জেনে নিন | হযরত ইউনুস (আঃ)-এর একটি চমকপ্রদ ঘটনা

হযরত ইউনুস (আঃ)-এর একটি চমকপ্রদ ঘটনা

হযরত ইউনুস (আঃ)-কে আল্লাহপাক মাছের পেট থেকে বাইরে বের করে বললেন—তোমার কওম তো তাওবা করে নিয়েছে। ওদের কাছে ফিরে যাও।

তিনি রওয়ানা দিলেন। পথিমধ্যে দেখতে পেলেন এক কামার মাটির খোরা বানাচ্ছে। বড় যত্ন করে মাটি আগুনে ঝলসে খোরা বানাচ্ছে। আল্লাহ পাক ইউনুস (আঃ)-কে বললেন—এই কামারকে বলো, একটি খোরা যেন ভেঙ্গে ফেলে।

হযরত ইউনুস (আঃ)-এর একটি চমকপ্রদ ঘটনা
হযরত ইউনুস (আঃ)-এর একটি চমকপ্রদ ঘটনা

ইউনুস (আঃ)- কামারের নিকট গেলেন। বললেন, ভাই! তোমার একটি খোরা ভেঙ্গে ফেলো। কামার অবাক হয়ে বললো, কেন? এত যত্ন করে যা বানিয়েছি তা ভাংবো কেন?

ইউনুস (অাঃ) বললেন—হে আল্লাহ! এই কামারতো তাঁর খোরা ভাংতে রাজি হচ্ছে না।

আল্লাহ পাক বললেন, হে ইউনুস! সে সামান্য একটি মাটির খোরা ভাংতে রাঝি হচ্ছে না। আর আমার বান্দা যাদেরকে আমি সৃষ্টি করেছি তাঁদেরকে তুমি শাস্তি দেবার জন্য দোয়া করেছিলে! ওরা তাওবা করে নিয়েছে। এখন ওরা আমার হয়ে গিয়েছে। আমার সাথে সন্ধি করে নিয়েছে। তাই নিশ্চিন্তে তুমি ওদের জনবসতিতে ফিরে যাও।

সূত্রঃ তাজা ঈমানের সত্য কাহিনী।

লেখকঃ মাওলানা তারিক জামিল।

কিং খানের চলন্ত রাজপ্রাসাদের দাম কত | জানলে চমকে যাবেন (ভিডিও)

কিং খানের চলন্ত রাজপ্রাসাদের দাম কত | জানলে চমকে যাবেন (ভিডিও)

ঝাড়খন্ডের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মুম্বাইয়ের ঝাঁ চকচকে মান্নাতের মালিক তিনি। মান্নাত বলতেই একবাক্যে প্রত্যেকে বিখ্যাত বলিউড স্টার শাহরুখ খানের বাড়িকে চেনেন। বলিউডের এই কিং খানের প্রথম বাড়িটি সবার চেনা হলেও তাঁর দ্বিতীয় বাড়ির কিন্তু কোনো ঠিকানা নেই। আসলে শাহরুখের এই দ্বিতীয় বাড়ি চলমান।বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন।

ভিডিওঃ-

এক নাস্তিক ও এক আলেমের ঘটনা

এক নাস্তিক ও এক আলেমের ঘটনা

এক নাস্তিক এক আলেম কে বলেছিল, ৩টা প্রশ্নের
উত্তর দিতে পারলে আমি মুসলমান হয়ে যাব।
প্রশ্ন ১: আল্লাহ কোথায় আছে? আল্লাহ কে আমাকে দেখান?
প্রশ্ন ২: আল্লাহ নাকি জ্বিন জাতিকে জাহান্নামে শাস্তি দিবেন, কিন্তু জ্বিন জাতি তো আগুনের সৃষ্টি! তো আগুনকে আগুন দ্বারা কিভাবে শাস্তি দিবেন?
প্রশ্ন ৩: দুনিয়ায় যা হয় তা নাকি সব আল্লাহর নির্দেশে হয়। তাহলে আবার তিনি পাপের শাস্তি দিবেন কেন? পাপ ওতো তার নির্দেশেই হয়।

এক নাস্তিক ও এক আলেমের ঘটনা
এক নাস্তিক ও এক আলেমের ঘটনা

তার প্রশ্ন শোনার পর আলেম কিছুই বললেন না, বরং শক্ত মাটির একটা টুকরা নিয়ে তার কপালে ঢিল মারলেন। এতে করে লোকটি আঘাত পেয়ে কাজী সাহেবের নিকট গিয়ে বিচার চাইলো যে, আমি তাকে প্রশ্ন করায় সে আমাকে আঘাত করেছে। এতে আমি অনেক ব্যাথাপেয়েছি। কাজী তখন আলেম কে ডেকে পাঠালেন এবং অভিযোগের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন। আলেম বললেনঃ তার প্রথম প্রশ্ন ছিল আল্লাহ কোথায়? আল্লাহকে দেখান? তো তাকে আমার প্রশ্ন হল, তার ব্যাথা কোথায়? ব্যাথা আমাকে দেখাক?
তার ২য় প্রশ্ন ছিল,আগুনের জাতিকে আল্লাহ আগুন দিয়ে কিভাবে শাস্তি দিবেন? তো সে মাটির সৃষ্টি হয়ে মাটির আঘাতে ব্যাথা পেল কিভাবে?
তার ৩য় প্রশ্ন ছিল,সব আল্লাহর নির্দেশে হওয়া সত্তেও তিনি শাস্তি দিবেন
কেন? তাহলে আমিও তো তাকে আল্লাহর নির্দেশে ঢিল মেরেছি, সে আপনার দরবারে বিচার দায়ের করল কেন?

দেখুন কি দিয়ে চলছে হাসপাতাল | লিখা পড়া জানা নাই | সেই সব লোক দিয়ে চলছে সব

আজ আমাদের সমাজে ভুয়া ডাক্তারের মাধ্যমে সাধারণ রোগীর সেবা দেওয়া হচ্ছে ,সত্যি আজও মানুষ ভিবিন্ন ভাবে প্রতারিত হচ্ছে। এই প্রতারণার শেষ কোথায় হবে আমরা জানি না” আপনারা এই ভিডিও” দেখলে বুঝতে পারবেন।

নেশাখোরের প্রেম

নেশাখোরের প্রেম

মেয়েটাকে এক রাতের জন্য ভাড়া করে নিয়ে এসেছিলাম। বাড়িতে সপ্তাহ খানেক কেউ থাকবেনা। বাব-মা জরুরী কাজে বাড়ির বাহিরে গিয়েছিলেন।ছোটবোনটা মহিলা কলেজের হোষ্টেলেই থাকে।বাড়ি একদম ফাঁকা। কেন এনেছিলাম জানেন? আমি একটা প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে ক্রমশ ড্রাগ এ্যাডাক্টেড হয়ে পড়েছি।

নেশাখোরের প্রেম
নেশাখোরের প্রেম

মেয়েটাকে ভালবাসতাম, কিন্তু সে আমাকে ছেড়ে বিয়ে করে বরের সাথে লন্ডন চলে গেছে।কারো ধার ধারতামনা। লেখাপড়া বন্ধ করে সারাদিন নেশায় পরেছিলাম। তখন প্রায় পড়ালেখা শেষ, বাবা মা কেঁদেকেঁদে বারবার এই পথ থেকে ফিরে আসার জন্য বলত। ছোটবোনটা প্রায়ই ফোন দিয়ে কাঁদে,বলে ভাইয়া ফিরে আয় তুই কিন্তু আমার ফেরার কোন রাস্তাই ছিলনা, কষ্টে বাঁচার কোন ইচ্ছেই ছিলনা মনের মাঝে।

সে রাতে হিরোইন কিনে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ অন্ধকার রাস্তার কোন এক পাশ থেকে অচেনা একটা মেয়ে এসে বলছিলো,

-ভাইয়া পছন্দ হয় আমায়?

-অবাক দৃষ্টিতে তাকালাম তারপর বলেছিলাম দুরে থাক আমার থেকে আমি ওরকম না। মেয়েটা আরো কাছে এসে বলে

-প্লিজ ভাইয়া,দেখুন না তাকিয়ে আমার দিকে,কোন কমতি নেই আমার মাঝে।

-খেকিয়ে বলেছিলাম, তোকে বলছি না এখনি চলে যেতে  মেয়েটা বোধহয় একটু ভয় পেয়েছিল। ভয়ে ভয়ে বলেছিলো, টাকার খুব দরকার ছিলো, যা দিবেন তাই দিয়েই, ভাবতে লাগলাম আমি কাছে যা টাকাছিলো তাদিয়ে আরো ৬ দিন চলতে হবে। কোনভাবেই নষ্ট করা যাবেনা, কারণ নেশাখোরদের কেউ টাকা ধার দেয় না বাড়িতে বাবা মা-বাবা ও নেই।

ভাবছিলাম,মনে মনে কয়েক সেকেন্ড একটা হিসেব করছিলাম। হঠাৎ আমার ভাবনায় ছেদ করে মেয়েটা আবার বলেছিলো,

-আপনি যেখানে বলবেন সেখানেই যাব। বললাম,

-আমার বাড়িতে যাবি?

মেয়েটা মাথা নাড়ে।

-বেশি কিন্তু দিবোনা, তুই রাজি তো?

মেয়েটা আমার পিছনে আমায় অনুসরণ করে চলতে থাকে, কিভাবে কি করব কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না সেদিন। ভাবলাম নেশাটা আগে সেরেনেই।

বাড়িতে গিয়ে দরজা খুলে মোমমবাতি জ্বালিয়ে নিয়ে সবেমাত্র একটা টান দিয়েছিলাম। মেয়েটা বলেছিলো, ভাইয়া আমার সামনে এগুলো খাবেন না। আমার মাথা ঘোরে,বমি আসে। কথাটা শুনে একটু অবাক হয়েছিলাম সে রাতে।

ভাবছিলাম মেয়েটার জীবনে কি আমিই প্রথম নেশাখোর? নাকি ওর বিছানায় শোয়া প্রত্যেকেই ভালো ছিলো? সন্দেহের বশে বলেছিলাম, কেন হিরোইনের ধোয়ায় তোর বুঝি
কষ্ট হয়? ও উত্তরে বলেছিলো,হুম, খুব খারাপ লাগে, বিড়ি, সিগারেটের ধোয়াও সহ্য হয়না আমার। ফেলে দিয়েছিলাম হিরোইন সে রাতে। মেয়েটাকে প্রশ্ন করেছিলাম, তুই কি এই লাইনে নতুন? মাথা নেড়েছিলো,,,,,, ও. বললাম তবে কেন এসেছিস এই নোংরা জগতে? এই জগতটা তো ভালো নয়।

ও মাথা তুলে আমার মুখপানে কিছুক্ষন চেয়েছিলো।ওর চোখমুখে ছিলো বিস্ময়ের আবছায়া।হয়ত ও অবাক হয়েছিলো এইভেবে যে,এমন প্রশ্ন তো কেউ কোনদিন করেনা,এতগল্পের সময় তো কারোকাছে থাকেনা। ও বিছানা থেকে উঠে চলে যেতে চাইলে আমি বলেছিলাম,পুরো দুহাজার দিবো রাতটা থাকবি আমার সাথে? থমকে দাঁড়ায় মেয়েটা। ফিরে এসে বিছানায় শুয়ে বলে আগে টাকাটা দিন।টাকা বাহির করে দিলাম।

তিনদিনের নেশার টাকা দিয়ে দিয়েছিলাম ওর হাতে। ও হেসে বলেছিলো,ভাইয়া একটু ফোন করতে পারি? বললাম আমার ফোননেই। ও একটু অবাক হয়ে প্রশ্ন করেছিলো,ফোন নেই? আরে নিয়ে নেব না।আমি ওরকম মেয়ে নই। আমি বললাম,জানি তুই ওরকম না।কিন্তু সত্যিই আমার ফোন নেইরে,,ওটাকে বেঁচে সাতদিন আগে হিরোইন খেয়েছি। কিন্তু কেন বলত? ফোন কি করবি?অন্য কাউকে বাতিল করবি নাকি? মেয়েটা কিছুই বলেনি,কোন উত্তর করেনি।চুপচাপ আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো, রাত আনুমানিক বারোটা,মেয়েটা ঘুমিয়ে গেছে।

আমি কি করব বুঝতে পারছিলামনা।নেশাটাও এতক্ষনে চড়ে বসেছে। সিগারেটের চিকচিকে কাগজটায় হিরোইন নিয়ে আগুন জ্বালিয়ে নিলাম।হঠাৎ মেয়েটা কেশে উঠলো,বুঝতে পারলাম ধোয়ায় ওর কাশি উঠেছে। হঠাৎ মেয়েটা বলে উঠে,বলেছিনা আমার সামনে খাবেন না।যান বাহিরে থেকে খেয়ে আসুন। আগুন নিভিয়ে বাহিরে যেতে চাইলাম। ও আবার বলে,কেন খান এগুলো? বললাম কষ্টে। ও বলে,কিসের জন্য আপনার এত কষ্ট যে জীবনটাকে এভাবে আঁধারে নিয়ে যাচ্ছেন? ওর প্রশ্ন শুনে আমি অবাক হয়েছিলাম সেদিন।

মাথা থেকে পা পর্যন্ত ওর ভালো করে দেখছিলাম সেদিন।বয়স খুব একটা না,বছর সতের হবে হয়ত। বলেছিলাম, তোর জীবন টা কোথায়?কোন আলোয় আছিস তুই? মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে থাকে।একটুপরচোখের কোনবেয়ে জল গড়িয়ে আসে। আমি আরো অবাক হয়ে যাই। কিছুক্ষন পর চোখের জল মুছে ও বলেছিলো,কিছু করবেন না?

আমি বলেছিলাম,কিছুই করার ফিলিংস নাই রে। তুই ঘুমা, ও আবার প্রশ্ন করে,কেন? এমনিতেই।তুই বলেছিলি না কেন আমি নেশাকরি? শুনবি? মেয়েটা মাথা ঝোকায়।আমি বলি তাহলে শুন আমার  পেছনের ফেলে আসা ইতিহাস।যেখানে শুধুই হাহাকার আর কষ্ট।মেয়েটা গল্প শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পরে।

পরদিন সকালে ও যখন চলে যাচ্ছিল বলেছিলাম,তোর ঠিকানাটা দিবি? ও বলেছিলো না। বললাম আজ আবার এই ঠিকানায় চলে আসিস।মেয়েটা হেসে বলে আচ্ছা,আজ কতনিবে সে টাকার কথা না বলেই চলেগেল ও ,পরদিন ওর গল্প শুনতে লাগলাম, ও বলে,আমি কলেজে পড়ি।এবার বি.এ পড়তাম। যদিও বাবা বেঁচে নেই।ছোট্ট একটা বোন,মা আর আমি।এই
আমার পরিবার,এই আমার দুনিয়া,,,,। দিনের বারোটা পর্যন্ত মানুষের
বাড়িতে কাজ করি আমি। বিকেলে বাচ্চাদের পড়াই।মাঝে মাঝে কলেজে যেতাম!
আর মা সারাদিন কাজ করতেন।রাতে বাতির আলোয় কলেজের বইপড়ি।

বছর তিনেক আগে পাঁচ হাজার টাকায় ঝি এর কাজ করতাম এক বাড়িতে।তারা সকালে নাস্তা আর দুপুরের খাবার দিতো আমায়। দিব্যি চলেযেত দিন। আমি বললাম,তারপর?
তারপর যখন এস,এস,সি পাশ করেছিলাম,কলেজে ভর্তি হলাম।লেখাপড়ার খরচ বাড়তে লাগলো। প্রাইভেট পড়ার সময় ছিলোনা,গাইডের প্রয়োজন দেখা দিত।প্রথম প্রথম বান্ধবীদের থেকে নিতাম।কিন্তু ঝি এর কাজের জন্য প্রতিদিন কলেজে যেতে পারতাম না।তাই তারাও আর নোট দিতনা। অবশেষে বাড়ির মালিককে বলে দুপুরের খাবারের বদলে একহাজার টাকা বেতন বাড়িয়ে নিয়েছিলাম। সকালের নাস্তার দুটো বিস্কুট আর এক কাপ চা খেয়েই কাজ করতাম সারাদিন।

-এটুকু খেয়ে তুই থাকতে পারতি? তোর কষ্ট হতনা?
-প্রথম প্রথম খুব কষ্ট হয়েছিলো।পেটে
মোচড় দিয়ে ব্যাথা হত।মাথা ঘুরে পরেও গিয়েছিলাম
কয়েকদিন।
জানেন,মালিকে বাড়িতে দুটো গরু ছিলো।বহুগরুকে খাবার দিতে গিয়ে ঐ পঁচা পান্তা গুলো
খেয়েছিলাম। কি করব,ক্ষুধার জ্বালায় যকরতে পারতাম না। আর কাজ না করলে মালিক তো বেতন দিবে না। রাতের খাবার মা অন্যের বাড়ি থেকে আনত।ছোট বোনকে খাওয়ানোর পর যা থাকত,মা আর আমি ভাগ করে খেতাম। আমি মা কে বলতাম মা,জীবনে একদিন সুখ
আসবেই।একদিন কষ্টগুলো সুখে রুপান্তরিতহবেই।

-তারপর?
মেয়েটা আবার বলতে থাকে,
আমি ইন্টার পাশ করলাম। কিন্তু আর কলেজে ভর্তি হতে পারিনি। যে বস্তিটাতে থাকতাম কয়েকদিন আগে সেখানে আগুন লাগে। ঘরে যা টাকা ছিল সব আগুনে পুড়ে গেছে।খুব
কষ্ট পেয়েছিলাম আমি।আবার কষ্টটাকে বুকে টেনে নিয়েছিলাম। এবার বিকেলে বস্তির বাচ্চাদের পড়াতে শুরু করেছিলাম। ভেবেছিলাম,এবছর না হোক সামনে বছর আবার ভর্তি হব।কিন্তু হয়ত সে কপাল আমার নেই।একরাতে বাড়ি ফেরার পথে মা
এক্সিডেন্ট করে বসেন। কষ্টটা যেন এবার নিয়তি হয়ে গিয়েছিলো।কি করব আমি, কোনদিকে যাব? ভাবতে লাগলাম গরিবের দুঃখই যে নিয়ামত…..!!! একদিকে ছোটবোন,আরেকদিকে হাসপাতালে মা।কোন পথ না পেয়ে দিনের কাজের পাশাপাশি রাতে এ পথে নেমে এলাম,

আমি
-তারপর কি হল রে,
মেয়েটার কন্ঠ ভারি হয়ে আসে,ও কাঁদোকাঁদো স্বরে বলতে থাকে, ব্যবসা করতে লাগলাম নিজের দেহ দিয়ে, আজ একটা মাস যাবত মার কাছে ছোট বোনকে রেখে রাতে পড়ার নামে বেড়িয়ে পরি আমি। ফেরী করে বেড়াই নিজের দেহকে নিয়ে। দেহটার কত মূল্য হবে নিজেই ঠিক করে দেই, কাঁদতে থাকে মেয়েটি,কাঁদতে থাকি আমি। মেয়েটা তারপর থেকে রোজ আসত।আমি বুঝতে পারি আমার হিরোইনের নেশাটা এখন বদলে গেছে।নেশাটা এখন ওর গল্প শোনায় রুপান্তরিত হয়েছে। আমিও তখন নেশা বাদ দিয়ে তার সাথে সময় কাটাতাম
হঠাৎ একদিন শুনলাম ওর মা মারা গেছে। খুবই দুঃখ পেলাম, কি করব বুঝতে পারছিলাম না।

আমি বাবাকে বললাম তার জীবনের কাহিনী ও আমার খুজে পাওয়া বলেছিলাম,বাবা আমার
স্বপ্ন তো জোড়া লেগে ভেঙেছিলো,কিন্ত আমি এ মেয়েটা স্বপ্নের খোজটুকুও পায়নি। বাবা বিজ্ঞান বিষয় খুব ভালো বুঝতেন। দুটো কালো মেঘের ঘষায় সৃষ্ট বিদ্যুৎ যে সবাইকে আলোকিত করতে পারে, এই হিসাবেই আমি আর মেয়েটাকে একত্র করে
দিলেন। বিয়ে দিয়ে বাবা বলেছিলেন,দুজনের আধারের জীবনটাকে এবার আলোকিত করো তোমরা।আর আমি হয়ে গেলাম বিবাহিত

ও হ্যা, মেয়েটার নাম “অঁতশী”

আজ আমাদের তৃতীয় বিবাহ বার্ষিকী,আমি, অতশী,বাবা-মা-বোন,আমাদের ছোট শিশু আনজু
আর ওর ছোটবোন রেখা,ওর মার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বর্তমানে কবর জিয়ারতে অতশী কেঁদে কেঁদে বলল,মা বলেছিলাম না সুখ একদিন আসবেই আজ দেখ আমি কত সুখে আছি, কিন্তু তোমার অনুপস্তিতিতে তারপর সবাই কবর জিয়ারত করে গাড়ি করে বাড়ি ফিরতে লাগলাম

সোমালিয়ার মরুভূমিতে পরে থাকা এক ক্ষুধার্ত বনী আদমের লাশ

“গা শিউরে উঠার মতই একটা ছবি”

সোমালিয়ার মরুভূমিতে পরে থাকা এক ক্ষুধার্ত বনী আদমের লাশ! লোকটি বাচার জন্য চেষ্টার কোন ত্রুটি করেনি তা তার হাতে শূন্য পানির বোতল দেখেই বুঝা যাচ্ছে।কিন্তু খাদ্য পানি পাবে কোথায়? ২০১০-২০১২ সালের দুর্ভিক্ষে সোমালিয়ায় মারা গেছে ২৬০,০০০ মানুষ।এখনও ক্ষুধার্ত থেকে প্রতি ৪৮ ঘণ্টায় প্রাণ হারাচ্ছে শতাধিক মানুষ!

ইউরেনিয়াম,গ্যাস আর খনিজ তেলে সমৃদ্ধ সোমালিয়ার মানুষ আজ না খেয়ে মারা যাচ্ছে।এসব সম্পদের উপর আমেরিকা আর ইউরোপীয় দস্যুদের নজর বহুদিন ধরেই।এই দস্যুদের কারণে সম্পদশালী দেশ হওয়া সত্ত্বেও সোমালিয়ার সর্বত্র আজ অস্থিরতা,হানাহানি আর খাদ্যের অভাব!অথচ এই সাম্রাজ্যবাদী দস্যুরাই আজ সভ্য জাতি হিসাবে পরিচিত আর সোমালিয়ানদের আমরা চিনি অসভ্য,বর্বর আর জলদস্যু নামে!

আর আমরা যারা সুস্থ আছি তারা আল্লাহ্‌র নিয়ামত ভোক করে দিনের পর দিন শয়তানের গোলামী করে চলেছি!

জেনে নিন | ইয়াজুজ মাজুজ জাতির আগমন সম্পর্কে

ইয়াজুজ মাজুজ জাতির আগমন

পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কোরানে বর্ণিত কিয়ামতের যতগুলো নিদর্শন রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ইয়াজুজ-মাজুজ নামের একটি জাতির উত্থান। এই ইয়াজুজ-মাজুজ কারা তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

কেউ বলেছেন, তারা পৃথিবীর প্রথম মানব ও নবী হযরত আদম (আ.) এর বংশধর। আবার কেউ বলেছেন তারা, হযরত নুহ (আ.) এর তৃতীয় পুত্র ইয়াকেলের বংশধর। ইয়াজুজ-মাজুজ জাতিটিকে ওল্ড এবং নিউ টেস্টামেন্টে ‘গগ ও ম্যাগগ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বাইবেলে এদের নুহ (আ.) এর দুই পুত্র বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, এরা মিলে পরে একটি উপজাতি সৃষ্টি করেছিল।

বিতর্ক থাকলেও এ কথা সত্য যে, ইয়াজুজ-মাজুজের জাতি পৃথিবীর ইতিহাসে অত্যন্ত ভয়াবহ জাতি হিসেবেই পরিগণিত। তারা তাদের পাশ্ববর্তী জাতিগুলোর ওপর ভয়াবহ অত্যাচার চালিয়েছিল। এমনকি পুরো সভ্যতা ধ্বংস করে দিতেও তারা কুণ্ঠাবোধ করেনি। কোরান, ওল্ড টেস্টামেন্ট এবং নিউ টেস্টামেন্টের বর্ণনা অনুসারে, ইয়াজুজ-মাজুজের বাসস্থান ছিল এশিয়ার উত্তর-পূর্বের অংশে। তারা এশিয়ার দক্ষিণ এবং পশ্চিমাঞ্চলজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ তৈরি করেছিল। কোনো ইতিহাসবিদ মনে করেন, এই সম্প্রদায়টি বসবাস করতো রাশিয়ার মস্কো অঞ্চলে। আবার অনেকের ধারণা, চীনের তিব্বত এবং আর্কটিক সাগরের পাশ্ববর্তী তুর্কিস্তানে বাস ছিল ইয়াজুজ-মাজুজের।

ইয়াজুজ মাজুজ জাতির আগমন
ইয়াজুজ মাজুজ জাতির আগমন

জুলকার নাইনের আবির্ভাব

কোরানে উল্লিখিত জুলকার নাইনের পরিচয় সম্পর্কে গবেষকদের মতপার্থক্য রয়েছে, কেউ বলেন তিনি হলেন গ্রিক মহাবীর আলেকজান্ডার। অনেকে এই মতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বলেন, জুলকার নাইন হচ্ছেন প্রকৃতপক্ষে বাদশাহ হযরত সোলাইমান (আ.)। আধুনিক গবেষকদের মতে কোরানে উল্লিখিত জুলকার নাইনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৩টি চরিত্র নির্দেশ করা হতে পারে: ১. মহামতি আলেকজান্ডার ২. সাইরাস দি গ্রেট (পারস্যের রাজপুত্র) ৩. হিমায়ার সাম্রাজ্যের একজন শাসক।

কোরানের বর্ণনা মতে, জুলকার নাইন ছিলেন একজন শাসক। আল্লাহ তাকে প্রচুর সম্পদ দিয়েছিলেন। পৃথিবীর পূর্ব এবং পশ্চিমের সব দেশ তিনি জয় করেছিলেন। ইয়াজুজ-মাজুজ যে পাহাড়ে বাস করতো সেখানে গিয়ে তিনি তার মিশন শেষ করেন। সেখানে গিয়ে তিনি লোকজনের এক ভিন্ন ধরনের ভাষা শুনতে পান। দোভাষীর মাধ্যমে কথা বলে জুলকার নাইন জানতে পারেন, তারা ইয়াজুজ মাজুজের নির্যাতনের শিকার। লোকগুলো ইয়াজুজ-মাজুজকে অবরুদ্ধ করে তাদের এবং ওই ভয়ঙ্কর জাতির মধ্যে একটি দেয়াল তৈরি করে দিতে বলল। এরপর তিনি তাদের মধ্যে একটি প্রাচীর তৈরি করে দেন।

সূরা কাহাফ’র ৮৩-৮৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তারা আপনাকে জুলকার নাইন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলুন, আমি (আল্লাহ) তোমাদের কাছে তার কিছু অবস্থা বর্ণনা করব। আমি তাকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম এবং প্রত্যেক বিষয়ের কার্যোপকরণ দান করেছিলাম। অতঃপর তিনি এক কার্যোপকরণ অবলম্বন করলেন। অবশেষে তিনি যখন সূর্যের অস্তাচলে পৌছলেন তখন তিনি সূর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে জুলকার নাইন, আপনি তাদের শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন।’

জুলকার নাইনের প্রাচীর

কোরানে সূরা কাহাফের ৯৩ থেকে ৯৮ নম্বর আয়াতে জুলকার নাইনের এই প্রাচীর নির্মাণের কথা উল্লেখ আছে। ধারণা করা হয় এই জাতি ধাতুর ব্যবহার জানতো। তারা হাপর বা ফুঁক নল দিয়ে বাতাস প্রবাহিত করে ধাতুকে উত্তপ্ত করে গলাতে পারতো এবং লোহার পিণ্ড ও গলিত সীসাও তৈরি করতে পারতো। প্রাচীরটি তৈরির পর জুলকার নাইন জনগণকে বলেছিলেন, এই দেয়ালটি চিরস্থায়ী নয়। আল্লাহ যতদিন চাইবেন এটি থাকবে। তিনি এক সময় এটি ভেঙে ফেলবেন। প্রশ্ন হচ্ছে, দেয়ালটি আসলে কোথায়?

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

ধর্ষণের বিচার না পেয়ে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ের আত্মহত্যা

এলাকার এক বখাটে যুবক ধর্ষণ করেছিল তার শিশুকন্যাকে।  এ ঘটনার বিচার চাইতে স্থানীয় মাতব্বরদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন বাবা।  কিন্তু কোনো বিচার পাননি।  বিচার না পেয়ে সেই শিশুকন্যা আয়েশাকে (৮) নিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাপ দিলেন হযরত আলী (৪৫)।  ঘটনাস্থলেই ঝরে গেল বাবা-মেয়ের প্রাণ।  গাজীপুরের শ্রীপুর স্টেশনের দক্ষিণ পাশে শনিবার সকাল সোয়া ৯টায় মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে। 

ধর্ষণের বিচার না পেয়ে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ের আত্মহত্যা
ধর্ষণের বিচার না পেয়ে ট্রেনের নিচে বাবা-মেয়ের আত্মহত্যা

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) দাদন মিয়া  জানান, শ্রীপুর পশু হাসপাতাল সংলগ্ন রেললাইনে এলাকায় ময়মনসিংহগামী তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই দু’জন মারা যায়।  ধারণা করা হচ্ছে শিশুকন্যাকে নিয়ে বাবা আত্মহত্যা করেছেন। 

রেলওয়ে পুলিশ ও শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। 

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কর্ণপুর ছিটপাড়া এলাকায় সপরিবারে বসবাস করতেন হযরত আলী।  স্থানীয় এক বখাটে তার শিশুকন্যা আয়েশা আক্তারকে ধর্ষণ করলে স্থানীয় মাতব্বরদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো বিচার পাননি তিনি।  এই ক্ষোভ থেকেই মেয়েকে নিয়ে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন।