ডাক্তারঃ হারামজাদা, চোখে যদি কিছু নাই দেখস তবে তোর … দাঁড়ালো কেমনে?

চোখের অপারেশনের পর ব্যান্ডেজ খুলে ডাক্তার তরুন রোগীকে জিজ্ঞাসা করলেন,

‘কি দেখতে পাচ্ছেন?’

‘ওহ! আমি তো কিছুই দেখতে পারছি না আপনি আমার ভুল অপারেশন করেছেন, টাকা দিবো না’ তরুন মিথ্যে বলে।

ডাক্তার তরুনের শয়তানী বুঝতে পেরে তাকে বসিয়ে রেখে এক সুন্দরী নার্সকে ডাক দিয়ে সম্পুর্ন নগ্ন হয়ে রোগির সামনে বস্তে বললেন।

নার্সটি তার কাপড় চোপড় খুলে তরুনটির সামনে সম্পুর্ন নগ্ন হয়ে বসল।

নার্সের নগ্ন শরীর দেখে তরুন দারুন উত্তেজিত হয়ে উঠল।

ডাক্তারের মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল। ‘ তারপর …

হারামজাদা, চোখে যদি কিছু নাই দেখস তবে তোর … দাঁড়ালো কেমনে?’

জেনে নিন, নামাজের পর নবী করীম সা. -এর প্রতিদিনের দোয়া

উচ্চারণ: হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়াহুয়া রাব্বুল আরশিল আযীম। সাত বার। [আবু দাউদ ৫০৮১]
অর্থ- আল্লাহ তা’আলা আমার জন্য যথেষ্ট। তিনি ব্যতিত কোন ইলাহ নেই। আমি তাঁরই উপর নির্ভরশীল। তিনি মহান আরশের অধিপতি।
সায়্যিদুল ইস্তিগফার

নবী করীম সা. বলিয়াছেন- যে ব্যক্তি দিনের বেলা এই ইস্তিগফার অন্তরে একীনের সহিত পড়িবে এবং ঐ দিনের সন্ধ্যা হইবার পূর্বে মারা যাইবে সে বেহেশতবাসী হইবে। তদ্রƒপ যে ব্যক্তি রাত্রি বেলা তাহা পড়িবে এবং ঐ রাত্রে ভোর হইবার পূর্বে মারা যাইবে সে বেহেশতবাসী হইবে। [বুখারী:২৯৯/৬. হা.২৩৮৬]

হযরত শাদ্দাদ ইবনে আওস রা. বর্ণনা করিয়াছেন, হযরত নবী করীম সা. বলিয়াছেন, সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার তথা সকল প্রকার ইস্তিগফারের মধ্যে সর্ব শ্রেষ্ঠ ইস্তিগফার এই যে, বান্দা অত্যন্ত কাকুতি-মিনতির সহিত কাতর স্বরে আল্লাহর দরবারে এই রূপ বলিবে-
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আন্তা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আন্তা খালাক্তানী ওয়া আনা আব্দুকা ওয়া আনা আলা আহ্দিকা ওয়া ওয়া’দিকা মাস্তাতা’তু আউযুবিকা মিন শাররি মা সানা’তু আবু’উ লাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়্যা ওয়া আবু’উ বিযান্বী ফাগফিরলী ফা ইন্নাহু লা য়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আন্তা।

অর্থ:‘হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রভু-পরওয়ারদেগার, সৃষ্টিকর্তা, রক্ষাকর্তা, পালনকর্তা। তুমি ভিন্ন আর কেহ মাবুদ ও মকসুদ নাই। আমাকে তুমি সৃষ্টি করিয়াছ, আমি তোমারই বান্দা। আমি আমার শক্তি-সামর্থের সবটুকু ব্যয় করিয়া তোমার নিকট প্রদত্ত ওয়াদা-অঙ্গীকারের উপর দৃঢ় থাকিব। আমার কৃতকর্মের কুফল ভোগ হইতে আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি। আমি যে অপরাধ করিয়া বসি তাহা আমি নতশিরে স্বীকার করিতেছি। আমি যে, অপরাধ করিয়া বসি তাহাও স্বীকার করিতেছি। হে প্রভু! তুমি আমাকে ক্ষমা কর। অপরাধ ক্ষমাকারী তুমি ভিন্ন আর কেহ নাই।’
কম পরিশ্রমে অধিক ছাওয়াব হাসিল ও গুনাহ মাফের ওজীফা-
হযরত নবী করীম সা. ইরশাদ করেছেন, যদি কোন ব্যক্তি একশতবার “সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী” পাঠ করে, তার গুনাহ যদি সমুদ্রের ঢেউ সমপরিমাণও হয়, তবুও তার সমুদয় গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। [মিশকাত]
এক হাজার ছাওয়াবের ওজীফা
নবী করীম সা. ইরশাদ করেছেন, একশত বার ‘সুবহানাল্লাহ’ পাঠ করলে, পাঠকারীর আমলনামায় একহাজার ছাওয়াব লেখা হয় এবং তার এক হাজার পাপকে আমলনামা থেকে বিলীন করে দেয়া হয়। [মেশকাত শরীফ]
একশত হজ্জের ছাওয়াবের ওজীফা
রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ভোর বেলায় একশতবার ‘সুবহানাল্লাহ’ পাঠ করবে এবং সন্ধ্যা বেলায় একশতবার তা পাঠ করবে সে ব্যক্তি একশত হজ্ব পালনের ছাওয়াব লাভ করবে। [তিরমিযী শরীফ]মীযানের পাল্লা ভারী হওয়ার ওজীফা
রাসূলে করীম সা. ইরশাদ করেছেন, দুটি বাক্য মুখে উচ্চারণ খুবই সহজ, কিন্তু সেগুলোর আমল মাপের পাল্লায় খুবই ভারী এবং আল্লাহর নিকট খুবই পছন্দনীয়।
“সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী সুবহানাল্লাহিল আজীম”। [বুখারী]
দশ খতম কুরআনের ছাওয়াব লাভের সুরা
রাসূলে মাকবুল সা. ইরশাদ করেছেন, প্রত্যেকটি বস্তুর একটি অন্তঃকরণ থাকে। কুরআন মাজীদের অন্তকরণ হচ্ছে সূরা ইয়াসীন। কোন ব্যক্তি একবার সূরা ইয়াছীন পাঠ করলে, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য দশবার পূর্ণ কুরআন শরীফ পাঠ করার ছাওয়াব লিখেন। [মিশকাত শরীফ]

দশ লাখ নেকী বৃদ্ধি ও জান্নাত লাভের আমল
নবী করীম সা. ইরশাদ করেছেন, কোন ব্যক্তি যদি বাজারে প্রবেশ করে এই দুআ পড়ে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, য়ুহয়ী ওয়ায়ুমীতু বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইইন কাদীর’ তার জন্য আল্লাহ তা’আলা দশ লাখ ছাওয়াব লিখে দেন, তার দশ লাখ গুনাহ মাফ করে দেন। তার দশ লাখ মরতবা উন্নত করেন এবং জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর নির্মান করেন। [তিরমিযী শরীফ]

অধিক ফযীলত লাভের সূরা
রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন সূরাহ যুলযিলাত অর্ধ কুরআনের সমতুল্য, আর কুলহুওয়াল্লাহু আহাদ হচ্ছে এক তৃতীয়াংশ কুরআনের সমতুল্য এবং সূরা কাফিরুন হচ্ছে এক চতুর্থাংশ কুরআনের সমপরিমাণ। [তিরমিযী শরীফ]

পঞ্চাশ বছরের ছগীরা গুনাহ মাফের আমল
নবী করীম সা. ইরশাদ করেছেন, যদি কোন ব্যক্তি দৈনিক দুইশতবার সূরা কুলহুয়াল্লাহু আহাদ পাঠ করে আল্লাহ তা’আলা তার আমলনামা থেকে পঞ্চাশ বছরের সগীরা গুনাহ বিলীন করে দেন। তবে তার দায়িত্বে কারো ঋণ থাকলে, তা ক্ষমা করা হবে না। [তিরমিযী ]
জনৈক সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সা. আমি সূরা কুলহুওয়াল্লাহু আহাদকে খুব ভালবাসি। তখন নবী কারীম সা,. বললেন তার প্রতি অগাধ ভালবাসাই তোমাকে জান্নাতে দাখিল করবে। [তিরমিযী শরীফ]

রাতের জোকসঃ চুপ করো নয়তো ধরে দাঁড় করায় দিবো।

মহিলা টিচার (রেগে) : চুপ করো নয়তো ধরে দাঁড় করায় দিবো।
সবগুলো ছাত্র চিৎকার করতে শুরু করলো,
“ম্যডাম আমারটা আগে”
“না ম্যডাম আমারটা আগে” 😛 😛 😛
### এক মহিলা ডাক্তার পাগলাগারদে এক পাগলকে বল্ল : “আমার ওড়না খুলো”
পাগল তাই করলো।
ডাক্তারঃ ” আমার কামিজ খুলে ফেলো ”
পাগল ডাক্তারের কামিজ খুলে ফেললো !!!!
ডাক্তারঃ “এবার আমার সালোয়ার খুলো !!!!! ”
পাগল তাও খুলে ফেল্ল।
এরপর ডাক্তার পাগলকে বল্ল : “আর কোনদিন যাতে আমার কাপড় পড়তে না দেখি… ঠিক আছে??”
পাগল বল্ল : ঠিক আছে !
### এক মেয়ে শরির দুরবলতার জন্য ডাক্তারের কাছে গেল
ডাক্তার মেয়ে কে কিছু পরিক্ষা করতে দিল
পরীক্ষার report গুলি নিয়ে সে ডাক্তারের কাছে গেল
ডাক্তার : আপনি তো pregnant
মেয়ে : কি বলছেন ডাক্তার সাহেব
ও নো………..আজকাল বেগুনেও ভরসা করা যায় না………।।

জেনে নিন, আমানত ও জামানতের পার্থক্য কী?

প্রশ্ন : আমানত এবং জামানতের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর : আমানত হচ্ছে সেই বিষয়টি, সেটা সম্পদ হতে পারে, বস্তু হতে পারে, কথা হতে পারে, কাজ হতে পারে, দায়িত্ব হতে পারে, যে কোনো কিছু হতে পারে। অন্যের মালিকানার বিষয় যেটি আপনার কাছে রাখা হয়েছে, আপনাকে এর ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংরক্ষণের জন্য, সেটি।

জামানত হচ্ছে, আপনি কারো কাছ থেকে যেই দায়িত্বটুকু আদায় করে নিয়েছেন, সেটি। যেমন : আপনি একজনের কাছ থেকে ৪০০ টাকা ঋণ নিয়েছেন, এই ঋণ নিয়েছেন আপনার দায়িত্বে, এটা হচ্ছে জামানত। আপনি পরবর্তী সময়ে এটাকে আদায় করে দেবেন।

আমানত এবং জামানতের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে এই, জামানতটায় আপনার ওপর দায়িত্ব বর্তাবে কিন্তু আমানতটা আপনি আরেকজনের ওপর দায়িত্ব দিয়েছেন, এই দায়িত্বটুকু আপনার ওপর বর্তাবে না, কারণ এই দায়িত্ব আপনি ইচ্ছা করে নেননি।

আপনাকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে কোনো ব্যক্তিকে যদি আমানত দেওয়া হয়ে থাকে, এই আমানতটা তাঁকে দেওয়ার পরে যদি তাঁর ইচ্ছার বাইরে সেই আমানতটা ধ্বংস হয়ে যায় অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়, তাহলে এটাকে আর পূরণ করতে হবে না।

কিন্তু জামানতের ক্ষেত্রে সেটা পূরণ করা ওয়াজিব, বাধ্যতামূলক, তাঁকে অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

হিরো আলমঃ আপনার মন যদি আপনার বুকের মত নরম হয় , তবে মাফ করে দিয়েন

লিফটে ওঠার সময় হিরো আলম এর চোখ পড়ল যে , লিফটে খুব সুন্দর ফিগারের এক মেয়ে দাড়িয়ে আছে ।

লিফটে ঢুকেই হিরো আলম ওই মেয়ের পাশে গিয়ে দাড়ালো ,

তারপর আসতে করে তার হাতের কনুই দিয়ে মেয়েটার বুকে চাপ দিল । 😉

চাপ দিয়েই হিরো আলম বলল , ” সরি , গুতো টা ইচ্ছে করে লাগে নি ,

আপনার মন যদি আপনার বুকের মত নরম হয় , তবে মাফ করে দিয়েন ” ;);):P

পঞ্চম তলায় নেমে যাবার আগে মেয়েটা হিরো আলমের দিকে ঘুরে বলল ,

আপনার পুরুষত্ব যদি আপনার কনুইটার মত শক্ত হয় , তবে আমার রুম নাম্বার ৫০৫ ” :DB-)

বফঃ ভয় পেও না বাচ্চাটা, এটা অতদূর যাবে না।

১টি ছেলে ও ১টি মেয়ের মাঝে গভীর প্রেম ছিল। ছেলেটি একবার হাত কেটে রক্ত দিয়ে মেয়েটিকে চিঠি লিখেছিল। কিছুদিন পর তাদের ভালবাসা নষ্ট হল। তো যার কাছে যার দেনা পাওনা ছিল মিটিয়ে নিচ্ছিল।

সব শেষে ছেলেটি বললো আমার রক্ত ফেরত দে, মেয়েটি সাথে সাথে তার সালোয়ারের নিচ থেকে ১টা ন্যাপকিন বের করে ছেলেটির হাতে দিয়ে বললো নে শালা তোর রক্ত কিস্তিতে শোধ দেব!!!
________________________________________

এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে,
: আমার যা কিছু আছে সব তোমার।
প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে,
: তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-কামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না?
________________________________________

প্রেমিক প্রেমিকার কথোপকথন-
: বলো তো পৃথিবীর প্রথম প্রেমিক প্রেমিকা কে?
: আদম আর ইভ।
: গুড। এবার বলো তো ইভ আদমকে প্রথম কোন কথাটি বলেছিলো?
: এটা বেশ শক্ত।
: ভেরি গুড; এটাও পেরেছ।
________________________________________

প্রেম চলাকালীন সময়ে প্রেমিকা প্রেমিককে বলল, এত জোরে না সোনা, প্লিজ। আমার হার্ট দুর্বল।
প্রেমিক আশ্বস্ত করল, ভয় পেও না বাচ্চাটা, এটা অতদূর যাবে না।
________________________________________

জেনে নিন, জন্মের আগে থেকেই কি বিয়ের বিষয়টি নির্ধারিত?

প্রশ্ন : সবাই বলে বা অনেক হুজুরও বলেন যে জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে—এই তিনটি আল্লাহ আগেই নির্ধারণ করে রাখেন। আমি জন্ম-মৃত্যু বিশ্বাস করি; কিন্তু বিয়ে আল্লাহ জন্মের আগে নির্ধারণ করে রাখেন, এটা নিয়ে আমার একটু দ্বিধা আছে। অনেকে বলে যে আমি যদি এটা বিশ্বাস না করি, তাহলে গুনাহ হবে। এই বিষয়টি একটু জানতে চাই।

উত্তর : এটা আসলে তাকদিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি বিষয়। তাকদিরকে আমরা ভালোভাবে বুঝতে পারিনি, যে কারণে এমন একটি বিভ্রান্তিতে আমরা পড়ে যাই এবং প্রশ্ন তুলি। আসলে আল্লাহতায়ালা যে তাকদির নির্ধারণ করেছেন, সেটি সৃষ্টিরও আগে, এটা হাদিসেও এসেছে। ফলে এই তাকদিরটি কী আসলে? এটা কি বাধ্য করা নাকি অন্য কিছু?

আল্লাহর তাকদিরের চারটি স্তর। তাকদিরকে বোঝার জন্য সেই চারটি স্তর আগে বুঝতে হবে। প্রথমত হচ্ছে, আল্লাহ সবকিছু জানেন, আল্লাহ যা জানেন তা লিখে রেখেছেন, যা লিখে রেখেছেন তা তিনি চান এবং যা তিনি হওয়াতে চান, তা তিনি সৃষ্টি করেন। এই চারটি স্তর থেকে বোঝা যাচ্ছে, আল্লাহ জোর করে কারো ভালো-মন্দ করেন না বা একজনের বিয়ের ব্যবস্থা করেন না। এখানে সৃষ্টির কিছু বৈশিষ্ট্য আছে।

এই তাকদিরের সঙ্গে মানুষের দায়িত্ববোধের কোনো সম্পর্ক নেই। আল্লাহ যে তাঁদের শাস্তির ব্যবস্থা করেছেন অথবা পুরস্কারের ব্যবস্থা করেছেন, সেটা তাকদিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। আল্লাহ বলে দিয়েছেন, তাকদির তার জায়গায় থাকবে। কিন্তু আল্লাহ বলে দিয়েছেন, তোমাদের ভালো-মন্দের একটা সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। তাকদির হচ্ছে আল্লাহর ভাবনা, এটা মানুষের বিষয় নয়। অতএব, এটি নিয়ে মানুষের নাড়াচাড়া করার কোনো প্রয়োজন নেই। মানুষ শুধু তাকদিরে বিশ্বাস করবে, এটুকুই। এটাকে নিয়ে গবেষণা করার কোনো সুযোগ নেই। বিনা বাক্যব্যয়ে, কোনো যুক্তি-অযুক্তি ছাড়া আল্লাহ আমাদের যা বলেছেন, আমরা সবটাই বিশ্বাস করব। আমরা শুধু আল্লাহর বিধিবিধানগুলো মেনে চলব। তা মেনে চললে আমরা পুরস্কার পাব এবং ভঙ্গ করলে আমরা শাস্তি পাব। এখানে তাকদিরকে দলিল হিসেবে আনা যাবে না। এই ব্যাপারে সব ওলামায়ে কেরাম এবং সাহাবায়ে কেরাম একমত।

বিয়ের ব্যাপারে তো উদ্যোগ-আয়োজনের ব্যাপার থাকে। অভিভাবক আছে, তাঁদের কিছু তৎপরতার প্রয়োজন হয়। এখানে সেই প্রচেষ্টা চালাতে হবে এবং এর ফলও পাওয়া যায়। আমরা তো আশপাশে দেখেছি, বিয়ে হচ্ছে না। কিন্তু প্রচেষ্টা চালিয়েছে, বিয়ে হয়ে গেছে। এভাবে না হওয়ার উদাহরণ তো খুবই কম। এটা আল্লাহর হাতে বলে আমি বসে থাকব, তার সুযোগ নেই। আল্লাহর হাতে তো সবকিছুই। যে যেটার উপযুক্ত, সে সেটাই পেয়ে যায়।

ডাক্তার দোস্ত, তাহলে তো আমার স্ত্রীর-ও মনে হয় হয়েছে।

এক লোক তার ডাক্তার বন্ধুকে ফোন করে বলে – ডাক্তার, আমার ছেলের মনে হয় এইডস হয়েছে। বাড়ির কাজের মেয়ের সাথেই সে একমাত্র আকামটি করেছে।

– ঠিক আছে, ও তো একটা বাচ্চা। ওরসাথে খারাপ আচরণ করো না। ওকে চেম্বারে নিয়ে এসো। সব ঠিক হয়ে যাবে।

– কিন্তু ডাক্তার। আমিও তো ওই কাজের মেয়ের সাথে উল্টাপাল্টা করেছি। আমারও মনে হয় এইডস হয়েছে।

-তাহলে তুমিও চলে এসো। দু’জনেরচিকিৎসা এক সাথেকরে দেই।

– ডাক্তার, তাহলে তো আমার স্ত্রীর-ও মনে হয় হয়েছে।

– শয়তানের বাচ্চা। আগে বলবি না। তার মানে আমারও কাহিনী হয়ে গেছে।

জেনে নিন, মসজিদটিতে তালাবন্ধ করে দিয়েছিল সেই দেশের সরকার, গায়েবি ভাবে হচ্ছে আজান, খুলছে দরজা (ভিডিওটি দেখুন, )

মসজিদটি সরকার তালাবন্ধ করে দিয়েছিল সেই দেশের সরকার, ওয়াক্ত হলেই আজান  দরজা গায়েবি ভাবে হচ্ছে আজান, খুলছে দরজা