকে যায়। আলুর রস শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে আলু রস না ব্যবহার করে একটি মাঝারি আকৃতির আলু কেটে স্ট্রেচ মার্ক এর স্থানে ঘষতে পারেন।

 

৩। চিনি

চিনি প্রাকৃতিক এক্সফলিয়েট হিসেবে কাজ করে। এটি স্ট্রেচ মার্ক দূরে বেশ কার্যকর। এক টেবিল চামচ কাঁচা চিনি, বাদাম তেল এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার এটি স্ট্রেচ মার্কের স্থানে লাগান। হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। সপ্তাহে তিন দিন অবশ্যই করুন, পারলে প্রতিদিন করুন। দেখবেন কয়েক মাসের মধ্যে আপনার স্ট্রেচ মার্ক অনেক হালকা হয়ে গেছে।

৪। অ্যালোভেরা জেল

স্ট্রেচ মার্ক সহ ত্বকের অনেকগুলো সমস্যা সমাধাবে অ্যালোভেরা জেল বেশ কার্যকর। অ্যালোভেরা জেলে সরাসরি স্ট্রেচ মার্ক এর উপর ম্যাসাজ করে লাগান। কিছু সময় পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া এক কাপ অ্যালোভেরা জেল, একটি ভিটামিন এ ক্যাপস্যুল এবং ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল একসাথে মেশান। এই মিশ্রণটি ত্বকের উপর ম্যাসাজ করে লাগান। ভাল ফল পেতে এটি ত্বকে প্রতিদিন ব্যবহার করুন।

৫। লেবুর রস

অর্ধেকটা লেবু থেকে রস বের করে নিন। এটি ত্বকে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর রসে প্রাকৃতিক এসিড আছে যা দাগ দূর করে থাকে। লেবুর রসের সাথে আলুর রস অথবা শসার রস কিংবা টমেটোর রস মেশাতে পারেন।

 

গরিব বন্ধুদের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে একি করলো মাশরাফি

মাশরাফি:

মাশরাফি বিন মুর্তজা—আমাদের নড়াইল এক্সপ্রেস। খেলোয়াড় মাশরাফিকে তো চেনাই আছে। ব্যক্তি মাশরাফি কেমন? দুরন্ত, আমুদে, হাসিখুশি, মিশুক, সদা প্রাণচঞ্চল—এই তো! মাঠে মাশরাফি যেমন দুরন্ত, মাঠের বাইরে ততটাই অনন্য।

২০১৪ সালে কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমি থেকে বেশি টাকার প্রস্তাব ছিল। কিন্তু সে প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। থেকে গেছেন আগের ক্লাব মোহামেডানেই। শোনা যায়, দুই ক্লাবের প্রস্তাবিত টাকার পার্থক্যটা প্রায় ১০ লাখের কাছাকাছি হবে।

কেন মোহামেডানে রয়ে গেলেন? সংবাদমাধ্যমে মাশরাফি বললেন, ‘কমিটমেন্টের কারণে।’ হ্যাঁ, দেশের অন্যতম সেরা পেসার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নিজের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন।

এ কারণে মাশরাফির জবাব,মোহামেডানকে আগেই কথা দিয়েছিলাম বলে অন্য কোনো দলের সঙ্গে আলাপ করিনি। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আমি সব সময় কমিটমেন্ট ঠিক রাখার চেষ্টা করেছি।’

এ তো একটি দৃষ্টান্ত মাত্র। মাশরাফি নড়াইলে গেলেই সাড়া পড়ে যায়। দেশের এক তারকা ক্রিকেটার আসবেন বলে নয়, মানুষ অপেক্ষা করে বিরাট হূদয়ের এক মানুষের জন্য। যার হূদয় কাঁদে দুস্থ, অসহায় মানুষের জন্য। যিনি সমব্যথী হন মানুষের দুঃখ-কষ্টে। হাতটা বাড়িয়ে দেন বিপদগ্রস্ত মানুষের দিকে।

 

                                        মাশরাফি বিন মুর্তজা—আমাদের গৌরব

নিরহংকার মাশরাফি বন্ধুকে স্বাবলম্বী করতে আর্থিক সংকটে হাবুডুবু খাওয়া কয়েকজন বন্ধুকে নড়াইল শহরের রূপগঞ্জ পৌর সুপার মার্কেটে দোকান করে দেন মাশরাফি। বন্ধু রাজু, সাজু, অসীমকে জীবনের পথ দেখান।

এছাড়াও মাশরাফির অর্থায়নে চলে নড়াইলের ‘শুভেচ্ছা ক্লাব’। নানা আতাউর রহমানের নামে চালু হওয়া ক্রিকেট একাডেমি চলে মাশরাফির অর্থায়নে।

নিজের টাকায় আর্থিক সংকটে হাবুডুবু খাওয়া বন্ধুদের প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টার কোনো  কমতি নেই নড়াইল এক্সপ্রেসে’র। এমনকি তাঁর খুব কাছের বন্ধু হিসেবে আছে এমন অনেকে, সমাজ যাঁদের অচ্ছুত বলে দূরে সরিয়ে রাখে। কিন্তু তাঁদেরও বুকে টেনে নেন মাশরাফি।

বন্ধুদের জন্য তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা, মানুষের বিপদে-আপদে এগিয়ে আসা, দুস্থজনের পাশে দাঁড়ানো—এ কারণেই নড়াইলে মাশরাফি দূর আকাশের তারা নন, যেন অতি আপনজন, খুব  কাছের কেউ। কেবলই নড়াইল কেন, মাশরাফি তো সারা বাংলাদেশের। কেবল ক্রিকেটার হিসেবেই নয়, আকাশসম হূদয়ের এক মানুষ হিসেবে।

মাশরাফি, বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকার একজন শুধু নন। তারকা হয়েও তিনি দূরাকাশে নন, হাতের কাছেই থাকেন। মাশরাফি যেন বলতে চান, ‘আমি তোমাদেরই লোক!’ মাশরাফি সত্যিই অন্য রকম!

বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে বিষাক্ত ডিম, কিভাবে চিনবেন এই ডিম

বিষাক্ত  ডিম:

স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বাংলাদেশ। অনেকে এটাকে জোকস বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু নিউ ইয়র্ক টাইমস, মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্নিং ও দেশের কয়েকটি জাতীয় নিউজ পোর্টালসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে এ বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, চীনের রাজধানী ইয়াঙ্গুনসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চীন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হয়ে আসছে। যা দেখতে অবিকল হাঁস মুরগির ডিমের মতো।

‘২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম।’ যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিশ্লেষণধর্মী তথ্য প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম ডিমে কোনো খাদ্যগুন ও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

আসলে প্রযুক্তি কিংবা বিজ্ঞান এর আদলে আমাদের জন জীবন আজ অনেক টাই সহজ, চাইলে হাত বাড়িয়ে পাই ইচ্ছের রঙ্গিন ঘুড়ি, সপ্নের বাস্তবতা হাতের মুঠোয় কিন্তু সব কিছুর ই এপিঠ ওপিঠ আছে বৈকি, আর সেই ভয়ংকর ওপিঠের আদলেই জন্ম নিয়েছে নকল বা কৃত্রিম ডিম, আমরা সবাই কম বেশি নকল বা কৃত্রিম ডিমের কথা শুনেছি, শুরুতে অনেকটা বিস্ময় থাকলে ও এখন মোটামুটি সবাই ই জানি।

প্রথম প্রথম অনেকেই বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেও এখন আর সেটা গুজবের পর্যায়ে নেই। কেননা খোদ বাংলাদেশেই নকল ডিম কেনার ও খাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের হয়েছে।

মায়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনসহ ওই দেশের বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চিন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হচ্ছে। চোরাপথে সেই ডিম বাংলাদেশ -সহ আশপাশের অন্যান্য দেশেও ছয়লাপ হয়েছে নকল ডিমে।

চিনে তৈরি হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এই ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।                                                                                                                                                                                                    কৃতিম ডিম

 

বিষাক্ত ডিম চেনার উপায়:

১. কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড়।
২. এই ডিম সিদ্ধ করলে কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়।
৩. ভাঙার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
৪. কৃত্রিম ডিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। এর খোসা অল্প চাপেই ভেঙে যায়।
৫. এর খোলস খুব মসৃণ হয়। খোসায় প্রায়ই বিন্দু বিন্দু ফুটকি দাগ দেখা যায়।
৬. রান্না করার পর এই ডিমে অনেক সম্যেই বাজে গন্ধ হয়। কিংবা গন্ধ ছাড়া
থাকে। আসল কুসুমের গন্ধ পাওয়া যায় না।
৭. নকল ডিমকে যদি আপনি সাবান বা অন্য কোন তীব্র গন্ধ যুক্ত বস্তুর সাথে রাখেন, ডিমের মাঝে সেই গন্ধ ঢুকে যায়।
৮. নকল ডিমের আরেকটি উল্লেখ্য যোগ্য লক্ষণ হলো ডিম দিয়ে তৈরি খাবারে এটা ডিমের কাজ করে না। যেমন পুডিং বা কাবাবে ডিম দিলেন বাইনডার হিসাবে। কিন্তু রান্নার পর দেখবেন কাবাব ফেটে যাবে, পুডিং জমবে না।
৯.নকল ডিমের আকৃতি অন্য ডিমের তুলনায় তুলনামূলক লম্বাটে ধরণের হয়ে থাকে
১০. নকল  ডিমের কুসুমের চারপাশে রাসায়নিকের পর্দা থাকে বিধায় কাঁচা কিংবা রান্না অবস্থাতে কুসুম সহজে ভাঙতে চায় না|

মোবাইল থেকে ডিলিট হওয়া ছবি কিভাবে ফেরত পাওয়া যায় দেখে নিন

 ছবি:

 এখন ব্যক্তি জীবনের অংশ স্মার্টফোন। আর স্মার্টফোনের ক্যামেরা একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ হয়ে উঠেছে। কারণ যেকোনো জায়গায়, যেকোনো মুহুর্তগুলো এখন স্মৃতি হয়ে থাকছে স্মার্টফোনের ক্যামেরায়। কিন্তু মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যায়। অনিচ্ছাকৃতভাবে মুছে যায় প্রিয় কোনো ছবি।

তাই জানা দরকার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ডিলিট হয়ে যাওয়া ছবি  উদ্ধারের কৌশলটা।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ছবি  কোথায় স্টোর করছেন তা আগে জেনে নিতে হবে। যদি, ছবি গুলি মেমরিকার্ডে স্টোর থাকে, তা হলে অসুবিধা নেই। এখান থেকে ছবি ডিলিট হয়ে গেলে অনলাইন থেকে একাধিক ‘রিকভার সফটওয়্যার’-এর সাহায্য নেয়া যেতে পারে। ‘রেকুভা’ নামে একটি রিকভারিং সফটওয়্যার এজন্য বেশ সহায়ক।                                                                                                    
                                         ফিরে পাওয়া ছবি 

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ইন্টারন্যাল মেমরি বা ফোন মেমরি থেকে ছবি অথবা ভিডিও ডিলিট হলে চিন্তার বিষয়। এক্ষেত্রে কিছুটা হলেও আশা জোগাতে পারে ‘ডিস্ক ডিগার অ্যাপ’।

তবে এই অ্যাপ ব্যবহার করার আগে সতর্কীকরণটা মনে রাখতে হবে। কারণ, ‘ডিস্ক ডিগার অ্যাপ’ রুটেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ক্ষেত্রেই কাজ করবে। কী করে অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে রুট করতে হবে, তার জন্য অনলাইনে বিশেষ করে ইউটিউবে একাধিক টিউটোরিয়াল রয়েছে।

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে যখন কোনও ফাইল ডিলিট হয়, তখন সিস্টেমে শুধু তথ্যগুলো মুছে যায়। যতক্ষণ না পর্যন্ত ওই ফাইল স্পেসে অন্যকিছু ওভাররাইট হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তা পুনরুদ্ধার করার সম্ভাবনা থাকে।

তাই, ডিলিট হওয়া ফাইল উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত কোনও ধরনের সিস্টেম আপডেশন বা ফোন মেমরিতে ছবি সেভ, ডকুমেন্ট ফাইল সেভ করা যাবে না।

এজন্য যা করতে হবে:

গুগল প্লে-স্টোর গেলে পাওয়া যাবে ‘ডিস্ক ডিগার’ অ্যাপ।

ডাউনলোড সম্পূর্ণ হলে ‘ডিস্ক ডিগার’ অ্যাপটি ওপেন করতে হবে এবং যে স্থান থেকে ফাইল ডিলিট হয়েছে সেটাকে চিহ্নিত করতে হবে।
এরপর ফাইল টাইপ সিলেক্ট করতে হবে, যেমন— জেপিজি, না পিএনজি না এমপি ফোর।

‘ওকে’ বাটনে ক্লিক করলে অ্যাপটি ডিলিট ফোটোর সন্ধানে স্ক্যান শুরু করবে।

স্ক্যান শেষ হলে, ‘ডিস্ক ডিগার’ ডিলিট ফাইলের তালিকা দেখাবে। এরপর সেভ বাটনে ক্লিক করতে হবে। কোথায় ফাইলগুলি সেভ করবেন, সেই জায়গাটা দেখিয়ে দিতে হবে।

কাতারের বিশ্ব কেরাত প্রতিযোগিতায় একি করলো বাংলাদেশী হাফেজ

বাংলাদেশী হাফেজ:

কয়েকদিন আগে কাতারের এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে উড়ে যান বাংলাদেশী কিশোর হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজ  । এবার হলেন দেশের গর্ব। বিশ্বের ২৮ দেশের ১০ বছর বয়সী কারিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল জীম টিভির কেরাত ও হিফজ রিয়েলিটি শো’তে অংশ গ্রহণ করে বাংলাদেশী কিশোর হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজ দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

এবারের আসরে বাংলাদেশের ৪ কিশোর কারি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কাতার গমন করেন। তাদের মধ্যে হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজ ঢাকার তানযীমুল উম্মাহ ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদরাসার ৫ম শ্রেণির ছাত্র।                                                                              আল কুরআন

এ কিশোর হাফেজ চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার মো. হোসাইনের ছোট ছেলে। হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন    তাজ বড় হয়ে কুরআনের খাদেম এবং আলেম হতে চায়। সে দেশের সবার কাছে দোয়া প্রার্থী।

হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজ এ প্রতিযোগিতার আগে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিশ্বের ৯৬ দেশের প্রতিযোগীদের মাঝে ৫ম স্থান অধিকার করেন।

আল্লাহ তাআলা হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজকে পবিত্র কুরআনুল কারিমের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন

ফেসবুক এই একটি জায়গায় ভুলেও লাইক ,কমেন্ট ,শিয়ার করবেন না

ফেসবুক:

ফেসবুক ব্যবহার করেন, এমন অনেকেই প্রায় সময় একটি পোস্ট দেখে থাকেন যে, কোন এক অসুস্থ শিশুর ছবি দেওয়া রয়েছে, আর ছবির উপরে লেখা রয়েছে,’এই ছবি কেউ এড়িয়ে যাবেন না, সবাই লাইক করুন, আর কমেন্ট বক্সে লিখুন ‘আমিন।  তাই হয়তো আপনিও কমেন্ট বক্সে ‘আমিন’ লিখে দিয়েছেন, কখনও বা একেবারে স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই অসুস্থ শিশুর কল্যাণ কামনার্থে টাইপ করেছেন ‘আমিন’।

কোন প্রার্থনার শেষে প্রার্থনাটির সমর্থনসূচক শব্দ হিসেবে ‘আমিন’ উচ্চারণ করা রীতি।  সেই রীতি মেনেই আপনিও ফেসবুকে এই শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন।  কিন্তু এই একটি শব্দ ব্যবহারের ফলেই আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দুষ্কৃতকারীদের হাতে চলে যাচ্ছে বলে দাবি করছে বেশ কিছু তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর সাইট।                                                                                         ফেইসবুক ছবি 

‘অনলাইন থ্রেট অ্যালার্টস’-এর মতো বেশ কিছু ওয়েবসাইট জানাচ্ছে, অসুস্থ শিশুদের ছবি দেওয়া এই সমস্ত পোস্টের পেছনে লুকিয়ে থাকে হ্যাকারদের কারসাজি।  আপনি যখনই এই জাতীয় পোস্টের কমেন্ট বক্সে ‘আমিন’ লেখেন, তখনই বিশেষ এক প্রযুক্তির সাহায্যে আপনার বাসস্থানের ঠিকানা, জন্মতারিখ, কর্মক্ষেত্র, ইমেল আইডি— প্রভৃতি ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয় তারা।  পরিণামে আপনার পরিচয় ব্যবহার করে কোন রকমের জালিয়াতি বা দুষ্কর্ম করার সুযোগ তারা পেয়ে যায়।  এম‌নকি উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে তারা আপনার ইমেল অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত হ্যাক করতে পারে, কিংবা টাকা হাতিয়ে নিতে পারে অনলাইন ব্যাঙ্কিং-এর সঙ্গে যুক্ত আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে।

তবে ‘হোক্স-স্লেয়ার’-এর মতো সাইটের সঙ্গে যুক্ত প্রযুক্তিবিদরা এই দাবিকে নস্যাৎ করে দিচ্ছেন।  তাদের বক্তব্য, নির্দিষ্ট একটি শব্দ টাইপ করলেই হ্যাকাররা কোন ফেসবুক ইউজারের সমস্ত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারবে— এমন দাবি ঠিক নয়।  তবে এটা সত্যি যে, অসুস্থ বাচ্চার ছবি দিয়ে লাইক বা কমেন্ট দাবি করা এই সমস্ত ফেসবুক পোস্টকে এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।  কারণ অধিকাংশ সময়েই অন্য ওয়েবসাইট থেকে ছবি চুরি করে এই সমস্ত পোস্টগুলি বানানো হয়।  যে শিশুর ছবি দিয়ে পোস্ট বানানো হচ্ছে, তার বা তার পরিবারের সঙ্গে যারা পোস্টটি বানাচ্ছে তাদের কোন যোগই থাকে না।  ফলে ‘আপনার একটি লাইকের বিনিময়ে অসুস্থ শিশুটির পরিবার তার চিকিৎসার জন্য পাবে ১ ডলার অনুদান’— এই ধরনের বার্তার কোন সত্যতা নেই।  বরং আপনার লাইক বা কমেন্টের বিনিময়ে, পোস্ট প্রদানকারী গ্রুপটির অর্থ রোজগারের পথ খুলে যায়।  কাজেই ফেসবুক এ বার থেকে এই ধরনের পোস্ট দেখলে সেগুলিকে এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।  

আজব ব্যাপার ১০ হাজার রুমের এই হোটেলে আজ পর্যন্ত কেউ থাকেনি

হোটেলে :

জার্মান দ্বীপ রিয়ুগেনের বাল্টিক সমুদ্রের তীরে অবস্থিত রয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহত্ হোটেল। কিন্তু অবাক করার বিষয়টি হলো ১০ হাজার রুমের প্রোরা নামের এই হোটেলের নির্মাণ হয়েছে ৭৭ বছর আগে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এখানে কোনও অতিথি থাকেনি। সুন্দর স্থানের মধ্যে অবস্থিত এই হোটেলের প্রত্যেকটি রুম থেকে সমুদ্র দেখা যায়। তা সত্ত্বেও এখানে কোনও অতিথি থাকতে আসেনি।

হোটেলটি নাত্সিরা ১৯৩৬-১৯৩৯-র মধ্যে তৈরি করিয়েছিল। যাতে এখানে তারা আনন্দ উপভোগ করার সাথে শক্তিও বৃদ্ধি করতে পারে। হোটেল তৈরি করার পেছনে উদ্দেশ্য হলো, জার্মান কর্মচারীরা অবসর সময় কাটাতে পারবে এবং তার সাথে তারা তাদের বিচারধারা প্রচার করতে পারে।                                                                                                                         হোটেল
                                                                                                       তবে ২০১৫ সালে হোটেলের একটি ব্লক জার্মান রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ‘আইআরআইএস জিইআরডি ২.২ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে কিনে নিয়েছিল। এখানে ৪০০ হোটেল এবং ৪০০ অ্যাপার্টমেন্টের নির্মাণ করা হবে।

এই কমপ্লেক্সে আটটি আলাদা আলাদা ভবন রয়েছে। যা প্রায় চার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। সমুদ্র থেকে দূরত্ব ১৫০ মিটার আট হাউজিং ব্লকের পাশাপাশি থিয়েটার, সিনেমা, সুইমিংপুল এবং ফেস্টিভাল হল সবসময় খালি থাকে। যুদ্ধের সময়, হামবুর্গের কয়েকজন এই ব্লকগুলিতে থেকে গিয়েছিল। যুদ্ধের পর প্রোরাকে পূর্ব জার্মান সেনাবাহিনী সামরিক আউটপোস্ট রূপে ব্যবহার করেছে। ১৯৯০ সালে জার্মানির একত্রীকরণের পর এই হোটেল খালি পড়ে রয়েছে।

এই প্রকল্পের নির্মাণের জন্য দেশের প্রধান কোম্পানিগুলি যুক্ত রয়েছে। প্রায় ৯ হাজার শ্রমিক কাজ করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রোরার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে সমস্ত শ্রমিকদের অস্ত্র কারখানায় পাঠানো হয়েছিল। তারপর এই কাজ সম্পন্ন হয়েনি।

জানুন কিভাবে কিডনি রোগ থেকে নিরাপদ থাকা যায়

কিডনি:

কিডনি রোগের নানা ধরনের লক্ষণ রয়েছে। যথাসময়ে লক্ষণগুলো নির্ণয় করে চিকিৎসা করা সম্ভব হলে সহজেই আরোগ্যলাভ সম্ভব। লক্ষণগুলো তুলে ধরা হলো এ লেখায়।

দীর্ঘমেয়াদি লক্ষণ
মারাত্মক রোগে অনেকেরই কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। আর এ প্রক্রিয়াটি সঙ্গে সঙ্গে হয় না। প্রায়ই পাঁচ থেকে ১০ বছর ধরে ধীরে ধীরে এ রোগটি বিস্তার লাভ করে। এতদিন ধরে এ রোগটি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে রোগী একটু সচেতন হলেই রোগটি নির্ণয় করা সম্ভব। আর সঠিক সময়ে তা নির্ণয় করা সম্ভব হলে কিডনি রক্ষা করাও সম্ভব।                                                                 কিডনি 

ডায়াবেটিসে সতর্কতা
আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে তাহলে কিডনির রোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়। এ কারণে প্রতিবছরই একবার করে কিডনি পরীক্ষা করা উচিত।
সাধারণ কিছু লক্ষণ
কিডনির রোগ যদি বেড়ে যায় তাহলে কিছু লক্ষণে তা অনেকটা নিশ্চিত হওয়া যায়। এগুলো হলো :
– হাত, পা ও মুখ ফুলে যাওয়া।
– ঘুমের সমস্যা
– মনোযোগ স্থাপনে সমস্যা
– খাবারের রুচি নষ্ট
– বমি বমি ভাব ও বমি
– দুর্বলতা
– দেহের বিভিন্ন স্থানে চুলকানি
– শুষ্ক ত্বক
– সর্বদা তন্দ্রা ভাব
– অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন
– মাংসপেশিতে টান লাগা
প্রাথমিকভাবে লক্ষণগুলো মিলে গেলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। দেরি করলে রোগটি বিস্তার লাভ করতে পারে এবং এতে কিডনি নষ্ট হওয়ারও আশঙ্কা থাকে।

বাড়তি লবন খেলে এত সমস্যা জেনে নিন

লবন:

আমরা প্রায়ই রোগীদের বলে থাকি বাড়তি লবণ খাবেন না। কথাটার অর্থ আসলে কী? কোনো বাড়ির রান্নায় লবণ বেশি দেওয়া হয়, কোনো বাড়িতে কম। রান্নায় তবে কত চামচ লবণ ব্যবহার করা উচিত? আসুন জেনে নিই লবণ সম্পর্কে।
* লবণ আর সোডিয়াম এক কথা নয়। রান্নায় ব্যবহৃত লবণ হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড। লবণের ৪০ শতাংশ জুড়ে থাকে সোডিয়াম। তাই এক চামচ লবণ মানেই কিন্তু এক চামচ সোডিয়াম নয়। আমাদের কম খেতে হবে সোডিয়াম। বিশেষ করে, যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ, কিডনি ও যকৃতের সমস্যা ইত্যাদি আছে।

* বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ গ্রুপ যে নির্দেশনা দিয়েছে, তাতে দৈনিক ১৫০০ থেকে ২৩০০ মিলিগ্রাম লবণ খাওয়া যাবে। মানে ১৫০০ মিলিগ্রামের কম হলে তো খুবই ভালো, তবে ২৩০০ মিলিগ্রামের ওপরে কখনোই নয়। তো ১৫০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম আছে ৩ দশমিক ৭৫ গ্রাম পরিমাণ লবণে, মানে পৌনে এক চামচ লবণে। ২৩০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম খেতে হলে ৬ গ্রাম পরিমাণ লবণ খেতে হবে, অর্থাৎ এক চামচ। তার মানে দাঁড়াল, সারা দিনে এক চামচ পরিমাণের বেশি লবণ খাওয়া যাবে না।                                                                                              

                                                       লবন

* গড়পড়তা আমরা নাকি দৈনিক ৩০০০ থেকে ৩৫০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম খেয়ে ফেলি। এর একটা বড় অংশ আসে প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে। কেননা খাবার সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় এতে প্রচুর লবণ যোগ করা হয়। এ ছাড়া লবণ মূলত যোগ করা হয় খাবারে স্বাদ বাড়াতে। আর কেউ কেউ তো পাতে এরপরও আলাদা লবণ নিয়ে খান।
* বেকিং সোডা ব্যবহৃত হয় এমন খাবার (যেমন পাউরুটি বা ব্রেড, বেকারির বিভিন্ন খাবার), বিস্কুট, প্রক্রিয়াজাত মাংস (যেমন সসেজ, নাগেট), যেকোনো টিনের বা সংরক্ষিত খাবার (যেমন আচার, পনির), সস বা সয়াসসে ভেজানো খাবার যা পরে পরিবেশন করা হয় (যেমন চিকেন ফ্রাই ও অন্যান্য ফাস্টফুড), ইনস্ট্যান্ট নুডলস ও পাস্তা, লবণ মাখানো চানাচুর, বাদাম ইত্যাদি বাড়তি লবণের বড় উৎস। দেখা যায়, আমরা রান্নায় লবণ কমিয়েছি ঠিকই, কিন্তু কেনা খাবারে অনেক লবণ রয়ে গেছে, সেটা খেয়াল করছি না।
* কখনো আমরা নিজের অজান্তেই খাবারে লবণ যোগ করে ফেলি অভ্যাসবশত। যেমন সালাদ তৈরির সময় বা কাঁচা ফল খাওয়ার সময়। ওটা হিসাবের মধ্যেই ধরি না।
আসলে এতখানি মেপে তো আর প্রতিদিন রান্না করা যাবে না। তাই চিকিৎসক যদি লবণ কম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন, তবে তিনটি কাজ করবেন: এক. আলগা লবণ একেবারেই খাবেন না, দুই. রান্নায় আগের চেয়ে একটু কম লবণ দিন আর তিন. ওপরে উল্লেখিত অতি লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।