জেনে নিন, রহমতের দরজা খোলার বিশেষ মুহূর্তসমূহ,যা আপনার জানা প্রয়োজন

বান্দার জন্য আল্লাহতায়ালার রহমতের দরজা সব সময় খোলা। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমরা আমার কাছে দোয়া করো। আমি তোমাদের দোয়া কবুল করবো।’ -সূরা গাফের: ৬০

তারপরও সবকিছুতেই যেমন বিশেষত্ব থাকে আল্লাহর নিকট প্রার্থনারও একান্ত কিছু সময় আছে। সেগুলোকে হাদিসের ভাষায় আসমানের দরজা উম্মোচনের সময় বলে অভিহিত করা হয়েছে। হাদিসের ভা-ার থেকে এমন ৫টি সময়ের কথা জানা যায়- যখন আল্লাহতায়ালা বান্দার জন্য তার রমহতের দরজা খুলে দেন।

জোহরের পূর্বমুহূর্তে

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয়ই আসমানের দুয়ারসমূহ খুলে দেওয়া হয় সূর্য মধ্যাকাশ থেকে পশ্চিমাকাশের দিকে হেলে পড়ার সময়। এরপর জোহরের নামাজ পর্যন্ত তা আর বন্ধ হয় না। -সহিহুল জামে:

অর্থাৎ ঠিক দ্বিপ্রহরের পর থেকে জোহরের নামাজ পর্যন্ত সময়কে এখানে বুঝানো হয়েছে। এ সময়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) জোহরের ৪ রাকাত স্ন্নুত কখনও বাদ দিতেন না।

আজানের সময়

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন আজান দেওয়া হয় আসমানের দুয়ারসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং দোয়া কবুল করা হয়। -সহিহুত তারগিব: ২৬০
এখানে আজান থেকে নিয়ে জামাত শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত এ সময়টিকে বুঝানো হয়েছে। এ সময়ে মনের যেকোন বাসনা আল্লাহর কাছে পেশ করার জন্য আদর্শ সময়।

এক নামাজের পর যখন অন্য নামাজের জন্য মানুষ অপেক্ষা করে

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো যে, তোমাদের রব আসমানের দুয়ার খুলে দিয়েছেন এবং তোমাদের নিয়ে ফেরেশতাদের সঙ্গে গর্ব করে বলছেন- ‘আমার বান্দারা আমার ধার্যকৃত ফরজ আদায়ের পর আরেক ফরজের জন্য অপেক্ষা করছে।’ -ইবনে মাজা: ৮০১

রাতের শেষার্ধে

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রাতের শেষার্ধ শুরু হলে একজন ঘোষক ঘোষণা দিতে থাকেন, কেউ কি কোনো আর্জি পেশ করার আছো? তার আর্জি গৃহীত হবে। কারও যাঞ্চা করার কিছু আছে? তা মঞ্জুর হবে। আছে কোনো বিপদগ্রস্থ? তার বিপদ দূর করা হবে। তখন পেশাদার ব্যভিচারীনী এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অন্যায়ভাবে চাঁদাবাজি করা লোক ব্যতিত কোনো মুসলিমের দোয়া ব্যর্থ হয় না। -তারগিব: ৭৮৬

আল্লাহু আকবার কাবিরা, ওয়ালহামদু লিল্লাহি কাসিরা ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতান ওয়া আসিলা- দোয়া পাঠের সময়

একদিন আমরা হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে নামাজ পড়ছিলাম। সে সময় সমাগত লোকদের থেকে এক লোক বলল, ‘আল্লাহু আকবার কাবিরা, ওয়াল হামদু লিল্লাহি কাসিরা ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতান ওয়া আসিলা।‘ (অর্থ: আল্লাহ মহান, অতি মহান, আল্লাহতায়ালার জন্য অনেক অনেক প্রশংসা এবং সকাল-সন্ধ্যা আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি)

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই কথা কে বলেছে? উপস্থিত লোকদের মাঝে এক লোক বলল, আমি হে আল্লাহর রাসূল! তিনি (নবী করিম সা.) বললেন, এ দোয়ায় আমি খুব আশ্চর্যান্বিত হয়েছি। এ বাক্যগুলোর জন্য আকাশের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। ইবনে উমার (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আমি এ কথা শুনার পর থেকে কখনও তা পাঠ করা পরিহার করিনি।
-সহিহ মুসলিম ও তিরমিজি

কোপা কুপি জোকস : তাই হাত মাইরাই কাম চালাই!’

শিক্ষক আর অভিভাবক এর মধ্যে কথপোকথন …
শিক্ষকঃ আপনার ছেলেকে ভদ্রতা শিখান!

অভিভাবকঃ কেন স্যার? কি হয়েছে?
শিক্ষকঃ রেজিষ্ট্রেশন ফরম-এর (Sex) কলামে আপনার ছেলে লিখেছে … ↓ ↓ ↓





→→→→→ ‘আরে সেক্স করার সৌভাগ্য এখনও আমার হয় নাই!! তাই হাত মাইরাই কাম চালাই!’ 😛

→ এইটা শুইনা অভিভাবক তো পুরা কনফিউসড্!!
শিক্ষক তার ছেলেরে ভদ্রতা শিখাইতে কইলো নাকি সেক্স শিখাইতে কইলো?? ওরে লুল!

জোকসঃ ছেলেদের জন্য এবার বের হচ্ছে ‘জনি সিন্স’ সিম, থাকছে আনলিমিটেড HD ডাউনলোড সুবিধা

এর আগে তাড়ানা হালিম শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য ‘অপরাজিতা সিম’ বিতরণের ঘোষণা করেন
যেটা দিয়ে ৮ টাকায় ১ জিবি আর ১৪ টাকায় ২ জিবি নেট কিনতে পারা যাবে।

এ ঘোষণার পরপরই আবেগে ফেটে পড়ে পুরুষ জাতি। তাদের একটাই দাবি, তাদেরকেও এই সুবিধা দেওয়া হোক।

অবশেষে এখন ঘোষণা করা হলো পুরুষদের জন্যও ‘জনি সিন্স’ সিম বিতরণ করা হবে।
যেখানে থাকছে আনলিমিটেড HD ভিডিও ডাউনলোড সুবিধা।

এই ঘোষণার খুশীতে আজ দেশের অনেক স্থানেই আনন্দ মিছিলের আয়জন করা হয়েছে।

জেনে নিন, যে কারণে মক্কা-মদিনায় হিন্দু খ্রিস্টানরা প্রবেশ করতে পারে না

ডা. জাকির নায়েকের প্রশ্ন উত্তর পর্বে নানাজন নানাভাবে প্রশ্ন করে থাকেন। এবার এক হিন্দু মেয়ে জিজ্ঞেস করেন, আচ্ছা ডা. জাকির! আপনি বলে থাকেন, হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান সবাই ভাই ভাই। আমরা সবাই যদি ভাই ভাই হয়ে থাকি তাহলে মক্কা-মদিনায় প্রবেশ করতে পারি না কেন?

মেয়েটির প্রশ্নের প্রশংসা করে ডা. জাকির নায়েক বলেন, আপনার বাসা কোথায়?
মেয়েটির উত্তর : ইন্ডিয়ায়।
জাকির নায়েক : জন্মস্থান কোথায়?
মেয়েটির উত্তর : ইন্ডিয়ায়।
বোন আপনি কি জানেন, ইন্ডিয়ায় বসবাস বা ইন্ডিয়ায় জন্ম নিয়েও আপনি ইন্ডিয়ার এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে প্রবেশ করতে পারবেন না?
মেয়েটির উত্তর, না, এমন কোনো জায়গা থাকতে পারে না। আমি ইন্ডিয়ার সব জায়গায় প্রবেশ করতে পারি।

ডা. জাকির নায়েক ফের বলেন, আপনি সব জায়গায় প্রবেশ করতে পারলেও একটা জায়গায় প্রবেশ করতে পারবেন না। আর সেটা হলো ক্যান্টনমেন্ট। এখানে তাদেরই প্রবেশ করতে দেয়া হয়, যারা দেশের যেকোনো কল্যাণের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।

বোন ইসলামের একটা ক্যান্টনমেন্ট আছে, সেটা হলো মক্কা ও মদিনা শরিফ। এখানে তারাই প্রবেশ করতে পারে, যারা আল্লাহর জন্য জানমাল দিতে পারে। আপনি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’- এই ক্লাবের পাসপোর্টধারী হলেই আপনি মক্কা ও মদিনায় প্রবেশ করতে পারবেন।

ডা. জাকির নায়েকের এমন চমৎকার উত্তর শুনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই হতবাক হয়ে যান। প্রশ্নকারী হিন্দু মেয়েটি মাথা নিচু করে নিজ আসনে বসে যান।

জেনে নিন, কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহর রহমত, বরকত ও ক্ষমার দৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হবেন যারা !!

কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহর রহমত,বরকত ও খমার দৃষ্টি থেকে যারা বন্চিত হবেন!!আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রসূলিল্লাহ। আম্মাবাদঃএমন কিছু মানুষ রয়েছে যারা কিয়ামত দিবসে দয়াময় আল্লাহর সুদৃষ্টি থেকে বঞ্ছিত থাকবে,তিনি তাদের দিকে তাকাবেন না আর না তাদের প্রতি সুনজর দিবেন।তাদের সংখ্যা অনেক। [আল্লাহর কাছে দুআ করি, তিনি যেন আমাদেরকে এই বঞ্ছিতের অনিষ্ট থেকে হেফাযতে রাখেন, এর কারণ থেকে দূরে রাখেন এবং সেই বঞ্ছিত সম্প্রদায় থেকেও দূরে রাখেন।]

১-যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার ও শপথকে সামান্য বিনিময়ে বিক্রয় করেঃ আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “নিশ্চয় যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং

নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, এরা আখেরাতের কোন অংশই পাবে না এবং আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না,তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদের পবিত্র করবেন না,বস্তুতঃ তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” [আল্ ইমরান/৭৭] এই আয়াতে মিথ্যা কসম করা হারাম এর প্রমাণ রয়েছে, যা মানুষ সামান্য পর্থিব লাভের জন্যে করে থাকে। উলামাগণ এই কসম কে আল্ ইয়ামীন আল্ গামূস বা ডুবানোর কসম আখ্যা দিয়েছেন কারণ; তা এই কসমকারীকে পাপে ডুবায় অতঃপর জাহান্নামে। [আল্লাহই আশ্রয়দাতা]

২- গিঁটের নিচে বস্ত্র পরিধানকারী।

৩-মিথ্যা কসম দিয়ে পণ্য বিক্রয়কারী।

৪- কারো উপকার করে তাকে উপকারের খোটা দাতা।আবু হুরাইরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “ তিন প্রকার এমন লোক রয়েছে, যাদের সাথে আল্লাহ কথা বলবেন না আর না কেয়ামতের দিন তাদের দিকে দেখবেন আর না তাদের পবিত্র করবেন বরং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি”। আমি (আবু হুরাইরা) বললামঃ আল্লাহর রাসূল! তারা কারা? ওরা তো ক্ষতিগ্রস্ত! তিনি(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বলেনঃ “গিঁটের নিচে কাপড় পরিধানকারী, ব্যবসার সামগ্রী মিথ্যা কসম দিয়ে বিক্রয়কারী এবং কাউকে কিছু দান করার পর তার খোটা দাতা”। [মুসলিম, ঈমান অধ্যায়,নং২৯৪]গিঁটের নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পরিধানকারী হচ্ছে, সেই ব্যক্তি যে তার লুঙ্গি ও কাপড় এত ঝুলিয়ে পরে যে তার দুই গিঁটের নিচে চলে যায়। যদি সে অহংকার স্বরূপ এমন করে, তাহলে তার জন্য উপরোক্ত শাস্তির ঘোষণা কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না যে, তার লুঙ্গি অহংকার স্বরূপ ঝুলিয়ে পরে”। [বুখারী,নং৫৭৮৩/ মুসলিম] আর যে অহংকার স্বরূপ নয় বরং এমনি ঝুলিয়ে পরে,তাহলে তার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এই বাণী প্রযোজ্যঃ “লুঙ্গির যতটা গিঁটের নিচে থাকবে, ততটা জাহান্নামে যাবে”। [বুখারী,নং৫৭৮৭ ] এই ভাবে হাদীসগুলির মাঝে সমন্বয় সাধন হবে। আল্লাহই বেশী জানেন।পর্দার উদ্দেশ্যে মহিলাদের এক গজ ঝুলিয়ে পরা বৈধ কিন্তু এর বেশী করবে না।আর মিথ্যা শপথ করে সামগ্রী বিক্রয়কারী হচ্ছে, এমন ব্যক্তি যে মহান আল্লাহকে তুচ্ছকারী।তাই সে (আল্লাহার কসম দিয়ে)মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে লোকদের নিকট পণ্য বিক্রি করে।আর খোটাদাতা হচ্ছে, যে দান করার পর খোটা দেয়।

৫- যে মুসাফিরকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি থেকে বাধা দেয়।

৬-যে পার্থিব লাভের আশায় কোন মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানের হাতে বায়আত (অঙ্গীকার)করে।আবু হুরাইরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তিন প্রকারের লোকের সাথে মহান আল্লাহ কিয়ামত দিবসে কথা বলবেন না, না তাদের দিকে তাকাবেন আর না তাদের পবিত্র করবেন; বরং তাদের জন্য রয়েছে শক্ত আযাব। ঐ ব্যক্তি যার নিকট র্নিজন প্রান্তরে প্রয়োজনে অতিরিক্ত পানি থাকা সত্ত্বেও মুসাফিরকে তা ব্যবহার করা থেকে নিষেধ করে। আল্লাহ তাকে বলবেনঃ আজ আমি তোমাকে আমার অতিরিক্ত (রহমত) থেকে বঞ্ছিত করবো, যেমন তুমি তোমার বিনা পরিশ্রমে অর্জিত অতিরিক্ত পানি থেকে বঞ্ছিত কেরেছ এবং সেই ব্যক্তি যে আসরের পর কোন ব্যক্তিকে তার সামগ্রী বিক্রয় করে। আল্লাহর কসম খেয়ে বলে আমি এটা এই এই দামে ক্রয় করেছি।ক্রেতা তার কথা সত্য মনে করে তার কাছ থেকে পণ্য খরিদ করে অথচ সে সত্য নয়। আর সেই ব্যক্তি যে কোন মুসলিম ইমামের (রাষ্ট্রপরিচালকের) হাতে কেবল পার্থিব উদ্দেশ্যেই বাইআত (অঙ্গীকার) করলো; সে যা চায় যদি তাকে তা দেওয়া হয় তো অঙ্গীকার পূরণ করে, আর না
দিলে ভঙ্গ করে। [বুখারী, নং ৭২১২/ মুসলিম, ঈমান অধ্যায়, নং২৯৭] মরুভূমীতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি থেকে মুসাফিরকে বাধাদানকারীকে আল্লাহ তার কৃত কর্ম অনুযায়ী বদলা দিবেন। তার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত যা আছে তার তুলনায় আল্লাহর রহমত ও ফযলের প্রয়োজন অনেক বেশী। আর যে দুনিয়া পাবার আশায় ইমামের হাতে বাইআত করে, সে যেন এই অঙ্গীকারকে পার্থিব উদ্দেশ্যের সাথে সম্পৃক্ত করে দেয়। আর ইসলামের মূল বিধান শাষকের আনুগত্ব করা,তাকে সদুপদেশ দেওয়া, সাহায্য করা এবং ভাল কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা,এসবের অবজ্ঞা করে। সে মুসলিম শাষক ও ইমামদের প্রতারনাকারী স্পষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত।

৭-বৃদ্ধ ব্যভিচারী।

৮-মিথ্যুক বাদশাহ।

৯-অহংকারী দরিদ্র।আবু হুরাইরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “ আল্লাহ তাআ’লা কেয়ামত দিবসে তিন শ্রেণীর লোকের সাথে কথা বলবেন না,আর না তাদের পবিত্র করবেন, না তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টি দিবেন, তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তিঃ বৃদ্ধ যেনাকারী,মিথ্যুক রাজা এবং অহংকারী দরিদ্র”।[মুসলিম, ঈমান অধ্যায়, নং২৯৬] বিশেষ করে এদের সম্পর্কে উক্ত শাস্তির কারণ বর্ণনায় কাযী
ইয়ায বলেনঃ “তাদের প্রত্যেকে উক্ত পাপ থেকে দূরে থাকার পরেও তা করে। যদিও কোনো পাপীর পাপের অজুহাত গ্রহণীয় নয়, কিন্তু একথা বলা যেতে পারে যে, উক্ত পাপ করার ক্ষেত্রে তাদের অতীব প্রয়োজন ছিল না আর না তাদের সচরাচর স্বাভাবিক কোনো অন্য কারণ ছিল। তা সত্ত্বেও তাদের উক্ত পাপে লিপ্ত হওয়াটা যেন আল্লাহর অধিকারকে তুচ্ছ মনে করা, বিরোধিতা করা এবং অন্য কোন কারণ নয় বরং স্রেফ পাপ করার উদ্দেশ্যেই তা করা”।

১০- পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান।

১১- নারী হয়ে পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বণকারীনি।

১২-দাইযূস।আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলঅইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “ তিন প্রকার লোকের দিকে আল্লাহ
তাআ’লা কিয়ামতের দিনে দৃষ্টিপাত করবেন নাঃ পিতা-মাতার অবাধ্য,পুরুষের সদৃশ অবলম্বনকারীনি মহিলা এবং দাইয়ূস। আর তিন প্রকার লোক জান্নাতে যাবে নাঃ পিতা-মাতার অবাধ্য, মদ পানে আসক্ত এবং অনুদানের পর খোটাদাতা” [মুসনাদ আহমদ, নং ৬১১/নাসাঈ] পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তানের বিষয়টি স্পষ্ট, কারণ আল্লাহ তাআ’লা পিতা-মাতার অধিকারকে মর্যাদা দিয়েছেন, তিনি নিজ অধিকারকে তাদের অধিকারের সাথে সংযুক্ত

করেছেন এবং তাদের উভয়ের সাথে সদ্ব্যবহার করার আদেশ করেছেন; যদিও তারা কাফের হয়।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “ পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং তাদের অসন্তুষ্টিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি”। [তিরমিযী, নং ১৯৬২, আলবানীসহীহ বলেছেন] পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বণকারীনি বলতে সেই মহিলাকে বুঝায় যে,পোষাক-পরিধানে, চাল-চলনে,কাজে-কর্মে এবং কথার শুরে পুরূষের অনুকরণ করে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহিলাদের সাদৃশ্য অবলম্বণকারী পুরূষ এবং পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বণকারীনি মহিলাদের প্রতি অভিষাপ করেছেন”। [বুখারী]আর দাইয়ূস হচ্ছে, যে নিজ পরিবারে অশ্লীলতা প্রশ্রয় দেয়, তাদের সম্ভ্রম রক্ষায় আত্মসম্মানী নয়, সে মানবিকতাহীন, অপুরুষত্ব, অসুস্থ মস্তিষ্ক এবং দুর্বল ঈমানের অধিকারী। তার তুলনা অনেকটা শুকরের মত, যে নিজ সম্ভ্রম রক্ষা করে না। তাই ঐ সকল লোককে সতর্ক থাকা উচিৎ যারা নিজ পরিবারে এবং তার দায়িত্বে থাকা লোকদের মাঝে অশ্লীলতা বা অশ্লীলতার উপকরণ প্রশ্রয় দেয়। যেমন বাড়িতে এমন টিভি চ্যানেল রাখা যা যৌনতা উষ্কে দেয় এবং অশ্লীলতা বৃদ্ধি করে।

১৩- যে তার স্ত্রীর পায়ুপথে সঙ্গম করেঃইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত,তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “আল্লাহ তাআ’লা সেই ব্যক্তির দিকে দৃষ্টিপাত করবেন না যে, পুরুষের সাথে সঙ্গম করে কিংবা স্ত্রীর পায়ুপথে সঙ্গম করে”।[তিরিমিযী, নং১১৭৬ আলবানী সহীহ বলেছেন]

আবু হুরাইরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “সে অভিশপ্ত যে স্ত্রীর পায়ু পথে সঙ্গম করে”।[আহমদ, আবু দাউদ, নং ২১৬২/আলবানী সহীহ বলেছেন]

অপরাজিতা সিম দিয়ে HD ডাউনলোড করার অপরাধে আটক দুই যুবতি

কোনো এক অজ্ঞাত এলাকার বাশবাগান থেকে ধরা হয়েছে এই দুই যুবতীকে।
গোপন সূত্রে জানা যায়,

এনাদের দুজনেরই স্বামী বিদেশ।এজন্যই হয়ত ওনাদের HD ডাউনলোড করে দেখতে হয় নিয়মিত।

আর আগে যেখানে ডেইলি একটা HD ডাউনলোড করে দেখতে গেলেই না খেয়ে থাকতে হতো,

সেখানে অপরাজিতা সিমের বিশেষ ৮টাকায় ১ জিবি অফারের কারণে এখন ওনারা ওনাদের চাহিদামতো HD দেখতে পারতেছেন বলে জানিয়েছেন।

ওনারা আমাদের কানে কানে,চুপি চুপি,ফিসফিসিয়ে এটাও বলেছেন যে,
ওনাদের ফেভারিট প্লেয়ার ‘জনি সিন্স’

বিঃদ্রঃ গুজবকে সবসময় এড়িয়ে চলুন।

রাতের জোকসঃ আমার রেট ২০০০ টাকা।

এক ছেলে এবং তার নতুন বান্ধবী এক সন্ধ্যায় শহর থেকে একটু দূরে গাড়ী নিয়ে বেড়াতে বেড় হলো।

গাড়ী কিছু দূর যাওয়ার পর একটা নির্জন জায়গা দেখে মেয়েটি চিৎকার দিয়ে গাড়ী থামাতে বলল।

ছেলেটি গাড়ী থামিয়ে মেয়েটির দিকে তাকাল। মেয়েটি বলল-”আসলে তোমাকে বলা হয়নি যে আমি একজন কল গার্ল এবং আমার রেট ২০০০ টাকা।”

ছেলেটি অবাক না হয়ে তার দিকে তাকাল এবং তার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে দুজন মিলন আনন্দে কিছুক্ষণ আদিম খেলায় মত্ত হলো।

দৈহিক প্রশান্তির পর বান্ধবীর পেমেন্ট দিয়ে কিছুটা ক্লান্তি নিয়ে ছেলেটা একটা সিগারেট ধরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে কুন্ডলী পাকাতে লাগল।

তার নির্লিপ্ততা দেখে বান্ধবী ছেলেটি কে বলল-”আমরা বসে আছি কেন? চলো ফিরে যাই।”

ছেলেটি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল-”ও তোমাকে আগে বলা হয়নি আমি একজন টেক্সী ড্রাইভার, এখান থেকে শহরে ফেরার ভাড়া হচ্ছে ২৫০০টাকা।

মাইরালা: অপু বিশ্বাসরে কুপাইয়া দিলো ইমরান হাশমি !!

ছুটির একদিনে শাকিব খান তার বউ অপু বিশ্বাসরে নিয়া জন্মদিনের ড্রেসে বাথটাবে জলকেলী করতেছে।
গায়ে ফেনা লাগায়া আবার ধোয়াধুয়িও চলতেছে। ঠিক এমন সময় বাসার কলিং বেল বাইজা উঠলো।
শাকিব খান আইলসামি কইরা কইলোঃ ‘অপু জান, তোয়ালে প্যাচাইয়া যাওনা, দেখো কে আইসে?’
স্বামীভক্ত অপু বিশ্বাস তাই করলো। তোয়ালেতে শরীর ঢাইকা দরজা খুইলা অপু বিশ্বাস দেখলো পাশের বাড়ীর ইমরান হাশমি আইসে!!

অপু বিশ্বাস ইমরান হাশমিরে জিগাইলোঃ ‘কি দরকার? শাকিব খান তো গোছলে আছে!’
ইমরান হাশমি একটু ভাইবা কইলোঃ ‘আইছিলাম এমনিতেই, থাক পরেই আমু আবার!
তয় আপনে চাইলে একটা ব্যবসা করতে পারেন! এখানেই নগদে টাকা পাইবেন!’

অপু বিশ্বাস উৎসাহী হইয়া কয়ঃ “কিরাম ব্যবসা?”
ইমরান হাশমি ব্যবসার প্রস্তাব দিলো এইভাবেঃ “যদি আপনে তোয়ালের উপরের অংশ খুইলা দেখান,
তাইলে আমি আপনেরে এক্ষন নগদে ৫০ হাজার টাকা দিমু।”
অপু বিশ্বাস ভাবলোঃ ‘শুধু তো দেখবো! আর তো কিছু না! ৫০ হাজার টাকা তো কম না!
তাই অপু বিশ্বাস খুইলা দেখাইলো! ইমরান হাশমি চোখ ভইরা দেখলো আর নগদে দিলো ৫০ হাজার টাকা!’

এহন তো নেশা চাপসে দুইজনেরই।
ইমরান হাশমি এইবার কইলোঃ “যদি পুরা তোয়ালেটাই খুইলা ফেলেন তাইলে দিমু আরো ৫০ হাজার টাকা!”
অপু বিশ্বাস ভাবলোঃ “একই কথা, দেখবোই তো। দিলো খুইলা। ইমরান হাশমি পুরা নগ্ন অপু বিশ্বাসরে দেইখা আরো ৫০ হাজার টাকা দিয়া গেলো গা!!”

অপু বিশ্বাস তো খুব খুশী!!
১ লাখ টাকা এত সহজে ইনকাম হইলো তাই সে খুশীতে নাচতে নাচতে গেলো বাথরুমে শাকিব খান এর কাছে!!
অপু বিশ্বাসের নাচ দেইখা, শাকিব খান জিগাইলোঃ ‘কি হইলো? কেডা আইছিলো?’
অপু বিশ্বাস কইলোঃ “পাশের বাসার ইমরান হাশমি ভাই আইছিলো…..”
শাকিব খান কথা কাইরা নিয়া কইলোঃ ‘ট্যাকা দিছে নি?! পুরা ১ লাখ দিছে তো?!’

( অপু বিশ্বাস তো পুরা টাশকি খাইয়া মনে মনে ভাবলোঃ ‘হায় হায় শাকিব খান কি তাইলে সব গোপন ব্যবসা দেইখা ফালাইলো?!’ )

তারপর অবাক হইয়া অপু বিশ্বাস কইলোঃ ‘না না আমি নিতে চাই নাই!! ইমরান হাশমি আমারে জোর কইরা……!!’

শাকিব খান এইবার চেইতা গিয়া কইলোঃ “হারামজাদি!! তুই মজা করস আমার লগে?!
আগে ক ….. ↓ ↓ ↓
.
.
.
.
.

ইমরান হাশমি তোরে টাকা দিছে নি!? ১ লাখ টাকা পাইতাম হালার কাছে! ১ বছর ধইরা ঘুরাইতাসে !”

জেনে নিন, রাসূল সা.-এর সুন্নাতের ফযীলত

মানব জীবনের ইহকালীন ও পরকালীন সাফল্য রাসূলুল্লাহ সা. এর অনুকরণ ও অনুসরণের মধ্যে নিহিত রয়েছে। তাই আমরা যাদি সকলেই সকল কাজে রাসূলুল্লাহ সা. এর অনুকরণ অনুসরণ করি, তাহলে আমাদের ইহকাল ও পরকালে সফলতা আসবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআন শরীফে এরশাদ করেন-

হে নবী! আপনি বলুন, “তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর। যাতে আল্লাহ তোমাদিগকে ভালোবাসেন এবং তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ তাআলা হলেন ক্ষমাশীল, অতিদয়ালু। [সুরা আলে ইমরান : ৩১]
ফায়দা : উল্লেখিত আয়াত থেকে জানা গেল যে, রাসূলুল্লাহ সা. এর অনুসরণের দ্বারা দু’টি লাভ, একটি আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন অপরটি গুনাহ মাফ হওয়া।
তাহলে আমরা রাসূলুল্লাহ সা. এর অনুকরণ আর অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহকে পেলাম এবং আমাদের গুনাহ মাফ করিয়ে নিতে পারলাম।

অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন-
হে নবী! আপনি বলুন, আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর। তারপরও যদি তোমার মুখ ফিরিয়ে নাও, তার ন্যাস্ত দায়িত্বের জন্য সে দায়ী এবং তোমাদের উপর ন্যাস্ত দায়িত্বের জন্য তোমরা দায়ী। তোমরা যদি তার অনুগত্য কর, তবে সৎ পথ পাবে। রাসূলের দায়িত্ব কেবল সুস্পষ্ট রুপে পৌঁছে দেওয়া। [সূরা নুর : ৫৪]
ফায়দা : উল্লেখিত আয়াত থেকে জানা গেল যে, রাসূলুল্লাহ সা. এর অনুকরণ অনুসরণের মাঝে হেদায়েত নিহিত রয়েছে। যে যত বেশি সুন্নত মোতাবেক জীবন যাপন করবে, যে তত বেশি হেদায়েত পাবে।

তাই আমরা কাফির, মুশরিক, অমুসলিমদের অনুসরণ ছেড়ে বিশ্ব নবী মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সা. এর অনুকরণ ও অনুসরণ করি, তাহলে আমরা হেদায়েতপ্রাপ্ত হতে পারব এবং আমাদের জীবন সুন্দর হবে। আর আল্লাহর রহমতও বেশি পাব। হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একদিন রাসূলুল্লাহ সা. আমাকে বললেন, তুমি যদি এরূপে সকাল সন্ধ্যা কাটাতে পার যে, তোমার অন্তরে কারো প্রতি হিংসা বিদ্বেষ নেই; তবে তাই কর। এরপর বললেন, হে বৎস! এটা আমার সুন্নাতের অর্ন্তভূক্ত, আর যে আমার সুন্নাতের অনুসরণ করবে সে আমাকে ভালোবাসবে, আর যে আমাকে ভালবাসবে সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে। [তিরমিযী, মেশকাত- পৃ. ৩০]

ফায়দা : মোল্লা আলী কারী রহ. বলেছেন, প্রকৃত সৌভাগ্য অর্জন করা সুন্নাতের অনুসরণের উপর নির্ভরশীল, বুযুর্গানে দ্বীন সুন্নাতের অনুসরণের বরকতে উচ্চ মর্যাদা লাভ করেছেন।
বিশ্রে হাফী নামক বুযুর্গের স্বপ্ন যোগে রাসূলুল্লাহ সা. এর যিয়ারত নসীব হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সা. তাকে সম্বোধন করে বললেন, হে বিশর! তুমি কি জান যে, আল্লাহ তাআলা তোমাকে তোমার সকল সাথী ও সমকালীন লোকদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন কেন? উত্তরে বললেন না। রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, “এই মর্যাদা এবং শ্রেষ্ঠত্বের কারণ হল যে, তুমি আমার সুন্নাতের অনুসরণ কর এবং নেককার লোকদের সম্মান কর ও মুসলমান ভাইদের কল্যাণ কামনা কর।

হযরত বিলাল ইবনে হারিস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বললেন- রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার সুন্নাতসমূহ থেকে কোন সুন্নাতকে জিন্দা করেছে, যার আমলের প্রচলন আমার পরে ছিল না, তার জন্য ঐ সমস্ত লোকদের সওয়াবের পরিমান সাওয়াব রয়েছে যারা এই সুন্নাতের উপর আমল করবে। কিন্তু তাতে তাদের সাওয়াবের কোন অংশ কম করা হবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি যে গোমরাহীর কোন পথ (বিদআত) চালু করেছে যাতে আল্লাহ ও তার রাসূল সা. সন্তুষ্ট না, তার জন্য সে সমস্ত লোকদের গুনাহের সমপরিমান গুনাহ রয়েছে, যার উপর তারা আমল করবে। এতে তাদের গুনাহের কোন অংশ কম করা হবে না। [তিরমিযী, ইবনে মাযাহ- ১৯]

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, “আমার উম্মতের বিশৃঙ্খলার সময় বা তাদের পদস্খলনের সময় যে ব্যক্তি আমার সুন্নাতকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়িয়ে ধরবে, তার জন্য শহীদের সাওয়াব রয়েছে। অপর রেওয়ায়েতে একশ শহীদের কথা উল্লেখ আছে। [বায়হাকী]

বর্তমান যামানা ফিতনা ফাসাদের যামানা, তাই আমাদের খুব দৃঢ়ভাবে সুন্নাতের উপর আমল করা উচিত। রাসূল সা. বলেন, আমার পরে অতি সত্ত্বর তোমরা কঠিন ইখতেলাফ (মতভেদ) দেখবে। সুতরাং তোমাদের জন্য উচিত, আমার ও আমার খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাতকে আকড়িয়ে ধরা।

হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেছেন, মুসলমানদের প্রত্যেকটা আমল আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত। ১. আকীদা সহীহ হওয়া, ২. এখলাস ঠিক থাকা, ৩. সকল কাজ সুন্নাত মোতাবেক হওয়া।

সুন্নাত অনুসরণ আসল এবাদত, সুন্নাতের অনুসরণ ব্যতীত কোন ইবাদত কবুল হবে না।
তাই আসুন আমরা পাশ্চাত্যের অনুসরণ ছেড়ে বিশ্ব নবী আখিরী নবী হযরত মোহাম্মদ সা. এর আদর্শে জীবন যাপন করি, তাহলেই আমাদের জীবনে বয়ে আসবে অনাবিল সুখ শান্তি। আল্লাহ তাআলা যেন আমাকেসহ আমাদের সকলকে সুন্নাতের উপর আমল করার তাওফীক দান করেন। আমীন।