দেখুন | মানুষ ঘুমানোর পর তার আত্মা কোথায় যায় (ভিডিও)

দেখুন | মানুষ ঘুমানোর পর তার আত্মা কোথায় যায় (ভিডিও)

মানুষ যখন ঘুমায় তখন তার আত্মা কোথায় থাকে? কেউই জানেনা সে কখন ঘুমিয়ে যায়। আর ঘুমের মধ্যে যে আলাদা জগত সে সম্পর্কেও মানুষ অজ্ঞ। কখনো কি ভেবে দেখেছেন সে জগত সম্পর্কে? আজ আমরা জানবো কোথায় থাকে মানুষের আত্মা।জানতে হলে ভিডিওটি দেখুন-

ভিডিওঃ-

একজন রাখালের অসম্ভব সুন্দর তাকওয়া

একজন রাখালের অসম্ভব সুন্দর তাকওয়া

একদা আব্দুল্লাহ বিন উমর (রা) মদীনার উপকন্ঠে বের হলেন। তখন তাঁর সাথে তাঁর কিছু সাথীরাও ছিল। সাথীরা খাবারের জন্য দস্তরখানা বিছালো, তখনই ঐদিক দিয়ে এক রাখাল অতিক্রম করছিল। ইবনে উমর (রা) তাকে বললেন, হে রাখাল! এসো আমাদের সাথে বসে তুমিও কিছু খাও ও পান কর। রাখাল বলল, আমি রোযাদার। ইবনে উমর (রা) বললেন, এমন প্রচন্ড গরমের দিনে তুমি রোযা রাখছ যখন আবহাওয়া অত্যান্ত গরম এবং এ পাহাড়ে তুমি বকরী চড়াচ্ছো। রাখাল বলল, হ্যাঁ আমি ঐ শূন্য দিনের প্রস্ততি নিচ্ছি যখন আমল করার সুযোগ থাকবেনা, তাই আমল করে নিচ্ছি। ইবনে উমর (রা) রাখালের আল্লাহ ভীতি পরীক্ষা করার জন্য তাকে বললেন, তুমি তোমার এই বকরীর পাল থেকে একটা বকরী বিক্রি করবে? আমরা নগদ মুল্যে তা কিনব এবং তোমার ইফতারের জন্য এখান থেকেও গোশতও দিব।

একজন রাখালের অসম্ভব সুন্দর তাকওয়া
একজন রাখালের অসম্ভব সুন্দর তাকওয়া

রাখাল বলল, এ বকরীর পাল তো আমার নয়, যে আমি তা থেকে বিক্রি করব, বরং তা আমার মালিকের তাই আমি এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারব না। ইবনে উমর (রা) বললেন, তোমার মালিক যদি কোন বকরী কম পায় তাহলে বলবে একটি বকরী হারিয়ে গেছে তখন সে আর কোন কিছু বলবেনা। কেননা পাল থেকে দু একটা বকরী পাহাড়ে হারিয়ে থাকে। একথা শুনা মাত্র রাখাল ইবনে উমর (রা) এর নিকট থেকে বের হয়ে গেল এবং স্বীয় আঙ্গুল আকাশের দিকে উঠিয়ে বলল, আল্লাহ কোথায়? যখন রাখাল চলে গেল তখন ইবনে উমর (রা) এ বাক্যটি বারবার বলতে লাগলেন, ‘আল্লাহ কোথায়?’ ‘আল্লাহ কোথায়? যখন আব্দুল্লাহ বিন উমর (রা) মদীনায় ফিরত আসলেন তখন রাখালের মালিকের নিকট নিজের লোক পাঠিয়ে তার কাছ থেকে ঐ বকরীর পাল সহ রাখালকে কিনিয়ে নিলেন, আর তাকে মুক্ত করে দিয়ে বকরীর পাল তাকে দান করে দিলেন।
– সুনানে বায়হাকী ,হাদিসঃ ৫২৯১
– উসুদুল গাবাহ, হাদিসঃ ৩০৮৬
চিন্তা করে দেখুন সাহাবীদের যুগে একজন রাখালের কতটুকু তাকওয়া ছিল, আর আমরা আজ কোথায়? তাকওয়াই মানুষকে পাপ থেকে দূরে রাখে। তাই সুন্দর সমাজ, সুদ-ঘুষ, জিনা-ব্যাভিচার মুক্ত সমাজ পেতে চাইলে আমাদের তাকওয়া অবলম্বন করতে হবে। আর আল্লাহর কাছে তারাই অধিক প্রিয় ,যারা অধিক তাকওয়াবান,হোক সে রিক্সাওয়ালা, ভ্যানওয়ালা, রাখাল কিংবা ধনী। 
কারণ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন – إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِأَتْقَاكُمْ

‘নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত সে যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়াবান’ -(সূরা আল হুজুরাত:১৩)

আল্লাহ (সুবহানাতায়ালা) ভাল জানেন।

অর্ধনগ্ন নারীর উপসংহার

অর্ধনগ্ন নারীর উপসংহার

বেশ কয়েক বছর আগের কথা, আত্মীয়ার বিয়েতে এক মহিলাকে দেখেছিলাম,অসম্ভব সুন্দরী ঠিক যেন নায়িকা। নায়িকার পোশাকও ছিল নায়িকার মতই। পিঠখোলা ব্লাউজ,পাতলা ফিনফিনে শাড়ি পড়েছে নাভীর নিচ থেকে,মুখে কড়া মেইক -আপ,লিপস্টিক আর অন্যান্য সাজ -সজ্জা তো আছেই।সত্যি বলতে আমি নিজে একজন নারী হয়েও লজ্জায় চোখটা সরিয়ে নিয়েছিলাম অন্যদিকে। কিছু পুরুষ তাকে দেখেছিল গভীর তৃপ্তিতে,এতে অবশ্য তিনি সন্তুষ্টই হয়েছিলেন আবার কেউ কেউ দৃষ্টি নতও রেখেছিল।যাই হোক, বেশ কয়েক মাস আগে বাসায় গিয়ে জানতে পারলাম সেই মহিলা স্কিন ক্যান্সারে আক্রান্ত।সুন্দর চামড়াটা দগদগে ঘা হয়ে খসে পড়ার অবস্থা।মনে মনে ভাবলাম একদিন যে পুরুষেরা তাকে গভীর তৃপ্তিতে দেখেছিল আজ তাকে দেখলে বোধ হয় বমিই করে দিত।তার রোগের কারণ অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের প্রতিক্রিয়া।

অর্ধনগ্ন নারীর উপসংহার
অর্ধনগ্ন নারীর উপসংহার

অবশেষে যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু হল তার।আমি বলব না এটা তার পাপের ফল বরং বলব কিছু জিনিস আমাদের মাঝে আসে শিক্ষা হয়ে।অর্ধনগ্ন হয়ে ঘোরা কোন সভ্যতা নয়,এর মাধ্যমে অশ্লীলতা এবং নোংরা মানসিকতার পরিচয় মেলে।নিচু মানসিকতার মেয়েরাই মনে করে এভাবে ঘুরলেই তারা স্মার্ট হয়ে যাবে।আল্লাহ তা’আলা দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন তার নির্দেশ মত দুনিয়ায় চলতে।পর্দা এবং শালীন পোশাক পড়লে আপনার সম্মান কমবে না বরং বাড়বে।নোংরা পোশাকে নোংরা মানুষের কামনার দৃষ্টি অাকর্ষণ করার মাঝে কোন স্বার্থকতা নেই। যে পুরুষ একজন খোলামেলা পোশাক পরিহিতা নারীকে পছন্দ করে সে আর যাই হোক, সে কখনও অাদর্শবান স্বামী হতে পারে না।

কার্টেসি : ফফাহুল জান্নাত মারিয়া