শ্যাম্পু ব্যবহারে আপনার যৌনজীবনে বিপদ আসছে…

বাড়িতে শ্যাম্পু, কাপড় কাচার পাউডার বা ডিটারজেন্টের ব্যবহার কমবেশি সবাই করেন। দৈনন্দিন জীবনে এগুলি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিস। কিন্তু জানেন কি পরোক্ষভাবে এই জিনিসগুলিই আপনার শরীরের ক্ষতি করে চলেছে? গবেষকদের মতে, শ্যাম্পু, কাপড় কাচার পাউডার বা ডিটারজেন্ট, কন্ডিশনার প্রভৃতি প্রস্তুতিতে যে ধরনের কেমিক্যাল বা রাসায়নিক ব্যবহার হয়, সেগুলি মানবদেহের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এমনকী এর ফলে পুরুষদের শরীরে শুক্রানুর পরিমাণ কমে যায়। পাশাপাশি মেয়েদের গর্ভধারণ ক্ষমতাও কমে।

জানা গিয়েছে, শ্যাম্পু, কাপড় কাচার পাউডার বা ডিটারজেন্ট, সাবান, কন্ডিশনার তৈরি করতে অ্যামোনিয়াম জাতীয় কিছু রাসায়নিক বা ‘কোয়াটস’ ব্যবহার করা হয়। এই ‘কোয়াটস’-ই আখেরে ক্ষতি করছে আমাদের। কীভাবে ক্ষতিসাধন করে এই কোয়াটস বা বিষাক্ত রাসায়নিকগুলি? সেটা জানতেই গবেষকরা কয়েকটি প্রাণীর উপর পরীক্ষা চালিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাঁরা জানতে পারেন, এই ধরনের রাসায়নিকগুলি মূলত নিউরাল টিউবে আক্রমণ করে। এই নিউরাল টিউবের মাধ্যমেই মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ড তৈরি হয়।

ভার্জিনিয়ার এডওয়ার্ড ভিয়া কলেজ অব অস্টিওপ্যাথেটিক মেডিসিনের সহকারী অধ্যাপক বলেন, ‘এই রাসায়নিকগুলি বাড়ি, হাসপাতাল, জনবহুল জায়গায় ব্যবহার করা হয়।’ তাঁর মতে, সেখান থেকেই মানবশরীরে ক্ষতির বীজ বোনা হয়ে যাচ্ছে। ‘বার্থ ডিফেক্টস রিসার্চ’ জার্নালে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মূলত দু’ধরনের রাসায়নিক ব্যবহৃত হয়। ১. অ্যালকাইল ডাইমিথাইল বেঞ্জিল অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এবং ২. ডাইডিসাইল ডাইমিথাইল অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড। এছাড়া বাড়িতে ব্যবহারের কারণে ইঁদুরের মধ্যেও কী প্রভাব পড়ে সেগুলিও খতিয়ে দেখতে পেরেছেন গবেষকরা। সেখানে দেখা গিয়েছে, রাসায়নিকের কারণে ইঁদুরের বাচ্চার মধ্যে জন্মের পর পরিবর্তন এসেছে। অপরিণত অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেছে সেগুলি। এছাড়া কমেছে তাদের সন্তানধারণ ক্ষমতাও।

মানুষের মধ্যে শুধু গর্ভধারণ ক্ষমতা কিংবা শুক্রানু হ্রাস নয়, অপরিণত শিশুজন্মের ক্ষেত্রেও এই রাসায়নিকগুলি এক প্রকারভাবে দায়ী। এক্ষেত্রে গর্ভস্থ অবস্থায় শিশুদের বিকাশ ঠিকমতো হয় না। আবার অনেকসময় জন্মের পর দেখা যায় অপরিণত অবস্থায় শিশুর জন্ম হয়েছে। আর তাই বাড়িতে এখনই এই ধরনের জিনিস ব্যবহারের দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র-সংবাদ প্রতিদিন

দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুকে পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরাইল উপজেলায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিশুকে স্থানীয় এক তরুণ পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই শিশুকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওই শিশুর মা জানান, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যায় তাঁর ছয় বছরের মেয়ে। সেখান থেকে একই গ্রামের ইকুল (২০) শিশু মেয়ের মুখ চেপে ধরে পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে তাঁর কাছে ঘটনাটি খুলে বলে। আজ অসুস্থ অবস্থায় মেয়েকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক কামরুন্নাহার বলেন, শিশুর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া ধর্ষণের বিষয়ে কিছুই বলা যাবে না।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রূপক কুমার সাহা বলেন, ধর্ষণের ঘটনাটি শোনার পর ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা করা হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জঙ্গিদের সঙ্গে চলছে সেনাবাহিনীর ব্যাপক যুদ্ধ!

ইসলামিক স্টেটের দখল থেকে মসুল পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই এখন শেষ পর্যায়ে। ফলে আইএস জঙ্গিদের সঙ্গে চলছে সেনাবাহিনীর তুমুল লড়াই। এমনটাই জানাল ইরাকি সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেনার সঙ্গে যুদ্ধে আইএস জঙ্গিরা এখন মসুল শহরের পুরোনো এলাকার ‘দুই বর্গকিলোমিটারের মতো জায়গায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছে’।

সেখান থেকেই মরণকামড় দেওয়ার চেষ্টা করছে তারা। আর তা রুখে দেওয়াটাই এখন ইরাকি সেনাবাহিনীর কাছে চ্যালেঞ্জের। যেভাবেই হোক নিজেদের ক্ষতি না করে আইএসের কোমর ভেঙে দেওয়াটাই ইরাকি সেনাবাহিনীর মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে ইরাকি ফোর্স।

গত চার দিনে ইরাকি বাহিনীর ওপর অন্তত ৮০টি আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে আইএস। অন্যদিকে সরকারি বাহিনী আইএসের শেষ ঘাঁটিগুলোর ওপর হেলিকপ্টার গানশিপ এবং মর্টার থেকে গোলাবর্ষণ করছে।

আর আত্মঘাতী হামলা দিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে আইএস। গতরাতে দু’দফায় আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে তারা। তবে সরকারি বাহিনী বলছে, মসুলের যুদ্ধে বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

ইসলামিক স্টেটের কাছ থেকে মসুল দখলের এই অভিযান চলছে প্রায় আট মাস ধরে। ইরাকি সেনা ছাড়াও সরকার-সমর্থক একাধিক মিলিশিয়া বাহিনী এই অভিযান চালাচ্ছে। আর আকাশ থেকে বিমান হামলা চালিয়ে সাহায্য করছে আমেরিকা।

জানুয়ারিতে শহরের পূর্বাংশ মুক্ত করার ঘোষণা দেয় ইরাকি সরকার। কিন্তু পশ্চিমাংশ অর্থাৎ সরু অলিগলিতে ঠাসা ঘনবসতিপূর্ণ পুরোনো শহর থেকে আইএসকে তাড়ানো ধারণার চেয়েও কঠিন হয়ে পড়ে। তবে ইরাকি সেনাবাহিনী এখন জোর দিয়ে বলছে, বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার। আইএসকে তারা এখন শহরের পুরোনো অংশের এক বর্গমাইল এলাকার মধ্যে আটকে ফেলেছে। সূত্র: কলকাতা২৪

ছেলেদের ব্রণ দূর করার তিন উপায়

ব্রণ কেবল নারী নয়, পুরুষদের ক্ষেত্রেও একটি প্রচলিত সমস্যা। তৈলাক্ত ত্বক, ত্বকের অযত্ন ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ব্রণের সমস্যা হয়। ব্রণের সমস্যা বেশি হলে সমাধানের জন্য ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে। তবে এর আগে ব্রণ দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে দেখতে পারেন।

ব্রণ দূর করার কিছু উপায় জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

বরফ:

বরফ দিয়ে ব্রণের চিকিৎসা শুরু করতে পারেন। বরফের ঠান্ডাভাব ব্রণ কমাতে সাহায্য করবে।

প্রথমে ত্বককে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।
একটি বরফের টুকরোকে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে কয়েক মিনিট ব্রণের ওপর রাখুন। বরফ সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না।
পাঁচ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার ব্যবহার করুন।
ডিমের সাদা অংশ

ডিমের ভিটামিন, এমাইনো এসিড, প্রোটিন ব্রণের ওপর কাজ করে। তবে এ ক্ষেত্রে কেবল ডিমের সাদা অংশটুকু ব্যবহার করবেন।

.মুখ ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করুন।

.দুটি ডিমের সাদা অংশ বের করে নিন।

.নরম ব্রাশ বা হাত দিয়ে ব্রণের মধ্যে সাদা অংশ লাগান।

.পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে আবার ডিমের সাদা অংশ দিন।

.কিছুক্ষণ রাখার পর মুখ ধুয়ে হালকা ধাঁচের কোনো ক্রিম ব্যবহার করুন।
পেঁপে

পেঁপে ব্রণ দূর করার উপাদান হিসেবে চমৎকার। এটি ত্বক থেকে বাড়তি তেল দূর করে এবং মুখের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে।

.পাঁচটি ছোট পেঁপের টুকরো ব্ল্যান্ড করুন।

.পেঁপের এই পেস্ট ব্রণের মধ্যে লাগান।

.৩০ মিনিট এভাবে রাখার পর ধুয়ে ফেলুন।

.ব্রণ না কমা পর্যন্ত প্রতিদিন এটি ব্যবহার করুন। সূত্র- এনটিভি অনলাইন

আপনার জীবনে বিপদ ডেকে আনছে প্লাস্টিকের বোতল

গ্লাসে জল পান করার যুগ এখন অতীত। বাড়ির ফ্রিজে বা খাওয়ার টেবলে এখন শোভা পায় রংবেরঙের প্লাস্টিকের বোতল। মানুষ এখন প্লাস্টিকের বোতলে জল পান করতেই বেশি অভ্যস্ত। ব্যাগে বয়ে নিয়ে যাওয়ার পক্ষেও সুবিধা। প্যাকেজড পানীয় বা ঠান্ডা পানীয়র বোতল একবার কিনে দিনের পর দিন তাই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু জানেন কি, প্লাস্টিকের বোতল আপনার শরীরের কী মারাত্মক ক্ষতি করে চলেছে? জল নয়, বলা যেতে পারে, অল্প অল্প করে বিষ পান করছেন আপনি।

গবেষকরা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানাচ্ছেন, অ্যাথলিটরা যে সমস্ত প্লাস্টিকের বোতলে টানা এক সপ্তাহ জল পান করেন, সেই সব বোতলে ব্যাকটিকিয়ার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। আন্দাজ করতে পারেন কী পরিমাণ ব্যাকটিরিয়া জমা হয় তাতে? প্রতি স্কোয়্যার সেন্টিমিটারে ৯ লক্ষ কলোনিরও বেশি। অর্থাৎ আপনার শৌচালয়ে উপস্থিত ব্যাকটিরিয়ার থেকেও অনেকটা বেশি। হ্যাঁ, এ তথ্য চমকে দেওয়ার মতোই। পাশাপাশি গবেষকরা এও জানান, বোতলে থাকা ৬০ শতাংশ জীবাণুই মানুষকে অসুস্থ করে তোলার পক্ষে যথেষ্ট।

গ্রীষ্মকালে শরীরের জল শুকিয়ে যাওয়ায় তৃষ্ণাও বেশি পায়। আর তখন সস্তার প্লাস্টিক বোতলে জল পান করাই বিপদ ডেকে আনে। গ্রীষ্মকালে অসুস্থ হওয়ার এটিও একটি বড় কারণ। ভাবছেন তো এই ভয়ঙ্কর সমস্যা থেকে কীভাবে মুক্তি পাবেন? খুব একটা কঠিন কাজ নয়। যে বোতল একবার ব্যবহার করেই ফেলে দিতে বলা হয়, সেগুলিকে বাড়ি থেকে বিদায় করুন। পুনর্ব্যবহারের কথা এক্কেবারে ভুলে যান। প্রশ্ন তুলতেই পারেন, বোতল ছাড়া কীভাবে সারাদিন জল পান করবেন? এর উপায়ও আছে। BPA-মুক্তি প্লাস্টিক বোতল ব্যবহার করুন। বিসফেনল এ বা BPA হল এক ধরনের কেমিক্যাল যা প্লাস্টিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। সেক্স হরমোনের সঙ্গে তা দেখে প্রবেশ করে। সুতরাং সেটি শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর, তা আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাছাড়া বাজারে সৌখিন কাচের এবং স্টিলের বোতলও কিনতে পাওয়া যায়। সেসবে ইচ্ছে মতো জল পান করে শরীর সুস্থ রাখুন।

প্লাস্টিকের ব্যাকটিরিয়া থেকে কী কী রোগ সংক্রমিত হতে পারে? চিকিৎসক মেরিলিন গ্লেনভিল জানাচ্ছেন, দেহের সমস্ত অঙ্গেরই ক্ষতি করতে পারে এই জীবাণু। হরমোনবাহিত জীবাণুতে হতে পারে তীব্র পেট ব্যথা। এমনকী স্তন ক্যানসারের সম্ভাবনাও রয়েছে। কথায় বলে স্বাস্থ্যই সম্পদ। তাই জেনেশুনে নিজের বিপদ ডেকে আনা নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। চিকিৎসার পিছনে লক্ষ লক্ষ অর্থ ব্যয় হওয়ার আগে তাই সুস্থ থাকতে স্টিল বা কাচের বোতলের পিছনেই অল্প টাকা খরচ করুন। সূত্র-সংবাদ প্রতিদিন

দু’অক্ষরের নামের দাম ২০০০ কোটি!

‘আইপিএল’, এই শব্দের আগে বসবে ‘ভিভো’। আর এই একটি শব্দ বসানোর জন্য খরচ করতে হল ২,১৯৯ কোটি টাকা। আইপিএল’কে ‘ভিভো’ আইপিএল করার জন্য চাইনিজ কোম্পানি খরচ করল ২,১৯৯ কোটি টাকা। আগামী ৫ বছরের জন্য ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের টাইটেল স্পনসরশিপ কিনে নিল চাইনিজ মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা ভিভো।

ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সঙ্গে চাইনিজ কোম্পানি ভিভো যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, “আইপিএল টাইটেল রাইটস নিজের অধীনেই রাখল ভিভো। ২০১৮ থেকে ২০২২ আইপিএল পর্যন্ত আইপিএল টাইটেল স্পনসরশিপ ভিভো’র দখলে। গত দুবছরের তুলনায় ৫৫৪ শতাংশ বর্ধিত মূল্যে ২,১৯৯ কোটি টাকায় এই সত্ত্ব কিনে নিয়েছে ভিভো”।

২০১৬ এবং ২০১৭ আইপিএল টাইটেল কিনতে ভিভো খরচ করেছিল ২০০ কোটি টাকা। প্রতি বছর ১০০ কোটি টাকা, বিগত দু বছর ভিভো’র সঙ্গে এই চুক্তিই চলছে বিসিসিআইয়ের। সেই চুক্তি শেষ হওয়ার পরই নতুন ভাবে চুক্তি করার জন্য নিলামের আয়োজন করে বিসিসিআই। সেই নিলামে ভারতীয় দলের স্পনসর ‘অপ্পো’ মোবাইলকে টেক্কা দিয়ে আইপিএল টাইটেল সত্ত্ব নিজেদের পকেটে পুরে নিল ‘ভিভো’। নিলামে আইপিএল টাইটেল সত্ত্ব কিনে নিতে ১,৪৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত দর হেঁকেছিল অপ্পো। কিন্তু দিনের শেষে ভিভোর দেওয়া ২,১৯৯ কোটি টাকার মোটা অঙ্কের সামনে কার্যত দাঁড়াতেই পারেনি আর কোনও সংস্থা।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে যখন প্রথম আইপিএল শুরু অয় তখন টাইটেল স্পনসরশিপ ছিল ডিএলএফ-এর। ২০১২ সালের পর ৩৯৬ কোটি টাকায় সেই সত্ত্ব কিনেছিল সফট ড্রিঙ্কস প্রস্তুতকারক সংস্থা পেপসি।

পেটের মেদ কমাবে কলার শরবত!

অনেকে ভাবেন, কলা খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নানা উপায়ে কলা ওজন কমাতে সাহায্য করে। সারা বছর মেলে—এমন সবজি বা ফলের মধ্যে কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম। কলা শরীর ফুলে-ফেঁপে ওঠা ঠেকাতে পারে। তাই যাঁরা পেটের চর্বি কমাতে চান, তাঁরা খাদ্যতালিকায় কলা রাখতে পারেন।

কলায় কোলিনসহ সব ধরনের ভিটামিন বি আছে। এতে শরীরে চর্বি জমতে বাধা দেয়। বিশেষ করে, পেটের মেদ কমাতে নিয়মিত কলা খেতে পারেন। যাঁরা জাঙ্ক ফুডে অভ্যস্ত, তাঁরা এই অভ্যাস ছাড়তে কলা খেতে পারেন। যখন এ ধরনের খাবার খেতে ইচ্ছা হবে, তখন কলা খেলে খিদে মিটবে, আর পুষ্টিও মিলবে। কলা পাকস্থলীতে দরকারি ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে সাহায্য করে, যাতে খুব সহজে খাবার হজম হয়। খাবার ঠিকমতো হজম না হওয়ায় ওজন বাড়ে।
তবে কলার যে শরবত পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে, তা তৈরি করতে কিছু উপকরণ লাগবে।

উপকরণ:
১) কলা- ১টি
২) আদার গুঁড়া- ২ টেবিল চামচ
৩) দই- আধা কাপ
৪) ফ্লাক্সিড-১ টেবিল চামচ

তৈরিকরণ পদ্ধতি:
একসাথে সকল উপকরণ মিশিয়ে নিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। শরবতের মত মিহি না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন। প্রতিদিন সকালে নাস্তা করার আগে এই মিশ্রণটি এক গ্লাস পরিমাণ পান করুন। সকালের নাস্তা বাদ দিয়ে শুধু এই শরবতটিও খেয়ে দেখতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন।

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাঁচা ডিমের কুসুম!

প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট ডায়েট চার্ট মেনে খাওয়া-দাওয়া করে থাকেন বেশিরভাগ মানুষ। তাঁদের রোজ ডায়েটের লম্বা লিস্টে একটি খাবার প্রায় প্রতিদিনই থাকে। তা হল কাঁচা ডিমের কুসুম। কারণ চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে ডিমের কুসুম নানাভাবে শরীরের উপকারে লাগে। পেশির গঠনকে মজবুত করার পাশাপাশি এনার্জির ঘাটতি দূর করতে এবং শরীরকে সার্বিকভাবে রোগ মুক্ত রাখতে ডিমের কুসুমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবন পেতে কাল সকাল থেকেই শুরু করে দিন কাঁচা ডিমের কুসুম খাওয়া। কাঁচা ডিমের কুসুম থেকে সাধারণত যে যে উপকারগুলি পাওয়া যায়, সেগুলি হল…

১। অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়ঃ ডিম খেলেই যাদের অ্যালার্জি হয়, তারা এবার থেকে কাঁচা ডিম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ডিমের পুষ্টিও পাবেন, আবার কোনও শারীরিক সমস্যাও হবে না। কাঁচা ডিমের কুসুমে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা নানাবিধ অ্যালার্জির প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২। ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি দূর করেঃ একটা কাঁচা ডিমের কুসুমে প্রায় ০.২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১২ থাকে। এই ভিটামনিটি শরীরে জমে থাকা চর্বি ঝড়িয়ে ফেলার পাশাপাশি নার্ভ সেলের কর্মক্ষমতা বাড়াতে কাজে আসে। কাঁচা ডিমের কুসুমে ফলেট নামে একটি উপাদানও থাকে। এটি অ্যানিমিয়া রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করা।

৩। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদা মেটায়ঃ দুটো কাঁচা ডিমের কুসুম খেলে শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের কোনও ঘাটতিই থাকে না। অ্যামাইনো অ্যাসিড, ট্রাইপোফেন এবং টাইরোসিনের মতো উপাদানের ঘাটতিও দূর করে। ফলে একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবানা হ্রাস পায়। কারণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হল এমন একটি উপাদান যা একাই শরীরেরে নানাবিধ ক্ষয়কে রোধ করে দেয়।

৪। কোলেস্টেরলের যোগান বাড়ায়ঃ শরীরকে সচল রাখতে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াটা একান্ত প্রয়োজন। প্রতিদিন ডিমের কুসুম খেলেই ধীরে ধীরে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করবে। তখনই বুঝবেন উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে আপনার শরীরে।

৫। বায়োটিনের ঘাটতি দূর করেঃ শরীরে ফ্যাটি অ্যাসিড এবং গ্লোকজের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে বায়োটিন। তাই তো এই উপাদানটির ঘাটতিতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়। দেহে যাতে কোনও সময় বায়োটিনের অভাব দেখা না দেয়, সে কারণে প্রতিদিন কাঁচা অথবা সেদ্ধ করে কুসুম খেতেই হবে

স্বাস্থ্যজ্জল চুলের রহস্য লুকিয়ে আমলকীতে!

চুলের যত্নে আমলকীর ব্যবহার সেই প্রাচীন কাল থেকেই হয়ে আসছে। আমলকীর মধ্যে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর উপাদান চুলের যত্নে এক যুগান্তকারী প্রাকৃতিক উপহার। প্রোটিন, মিনারেলস, কার্বহাইড্রেটস এবং ফাইবারে সমৃদ্ধ এই ফলটি নিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে ত্বক এবং চুলের বিভিন্ন সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

১। চুল বৃদ্ধি করেঃ
লম্বা কালো চুল কার না পছন্দ। বহু মহিলা চুলের যত্নে আমলকী ব্যবহার করে থাকেন। আমলকী জল চুলকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়, চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুলের বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে চুলের আগা ফেটে যাওয়া থেকেও চুলকে রক্ষা করে। তাই চুলের যে কোনও সমস্যা দূর করতে আমলকী জল প্রতি সপ্তাহে ব্যবহার করা উচিত।

২। চুল ঘন এবং মজবুত করেঃ
চুল অতিরিক্ত পাতলা হয়ে যাওয়া মহিলাদের একটি অন্যতম সমস্যা। কারণ, চুল যত পাতলা হয়, ততই প্রাণহীন হয়ে পড়ে এবং আগা ফেটে যায়। সেক্ষেত্রে আমলকী জলের নিয়মিত ব্যবহার এবং এর মধ্যে উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদান চুল ঝরে যাওয়া বন্ধ করে এবং চুল ঘন করতে সাহায্য করে।

৩। স্কাল্পের চুলকানি দূর করেঃ
আমলকী জল চুল এবং মাথার ত্বকের যত্নে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। আমাদের চুল বেশ কিছু সমস্যা যেমন, খুশকি, চুলকানি দ্বারা আক্রান্ত হয়। এর ফলে, চুলের গোড়া সহ চুলের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এইসব সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হলে আমলকী জল এক দারুণ ওষুধ।

৪। চুল পাকা রোধ করেঃ
শরীরে ভিটামিন সি এর অভাবে চুল পড়া বেড়ে যায় এবং চুল ভেঙ্গে পড়ে। আমলকীতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। তাই নিয়মিত আমলকী খাওয়ার মাধ্যমে চুলের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব। আমলকীতে থাকা প্রচুর পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট অকালে চুল পাকা রোধ করে।