এবার মানুষকে আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে নড়াইল এক্সপ্রেস, মাশরাফি বিন মর্তুজা।

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান বিকাশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরের দায়িত্ব পেলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।
এখন থেকে সাধারণ মানুষের কাছে বিকাশের সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং প্রতিষ্ঠানটির মূল্যবোধের প্রসারে নানা ধরণের প্রচারণামূলক কার্যক্রমে অংশ নেবেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মাশরাফি বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষকে আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে বিকাশের প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। বিকাশ শুধু মানুষের দৈনন্দিন বা জরুরি প্রয়োজনেই পাশে থাকছে তা নয় বরং স্বাস্থ্যসেবা এবং শিশু শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’

বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, ‘মাশরাফি শুধু খেলার মাঠেই সফল নয়, বরং একজন অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি লাখ লাখ বাংলাদেশির কাছে একজন আইকন। তার সততা, আবেগ, বিনয় এবং হার না মানা সংকল্প দেশবাসীকে আর্থিক সেবা প্রদানে বিকাশের প্রতিশ্রুতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে চমৎকারভাবে মিলে যায়।

দুই মাথা ওয়ালা গরু, দেখতে লাগবে ১০ টাকা

বাধ্য সন্তানের মতোই উঠে দাঁড়াতে বললে উঠে দাঁড়ায়। আবার বসতে বললে বসে যায়।

গরুটির নাম ‘রাজা’। তিন বছর ১০ মাস বয়সের গরুটির দুইটি মাথা, চার শিং ও চোখ তিনটি। এমন আকৃতির কারণে গরুটিকে ঘিরে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই।
রাজশাহী মহানগরীর শেখপাড়ার এলাকায় ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে রাজাকে রাখা হয়েছে। রাজাকে দেখতে কৌতুহল মানুষকে ১০ টাকা করে গুনতে হচ্ছে।

রাজার মালিক মঈন উদ্দিন। বাড়ি পাশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার দো গাছি গ্রামে। রাজাকে শহরে নিয়ে আসেন শেখপাড়া এলাকার তপন ও সাধণ কুমার ঘোষ।

শেখপাড়া মিলন মন্দিরের পশ্চিমের মাঠে রাজাকে ঘিরে রাখা হয়েছে। উৎসুক মানুষ রাজাকে দেখার জন্য ভিড় জমাচ্ছে।
গরুটির মালিক মঈন উদ্দিন জানান, তার বাড়ির গরুর বাচ্চা। বাচ্চা জন্মের পরে বাড়ির মানুষ অবাক হয়ে গিয়েছিলো। প্রথমে মনে হয়েছিলো বাঁচানো যাবে না। অনেক যত্ন করা হয়। আদর করে নাম রাখা হয় ‘রাজা’।

মঈন উদ্দিন আরো জানান, রাজা তার সন্তানের মতো। তার নিজের সন্তানকে যতো ভালোবাসেন; রাজাকেও ঠিক তেমনই ভালোবাসেন। রাজাও তাই। বাধ্য সন্তানের মতোই উঠে দাঁড়াতে বললে উঠে দাঁড়ায়। আবার বসতে বললে বসে যায়।

জানেন কি ? পবিত্র কাবা শরীফের তালা চাবির রহস্য |

ইসলামী ভাষ্য মতে, বর্তমান কাবা ঘরটি যেখানে স্থাপিত, সে স্থানটিই পৃথিবীর প্রথম জমিন। বিশাল সাগরের মাঝে ধীরে ধীরে ভরাট হতে হতে এই ভূমির সৃষ্টি হয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল এক মহাদেশ। এভাবেই পরবর্তীতে সৃষ্টি হয় সাত মহাদেশ। ভৌগোলিকভাবে গোলাকার পৃথিবীর মধ্যস্থানে অবস্থিত এই পবিত্র কাবা ঘর আল্লাহ-তায়ালার জীবন্ত নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। আল্লাহ তায়ালা কাবা শরীফকে তাঁর প্রিয় বান্দাদের মিলনস্থান হিসেবে ঘোষণা দেয়ায় এটি এখন সারা পৃথিবীর মুসলমানদের ধর্মীয় রাজধানীতে পরিণত হয়েছে।

এ ঘরটি আসলে কে বা কারা দেখাশোনা করেন? -এমন প্রশ্নের উত্তর হয়ত অনেকেরই অজানা।
পবিত্র এ কাবা ঘরকে দেখাশোনা করার সুযোগ পাওয়া একজন মুসলমানের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। আর কাবা শরীফের চাবি হাতে পাওয়া তো রীতিমত পরম পাওয়া। এই সম্মানের দায়িত্ব যে কোন মুসলিমই স্বেচ্ছায় পালন করতে চাইবেন।

তবে অবাক করা তথ্য হল, এ ঘরের চাবি কার কাছে থাকবে এ নিয়ে আজ পর্যন্ত কোন বিতর্ক হয়নি। কারণ ১০ম হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসে মক্কা বিজয়ের পর হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) যখন মদিনায় চলে যান তখন এই ঘরের চাবি সাহাবি ওসমান ইবনে আবু তালহার হাতে তুলে দিয়েছিলেন। আবু তালহার গোত্রের কাছে চাবি তুলে দিয়ে রাসুল (সা.) বলেন, ‘কিয়ামত পর্যন্ত এই চাবি গ্রহণ করো। জালেম ছাড়া কেউ তোমাদের কাছ থেকে এই চাবি ছিনিয়ে নেবে না।’
তাই সাহাবি ওসমান ইবনে আবু তালহার ‘বনী শাইবাহ’ গোত্রই কাবা ঘরের আনুষ্ঠানিক সেবক। ‘বনী শাইবাহ’ গোত্রটি বর্তমানে ‘বনী তালহা গোত্র’ হিসেবেও পরিচিত হয়ে আসছে। কিয়ামত পর্যন্ত এই গোত্রটির বংশধরদের কাছেই এ ঘরের চাবিটি রক্ষিত থাকবে। তবে এ পর্যন্ত অসংখ্যবার এ ঘরের চাবি পরিবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু চাবির বাহকের পরিবর্তন হবে না। সেই থেকে বনী শাইবাহ গোত্রের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি কাবা ঘরের চাবি বহন করেন।
পবিত্র কাবা ঘরকে আরবিতে বলা হয় বায়তুল্লাহ। যার অর্থ আল্লাহর ঘর। তাই কাবা ঘরের সেবা করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। এ জন্য বনী শাইবাহ গোত্র ছাড়াও যুগে যুগে বিভিন্ন শাসকরা এই ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কাজ করেছেন। তাদের কাছ থেকে চাবি নিয়েই বিভিন্ন সময় সৌদি আরবের বাদশাহ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পবিত্র কাবা ঘরে প্রবেশ করে থাকেন।

সৌদি আরবের বাদশাহ খালেদ কাবা ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে ১৩৯৬ হিজরিতে কাবা ঘরের পুরানো দরজাটি অপসারণ করে স্বর্ণ দিয়ে দরজা তৈরি করে দেন। ২৮৬ কেজি স্বর্ণ ব্যবহার করে নির্মিত দরজাটিতে তিনি আল্লাহপাকের নাম এবং পবিত্র কোরআন শরিফের আয়াত স্বর্ণখচিত অক্ষরে লিখে দিয়েছেন। দুই পাল্লা বিশিষ্ট নতুন এই দরজার মাঝখানে তালা বসানোর ব্যবস্থাও রেখেছেন।

ফলে কাবা শরীফের প্রথম দিকের দরজা এবং তালা বর্তমানে ব্যবহার করা হয় না। সৌন্দর্য বর্ধনের অংশ হিসেবে এই পর্যন্ত বহুবার এই ঘরের গিলাফ ও তালা-চাবি পরিবর্তন করতে হয়েছে। এ সম্পর্কিত এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এ পর্যন্ত প্রায় ৫৮ বার কাবা ঘরের তালা পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাবা ঘরের কোনও চাবি হারায়নি। তবে একব্যক্তি একবার কাবা ঘরের চাবি চুরি করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিলেন।
বর্তমানে ব্যবহৃত তালা-চাবি বাদে বাকি ৫৭টি তালা ও চাবি অত্যন্ত যত্নের সাথে বিশ্বের বিভিন্ন জাদুঘরে সংরক্ষিত অাছে। এর মধ্যে ৫৪টি চাবি রয়েছে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে ঐতিহাসিক তোপকাপি জাদুঘরে, ২টি চাবি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের বিশ্বখ্যাত ল্যুভর মিউজিয়ামে এবং আরেকটি মিশরের কায়রোর ইসলামিক আর্ট মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে।

সৌদি আরব থেকে প্রকাশিত মধ্য প্রাচ্যের প্রভাবশালী ইংরেজী দৈনিক আরিব নিউজের ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ‘২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর, সোমবার সর্বশেষ কাবা ঘরের চাবি পরিবর্তন করা হয়।’ সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাত দিয়ে অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘২০০৯ সালে সৌদি বাদশাহ আবদুল আজিজ সিটি সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজিকে (KACST) কাবা ঘরের পুরাতন তালাটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

রাজকীয় ফরমান বলে, কাস্টের একটি বিশেষজ্ঞ দল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ২০১৩ সালের শেষের দিকে ৩০ বছরের পুরনো মরচে ধরা তালা পরিবর্তন করে। তারা ১৮ ক্যারট সোনা দিয়ে তৈরি একটি নতুন তালা লাগিয়ে দেন। বর্তমান এই তালাটির চাবির দৈর্ঘ্য ৩৫ সেন্টিমিটার। পবিত্র কাবার গিলাফ তৈরির কারখানায় তৈরি একটি বিশেষ ব্যাগে করে এ চাবিটি সংরক্ষন করা হয়।

জেনে নিন, কি এমন দোয়া, যা ১ হাজার বছরের কাজা নামাজ আদায় হবে পাঠ করলে |

উচ্চারণ
আলহামদু লিল্লাহি আ’লা কুল্লি নি’মাতিহী, আলহামদু লিল্লাহি আ’লা কুল্লি আ-লা-ইহী, আলহামদু লিল্লাহি ক্বাবলা কুল্লি হালিন, ওয়া ছাল্লাল্লাহু আ’লা খাইরি খালক্বিহী মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলিহী ওয়া আছহাবিহী আজমাঈ’ন, বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন ।
দোয়ার ফযীলত

এ দোয়াটির ফযীলত ও মর্তবা সম্বন্ধে ছাহাবীদের মধ্যে পরস্পর এখতেলাফ রয়েছে । আমিরুল মু’মিনীন হযরত ওমর (রা) বলেন যে, এ দোয়া যে ব্যক্তি শ্রদ্ধাসহকারে পাঠ করবে তার ছয়শত বৎসরের আদায় করা নামাজ এর বরকতে আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যাবে । অনুরুপ হযরত ওসমান (রা) বলেছেন, সাতশত বৎসরর এবং হযরত আলী কাররাাল্লাহু ওয়াজহু বলেছেন, যদি এ দোয়া পাঠকারীর এক হাজার বৎরের নামাজ কাজা হয়ে থাকে তাও এ দোয়ার বরকতে আল্লাহ্ তা’আলার দরবারে কবুল হয়ে যাবে ।

যা হোক হযরত রাসূলে করীম (স) এর মহিমায় এ পবিত্র দোয়ার ফযীলত বর্ণনাকালে ছাহাবীগন প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল ! মানুষের এরুপ ছয়, সাতশত ও হাজার বৎসর (হায়াত) বয়স কোথায় ? যে এর নামাজ কবুল হবে ? তখন রাসূলুল্লাহ (স) বললেন যে, এ দোয়া পাঠকারীর বাপ, দাদা, পরদাদা ও আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের নাম কবুল হয়ে বৎসর পূরন করা হবে ।
সুবাহানাল্লাহ্ । (সূত্র : ছহীহ্ নূরাণী অজিফা শরীফ)

জেনে নিন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কবরের উপর খেজুরের ডাল পুঁতে ছিলেন কেন?

হযরত মুহম্মদ (সাঃ) একদিন দু‘টি কবরের শাস্তি জানতে পেরে একখানা খেজুরের ডাল দুই টুকরা করে দু’টি কবরে গেড়ে দেন। ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, আপনি এরূপ করলেন কেন? তিনি বললেন, হয়ত ডাল দু’টি শুকানো পর্যন্ত তাদের শাস্তি হালকা হয়ে থাকবে’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩৩৮)। কিন্তু তাদের এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ তাদের শাস্তি হালকা হয়েছিল রাসূল (ছাঃ)-এর বিশেষ সুপারিশের জন্য। কাঁচা ডালের জন্য নয়। যা ছহীহ মুসলিমে জাবের (রাঃ) বর্ণিত হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। কাজেই খেজুরের কাঁচা ডাল বা অন্য কোন কাঁচা ডাল গেড়ে কবরের শাস্তি হালকা হবে বলে ধারণা করা একেবারেই ভ্রান্ত।

কেননা যদি বিষয়টি তাই হত তাহলে তিনি ডালটি চিরে ফেলতেন না। কেননা তাতে তো ডালটি দ্রুত শুকিয়ে যাবার কথা। আসল কারণ ছিল ঐ কবর দু’টিকে ঐ ডাল দ্বারা চিহ্নিত করা যে, তিনি তাদের জন্য সুপারিশ করেছেন (আলবানী, মিশকাত ১/১১০ পৃঃ; দ্রঃ ছালাতুর রাসূল ২৪২ পৃঃ)।

জেনে নিন, নবীজির (সা) নূর হযরত আদম (আ)-এর পিঠে রেখে দেন-এটি কি সহিহ হাদিস?

মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নূরের সৃষ্টি বলে দাবীদার ভ্রষ্ট রেজভীরা তাদের পক্ষ হতে কতিপয় জাল ও মওজূ হাদিসপ্রদর্শন করিয়ে থাকে । যার মাধ্যমে তাদের দাবি মূলত কোনো ভাবেই স্বিদ্ধি লাভ করেনা। আমি তাদের সেসব জাল বর্ণনাগুলো ক্রমানুসারে উল্লেখ পূর্বক সেগুলোর জবাব দেয়ার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ।

রেজভিরা তাদের পক্ষ হতে নিচের জাল ও মওজূ হাদিসটি প্রদর্শন করিয়ে থাকে। যেমন –

“আসসীরাতুল হালাবিয়্যাহ” কিতাবে আছে

ﻭ ﻓﻲ ﺭﻭﺍﻳﺔ ﻟﻤﺎ ﺧﻠﻖ ﺍﻟﻠﻪ ﺁﺩﻡ ﺟﻌﻞ ﺫﺍﻟﻚ ﺍﻟﻨﻮﺭ ﻓﻲ ﻇﻬﺮﻩ. ﺍﻟﺴﻴﺮﺓ ﺍﻟﺤﻠﺒﻴﺔ

অর্থাৎ যখন আল্লাহ তায়ালা আদম আঃ -কে সৃষ্টি করেছেন তখন হুজুর সাঃ এর নূর তাঁর পিঠে রেখে দেয়া হয়েছে।

আপনি যদি ভাল করে বর্ণনটির অর্থের প্রতি লক্ষ্য করেন তাহলে বিদয়াতীদের দাবীর সাথে উক্ত বর্ণনাটি কতটা অসামঞ্জস্য তা পরিস্কার উপলব্ধি করতে পারবেন।

কারণ, বর্ণনাটির বক্তব্য হল, নবীজির সাঃ নূর মুবারক হযরত আদমের আঃ পিঠে রেখে দেয়া হয়েছে।’

এ বর্ণনাটি যদিও বিশুদ্ধ সূত্রে হাদিসের কোনো কিতাবে উল্লেখ নাই, তথাপি একে সহীহ ধরে নেয়া হলেও বিপত্তি বাধার কথা নয়।

কারণ, সেখানে নূর শব্দের সুস্পষ্ট কোনো অর্থ উল্লেখ নেই।

কাজেই মুহাক্কিক উলামাদের ব্যাখ্যার আশ্রয় নিয়ে বলা যায় যে, এ নূরে মুহাম্মদী থেকে উদ্দেশ্য হল ‘রূহে মুহাম্মদী’। তাহলে আর কোনো সমস্যা থাকেনা। যার ফলে নবীজিকে সাঃ নূরের তৈরি বলার যে উদ্ভট প্রয়াস লক্ষ্য করা যাচ্ছে তারও পুণঃবৃত্তি ঘটবে না।

আদম আঃ এর পিঠে রক্ষিত নূরে মুহাম্মদী থেকে ‘রূহে মুহাম্মদী’ উদ্দেশ্য নেয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনো ব্যাখ্যা বিবেকগ্রাহ্য ও ন্যায় সঙ্গত নয়। কারণ, মাতৃগর্ভ হল মানবজাতির দেহের উৎস। তার পূর্বে কেবলমাত্র তাদের রূহগুলোই “রূহের জগতে” বিদ্যমান ছিল আর দেহগুলো সৃষ্টি হয়েছে পরে।
নবীজি সাঃ উনিও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নন।

√ রূপকার্থে রূহকেও নুর বলা যায়। তার দলিল-

আল্লামা কাসতালানী রহঃ তিনি স্বীয় কিতাব “মাওয়াহিবে লাদূনিয়া”র ৮ম পৃষ্ঠায় নূরে মুহাম্মদীর বর্ণনা দিতে গিয়ে লিখেছেন

ﺍﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻲ ﻟﻤﺎ ﺧﻠﻖ ﻧﻮﺭ ﻧﺒﻲ ﻣﺤﻤﺪ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺍﻣﺮﻩ ﺍﻥ ﻳﻨﻈﺮ ﺍﻟﻲ ﺍﻧﻮﺍﺭ ﺍﻻﻧﺒﻴﺎﺀ. ﻣﻮﺍﻫﺐ ﻟﺪﻭﻧﻴﺔ
٨

অর্থাৎ “আল্লাহ তায়ালা যখন নূরে মুহাম্মদী সৃষ্টি করলেন তখন তাকে আনওয়ারে আম্বিয়া (অন্যান্য সকল নবীর নূর মোবারক) -এর প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে বললেন।”

এখানে نور محمدي (নূরে মুহাম্মদী) থেকে অবশ্যই রূহে মুহাম্মদী উদ্দেশ্য। যদি এ কথা মানতে কাহারো দ্বিধা লাগে তাহলে তার নিকট আমার প্রশ্ন যে, “আনওয়ারে আম্বিয়া” থেকে আপনি কী উদ্দেশ্য নিবেন?

অথচ, তিনি বিশ্বনবী ক্ষেত্রে যেরূপ “নূর” শব্দ ব্যবহার করেছেন, সেরূপ সকল নবীদের ক্ষেত্রেও বহুবচন শব্দ
“আনওয়ার” ব্যবহার করেছেন।

√ রূহ মোবারককে রূপকার্থে নূর বলা যায়। তার অনেকগুলো দলিলের ভেতর নিম্নোক্ত দলিলটি অন্যতম।

১।
মোল্লা আলী কারী রহঃ (মৃত১০১৪ হিঃ) ঐ জাল হাদিসটির “নূর” -কে ‘রূহ’ অর্থে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

তাঁর ভাষায়:

ﻗﻮﻟﻪ ﺍﻭﻝ ﻣﺎ ﺧﻠﻖ ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭﻱ ﻭ ﻓﻲ ﺭﻭﺍﻳﺔ ﺭﻭﺣﻲ ﻫﻤﺎ ﻭﺍﺣﺪ ﻓﺎﻥ ﺍﻻﺭﻭﺍﺡ ﻧﻮﺭﺍﻧﻴﺔ ﺍﻱ ﺍﻭﻝ ﻣﺎ ﺧﻠﻖ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﻦ ﺍﻻﺭﻭﺍﺡ ﺭﻭﺣﻲ. ﻣﺮﻗﺎﺓ ﺷﺮﺡ ﻣﺸﻜﻮﺓ: ١ / ٢٩١

অর্থাৎ বর্ণনায় রয়েছে যে, আল্লাহপাক সর্বপ্রথম আমার নূর সৃষ্টি করেছেন। এভাবে অন্য আরেকটি বর্ণনায় রয়েছে যে, আল্লাহপাক সর্বপ্রথম আমার রূহ সৃষ্টি করেছেন। অতএব উভয় বর্ণনার মর্মার্থ একই। যেহেতু রূহই নূর। অর্থাৎ আল্লাহপাক সর্বপ্রথম আমার নূর তথা রূহ সৃষ্টি করেছেন।
{দেখুন, মেরকাত ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা নং ২৯১}।

২।
জগৎ বিখ্যাত শাইখুল ইসলাম আল্লামা ইবনে কাইয়্যুম আলজাওযিয়াহ রহঃ (মৃত৭৫১হিজরী) তাঁর সুবিখ্যাত কিতাব “রূহ” গ্রন্থের ২০৬ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন

ﻭﻗﺎﻝ ﺑﻌﻀﻬﻢ ﺍﻻﺭﻭﺍﺡ ﻧﻮﺭ ﻣﻦ ﺍﻧﻮﺍﺭ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻲ. ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺮﻭﺡ ٢٠٦

অর্থাৎ ‘মুহাদ্দিসগণের অনেকে রূহ সমূহকে আল্লাহ তায়ালার নূর বলে আখ্যায়িত করেছেন।’

কাজেই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে পারি যে,
নূরে মুহাম্মদী অর্থ রূহে মুহাম্মদী তথা মুহাম্মদ
সাঃ এর রূহ মোবারক।

নূরের উপরোক্ত বর্ণনাটিকে এভাবে ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে সকল প্রকারের বিদয়াত ও শিরিকি আকিদা বিশ্বাস রদ করা সম্ভব।

সব চেয়ে মজার ব্যাপার হল, হাদিস বিশারদগণ একেও ভিত্তিহীন এবং মানুষের
মনগড়া বর্ণনা বলে আখ্যায়িত করিয়াছেন।

ইবনে তাইমিয়া রহঃ, ইমান যাহাবী ও ইবনে কাসির রহঃ সহ অনেকে এরূপ মত ব্যক্ত করেছেন।

(বিস্তারিত তানযিহুশ শারিয়াতুল মারফূ’আ ২৭৩।)

জেনে নিন, কে ছিলেন নবীজির জানাজার ইমাম?

অন্তিম সময়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম!
জগতের প্রকৃত নিতান্ত সত্য কথাটি হল মৃত্যুনামক সৃষ্টি। জন্মিলে মরিতে হবেই। তবে সব মৃত্যু একই নহে। প্রকৃতির চিরাচরিত নিয়মের ভিতরে কিছু ব্যতিক্রমী হয় বিভিন্ন সময়ে এবংবিভিন্নভাবে। এ নশ্বর জগতের প্রথম মানুষ ও নবী হযরত আদম (আ.) হতে সর্বশেষ ও সর্বশেষ নবীও রাসুল বিশ্ব জগতের মুক্তির দিশারী হুজুর পুরনুর সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসল্লামসহ সকল নবী-রাসুল ইহজগত হতে পর্দা করেছেন। আহলে সুন্নাতের বিশ্বাস প্রত্যেক নবী রাসুলগন পরজগতে জীবিত আছেন। শুধুমাত্র লোকচক্ষুর অন্তরাল হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে আমাদের প্রিয় নবীজি বলেছেন, আমার জীবিত ও আমার মৃত্যুর আমার উম্মতের জন্য কল্যাণকর। তোমাদের আমলসমূহ আমার নিকট পেশ করা হয় যদি তা সুন্দর হয় আমি আল্লাহর প্রশংসা করি। আর তা যদি হয় অসুন্দর ও মন্দ আমি আল্লাহর দরবারে তোমাদের গুনাহ সমূহ মার্জনা চাহি। (হাছায়েছে কুবরা)।

বুখারী ও মুসলিম শরীফে আছে, হযরত আয়শা (রা.) হতে বর্নিত,তিনি বলেন প্রায়ই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম বলতেন, যতক্ষন জান্নাতের কোন কক্ষে অবস্থান হবে তা নাদেখা পর্যন্ত আল্লাহপাক তাদের পবিত্র রূহ মোবারক কবজ করেননা।হযরত আবদুল্লাহ (রা.) বলেন,রাসুলের অন্তিম শয্যায় আমি হুজরায় প্রবেশ করলাম এবংআমি আমার নবী প্রচন্ড জড়ের বেগে কাতরাতে দেখলাম।আমি বললাম,হে আল্লাহর রাসুল আপনি খুব কাতরাচ্ছেন রাসুল (সা.) বললেন হা দুজন লোক যেভাবে কাতরায় আমিও সেভাবে কাতরাচ্ছি।আমি বললাম তাহলেতো আপনার জন্য প্রতিদান দুটি। রাসুল (সা.) বললেল দুটি।রাসুল আরো বললেন, কোন মুসলিম কোন জড়া,জীর্নতা ও অসুস্থ হয় অথবা এরছেয়ে বেশী কিছু তখন তদ্বারা আল্লাহ পাক সমস্ত পাপ মার্জনা করে দেন। যেভাবে গাছ হতে পাতা ঝড়ে পড়ে।(বুখারী শরীফ)। হযরত আয়শা (রা.) বর্ননা করেন,রাসুল (সা.) অসুস্থতা যখন বৃদ্ধি পেল ফাতেমো (রা.) ডাকার জন্য ডাকলেন। অত:পর ডাকা হল।

আমার নবীজি ফাতেমার কানে কিছু একটা বলার সাথেই ফাতেমা কেদে উঠলেন। আবার কাছে ডেকে কানে কিছু বললেন ফাতেমা হেসে উঠলেন। আমি ফাতেমার কাছ থেকে এ ঘঠনার রহস্য জানতে চাহিলাম। মা ফাতেমা বললেন, প্রথমে আমার কানে নবীজি বলেছেন তিনি এজগত ছেড়ে চলে যাবেন তাই আমি কেদেছি। পরক্ষনে তিনি আমাকে বললেন, আমার পরিবার বর্গ হতে সর্বপ্রথম তুমিই আমার সাথে সাক্ষাত করবে তাই আমি হাসলাম। (বুখারী) । বায়হাকী শরীফে রয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) এর ওফাতের তিনদিন পূর্ব পর্যন্ত হযরত জিব্রাইল (আ.) এসেছেন। অতপর বলেন, হে মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহ পাক আমাদের প্রেরণ করেছেন আপনার তাজীম ও বিশেষ সন্মানার্থে বিশেষত: কীভাবে আপনাকে অন্তিম সময়ে পাব? রাসুল (সা.) বললেন, আমাকে তুমি খুবই উম্মতের চিন্তিত অবস্থায় পাবে। এভাবে পরপর দুদিন জিব্রাইল (আ.) এসেছেন এবং এরূপ প্রশ্নোত্তর হল।তৃতীয় দিবসে জিব্রাইল (আ.) মউতের ফেরেস্তাসহ আসল। উভয়ের সাথে একজন ফেরেস্তা আসল নাম ইসমাঈল। এ ফেরেস্তা শুন্যতে বসবাস করে এবং আসমানে-পৃথিবীতে কখনো আরোহন করেনি।

উক্ত ফেরেস্তাটি আয়ত্বে সত্তর হাজার ফেরেস্তা আর প্রতিফেরেস্তার সাথে সত্তর হাজার ফেরেস্তা ছিল। সবার অগ্রভাগে জিব্রাইল (আ.) ছিল। অতপর মউতের ফেরেস্তা রাসুলের ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাইল। জিব্রাইল আ. বললেন, এ হল মউতের ফেরেস্তা আপনার কাছে অনুমতি চাচ্ছে যা আর কোন মানুষের নিকট চাহে নাই। পরবর্তীতেও কারো নিকট চাইবেনা। রাসুলে পাক (সা.) তাকে অনুমতি দাও এবং তিনি রাসুলের সামনে বসে বললেন, আমাকে আমার প্রতিপালক আপনার নিকট প্রেরণ করেছেন এবং আমাকে আদেশ দিয়েছেন যে, আমি যেন আপনার আদেশের অনুসরণ করি। আপনি যদি আমাকে আদেশ দেন আমি আপনার রূহ মোবারক কবজ করব নাহলে নয়। রাসুল পাক (সা.) বললেন হে মালাকুল মাউত তুমি কি এভাবে কাজটি করবে? ফেরেস্তা বলল, হা আমাকে এভাবেই আদেশ প্রদান করা হয়েছে। জিব্রাইল (আ.) বললেন, আপনার রব আপনার অপেক্ষাতে রয়েছেন। রাসুল বললেন, হে মালাকুল মউত তোমাকে যা আদেশ করা হয়েছে তা বাস্তবায়ন কর। জিব্রাইল (আ.) এ সাক্ষাত. পৃথিবীতে আপনার সাথে আমার শেষ দেখা।অত:পর রাসুল (সা.) ওফাত বরণ করলেন।যখন রাসুল (সা.) ক্ষেত্রে তা ঘঠল উনার ছের মোবারক আমার ক্রোড়ে ছিল। হঠাৰ দেখলাম নবীজির চক্ষুদয় ঘরের ছাদের দিকে দৃষ্টি নিবন্ধ করে বলতে লাগলেন সুমহান বন্ধু,সুমহান বন্ধু। হযরত আনাস (রা.) হতে ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেন তিনি বলেন, যখন রাসুলে পাক (সা.)এর শেষ সময় উপনীত হল সর্বশেষ নসীহত হল সালাতবা নামাজ । হযরত আয়শা (রা.) বর্ননা করেন, রাসুল (সা.) দিবা-রাত্রির মিলন স্থলে ওফাত বরণ করেন। যখন রূহ মোবারক বের হল, এমন এক সুগন্ধ পেলাম যা পৃথিবীতে আগে কখনো পাইনি।হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্নিত, হযরত আবু বকর (রা.) রাসুলের ইন্তেকালের পর বের হলেন এদিকে হযরত উমর ফারুক (রা.) জনসাধারণের সাথে কথা বলছেন। হযরত আবু বকর (রা.) বললেন ওহে উমর আপনি বসুন। হযরত উমর (রা.) বসতে অপরগতা প্রকাশ করলেন। লোকেরা হযরত উমর কে ছেড়ে হযরত আবু বকর (রা.)এর কাছে আসল এবং হযরত আবু বকর (রা.) বললেন, আপনারা যদি আপনারা কে নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ইবাদত করেন নিশ্চয় তিনি ইন্তেকাল করেছেন।

আর কে আল্লাহর ইবাদত করেন নিশ্চয় আল্লাহ চিরঞ্জীব ইন্তেকাল করেন না। ইবনে মাজা শরীফে আবু নাঈম থেকে বায়হাকী শরীফে বরীদাহ থেকে বর্ণনা করেন, যখন রাসুল পাক(সা.) কে গোসল শরীফ দেয়ার জন্য নিলেন আসমান হতে আওয়াজ আসল তোমরা রাসুল (সা.) এর জামা মোবারক গোসল দেয়ার সময় খুলনা। হযরত আলী (রা.) বলেন, আমি রাসুলে পাক (সা.) গোসল মোবরক দেয়ার সময় কোন মৃত মানুষের মত আমার নবীজিকে দেখিনি। হযরত ইবনে আববাস (রা.) বর্ননা করেন তিনি বলেন, যখন রাসুল (সা.) ইন্তেকাল করেন সর্বপ্রথম পুরুষেরা ঘরে প্রবেশ করে জানাযার নামাজ আদায় করেন। কোন ইমাম ব্যতীত প্রত্যেকে স্ব স্ব নামাজ পড়েন। পুরুষের পরেমহিলারা ঘরে প্রবেশ করে নামাজ পড়েন অতপর শিশুরা এবং ক্রীতদাসরা।

কেউ রাসুল (সা.) এর নামাজে জানাযায় ইমামতি করেনি। বায়হাকী শরীফে আছে, হযরত ইবনে আববাস (রা.) হতে বর্ননাকরেন, প্রথমে রাসুলের (সা.) দাফন মোবরক সম্পর্কে মতপার্থক্য হয়। কেউ বলল মাসজিদে নববীতে দাফন কর আবার কেউ বলল জান্নাতুল বাকীতে কর। হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) বললেন, আমি রাসুল (সা.) হতে বলতে শুনেছি প্রত্যেক নবী যে জায়গায় ইন্তেকাল করেন এতেইদাফন করা হয়েছে অতপর উক্ত জায়গাতেই কবর শরীফ খনন করা হয়। হযরত আয়শা (রা) বর্ণনা করেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম তিনটি চাদ আমার ঘরে পড়ল অতপর আমি হযরত আবু বকর (রা.) হতে স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি বললেন,তোমার ঘরে তিনজন দাফন হবে যারা যমীনবাসীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ। যখন রাসুল (সা.) দাফন হলেন হযরত আবু বকর (রা.) বললেন, এই হল তোমার শ্রেষ্ঠ চন্দ্র। বর্তমানে আমার নবীজি রওজা শরীফ হযরত আয়শা সিদ্দীকা (রা.) ঘরে যেখানে আমার নবি আল্লাহ পাকের অনন্ত দীদারে লিপ্ত হলেন। রেখে বিশাল কর্মময় বর্ণাঢ্য জীবন । আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে আমার নবীর আদর্শ, পথ ও মতে চলার তওফিক দান করুন আমিন।লেখক: সিনিয়র শিক্ষক:বিনাজুরী নবীন স্কুল এণ্ড কলেজ,খতিব: বদুমুন্সিপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ।

জোকস অব দ্যা ইয়ার, গাঁজা খেয়ে তিন ঘণ্টা ঘুরিয়েছিল

জঙ্গলে এক চিতাবাঘ সিগারেট খাচ্ছিল। এক ইঁদুর এসে বলল-
ইঁদুর : ভাই নেশা ছেড়ে দাও। আমার সাথে এসো, দেখো জঙ্গল কত সুন্দর।

চিতাবাঘ ইঁদুরের সাথে যেতে থাকল। সামনে হাতি ড্রাগ নিচ্ছিল। ইঁদুর হাতিকেও একই কথা বলল। এরপর হাতিও ওদের সাথে চলতে শুরু করল।

কিছুদূর এগিয়ে তারা দেখল বাঘ হুইস্কি খাচ্ছে। ইঁদুর তাকেও একই কথা বলার সাথে সাথে বাঘ হুইস্কির
গ্লাস রেখে ইঁদুরকে কষে এক থাপ্পড় দিল। হাতি তো অবাক-
হাতি : বেচারাকে মারলেন কেন?
বাঘ : এই বেটা কালকেও গাঁজা খেয়ে আমাকে জঙ্গলে তিন ঘণ্টা ঘুরিয়েছিল।

আজকের জোকস : চুষে আবার রেখে দেই

এক দোকানদার বাড়িতে খেতে গেছে। তার ছোট্ট মেয়েটি দোকান পাহারা দিচ্ছে। এমন সময় এক খদ্দের এলো-

খদ্দের : এই যে খুকি, এখানে যে এতো লজেন্স আছে- তোমার খেতে ইচ্ছা করে না?

মেয়ে : খেতে তো ইচ্ছা করে, কিন্তু গুনতিতে কম হলে বাবা বকবে।

খদ্দের : তার মানে তুমি চুরি করে লজেন্স খাওনা তাই তো?

মেয়ে : না খাই, তবে গুনতিতে যাতে কম না হয়, তাই চুষে আবার রেখে দেই।