দেখে নিন যে ব্যক্তির আমল আল্লাহ তা’য়ালা কখনোই কবুল করেন না !!

মানুষ মহান আল্লাহ তা’য়ালার সন্তুষ্টি লাভের জন্য প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে থাকেন। শুধু তাই নয়, আল্লাহকে পাওয়ার জন্য ঈমানদার ব্যক্তিগণ ফরজ নামাজের পাশাপাশি সুন্নাত, মুস্তাহাব, নফল নামাজ আদায় করে থাকেন। কিন্তু যারা আল্লাহর নির্দেষিত নামাজ আদায় করে না তাদের কি হবে? মূলত এই শ্রেণীর কোনো আমলই আল্লাহ তাআলার কাছে কবুল করেন না। যার প্রমাণ একটি হাদিস থেকে তুলে ধরা হলো।

দেখে নিন যে ব্যক্তির আমল আল্লাহ তা’য়ালা কখনোই কবুল করেন না
দেখে নিন যে ব্যক্তির আমল আল্লাহ তা’য়ালা কখনোই কবুল করেন না

ইমাম বুখারি রহমাতুল্লাহি আলাইহি হজরত বুরাইদা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন- রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ﻣَﻦْ ﺗَﺮَﻙَ ﺻَﻼﺓَ ﺍﻟْﻌَﺼْﺮِ ﻓَﻘَﺪْ ﺣَﺒِﻂَ ﻋَﻤَﻠُﻪُ অর্থাৎ “যে ব্যক্তি আসরের নামায ত্যাগ করে তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়।” (বুখারি)

“তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়” এর অর্থ হল : তা বাতিল হয়ে যায় এবং তা তার কোনো কাজে আসবে না। এ হাদিস প্রমাণ করে যে, বেনামাজির কোনো আমল আল্লাহ কবুল করেন না এবং বেনামাজি তার আমল দ্বারা কোনোভাবে উপকৃত হবে না। তার কোনো আমল আল্লাহর কাছে উত্তোলন করা হবে না।

কোনো বান্দা যদি তার ভুল বুঝতে পেরে পুনরায় আল্লাহর ফরজ করা ইবাদতগুলো যথাযথ আদায় করে তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তা কবুল করবেন। এবং বান্দার পূর্বের আমলগুলোও কাজে আসবে। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস প্রমাণ করে যে, কোনো বান্দা যদি আকাশ সম গুনাহ নিয়ে আল্লাহ দরবারে ক্ষমাপ্রার্থনা করে আল্লাহ তার প্রতি আকাশসম ক্ষমা নিয়ে এগিয়ে আসে।

আইপিএলের প্রতি উইকেটের মূল্য কত কোটি রুপি | জানলে অবাক হবেন

আইপিএলের দশম আসরের নিলামে সবচেয়ে চমক দেখান দুই ইংলিশ ক্রিকেটার। তারা হলেন- অলরাউন্ডার বেন স্টোকস এবং পেসার টাইমাল মিলস। আকাশ ছোঁয়া দামে তাদের দলে ভেড়ান যথাক্রমে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর।

বেন স্টোকসকে প্রথমে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় দিল্লি ডেয়ারডেভিলস। তাদের সঙ্গে বেন স্টোকসকে নিতে মরিয়া লড়াই চালিয়েছিল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব এবং গত আসরের চ্যাম্পিয়ন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ১৩ কোটি, ১৩.৫ কোটি এবং সব থেকে বেশি ১৪.৫ কোটি রুপিতে বিড করে বেন স্টোকসকে কিনে নেয় পুনে। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন ছিলেন আইপিএলের সব থেকে দামী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার (৯.৫ কোটি রুপি)।

আইপিএলের প্রতি উইকেটের মূল্য কত কোটি রুপি |
আইপিএলের প্রতি উইকেটের মূল্য কত কোটি রুপি |

এতো চড়া দামে কেনা ক্রিকেটার দলের আশা পূরণে ব্যর্থ। ব্যাট ও বল হাতে কিছুই করতে পারেননি স্টোকস। স্টোকস পুনের হয়ে ৭ ম্যাচ খেলেছেন। পেয়েছেন মাত্র ৬ উইকেট। ব্যাট হাতে করেছেন ১২৭ রান।

স্টোকসের দামের সঙ্গে যদি তার উইকেটের পরিসংখ্যান হিসেব করা হয় তাহলে ২ কোটি ৪১ লাখেরও বেশি রুপি খরচ করেছে পুনে।

টাইমাল মিলসঅন্যদিকে বামহাতি পেসার টাইমাল মিলসকে ১২ কোটি রুপিতে কিনেছিল বাঙ্গালোর। ৫ ম্যাচ খেলে উইকেট পেয়েছেন ৫টি। উইকেট প্রতি বাঙ্গালোর খরচ করেছে ২ কোটি ৪০ লাখ রুপি।

এবারের আসরে ভালো কিছুর প্রত্যাশা নিয়েই স্টোকসকে দলে নিয়েছিল পুনে। তবে স্টোকস ব্যর্থ হয়েছেন। অবশ্য এখনও প্লে অফে খেলার আশা জাগিয়ে রেখেছে পুনে। অন্যদিকে এবারের আইপিএলের শিরোপা জেতার স্বপ্ন প্রায় শেষ হয়ে গেছে বাঙ্গালোরের। পয়েন্ট টেবিলের নিচের দিকে।

এদিকে, আজ বিকেলে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্টোকস আর কোহলিরা।  ৯ ম্যাচের ২টিতে জিতে ৫ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের সাতে আছে কোহলির বেঙ্গালুরু, অপরদিকে ৮ ম্যাচের ৪টিতে জিতে ৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চারে আছে স্টোকসদের পুনে। আজ হেরে গেলে পুণে সুপারজায়ান্টের প্লে-অফে ওঠা কঠিন হয়ে যাবে।

ইমাম আবু হানিফার মহানুভবতা নিয়ে অসম্ভব সুন্দর একটি গল্প

ইমাম আবু হানিফার মহানুভবতা নিয়ে অসম্ভব সুন্দর একটি গল্প

ইমাম আবু হানিফার পাড়া প্রতিবেশীদের মধ্যে একজন দিনমজুর বাস করতো। দিনের বেলায় সে নিজের কুঁড়েঘরে বসে নানা রকম কুটির শিল্পের কাজ করতো। অশালীন গান গাইতো ও প্রলাপ বকতো।

তার হৈ চৈ তে ইমাম সাহেব এর গভীর রাতের নামায, যিকির ও চিন্তা গবেষণা পর্যন্ত ব্যাহত হতো। তিনি তাকে ঐ বদঅভ্যাস ত্যাগ করার জন্য প্রায়ই অত্যন্ত মিষ্ট ভাষায় উপদেশ দিতেন।

কিন্তু সে তাতে কর্ণপাত করতো না। ইমাম অগত্যা নীরবে সবকিছু সহ্য করতেন।

একদিন রাত্রে তিনি লক্ষ্য করলেন যে, ঐ লোকটির কুড়েঘর হতে কোন হৈ চৈ এর আওয়াজ আসছে না। তিনি আজ নির্বিঘ্নে এবাদত জিকির ও চিন্তা গবেষণা চালালেন বটে, কিন্তু তাঁর মন অস্থির ও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠলো।

ইমাম আবু হানিফার মহানুভবতা নিয়ে অসম্ভব সুন্দর একটি গল্প
ইমাম আবু হানিফার মহানুভবতা নিয়ে অসম্ভব সুন্দর একটি গল্প

ভোরবেলা ইমাম সাহেব তার খোঁজ খবর নিতে গেলেন। তিনি শুনতে পেলেন যে, পুলিশ ঐ মাতাল লোকটিকে ধরে নিয়ে জেলে আটক করেছে।

তৎকালে বাগদাদের সিংহাসনে আসীন ছিলেন উমাইয়া বংশীয় বাদশাহ মানসুর্।

ইমাম সাহেব বাদশাহর দরবার কঠোরভাবে এড়িয়ে চলতেন। বাদশাহ নিজেই ইমাম সাহেব এর সাথে কখনো কখনো দেখা করে যেতেন।

কিন্তু আজ ইমাম সাহেব তাঁর দরিদ্র প্রতিবেশীর বিপদে অধীর হয়ে বাদশাহর দরবারে চলে গেলেন।

বাদশাহ ও তাঁর আমীর ওমরাহগণ ইমাম সাহেবকে দরবারে আসতে দেখে অবাক হয়ে গেলেন। তারা পরম শ্রদ্ধা সহকারে তাঁকে বসালেন।

তিনি বললেন, “মহামান্য বাদশাহ, আপনার লোকেরা আমার এক প্রতিবেশীকে ধরে এনে জেলে পুরেছে। আমি তার মুক্তি চাইতে এসেছি।”

বাদশাহ এক মুহুর্ত ভেবে জবাব দিলেন, “মান্যবর ইমাম সাহেব, আপনি আজ আমার দরবারে উপস্থিত হয়ে আমাকে যে ধন্য করলেন, সেই আনন্দে ও আপনার সম্মানের খাতিরে আপনার প্রতিবেশীসহ জেলের সকল কয়েদীকে মুক্তি দিলাম।”

ইমাম সাহেব তার প্রতিবেশীকে নিয়ে বাড়ীতে ফিরলেন। দিনমজুর এরপর আর মদ স্পর্শ করে নি।

ঢাকায় থাকার জায়গা চান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনি

বাংলাদেশে থাকার জন্য এক টুকরো জায়গা চেয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ছোট ছেলে কাজী অনিরুদ্ধর পরিবার। অনিরুদ্ধর ছোট মেয়ে অনিন্দিতা কাজী এ কথা বলেছেন। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গত বছর একটি লিখিত আবেদনও করেছেন বলে জানান কবির নাতনি।

আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। আগামী ১ মে লাখো কণ্ঠে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনটি আয়েজিত হয়।

অনিন্দিতা কাজী বলেন, ‘দাদুকে কেন্দ্র করে নানা উপলক্ষে আমাদের বাংলাদেশে আসতে হয়। এখানে এসে থাকতে হয় অন্যের বাড়িতে। এ জন্য অনেক সময় আসতে পারি না।

জায়গার অভাবে মাকে নিয়ে আসতে পারেন না বলে জানান অনিন্দিতা। বলেন, ‘আমরা তো এখানে আসতেই পারি। কিন্তু আমি এলেও মাকে নিয়ে আসতে পারি না। থাকার কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নেই। এমনিতে অনেকেই তাদের বাসায় দাওয়াত দেন। কিন্তু তারপরও স্থায়ীভাবে থাকার জন্য একটা ব্যবস্থা করে দিলে আমরা সবাই এসে এখানে থাকতে পারি।

ঢাকায় থাকার জায়গা চান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনি
ঢাকায় থাকার জায়গা চান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনি

গত বছর এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছেন জানিয়ে কবির নাতনি বলেন, ‘আমরা ওনাকে (প্রধানমন্ত্রী) অনেক ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি। উনি এ বিষয়ে অনেক আন্তরিক আমার বিশ্বাস। উনি অনেক ব্যস্ত থাকেন, হয়তো ভুলে গেছেন। আমার মনে হয় ওনাকে একটু মনে করিয়ে দিলে কাজটি হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে নিজেদের একটু জায়গা থাকাটা আবেগের ব্যাপার বলেও উল্লেখ করেন জাতীয় কবির নাতনি। আর এ জন্য একটু অভিমান আছে বলেও জানান। ‘এটা শুধু আবেগ। জায়গা না পাওয়াতে কোনো ক্ষোভ নাই। তবে একটি অভিমান আর কি।

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছেন অনিন্দিতা কাজী। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘আমি এর আগে ১৫ বছর তারা টিভিতে উপস্থাপনা করেছি।

তিন ভাই-বোনের মধ্যে অনিন্দিতা সবার ছোট। বড় ভাই কাজী অনির্বাণ একজন শিল্পী, ছবি আঁকেন। ছোটজন অরিন্দম কাজী গিটারবাদক।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের দুই ছেলে কাজী সব্যসাচী ও কাজী অনিরুদ্ধ। দুই বাংলার খ্যাতিমান আবৃত্তিকার ছিলেন কাজী সব্যসাচী। তিনি বিয়ে করেন উমা কাজীকে। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবিকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। ধানমন্ডির ২৮ নম্বর রোডে (বর্তমান নজরুল ইনস্টিটিউট সংলগ্ন) কবি ভবনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তারা বসবাস শুরু করেন। কাজী সব্যসাচী ব্যবসার কাজে কলকাতায় থেকে গেলেও উমা কাজী কবিকে দেখার জন্য ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। তাদের তিন সন্তান। সবার বড় খিলখিল কাজী। তারপর মিষ্টি কাজী। সবার ছোট বাবুল কাজী। সব্যসাচী ১৯৭৯ সালের ২ মার্চ কলকাতায় মারা যান।

কবির ছোট ছেলে কাজী অনিরুদ্ধ ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতনামা সংগীতজ্ঞ। তিনি কবির সৃষ্ট অমর সুর সম্পদ সংরক্ষণের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। নজরুলের দুষ্প্রাপ্র লুপ্ত, অর্ধলুপ্ত গানের সুর উদ্ধার, স্বরলিপি প্রণয়ন ও প্রকাশের মাধ্যমে কবির সৃষ্টিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করেন। কবির জীবদ্দশাতেই ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ৪৩ বছর বয়সে তিনি কলকাতায় মারা যান। অনিরুদ্ধর পরিবার কলকাতায় থাকেন। তার স্ত্রী কল্যাণী কাজী নজরুল সংগীতের প্রশিক্ষক। তিনি লেখালেখিও করেন। নজরুলের গান এবং কর্মকে সুপরিচিত করাই তার মুখ্য সাধনা। তাদের তিন সন্তান- অনির্বাণ কাজী, অরিন্দম কাজী ও অনিন্দিতা কাজী।

কেমন আছেন চিত্রনায়ক রুবেল (দেখুন ভিডিও সহ )

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মাসুম পারভেজ রুবেল। দেশীয় চলচ্চিত্রে অ্যাকশন হিরো হিসেবে তিনি সুপরিচিত। চলচ্চিত্রে তিনি দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে যাচ্ছেন। রুবেল একাধারে ফাইটিং ডিরেক্টর, নায়ক, প্রযোজক, কণ্ঠশিল্পী ও চিত্রপরিচালক। সম্প্রতি এ অভিনেতা বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া কয়েকটি চলচ্চিত্রের শুটিং নিয়েও ব্যস্ত আছেন।

একটি খৃষ্টান মেয়ের মুসলমান হওয়ার গল্প

একটি খৃষ্টান মেয়ের মুসলমান হওয়ার গল্প

অনেকেই আমার কাছে আমার ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে জানতে চান এবং আমি তাদেরকে খুব সংক্ষেপেই আমার ঘটনাটা বলে থাকি। কিন্তু আজ আমি আপনাদের সাথে আমার কাহিনীর পুরোটাই শেয়ার করতে চাই কিভাবে আমি এই সত্য ও সুন্দরের ধর্ম ইসলামের সুশীতল ছায়া তলে আশ্রয় গ্রহণ করলাম।

প্রায় আট বছর আগের কথা বলছি; হঠাৎ একদিন এক অদ্ভুত রকমের স্বপ্ন দেখলাম; বিশ্বাস করুন, একেবারেই অদ্ভুত এক স্বপ্ন; স্বপ্নটা কোনভাবেই মেলাতে পারছিলাম না। স্বপ্নটা কতটা অদ্ভুত তা গল্পের বাকিটা পড়লেই বুঝতে পারবেন…

একটি খৃষ্টান মেয়ের মুসলমান হওয়ার গল্প
একটি খৃষ্টান মেয়ের মুসলমান হওয়ার গল্প

ঘটনার প্রথম সূত্রপাত ২০০২ সালেঃ

আ্যকাউনটিং বিষয়ে পড়াশোনা করার জন্য কিছুদিন আগেই আমাকে নিজ শহর ছেড়ে পাশের উপশহরে আসতে হয়েছে। নতুন জায়গা, আশপাশের মানুষরা সব অপরিচিত, নতুন পড়াশোনা-সব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল স্কুলের প্রথমদিনটার কথা। প্রথম যেদিন স্কুলে গিয়েছিলাম সেদিনও ঠিক এমনটাই মনে হয়েছিল।

.কলেজের প্রথম দিন; প্রথম ক্লাস শুরু হয়েছে প্রায় পনেরো মিনিট হল। দেখলাম মেয়েটি ক্লাসে প্রবেশ করল। হয়ত এমনিতেই খুব বেশী মনোযোগ দিতাম না ওর দিকে কিন্তু দিলাম কারন আমি যেখান থেকে এসেছি সেখানে ওর মতো কাউকে দেখিনি কখনো। আর যদিও বা দুই একজনকে দেখা যায় তাদের দিকে মানুষের দৃষ্টি থাকে ঘৃণা আর অবজ্ঞার। মেয়েটির নাম ফাতিমা; লেবাননের মেয়ে; ইসলামি হিজাবে আপদমস্তক ঢাকা।

একটু পরেই শুরু হবে দ্বিতীয় ক্লাস; ক্লাসে ঢুকতেই ফাতিমার দিকে চোখ পড়ল। কেন জানিনা ওর দিকে তাকাতেই মনে হল ও আমার অনেক দিনের পরিচিত কেউ। ওকে জিজ্ঞাস করলাম, “তোমার পাশে বসতে পারি?”…সেই যে শুরু বন্ধুত্বের, আলহামদুলিল্লাহ্‌, এতো বছর পরেও আমরা একে অপরের বন্ধু। পুরো কলেজ লাইফে আমরা ছিলাম একেবারে আত্মার আত্মীয়। আমাদের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা দেখে শিক্ষকরা বলাবলি করতেন আমরা সম্ভবত দু’বোন।

কলেজের ঐ বছরগুলোতে আমি নিজে একজন খ্রিষ্টান হওয়া সত্ত্বেও ফাতিমার ধর্মের (ইসলাম) ব্যাপারে ছিলাম চরম আগ্রহী। সেও যতটুকু জানত আমার সাথে শেয়ার করত। দেখতাম ইসলাম সম্পর্কে কথা বলার সময় তার চোখ দুটো কেমন স্পৃহায় ছলছল করে উঠত। আর এই ব্যাপারটি আমাকে খুব নাড়া দিত। কারণ আমিও একটা ধর্মের অনুসারী অথচ আমার মাঝে ঐ ধরনের কোন বিষয় কাজ করতনা। এমনকি মাঝে মাঝে আমরা আন্তঃধর্ম বিতর্কের আয়োজন করতাম যেখানে আমি কথা বলতে গিয়ে প্রায় রেগে যেতাম যখন দেখতাম নিজের ধর্মের অনেক বিষয়ই আমার জানা নেই বা তার করা কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছিনা। তবে ফাতিমার প্রতি ছিল আমার অগাদ শ্রদ্ধাবোধ। আমার এখনও মনে আছে আমি ভাবতাম কি করে ফাতিমা দিনে পাঁচ পাঁচবার করে সালাত আদায়ের জন্য ওজু করত, গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরেও নিজেকে হিজাব পরে ঢেকে রাখত, রমজান মাসে সারাদিন না খেয়ে রোজা রাখত এমন আরো অনেক বিষয়। অথচ নিজেকে একজন ধর্মপ্রাণ খ্রিষ্টান বলে ভাবলেও অনন্ত রবিবার করেও চার্চে যাওয়া হয়ে উঠত না আমার।

আমরা দু’জন দুই ধর্মের হলেও আমাদের জীবন যাত্রার অন্যান্য বিষয়গুলো ছিল একই ধরনের। আমি কখনই ছেলেদের সাথে ঘনিষ্ঠ হতাম না। আর সত্যি কথা বলতে কি, এসব ব্যাপারে স্বাভাবিকভাবেই আমার একধরনের লজ্জাবোধ কাজ করে। তবে যে ব্যাপারটি ফাতিমার জন্য স্বস্তির বিষয় ছিল তা হল আমি কখনই খোলামেলা পোশাক পরতাম না যেটা ফাতিমা আর আমার ভিতর সাদৃশ্যগুলোর অন্যতম। একদিন ফাতিমা আর আমি কলেজের ভিতর দিয়ে হেঁটে দুপুরের খাবারে জন্য আমাদের একটা নির্ধারিত জায়গায় যাচ্ছিলাম। আমরা প্রায় ওখানেই খাই। কিন্তু আজ যখন ওখান দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন একটি ব্যাপার আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করল। জায়গাটার দিকে ভালো করে খেয়াল করতেই মনে পড়ল সেই অদ্ভুত স্বপ্নটার কথা যেটা একবছর আগে কলেজে ভর্তির শুরুতেই দেখেছিলাম।

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

বিনা পয়সায় কন্ডোম পৌঁছে যাবে ঘরে ঘরে, দিতে হবে না ডেলিভারি চার্জও

দাদা, ক ক ক ক… (কন্ডোম) দেবেন? আঙুল দেখিয়েই বলে দেওয়া এটা (কন্ডোম) দিন! উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত, রোগ ব্যাধি নিয়েও সচেতন, অথচ ওষুধের দোকানে গিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে, ভিড় একটু ফাঁকা হলেই ফিসফিস করে বলে দিতে হবে কন্ডোম চাই। কন্ডোম কিনতে গিয়ে ‘লজ্জায় লজ্জাবতী’ও হয়ে যেতে হয় অনেককে! আম জনতার ‘বিস্ফোরিত চোখ’ আর ঠোঁটের কোণে বাকা হাসি এড়াতে অনেকেই কন্ডোম কেনার লজ্জা নিবারণ না করে কন্ডোম না কিনে ঝুঁকিতেই পা বাড়িয়ে ফেলেন।অসুরক্ষিত যৌনতা, তারপরই বিপদ! এবার সব সমস্যার সমাধান। খালি অর্ডারটুকুই যা করতে হবে। বাড়িতে এসে কন্ডোম দিয়ে যাবে, একটা পয়সাও নেবে না, ভারতে প্রথম শুরু হল ‘ফ্রি কন্ডোম স্টোর’।

বিনা পয়সায় কন্ডোম পৌঁছে যাবে ঘরে ঘরে, দিতে হবে না ডেলিভারি চার্জও
বিনা পয়সায় কন্ডোম পৌঁছে যাবে ঘরে ঘরে, দিতে হবে না ডেলিভারি চার্জও

শুধু ভারতই নয়, গোটা বিশ্বে এটাই প্রথম ‘ফ্রি কন্ডোম স্টোর’। ইমেল আইডিতে মেল করেও কন্ডোমের অর্ডার দেওয়া যাবে। অর্ডার অনুযায়ী ঘরে কন্ডোম পৌঁছে দেবে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। কন্ডোমও ফ্রি, পরিষেবাও ফ্রি। মূলত ফ্রি কন্ডোম পরিষেবার মাধ্যমে ভারতের প্রতিটি নাগরিকের কাছে এইচআইভি সচেতনতা পৌঁছে দেওয়াই এই ফ্রি সার্ভিসের মূল লক্ষ্য। এইডস (AIDS) হেলথকেয়ার ফাউন্ডেশন, যারা একটি বিশ্বব্যাপী দাতব্য সংস্থা তারাই এই ফ্রি কন্ডোম সার্ভিস প্রথম শুরু করল। বর্তমানে ভারত গোটা বিশ্বের তিন নম্বর দেশ যেখানে এইচাইভি আক্রান্তের সংখ্যা ২.১ মিলিয়ন। UNAIDS-এর রিপোর্টের এই তথ্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় সরকারের। কোন দেরি না করেই সরকারও ঝাঁপিয়ে পড়ে সমস্যার সমাধানের জন্য। এবছর এপ্রিলেই কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে HIV এবং AIDS (প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ) বিল পাস করিয়ে নেয়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এই বিষয়ে জানান, “HIV আক্রান্তদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেবে সরকার। আগামীতে ভারতে বসবাসকারী HIV আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য সরকার নতুন নীতি বাস্তবায়নের কথাও ভাবছে”। এরই মধ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ফ্রি কন্ডোম স্টোর লঞ্চ ভারতে HIV এবং AIDS সম্পর্কে সচেতনতা আরও বাড়াবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।  

ময়মনসিংহে চিকিৎসার নামে এক শিশুর শরীর ব্লেড দিয়ে কাটাছেড়া করেছে কবিরাজ(ভিডিও)

ময়মনসিংহে চিকিৎসার নামে এক শিশুর শরীর ব্লেড দিয়ে কাটাছেড়া করেছে কবিরাজ(ভিডিও)

ময়মনসিংহে চিকিৎসার নামে এক শিশুর সারা শরীর ব্লেড দিয়ে কাটা ছেড়া করেছে কথিত কবিরাজ। করা হয়েছে ১০১ টি বেত্রাঘাত। কি এর মানে ?দেখুন ভিডিওতে !

ভিডিওঃ-