ধর্ষণের পর মাথা ন্যাড়া: নারী কাউন্সিলর ও তার মা গ্রেফতার

ভালো কলেজে ভর্তির প্রলোভন দেখিয়ে সদ্য এসএসসি পাস করা এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর মাসহ তার মাথা ন্যাড়া করার মামলায় বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া আক্তার রুমকি ও তার মা রুমিকে পাবনা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সন্ধ্যায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় বলে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘পলাতক ওই দুজনের পাবনা অবস্থানের কথা জানতে পেরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম বগুড়া থেকে রওনা হয়। রোববার সন্ধ্যায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।’

গ্রেফতার কাউন্সিলর রুমকি ও তার মা রুমি বেগমকে বগুড়ায় আনা হচ্ছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

এদিকে ধর্ষণের শিকার কিশোরী এবং তার মা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) নূরে আলম সিদ্দিকী চিকিৎসাধীন মা-মেয়েকে দেখতে বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালে যান। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনি মেয়েটিকে চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ ছাড়া ফলাফলের ভিত্তিতে তাকে কলেজে ভর্তির ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান ডিসি।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুস সামাদ প্রধানের নেতৃত্বে কমিটিতে আছেন—জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপপরিচালক শহীদুল ইসলাম খান ও জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম।

শিশুকে স্তন্যপান করানোর ছবি দিয়ে বিতর্কে কিরগিজ প্রেসিডেন্ট কন্যা

কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্টের কনিষ্ঠ কন্যা আলিয়া শাগিয়েভা অন্তর্বাস পরিহিত অবস্থায় তার শিশুকে স্তন্যপান করাচ্ছেন(ব্রেস্টফিডিং), এমন একটি ছবি স্তন্যপান ও সেক্সুয়ালাইজেশন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

তিনি এপ্রিল মাসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটি পোস্ট করেন। তার পোস্টের ক্যাপশন ছিল, ‘আমি আমার সন্তানকে যখনই এবং যেখানেই দরকার সেখানেই  খাওয়াবো।’ তবে ছবিটির কারণে তাকে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সাইট থেকে তিনি ছবিটি সরিয়ে নেন।

এ খবর দিয়েছে বিবিসি। বিবিসির সঙ্গে একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে এতো হৈচৈ হওয়ার পেছনে কাজ করেছে এমন একটি সংস্কৃতি যেটি নারীর গঠনকে অতিমাত্রায় ‘সেক্সুয়ালাইজ’ করে রেখেছে।’ তিনি বলেন, ‘আমাকে যেই শরীরটি দেওয়া হয়েছে সেটি অমার্জিত নয়। এটি কাজ করে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে আমার সন্তানের শরীরবৃত্তিয় প্রয়োজন মেটানো, সেক্সুয়ালাইজ করা নয়।’

এমন নয় যে শুধুমাত্র কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী তার ছবির প্রতি নিন্দা জানিয়েছে। তার বাবা প্রেসিডেন্ট আলমাজবেক আতাম্বায়েভ ও মা রাইসাও বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শাগিয়েভা বলেন, ‘তারা এটা পছন্দ করেনি। আমি তাদের ক্ষোভ মেনে নিয়েছি, কারণ নতুন প্রজন্ম সবসময় তাদের পিতা-মাতার চেয়ে কম রক্ষণশীল হবে।’ শাগিয়েভা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সক্রিয় থাকেন।

তিনি প্রায়ই তার নিজস্ব চিত্রকর্ম, তার ও তার স্বামীসহ শিশুর পোট্রেইট পোস্ট করে থাকেন। তিনি ব্রেস্টফিডিং নিয়ে বলেন, ‘আমি যখন আমার সন্তানকে স্তন্যপান করাই তখন আমার মনে হয় আমি তাকে আমার সেরাটা দিচ্ছি। নিজের সন্তানের যত্ন নেওয়া আর তার প্রয়োজনে সাড়া দেওয়া আমার কাছে মানুষের কথার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

এবার বড় পর্দায় বাবা ও ছেলের ‘রাইয়ান’

লা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক সোহেল রানা। তার পুত্র মাশরুর পারভেজ রাইয়ান এর আগে বাবার সঙ্গে অ্যাকশন ছবি ‘অদৃশ্য শত্রু’তে কাজ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সেই ছবিটির দুজন পরিচালকের একজন ছিলেন মাশরুর। এবার নতুন ছবি নিয়ে হাজির হচ্ছেন মাশরুর। ছবির নাম ‘রাইয়ান’।

আর এ ছবিতে মাশরুরের বাবা সোহেল রানাও অভিনয় করেছেন। এ প্রসঙ্গে মাশরুর পারভেজ মানবজমিনকে বলেন, বেশকিছু দিন আগে ছবিটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। এ ছবিটি আমার চিত্রনাট্য ও একক পরিচালনার ছবি। এ ছবিটি আসছে ১১ই আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। এখানে পরিচালনার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ও করেছি আমি। আর বাবাও ব্যতিক্রমধর্মী একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

এ ছবিটির গল্প অফ ট্র্যাকের। এই ছবিটি আমার স্বপ্নের একটি প্রজেক্ট। এখানে আমার বাবার বলয়ের বাইরে গিয়ে আমি নিজে কিছু তৈরি করার চেষ্টা করেছি। আশা করি, এ ছবিটি দর্শক পছন্দ করবেন। ‘রাইয়ান’ ছবিতে আরও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন লাক্স তারকা অর্ষা, ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

এ ছবিটি নিয়ে মাশরুর পারভেজ আরও বলেন, এ ছবিটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমাকে অসংখ্যবার শুনতে হয়েছে ছবির নায়ক কে, নায়িকা কে, কয়টা মারপিটের দৃশ্য আছে, কয়টা গান আছে ইত্যাদি। অথচ উন্নত বিশ্বের কোথাও এ ধরনের প্রশ্ন শোনা যায় না। নানা রকম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আমি ‘রাইয়ান’-এর কাজ শেষ করেছি।

‘রাইয়ান’ ছবির গল্পটি একজন পরিশ্রমী নতুন চলচ্চিত্র লেখককে নিয়ে। যিনি সংগ্রাম করে চলেছেন সাফল্যের জন্য। পারভেজ ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত এ ছবিটি শিগগিরই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো সিরিজের প্রত্যাশা সাকিবের

আগামী ১৮ আগস্ট বাংলাদেশ সফরে আসার কথা অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের। ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি টেস্ট খেলবে সফরকারীরা। যদিও সফরটি নিয়ে সংশয়ের কালো মেঘ এখনও কাটেনি। কারণ দেনা-পাওনা নিয়ে একপ্রকার ধর্মঘটে আছেন স্মিথ- ওয়ার্নাররা। সবার প্রত্যাশা, এই সপ্তাহের মধ্যেই বোর্ড-ক্রিকেটারদের মধ্যে চলমান বিরোধের নিষ্পত্তি হবে।

একই প্রত্যাশা সাকিব আল হাসানেরও। এই সিরিজে বাংলাদেশ ভালো খেলবে বলে মনে করেন তিনি। রবিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সাকিব বলেছেন, ‘আগে অস্ট্রেলিয়া আসুক। বড় একটা বিরতি গেলো। তাদের আসার মাধ্যমে মৌসুম শুরু হবে। আশা করি, অস্ট্রেলিয়া আসবে এবং ভালো একটা সিরিজ হবে।’

তবে অস্ট্রেলিয়া না এলে বিপদে পড়বেন সাকিবরাই! যার ব্যাখ্যা এভাবে দিলেন তিনি, ‘তারা যদি না আসে, তাহলে সরাসরি দক্ষিণ আফ্রিকা গিয়ে খেলতে হবে। আর সেখানে আমাদের জন্য খেলাটা কঠিন হয়ে যাবে।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫০তম টেস্ট খেলার কথা সাকিবের। বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার ৪৯টি টেস্ট খেলেছেন। টেস্টের হাফসেঞ্চুরি নিয়ে কী ভাবছেন? সাকিবের নির্লিপ্ত উত্তর, ‘গত কিছুদিন ধরে আমরা বেশ কিছু টেস্ট খেলেছি। নয়তো আমার ৩০ টেস্ট থাকতো। সে হিসেবে মনে হয় ঠিক আছে! আশা করি অস্ট্রেলিয়া আসবে, আমিও ফিট থাকবো এবং ভালো একটা সিরিজ হবে।’

প্রতিটি সিরিজের আগে কন্ডিশনিং ক্যাম্প অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন সাকিব, ‘প্রতিটি সিরিজের পর যদি দুই-তিন সপ্তাহের ব্রেক হয়, কন্ডিশনিং ক্যাম্প করা যায়, তাহলে খেলোয়াড়দের জন্য ভালো হয়। এতে ফিটনেস বা ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে নানা কাজ করা যায়। তখন একজন খেলোয়াড় তার ত্রুটিপূর্ণ ব্যাপারগুলো চিহ্নিত করে কাজ করতে পারেন। খেলার মধ্যে থাকলে এগুলো করা যায় না।’

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ দিয়ে নতুন মৌসুম শুরু হচ্ছে টাইগারদের। এবারের মৌসুমে নতুন কী চাইবেন এমন প্রশ্নে সাকিব বললেন, ‘অবশ্যই উন্নতি চাইবো। গত বছরের তুলনায় আরও ভালো করতে চেষ্টা করবো। উন্নতির তো শেষ নেই। যে জায়গাগুলোতে আমার মন মতো কিছু হয়নি, সেখানে আরও ভালো করতে চাই।’

অস্ট্রেলিয়ার নারীদের মুসলিম পুরুষ দরকার : হালাল ফুড প্রধান

অস্ট্রেলিয়ার নারীদের উচিৎ গর্ভবতী হওয়া, আর এজন্য তাদের প্রয়োজন মুসলিম পুরুষ। এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যপাক সাড়া ফেলেছেন আলোচিত হালাল ফুডের প্রধান মোহামেদ এলমুয়েলি।

অস্ট্রেলিয়ায় মুসলিম শরীয়া বিধান মেনে হালাল ফুডের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানের মালিক এলমুয়েলি তার ফেসবুক পেজে লিখেন, ‘বিয়ার, সিগারেট, মাদক ইনজেকশন ছেড়ে মুসলিম নারীদের উচিৎ নিজেদের উর্বর করা এবং মুসলিম শিশু বেষ্টিত হয়ে থাকা। আর এমনটি করতে মুসলিম পুরুষরাই কেবল সক্ষম।’

অস্ট্রেলিয়ার নারীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও লিখেন, ‘তোমাদের সুখী করা মুসলিম পুরুষদের কর্তব্য।’

এছাড়াও মুসলিম পুরুষদের উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, ‘আপনারা স্থানীয় কবরস্থানে জায়গা কিনুন। আর সে সামর্থ্য না থাকলে আত্মহত্যা করুন।’
এলমুয়েলি এমন স্ট্যাটাস দেওয়ার পর এটি আবার মুছে ফেলেন। কিন্তু স্ট্যাটাসটির কয়েকটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং এনিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়। স্ট্যাটাসটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ানদের মধ্যেও তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তাদের কেউ কেউ এলমুয়েলিকে অসুস্থ্য, পাগল, বিকারগ্রস্থ থেকে শুরু করে নানা রকম গালাগাল শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করে, তাকে যেন দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে হার্ভার্ড বিশ্ব বিদ্যালয় পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে, গত ৩৭ বছরে অস্ট্রেলিয়ান, আমেরিকান এবং ইউরোপীয় পুরুষদের ৬০ শতাংশ শুক্রানু কমে গেছে। গবেষকরা ধারণা করছেন, এমনটি অব্যাহত থাকলে একসময় প্রজন্ম সংকটে ভুগবে পশ্চিমা বিশ্ব। হার্ভার্ডের এই খবরটির তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিতর্কীত মন্তব্যটি করেছিলেন মোহামেদ এলমুয়েলি।

 

যারা জানে এবং যারা জানে না, তারা কি সমান হতে পারে?

আবু তালহা তারীফ : পবিত্র কোরআন-সুন্নাহ, শরীয়তের বিধি-বিধান নিয়ে লেগে থাকা বা এর সস্পর্শে থাকার কারনে ওলামায়ে কেরামকে সমাজ, ব্যক্তি, জনগন,রাষ্ট্র সবাই তাদেরকে শ্রদ্ধা, সম্মান  করে থাকে। মহান আল্লাহ দেওয়া জীবন বিধান, ইসলামের প্রচার-প্রসার এবং কোরআন হাদিস চর্চা, হজরত আদম (আঃ) থেকে নবী রাসুল পর্যন্ত, পরবর্তীতে সাহাবায়ে কিরাম,তাবেয়ীন, তাবে তাবেয়ীন,আওলিয়া কেরাম এবং হক্কানী পীর মাশায়েখ ও ওলামায়ে কেরামের মাধ্যমে হয়ে আসছে। আমাদের এই উপমহাদেশের ইসলাম প্রচার প্রসারে হক্কানী পীর মাশায়েখের বিশেষ অবদান রয়েছে। ওলামায়ে কেরাম হচ্ছেন কুরআন-সুন্নাহর ধারক বাহক। উম্মতের কান্ডারী। তারা হচ্ছেন নবী গনের উত্তরসরী। এ প্রসঙ্গে রাসুল (সা:) বলেন,“ আলেমরাই হচ্ছেন নবীগনের উত্তরসুরী”। (তিরমিযী)

আলেমের পরিচয় কী ? হজরত হাসান বসরী (রাঃ) বলেন, আলেম বলা হয়,“ যে ব্যক্তি মহান আল্লাহকে না দেখে ভয় করে এবং আল্লাহ যা পছন্দ করেন তা সে পছন্দ করেন ও আল্লাহ যা অপছন্দ করেন তা সে বর্জন করে”। ওলামায়ে কেরাম হচ্ছেন একটি জাতির, একটি দেশের, বিশেষ মুসলিম উম্মাহর শ্রেষ্ঠ সন্তান। ওলামা কেরাম সম্মানের পাত্র। তাদের ধনী লোক, প্রভাব শালী ও ক্ষমতাসীন ব্যক্তিসহ সকল শ্রেনির পেশার মানুষ সম্মান করে।

ওলামায়ে কেরামদের মানুষ ভক্তির চোখে দেখে ও তাদের জন্য সকলে দোয়া করে। রাসুল (সাঃ) ওলামায়ে কেরামদের সম্পর্কে বলেন, “তোমাদের উপর আমার মর্যাদা যেমন, একজন ইবাদতকারীর উপর আলেমের মর্যাদা তেমন, তারপর রাসুল (সাঃ) বলেন, যারা জনগনকে দ্বীনি ইলম শেখায় তাদের জন্য আল্লাহ তার ফেরেশতাগন আসমান

ও জমিনের অধিবাসিগন এমনকি গর্তের পিপঁড়া ও মাছ পর্যন্ত কল্যাণ কামনা করতে থাকে”। (তিরমিযী)

ওলামায়ে কেরামের মর্যাদা মহান আল্লাহ তাআলা দিয়েছেন। ওলামায়ে কেরামের মর্যাদা সম্পর্কে বলেন “যারা জানে এবং জারা জানে না, তারা কি এক সমান হতে পারে ?”। (সূরা যুমারা-৯)

ওলামায়ে কেরাম কোরআন হাদিস রিচার্চ করে সত্য মিথ্যা সম্পর্কে অবগত রাখে। জান্নাতের আরাম আয়েশের ও জাহান্নামের ভয়াভব  কঠিন শাস্তি সম্পর্কে জ্ঞান রাখে বিধায় মহান আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে আলেমরাই তাকে ভয় করে। (সূরা ফাতির-২৮)

হক্কানী ওলামায়ে কেরাম ও পীর মাশায়েখদের মাধ্যমে দ্বীন ইসলাম এবং কুরআন হাদীসের চর্চা কিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এমন এক সময় আসবে যখন হুক্কানী আলেমগন থাকবে না। সাধারন মুসলমান নিজের খেয়াল খুশিমত শরীয়াতের বিভিন্ন বিষয়ে ফাতওয়া দেওয়া শুর“ করবে। রাসুল (সাঃ) বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ ইলম বা জ্ঞানকে তার বান্দাদের মন থেকে টেনে হেচরে উঠিয়ে যাবেন না বরং আলেমদেরকে দুনিয়া থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে ইলমকে উঠিয়ে নিবেন। এরপর মুর্খ ও জাহেল লোকদের নেতা বানাবে, তারপর তাদের নিকট ফাতওয়া জিজ্ঞেস করবে, তখন তারা বিনা ইলমেই ফাতওয়া দিবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে, অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে”। (বুখারী ও মুসলিম)

ওলামায়ে কিরামের মর্যাদার পাশাপাশি তাদের অনেক দায়িত্ব রয়েছে দ্বীন ইসলামের প্রচার ও প্রসারে একজন আলেমের মুখ্য ভ‚মিকা থাকা উচিত। ইসলাম প্রচার ও প্রসার আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ) সহ সকল নবী রাসুল করে গেছে। তাই নবী রাসুলদের উত্তরসুরী হিসেবে ওলামায়ে কিরামদের দাওয়াতী কাজ করতে হবে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তোমরাই উত্তম জাতি, তোমাদেরকে বের করা হয়েছে মানুষদেরকে সৎকাজের আদেশ এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করার জন্য”। (সূরা আল ইমরান-১১০)

মানুষকে ইসলামের পথে আহবান ও সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ প্রদান করা অবশ্যই জররী। আর এই কাজ করতে হবে হেকমত ও ভাল উপদেশের মাধ্যমে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তুমি তোমার প্রভুর পথে মানুষকে হেকমত ও উত্তম উপদেশের মাধ্যমে ডাকো”। (সূরা নাহল- ১২৫)

সজল-সাফার অন্যরকম রোমান্স

বিশেষ দিন উপলক্ষে বরাবরই ব্যস্ত থাকেন জনপ্রিয় অভিনেতা সজল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদেও কাজ করছেন বেশকিছু নাটকে। সম্প্রতি ‘কে তুমি অপরাজিতা’ শিরোনামের একটি নাটকে কাজ করেছেন সজল। ফারিয়া হোসেনের রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন চয়নিকা চৌধুরী।  নাটকটিতে সজলকে দেখা যাবে একজন ইঞ্জিনিয়ারের চরিত্রে। আর তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন এ প্রজন্মের মডেল-অভিনেত্রী সাফা কবির। এ জুটির অন্যরকম এক রোমান্স দেখা যাবে ‘কে তুমি অপরাজিতা’য়। অভিনয় প্রসঙ্গে সজল বলেন, নাটকটিতে আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার। গল্পটি বেশ মজার। সাফা আমার পাশের বাসায় থাকে।

তার পাশাপাশি বিল্ডিংয়ে থেকে পরস্পর প্রেমে জড়িয়ে যাই। দুজনের অন্যরকম এক রোমান্স দেখতে পাবেন দর্শক। আশা করছি ঈদের জন্য এটি বিশেষ এক চমক হবে। এ নাটকে আরো অভিনয় করেছেন মুনিরা মিঠু ও রিমু রোজা। প্রসঙ্গত নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর এটি ৩৪৪তম নাটক। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি আমার ৩৪৪তম নির্মাণ।

গল্পটি দারুণ একটা থিম নিয়ে তৈরি করেছেন ফারিয়া হোসেন। আমিও সেটা খুব যত্নের সঙ্গে নির্মাণ করার চেষ্টা করেছি। দর্শক নিরাশ হবেন না বলেই আমার বিশ্বাস। নির্মাতা আরো জানান, গত ২৭ ও ২৮শে জুলাই রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউসে নাটকটির দৃশ্যায়ন হয়েছে। আসছে কোরবানির ঈদে এটি বৈশাখী টিভিতে প্রচার হওয়ার কথা রয়েছে বলেও জানান চয়নিকা চৌধুরী।

‘গ্যাসের দাম দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো অবৈধ’

গ্যাসের দাম দ্বিতীয় মেয়াদে বাড়ানোকে অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। রবিবার বিচারপতি জিনাত আরা ও কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাজধানীর কারওয়ানবাজারে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে এ মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম। ঘোষণা অনুযায়ী, মার্চ থেকে প্রতি চুলা গ্যাসের দাম ৭৫০ টাকা, এটা জুনে বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৯০০ টাকায়।

আর মার্চ থেকে দুই চুলা গ্যাসের দাম ৮০০ টাকা, যা জুনে গিয়ে দাঁড়ায় ৯৫০ টাকায়। মূল্যবৃদ্ধির এ ঘোষণাকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট আবেদন করেন কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর কনজুমার কমপ্লেইন হ্যান্ডলিং ন্যাশনাল কমিটির আহ্বায়ক স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন। হাইকোর্ট ২৮শে ফেব্রুয়ারি রিটের শুনানি করে ১লা জুন থেকে দ্বিতীয় দফা গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে। পরে বিইআরসির পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে আপিল করা হয়। একই সঙ্গে আপিল বিভাগ রুল শুনানি করতে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ রুল শুনানি শেষ করে।

আদালতে বিইআরসি’র পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিতাস গ্যাসের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইশরাত জাহান। রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন সুব্রত চৌধুরী ও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

সাবধান! ভুলেও হাঁচি আটকাবেন না!

আমরা অনেকেই লোকসমাজে হাঁচি দিতে চাই না। ভাবি যদি সম্মান চলে যায়। কিন্তু এমন করাটা একেবারেই উচিত নয়। কেন জানেন? কারণ হাঁচি আসার সময় তা আটকে দিলে আমাদের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। শুধু তাই নয়, আমাদের শরীরের একাধিক অঙ্গ এই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হাঁচি আসার কারণ ও এর কী কী ক্ষতিকর দিক রয়েছে, তা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।


আমাদের কখন হাঁচি আসে জানেন? 
আমাদের শরীরে যখন নানাবিধ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করার চেষ্টা করে, তখন শরীরের বিশেষ একটা মেকানিজম অ্যাকটিভেট হয়ে গিয়ে হাঁচি শুরু হয়। হাঁচির চোটে সেই সব ক্ষতিকর উপাদানগুলি আমাদের শরীর থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার/প্রতি ঘণ্টা স্পিডে বাইরে বেরিয়ে আসে। এবার বুঝলেন তো সুস্থ থাকতে হাঁচি কতটা জরুরি।
দেখা গেছে একবার হাঁচি আটকালে যে গতীতে বায়ু বাইরে বেরতে চাইছে, তা শরীরে ভিতরে চলে গিয়ে কান, মস্তিষ্ক, ঘার, ডায়াফরাম প্রভৃতি অংশে মারাÍক চাপ সৃষ্টি করে। ফলে ধীরে ধীরে শরীরের এই অংশগুলোর কর্মক্ষমতা কমে যেতে শুরু। এখানেই শেষ নয়, হাঁচি আটকালে আরও নানাবিধ ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যে সম্পর্কে নিতে আলোচনা করা হল।
হাঁচি আটকানো ক্ষতিকারক কেন? 
হাঁচির সময় প্রায় ১০০-১৬০ কিলোমিটার/প্রতি ঘণ্টা গতিতে বায়ু নাকের ছিদ্র দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। তাই সে সময় যদি এই বায়ু প্রবাহকে জোর করে আটকানো হয়, তাহলে তা সম গতিতে শরীরের ভিতরে চলে যায় এবং একাধিক অঙ্গের ক্ষতি সাধন করে। যেমন ধরুন কানে যদি এর প্রভাব পরে তাহলে কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে। ফলে কালা হয়ে যাওয়ার অশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এখানেই শেষ নয়, হাঁচি আটকালে শরীর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে শুরু করে। ফলে সংক্রমণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
চোখ, ঘার এবং মস্তিষ্কের মারাÍক ক্ষতি হয়:
রাজধানী ট্রেনের যে গতিবেগ, সেই সমান স্পিডে বায়ু প্রবাহ যখন চোখ এসে ধাক্কা মারে তখন একাধিক নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যায়। এই কারণে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া এবং অন্ধত্বেরও আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। আর যদি ঘারে এর প্রভাব পরে তাহলে মারাÍক নেক ইনজুরি হতে পার। এখানেই শেষ নয়, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই গতি বেগে বায়ু প্রবাহ মস্তিষ্কের একাধিক নার্ভে গিয়ে আঁছড়ে পরলে অনের ক্ষেত্রেই স্টোক এবং সেই কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই বাঁচতে চাইলে এবার থেকে হাঁচি এলে আর আটকাবেন না দয়া করে।