অন্যের দোষ ক্রটি গোপন রাখা অথবা তাকে ক্ষমা করে দেয়া সম্পর্কে | কোরআন হাদিসের কিছু বাণী

﴿ لَّا يُحِبُّ اللّٰهُ الۡجَهۡرَ بِالسُّوۡٓءِ مِنَ الۡقَوۡلِ اِلَّا مَنۡ ظُلِمَ‌ؕ وَكَانَ اللّٰهُ سَمِيۡعًا عَلِيۡمًا﴾

মানুষ খারাপ কথা বলে বেড়াক, এটা আল্লাহ‌ পছন্দ করেন না। তবে কারো প্রতি জুলুম করা হলে তার কথা স্বতন্ত্র। আর আল্লাহ‌ সবকিছু শোনেন ও জানেন। (মজলুম অবস্থায় তোমাদের খারাপ কথা বলার অধিকার থাকলেও)[সূরা নিসা আয়াত ১৪৮]

﴿اِنۡ تُبۡدُوۡا خَيۡرًا اَوۡ تُخۡفُوۡهُ اَوۡ تَعۡفُوۡا عَنۡ سُوۡٓءٍ فَاِنَّ اللّٰهَ كَانَ عَفُوًّا قَدِيۡرًا‏﴾

যদি তোমরা প্রকাশ্যে ও গোপনে সৎকাজ করে যাও অথবা কমপক্ষে অসৎকাজ থেকে বিরত থাকো, তাহলে আল্লাহও বড়ই ক্ষমা-গুণের অধিকারী। অথচ তিনি শাস্তি দেবার পূর্ণ ক্ষমতা রাখেন।[সূরা নিসা আয়াত ১৪৯]

অন্যের দোষ ক্রটি গোপন রাখা, অথবা ক্ষমা করে দেয়া, সম্পর্কে কোরআনের কিছু বাণী
অন্যের দোষ ক্রটি গোপন রাখা, অথবা ক্ষমা করে দেয়া, সম্পর্কে কোরআনের কিছু বাণী

﴿ خُذِ الۡعَفۡوَ وَاۡمُرۡ بِالۡعُرۡفِ وَاَعۡرِضۡ عَنِ الۡجٰهِلِيۡنَ‏﴾

হে নবী! কোমলতা ও ক্ষমার পথ অবলম্বন করো। সৎকাজের উপদেশ দিতে থাকো এবং মূর্খদের সাথে বিতর্কে জড়িও না। [সূরা আরাফ আয়াত ১৯৯]

﴿ وَلَا يَاۡتَلِ اُولُوۡا الۡفَضۡلِ مِنۡكُمۡ وَالسَّعَةِ اَنۡ يُّؤۡتُوۡۤا اُولِىۡ الۡقُرۡبٰى وَالۡمَسٰكِيۡنَ وَالۡمُهٰجِرِيۡنَ فِىۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ‌‌ۖ وَلۡيَعۡفُوۡا وَلۡيَصۡفَحُوۡا‌ؕ اَلَا تُحِبُّوۡنَ اَنۡ يَّغۡفِرَ اللّٰهُ لَكُمۡ‌ؕ وَاللّٰهُ غَفُوۡرٌ رَّحِيۡمٌ﴾

তোমাদের মধ্য থেকে যারা প্রাচুর্য ও সামর্থের অধিকারী তারা যেন এ মর্মে কসম খেয়ে না বসে যে, তারা নিজেদের আত্মীয়-স্বজন, গরীব-মিসকীন ও আল্লাহর পথে গৃহ ত্যাগকারীদেরকে সাহায্য করবে না। তাদেরকে ক্ষমা করা ও তাদের দোষ-ত্রুটি উপেক্ষা করা উচিত। তোমরা কি চাও না আল্লাহ তোমাদের মাফ করেন? আর আল্লাহ ক্ষমাশীলতা ও দয়া গুণে গুণান্বিত।[সূরা নূর আয়াত ২২]

﴿ وَجَزٰٓؤُا سَيِّئَةٍ سَيِّئَةٌ مِّثۡلُهَا‌ۚ فَمَنۡ عَفَا وَاَصۡلَحَ فَاَجۡرُهٗ عَلَى اللّٰهِ‌ؕ اِنَّهٗ لَا يُحِبُّ الظّٰلِمِيۡنَ‏﴾

খারাপের প্রতিদান সমপর্যায়ের খারাপ। অতঃপর যে মাফ করে দেয় এবং সংশোধন করে তাকে পুরস্কৃত করা আল্লাহর দায়িত্ব। আল্লাহ জালেমদের পছন্দ করেন না।
[সুরা শুরা আয়াত ৪০]

﴿ وَلَمَنۡ صَبَرَ وَغَفَرَ اِنَّ ذٰلِكَ لَمِنۡ عَزۡمِ الۡاُمُوۡرِ﴾

তবে যে ধৈর্যের সাথে কাজ করে এবং ক্ষমা প্রদর্শন করে তার সে কাজ মহত্তর সংকল্পদীপ্ত কাজের অন্তর্ভুক্ত।[সূরা শুরা আয়াত ৪৩]

﴿ يٰۤاَيُّهَا الَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا اجۡتَنِبُوۡا كَثِيۡرًا مِّنَ الظَّنِّ,اِنَّ بَعۡضَ الظَّنِّ اِثۡمٌ‌ وَّلَا تَجَسَّسُوۡا وَلَا يَغۡتَب بَّعۡضُكُمۡ بَعۡضًا‌ؕ اَيُحِبُّ اَحَدُكُمۡ اَنۡ يَّاۡكُلَ لَحۡمَ اَخِيۡهِ مَيۡتًا فَكَرِهۡتُمُوۡهُ‌ؕ وَاتَّقُوۡا اللّٰهَ‌ؕ اِنَّ اللّٰهَ تَوَّابٌ رَّحِيۡمٌ﴾

হে ঈমানদারগণ, বেশী ধারণা ও অনুমান করা থেকে বিরত থাকো কারণ কোন কোন ধারণা ও অনুমান গোনাহ। দোষ অন্বেষণ করো না। আর তোমাদের কেউ যেন কারো গীবত না করে। এমন কেউ কি তোমাদের মধ্যে আছে, যে তার নিজের মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করবে? দেখো, তা খেতে তোমাদের ঘৃণা হয়। আল্লাহকে ভয় করো। আল্লাহ‌ অধিক পরিমাণে তাওবা কবুলকারী এবং দয়ালু।
[সূরা হুজরাত আয়াত ১২]

﴿ ‌يٰۤاَيُّهَا الَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِنَّ مِنۡ اَزۡوَاجِكُمۡ وَاَوۡلَادِكُمۡ عَدُوًّا لَّكُمۡ فَاحۡذَرُوۡهُمۡ‌ۚ وَاِنۡ تَعۡفُوۡا وَتَصۡفَحُوۡا وَتَغۡفِرُوۡا فَاِنَّ اللّٰهَ غَفُوۡرٌ رَّحِيۡمٌ‏﴾

হে সেই সব লোক যারা ঈমান এনেছো, তোমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাদের শত্রু। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাক। আর যদি তোমরা ক্ষমা ও সহনশীলতার আচরণ করো এবং ক্ষমা করে দাও তাহলে আল্লাহ‌ অতীব ক্ষমাশীল, অতীব দয়ালু।
[সূরা তাগাবুন আয়াত ১৪]

﴿ الَّذِيۡنَ يُنۡفِقُوۡنَ فِىۡ السَّرَّآءِ وَالضَّرَّآءِ وَالۡكٰظِمِيۡنَ الۡغَيۡظَ وَالۡعَافِيۡنَ عَنِ النَّاسِ‌ؕ وَاللّٰهُ يُحِبُّ الۡمُحۡسِنِيۡنَ‌ۚ‏﴾

যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল সব অবস্থায়ই অর্থ-সম্পদ ব্যয় করে এবং যারা ক্রোধ দমন করে ও অন্যের দোষ–ত্রুটি মাফ করে দেয়। এ ধরনের সৎলোকদের আল্লাহ‌ অত্যন্ত ভালোবাসেন।
[সূরা ইমরান আয়াত ১৩৪]

মৃত ব্যক্তির | কবর পদদলিত | করলে কেন গুনাহ হয়?

কবরের উপর বসা, কবর পদদলিত করা ও কবরস্থানে মল-মূত্র ত্যাগ করা হারাম। মৃত ব্যাক্তির কবরের সম্মানে রাসূল (সা:) কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারন করেছেনঃ

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«لَأَنْ يَجْلِسَ أَحَدُكُمْ عَلَى جَمْرَةٍ فَتُحْرِقَ ثِيَابَهُ، فَتَخْلُصَ إِلَى جِلْدِهِ، خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَجْلِسَ عَلَى قَبْرٍ»

“যদি তোমাদের কারো অঙ্গারের উপর বসার দরুন তার কাপড় পুড়ে দেহের চামড়া পর্যন্ত পৌঁছে যায়, তবুও তা তার জন্য কবরের উপর বসা থেকে উত্তম”। [7]

মৃত ব্যক্তির কবর পদদলিত করলে কেন গুনাহ হয়?
মৃত ব্যক্তির কবর পদদলিত করলে কেন গুনাহ হয়?

কবর পা দিয়ে মাড়ানোর কাজ অনেকেই করে থাকে। তারা যখন নিজেদের কাউকে কবরস্থানে দাফন করতে নিয়ে আসে, তখন দেখা যায় পার্শ্ববর্তী কবরগুলো মাড়াচ্ছে, কখনও আবার জুতা পায়ে মাড়াচ্ছে, কোনো পরোয়াই করছে না। অন্যান্য মৃতদের প্রতি যেন তাদের সম্মানবোধই নেই। অথচ এ সকল মৃত ব্যক্তির সম্মানে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«لَأَنْ أَمْشِيَ عَلَى جَمْرَةٍ، أَوْ سَيْفٍ، أَوْ أَخْصِفَ نَعْلِي بِرِجْلِي، أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَمْشِيَ عَلَى قَبْرِ مُسْلِم»

“আগুনের অঙ্গার কিংবা তরবারির উপর দিয়ে আমার হেঁটে যাওয়া কিংবা আমার পায়ের চামড়া দ্বারা আমার চটি তৈরি করা একজন মুসলিমের কবরের উপর দিয়ে হেঁটে যাওয়া থেকে আমার নিকট অধিক প্রিয়”।[8]

সুতরাং যে ব্যক্তি কোনো কবরস্থানের মালিক হয়ে সেখানে ব্যবসা কেন্দ্র কিংবা বাড়ি ঘর গড়ে তোলে তার অবস্থা কী দাঁড়াবে? কিছু লোকের কবরস্থানে পেশাব-পায়খানা করার অভ্যাস আছে। তাদের যখন পেশাব-পায়খানার প্রয়োজন দেখা দেয় তখন তারা কবর স্থানের প্রাচীর টপকিয়ে কিংবা খোলাস্থান দিয়ে ঢুকে পড়ে এবং মল-মূত্রের নাপাকী ও গন্ধ দ্বারা মৃতদের কষ্ট দেয়। কবরের উপর পেশাব-পায়খানা করা প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«وَمَا أُبَالِي أَوَسْطَ الْقُبُورِ قَضَيْتُ حَاجَتِي، أَوْ وَسْطَ السُّوقِ»

‘কবরস্থানের মাঝে মল-মূত্র ত্যাগ করতে পারলে বাজারের মধ্যস্থলে মল-মূত্র ত্যাগের কোনো পরোয়া করি না”।[9]

অর্থাৎ কবরস্থানে মল-মূত্র ত্যাগের কদর্যতা আর বাজারের মধ্যে জনগণের সামনে সতর খোলা ও মল-মূত্র ত্যাগের কদর্যতা একই সমান। সুতরাং কবরস্থানে মল-মূত্র ত্যাগ গুনাহ তো বটেই এমনকি তা লোকালয়ে মল-মূত্র ত্যাগের ন্যায় লজ্জাকরও বটে।

আর যারা ইচ্ছে করে কবরস্থানে ময়লা-আবর্জনা ইত্যাকার জিনিস ফেলে তারাও এ ভৎর্সনায় শামিল হবে।

এছাড়া কবর যিয়ারতকালে কবরসমূহের মাঝ দিয়ে যাতায়াতের সময় জুতা খুলে রাখাই আদবের পরিচয়।
[7] সহীহ মুসলিম; মিশকাত, হাদীস নং ১৬৯৯।
[8] ইবন মাজাহ, হাদীস নং ১৫৭৬, সনদ সহীহ।
[9] ইবন মাজাহ, হাদীস নং ১৫৬৭; সহীহুল জামে‘,হাদীস নং ৫০৩৮।

বৈজ্ঞানিক উপায়ে | কলার খোসা দ্বারা | দাঁত সাদা করে নিন

                কলার খোসা দ্বারা দাঁত সাদা করে নিন

আচ্ছা, অতীত কালে তো ডাক্তার ছিল না। আর ছিল না নামকরা ব্রান্ডের পেস্ট ব্রাশ দাঁত মাজার জন্য। তাহলে কি তখন মানুষের দাঁত থাকতো হলদেটে আর দাগে ভরা? মোটেই না। মানুষের কাছে তখন ছিল হরেক রকম ঘরোয়া টিপস। আর তেমনই একটা হচ্ছে কলার খোসা দিয়ে দাঁত সাদা করা।

ভাবছেন এও কি সম্ভব? কিংবা ভাবছেন – “যাহ, সব ভুয়া”… তাই না? কিন্তু অসম্ভব নয়, আর মিথ্যাও নয়। কলার খোসা সত্যিকার অর্থেই বিজ্ঞান সম্মতভাবে আপনার দাঁত সাদা করতে সক্ষম। সুতরাং ভুলে যান দাঁতের ডাক্তারের কাছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করার ভাবনা, আর ঘরে বসেই নিজের দাঁত গুলোকে রাখুন ঝকঝকে। তবে হ্যাঁ, কাজটা করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। আর আজ জানানো হচ্ছে সেটাই।

বৈজ্ঞানিক উপায়ে | কলার খোসা দ্বারা | দাঁত সাদা করে নিন

                                                   দাঁত মাজার কৌশল

কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান। বিশেষ করে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজ। আর এরাই হচ্ছে দাঁতকে সাদা করে তুলবার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যারা কিনা দাঁতকে মজবুত করে তোলার পাশাপাশি খনিজ উপাদান গুলো শোষণ করতেও সহায়তা করে। কলার খোসা নিঃসন্দেহে সাদা করে তুলবে আপনার দাঁত, তবে ব্যবহার করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। এবং অবশ্যই নিয়ম মেনে। জেনে নিন বিস্তারিত পদ্ধতি।

 

– প্রথমেই বেছে নিন সঠিক কলা। দাঁত সাদা করার জন্য ঠিক ভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরী। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যারা কিনা এখন নিচের দিকে একটু একটু সবুজ। কেননা এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চ মাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।
– কলা উলটো করে ছিলে নিন। হ্যাঁ, যেভাবে আপনি ছিলে থাকেন কলা ঠিক তার উলটো দিক থেকে ছিলে নিন। দেখবেন যে কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উলটো করে ছিলে নিয়ে এই আঁশ গুলো থাকবে খোসার সাথেই।
– খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। আপনার সুবিধা মতন আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।
– এবার সকালে দাঁত ব্রাশ করবার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে আপনার দাঁত খুব ভাল করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট। অর্থাৎ পুরো দুই মিনিট দাঁতকে ঘষুন। দাঁতের প্রত্যেকটি অংশে যেন পৌছায় এমন ভাবে ঘষতে হবে।
– দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট করতে পারলে ভালো। এই সময়ে পানি বা অন্য কিছু খাবেন না, কিংবা কুলি করবেন না। সময়টা পেরিয়ে গেলে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।
এবার আয়নায় তাকিয়ে দেখুন তো, লাগছে না দাঁত একটু বেশি পরিষ্কার? ৪/৫ দিন এমন করার পরেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে। যারা ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রেও কাজ করবে এই পদ্ধতি। তবে ব্যবহার করতে হবে বেশ দীর্ঘদিন। এবং সঠিক নিয়েম মেনে।

অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে-

এটা কোনও ম্যাজিক নয়। তাই ভালো ফল পেতে নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হবে।

অবশ্যই কমপক্ষে ২ মিনিট ঘষতে হবে। এই সময়টা জরুরি। বেশি ঘষলে আরও ভালো।

ঘষার পর অবশ্যই সময় দিতে হবে খনিজ গুলো দাঁতে শোষিত হবার।

যাদের দাঁত মদ্যপান, ধূমপান বা অসুস্থতার কারণে হলুদ তাদের ক্ষেত্রে একটু সময় লাগবে।

কলার খোসায় প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই অবশ্যই দাঁত খুব ভালভাবে মেজে নিতে হবে। এবং এই কারণেই দিনে ১ বারের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।

যাদের দাঁত খুব একটা বেশি হলুদ নয়, তারা সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

অনেকেই বলবেন যে কাজ হয় না, ভুয়া ইত্যাদি। কিন্তু মোদ্দা কথাটা হলো হয় তারা চেষ্টা না করেই বলেছেন, কিংবা চেষ্টা করলেও সঠিক ভাবে করেননি। ফল পাবার জন্য অবশ্যই নিয়ম মেনে প্রয়োগ করতে হবে। আর তাই অন্য লোকের কথা শোনা বাদ দিয়ে নিজেই চেষ্টা করে দেখুন না!

চেষ্টা করতে তো কেবল একটা কলাই লাগছে, তাই না?

 

 

 

 

মুমিন আর পাপী ব্যক্তির মৃত্যু | সম্পর্কিত কিছু আয়াত

﴿وَهُوَ الۡقَاهِرُ فَوۡقَ عِبَادِهٖ‌ۚ وَيُرۡسِلُ عَلَيۡكُمۡ حَفَظَةً حَتّٰٓى اِذَا جَآءَ اَحَدَكُمُ الۡمَوۡتُ تَوَفَّتۡهُ رُسُلُنَا وَهُمۡ لَا يُفَرِّطُوۡنَ﴾

তিনি নিজের বান্দাদের ওপর পূর্ণ ক্ষমতা রাখেন এবং তোমাদের ওপর রক্ষক নিযুক্ত করে পাঠান। অবশেষে যখন তোমাদের কারোর মৃত্যুর সময় সমুপস্থিত হয় তখন তাঁর প্রেরিত ফেরেশতারা তার প্রাণ বের করে নেয় এবং নিজেদের দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে তারা সামান্যতম শৈথিল্যও দেখায় না।
[সূরা আনআম আয়াত ৬১]

﴿ الَّذِيۡنَ تَتَوَفّٰٮهُمُ الۡمَلٰۤٮِٕكَةُ طَيِّبِيۡنَ‌ۙ يَقُوۡلُوۡنَ سَلٰمٌ عَلَيۡكُمُۙ ادۡخُلُوۡا الۡجَنَّةَ بِمَا كُنۡتُمۡ تَعۡمَلُوۡنَ‏﴾

এমন মুত্তাকীদেরকে, যাদের পবিত্র থাকা অবস্থায় ফেরেশতারা যখন মৃত্যু ঘটায় তখন বলে, “তোমাদের প্রতি শান্তি, যাও নিজেদের কর্মকাণ্ডের বদৌলতে জান্নাতে প্রবেশ করো।”[সূরা নাহল আয়াত ৩২]

﴿ اِنَّ الَّذِيۡنَ قَالُوۡا رَبُّنَا اللّٰهُ ثُمَّ اسۡتَقَامُوۡا تَتَنَزَّلُ عَلَيۡهِمُ الۡمَلٰٓٮِٕكَةُ اَلَّا تَخَافُوۡا وَلَا تَحۡزَنُوۡا وَاَبۡشِرُوۡا بِالۡجَنَّةِ الَّتِىۡ كُنۡتُمۡ تُوۡعَدُوۡنَ﴾

যারা ঘোষণা করেছে, আল্লাহ‌ আমাদের রব, অতঃপর তার ওপরে দৃঢ় ও স্থির থেকেছে নিশ্চিত তাদের কাছে ফেরেশতারা আসে এবং তাদের বলে, ভীত হয়ো না, দুঃখ করো না এবং সেই জান্নাতের সুসংবাদ শুনে খুশি হও তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।
[সূরা হা-মিম সেজদাহ আয়াত ৩০]

কেমন হবে মুমিন আর পাপী ব্যক্তির মৃত্যু সম্পর্কিত কিছু আয়াত
কেমন হবে মুমিন আর পাপী ব্যক্তির মৃত্যু সম্পর্কিত কিছু আয়াত

﴿ نَحۡنُ اَوۡلِيٰٓئُکُمۡ فِىۡ الۡحَيٰوةِ الدُّنۡيَا وَفِىۡ الۡاٰخِرَةِ‌ؕ وَلَكُمۡ فِيۡهَا مَا تَشۡتَهِىۡۤ اَنۡفُسُكُمۡ وَلَكُمۡ فِيۡهَا مَا تَدَّعُوۡنَ﴾

আমরা এই দুনিয়ার জীবনেও তোমাদের বন্ধু এবং আখেরাতেও। সেখানে তোমরা যা চাবে তাই পাবে। আর যে জিনিসেরই আকাঙ্খা করবে তাই লাভ করবে।
[সূরা হা-মিম সেজদাহ আয়াত ৩১]
﴿ نُزُلاً مِّنۡ غَفُوۡرٍ رَّحِيۡمٍ,﴾

এটা সেই মহান সত্তার পক্ষ থেকে মেহমানদারীর আয়োজন যিনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।[সূরা হা-মিম সেজদাহ আয়াত ৩২]
وَلَوْ تَرَى إِذْ يَتَوَفَّى الَّذِينَ كَفَرُواْ الْمَلآئِكَةُ يَضْرِبُونَ وُجُوهَهُمْ وَأَدْبَارَهُمْ وَذُوقُواْ عَذَابَ الْحَرِيقِ

আর যদি তুমি দেখ, যখন ফেরেশতারা কাফেরদের জান কবজ করে; প্রহার করে, তাদের মুখে এবং তাদের পশ্চাদদেশে আর বলে, জ্বলন্ত আযাবের স্বাদ গ্রহণ কর।
[সূরা আনফাল আয়াত ৫০]

﴿ فَكَيۡفَ اِذَا تَوَفَّتۡهُمُ الۡمَلٰٓٮِٕكَةُ يَضۡرِبُوۡنَ وُجُوۡهَهُمۡ وَاَدۡبَارَهُمۡ‏﴾

সে সময় কী অবস্থা হবে যখন ফেরেশতারা তাদের রূহ কবজ করবে এবং তাদের মুখ ও ফিটের ওপর আঘাত করতে করতে নিয়ে যাবে।
[সূরা মুহাম্মাদ আয়াত ২৭]

﴿وَمَنۡ اَظۡلَمُ مِمَّنِ افۡتَرٰى عَلَى اللّٰهِ كَذِبًا اَوۡ قَالَ اُوۡحِىَ اِلَىَّ وَلَمۡ يُوۡحَ اِلَيۡهِ شَىۡءٌ وَّمَنۡ قَالَ سَاُنۡزِلُ مِثۡلَ مَاۤ اَنۡزَلَ اللّٰهُ‌ؕ وَلَوۡ تَرٰٓى اِذِ الظّٰلِمُوۡنَ فِىۡ غَمَرٰتِ الۡمَوۡتِ وَالۡمَلٰٓٮِٕكَةُ بَاسِطُوۡۤا اَيۡدِيۡهِمۡ‌ۚ اَخۡرِجُوۡۤا اَنۡفُسَكُمُ‌ؕ الۡيَوۡمَ تُجۡزَوۡنَ عَذَابَ الۡهُوۡنِ بِمَا كُنۡتُمۡ تَقُوۡلُوۡنَ عَلَى اللّٰهِ غَيۡرَ الۡحَقِّ وَكُنۡتُمۡ عَنۡ اٰيٰتِهٖ تَسۡتَكۡبِرُوۡنَ﴾

আর সে ব্যক্তির চেয়ে বড় জালেম আর কে হবে যে আল্লাহর সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদ রটায় অথবা বলে আমার কাছে অহী এসেছে অথচ তার ওপর কোন অহী নাযিল করা হয়নি অথবা যে আল্লাহর নাযিল করা জিনিসের মোকাবিলায় বলে, আমিও এমন জিনিস নাযিল করে দেখিয়ে দেবো? হায়! তুমি যদি জালেমদেরকে সে অবস্থায় দেখতে পেতে যখন তারা মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকবে এবং ফেরেশতারা হাত বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলতে থাকবে। “নাও, তোমাদের প্রাণ বের করে দাও।” তোমরা আল্লাহর প্রতি অপবাদ আরোপ করে যেসব অন্যায় ও অসত্য কথা বলতে এবং তাঁর আয়াতের বিরুদ্ধে যে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে তারই শাস্তি স্বরূপ আজ তোমাদের অবমাননাকর শাস্তি দেয়া হবে।
[সূরা আনআম আয়াত ৯৩]
﴿ حَتّٰٓى اِذَا جَآءَ اَحَدَهُمُ الۡمَوۡتُ قَالَ رَبِّ ارۡجِعُوۡنِۙ﴾

যখন তাদের কারও কাছে মৃত্যু আসে, তখন সে বলেঃ হে আমার পালণকর্তা! আমাকে পুনরায় (দুনিয়াতে ) প্রেরণ করুন।
[সূরা মুমিনূন আয়াত ৯৯]

﴿لَعَلِّىۡۤ اَعۡمَلُ صٰلِحًا فِيۡمَا تَرَكۡتُ‌ؕ كَلَّا‌ؕ اِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَآٮِٕلُهَا‌ؕ وَمِنۡ وَّرَآٮِٕهِمۡ بَرۡزَخٌ اِلٰى يَوۡمِ يُبۡعَثُوۡنَ‏﴾

যাতে আমি সৎকর্ম করতে পারি, যা আমি করিনি। কখনই নয়, এ তো তার একটি কথার কথা মাত্র। তাদের সামনে পর্দা আছে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।[সূরা মুমিনূন আয়াত ১০০]

﴿ وَاَنۡفِقُوۡا مِنۡ مَّا رَزَقۡنٰكُمۡ مِّنۡ قَبۡلِ اَنۡ يَّاۡتِىَ اَحَدَكُمُ الۡمَوۡتُ فَيَقُوۡلَ رَبِّ لَوۡلَاۤ اَخَّرۡتَنِىۡۤ اِلٰٓى اَجَلٍ قَرِيۡبٍۙ فَاَصَّدَّقَ وَاَكُنۡ مِّنَ الصّٰلِحِيۡنَ﴾

আমি তোমাদেরকে যা দিয়েছি, তা থেকে মৃত্যু আসার আগেই ব্যয় কর। অন্যথায় সে বলবেঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে আরও কিছুকাল অবকাশ দিলে না কেন? তাহলে আমি সদকা করতাম এবং সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। [সুরা মুনাফিকুন আয়াত ১০]‌

﴿ وَلَنۡ يُّؤَخِّرَ اللّٰهُ نَفۡسًا اِذَا جَآءَ اَجَلُهَا‌ؕ وَاللّٰهُ خَبِيۡرٌۢ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ﴾

প্রত্যেক ব্যক্তির নির্ধারিত সময় যখন উপস্থিত হবে, তখন আল্লাহ কাউকে অবকাশ দেবেন না। তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে খবর রাখেন।[সূরা মুনাফিকুন আয়াত ১১]

ত্বকের দাগ দূর করার জন্য | ঘৃতকুমারী এত উপকারী

ঘৃতকুমারী :

এলোভেরা বা ঘৃতকুমারী আমাদের সবারই সুপরিচিত একটি ভেষজ উপাদান। দৈনন্দিন ব্যবহার্য বিভিন্ন প্রসাধনীতে প্রায়শই দাবি করা হয়ে থাকে এলোভেরার উপস্থিতির কথা। আমরা এর সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে যাব না, শুধু তুলে ধরবো এলোভেরা বা ঘৃতকুমারীর মাধ্যমে কিভাবে দাগহীন ত্বক পাবেন তার কথা।

ভেষজ চিকিৎসা শাস্ত্রে এলোভেরার ব্যবহার পাওয়া যায় সেই খৃীষ্টপূর্ব যুগ থেকেই। তখন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এলোভেরার অনেক গুণের কথা আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে ত্বকের দাগ দূর করার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অনন্য।

মুখ এবং ত্বকের দাগ দূর করতে এলোভেরা বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরিন দুইভাবেই কাজ করে। বাহ্যিকভাবে বলতে ত্বকের উপরিভাগে এর প্রয়োগ বুঝায়। এলোভেরার শাস সেবন করাই অভ্যন্তরিন ব্যবহার। আসুন কিভাবে সঠিকভাবে এটি ব্যবহার করতে হবে তা জেনে নিই।

 ত্বকের দাগ দূর করার জন্য | ঘৃতকুমারী এত উপকারী

                                                               ঘৃতকুমারী

এলোভেরার টনিক
এলাভেরার টনিক বানাতে হলে আপনাকে এলোভেরার কচিপাতা যোগার করতে হবে। এজন্য আপনি স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করতে পারেন, অথবা বাড়িতেই টবে লাগাতে পারেন এলোভেরার চারা। শুষ্ক অঞ্চলের গাছ হওয়ায় এলোভেরার তেমন যত্ন করার প্রয়োজন নেই। যাই হোক একটি সতেজ পাতা কেটে নিয়ে পরিস্কার করে দুইভাগ করুন। এরপর ভেতরের জেলির মতো শাসগুলো চামচ দিয়ে গ্লাসে ঢেলে নিন। এবার পানি ও চিনি মিশিয়ে তৈরী করুন এলোভেরার টনিক। এর ঝাঁঝালো গন্ধ দূর করতে এর সাথে একটু ট্যাং মেশাতে পারেন। এই টনিক প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পান করলে, প্রাকৃতিক ভাবেই পেতে পারেন দাগহীন ত্বক। ব্রণ এবং সানবার্ণ থেকেও এটি আপনাকে মুক্তি দেবে।

ত্বকের দাগ দূর করতে
এলোভেরার শাস বা জেল ত্বকের যেসব জায়গায় দাগ আছে, সেখানে সরাসরি প্রয়োগ করতে পারেন। রাতে ঘুমাবার আগে ত্বকের দাগগুলোতে জেলের মতো করে এলোভেরার শাস লাগান। সকালে উঠে যে কোন ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

নিয়মিত এলোভেরার ব্যবহার আপনাকে দিতে পারে দাগহীন ত্বকের প্রতিশ্রুতি। তাহলে আর দেরি কেন।

 

 

 

 

 

অর্থ বুঝে | কোরআন তিলাওয়াত | করার গুরুত্ব

বিসমিল্লাহ বলে মদ খেলে মদ কখনো হালাল হয়না, কিন্তু আমরা অনেক সময়ই নিজের মনগড়া যুক্তি খাড়া করে এমন সব কথা বলি, যা বিসমিল্লাহ বলে মদ খাওয়ার সমতুল্য, অথচ আমরা বুঝতে পারি না । এই জন্যই রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরজ ।

অর্থ বুঝে তিলাওয়াত করার গুরুত্ব
অর্থ বুঝে তিলাওয়াত করার গুরুত্ব

এই জ্ঞান হলো আল্লাহকে, তাঁর প্রেরিত রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) কে এবং দ্বীন ইসলামকে সঠিক ভাবে জানা বোঝা এবং মানার জ্ঞান । আর এই জ্ঞান ভান্ডারের একমাত্র উৎস হলো কোরআন আর হাদীস হলো কোরআনের ব্যাখ্যা স্বরূপ । তাই একজন মুসলিমের প্রথম ও প্রধান কর্তব্য হলো কোরআন হাদীসের জ্ঞান অর্জন করা । আপনারা যারা আরবী ভাষা বোঝেন না, তারা কেন আরবীতে কোরআন পাঠ করেন? কোরআন কি না বুঝে শুধু তিলাওয়াত করার উদ্দেশ্যে নাজিল হয়েছিল?

আপনারা কোরআন তিলাওয়াত করেন ঠিকই । কিন্তু সূরা ইব্রাহীমের চার নম্বর আয়াতের ইঙ্গিত বুঝতে পারেন না । ঐ আয়াতে বলা হয়েছে, “আমি সব পয়গম্বরকেই তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করেই প্রেরণ করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কারভাবে বোঝাতে পারে” । এই আয়াত থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, স্বজাতির ভাষা অর্থাৎ মাতৃভাষাতেই কোরআন পড়তে হবে, এবং এই পড়ার মাধ্যমে কোরআনের আদেশ নিষেধ, হালাল হারাম, হুকুম আহকাম সহ জীবন যাপনের যাবতীয় দিক নির্দেশনা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে ।

আবার এটাও ঠিক, কোনো রচনার ভাষান্তর, ভাবান্তর, অনুবাদ অথবা ভাবানুবাদ করতে গেলে শতভাগ বিশুদ্ধতা রক্ষা করা সম্ভব হয়না । কিন্তু 99% বিশুদ্ধ হলেও সেটা কম কিসে? বাজারে কোরআন অনেক রকম অনুবাদ কিনতে পাওয়া যায় । তার মধ্যে বায়ান ফাউন্ডেশন, ইসলামী ফাউন্ডেশন, মুজিবুর রহমান, আল কোরআন একাডেমী লন্ডন, সৌদি আরবের অনুদিত কোরআনুল কারীম এবং তাওহীদ প্রকাশনীর তাইসিরুল কুরআন এবং তাফহীমুল কোরআন অনুবাদগুলো মোটামুটি বিশুদ্ধ । এতগুলোর মধ্যে আমার পছন্দ পকেট সাইজ তাইসিরুল কোরআন।

তবে যদি আরবী ভাষা শিক্ষা করতে পারেন, আরবীতে পড়ে অর্থ বুঝতে পারেন, সেই প্রচেষ্টা সবচেয়ে উত্তম । আর সেটা সম্ভব না হলে বাংলায় কুরআন পড়ুন । যারা এন্ড্রয়েড ব্যবহার করেন, তারা প্লেস্টোর থেকে কোরআনে অনুবাদের এপস ইনস্টল করতে পারেন ।

বাবা মায়ের যে ভুলের জন্য | সন্তান বিপথগামী হয় দেখে নিন

সন্তান:

সন্তান লালন-পালনে বাবা-মায়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু অনেক বাবা-মা এ কাজটিকে মোটেই সহজভাবে সম্পন্ন করতে পারেন না। তাদের নানা ভুলের কারণে সন্তান বিপথগামী হয়ে পড়তে পারে। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কয়েকটি ভুল। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

বাবা মায়ের যে ভুলের জন্য | সন্তান বিপথগামী হয় দেখে নিন

                                                     বাবা মায়ের ভুল সিদ্ধান্ত

 

১. স্বাধীন হতে উৎসাহ না দেওয়া

সন্তানকে স্বাধীন হতে উৎসাহ দেওয়া উচিত প্রত্যেক বাবা-মায়েরই। কিন্তু তারা যদি এ কাজটি না করে বরং আবেগগতভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন তাহলে তা তাদের ওপর নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

২. বকাঝকা

শিশুকে বকাঝকা করা, শিশুর সামনে চিৎকার, চেঁচামেচি কিংবা অন্য কোনো উপায়ে রাগ প্রকাশ করেন অনেকেই। ২০১৩ সালের ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গের এক গবেষণায় এ ধরনের আচরণে শিশুর নানা ধরনের ক্ষতি হয় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। আর এ ধরনের শিশুরা প্রায়ই আচরণগত কিংবা বিষণ্ণতাজনিত মানসিক সমস্যায় ভোগেন।

৩. সংযুক্ত বনাম অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের পার্থক্য বোঝা

সন্তানের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার অর্থ এই নয় যে, আপনি তার সব বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ করবেন। সন্তানের সব বিষয়ে সংযুক্ত থাকার পরেও তাকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত নয়। যে বাবা-মায়েরা সন্তানকে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন তাদের সন্তানেরা পরবর্তীতে বিগড়ে যান এবং নানা অযাচিত কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত হয়ে পড়েন।

 

৪. অনিয়মিত ঘুম

সন্তানের অনিয়মিত ঘুম তার আচরণকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ কারণে বাবা-মায়ের সর্বদা শিশুর ঘুম যেন নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট সময়ে হয় সেজন্য লক্ষ্য রাখা উচিত।

৫. অতিরিক্ত টিভি দেখা

যে শিশুরা তিন বছর বয়সের আগে অতিরিক্ত টিভি দেখে তারা কথা শিখতে দেরি করে। এছাড়া যে শিশুরা ছোট থাকতেই সারাক্ষণ টিভি দেখা রপ্ত করে তারা স্কুলে সমস্যায় পড়ে এবং নানা সামাজিক ও আচরণগত সমস্যায় পড়ে।

৬. স্বৈরাচারী বাবা-মায়ের সন্তান

মনোবিদ ডায়ানা বাউমরাইড ১৯৬০ সালেই জানিয়েছিলেন স্বৈরাচারি বাবা-মায়ের সন্তানেরা নানা সমস্যার মাঝে পড়েন। এ কারণে সন্তান যেন বাবা-মাকে স্বৈরাচারি মনে না করেন এ বিষয়টি পরিষ্কার করা জরুরি।

৭. মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী বাবা-মা

যে বাবা-মায়েরা সন্তানের সামনে অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন তারা নিজেদের মানসিক চাপ অনেকাংশে বাড়িয়ে দেন। আর এ মানসিক চাপ তাদের সন্তানের মাঝেও সঞ্চারিত হয়। এ কারণে স্মার্টফোন ব্যবহারে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা।

৮. সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব

যে বাবা-মায়েরা সন্তানের সঙ্গে মানসিকভাবে কাছাকাছি থাকেন না তাদের ক্ষেত্রে প্রায়ই বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়। এতে সন্তান পিতা-মাতার সঙ্গে আবেগগতভাবে সংযুক্ত হতে পারে না এবং কোনো পারিবারিক বন্ধনও বোধ করে না। ফলে এ ধরনের সন্তান প্রায়ই বিপথগামী হয়ে যায়।

৯. শারীরিক শাস্তি

সন্তানকে শারীরিক শাস্তি দেওয়া কখনোই উচিত নয়। শারীরিক শাস্তি দিলে তা শিশুর মানসিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। বিভিন্ন গবেষণাতে বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।

ঘরোয়া উপায়ে | সরিয়ে তুলুন মারাত্মক | সিস্ট রোগ

 সিস্ট রোগ :

শরীরের যে কোন স্থানে সিস্ট হতে পারে। সিস্ট ত্বকের নীচে মসৃণ, গোলাকার এবং শক্ত গঠনের হয়। সিস্ট সাধারণত হয়ে থাকে ইনফেকশনের জন্য, সিবাসিয়াস গ্ল্যান্ড ব্লক হয়ে গেলে, বাহ্যিক কোন উপাদান প্রবেশ করলে এবং টক্সিনের কারণে। শরীরের টিস্যুর ভেতরে হয় সিস্ট এবং এর মধ্যে তরল বা আধা তরল পদার্থ থাকে।

কখনো কখনো এরা ব্যথামুক্ত হয় এবং খুব ধীরে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এই সিস্ট যদি সংক্রমিত হয় তাহলে সিস্টে ব্যথা, চুলকানি বা জ্বলুনি হতে পারে। কখনো কখনো সিস্ট ফেটেও যেতে পারে। সিস্ট যদি আভ্যন্তরীণ অঙ্গ যেমন- কিডনি, লিভার এবং অগ্নাশয়ে হয় তাহলে তা ছোট হয় এবং কোন লক্ষণ প্রকাশ করেনা বলে বোঝাও যায় না। কিন্তু যদি ত্বকের নীচে হয় তাহলে তা চামড়ার নীচে বিশ্রী লাল ফোলা দেখায় যা স্পর্শ করলে নরম অনুভূত হয় এবং ব্যথা করে। ত্বকের এই সিস্ট ঘরোয়া কিছু উপাদানের মাধ্যমে নিরাময় করা যায়। সিস্ট ভালো করার ঘরোয়া প্রতিকারের বিষয়ে জানবো এই ফিচারে।

ঘরোয়া উপায়ে সরিয়ে তুলুন মারাত্মক সিস্ট রোগ

                                                             সিস্ট রোগ 

১। অ্যালোভেরা

দিনে কয়েকবার অ্যালোভেরা জেল সিস্টের উপরে ঘষুন। এছাড়াও শরীর থেকে অপদ্রব্য বের হয়ে যাওয়ার জন্য এবং সিস্টকে সংকুচিত করার জন্য ১ কাপ অ্যালোভেরার জুস পান করুন।

 

২। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার

সিস্ট থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার অত্যন্ত কার্যকরী। ত্বকের pH এর ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করতে, যে কোন ইনফেকশন দূর করতে এবং চুলকানি ও জ্বালা-পোড়ার সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার। একটি তুলার বল অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারে ভিজিয়ে নিয়ে সিস্টটি মুছে নিন। দিনে কয়েকবার এটা করুন। এছাড়াও ১ গ্লাস পানিতে ২ টেবিল চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে দিনে ২ বার পান করুন।

৩। হলুদ

সিস্ট দূর করতে চমৎকারভাবে কাজ করে হলুদ। ১ কাপ উষ্ণ দুধে আধা চা চামচ হলুদ মিশিয়ে পান করুন। এটি রক্তকে বিশুদ্ধ করে এবং পরিপাকের উন্নতি ঘটায়। ভালো ফল পাওয়ার জন্য ১০ দিন হলুদ মেশানো দুধ পান করুন।

৪। মধু

সাময়িক ভাবে ক্ষত ভালো করতে পারে মধু। ত্বকের নীচের সিস্ট ভালো করার জন্য মধুর প্রলেপ অত্যন্ত কার্যকরী। গম ঘাস ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এর সাথে মধু মিশিয়ে সিস্টের উপর প্রলেপ দিন এবং একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন। সারারাত এভাবে রেখে দিন। অবশ্যই ইতিবাচক ফল দেখতে পাবেন।

অতি সহজে | বানিয়ে ফেলতে পারেন | মজাদার বাদামের বরফি শিখে নিন

বাদামের বরফি:

যে কোনো সময়  নানারকম মিষ্টি খাবার তৈরি করা হয়। এর মধ্যে বরফি অন্যতম। আর তা যদি হয় বাদামের তবে তো কথা নেই! অনেকে মনে করেন বাদামের বরফি তৈরি করা বেশ কঠিন। কিন্তু খুব সহজ রেসিপিতে তৈরি করা যায় মজাদার এই খাবারটি।

অতি সহজে বানিয়ে ফেলতে পারেন মজাদার বাদামের বরফি শিখে নিন

                                                        বরফি 

উপকরণ:

১ কাপ কাঠবাদাম

১/৪ টেবিল চামচ জাফরান

২ টেবিল চামচ দুধ

৩/৪ কাপ চিনি

১/২ কাপ পানি

১ চা চামচ ঘি

১/২ চা চামচ এলাচ গুঁড়ো

প্রণালী:

১। প্রথমে কাঠাবাদাম গরম পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর এর খোসা ছাড়িয়ে নিন।

২। একটি কাপড়ের ভিতর বাদামগুলো রেখে ভাল করে পানি শুকিয়ে নিন। লক্ষ্য রাখবেন যেন একটুও পানি না থাকে বাদামে।

 

৩। এবার ব্লেন্ডারে কাঠবাদামগুলো গুঁড়ো করে নিন।

৪। একটি প্যানে পানি এবং চিনি মিশিয়ে সিরা তৈরি করে নিন।

৫। চিনির সিরা ঘন হয়ে আসলে এতে কাঠবাদামের গুঁড়ো দিয়ে দিন। ভাল করে নেড়ে চিনির সিরার সাথে বাদামের গুঁড়ো মেশান।

৬। এরপর এতে জাফরান মেশান দুধ দিয়ে দিন। এতে ঘি এবং দারুচিনির গুঁড়ো ভাল করে মেশান।

৭। বাদামের মিশ্রণটি প্যানে না লাগা পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। তারপর চুলা নিভিয়ে ফেলুন।

৮। একটি পাত্রে ঘি মাখিয়ে রাখুন। তারপর বাদামের মিশ্রণটি ঢেলে দিন।

৯। এবার এক ঘন্টা অপেক্ষা করুন।

১০। পছন্দমত আকারে কেটে পরিবেশন করুন মজাদার বাদামের বরফি।