হাদিসের গল্প – মুহাম্মাদ (সাঃ)-ই একমাত্র শাফা‘আঁতকারী

 

হযরত আনাস (রা:) হ’তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ(সাঃ) এরশাদ করেছেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন মুমিনগণকে (হাশরের ময়দানে স্ব স্ব অপরাধের কারণে) বন্দী রাখা হবে। তাতে তারা অত্যন্ত চিন্তিত ও অস্থির হয়ে পড়বে এবং বলবে, ‘যদি আমরা আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ্‌ তা‘আলার নিকট কারো মাধ্যমে সুপারিশ কামনা করি, যিনি আমাদের বর্তমান অবস্থা থেকে স্বস্তি দিবেন ।’সেই লক্ষ্যে তারা আদম (আঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলবে, ‘আপনি মানবজাতির পিতা আদম, আপনাকে আল্লাহ্‌ নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন, জান্নাতে বসবাস করিয়েছেন, ফেরেশতা মন্ডলীকে দিয়ে আপনাকে সিজদা করিয়েছিলেন এবং তিনিই যাবতীয় বস্তুর নাম আপনাকে শিক্ষা দিয়েছিলেন।আপনি আমাদের জন্য আপনার রবের নিকট সুপারিশ করুন, যেন তিনি আমাদেরকে এই কষ্টদায়ক স্থান হ’তে মুক্ত করে প্রশান্তি দান করেন ।’তখন  আদম  (আঃ)  বলবেন,  ‘আমি  তোমাদের  এই  কাজের মোটেই উপযুক্ত নই’।

নবী করীম (সাঃ) বলেন, তখন তিনি গাছ হ’তে ফল খাওয়ার অপরাধের কথা স্মরণ করবেন, যা হ’তে তাঁকে নিষেধ করা হয়েছিল। [আদম (আঃ) বলবেন] ‘বরং  তোমরা  মানবজাতির  জন্য  আল্লাহ্‌  তা‘আলার  প্রেরিত  সর্বপ্রথম নবী নূহ (আঃ)-এর নিকট যাও’।

তারা নূহ (আঃ)-এর কাছে গেলে  তিনি  তাদেরকে  বলবেন,  ‘আমি  তোমাদের  এ  কাজের  জন্য একেবারেই যোগ্য নই ।’ সাথে সাথে তিনি তাঁর ঐ অপরাধের কথা স্মরণ করবেন, যা অজ্ঞতাবশত: নিজের (অবাধ্য) ছেলেকে পানিতে  না ডুবানোর জন্য আল্লাহ্‌ কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। (তিনি বলবেন) ‘বরং তোমরা আল্লাহ্‌ খলীল হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর নিকটে যাও’।

রাসূলুল্লাহ(সাঃ) বলেন, এবার তারা হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর নিকটে যাবে। তখন তিনি বলবেন , ‘আমি তোমাদের এ কাজের জন্য কিছুই করার ক্ষমতা রাখি না ।’ সাথে সাথে তাঁর তিনটি মিথ্যা উক্তির কথা স্মরণ করবেন এবং বলবেন, ‘বরং তোমরা মূসা (আঃ)-এর কাছে যাও। তিনি আল্লাহ্‌র এমন এক  বান্দা,  যাকে  আল্লাহ্‌  তাওরাত  দান  করেছেন,  তার  সাথে বাক্যালাপ করেছেন এবং গোপন কথাবার্তার মাধ্যমে তাঁকে নৈকট্য দান করেছেন’।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, তখন তারা সকলে হযরত মূসা (আঃ) এর নিকটে আসলে তিনি বলবেন, ‘আমি তোমাদের জন্য সুপারিশের ক্ষেত্রে অপারগ।’তখন তিনি সেই প্রাণনাশের অপরাধের কথা স্মরণ করবেন, যা তাঁর হাতে সংঘটিত হয়েছিল এবং বলবেন, ‘বরং তোমরা আল্লাহ্‌র বান্দা ও তাঁর মনোনীত রাসূল, তাঁর কালেমা ও রূহ হযরত ঈসা (আঃ)-এর কাছে যাও।’নবী করীম (সাঃ) বলেন, তখন তারা সবাই হযরত ঈসা (আঃ)-এর কাছে গেলে তিনি বলবেন, ‘আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই।বরং তোমরা মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর কাছে যাও।তিনি আল্লাহ্‌ তা‘আলার এমন এক  বান্দা,  যার  আগের  ও  পরের  সমস্ত  গোনাহ  আল্লাহ্‌  ক্ষমা  করে দিয়েছেন।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘তারা আমার কাছে আসবে।আমি তখন আমার রবের কাছে তাঁর দরবারে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি প্রার্থনা  করব।অতঃপর আমাকে তাঁর নিকট যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।আমি যখন তাঁকে দেখব, তখনই তাঁর উদ্দেশ্যে সিজদায় পড়ে যাব।আল্লাহ্‌  আমাকে যতক্ষণ চাইবেন সিজদা অবস্থায় রাখবেন’।অতঃপর বলবেন, ‘হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও।আর যা বলার বল, তোমর কথা শুনা হবে। শাফা‘আত কর, কবুল করা হবে।তুমি চাও, তোমাকে দেওয়া হবে ।’ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘তখন আমি মাথা উঠাব এবং আমার রবের এমনভাবে প্রশংসা বর্ণনা করব, যা তিনি আমাকে শিখিয়ে দিবেন। অতঃপর আমি শাফা‘আত করব। তবে এ ব্যাপারে আমার জন্য একটি সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।তখন আমি আল্লাহ্‌র দরবার হতে উঠে আসব এবং ঐ নির্ধারিত সীমার লোকদেরকে জাহান্নাম হ’তে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাব।তারপর আমি পুনরায় ফিরে এসে আমার প্রতিপালকের দরবারে হাযির হওয়ার জন্য আল্লাহ্‌ কাছে অনুমতি প্রার্থনা করব।আমাকে অনুমতি  দেওয়া হবে।আমি যখন তাঁকে দেখব, তখনই তাঁর উদ্দেশ্যে সিজদায় পড়ে যাব এবং আল্লাহ্‌ যতক্ষণ চাইবেন আমাকে সিজদা অবস্থায় থাকতে দিবেন ।’ তারপর আল্লাহ্‌ বলবেন, ‘হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও। আর যা বলার বল, তোমার কথা শুনা হবে, সুপারিশ কর, কবুল করা হবে। তুমি প্রার্থনা কর, যা প্রার্থনা করবে তা দেওয়া হবে’।

রাসূল (সাঃ) বলেন, তখন আমি মাথা উঠাব এবং আমার রবের এমনভাবে প্রশংসা ও গুণকীর্তন বর্ণনা  করব, যা আমাকে শিখিয়ে দেওয়া হবে। এরপর আমি শাফা‘আত করব। তবে এ ব্যাপারে আমার জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হবে। তখন আমি আমার রবের দরবার হ’তে উঠে আসব এবং ঐ নির্দিষ্ট লোকগুলিকে জাহান্নাম হ’তে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাব।অতঃপর তৃতীয়বার ফিরে আসব এবং আমার প্রতিপালক আল্লাহ্‌র দরবারে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করব।আমাকে তাঁর কাছে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।আমি যখন তাঁকে দেখব, তখনই সিজদায় পড়ে যাব।আল্লাহ্‌ যতক্ষণ ইচ্ছা আমাকে সিজদা অবস্থায় য় রাখবেন ।’ তারপর বলবেন, ‘হে মুহাম্মাদ!  মাথা উঠাও।তুমি যা বলবে তা শুনা হবে, সুপারিশ কর, কবুল করা হবে।প্রার্থনা কর, তা দেওয়া হবে।’রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘তখন আমি মাথা উঠাব এবং আমার রবের এমন হামদ ও ছানা বর্ণনা করব, যা তিনি আমাকে শিখিয়ে দিবেন।’ নবী করীম (সাঃ) বলেন, ‘তারপর আমি শাফা‘আত করব।এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ তা‘আলা আমার জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দিবেন। তখন আমি সেই দরবার থেকে বের হয়ে আসব এবং তাদেরকে জাহান্নাম হ’তে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাব’।

অবশেষে  কুরআন  যাদেরকে  আটকিয়ে  রাখবে  (অর্থাৎ  যাদের  জন্য কুরআনের ঘোষণা  অনুযায়ী চিরস্থায়ী  ঠিকানা  জাহান্নামে নির্ধারিত  হয়ে গেছে) তারা ব্যতীত আর কেউ জাহান্নামে অবশিষ্ট থাকবে না। বর্ণনাকারী ছাহাবী হযরত আনাস (রা:) বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কুরআনের এই আয়াতটি ‘আশা করা যায়, আপনার  প্রতিপালক  অচিরেই  আপনাকে  ‘মাকা‍‌মে মাহমূদে’ পৌঁছিয়ে  দেবেন’ [বনী ইসরাঈল ৭৯]তেলাওয়াত করলেন এবং বললেন, এটাই সেই ‘মাকামে মাহমূদ’ যার প্রতিশ্রুতি তোমাদের নবীকে দেওয়া হয়েছে [ ছহীহ বুখারী হা/৭৪৪০ ‘তাওহীদ’অধ্যায়, অনুচেছদ-২৪, মিশকাত হা/৫৫৭২ ‘কিয়ামতের অবস্থা ও সৃষ্টির সূচনা’অধ্যায়, ‘হাওযে কাওছার ও শাফা‘আত’অনুচেছদ]

শিক্ষা:

১. সকল নবী-রাসলের উপর মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর শ্রেষ্ঠত্ব।

২. রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর শাফা‘আতে পরকালে কিছু জাহান্নামীকে আল্লাহ্‌ জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। এজন্য রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘প্রত্যেক নবীর এমন একটি দো‘আ রয়েছে, যা (আল্লাহ্‌র্ নিকট) গৃহীত হয়, আর নবী সে দো‘আ করে থাকেন।আমার ইচ্ছা, আমি আমার সে দো‘আর অধিকার আখেরাতে আমার উম্মতের শাফা‘আতের জন্য মুলতবি রাখি’  (বুখারী হা/৬৩০৪, ‘দো‘আ সমূহ’অধ্যায়, অনুচেছদ-১)।

৩. কোন পীর-ওলী পরকালে শাফা‘আতের অধিকার রাখবেন না।

এরপর আর কখনো আমার চোখ কোন বেগানা নারীর দিকে পড়েনি।”

 

কেমন হতো যদি জীবনের গল্পে এই তৃপ্ত বাক্যটা খুঁজে পাওয়া যেতো? নাকি এ বাক্য হবে মৃত্যু অধ্যায়ের ভূমিকায়? 
প্রবল ইচ্ছাসত্ত্বেও গুনাহ ছাড়তে পারছেন না? পারছেন না নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে?
.
এক শাইখের কাছে চোখের যিনা থেকে বাঁচতে নসীহা চাওয়ার পর এক ব্যাক্তিকে তিনি বলেছিলেন যতোবারই কোনো বেগানা নারীর দিকে চোখ পড়বে ততোবারই দু’রাকাত করে সালাত আদায় করবে। এই চর্চা ঐ ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ ফিরিয়ে দেয় ঐ গুনাহ থেকে।
.
গুনাহের বিপরীতে নেক আমল বাড়িয়ে দিন। ফজর মিস হলে সেদিন ক্বাযা আদায় করে আট দশ রাকাত নফল বেশি পড়ুন। অশ্লীল কাজের শিকার হলে তওবাহ করুন। বারবার। সারাদিন যিকিরে কাটান। যতোবার গুনাহ হবে তার কয়েকগুণ রাকাত নফল নামাজ আদায় করুন। সাদাকা বাড়িয়ে দিন। আপনার নেক ‘আমলে শয়তান হিংসায় পুড়বে। সে-ই হাল ছাড়বে ইনশাআল্লাহ। এরপর শুধু চেয়ে দেখবেন আপনি কীভাবে চেঞ্জ হয়ে গেছেন।
.
কখনোই হতাশ হবেন না। কেননা শয়তান শুধু এটাই চায়। হতাশ হৃদয়কে ইচ্ছামত ম্যানিপুলেইট করা সহজ। হতাশ হবেন কেন? দয়াবান মেহেরবান আল্লাহ তো আছেন। তিনি গুনাহ মাফ করেন তার কাছে পূর্ণভাবে ফিরে এলে।

৫৭ নারীর সাথে সঙ্গম করে রেকর্ড গড়লেন যুবক!

৩০ বছরেরও বেশি পুরান রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন নজির স্থাপন করলেন সিঙ্গাপুরের বছর চৌত্রিশের এক যুবক। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ৫৭ নারীর সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হলেন যুবক। চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে স্থানীয় এক পতিতালয়ের উদ্যোগে এই অভিনব প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এর আগে একটানা ৫৫ নারীর সঙ্গে সঙ্গম করতে সফল হয়েছিলেন এক পর্ন অভিনেতা।

এই অভিনব প্রতিযোগিতা জেতার পর বিজয়ীর প্রতিক্রিয়া, ‘আমি ছোট থেকেই সেক্স অ্যাডিক্ট। যখনই খবর পাই যে প্রাগের পতিতালয়টি এ রকম এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে, আমি আর দেরি করিনি। যেভাবে একজন অ্যাথলিট ম্যারাথনের জন্য তৈরি হন, আমিও সেভাবেই নিজেকে প্রস্তুত করেছি।’ সিঙ্গাপুরের বিজয়ী প্রতিযোগীর বক্তব্য, ‘কোনো পেশাদার খেলোয়াড়ের চেয়ে আমার কম পরিশ্রম হয়নি।’

প্রতিযোগিতার শুরু হয় মধ্যরাতে। শর্ত ছিল, কর্মকর্তাদের সামনেই ‘ইন্টারকোর্স’ করতে হবে। প্রতিযোগিতার নিয়ম হলো, প্রতিবার সঙ্গমের সময় অন্তত ৫ মিলিলিটার করে বীর্যপাত হতে হবে। প্রতিযোগীর জন্য একজন ফিজিওথেরাপিস্ট বরাদ্দ করা হয়।

বেশ কয়েকবার সঙ্গমের পর অন্তত খানিকক্ষণের জন্য ম্যাসাজ করার জন্য। কিন্তু কোনো রাসায়নিক ওষুধ ব্যবহার করার নিয়ম ছিল না। তবে একটি বিশেষ প্রাকৃতিক ওষুধ তিনি নিজেই নিয়ে এসেছিলেন, যেটি কী দিয়ে তৈরি জানাতে চাননি বিজয়ী। তবে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ওই যুবককে বেশ কয়েকটি মেডিক্যাল পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল। প্রমাণ করতে হয়েছিল, যে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও কোনো ছোঁয়াচে রোগ তার নেই।

এর আগে ১৯৮৩ সালে একটানা ৫৫ নারীর সঙ্গে সঙ্গম করে রেকর্ড গড়েছিলেন এক পর্ন অভিনেতা। তবে এই প্রতিযোগিতা জেতা মোটেও সহজ হয়নি সিঙ্গাপুরের যুবকের পক্ষে। শেষ নারীর সঙ্গে সঙ্গম শেষ হতেই তাকে হাসপতালে নিয়ে যেতে হয় বলে জানিয়েছে আয়োজনকারী পতিতালয়টি।

১৩ বছর বালকের দুমুখের অবিশ্বাস্য কীর্তি !

চিকিৎসা বিজ্ঞানে মাঝেমাঝে এমন ঘটনা ঘটে, যার কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। সেই রকম ঘটনারই সাক্ষী থাকল এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসুরি স্টেট। পুরো ঘটনার নায়ক মিসুরি স্টেটর ট্রেস জনসন। দুটো মুখ নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিল জনসন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমন ঘটনা বিরলের মধ্যে বিরলতম।

চিকিৎসকরা তার বাঁচার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন। তবে সেই বালকই সবাইকে অবাক করে নিজের ১৩তম জন্মদিন পালন করল। ব্রিটেনের এক ট্যাবলয়েডে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় এমন রোগকে বলা হয় ‘কনজেনিটাল ডিসঅর্ডার ক্র্যানিয়োফেসিয়াল ডুপ্লিকেশন’। এমন রোগে শিশু জন্মগ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই মারা যায়। ট্রেসও এই রোগের শিকার ছিল। ১৪বার ভিন্ন ভিন্ন ডায়াগনসিসের পরে ধরা পড়ে ট্রেসের এই বিরলতম রোগ।

জন্মের পরেই একাধিক অস্ত্রোপচার করা হয় তার। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেই মুখের গহ্বর কমিয়ে আনা হয়, ব্রেনে যাতে চাপ না পড়ে সেজন্য মুখাবয়বেও পরিবর্তন আনা হয়। সবাইকে অবাক করে দিয়ে পরিবারের সঙ্গেই ট্রেস এবার নিজের ১৩তম জন্মদিন পালন করে দেখাল। তার চিকিৎসার খরচ জোগানোর জন্য ট্রেসের পরিবার ‘গো ফান্ড মি’ নামে একটি পেজ তৈরি করেছে। যেখানে যে কেউ অর্থ সাহায্য করতে পারেন।

ছেলেরা যখন মন থেকে ভালোবাসে!

মন আর মস্তিষ্কের একত্রে থাকার নাম একাগ্রতা। আর একাগ্রতার একটি বড় উদাহরণ হচ্ছে ভালোবাসা। আপনি ভালোবাসলে যেমন ভালো সময় কাটাতে পারবেন তেমনই হাজারো খারাপ সময়ের মাঝে দিয়ে যাবেন। সেই সময়ে আপনার মাঝে কাজ করবে তাকে পাওয়ার একাগ্রতা। যাতে আপনি শিখবেন কিভাবে রাগকে সামাল দিতে হয়, কিভাব মন খারাপের লাগাম টানতে হয়, কিভাবে ভালোবাসার মানুষের মনের মতো হতে হয়।

লোহা পুড়ে যেমন সোনা হয় তেমনই মানুষ পুড়ে হয় খাঁটি। ভালোবাসার পরীক্ষা দিতে দিতে মন পুড়ে হয় অন্যের। মন থেকে চাওয়া কোনোকিছু হাজার কঠিন সময়ের মাঝে দিয়ে গিয়েও শেষপর্যন্ত পাওয়া যায়। মন থেকে আসা ভালোবাসা তার গন্তব্য এবং পথ ঠিক বেছে নেয়। ভালোবাসার ক্ষেত্রে একটি মত কিংবা একটি দিক এখন পর্যন্ত কেউ সঠিক উত্তর দিতে পারেন নি। তা হচ্ছে একজন প্রেমিক বেশি ভালোবাসে না একজন প্রেমিকা।

ভালোবাসার ক্ষেত্রে বলা হয় মেয়েরা অল্পতেই দুর্বল হয়ে যায় আর ছেলেদের একটি সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। এরপরে হাজার চেষ্টাতেও নিজেকে আটকে রাখা যায় না। আর মন থেকে যখন ভালোবাসা আসে তখন পৃথিবীর কোনো শক্তি তাকে আটকে রাখতে পারেনা। ছেলেদের ক্ষেত্রেও ঠিক তেমন। মন থেকে যখন তাদের মাঝে এই ভালোবাসা নামক ফুল ফোটে তখন তার কাছ থেকে তার প্রেয়সীকে কেউ আলাদা করতে পারেনা।

ভালোবাসার মানুষকে সম্মান:
একটি পুরুষ যখন প্রেমে পরে তখন তার মাঝে অনেক কিছু কাজ করে। মেয়েটি সম্পর্কে নানা কৌতুহল থেকে শুরু করে নানা দিক। তবে একটি বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় যে ছেলেটি মেয়েকে ভালোবাসে কি না। যদি ছেলেটি সম্পর্কে থাকা অবস্থায় মেয়েটিকে যথেষ্ট সম্মান এবং তার বেটার হাফ হিসেবে মর্যাদা দেয় তবেই কেবল বোঝা সম্ভব যে মেয়েটিকে ছেলেটি মন থেকেই ভালোবাসে।

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা:
বর্তমান সময়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলার থেকে কঠিন। আপনি চোখের পলকে তার থেকে দূরে সরে যেতে পারছেন, কিন্তু ভালোবেসে হাত ধরে আজীবন থাকতে পারছেন কি! সম্পর্কের শুরুতে অনেক ছেলেই বড় বড় কথা বলে থাকে। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা নানা ওয়াদা করে থাকে। কিন্তু তা রক্ষা করে হাতে গোনা কিছু পুরুষ। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার প্রবল ইচ্ছা আর শক্তি যে ছেলের মাঝে আছে সে ছেলে মেয়েটিকে সত্যিকার অর্থে মন থেকে ভালোবাসে।

মানসিক ভাবে সুস্থ রাখা:
বেশির ভাগ সম্পর্কেই একপক্ষ না একপক্ষ মানসিকভাবে চাপে থাকে। এই চাপ হারিয়ে যাওয়ার, তাকে ভুলে যাওয়ার কিংবা সম্পর্কে নানা ঝামেলার। আপনি যখন আপনার প্রেমিকাকে নানাভাবে মানসিক চাপে রাখেন তখন সে না পারে আপনার সাথে ভালোভাবে কথা বলতে না পারে আপনার মতো হয়ে চলতে। আর ফলাফল যা হয় তা হচ্ছে সম্পর্ক শেষ। তবে যে পুরুষ তার প্রেমিকাকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসে সে তাকে সব সময় মানসিকভাবে প্রাণবন্ত রাখবে আর তাকে আশ্বস্ত রাখবে যে সে সবসময় তার পাশে আছে।

সিদ্ধান্ত নেওয়া:
ভালোবাসার ক্ষেত্রে যত ছোট কিংবা যত বড় সিদ্ধান্ত হোক মেয়েটি চায় তার প্রেমিক তাতে তার মত দিক। তাকে সাহায্য করুক তার মতামতের মাধ্যমে। একটি সম্পর্কে যখন ছেলেটি মন থেকে আসে কিংবা তার মাঝে মন থেকে ভালোবাসা জন্মায় তখন এই ছোট ছোট বিষয়ে তার প্রেমিকাকে তার কাছে সাহায্য না চাইতেই করে থাকে।

ফ্যান বন্ধ করায় স্ত্রীকে স্বামীর তালাক!

তিন বছর আগের অগাস্ট মাসের কথা। ঘরের ফ্যানটা বড্ড শব্দ করছিল। এ সময় দূর থেকে স্বামী কিছু একটা চান। কিন্তু ফ্যানের শব্দে স্ত্রী শুনতে পাননি। কথা শুনতে ফ্যান সুইচ অফ করে দেন তিনি। ব্যস, আর যায় কোথায়! স্বামীর মাথায় চড়ে যায় রক্ত। দু’জনকে সাক্ষী রেখে সঙ্গে সঙ্গে তিন তালাক বলে দেন! ঘটনাটি ঘটে ভারতের মুম্বাইয়ে।

ভারতের এবিপি আনন্দের খবর, ৩ বছর আগের এই ঘটনা নিয়ে মুম্বাইয়ের পাইধনির পাবলিক কমপ্লেইন্ট সেন্টারে শুনানি শুরু হয়েছে। এই সেন্টারে শরিয়ত সংক্রান্ত কোনো বিতর্ক দেখা দিলে সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা হয়। এক্ষেত্রে অবশ্য শুনানি তালাকের বৈধতা নিয়ে নয়, তালাক পাওয়ার পরেও স্ত্রী কেন বাড়ি ছাড়ছেন না, তা নিয়ে।

তালাক দেওয়া স্বামীর বয়স ৬৫। আগে ট্যাক্সি চালাতেন, এখন দীর্ঘদিন বেকার। ৫৫ বছরের স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দায় চুকিয়েছেন ৩ বছর আগে। তাঁদের ৫টা ছেলেমেয়ে রয়েছে। এখন স্বামীর ক্ষোভ, স্ত্রী বাড়ি ছাড়ছেন না কিছুতেই, ফলে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারছেন না।

এদিকে, পাবলিক কমপ্লেইন্ট সেন্টার স্ত্রীর প্রতি নোটিশ ইস্যু করেছে।

খবরে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় হাজি আলি দরগার মুফতি বিচ্ছেদ নিয়ম মেনে হয়েছে জানিয়ে স্ত্রীর প্রতি ফতোয়া জারিও করেছেন। পাবলিক কমপ্লেইন্ট সেন্টার এখন চেষ্টা করছে, অসহায় বয়স্ক নারী যাতে একই বাড়িতে ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে থাকতে পারেন, তা দেখতে। যদিও গতকালের শুনানিতে স্বামী হাজির হননি।

এখানেই অবশ্য শেষ নয়। এই সংস্থার হাতে এমন আরও একটি তালাকের মামলা এসেছে। এক্ষেত্রে দুই ভাই একসঙ্গে চিঠি লিখে তালাক দিয়েছেন তাঁদের স্ত্রীদের, যাঁরা আবার সম্পর্কে দুই বোন।

মুখে এক আর মনে আরেক?

ভালোবাসা নিয়ে সুন্দর একটি উক্তি আছে। আর তা হচ্ছে “ভালোবাসা ভালোবাসে শুধুই তাকে, ভালোবাসায় ভালোবেসে বেঁধে যে রাখে”। ভালোবাসার ক্ষেত্রে এই বাঁধনটিই আসল। একটি অদৃশ্য বাঁধন যাতে কেউ বাঁধা পরলে আরেক জনের জন্য নিজের জীবনটিও দিতে দ্বিধা করে না দ্বিতীয়বার। তাই তো যে মানুষটিকে ভালোবাসা যায় তাকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করা যায়। আস্থা করা যায়। সময়ে অসময়ে তাকে কাছে পাওয়ার ইচ্ছে জাগে। আপনি নিজে যতই শক্তিশালী হয়ে থাকুন না কেন তার কাছে আপনি নিজেকে সমর্পণ করেন সমসময়। আর এই বিশ্বাসটিই হচ্ছে ভালোবাসা। এর ভিত্তি আপনি আর আপনার ভালোবাসার মানুষটি। যে দুটি খুঁটি শক্ত করে বেঁধে রেখেছে আপনাদের অস্তিত্ব। তাইতো শুধু প্রিয় মানুষটির একটি কথাতেই সারা দুনিয়ার বিশ্বাস এক জায়গায় জড়ো হয়। তবে এই ভালোবাসার অদৃশ্য বন্ধনের মাঝেও চলে এক বিচিত্র মুখোশের খেলা। যে খেলায় হেরে যায় ভালোবাসা আর তার পেছনে থাকা মানুষটি যে ছিল এক সময়ের সবচেয়ে কাছের তার প্রতি জন্ম নেয় ঘৃণা। ভালোবাসায় সব কষ্ট মুখ বুজে সহ্য করা গেলেও একে অন্যকে ধোকায় রেখে মুখোশের আড়ালে থাকা সহ্য করা যায় না। তাইতো ভালোবাসায় একটি শর্ত আপনাআপনিই দুজনের মাঝে থেকে যায়, আর তা হচ্ছে মুখে এক মনে এক না রাখা। আপনার কোনো কিছু ভালোলাগতে নাই পারে। আর সেটি খোলামেলা বললেই হয়তো কোনো বড় সমস্যা সৃষ্টি হবে না।

নিজেকে সামলাতে শিখুন
আপনি যখন কাউকে ভালোবাসেন তখন নিজেকে উজাড় করেই ভালোবাসেন। তবে যতই ভালোবাসা থাকুক না কেন তার মধ্যে উচিৎ আপনার আর তার মাঝে কিছু কথা কিংবা আচার আচরণ বুঝে বলা আর করা। আপনার প্রেমিকার কিংবা প্রেমিকের কোনো কথা ভালো না লাগলে তা তাকে বুঝিয়ে বলুন। আর তার কথা শুনেই আপনি তার সামনে যদি নিজেকে অসহায় কিংবা কান্নাকাটি শুরু করেন তখনই সমস্যার সৃষ্টি হয়। সেই মানুষটি মুখে এক আর মনে আরেক কথা বলতে শুরু করে। তাই কথা সহজে, সোজাভাবে বলুন।

বিশ্বাস
ভালোবাসায় যখন বিশ্বাসের খুঁটি নড়ে যায় তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়ে ওঠে না। কিছু সময় দেখবেন আপনার প্রেমিক কিংবা প্রেমিকা আপনাকে নানাভাবে আস্থা দিচ্ছে। আবার কখনো তার কাজে যে সে সঠিক তার বিশ্বাস দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু যখনই কোনো কাজে সে আপনাকে অতিরিক্ত ভাবে বোঝাতে যাবে কিংবা পেঁচাবে তখনই কিছু একটা সে লুকাচ্ছে বলে ধরে নিন। আপনাকে সে এক দিকে বলছে তাকে বিশ্বাস করতে আবার আরেকদিকে আপনার বিশ্বাস নিয়েই খেলছে সে।

আকৃষ্ট
ভালোবাসা একজনের প্রতি আর দৃষ্টি অন্যজনের প্রতি। আপনাকে সময় দেওয়ায় পাশাপাশি কিংবা আপনাকে যখন সময় কম দিয়ে অন্যদিকে তিনি মনোযোগ দিচ্ছেন তখনই কিছু একটা ঘটছে তার জীবনে। আর এই অন্য কারো প্রতি আকর্ষণই আপনাকে তার সামনে দেয়াল করে দাঁড় করিয়ে দেয়। যাতে আপনার কাছে ছোট ছোট মিথ্যা বলা শুরু হয়। আর এরপরেই মিথ্যার জাল বাসা বেঁধে যায় আপনার আর তার জীবনে।

যোগাযোগ
আপনার ভালোবাসার মানুষটির মুখে এক আর মনে আরেক তখনই বুঝবেন, যখন দেখবেন সে আপনাকে মুখে বলছে খুব ভালোবাসে। আপনার জন্য চাঁদ, তারাও এক করতে পারে, কিন্তু যোগাযোগ করছে খুব কম। ধরে নিন এটি তার একটি অভিনয়। যার সাহায্য নিয়ে সে আপনার দুর্বলতাকে ব্যবহার করতে চাচ্ছে।

আত্মসম্মান
ভালোবাসার মাঝে রাগ অভিমান থাকবেই। যদি দেখেন সব সময় আপনিই তার অভিমান ভাঙাচ্ছেন কিংবা তার রাগের সময় তার ঝাড়ি খাচ্ছেন। আর আপনার বেলায় তার কৃত দোষটিও আপনার! বুঝে নিন তার মুখে এক আর মনে আরেক। এমন মানুষের মনে কখনো ভালোবাসা নিঃস্বার্থভাবে জন্মাতে পারেনা।

যে গাছ ছুঁলেই নাকি মানুষ আত্মহত্যা করে!

আত্মহত্যা করা পাপ। কিন্তু একটি বিশেষ প্রজাতির গাছ ছুঁলে আপনি নাকি বাধ্য হবেন এই পাপ করতে। গুল্ম প্রজাতির এই গাছটির নাম ড্রেনড্রকনাইট মরডেইস। এটি প্রধানত অস্ট্রেলিয়ায় দেখা যায়। গেম্পি গেম্পি, দ্য সুইসাইড প্লান্ট এবং মুনলাইটার নামেও পরিচিত এই গাছটি।

মূলত এক ধরনের কাঁটা গাছটিকে আবৃত করে রেখেছে। ওই কাঁটা শরীরে উচ্চ নিউরোটক্সিন নির্গত করে যা এক অসহ্য যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। কেউ ভুল করে এই গাছের সংস্পর্শে চলে এলে গাছের সেই কাঁটা বা হুল শরীরে বিঁধে যায়, ফলে শুরু হয় এক ভয়ানক ব্যথা।

ধীরে ধীরে তা এমনই ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে যে মানুষের পক্ষে কোনও কাজ করা অসম্ভব বয়ে ওঠে। আর সেই ব্যথা, যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে মানুষ বাধ্য হয় আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে।

যে কারণে ভালকাজে যাওয়ার আগে ডিম খেতে নেই!

ডিম অপছন্দ করেন এমন মানুষ হয়তো খুব কমই রয়েছেন। কারও প্রতিদিন একটা করে ডিম চাই। ডিমই যেন শেষ কথা। ডিমের রয়েছে কত রকমের লোভনীয় পদ। কিন্তু এই ডিম নিয়েও একটা সমস্যা রয়েছে।

তবে এই সমস্যা আজকের নয়, চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে। আর তা হল, কোনও শুভ কাজে যাওয়ার আগে নাকি ডিম খেতে নেই। আর এই কথা বহু আগে থেকেই প্রচলিত। কিন্তু এর পেছনে ঠিক কি কারণ রয়েছে সেটি কিন্তু অজানা।

আসলে ডিম আমাদের শরীরে খুব দ্রুত গরম করে তোলে। এতে রয়েছে প্রোটিন-ফ্যাট। শুভকাজে যাওয়ার সময় শরীর-মাথা-মন ঠান্ডা রাখতে দই-এর ব্যবহার যেমন অনস্বীকার্য, তেমনই ডিম যেন পরিত্যাজ্য একটি খাবার। এসময় ডিম খেলে উত্তেজনা বা প্রেসার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে আর তার ফলে শুভকাজ পন্ড হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়। তাই শুভকাজে যাওয়ার আগে ডিম খেতে নিষেধ করা হয়।