জানলে অবাক হবেন ,সিলিকা ব্যাগ কী কী কাজে ব্যবহৃত হয়

সিলিকা ব্যাগ:

সিলিক(আগ্নেয় ধাতব পদার্থবিশেষ) সর্বসাধারণের কাছে খুব বেশি পরিচিত না। তবে সিলিকার তৈরি ব্যাগ সম্বন্ধে কম-বেশি সবাই জানে। যেকোনো পণ্য কেনার পর দেখবেন এর মধ্যে ছোট একটি ব্যাগ আছে। কেনার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ব্যাগটি ফেলে দেই। অথচ ওই ছোট্ট সিলিকা ব্যাগটি আপনার পছন্দের পণ্যটিকে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে। কারণ এটি বাতাসের আর্দ্রতা শোষণ করে। আর এই ব্যাগের ওপর বড় করে লেখা থাকে ‘ডু নট ইট’ অর্থ্যাৎ ‘দয়া করে খাবেন না’।

এখন থেকে কোনো পণ্যের মধ্যে এই ব্যাগ পেলে ভুলেও ফেলে দেবেন না। কারণ সিলিকা ব্যাগ দৈনন্দিন জীবনে আরো অনেক কাজে ব্যবহৃত হয়, যার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য ইনডিপেনডেন্টে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন-

পানিতে ফোন পরে গেলে সেটা আর ফিরে পাওয়ার কোনো আশাই থাকে না। কিন্তু সিলিকা ব্যাগ সে আশা জিইয়ে রাখে। একটি বাটির মধ্যে অনেকগুলো সিলিকা ব্যাগ রেখে এর মধ্যে পানিতে ভেজা ফোনটি রেখে দিন। দেখবেন, ফোনের সব পানি শুকিয়ে যাবে এবং ফোনটি নষ্ট হওয়া থেকে বেঁচে যাবে।                                                 

                                              সিলিকা ব্যাগ 

পাউডার ধরনের মেকআপের (কমপ্যাক্ট পাউডার, আইশ্যাডো, ফেস পাউডার) মধ্যে একটা-দুইটা সিলিকা ব্যাগ রেখে দিন। এতে এগুলো বহুদিন ভালো থাকবে।
অনেক সময় বৃষ্টিতে ভেজার পর ছাতা ব্যাগে রাখা সম্ভব হয় না। আবার বাইরে রাখলে হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। এ ক্ষেত্রে ছাতার প্যাকেটের মধ্যে কয়েকটি সিলিকা ব্যাগ রেখে ছাতাটা ঢুকিয়ে রাখুন। দেখবেন, খুব কম সময়ের মধ্যে ছাতাটা শুকিয়ে যাবে।
ভেজা জুতাকে দ্রুত শুকিয়ে ফেলে সিলিকা ব্যাগ। এমনকি জুতার স্যাঁতস্যাতে ভাবও দূর হয় সহজেই।
স্টিলের কাটলারি সেট খুব পরিষ্কার করে সিলিকা ব্যাগ। এই ব্যাগ দিয়ে পরিষ্কার করলে কাটলারি সেটে মরিচা ধরে না।
অনেকদিন ব্যবহারের পর তোয়ালে যখন তুলে রাখবেন তখন এর ভাজে ভাজে সিলিকা ব্যাগ দিয়ে রাখবেন। কয়েকদিন পর দেখবেন এটি নতুনের মতোই সতেজ রয়েছে।
জিমে গেলে ঘামের কারণে পোশাক ভিজে যায়। এগুলো যখন ব্যাগে করে আনা হয় তখন গন্ধ হয়ে যায়। জিমের এই ব্যাগে কয়েকটি সিলিকা ব্যাগ ছড়িয়ে রাখুন। ভেজা পোশাকে আর গন্ধ হবে না।
পুরোনো ছবিগুলো নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে চাইলে ছবির ভাজে ভাজে সিলিকা ব্যাগ রেখে দিন। এভাবে দীর্ঘদিন ছবি ভালো থাকবে।
গয়না ভালো রাখতে চাইলে গয়নার বাক্সের মধ্যে কয়েকটি সিলিকা ব্যাগ ছড়িয়ে রাখুন।

কি নিয়ে এত অভিমান কাজল-রানির আসুন জেনে নেই

কাজল-রানি:

কাজল ও রানি বলিউডের দুই সুপারহিট নায়িকার আড়ালে ঢাকা পড়ে আছে তাদের আরেক পরিচয়; সম্পর্কে তারা দুই বোন। এটা অনেকের অজানা হলেও কাজল-রানির সম্পর্কের রসায়নটা যে বরাবরই নিম্নমুখী তা সিনেমাপ্রেমী প্রায় সবাই জানেন।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে দুই বোনের এমন সম্পর্কের কারণ , অভিমানের বরফই বা গলছে না কেন, তা এখনো অজানা। সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে কাঁটাছেড়াও কম হয়নি। তবে খোলাসা হয়নি এর রহস্য।                                                                                             25-1364207498-rani-2-min                                                              কাজল-রানি   

সম্পর্কের বরফ যে গলেনি তার প্রমাণ মিললো আবারও। সম্প্রতি মুখার্জি পরিবারের দুই মেয়ের দেখা হয় একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানস্থলে সামনের সারিতেই বসেছিলেন রানি মুখার্জি। তার পাশেই ছিলেন শহিদ কাপুর, আলিয়া ভাট, সিদ্ধাত্র মালহোত্রা। এ সময় সেখানে স্বামী অজয় দেবগনকে নিয়ে আসেন কাজল। একে একে সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় হয়, আলিঙ্গনও হয় তাদের। কিন্তু এড়িয়ে যান রানিকে। যেন তাকে দেখতেই পাননি কাজল-অজয়।

কাজল এবং রানি দুই বোনকেই আগেও বহুবার শুনছে হয়েছে তারা পরস্পরকে এতো অপছন্দ করেন কেন? কিন্তু খোলাসা করেননি কেউ। এরআগে ’ কফি উইথ করণ’র তৃতীয় সিজনে করণ জোহরের অতিথি হয়ে এসেছিলেন রানি মুখার্জি। ওই অনুষ্ঠানে করণের প্রশ্ন করেন, রানি সাংবাদিক হলে কাজলকে কী প্রশ্ন করতেন। উত্তরে রানি বলেন, ’আমার তোমাকে খুব ভাল লাগে কিন্তু তুমি আমাকে এতো অপছন্দ করো কেন ? 

সম্পর্ক আন্তরিক না হলেও এরআগে রানি-কাজল বোনদের এক পর্দায় হাজির করেন করণ জোহর, তার সুপারহিট ছবি ’কুছ কুছ হোতা হ্যায়’তে।

বলিউড বাসিন্দাদের অনেকেরই ধারণা, অভিনেত্রী হিসেবে কে সেরা ও সফল; সেটা প্রমাণ করতেই দুই বোনের রেষারেষি শুরু। যার প্রভাব পড়েছে ব্যক্তিগত জীবনেও।

অতি সহজেই বানিয়ে ফেলতে পারেন নানা প্রকার শরবত শিখে নিন

শরবত:

আদা লেবুর শরবত:- উপকরণ: আদার রস ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ঠাণ্ডা পানি ১ গ্লাস। প্রস্তুত প্রণালী: সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে শরবত বানাতে হবে। তারপর পরিবেশন করুন|

শসার শরবত:- উপকরণ: শসা ২৫০ গ্রাম, ধনেপাতা কুচি আধা টেবিল চামচ, বিট লবণ সামান্য, চিনি সামান্য, কাঁচা মরিচ ১টি এবং পানি সামান্য। প্রস্তুত প্রণালী: শসার খোসা ছাড়িয়ে এবং বীজ ফেলে কুচি করে নিন। এরপর সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এবার সুদৃশ্য একটা শরবতের গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন শসার শরবত।

আমের শরবত:- উপকরণ: পাকা আম কুচি এককাপ, চিনি স্বাদমতো, পানি আধাকাপ, লবণ এক চিমটি, পরিমাণমতো বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী: বরফকুচি বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন আমের শরবত।                                                                                                                                                            1460045250974                                                শরবত                                                                                                                                                  তরমুজের শরবত:- উপকরণ: তরমুজ কুচি দুইকাপ, চিনি ২ টেবিল চামচ, বিট লবণ আধা চা চামচ, লেবুর রস ২ চা চামচ, বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী: তরমুজ কুচিসহ সব উপকরণ মিশিয়ে ব্লেন্ড করে ফ্রিজে রেখে দিন। প্রয়োজনীয় ঠাণ্ডা হলে নামিয়ে এনে পরিবেশন করুন রঙিন এক গ্লাসে  ঠাণ্ডা তরমুজ শরবত।

আনারসের শরবত:- উপকরণ: আনারস কুচি ১ কাপ, বিট লবণ আধা চা চামচ, চিনি ২ চা চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া ২ চা চামচ, পানি পরিমাণমতো। প্রস্তুত প্রণালী: আনারস কুচির সঙ্গে বিট লবণ, চিনি, গোল মরিচের গুঁড়া ও পানি একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল আনারসের শরবত। এবার সুন্দর একটি গ্লাসে ঢেলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

জামের শরবত:- উপকরণ: জাম ১ কাপ, পানি ১ কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, অর্ধেক কাঁচামরিচ, পুদিনাপাতা কুচি, পরিমান মতো লবণ। প্রস্তুত প্রণালী: জাম বীচি থেকে আলাদা করুন। এবার অন্যান্য সব উপকরণ আর জাম একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। চাইলে ছেঁকে নিন অথবা না ছেঁকে নিলেও হবে। ফ্রিজে রেখে দিন ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য।তারপর পরিবেশন করুন |

বেলের শরবত:- উপকরণ: পাকা বেল, চিনি পরিমান মতো, দুধ পাউডার আধা কাপ ও ঠাণ্ডা পানি। প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে বেল ফাটিয়ে নিন। এরপর চামচ দিয়ে ভেতরের বেল বের করে নিন। সামান্য পানি দিয়ে মাখিয়ে নরম করুন। বেলের আঠা ও বিচি ফেলে ভালোভাবে চটকে চালুনিতে ছেঁকে নিন। এবার ঠাণ্ডা পানি যোগ করুন। দুধ পাউডার যোগ করতে পারেন। চিনি প্রয়োজন অনুযায়ী মিশিয়ে নিন। এবার বরফকুচি বাদে অন্য সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে গ্লাসে ঢেলে বরফকুচি মিশিয়ে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।

ডাব পুদিনার শরবত:- উপকরণ: বড় ডাব ১টি (শাঁসসহ), পুদিনা পাতা কুচি করা আধা চা চামচ, বিট লবণ সামান্য, চিনি সামান্য, পাতলা করে কাটা ডাবের শাস ২ টেবিল চামচ, বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী: ডাবের পানির সঙ্গে অন্যান্য উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর ব্লেন্ডারে অল্প ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

বাঙ্গির শরবত:- উপকরণ: বাঙ্গির রস ১ কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, বরফ কিউব পরিমাণমতো, লবণ এক চিমটি। প্রস্তুত প্রণালী: বাঙ্গি কুচি কুচি টুকরো করুন। বড় বাটিতে বাঙ্গির সঙ্গে চিনি মিশিয়ে রেখে দিন বেশ কিছুক্ষণ। লেবুর রস ও বরফ মিশিয়ে রাখুন আরও কিছুক্ষণ। বাঙ্গি থেকে পানি বের হয়ে শরবত হবে। এটা ছেকে ঢেলে নিন গ্লাসে। লবণ মেশান। বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

লেবু পুদিনা:- উপকরণ: মাঝারি আকারের লেবু ২টা, পুদিনাপাতা ১০ গ্রাম, পানি ২৫০ মিলিলিটার, চিনি ২ টেবিল চামচ, বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে লেবুর খোসা ফেলে টুকরো করে নিন। পুদিনাপাতা ধুয়ে কুচি করে কাটুন। ব্লেন্ডারে লেবু, পুদিনাপাতা, পানি, চিনি দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। ছাকনি দিয়ে ছেকে গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

তেঁতুলের শরবত:- উপকরণ: তেঁতুল, বিট লবণ, চিনি, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনিয়া পাতা কুচি, শুকনা মরিচের গুড়া, ঠাণ্ডা পানি। প্রস্তুত প্রণালী:প্রথমে তেঁতুল থেকে বিচি আলাদা করে একটি পাত্রে তেতুল গুলে নিন। গোলানো তেঁতুলের সঙ্গে পরিমানমতো ঠাণ্ডা পানি মিশান।

এবার তেঁতুলের সঙ্গে একে একে পরিমানমতো চিনি, বিট লবণ, টেলে রাখা শুকনা মরিচের গুড়া, কাঁচা মরিচ কুচি ও ধনিয়া পাতা কুচি দিন এবং নেড়ে ১০ মিনিট রাখুন। তেঁতুলের মিশ্রনটি অন্য একটি পাত্রে ছাকনি দিয়ে ছেকে নিন। গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

আপেল ও মাল্টার শরবত:- উপকরণ: আপেল ১টি, মাল্টা ১টি, লবণ ১ চিমটি, চিনি ১ চা চামচ, পানি ১ গ্লাস, বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী: মাল্টার ভেতর থেকে রস বের করে তার সঙ্গে আপেল, লবণ, চিনি ও পানি মিশিয়ে একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পরিবেশন করুন।

মোবাইল ফোন চার্জ নিয়ে এত ভুল ধারণা আগে জানতাম না

মোবাইল:

মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনই নিজের ফোনটিকে চার্জ দিতে হয়। এটি একটি অভ্যাসে পরিণত হয়েছে ব্যবহারকারীদের। তবে এই চার্জ দেওয়া নিয়ে কিছু ভুল ধারণা আমরা লালন করি, বা পালন করি। মানে বলা হয়, এটা করলে ফোনের ক্ষতি হবে, ওটা করলে ব্যাটারির সমস্যা হবে ইত্যাদি।

প্রায় সব স্মার্টফোনেই থাকে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি। আর মাঝেমধ্যেই এসব ব্যাটারির বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। কিছুদিন আগেই স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭ মোবাইল ফোনের ব্যাটারি বিস্ফোরণ প্রসঙ্গটি আলোচনায় এসেছে। ফলে ব্যাটারি সংক্রান্ত ভুল ধারণাগুলো আরো পাকাপোক্ত হয়েছে। যদিও স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭-এর ব্যাটারি বিস্ফোরণ নির্মাণজনিত ত্রুটি ছাড়া আর কিছুই নয়।

মোবাইল ফোনে যেন আগুন না ধরে যায় সেভাবেই যন্ত্রটির ব্যাটারি বানানো হয়। আর সঠিকভাবে নির্মিত লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি অন্তত আপনার পকেটে জ্বলে উঠবে না। কাজেই অযথা ভয় না পেয়ে চলুন জেনে নিই চার্জ দেওয়া নিয়ে ছয়টি ভুল ধারণার কথা। ধারণাগুলো প্রকাশ করা হয়েছে ম্যাশেবল নামের এক ওয়েবসাইটে।                                                                                                                                  $_3                                                          মোবাইল চার্জ 

ধারণা ১ : সারারাত মোবাইলে চার্জ দেওয়া খারাপ

কিছু পুরোনো মডেলের মোবাইল ফোন ছাড়া বেশির ভাগ স্মার্ট ফোন নিজে থেকেই বুঝে নেয় যে তার চার্জ পরিপূর্ণ হয়েছে। যখন চার্জ পূর্ণ হয় তখন নিজে থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে চার্জ নেওয়া বন্ধ করে দেয় ফোন। স্মার্টফোনের এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই আপনি নিরাপদ।

ধারণা ২ : সম্পূর্ণ চার্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুনভাবে চার্জ দেওয়া যাবে না

এটা সচরাচর না করাই ভালো। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি আপনার টিভির রিমোটের ব্যাটারির মতো নয় যে ব্যাটারির শক্তি শেষ হওয়ার আগেই নতুন ব্যাটারি ব্যবহার করা যাবে না। অথবা ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে না গেলে নতুনভাবে চার্জ দেব না- এরকম ধারণা রাখাই উচিত নয়। পুরোনো নিকেল-মেটাল হাইড্রাইড ব্যাটারির মতো মেমোরি এফেক্ট (পুরোনো ব্যাটারির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ চার্জ শেষ না হলে নতুনভাবে চার্জ না নেওয়াকে বলে মেমোরি এফেক্ট) আপনার নতুন স্মার্টফোন এবং মোবাইল ফোনের ব্যাটারির ক্ষেত্রে নেই। বরং এ রকম মনে করে সম্পূর্ণ চার্জ শেষ করে চার্জ দিলে আপনার মোবাইল ফোনের ক্ষতি হতে পারে। তাই যখন খুশি তখন, উপযুক্ত জায়গা পেলে, সেখানেই চার্জ দেবেন।

ধারণা ৩ : ফোন চার্জের সময় তা ব্যবহার করা যাবে না

চার্জের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও অনেকে পরামর্শ দেন এটি না করার জন্য। কারণ তারা মনে করেন এটি করলে তা মোবাইল ফোনের জন্য ক্ষতির কারণ হবে। যদিও অন্যসব ভুল ধারণার মতো এটিরও কোনো ভিত্তি নেই। এই ভুল ধারণাটি আরো শক্ত হয় ২০১৪ সালে, সেসময় চার্জ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী এক নারীর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘটে অস্ট্রেলিয়ায়। যদিও কর্তৃপক্ষ পরে দেখেছেন, কম দামি ইউএসবি চার্জার ব্যবহার করার জন্যই এ ঘটনা ঘটেছিল। তাই চার্জ দিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিরাপদ, তবে সস্তা চার্জার থেকে সাবধান। আর ভেজা হাতে চার্জ লাগানো মোবাইল না ধরাই ভালো।

ধারণা ৪ : সকল চার্জার একইভাবে নির্মিত

চার্জার আপনার মোবাইল ফোনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, এটার মধ্যে আর কতটুকু বৈচিত্র্য থাকতে পারে? চার্জার নিয়ে এ রকম ধারণা অনেকেরই আছে। কিন্তু আসলে একটি ভালো চার্জারের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। তাই নকল চার্জার ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ কেন শেরিফ বাজারে অ্যাপলের চার্জারের ছদ্মবেশে থাকা বেশকিছু নকল চার্জার নিয়ে গবেষণা করেছেন। এগুলোই মূলত আপনার মোবাইল ফোনকে নষ্ট করা এবং আগুন ধরিয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী। নামকরা ব্র্যান্ডের চার্জার না কিনলেও চার্জারের ভালো-মন্দ দেখে সেটা কেনা উচিত। ভালো চার্জার মানেই আপনার মোবাইল দ্রুত চার্জ হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের অতিরিক্ত তাপে তা গলে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

ধারণা ৫ : সপ্তাহে সাতদিন ২৪ ঘণ্টা মোবাইল চালু রাখা যাবে না

সারাক্ষণ মোবাইল খোলা রাখলে আপনার ব্যাটারির জীবনের মেয়াদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে কিন্তু মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে রাখা এর কোনো সমাধান নয়। এ জন্য সপ্তাহে একবার মোবাইল রিবুট অপশন থেকে পুনরায় বুট করে নেওয়া উচিত। এতে আপনার মোবাইলের কর্মক্ষমতা উন্নয়নেও তা সহায়ক হবে।

ধারণা ৬ : ‘লোকেশন সার্ভিস’ বা অবস্থান সংক্রান্ত সেবা আপনার ব্যাটারির ক্ষমতা নষ্ট করছে

মোবাইল ফোনে চালু অ্যাপগুলো যা অবস্থান সংক্রান্ত সেবা দিয়ে থাকে তা ব্যবহারের কারণে ব্যাটারির ধারণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাবে, এ রকম অভিযোগ অনেকের কাছেই শুনে থাকবেন। আইটি বিষয়ক সাইট অ্যান্ড্রয়েড অথরিটির মতে এই ধারণাটিও ভুল। এ রকম অনেক সেবামূলক অ্যাপ রয়েছে যা ব্যবহার করলে আপনার অ্যাপের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে, তার মানে এই নয় যে এটি আপনার মোবাইল ফোনের ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। আপনি আপনার মোবাইল ফোনে লোকেশন সার্ভিস ব্যবহার করতে চাইলে তা নির্বিঘ্নে ব্যবহার করতে পারেন। এটি কখনই আপনার ব্যাটারির জীবননাশ করবে না।

কোরআনে কারীম ও রাসুল (সঃ) |মুনাফিকের পরিচয়| দিয়েছেন

মুনাফিকদের পরিচয়

কোরআনে কারীম ও রাসুল (সঃ) মুনাফিকের পরিচয় দিয়েছেন।

মুনাফিকরা সবসময় অহংকারী ও দাম্ভিক হয়ে থাকে। আল্লাহ রাসূল তার পবিত্র কোরআনে বলেছেন মুনাফিকদের কোনভাবেই জান্নাতে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না! মুনাফিকদের আল্লাহ রাসূল বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্ন হাদীসের মাধ্যমে মুনাফিকদের পরিচয় ও পরিণতি তুলে ধরেছে। পবিত্র কোরআনে কারীম ও রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর পবিত্র হাদিসের অসংখ্য জায়গায় মুনাফিকদের আলোচনা এসেছে। তাতে তাদের চরিত্র ও কর্মতৎপরতা আলোচনা করা হয়েছে। আর মুমিনদেরকে তাদের থেকে সতর্ক করা হয়েছে যাতে তাদের চরিত্র মুমিনরা অবলম্বন না করে। মুনাফিকরা অহংকারী ও দাম্ভিক:

 মুনাফিকদের পরিচয়

মুনাফিকরা কখনই তাদের নিজেদের দোষত্রুটি নিজেরা দেখতে পায় না। তাই তারা নিজেদের অনেক বড় মনে করে। কারো কোন উপদেশ তারা গ্রহণ করে না, তারা মনে করে তাদের চাইতে বড় আর কে হতে পারে? আল্লাহ তা‘আলা তাদের অহংকারী স্বভাবের বর্ণনা দিয়ে বলেন,
﴿وَإِذَا قِيلَ لَهُمۡ تَعَالَوۡاْ يَسۡتَغۡفِرۡ لَكُمۡ رَسُولُ ٱللَّهِ لَوَّوۡاْ رُءُوسَهُمۡ وَرَأَيۡتَهُمۡ يَصُدُّونَ وَهُم مُّسۡتَكۡبِرُونَ﴾ [المنافقون: 5]
অর্থ, আর তাদেরকে যখন বলা হয় এস, আল্লাহর রাসূল তোমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবেন, তখন তারা তাদের মাথা নাড়ে। আর তুমি তাদেরকে দেখতে পাবে, অহঙ্কারবশত বিমুখ হয়ে চলে যেতে। [সূরা আল-মুনাফিকুন: ৫]
এ আয়াতে অভিশপ্ত মুনাফিকদের বিষয়ে সংবাদ দিয়ে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,﴿وَإِذَا قِيلَ لَهُمۡ تَعَالَوۡاْ يَسۡتَغۡفِرۡ لَكُمۡ رَسُولُ ٱللَّهِ لَوَّوۡاْ رُءُوسَهُمۡ وَرَأَيۡتَهُمۡ يَصُدُّونَ وَهُم مُّسۡتَكۡبِرُونَ﴾ “আর তাদেরকে যখন বলা হয় এস, আল্লাহর রাসূল তোমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবেন, তখন তারা তাদের মাথা নাড়ে। আর তুমি তাদেরকে দেখতে পাবে, অহঙ্কারবশত বিমুখ হয়ে চলে যেতে”।
অর্থাৎ, তাদের যা পালন করতে বলা হল, অহংকার ও অহমিকা বশত বা নিকৃষ্ট মনে করে তারা তা পালন করা হতে বিরত থাকে। এ কারণেই আল্লাহ তা‘আলা তাদের শাস্তি দিয়ে বলেন,
﴿سَوَآءٌ عَلَيۡهِمۡ أَسۡتَغۡفَرۡتَ لَهُمۡ أَمۡ لَمۡ تَسۡتَغۡفِرۡ لَهُمۡ لَن يَغۡفِرَ ٱللَّهُ لَهُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهۡدِي ٱلۡقَوۡمَ ٱلۡفَٰسِقِينَ ٦ ﴾ [المنافقون: ٦]
অর্থ, তুমি তাদের জন্য ক্ষমা কর অথবা না কর, উভয়টি তাদের ক্ষেত্রে সমান। আল্লাহ তাদেরকে কখনো ক্ষমা করবেন না। অবশ্যই আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে হেদায়েত দেন না।