অলৌকিক ঘটনা, ভূমিষ্ঠ হওয়া মাত্রই হাঁটতে শুরু করেছে এই শিশু (ভিডিও)

অলৌকিক ঘটনা, ভূমিষ্ঠ হওয়া মাত্রই হাঁটতে শুরু করেছে এই শিশু (ভিডিও)

মায়ের গর্ভ থেকে শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই কান্না শুরু করে দেয়। তাছাড়া আর কী-ই বা করবে বলুন সদ্যজাত ঐ শিশুটি? কিন্তু না, এবার যা ঘটল তাকে চিকিৎসকরা ‘অলৌকিক ঘটনা’ ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছেন না। ভূমিষ্ঠ হওয়া মাত্রই নাকি হাঁটতে শুরু করেছে এই শিশু! নিজের চোখকে বিশ্বাস করা কঠিন হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও তো সে প্রমাণই দিচ্ছে।

হাসপাতালের বিছানায় প্রসবের ঠিক পরপরই রেকর্ড করা হয়েছে ভিডিওটি। যেখানে দেখা যাচ্ছে নার্সের হাতে ভর দিয়ে দিব্যি গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলেছে শিশুটি। সদ্যোজাত শিশুর হাড় অত্যন্ত নরম হওয়ায় তার ঘাড় সোজা হতেও কয়েক মাস সময় লাগে। হাত, পায়ের হাড়ও নরম হওয়ায় চলা ফেরার প্রশ্নই ওঠে না। আড়াই-তিন বছরের আগে সাধারণত শিশুরা একেবারেই হাঁটতে পারে না।

আর সেখানে জন্মের পরমুহূর্তেই এমন কাণ্ড তাক লাগিয়ে দিয়েছে বিশেষজ্ঞদেরও। ভিডিওটি কোথাকার, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ওয়ান্ডার চাইল্ডের কাণ্ড-কারখানা আপাতত ভাইরাল হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে অনেকেই মজা করে লিখেছেন, দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাওয়া প্রযুক্তির এই যুগে জন্মের পর এভাবেই দ্রুত বড় হয়ে যাচ্ছে শিশু। অনেকে আবার সদ্যোজাতকে ‘স্পেশাল’ মনে করে ঈশ্বরের চমৎকার বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

ভিডিওঃ-

এ কেমন আইন | ধর্ষিতাকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি, ধর্ষক বেকসুর খালাস

ধর্ষিতাকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি, ধর্ষক বেকসুর খালাস

ধর্ষক আর কেউ নন নিজের চাচাতো ভাই। সেই ভাইয়ের কাছে বিকৃত লালসার শিকার হয়ে বিচার চেয়েছিলেন গ্রাম পঞ্চায়েতের কাছে। পঞ্চায়েত সেই ধর্ষকের শাস্তি দেওয়া তো দূরের কথা, উল্টো সেই তরুণীর বিরুদ্ধে ‘অবৈধ’ সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ এনে তাকে মৃত্যদণ্ডের শাস্তি দেয়! পাথর নিক্ষেপ বা অন্যকোনো উপায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা বলা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী লাহোর থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে পাঞ্জাব প্রদেশের রাজানপুরে।

১৯ বছর বয়সী ভুক্তভোগী ওই তরুণীর নাম শুমাইলা। পঞ্চায়েতের ঘোষণা শোনার পর গ্রাম থেকে পালিয়ে যান তিনি। গত শনিবার পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন তিনি। শুমাইলাকে একটি সরকারি সেফহোমে পাঠিয়েছে পুলিশ। পুলিশের কাছে চাচাতো ভাই খলিল আহমেদের সঙ্গে কোনো ধরনের ‘অবৈধ’ সম্পর্কের কথা নাকচ করে দেন সেই তরুণী।

ধর্ষিতাকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি, ধর্ষক বেকসুর খালাস
ধর্ষিতাকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি, ধর্ষক বেকসুর খালাস

শুমাইলার অভিযোগ, খলিল অস্ত্রের মুখে তাকে ধর্ষণ করেছেন। ধর্ষণের অভিযোগ পঞ্চায়েত গ্রহণ করেনি। তারা খলিলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছে। প্রাণ বাঁচাতে তিনি গ্রাম থেকে পালিয়েছেন। এদিকে শুমাইলার বাবা পুলিশকে জানিয়েছেন, পঞ্চায়েতের সিদ্ধান্ত মানতে তাকে বাধ্য করা হচ্ছিল।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, পাকিস্তানের আইনে পঞ্চায়েতের রায়ে এ ধরণের সাজা প্রদান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে প্রত্যন্ত কিছু অঞ্চলে প্রায়ই পাথর ছুঁড়ে হত্যার খবর শোনা যায়। শুমাইলার অভিযোগের ভিত্তিতে তারা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যদের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেছেন। তাদেরকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

জেনে নিন | কেমন ছিলেন আমাদের প্রিয়নবী (সা.)

কেমন ছিলেন আমাদের প্রিয়নবী (সা.)

রাসূল (সা.) কে আমরা ভালোবাসি নিজ জীবন, নিজ পিতামাতা, নিজ সন্তান ও পৃথিবীর সবার চেয়ে আমরা বেশি ভালোবাসি হাবিবে মুস্তফা (সা.) কে। রাসূল (সা.) কে এভাবে ভালোবাসাই ঈমানের জন্য অপরিহার্য। বুখারি এবং মুসলিমে সংকলিত উমর (রা.) কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে নবী (সা.) তেমনি বলেছেন। আর এ কথা বলা বাহুল্য যে মানুষ যাকে ভালোবাসে তার সবই তার কাছে প্রিয় মনে হয়। নবীজি (সা.) এর দেহসৈষ্ঠব কেমন ছিলো তা নিয়েই এ লেখা।

রাসুল (সা.) ছিলেন মধ্যম অবয়ব, উজ্জল গৌরশক্তি, সাদা ও লাল মিশ্রিত রং প্রশস্ত ললাট, যুগল ভ্রু পটলচেরা চোখ ও মর্জিত চেহারা বিশিষ্ট। উচ্চ গ্রীবা, মাথা বড় এবং বক্ষস্থল ছিল সুপ্রশস্ত। মাথার চুল মোবারক হালকা কুকড়ানো ছিল, তার ঘন দাড়ি, সুরমা রং এর গভীর কালো চোখ, ঘন লম্বা পলক, মাংসল বাহুমূল, সুলম্বিত বাহু, বক্ষদেশ থেকে নাভী পর্যন্ত হালকা চুলের রেখা এবং দু বাহুতে হালকা পশম ছিল।

দু হাত চওড়া ও গোশতপূর্ণ ছিল। সুগঠিত পদযুগলের গুচ্ছদেশ ছিল হাল্কা ধরনের। পায়ের পাতার মধ্যভাগ কিছুটা মাংসশূন্য ছিল। এমনকি পয়ের নিচ দিয়ে একদিকের পানি অন্য দিকে চলে যেতে পারত”। (বুখারী ও মুসলিম)

রাসুল (সা.) এর অপূর্ব কান্তিময় দেহাবয়ব প্রথম দৃষ্টিতেই দর্শকের অন্তরে গভীর প্রভাব বিস্তার করত। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বে ইয়াহুদি ছিলেন। রাসুল (সা.) এর পবিত্র চেহারা দেখে তিনি বলে উঠেছিলেন, আল্লাহর কসম এ চেহারা কোন মিত্যাবাদীর হতে পারে না। (তিরমিযী)

কেমন ছিলেন আমাদের প্রিয়নবী (সা.)
কেমন ছিলেন আমাদের প্রিয়নবী (সা.)

হজরত জাবির ইবনে সামুরা (রা:) কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করলেন, রাসুল (সা.) এর চেহারা তরবারীর মত চমকাতো? তিনি জবাব দিলেন, না বরং পূর্ণ চাদের চেয়ে উজ্জল ছিল। (মিশকাত) তিনি অনত্র বর্ণনা করেন, মেঘের লেশ-চিন্তাহীন একশুক্ল পক্ষের রাত্রিতে আমি রাসুল (সা.) চেহরা মুবারকের দিকে একবার আর একবার আকাশের পূর্ণ চন্দ্রের দিকে তাকাচ্ছিলাম আমার দৃষ্টিতে তার পবিত্র চেহারা চাদ অপেক্ষা উজ্জ্বতর প্রতিভাত হচ্ছিল”। (তিরমিজি)

রাসুল (সা.) এর শরীর মুবারক অত্যন্ত মসৃণ এবং চামড়া খুব কোমল ছিল। হজরত আনাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) এর গায়ের রং অত্যন্ত সুন্দর এবং শরীর মসৃণ ছিল। গায়ের মধ্যে ঘর্ম বিন্দু যেন মোতির ন্যায় চমকাতে থাকত। তার পবিত্র বদন ছিল রেশমের চাইতেও সুন্দর। এবং গন্ধ ছিল মিশক আম্বরের চাইতেও সুগন্ধময়। (আল হাদিস)

রাসুল (সা.) এর মুবারক পঠে দু বাহুমুলের মধ্যবর্তী স্থানে মোহরে নবুয়াত ছিল। তা কবুতারের ডিমের আকৃতি বিশিষ্ট লাল রং উত্থিত এক টুকরো গোশত ছিল। (মুসলিম)

রাসুল (সা.) এর মুবারক মাথার কেশ অধিকাংশ সময় গর্দান পর্যন্ত প্রলম্বিত থাকতো। মক্কা বিজয়ের সময় যারা তাকে লক্ষ্য করেছেন তারা দেখেছেন যে, তার মাথার মুবারক কেশ চার ভাগে বিভক্ত হয়ে গর্দান পর্যন্ত ঝুলে ছিল। (তিরমিজি)

তাছারা রাসুল (সা.) মাঝে মাঝে স্বীয় মুবারক চুলে তেল ব্যবহার করতেন। আর অন্তত একদিন অন্তর চিরুনী ব্যবহার করতেন। ইন্তেকালের সময় তার দাড়ি মুবারকের মাত্র কয়েকখানা কেশ পেকে গিয়েছিল। (আল হাদিস)

ফ্যান বন্ধ করায় স্ত্রীকে স্বামীর তালাক

ফ্যান বন্ধ করায় স্ত্রীকে স্বামীর তালাক

তিন বছর আগের অগাস্ট মাসের কথা। ঘরের ফ্যানটা বড্ড শব্দ করছিল। এ সময় দূর থেকে স্বামী কিছু একটা চান। কিন্তু ফ্যানের শব্দে স্ত্রী শুনতে পাননি। কথা শুনতে ফ্যান সুইচ অফ করে দেন তিনি। ব্যস, আর যায় কোথায়! স্বামীর মাথায় চড়ে যায় রক্ত। দু’জনকে সাক্ষী রেখে সঙ্গে সঙ্গে তিন তালাক বলে দেন! ঘটনাটি ঘটে ভারতের মুম্বাইয়ে।

ভারতের এবিপি আনন্দের খবর, ৩ বছর আগের এই ঘটনা নিয়ে মুম্বাইয়ের পাইধনির পাবলিক কমপ্লেইন্ট সেন্টারে শুনানি শুরু হয়েছে। এই সেন্টারে শরিয়ত সংক্রান্ত কোনো বিতর্ক দেখা দিলে সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা হয়। এক্ষেত্রে অবশ্য শুনানি তালাকের বৈধতা নিয়ে নয়, তালাক পাওয়ার পরেও স্ত্রী কেন বাড়ি ছাড়ছেন না, তা নিয়ে।

ফ্যান বন্ধ করায় স্ত্রীকে স্বামীর তালাক
ফ্যান বন্ধ করায় স্ত্রীকে স্বামীর তালাক

তালাক দেওয়া স্বামীর বয়স ৬৫। আগে ট্যাক্সি চালাতেন, এখন দীর্ঘদিন বেকার। ৫৫ বছরের স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দায় চুকিয়েছেন ৩ বছর আগে। তাঁদের ৫টা ছেলেমেয়ে রয়েছে। এখন স্বামীর ক্ষোভ, স্ত্রী বাড়ি ছাড়ছেন না কিছুতেই, ফলে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারছেন না।

এদিকে, পাবলিক কমপ্লেইন্ট সেন্টার স্ত্রীর প্রতি নোটিশ ইস্যু করেছে। খবরে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় হাজি আলি দরগার মুফতি বিচ্ছেদ নিয়ম মেনে হয়েছে জানিয়ে স্ত্রীর প্রতি ফতোয়া জারিও করেছেন। পাবলিক কমপ্লেইন্ট সেন্টার এখন চেষ্টা করছে, অসহায় বয়স্ক নারী যাতে একই বাড়িতে ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে থাকতে পারেন, তা দেখতে। যদিও গতকালের শুনানিতে স্বামী হাজির হননি।

এখানেই অবশ্য শেষ নয়। এই সংস্থার হাতে এমন আরও একটি তালাকের মামলা এসেছে। এক্ষেত্রে দুই ভাই একসঙ্গে চিঠি লিখে তালাক দিয়েছেন তাঁদের স্ত্রীদের, যাঁরা আবার সম্পর্কে দুই বোন।

জেনে নিন | রোজায় সফলতা লাভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল

রোজায় সফলতা লাভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল

পবিত্র সিয়াম সাধনার মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন এবং কুরআন নাজিলের মাস রমজান। মুমিন বান্দা সিয়াম সাধনায় দিনের বেলায় পানাহার ও নিষিদ্ধ কাজকর্ম থেকে বিরত থাকে। উদ্দেশ্য একটাই- আল্লাহর নৈকট্য অর্জন এবং সন্তুষ্টি লাভ। সুতরাং সারাদিন শুধুমাত্র উপবাস থাকলেই হবে না, বরং রোজায় সফলতা লাভে বিশেষ কিছু আমলে মনোযোগী হওয়া জরুরি। যা বাস্তবায়ন বান্দার রোজা পালন স্বার্থক হবে। সংক্ষেপে সেগুলো থেকে কিছু জেনে নিই।

রমজানে অনেক রোজাদার নিজের আমলের প্রচার করে থাকেন। যা ঠিক নয়। এসব প্রচারণা অনেক সময় অহঙ্কার ও গর্ববোধের জন্ম দেয়। এমনকি কোনো কোনো সময় নিজের আমলকে নষ্ট করে দেয়। সুতরাং আমল-ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর ভয় কামনা এবং নিজের আমলের শুকরগোজারি করা জরুরি।

রমজানে মাসে ইফতারের সময় আজানের উত্তর দেয়া ‍গুরুত্বপূর্ণ আমল। যেহেতু সৎকর্মশীল বান্দাগণ অন্যান্য সময়ের চেয়ে রমজানে নেক আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করে থাকে, তাই ইফতার পূর্ববর্তী সময়ে আজানের উত্তর দেয়ার প্রতি গুরুত্ব দেয়া একান্ত কর্তব্য।

তারাবিহ নামাজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তারাবিহ মানেই হচ্ছে ধীরস্থিরভাবে নামাজ আদায় করা। সুতরাং তারাবিহ নামাজের রুকু, সিজদা, তাশাহহুদসহ নামাজের অন্যান্য আমলে তাড়াহুড়ো না করা।

রোজায় সফলতা লাভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল
রোজায় সফলতা লাভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল

অনেকেই খতম তারাবিতে দীর্ঘ সময় নামাজে না দাঁড়িয়ে রুকুর অপেক্ষায় বসে থাকে। যখনই ইমাম রুকুতে যায়, তখনই তাড়াহুড়ো করে রুকুতে শরিক হয়। এটা তাকওয়াবিরোধী। সুতরাং খতম তারাবিতে তিলাওয়াত শ্রবণও গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। যা পরিহার করা উচিত নয়।

আমাদের সমাজে সবচেয়ে অবহেলিত ইবাদাত হলো ইতিকাফ। গ্রামের মসজিদগুলোতে ইফতার-সেহরি খাওয়ানোর শর্তে লোকদের ইতিকাফে বসানো হয়। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমৃত্যু প্রতিবছর রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফে বসতেন। শবে কদরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত রমজানের শেষ দশকে নিহীত রয়েছে। যার অন্বেষণ করা একান্ত জরুরি।

গরিব অসহায়দের মাঝে ফিতরা বিতরণ করা রমজানের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। বিশ্বনবী রমজানের শেষ দিকে অসহায়দের মাঝে ফিতরা দানের নির্দেশ করেছেন। যাতে ঈদের আনন্দে গরিব-দুঃখীর মুখে হাসি ফোটে। কেননা এ ফিতরার ফলে রোজায় মানুষের অনর্থক কথা ও কাজের ভুল-ত্রুটির কাফফারা হয়ে যায়। সুতরাং ফিতরা আদায়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

সুতরাং আল্লাহ তা’আলা মুসলিম উম্মাহকে রমজানের রোজা ও ইবাদত-বন্দেগিকে সফল ও সার্থক করতে উপরোক্ত কাজগুলো যথাযথ ভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন।

দেখুন | মৃতদেহ গলিয়ে ফেলার যন্ত্র চালু করলো আমেরিকা (ভিডিও)

দেখুন | আল্লাহর সাথে চালাকি করে মৃতদেহ গলিয়ে ফেলার যন্ত্র চালু করলো ব্রিটেন | কিন্তু পরিনাম? (ভিডিও)

মানুষের মৃত্যুর পর ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী মৃতদেহটিকে কবর দেয়া হয়, বা দাহ করা হয়। বহু প্রাচীন কাল থেকে বিভিন্ন সভ্যতায় এটাই চলে আসছে। কিন্তু আমেরিকা এবং কানাডায় নতুন এক বিকল্প চালু হয়েছে – যাকে বলা হচ্ছে ‘এ্যালকালাইন হাইড্রোলাইসিস’ – যার মূল কথা হলো একটি ক্ষারজাতীয় তরলের মধ্যে মৃতদেহটিদ্রবীভূত করে ফেলা।

ভিডিওঃ-

ভাস্কর্য পুনঃস্থাপন হতাশাজনক | বললেন শাহ আহমদ শফী

শাহ আহমদ শফী

দুই দিনের মাথায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে গ্রিক দেবী থেমিসের মূর্তি পুনঃস্থাপিত হওয়াকে হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফী।

২৮ মে রোববার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই ঘটনায় তিনি মর্মাহত জানিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চেতনার পরিপন্থী এই বিদেশি ভাস্কর্যকে বাংলাদেশের কোথাও স্থান দেওয়া যাবে না।’

বিবৃতিতে শাহ আহমদ শফী বলেন, থেমিস সুপ্রিম কোর্টের সামনে থাকবে, নাকি পেছনে থাকবে—এইটা কোনো ইস্যু কখনো ছিল না। নামাজের সময় কালো কাপড়ে মুড়ে দেওয়া হবে, কি হবে না—এইটাও ইস্যু ছিল না। ইস্যু ছিল, থেমিস থাকবে, কি থাকবে না। এইখানে মধ্যপন্থা নেওয়ার কোনো সুযোগ নাই।

শফী আরও বলেন, আমরা বারে বারে বলেছি, ইসলামে ইনসাফ বা ন্যায়ের ধারণা- একটি মৌলিক ধারণা বা গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এমনকি ইনসাফ কায়েম ছিল বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষিত লক্ষ্য। সেই ন্যায়ের বা ইনসাফের কোনো প্রতীকায়ন যদি গ্রিক ঐতিহ্য থেকে ধার করা হয়, তবে প্রকারান্তরে এটাই ধরে নেওয়া হয় যে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্যে ও ধর্মে ন্যায়ের কোনও ধারণা বা অবস্থান ছিল না। এটা উপনিবেশিক ভাবাদর্শ।

হেফাজত আমির বলেন, আমরা আগেই জানিয়েছিলাম, গ্রিক দেবী থেমিসের এই প্রতীককে চিরতরে পরিত্যাগ করতে হবে। এই ভাস্কর্য; যা জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্থাপিত হয়েছিল, তাকে বাংলাদেশের কোথাও স্থান দেওয়া যাবে না। কিন্তু, আমাদের সব আবেদন নিবেদন এবং শান্তিপূর্ণ দীর্ঘ আন্দোলনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে থেমিসের পুনঃস্থাপন এটাই প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষাকে সরকার বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিচ্ছে না।

শাহ আহমদ শফী
শাহ আহমদ শফী

হেফাজত আমীর বলেন, আমরা আমাদের ঈমান ও আক্বিদার জমিনে দাঁড়িয়ে এই উপনিবেশিক ভাবাদর্শের বিরুদ্ধেই বলেছি, অথচ সেক্যুলার মিডিয়া আমাদের যুক্তি বার বার উপেক্ষা করেছে। এমনকি আমরা এও বলেছি, দেবী থেমিস আধুনিক রাষ্ট্র ধারণায় বিচার বিভাগের যে অবস্থান, তারও পরিপন্থী। কারণ, থেমিস গ্রিক সংস্কৃতির ঐশ্বরিক আইনের (ডিভাইন ল’) প্রতীক। যে রাষ্ট্র নিজেকে আলাদাভাবে স্যেকুলার বলে পরিচয় দিয়ে নিজের কৌলিন্য জারি করে, সে কীভাবে গ্রিক ঐশ্বরিক আইনের প্রতীককে নিজের বলতে পারে?

হেফাজত আমীর বলেন, এ পর্যায়ে দ্বিতীয় প্রশ্নটি আরও মারাত্মক। গ্রিক পুরাণ মতে, থেমিস সোশ্যাল অর্ডার বা সামাজিক শৃঙ্খলাও রক্ষা করে। সে শুধু ন্যায়বিচারই করে না, সে শক্তি প্রয়োগে সামাজিক শৃঙ্খলাও রক্ষা করে। থেমিসের হাতের তরবারি সেই শক্তি প্রয়োগের প্রতীক। আধুনিক রাষ্ট্র সামাজিক শৃঙ্খলার দায়িত্ব বিচার বিভাগকে দেয় না। তা থাকে নির্বাহী বিভাগে। আমরা বিস্ময় প্রকাশ করেছিলাম যে, ঠিক কোন যুক্তিতে নিজেদের আধুনিক ও প্রগতিশীল দাবি করা বাম সেক্যুলারেরা থেমিসের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন?

আহমদ শফী বলেন, থেমিস অপসারণে যখন আমরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছিলাম, রমজানের আগেই কোনো সংঘাত ছাড়াই থেমিস অপসারণে ভেবেছিলাম সবার শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে, ঠিক তখন মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র মাস রমজানের প্রথম রাত্রে থেমিসকে পুনঃস্থাপন করে জাতির ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগের সঙ্গে তামাশা করা হয়েছে।

শাহ আহমদ শফী বলেন, আমি খবর পেয়েছি, থেমিস পুনঃস্থাপনের প্রতিবাদ জানাতে গভীর রাতেও তৌহিদি ছাত্র-জনতা প্রেসক্লাবে সমবেত হয়েছেন। তারা সেখানে রাস্তায় সেহরি করেছেন। শুধু তাই নয়, আমি শুনেছি- প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশি হামলা হয়েছে, গ্রেফতার হয়েছেন অনেকে। এই সংবাদে আমি মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ। আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাস্তবতা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আবারও অনুরোধ জানাই।

বিবৃতিতে তিনি রোববারের মধ্যেই গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে হামলার উস্কানিদাতাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

দেখুন | রাস্তা বন্ধ করে হাতির খেলাধুলা (ভিডিওসহ)

দেখুন | রাস্তা বন্ধ করে হাতির খেলাধুলা (ভিডিওসহ)

হাতি রাস্তা বন্ধ করে খেলাধুলা করছে। আর এ কারণে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অস্বাভাবিক ঘটনা মনে হলেও ভারতের আসাম রাজ্যে ঘটছে এমনই ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, হাতির কারণে ভারতের আসাম রাজ্যে ইদানীং অনেকেরই অফিস যেতে দেরি হচ্ছে। কয়েকদিন আগে ভারতের আসামের জঙ্গলের পাশের হাইওয়েতে যানজট তৈরি হওয়ার পর লোকজন গাড়ি থেকে বের হয়ে কারণ খুঁজতে থাকে। পেছনের দিকের এক গাড়ি চালক যানজটের সামনের দিকে এসে দেখতে পান রাস্তা আটকে একটি প্লাস্টিকের ক্যান নিয়ে খেলা করছে হাতি। প্রায় আধ ঘণ্টা এমন খেলাধুলার পর পথ ছাড়ে হাতিটি। সম্প্রতি সে ভিডিওটি অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওঃ-

জানলে অবাক হবেন | গৃহকর্মীর অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার কোটি টাকা

গৃহকর্মীর অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার কোটি টাকা

বাড়ি বাড়ি কাজ করে কোনো রকমে দিন পার করেন তিনি। আবার তিনিই নাকি বিশ্বের অন্যতম ধনী মহিলা! বিল গেটসের সঞ্চিত সম্পত্তির পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি। আর কানপুরের গৃহপরিচারিকা ঊর্মিলা যাদবের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রয়েছে, ৯,৫৭১,১৬,৯৮,৬৪৭ টাকা!

অবশ্য বাস্তবে ঊর্মিলা এত টাকা জমাননি। ব্যাংকের একটা ‘ছোট্ট’ ভুলে তিনি ক্ষণিকের জন্য বিত্তবান হয়েছিলেন। ঊর্মিলার অ্যাকাউন্টে টাকার পরিমাণ দেখে চোখ কপালে উঠেছিল ব্যাংক অফিসারদের। সঙ্গে সঙ্গেই তার বুঝতে পারেন, বড়সড় ভুল হচ্ছে কোথাও।

ভুল শুধরোতে সময় লাগল ঘণ্টা তিনেক। হ্যাঁ, ওই তিন ঘণ্টার জন্যই ভাগ্যবতী হতে পেরেছিলেন তিনি। জানা গেছে, কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘জন ধন যোজনা’য় স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় ২০০০ টাকা দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন ঊর্মিলা।

গৃহকর্মীর অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার কোটি টাকা
গৃহকর্মীর অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার কোটি টাকা

হঠাৎই দেখেন তার মোবাইলে ব্যাংকের একটি খুদেবার্তা এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, বিরাট অংকের টাকা জমা পড়েছে তার অ্যাকাউন্টে। কিন্তু কীভাবে এত টাকা জমা হল? কে জমা দিল? ভেবেই কূলকিনারা পাচ্ছিলেন না ঊর্মিলা।

সঙ্গে সঙ্গে পাসবই নিয়ে ব্যাংকে ছোটেন তিনি। দেখা যায়, সত্যিই এই বিপুল পরিমাণ টাকা রয়েছে তার অ্যাকাউন্টে। কীভাবে এমন কাণ্ড ঘটল তা ভেবে তখন দিশেহারা ব্যাংকের পদস্থ কর্তারাও। ঊর্মিলার অ্যাকাউন্টে এই অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তও শুরু করে এসবিআই।

শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, সার্ভারের গোলযোগেই ওই বিপুল পরিমাণে অর্থ জমা পড়েছে তার অ্যাকাউন্টে। এই ঘটনার জেরে তিন ঘণ্টার জন্য বিশ্বের অন্যতম ধনী মহিলা হয়ে উঠেছিলেন ঊর্মিলা দেবী।

কিন্তু হঠাৎই অত টাকা পেয়ে কেমন লেগেছিল তার। খুব স্বাভাবিক ভাবেই ঘোমটার আড়াল থেকে ঊর্মিলার উত্তর, ‘টাকার জন্যই মানুষ খাটে। কিন্তু বিনা পরিশ্রমে পাওয়া এই অর্থের কোনো মূল্য নেই আমার কাছে।-সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা