এবার আসছে অস্থির মজার জোকস, ডিজিটাল ছায়াছবি কবুল বলিস না

স্বামী টিভি দেখছিল। হঠাৎ চিৎকার করে উঠল-
স্বামী : কবুল বলিস না! কবুল বলিস না! কবুল বলিস না!

রান্নাঘর থেকে স্ত্রী জিজ্ঞেস করলো-
স্ত্রী : টিভিতে কী দেখছো?
স্বামী : আমাদের বিয়ের ভিডিও।

ডিজিটাল বাংলাদেশের কয়েকটি আগাম পূর্ণদৈর্ঘ্য ডিজিটাল ছায়াছবির নাম-
• কুদ্দুস কেন হ্যাকার?
• দুই পিসি এক কি-বোর্ড।
• হ্যাকারের প্রেম!
• মাঝির ছেলে প্রোগ্রামার।
• মোবাইল করবি কি না বল?
• কোটি টাকার ল্যাপটপ।
• তোমার পিসিতে আমার হার্ডডিস্ক!
• গিগাবাইট পাবি কই?
• এক টাকার পিসি।
• পিসি বড় না কি ল্যাপটপ বড়?
• ভাইরাস তাড়া।

জেনে নিন, ৭২ দলের পরিচিতি ও মুক্তি প্রাপ্ত দল কোনটি ও আমাদের করনীয়

রাসূল (সাঃ) মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পরিচয় প্রসঙ্গে অন্য হাদীসে বলেন,
ﻣﺎ ﺍﻧﺎ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺃﺻﺤﺎﺑﻰ . ‘

(মুক্তিপ্রাপ্ত দল) হচ্ছে আমি ও আমার সাহাবীগণ যে পথের উপর আছি’ [সহীহ তিরমিযী হা/২১২৯; সিলসিলা সহীহাহ হা/১৩৪৮; হাকেম ১/১২৯; আহমাদ বিন হাম্বল, সুন্নাতের মূলনীতি, বাংলায় ইসলাম, (ইংল্যান্ড দ্বিতীয় সংস্করণ, এপ্রিল ২০০২), পৃঃ ২৪]।

অন্য বর্ণনায় এসেছে,
ﺳَﺘَﻔْﺘَﺮِﻕُ ﺃُﻣَّﺘِﻲْ ﻋَﻠَﻰ ﺛَﻼَﺙٍ ﻭَّﺳَﺒْﻌِﻴْﻦَ ﻣِﻠَّﺔً ﻛُﻠُّﻬُﻢْ ﻓِﻲ ﺍﻟﻨَّﺎﺭِ ﺇِﻻَّ ﻭَﺍﺣِﺪَﺓً ﻗِﻴْﻞَ َﻣَﻦْ ﻫُﻢْ ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬِﻳْﻦَ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺃَﺻْﺤَﺎﺑِﻲْ-

‘আমার উম্মত তিয়াত্তর দলে বিভক্ত হবে। একটি দল ছাড়া সবাই জাহান্নামে যাবে। জিজ্ঞেস করা হ’ল, তারা কারা হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! তিনি বললেন, ‘যারা আমার ও আমার ছাহাবীদের আদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত’। [তিরমিযী হা/২৬৪১; মিশকাত হা/১৭১ ‘কুরআন ও সুন্নাহ দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা’অনুচ্ছেদ; সিলসিলা সহীহাহ হা/১০৪৮]।

 

এই হাদীসেও রাসূল (সাঃ) মুক্তিপ্রাপ্ত কোন দলের নাম বলেননি; বরং বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন। রাসূল (সাঃ) কোন দলের নাম বললে সবাই সেই দলের অনুসারী বলে দাবী করত। এজন্য রাসূল (সাঃ) বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন, যাতে পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদীসের উপরে আমল করার মাধ্যমে রাসূল (সাঃ) – এর উদ্দীষ্ট দল তৈরী হয়। >>>> দল – দলের নাম দল/উপদলের সংখ্যা <<<< হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) তাঁর উপোল্লিখিত গ্রন্থে উক্ত নয়টি দল যে বাহাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছে সেগুলির নাম উল্লেখ করেছেন নিম্নোক্ত ভাবেঃ ১ম খারেজী ১৫ ২য় শিয়া ৩ দলে বিভক্তঃ (১) ১২ (২) ৬ (৩) ১৪ ৩য় মুতাজিলা ৬ ৪র্থ মুরজীয়া ১২ ৫ম মুশাব্বিয়া ৩ ৬ষ্ঠ জহমিয়া বা জবরিয়াহ ১ ৭ম জরারিয়াহ ১ ৮ম নজ্জারিয়অহ বা ছেফাতিয়াহ ১ ৯ম কালাবিয়াহ ১ মোট= ৭২ উপদল বা ফিরকা রাসূল (সাঃ) এর বানী কি সঠিক প্রমানিত হয়েছে…তাহলে এখন কি করতে হবে তার প্রমান ও কিন্তু উক্ত বর্ননায় এসেছে? >>>>

মুক্তিপ্রাপ্ত দলের বৈশিষ্ট্য ও সমাধান

<<<< হাদীসের আলোকে মুক্তিপ্রাপ্ত দলের বৈশিষ্ট্য হ’ল রাসূল (সাঃ) ও তাঁর সাহাবীগণ যে পথের অনুসারী ছিলেন সে পথের অনুসরণ করা। কুরআনের অসংখ্য আয়াতে আল্লাহর অনুসরণের পাশাপাশি রাসূলের অনুসরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ﻗُﻞْ ﺃَﻃِﻴْﻌُﻮﺍْ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﺍﻟﺮَّﺳُﻮْﻝَ ﻓﺈِﻥْ ﺗَﻮَﻟَّﻮْﺍ ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠﻪَ ﻻَ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮِﻳْﻦَ – ‘আপনি বলুন, তোমরা আল্লাহ ও রাসূলের অনুসরণ কর, যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে জেনে রাখ নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফিরদের ভালবাসেন না’ (আলে ইমরান ৩/৩২)। এছাড়াও সূরা নিসা ১৩-১৪, ৫৯, ৬০-৬১, ৭৯-৮০; মায়েদা ৯২; আনফাল ২৪, ৪৬; নহল ৪৪ ও নূর ৬৩ আয়াতে এ বিষয়ে আলোচনা এসেছে। রাসূল (সাঃ) ও বিভিন্ন হাদীসে তাঁর অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষত মতপ্রার্থক্যের সময় রাসূলের ও খুলাফায়ে রাশেদীনের অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ﻣَﻦْ ﻳَﻌِﺶْ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﻓَﺴَﻴَﺮَﻯ ﺍﺧْﺘِﻼَﻓًﺎ ﻛَﺜِﻴْﺮًﺍ ﻓَﻌَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﺑِﺴُﻨَّﺘِﻰْ ﻭَﺳُﻨَّﺔِ ﺍﻟْﺨُﻠَﻔَﺎﺀِ ﺍﻟﺮَّﺍﺷِﺪِﻳْﻦَ ﺍﻟْﻤَﻬْﺪِﻳِّﻴْﻦَ ﻋَﻀُّﻮْﺍ ﻋَﻠَﻴْﻬَﺎ ﺑِﺎﻟﻨَّﻮَﺍﺟِﺬِ ﻭَﺇِﻳَّﺎﻛُﻢْ ﻭَﻣُﺤْﺪَﺛَﺎﺕِ ﺍﻷُﻣُﻮْﺭِ ﻓَﺈِﻥَّ ﻛُﻞَّ ﺑِﺪْﻋَﺔٍ ﺿَﻼَﻟَﺔٌ – ‘তোমাদের মধ্যে থেকে যারা জীবিত থাকবে, তারা অচিরেই অনেক মতবিরোধ দেখতে পাবে। অতএব (মতভেদের সময়) আমার সুন্নাত এবং আমার হেদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাতের অনুসরণ করা হবে তোমাদের অপরিহার্য কর্তব্য। এ সুন্নাতকে খুব মযবুতভাবে মাড়ির দাঁত দিয়ে আঁকড়ে ধরে থাক। আর সমস্ত বিদ‘আত থেকে বিরত থাক। কেননা প্রত্যেকটি বিদ‘আতই গুমরাহী’। [আবূ দাউদ হা/৪৬০৭; তিরমিযী হা/২৬৭৬; ইবনু মাজাহ হা/৪২৪৪; আহমাদ হা/১৬৬৯৪; ইবনু খুযায়মা, ‘জুমআ অধ্যায় হা/১৭৮৫; মিশকাত হা/১৬৫; রিয়াযুস সালেহীন – হা/১৫৭]। >>>> মতবিরোধ দেখা দিলে করনীয় কি <<<<

এখানে লক্ষ্যণীয় যে, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যখন মতবিরোধ দেখা দিবে তখন তোমরা আমার সুন্নাতের অনুসরণ করবে। আর আমার সাহাবীগণ আমাকে যেভাবে অনুসরণ করছে, যেভাবে আমল করছে, যে আক্বীদা পোষণ করছে, তোমরা সেভাবেই আমার অনুসরণ করবে। সাথে সাথে ইসলামের নামে নব আবিষ্কৃত বস্ত্ত থেকে দূরে থাকবে। আজকের দিনে এই মতবিরোধপূর্ণ সমাজে যদি আমরা রাসূল (সাঃ)-এর অনুসারী হ’তে পারি এবং সাহাবীগণ যেভাবে কুরআন ও হাদীসকে বুঝেছেন ও আমল করেছেন সেভাবে বুঝতে ও আমল করতে পারি, তাহ’লেই আমাদের মধ্যে ঐক্য সম্ভব। একটি বিষয় স্মর্তব্য যে, রাসূল (সাঃ)-এর মৃত্যুর পূর্বেই ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং ইসলামের মধ্যে কম-বেশী করার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। বিদায় হজ্জের দিন আল্লাহ নাযিল করলেন, ﺍﻟْﻴَﻮْﻡَ ﺃَﻛْﻤَﻠْﺖُ ﻟَﻜُﻢْ ﺩِﻳْﻨَﻜُﻢْ ﻭَﺃَﺗْﻤَﻤْﺖُ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﻧِﻌْﻤَﺘِﻲْ ﻭَﺭَﺿِﻴْﺖُ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻹِﺳْﻼَﻡَ ﺩِﻳْﻨًﺎ ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসাবে মনোনীত করলাম’ (মায়েদা ৫/৩)। অন্যত্র আল্লাহ বলেন, ﻭَﻣَﻦْ ﻳََّﺒْﺘَﻎِ ﻏَﻴْﺮَ ﺍﻹِﺳْﻼَﻡِ ﺩِﻳْﻨﺎً ﻓَﻠَﻦْ ﻳُّﻘْﺒَﻞَ ﻣِﻨْﻪُ ﻭَﻫُﻮَ ﻓِﻲ ﺍﻵﺧِﺮَﺓِ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺨَﺎﺳِﺮِﻳْﻦَ ‘কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোন দ্বীন গ্রহণ করতে চাইলে তা কখনও গ্রহণযোগ্য হবে না এবং ক্বিয়ামতের দিন সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে’(আলে ইমরান ৩/৮৫)। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ইহুদী-নাসারাদের মত মুসলমান নামধারী একদল লোক কুরআনকে পরিবর্তন করতে না পারলেও কুরআনের অপব্যাখ্যা করছে। রাসূলের নামে অসংখ্য জাল হাদীস তৈরী করেছে। কিন্তু আল্লাহর কিছু বান্দা তাদের চক্রান্তের মোকাবিলায় হাদীস বাছাই করে আমাদের সামনে সহীহ হাদীসগুলি তুলে ধরেছেন। আমাদের উচিত কুরআনের সঠিক ব্যাখ্যা ও সহীহ হাদীস গ্রহণ করা। তাহ’লে আমাদের মাঝে মতভেদ মতপার্থক্য থাকবে না। আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে সত্য বুঝার তৌফিক দান করুন, আমীন।

পবিত্র কোরআন শরীফে কোন নবীর নাম কতবার উল্লেখ করা হয়েছে জেনে নিন।

হজরত আবু জর গিফারি রাযিয়াল্লাহু আনহু প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! নবীদের সংখ্যা কত? তিনি জবাব দিলেন, ১ লাখ ২৪ হাজার। তাদের মধ্যে ৩১৫ জন হচ্ছেন রাসূল।

তবে কোরআনে কারিমে মাত্র ২৫ জন নবীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের কারও কারও আলোচনা বিভিন্ন সূরায় একাধিক জায়গায় স্থান পেয়েছে। আবার কারও কারও নামে সূরার নামকরণ করা হয়েছে। এর সংখ্যা মাত্র ৫টি।

কোরআনে কারিম যেহেতু হেদায়েতের বাণী ও উপদেশগ্রন্থ, তাই অতীতকালের জাতি ও সম্প্রদায়ের ঘটনাবলি, তাদের ভালো-মন্দ আমল ও তার পরিণতি বর্ণনার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ধারা বর্ণনাপদ্ধতি অবলম্বন করা হয়নি। বরং সত্য প্রচারের লক্ষ্যে দাওয়াত প্রদানের মুখ্যতম পন্থাই গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে প্রাচীনকালের সম্প্রদায় ও তাদের প্রতি প্রেরিত পয়গম্বরদের আলোচনা বারবার শ্রবণ করার ফলে শ্রোতাদের অন্তরে দৃঢ়ভাবে গেঁথে যেতে পারে এবং তা শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে বেশ উপযোগীও বটে। কোরআনে কারিমে বর্ণিত ২৫ জন নবীর নাম হলো-

১. হজরত আদম আলাইহিস সালাম। মোট ৯টি সূরার ২৫ জায়গায় তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি সর্বপ্রথম মানুষ ও নবী ছিলেন।

২. হজরত ইদরিস আলাইহিস সালাম। কোরআনের দু’টি সূরায় দু’বার উল্লেখ হয়েছে তার নাম। তিনি সর্বপ্রথম কলম দ্বারা লিখেছেন। আল্লাহতায়ালা তাকে সিদ্দিক হিসেবে কোরআনে আখ্যা দিয়েছেন এবং তিনি সর্বপ্রথম কাপড় সেলাই করে পরিধান করা শুরু করেন।

৩. হজরত নুহ আলাইহিস সালাম। ২৮টি সূরায় ৪৩ বার উল্লেখ করা হয়েছে এই নবীর নাম। তিনি নিজ জাতিকে সাড়ে ৯শ’ বছর দাওয়াত দিয়েছেন। তার ছেলে কেনানকে কুফরির কারণে আল্লাহতায়ালা মহাপ্লাবনে ডুবিয়ে মেরেছিলেন।

৪. হজরত হুদ আলাইহিস সালামের নাম তিনটি সূরায় সাতবার উল্লেখিত হয়েছে। তাকে আদ জাতির নিকট প্রেরণ করা হয়েছিল। নূহ (আ.)-এর সম্প্রদায়কে প্লাবন দ্বারা ধ্বংস করার পর সর্বপ্রথম তার সম্প্রদায়ের লোকেরা মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয় এবং আল্লাহ তাদেরকে প্রচন্ড ঝড় দ্বারা ধ্বংস করে দেন।

৫. হজরত সালেহ আলাইহিস সালামের নাম চারটি সূরায় ৯ স্থানে উল্লেখ আছে। তাকে ছামূদ জাতির নিকট প্রেরণ করা হয়। সালেহ (আ.)-এর মুজেযা ছিল উটনি।

৬. হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের নাম ২৫ সূরায় ৬৯ বার উল্লেখ হয়েছে। তিনি ইরাকে জন্মগ্রহণ করেন ও ফিলিস্তিনে বসতি স্থাপন করেন। পরে আল্লাহতায়ালার হুকুমে স্ত্রী ও শিশু সন্তান ইসমাঈলকে জনমানবহীন মক্কায় রেখে আসেন।

হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে আবুল আম্বিয়া বা নবীদের পিতা বলা হয়। তিনি ছেলে ইসমাঈলকে সঙ্গে নিয়ে কাবা ঘর নির্মাণ করেন ও সর্বপ্রথম মানুষকে বায়তুল্লাহর হজ করার জন্য আহবান করেন।

৭. হজরত লুত আলাইহিস সালাম। চৌদ্দটি সূরায় ২৭ বার উল্লেখ করা হয়েছে তার নাম। তার স্ত্রী কাফের ছিল। তার সম্প্রদায়ের লোকেরা সমকামিতার মতো পাপে লিপ্ত ছিলো। ফলে আল্লাহতায়ালা তাদের কঠোর শাস্তি প্রদান করেন।

৮. হজরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম। আট সূরায় ১২ জায়গায় উল্লেখ হয়েছে এই নবীর নাম। জন্মের পূর্বেই তাকে বিজ্ঞ বলে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছিল।

৯. হজরত ইসহাক আলাইহিস সালাম। কোরআনের ১২টি সূরায় মোট ১৭ বার আলোচিত হয়েছে তার নাম। তিনি ও ইসমাঈল (আ.) সম্পর্কে ভাই ছিলেন।

১০. হজরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম। ১০টি সূরায় ১৬ বার আলোচিত হয়েছে তার নাম। তার আরেক নাম হলো- ইসরাইল। তার নামানুসারে বনী ইসরাঈল সম্প্রদায়ের নামকরণ করা হয়েছে।

১১. হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম। তিনটি সূরায় ২৭ বার উল্লেখ হয়েছে তার নাম। এ ছাড়া সূরা ইউসুফ নামে হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালামের ঘটনা সম্বলিত একটি স্বতন্ত্র সূরা রয়েছে কোরআনে। তিনি নিজে নবী ছিলেন এবং তার পিতা ইয়াকুব (আ.), তার দাদা ইসহাক (আ.) ও পরদাদা ইবরাহীম (আ) নবী ছিলেন।

১২. হজরত শোয়াইব আলাইহিস সালাম। চার সূরায় ১১ বার উল্লেখ করা হয়েছে তার নাম। তার সম্প্রদায়ের লোকেরা মাপে বা ওজনে কম দেওয়ার প্রেক্ষিতে আজাবপ্রাপ্ত হয়েছিল।

১৩. হজরত আইয়ুব আলাইহিস সালাম। চারটি সূরার চার জায়গায় আলোচিত হয়েছে তার নাম। আল্লাহতায়ালা তাকে দীর্ঘকাল কঠিন অসুখ দিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন। কিন্তু তিনি ধৈর্যধারণ করে ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।

১৪. হজরত যুলকিফল আলাইহিস সালাম। দু‍’টি সূরায় দু’বার আলোচিত হয়েছে তার নাম।

১৫. হজরত মুসা আলাইহিস সালাম। পবিত্র কোরআনে সবচেয়ে বেশি বার তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ৩৪টি সূরায় ১৩৭ বার আলোচিত হয়েছেন তিনি। বনী ইসরাঈলের প্রথম নবী ছিলেন তিনি। জন্মের পর মুসা আলাইহিস সালামকে তার মা বাক্সে ভরে নীল নদে ভাসিয়ে দেন। আল্লাহর কুদরত হিসেবে পরে তিনি জালেম বাদশা ফেরাউনের বাড়ীতে লালিত-পালিত হন। নবী মূসাকে আল্লাহতায়ালা অনেকগুলো মুজেযা দিয়েছিলেন। তন্মধ্যে একটি হলো- মূসা (আ.) তার হাতের লাঠি মাটিতে রেখে দিলে তা বিশাল বড় সাপে পরিণত হতো। পরে তিনি সেটা হাতে নিলে আবার লাঠি হয়ে যেত।

১৬. হজরত হারুন আলাইহিস সালাম। ১৩টি সূরায় ২০ বার আলোচিত হয়েছেন তিনি। তিনি নবী মূসা (আ.)-এর ভাই ছিলেন। বাগ্মীতার পারদর্শী ছিলেন তিনি।

১৭. হজরত দাউদ আলাইহিস সালাম। ৯টি সূরায় ১৬ বার উল্লেখ হয়েছে তার নাম। তিনি নিজে রোজগার করে সংসার চালাতেন। তাকে যাবুর কিতাব প্রদান করা হয়েছিল। তিনি একদিন রোজা রাখতেন, আরেকদিন রাখতেন না।

১৮. হজরত সোলায়মান আলাইহিস সালাম। সাতটি সূরায় ১৭ বার উল্লেখ হয়েছে তার নাম। তিনি সারা পৃথিবীর বাদশাহ ছিলেন। পশু-পাখীদের ভাষা বুঝাসহ মুজেযাস্বরূপ বাতাস নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা পেয়েছিলেন তিনি।

১৯. হজরত ইলিয়াস আলাইহিস সালাম। দু’টি সূরায় তিনবার উল্লেখ করা হয়েছে তার নাম।

২০. হজরত ইয়াসা আলাইহিস সালাম। কোরআনে কারিমের দু’টি সূরায় দু’বার অালোচনা করা হয়েছে তার প্রসঙ্গ।

২১. হজরত ইউনুস আলাইহিস সালাম। দু’টি সূরায় দু’বার উল্লেখ হয়েছে তার নাম। তাকে মাছে গিলে ফেলেছিল। পরে তিনি দোয়া করার পর আল্লাহতায়ালা তাকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি নিনুওয়া এলাকার লোকদের নিকট প্রেরিত হয়েছিলেন। পূর্ববর্তী সমস্ত নবীর অধিকাংশ উম্মত তাদের সঙ্গে কুফরি করলেও ইউনুস (আ.)-এর সম্প্রদায়ের সবাই তার প্রতি ঈমান এনেছিলেন।

২২. হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম। চারটি সূরায় সাতবার উল্লেখ হয়েছে পেশায় কাঠুরে এই নবীর নাম।

২৩. হজরত ইয়াইয়া আলাইহিম সালাম। চারটি সূরায় পাঁচবার উল্লেখ হয়েছে তার প্রসঙ্গ। তাকে কিশোর অবস্থাতেই আল্লাহ জ্ঞানী করেছিলেন এবং তাকে তাওরাতের শিক্ষা দিয়েছিলেন।

২৪. হজরত ঈসা আলাইহি সালাম। ১১টি সূরায় ২৫ বার উল্লেখ হয়েছে তার প্রসঙ্গে। তিনি বনী ইসরাইল সম্প্রদায়ের সর্বশেষ নবী। তার আরেক নাম মাসিহ।

২৫. হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। চারটি সূরায় মাত্র চার জায়গায় তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য স্থানে তার গুণবাচক নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অথবা আইয়ুহান নবী কিংবা আইয়ুহার রাসূল বলে সম্বোধন করা হয়েছে। এটা বিশ্বনবীর সম্মান ও মর্যাদার পরিচয় বহন করে।

বাঙালির হাসির গল্প

পল্লীকবি জসীমউদ্দীন-

হাটে একটি প্রকাণ্ড বোয়াল মাছ উঠিয়াছে। এক ফকীর ভাবিল, এই বোয়াল মাছটার পেটি দিয়া যদি চারটি ভাত খাইতে পারিতাম! সে মাছের দোকানের কাছে দাঁড়াইয়া রহিল। একজন চাষী আসিয়া মাছটি কিনিয়া লইল।

মুসাফির তাহার পিছে পিছে যাইতে লাগিল। লোকটি যখন বাড়ির ধারে আসিয়াছে তখন মুসাফির তাহার নিকটে যাইয়া বলিল, ‘সাহেব! আমি মুসাফির লোক। ভিক্ষা করিয়া খাই। কোনোদিন ভালো খাওয়া হয় না। আজ হাটে যাইয়া যখন ঐ বড় মাছটি দেখিলাম, মনে বড় ইচ্ছা হইল এই মাছটির পেটি দিয়া যদি চারটি ভাত খাইতে পারিতাম! তাই আপনার পিছে পিছে আসিয়াছি। দয়া করিয়া যদি আমার মনের ইচ্ছা পূরণ করেন বড়ই সুখী হইব।’
লোকটি বড়ই দয়ালু। সে খুব আদর করিয়া মুসাফিরকে আনিয়া বৈঠকখানায় বসাইল। তারপর মাছটি ভিতরে লইয়া গিয়া তাহার বউকে মুসাফিরের সমস্ত ঘটনা বলিয়া হুকুম করিল, ‘এই মাছটির পেটি বেশ পুরু করিয়া কাটিবে। পেটিখানা মুসাফিরকে দিতে হইবে।’
এমন সময় লোকটির একটি গরু ছুটিয়া গেল। সে তাড়াতাড়ি গরুটির পিছে পিছে দৌড়াইল।
মাছ কুটিতে কুটিতে চাষীর বউ ভাবিল, ‘বাড়িতে ভালো কিছু খাবার পাক করিলে আমার স্বামী এমনি করিয়া মুসাফির লইয়া আসে। মুরগীর রানটা, মাছের পেটিটা সব সময়ই মুসাফিরদের দিয়া খাওয়ায়। এই বড় মাছের পেটিখানাও মুসাফিরকে খাওয়াইবে। যেমন করিয়াই হোক মুসাফিরকে আজ তাড়াইব।’
এই কথা ভাবিয়া বউটি খালি পাটার উপর পুতাখানা ঘষিতে আরম্ভ করিল আর সুর করিয়া কাঁদিতে লাগিল।
অনেকক্ষণ কান্না শুনিয়া মুসাফির ভাবিল, না জানি বউটির কি হইয়াছে। সে বাড়ির ভিতর আসিয়া জিজ্ঞাসা করিল, ‘মা জননী! তুমি কাঁদিতেছ কেন? তোমার কি হইয়াছে?’
বউটি বলিল, ‘বাবারে! সে কথা তোমাকে বলিবার নয়। আমার স্বামী মানা করিয়াছেন।’
মুসাফির বলিল, ‘মা! আমি তোমার ছেলে। আমার কাছে কোনো কথা গোপন করিও না।’
বউটি তখন আধেক কাঁদিয়া আধেক কাঁদিবার ভান করিয়া বলিল, ‘আমার স্বামী বাড়ির ভিতরে আসিয়া আমাকে বলিল, এই মুসাফির বড়ই লোভী। আমাদের পুতাখানা পাটায় ধার দিয়া চোখা করিয়া রাখ। মুসাফিরের গলার ভিতর দিয়া ঢুকাইয়া দিব। যাহাতে সে আর কাহারও মাছ দেখিয়া লোভ করিতে না পারে। তাই আমি কাঁদিতেছি। হায়! হায়! আমার স্বামী এই মোটা পুতা তোমার গলার ভিতরে ঢুকাইলে নিশ্চয় তুমি মরিয়া যাইবে, তাই আমি কাঁদিতেছি। কিন্তু স্বামীর হুকুম তো আমাকে মানিতেই হইবে।’
শুনিয়া মুসাফিরের তো চক্ষুস্থির। সে বলিল, ‘মা জননী! তুমি একটু আস্তে আস্তে পুতা ঘষ। আমি এখনই চলিয়া যাইতেছি।’ এই বলিয়া মুসাফির তাড়াতাড়ি লাঠি-বোঁচকা লইয়া দে চম্পট। এমন সময় বাড়ির কর্তা ফিরিয়া আসিয়া দেখে কাছারি ঘরে মুসাফির নাই। বউকে জিজ্ঞাসা করিল, ‘মুসাফির চলিয়া গেল কেন?’
বউ নথ নাড়িতে নাড়িতে বলিল, ‘তুমি বাড়ি হইতে চলিয়া গেলে মুসাফির বলে কি, ‘তোমাদের পুতাটা আমাকে দাও।’ দেখ তো, আমাদের একটা মাত্র পুতা। তা মুসাফিরকে দেই কেমন করিয়া? পুতা দেই নাই বলিয়া মুসাফির রাগিয়া চলিয়া গেল।’ স্বামী বলিল, ‘সামান্য পুতাটা দিলেই পারিতে। আমি না হয় বাজার হইতে আর একটি পুতা কিনিয়া আনিতাম। শিগ্গীর পুতাটা আমাকে দাও, আর মুসাফির কোন্ দিকে গিয়াছে বল!’
বউ পুতাটি স্বামীর হাতে দিয়া বলিল, ‘মুসাফির এই দিক দিয়া গিয়াছে।’ পুতাটি হাতে লইয়া সে সেই দিকে দৌড়াইয়া চলিল। খানিক যাইয়া দেখিল, মুসাফির অনেক দূর হন্ হন্ করিয়া চলিয়াছে। সে ডাকিয়া বলিতে লাগিল, ‘ও মুসাফির, দাঁড়াও—দাঁড়াও—পুতা লইয়া যাও।’ শুনিয়া মুসাফির উঠিয়া পড়িয়া দৌড়। চাষী যতই জোরে জোরে বলে, ‘ও মুসাফির! পুতা লইয়া যাও!—পুতা লইয়া যাও! মুসাফির আরও জোরে জোরে দৌড়ায়। সে ভাবে সত্যই চাষী তাহার গলায় পুতা ঢুকাইতে আসিতেছে। বোঁচকা-বুঁচকি বগলে ফেলিয়া সে মরিয়া হইয়া দৌড়ায়।

ছাত্র শিক্ষকের বেত্তমিজি জোকসঃ- ২

১.

ছাত্রীঃ স্যার দরজা জানালা বন্ধ
করে দিন!

স্যারঃ কেন?

ছাত্রীঃ আপনাকে একটা গোপন
জিনিস দেখাব!!!

স্যারঃ সত্যি??? (অবাক হয়ে)
ছাত্রীঃ হ্যাঁ, আগে সবকিছু বন্ধ
করে দিন
যাতে আলো না আশে !!

স্যারঃ তারপর?? আর?

ছাত্রীঃ আমার কাছে আসেন

স্যারঃ ওহ !! তারপর? আর
কি করবো বলো?
ছাত্রীঃ স্যার এবার দেখেন।
আমার ঘড়িতে
লাইট জ্বলে ! !

২. টিচার : “তিন সপ্তাহ ধরে তোমাকে ‘দেশপ্রেম’ রচনা লিখে আনতে বলছি…লিখে আনো নাই কেন?”
ছাত্র : “ম্যাডাম, যখনই লিখি আব্বু নিয়ে চলে যায় ।”
টিচার : “মানে ?”
ছাত্র : “আব্বুর নির্বাচনী ক্যাম্পেইনিং চলছে তো…!

৩. এক শিক্ষক ছাত্র কে বলছেন, বল তো বল্টু। মহাশুন্যে কি করা যায় না?

বল্টুঃ ফাসি দেওয়া যায় না.

৪.

নোয়াখালীর এক টিচারছাত্রদের পরাচ্ছে,
স্যার – বাচ্চারা difference মানে হইতেসে গিয়া ফাইরতক্ক ।
ছাত্র – স্যার এটা ফাইরতক্ক নাকি পার্থক্য ?

স্যার – আরে বাবা রা ফাইরতক্ক আর পার্থক্য এর মধ্যে কোন ফাইরতক্ক নাই ।

ছাত্র শিক্ষকের বেত্তমিজ জোকস, হাসি আটকে রাখতে পারবেন না।

১. স্যার : ইভটিজিং ও লাভ এর মাঝে পার্থক্য কি?
ছাত্র : মেয়েরা রাজি থাকলে লাভ, আর না থাকলে ইভটিজিং।
স্যার : তুমি কি ইভটিজিং কর?
ছাত্র : না, আপনার মেয়ে তো রাজিই !

২. পরীক্ষার হলে একজন শিক্ষক তার ছাত্রদের মনের আনন্দে দেখাদেখি করার জন্য সুযোগ দিয়ে পরীক্ষার শেষে সবাইকে বলে দিলো, “খবরদার আমি যে তোদের দেখাদেখি করতে দিয়েছি তা বাইরে কাউকে বলবি না ।
জবাবে এক ছাত্র বললো, স্যার আপনি কোন চিন্তাই কইরেন না, বাহির হইয়া সবাইরে কমু যে…..স্যার শালা বহুত হারামি আছিলো।
ঘাড়টাওঘুরাইতে দেয় নাই। নইলে পরীক্ষায় ভাল নাম্বার পাইতাম।

৩. মশা কয় প্রকার? একদিন একজন শিক্ষক ছাত্রকে পড়া জিজ্ঞেস করলেন-
শিক্ষকঃ বলোতো মশা কয় প্রকার?
ছাত্রঃ মশা আট প্রকার। …
শিক্ষকঃ মশা আবার আট প্রকার হয় কিভাবে ?
ছাত্রঃ ১. যে মশা গায়ে বসা মাত্রই কামড়ায় তাকে রাক্ষস মশা বলে।
২. যে মশা দিনের বেলায় কামড়ায় তাকে সন্ত্রাসী মশা বলে।
৩. যে মশা নাকের ভেতর ঢুকে কামড়ায় তাকে নমরুদী মশাবলে।
৪. যে মশা সুযোগ পেলেই কামড়ায় তাকে সুযোগসন্ধানী মশা বলে।
৫. যে মশা কানের কাছে এসে গান গায় তাকে গায়ক মশা বলে।
৬. যে মশাকে থাপ্পর দিলে ফাঁক দিয়ে চলে যায় তাকে গোল্লাছুট মশা বলে।
৭. যে মশা কামড় দিলে জ্বর হয় তাকে বিষাক্ত মশা বলে।
৮. যে মশা মশারির ভেতর ঢুকে কামড়ায় তাকে মূর্খমশা বলে।

৪. শিক্ষকঃ বল্টু, বল সন্ধি কাকে বলে???
বল্টুঃ স্যার, প্রথমটুকু পারি না, শেষেরটুকু পারি।
শিক্ষকঃ মনে মনে বলছেন (বল্টুর মতন খারাপ ছাত্র সন্ধি শেষের টুকু পারলেও ভাল) তাই তিনি বললেন বল শেষেরটুকুই বল।

বল্টুঃ স্যার, শেষেরটুকু হল..তাকে সন্ধি বলে ।

৫. পুরাতন জোকস কিন্তু মজা আছে।
মেডামঃ তিতুমির কে চিনো?
বল্টুঃ না মেডাম, চিনিনা।
মেডামঃ তোমার পড়াশুনায় মনোযোগ দেউ। তাহলেই চিনতে পারবে।
বল্টুঃ আপনি কি সুমি আন্টিকে চিনেন?
মেডামঃ না, চিনিনা…!
বল্টুঃ আপনার জামাইয়েরউপর মনোযোগ দেন । তাহলেই চিনতে পারবেন..!

বাংলা চুটকিঃ তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন?

১. শিক্ষক আর অভিভাবক এর মধ্যে কথপোকথন …
শিক্ষকঃ আপনার ছেলেকে ভদ্রতা শিখান!
অভিভাবকঃ কেন স্যার? কি হয়েছে?
শিক্ষকঃ রেজিষ্ট্রেশন ফরম-এর (Sex) কলামে আপনার ছেলে লিখেছে … ‘আরে সেক্স করার সৌভাগ্য এখনও আমার হয় নাই!! তাই হাত মাইরাই কাম চালাই!’
এইটা শুইনা অভিভাবক তো পুরা কনফিউসড্!! শিক্ষক তার ছেলেরে ভদ্রতা শিখাইতে কইলো নাকি সেক্স শিখাইতে কইলো?? ওরে লুল!

২. ইতিহাস ক্লাশে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন- ‘বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?’
নিশি : স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!
স্যার : কে বলেছে বইয়ে নেই! এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে- ১৫৪২-১৬০৫!
নিশি : ও! ওটা জন্ম- মৃত্যুর তারিখ! আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন?

৩. ইংরেজি ক্লাস শূরু হয়ে গেছে। ইংরেজি স্যার
বল্টুকে দেখে বললঃ বল্টু, ইউ আর লেট! হোয়াই ?
বল্টুঃ স্যার, আমাদের গাড়ি কাদার মধ্যে আটকে পড়েছিল।
স্যারঃ নো-নো, টেল মি ইন ইংলিশ।
বল্টুঃ স্যার, Our গাড়ি was পড়িং in কাদা। No নড়িং-চড়িং, only ভুম-ভুম sound করিং !!! স্যার বেহুঁশ

৪. শিক্ষকঃ বাতাস, নদী এবং পানি-এই তিনটির যে কোনো একটির ওপর ২০ লাইন রচনা লিখ।
.
.
.
.
ছাত্রঃ কী বলছেন স্যার! আমি তো কাগজের ওপর ছাড়া অন্য কিছুর ওপর লিখতে পারি না।

৫. ম্যাডামঃ সো সুইট!! কতো লক্ষ্মী একটা ছেলে তুমি!! আমি তো তোমাকে খুবই পছন্দ করি!!
বাচ্চাঃ তাহলে আমি আমার আম্মু আব্বুকে আপনার বাসাতে পাঠাই??
ম্যাডামঃ মানে!? বাসায় পাঠাবে মানে?? কেনো পাঠাবে??
বাচ্চাঃ মানে তারা যাতে আরও আলাপ আলোচনা করতে পারে!! এখুনি ঠিক করে ফেলা ভালো।। নইলে দেখা গেলো আপনি অন্যকাউকে আ জায়গা দিয়ে ফেললেন, আর আমার
তো তখন সর্বনাশ হয়ে যাবে!
ম্যাডামঃ কি সব আজেবাজে কথা বলছো ?
বাচ্চাঃপ্রাইভেটপড়ানোর জন্য ম্যাডাম! ম্যাডাম,

“আমাকে মিথ্যে বলে ও বাসায় নেয়, আমি জানতাম না বাসায় কেউ নেই” এর পর…

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানিয়েছেন নিজের সমস্যার কথা। “আমি স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করছি। আমার বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা একজন টিচার। আমরা তিন বোনের মধ্যে আমি মেঝ। ছোটবেলা থেকে আমার আব্বুর কাছে তার বিশ্ববিদ্যালয় জীবন এবং চাকরি জীবনের সাফল্যের গল্প শুনে আমি খুব অনুপ্রানিত হতাম।

১টি কথা বলে রাখি, আমি ছোটবেলা থেকে একটু শারিরীক ভাবে অসুস্থ থাকায় আমাকে আমার বাবা-মা কখনও পড়াশুনার জন্য চাপ দেয়নি, এমনকি আমার কোন ব্যাপারেই তারা জোর করেনি। ভুলটাকে হাতে ধরে শুধরে দিয়েছেন। আমার অন্য ২ বোনের তুলনায় আমার উপর প্রত্যাশার চাপটা কম থাকায় আমি মাঝে মাঝে মানসিকভাবে খারাপ বোধ করতাম।

অনেকটা বলা যায় যে নিজেকে আমার লাস্ট বেঞ্চের স্টুডেন্ট মনে হত আর সেখান থেকেই পড়াশুনাতে অনেকটা জেদের বশত আমার আগ্রহটা বেড়ে যায় এবং SSC, HSC তে আমি ডাবল গোল্ডেনসহ উত্তীর্ণ হই। এখানে আম্মুর অবদান সবচেয়ে বেশি যিনি তার জব,সংসার সবকিছুর পরেও আমাকে প্রতিদিন আপডেটেড সুবিধার ব্যবস্থাটা করে দিয়েছেন। আমি মফস্বল শহরে বড় হয়েছি এবং বলে রাখি আমি গার্লস স্কুল গার্লস কলেজে পড়েছি।

আমার HSC, এমনকি ভর্তি কোচিং এ কোন ছেলে বন্ধু ছিলনা, এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম এক বছরেও আমার কোন বয় ফ্রেন্ড (প্রেমিক) ছিলনা। এটা হয়নি আমার আম্মুর ভয়ে না, তার আদর্শে। কিন্তু, অনার্স ১ম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা শেষে হঠাৎ করে আমার ফোনে ১টা অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসে। প্রথমে আমি ছেলেটির সাথে ভদ্রভাবে কথা শেষ করে তাকে আর ফোন করতে নিষেধ করি। কিন্তু সে আমাকে ফোন করেই যায় এবং যেহেতু সে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করছিল না, তাই আমি রাফলি তাকে কিছু বলতেও পারিনি। আর তখন এ সময়ের মত স্মার্টফোন না থাকায় আমি আমার সাধারণ ফোনে তাকে ব্লকও করতে পারিনি।

এরকম কয়েকদিন যেতে যেতে আমি তাকে বললাম যে আপনার পরিচয় এবং আমার ফোন নং কে দিয়েছে সেটা না বললে আমি ফোন নং চেঞ্জ করব (যদিও এটা সম্ভব ছিলনা কারণ আমার পরিবারকে এটা শেয়ার করা সহজ ছিলনা)। তখন সে বলল যে আমার প্রমিস করতে হবে যে আমি যেন সব জেনে তার দোষ না হলে তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ না করি। এবং আমি রাজি হয়ে জানতে চাইলে সে বলল যে আমার ক্লাসমেট (বন্ধু) এর কাছে সে ভদ্র এবং ভাল ফ্যামিলির ১টা মেয়ের সাথে সম্পর্ক করিয়ে দিতে বলে এবং তার ফোনে আমার ছবি দেখে সে পরবর্তীতে আমার নম্বরটা চুরি করে নিয়ে আমাকে ফোন করে।

বলে রাখি এই ছেলেটিও আমার ব্যাচমেট তবে অন্য ১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর শেষ করছে। এরপর তারসাথে আমার ১জন বন্ধুর মত যোগাযোগ ছিল এবং আমার ক্লাসমেট বন্ধুটির সাথে সব জানাজানি হলে সে ১দিন আমার ক্যাম্পাসে আসে এবং এর কিছুদিনের মাথায় আমাকে প্রোপোজ করলে আমি না করি এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেই। হঠাৎ ২/৩ দিন পর সে বসুন্ধরা সিটিতে যায় এবং বলে যে সে উপর থেকে ঝাঁপ দিবে এবং আমাকে ওখানে তার ছবি তুলে পাঠায় এবং আবারো প্রোপোজ করে এবং বলে সে ওর বাবার ছোট ছেলে এবং ওর বাবা আমাকে ছাড়বেনা ওর কিছু হলে। বলে রাখি ওর বাবা সুপ্রিম কোর্টের একজন ব্যারিস্টার।

আমি তখন অনেকটা ভয় এবং সহানুভূতি দিয়েই বোকার মত ওর প্রোপোজালে হ্যাঁ বলি। এরপর আমাদের সম্পর্কটা খুব ভাল যাচ্ছিল ৪/৫মাস এবং কিছুদিন পর বার্থডে। ওর বার্থডের দিন ও আমাকে নিয়ে অনেক ঘোরাঘুরি শেষে বলে যে ওর টাকা শেষ, বাসায় গিয়ে টাকা নিয়ে আসবে। আমাকে বলে যে তুমি রিক্সায় বাসার সামনে দাড়াবে। আমরা ওর বাসার সামনে যাই এবং ও আমাকে বলে যে এভাবে বাসার সামনে দাঁড়ানোটা ভাল দেখায়না। তুমি উপরেই আস, কোন সমস্যা নাই।

আমি ওকে খুব অন্ধবিশ্বাসে ওর সাথে উঠে যাই কিন্তু আমি একবারের জন্যও জানতাম না ওর বাসায় সেদিন কেউ ছিলনা আর ও আমাকে সেটা বলেনি এবং জানতে চাইলে কথাটা এড়িয়ে গেছে যেটা আমি ঐ মুহূর্তে ধরতে পারিনি। এবং এরপর ও আমার সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায় এবং আমি বাধা দাওয়ার এক পর্যায়ে ওকে আঘাত করি কিন্তু আমি শেষ রক্ষা করতে পারিনি। এরপর আমি সম্পর্ক ভেঙে দেই এবং গত ৩ টি বছর আমি শুধু একটা ভয় বয়ে বেড়াচ্ছি যে আমি লাইফে অন্য কাউকে নিয়ে সুখী হতে পারব না কারণ আমি ভার্জিন নই। ওর সাথে আমার সম্পর্ক নেই কিন্তু তারপরও আমি এখনও কিছুদিন পরপর যোগাযোগ করি।

ও এখনও আমাকে ওর লাইফে ব্যাক করতে রিকোয়েস্ট করে এবং গত ৩ বছর ধরে করছে। কিন্তু ও আমার ব্যাচমেট। ওর হায়ার এডুকেশন নিয়ে অনেক দীর্ঘ পথ আর আমার পড়াশুনা শেষের পথে + জবেরও সুযোগ আসছে। ফ্যামিলি থেকে বিয়ের জন্য বেশ কয়েকবার আমাকে বিয়ের ব্যাপারে জানতে চেয়েছে। অনেক যোগ্য এবং ভাল পাত্র হওয়ার পরও আমি পড়াশুনা শেষ করা, জব করা এসব অজুহাতে আব্বুর কাছে সময় চেয়ে নিয়েছি এবং নিচ্ছি। সর্বশেষ আমি একবছর সময় চেয়ে নিলাম জব প্রিপারেশনের জন্য কিন্তু আমি জানিনা কেন এবং কী এর উদ্দেশ্য।

মাঝে মাঝে ভাবি আমি অনেক ভাল কিছু করলে আমার এই খুঁতটা হয়ত ছাড় পাব কিন্তু সাথে সাথে এক ভয়ংকর অজানা আশংকায় আর কিছু ভাবতে পারিনা। আবার আমি শত চাইলেও এই ছেলেটির জন্য বেশিদিন অপেক্ষা করে থাকতে পারবনা। যে সুখের জন্য আমার পরিবার পায়তারা করছে সেটা তো নিমিষেই শেষ হয়ে যাবে এই ভয়ে আমি আর স্বাভাবিক থাকতে পারছি না। পরিবার স্বপ্ন বুনতে গিয়েই স্বপ্নভাঙন দেখবে সেই মুহূর্তগুলো ভাবতেই পারছিনা। আমি একা হলে কোন ভয়ই ছিলনা, কিন্তু আমার আব্বু-আম্মুকে এটার মুখোমুখি করার কথা ভাবা যায়না। আমি প্রতিনিয়ত নামাজ পড়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাই, একটু সাহায্য চাই। কিন্তু বাস্তবে আমার জীবনে কী হবে তা ভেবে আমি দিশেহারা হয়ে যাচ্ছি দিনদিন। কারো সাথে আজো শেয়ার করতে পারিনি।”

পরামর্শ:

আপু, আপনার হয়তো মনে হয় যে আপনার কোন দোষ বা ভুল ছিল না, সবই ছেলেটির দোষ বা ভুল। কিন্তু প্রথমেই আমি আপনাকে আপনার ভুলগুলো বলবো। বলবো এই কারণে যে এটা না বললে আপনার বাকি জীবনেও এমন ভুলের আশংকা রয়েই যাবে।

প্রথমত, কল বা কলারকে ব্লক করা কেবল স্মার্ট ফোনেই হয়। আমার স্পষ্ট মনে আছে যে প্রায় সব মোবাইল অপারেটরেই কল ব্লক সার্ভিস ছিল। মাসিক ৩০ টাকা বা এমন একটা চার্জ নিত। সেটা ইউজ করলে যে কোন ফোনেই যে কাকে ব্লক করে দেয়া যেত। মানলাম যে আপনি কল ব্লক করতে পারেন নি, তাহলে ছেলেটির ফোন রিসিভ করতেন কেন? আপনি রিসিভ না করলে সে ১০০ বার কল দেবে? দিক! দৈনিক ১০০ বার কল দিতে দিতে নিজেই হাল ছেড়ে দিত। আর যেখানে বলছেন আপনার ফ্যামিলি এত ভালো, হাতে ধরে ভুল শুধরে দিয়েছে, সেখানে এত সামান্য ব্যাপার পরিবারকে তখন বলে ফেললেই ভালো হতো।

দ্বিতীয়ত, ছেলেটি সুইসাইড করার হুমকি দিয়েছে বলে আপনি প্রেমে হ্যাঁ বলেছেন, শুনতে নাটকীয় মনে হলেও আমি মেনে নিলাম। কিন্তু যে ছেলেকে আপনি ভালোবাসেন না, সেই ছেলের সাথে এত ঘোরাঘুরির কি কোন দরকার ছিল? ঘুরেছেন তো ঘুরেছেন, ছেলেটির বাসার সামনে চলে গিয়েছেন। আপনার কি একবারও মনে হয়নি যে একটি ছেলের বাসার সামনে যাওয়া যায় না? বা আপনার কি একবারও মনে হয়নি যে টাকাটা আপনি খরচ করলেই তো ঝামেলা শেষ হয়ে যায়। ঠিক আছে, মেনে নিলাম যে আপনি এতকিছু ভাবেন নি। কিন্তু ওপরে যাওয়ার সময় কি মনে হয়নি যে ছেলেটির মা বাবার সামনে আপনার পরিচয়টা কী হবে?

তৃতীয়ত, নিজেই বলছেন যে সম্পর্ক ভেঙে ফেলেছেন, আবার নিজেই ছেলেটির সাথে যোগাযোগ রাখছেন, এটা কেন আপু? এটা কি একেবারেই হিপোক্রেসি হয়ে গেলো না? খুবই দুঃখের সাথে বলছি আপু, আপনার এই কাহিনীতে এক তরফা ছেলেটিকে দোষ দেয়া যায় না। ছেলেটি খারাপ, নিঃসন্দেহে খারাপ। কিন্তু তাকে সেই খারাপ করার সুযোগটি দিয়েছেন আপনি নিজেই। মাঝে মাঝে নিজের দোষ টুকু স্বীকার করে নিলেও জীবনের পথে সামনে এগোনো সহজ হয়।

যাই হোক, আমি মনে করি না যে একজন নারীর সম্মান তাঁর সতীত্বে। যে কোন মানুষেরই সম্মান নিহিত তাঁর চরিত্রে। আপনি নিজেই যদি নিজেকে ভার্জিনিটি দিয়ে বিচার করতে শুরু করেন, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু আপনার যোগ্যতা আপনার শিক্ষা, রুচি, গুণাবলী। একটি ছেলে জোর করে আপনার সাথে সম্পর্ক করেছে বলে আপনি খারাপ হয়ে যান না।

চিঠি পড়েই বুঝতে পারছি যে ছেলেটিকে আপনি বিয়ে করতে চান না, আর সেটা করা উচিতও হবে না। কারণ ছেলেটিকে আমার খুব বেশি সুবিধার মনে হচ্ছে না। আপনি পুরো ব্যাপারটা ভুলে গিয়ে জীবনটা নতুন করে শুরু করতে চেষ্টা করুন। আপনার ভবিষ্যৎ জীবনের সুখে এটা কোন সমস্যাই না, যদি আপনি সততার সাথে বিষয়টি সামাল দেন। বিয়ের আগে নিজের সম্পর্কে এই ব্যাপারটি চাইলে হবু বরকে জানিয়ে নিতে পারেন। তাহলে আপনি শতভাগ শান্তি নিয়ে সংসার শুরু করতে পারবেন। বাংলাদেশে এমন বড় মনের পুরুষের কোন অভাব নেই, যিনি কিনা ব্যাপারটি জেনে বুঝে আপনার দিকে হাত বাড়িয়ে দেবেন। আমার মনে হয় একটু অপেক্ষা করে এমন একজন মানুষকেই বিয়ে করা উচিত আপনার।

আধুনিক বিশ্ব ধ্বংস হবে কিভাবে? দেখুন ভিডিও সহ!!

পৃথিবীর জন্মের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে ধ্বংস হয়েছে প্রাণী কুল বিভিন্ন জাতি, এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের এই আধুনিক বিশ্ব কিভাবে ধ্বংস হবে? আমরা আমাদের ধ্বংস করতে উঠে পরে লাগছি। শুত্রু পক্ষকে ঘায়েল করতে আবিস্কার করছি নতুন নতুন প্রযুক্তির মরণাস্ত্র।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতেঃ