জোকসঃ বালিশের নীচে তোমার পেনিস…

শিকাগোর এক হাসপাতালে এক ভদ্রলোক অনেক্ষণ যাবৎ ছেলেদের টয়লেটে যেতে চাচ্ছিল কিন্তু কেউ না কেউ সবসময় ভেতরে থাকে এজন্য যেতে পারছিল না। একজন নার্স লোকটার দুর্দশা দেখছিল, সে বলল, স্যার, আপনি মেয়েদের টয়লেট ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু আপনাকে প্রমিজ করতে হবে যে আপনি টয়লেটের দেয়ালের কোন বাটন ব্যবহার করবেন না।

ভদ্রলোক তাতে রাজী হয়ে টয়লেটে গেল, তারপর যা করার করল, এবং বসে থাকার সময় সে দেয়ালে বাটন গুলো লক্ষ্য করল। প্রত্যেকটা বাটনের গায়ে কিছু অক্ষর বসানো আছে যেমন, ww, wa, pp এবং লাল একটা বাটনে apr।

সে ভাবল বাটন গুলো চেপে দেখলে কে আর দেখবে, কিউরিসিটির জয় হল, সে ww (warm water) বাটন চাপল ইষৎ গরম পানি এসে তার পশ্চাৎদেশে স্প্রে করে দিল। কি মজার অনুভূতি, পুরুষের টয়লেটে এসব নাই কেন?

আরও ভাল কিছু হবে এটা ভেবে সে wa (warm air) বাটন চাপল, গরম পানির বদলে এবার গরম বাতাস এসে তার পশ্চাৎদেশ শুকিয়ে দিল।

যখন ঐটা শেষ হল তখন সে pp (perfume puff)বাটন চাপল এবং খুব সুগন্ধি পাউডারের একটা পাফ এসে তার তলদেশে সুগন্ধে ভরে দিল, তার মনে হল মেয়েদের রেস্টরুম আসলে আনন্দদায়ক!

পাউডারের পাফ দেয়া শেষ হলে সে apr বাটন না চেপে থাকতে পারল না, যেটায় সে ভাবছিল সবচেয়ে বেশি মজা পাওয়া যাবে।

জ্ঞান হওয়ার পরে সে দেখল হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে, এবং নার্স তার দিকে তাকিয়ে আছে। তার বিশেষ অঙ্গের উপর ব্যন্ডেস করা।

কি হয়েছে ! শেষ যেটা মনে পড়ছে আমি apr বাটন চাপছিলাম।

apr বাটন হল অটোম্যাটিক প্যাড রিমুভার, বালিশের নীচে তোমার পেনিস…

রম্যঃ আজ রাতটা বড়, কী করবেন

আপনি জানেন আজ ২৩ ডিসেম্বর। বছরের সবচেয়ে বড় রাত? আসুন জেনে নিই এই বড় রাতে কী করবেন।

ফেসবুক লাইভে আসুন
আজ রাতে ফেসবুক লাইভে আসুন। ফেসবুক লাইভে না এলে মান-সম্মান নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যায়। আপনি প্রচণ্ড ব্যস্ততার দরুন লাইভে আসতে পারছেন না। অথচ সবাই মনে করে আপনার চেহারা সুন্দর না বা লাইভ অপশন পাননি কিংবা স্মার্টফোন চালানোর মতো স্মার্ট হননি বলে লাইভে আসছেন না। এবার সারা রাত লাইভে থেকে সবাইকে দেখিয়ে দিন।

বিয়ে করে ফেলুন
আজ ২৩ ডিসেম্বর। আপনি বিয়ে করলে বছরের সবচেয়ে বড় রাত হবে আপনার বাসর রাত। মনের যত কথা আছে সব বলতে পারবেন। সব কথা পূর্বে বলা হয়ে থাকলে রিভিশন দিতে পারেন।

ফেসবুক বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ জমাতে পারেন
ব্যস্ততার দরুন ফেসবুকে হাজার হাজার বন্ধুর সঙ্গে কথা বলা হয়ে ওঠে না। যেহেতু বড় রাত, একে একে সবার সঙ্গে আলাপ সেরে নিতে পারেন।

বন্ধুর ছবিতে লাইক দিয়ে রাত কাটাতে পারেন
সবার লিস্টে এমন বন্ধু আছে যে কাঁচাবাজারে গেলেও কয়েকশ ছবি সেলফি ওঠে এবং সবগুলো ফেসবুকে আপলোড দেয়। আপনি আবার সে ছবিতে লাইক দেন না বলে কিঞ্চিত অভিমান করে আছে। বন্ধুর অভিমান ভাঙানোর মোক্ষম সুযোগ এই ২২ ডিসেম্বর। বড় রাত। সারা রাত ভরে বন্ধুর সেলফিতে লাইক দিন।

জেনে নিন, যে মসজিদে ৭০ জন নবী নামাজ আদায় করেছেন

আল খায়েফ মসজিদ
পবিত্র মক্কা নগরী থেকে: মক্কা থেকে মিনার দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। মিনায় হাজিদের জন্য স্থাপিত বিশেষ তাঁবুতে অবস্থান করে হজের বেশকিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়।

হজের আনুষ্ঠানিকতার অন্যতম অংশ হলো- শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে কঙ্কর নিক্ষেপ করা। এই কঙ্কর নিক্ষেপের স্থানের খুব কাছে ঐতিহাসিক ‘মসজিদে খায়েফ’ অবস্থিত। এই মসজিদে ৭০ জন নবী নামাজ আদায় করেছেন।

সওর পাহাড়ের বিপরীত দিকের পাহাড়ের অদূরে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদের আলোচনা বেশ গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে। বিশাল মসজিদটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে আসা হাজিদের মনে করিয়ে দেয় ইতিহাসের অনেক ঘটনাকে।

বৃহদাকার মসজিদের উচুঁ মিনারগুলো বেশ দূর থেকে পাহাড়ের চূড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বর্ণিত আছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এই মসজিদে নামাজ আদায় করছেন এবং বলেছেন, এখানে সত্তরজন নবী সমাহিত হয়েছেন।

নবী করিম (সা.) বিদায় হজে মসজিদে খায়েফে নামাজ পড়েছেন। এই মসজিদের অনেক ফজিলত হাদিস ও ইতিহাসের গ্রন্থসমূহে উল্লেখ আছে।

পাহাড়ের চেয়ে নিচু এবং সমূদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঁচু স্থানকে আরবি পরিভাষায় খায়েফ বলা হয়। আবার দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী উপত্যকাসম ভূমিকেও খায়েফ বলে আরবরা।
আল খায়েফ মসজিদ
অপরদিকে, খায়েফ মসজিদ হচ্ছে মক্কার কাফেরদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের বিজয়ের এক স্মৃতিচিহ্ন।

ইতিহাসে এসেছে, পঞ্চম হিজরিতে ইহুদিদের প্ররোচনায় মক্কার কাফেররা মদিনায় হামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ লক্ষ্যে তারা কিছু আরব গোত্রের সঙ্গে সন্ধি চুক্তি করে। এই সন্ধি চুক্তি করার জন্য মক্কার কাফেররা যে স্থানটি বেছে নেয় পরে সেখানেই খায়েফ মসজিদ নির্মিত হয়।

মূলত মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফের গোত্রগুলোর ঐক্যের ব্যর্থতার নিদর্শন হিসেবে মসজিদটি দাঁড়িয়ে প্রতিনিয়ত ঘোষণা করছে, ইসলামের বিজয়গাঁথা ইতিহাসকে।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) খায়েফ মসজিদের যে জায়গায় দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছিলেন ওসমানিয় শাসনামলে সেখানে একটি বড় গম্বুজ ও মেহরাব তৈরি করা হয়। এখন অবশ্য সেটি আর নেই।

ঐতিহাসিক আল খায়েফ মসজিদ

বর্ণনায় এসেছে, ২৪০ হিজরিতে এক প্রলয়ঙ্করী বন্যায় খায়েফ মসজিদ ধসে পড়ে। তবে বন্যা শেষ হওয়ার পরপরই মসজিদটি আবার নির্মাণ করা হয় এবং এর চারপাশে বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়। সে সময় এই মসজিদের দৈর্ঘ্য ছিল ১২০ মিটার এবং প্রস্ত ছিল ৫৫ মিটার।

সে হিসাবে এটি ছিল ওই সময় আরব অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মসজিদ। এমনকি তখন মসজিদে হারামের চেয়েও বড় ছিল এই মসজিদের আয়তন।

৮৭৪ হিজরিতে মিসরের মামলুকি সুলতান কাইতবা এই মসজিদ পুননির্মাণ করেন। মসজিদের ওই স্থাপনাটি কয়েক দশক আগ পযন্ত বিদ্যমান ছিল।

এখন থেকে তিন দশক আগে ১৪০৭ হিজরিতে এই মসজিদ পরিবধন ও পুননির্মাণের এক বিশাল পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মসজিদের আয়তন আগের চেয়ে চারগুণ বাড়িয়ে প্রায় ২৫ হাজার বর্গমিটার করা হয়।

খায়েফ মসজিদে এখন ৩০ হাজার মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের চারকোণায় অবস্থিত চারটি সুউচ্চ মিনার মসজিদটিকে দান করেছে অপার সৌন্দর্য।

হজের মৌসুমে মিনায় শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের সময়টাতে মসজিদটি মুসল্লিদের প্রচুর ভিড় দেখা যায়।
আল খায়েফ মসজিদ
মসজিদের সামনে স্থাপিত সাইনবোডে বেশ ৭টি ভাষায় লেখা রয়েছে মসজিদের নাম। সেখানে বাংলাতেও লেখা আছে- আল খায়েফ মসজিদ।

জোকস টিপসঃ ভুলেও কনডম কখনও মানিব্যাগে রাখা যাবেনা!

রনের সব কিছুই ঠিক ছিল। জুলির সাথে অনেক দিন প্রেম করার পর ও তাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। জুলির পরিবারও ওকে মেনে নিয়েছে। বিয়ের দিন তারিখও মুটামুটি ঠিক। কিন্তু সমস্যা এক জায়গাতেই। তা হলো জুলির ছোট বোন টিশা। টিশা ভীষণ সুন্দরী আর সেক্সি!
যদিও জুলিও কম সুন্দরী না। কিন্তু টিশা রনকে দেখলেই কেমন যেন করে বলে রনের মনে হয়!

যেমন ইচ্ছা করে বুক, পা বের করা, ইংগিত দেয়া এসব আর কি!
টিশা কিন্তু আর কারো সামনে এমন করে না।
যাই হোক, এটা নিয়ে রন একটু অস্বস্তিতেই ছিল। রনের অস্বস্তি আরো বেড়ে গেলো যখন ও একদিন জুলিদের বাসায় গিয়ে দেখলো যে ওখানে টিশা ছাড়া আর কেউ নেই।
এবার টিশা সরাসরি ওকে বলেই ফেললো, “তোমাকে আমার ভালো লাগে! যেহেতু আপুর সাথে তোমার বিয়ে হতে যাচ্ছে তাই তোমাকে চিরদিনের মতো করে পাবার উপায় নেই। কিন্তু তোমার বিয়ে হবার আগে আমি তোমাকে একবারের জন্য কাছে পেতে চাই!
আমি উপরের তলায় অপেক্ষা করছি।”
এই বলে টিশা উপরে চলে গেলো এবং উপর থেকে নিজের প্যান্টি খুলে ছুড়ে ফেললো!
রনের মাথা ঘুরতে লাগলো! সে কোন দিকে না তাকিয়ে মূল দরজা খুলে বের হয়ে গাড়ির দিকে হাঁটতে লাগলো। একটু এগোবার পর সে দেখলো তার হবু শ্বশ্বুর ও জুলি দাঁড়িয়ে আছে!

তারা দু জনেই রনকে জড়িয়ে ধরলো! রনের হবু শ্বশ্বুর বলতে লাগলো, “আমি আজ খুব খুশি! তোমার সততা পরীক্ষা করার জন্য আমরা টিশাকে দিয়ে এই নাটকটি করিয়েছিলাম! তুমিই জুলির উপযুক্ত পাত্র!”
রন একটু হতভম্ব হয়ে ভাবতে লাগলো, “যাক আজকের ঘটনা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শিখলাম। ভুলেও কনডম কখনও মানিব্যাগে রাখা যাবেনা! কনডম রাখার জন্য গাড়ির গ্লভস্ই উপযুক্ত জায়গা!!”

আমি অপেক্ষায় আছি

দুই কুত্তা গ্রামে খাবার কমে যাওয়া শহরে আসছে। এসে একজন গেছে উত্তরে একজন দক্ষিনে। একমাস পর দুইজনের দেখা। উত্তরের জন অনেক মোটাতাজা হয়ে গেছে কিন্তু দক্ষিনের জন আরও শুকায়ে গেছে। তো উত্তরের জন দক্ষিনের জনরে কইছে তুমি উত্তরে চলে আস, উত্তরে অনেক খাবার, তুমি অনেক মোটা হয়ে যাবে।

:না
:কেন?
:আমি অপেক্ষায় আছি।
:কিসের অপেক্ষা?
:আছে বলা যাবে না।
একমাস পর আবার তাদের দেখা। এইবার দক্ষিনের জন আরও শুকায়ে গেছে। কিন্তু তারপরও সে উত্তরে যাবে না। শুধু বলে সে অপেক্ষায় আছে।
আরও একমাস পর তাদের আবারও দেখা। দক্ষিনের জনের অবস্থা এইবার মরমর। তো উত্তরের জন কইছে হয় এইবার তুমি আমার সাথে আসবা না হয় কইবা তুমি কিসের অপেক্ষায় আছো।

: তাইলে শুনো। ঐ যে সাদা বাড়িটা দেখ। ঐখানে একটা নতুন বৌ আসছে। সে রান্না খুব একটা পারে না। একদিন তরকারিতে লবন বেশী দিয়া ফেলছিল। তখন জামাইডা কইছে আর একদিন যদি তরকারিতে লবন বেশী হয় তরে আমি কুত্তা দিয়া চাটামু। আমি অপেক্ষায় আছি আবার কবে তরকারিতে লবন বেশী হবে।

জেনে নিন, অজু করতে গিয়ে নামাজের সময় পার হলে কী করতে হবে?

প্রশ্ন : সালাতের ভেতর কি বায়ু চাপিয়ে রাখা যায়? অজু করতে গেলে যদি সময় পার হয়ে যায়, তবে কি কাজা সালাত পড়ে নিতে হবে?

উত্তর : না, সালাতের ভেতরে এই কাজ করা জায়েজ নেই, এটি মাকরুহ। কখনো কখনো সালাত বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। কারণ, আপনি মনোযোগই তো দিতে পারবেন না। আপনি দুই দিকে মনোযোগ দেবেন কীভাবে? এটা আপনার একেবারেই প্রয়োজন। আপনি খেয়াল করবেন অজু নষ্ট হচ্ছে কি না, নাকি সালাতের মধ্যে খেয়াল রাখবেন। এই কাজ ইসলাম অনুমোদন দেয়নি। সুতরাং রাসূল (সা.) সালাতের যে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সেটি হচ্ছে, ‘কোনো ব্যক্তি সে অবস্থায় সালাত আদায় করবে না যে সে প্রস্রাব অথবা পায়খানা আটকে রাখার চেষ্টা করছে।’

দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে, এমনভাবে কি সালাত আদায় করতে যাচ্ছেন যে অজু করতে গেলেই সালাতের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাবে। এটাও একটা ভুল কাজ। অজু করতে লাগে তিন মিনিট। এই তিন মিনিটেই আপনার ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাবে? এর অর্থ হচ্ছে আপনি আসলে সালাত আদায়ের ব্যাপারে ওয়াক্তের দিকে যে নজর দেওয়ার কথা ছিল, সেটি দেননি। কিন্তু এর পরও যদি কারো প্রস্রাব অথবা পায়খানার বেগ থেকে যায় আর তার সময় একেবারেই শেষ, সালাতের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাহলে তিনি অজু করে সালাতের মধ্যে দাঁড়িয়ে যাবেন না, বরং প্রস্রাব-পায়খানা শেষ করবেন। এর পর অজু করে সালাত আদায় করবেন। এই সালাত তাঁর কাজা করতে হবে, এটি শুদ্ধ নয়, এই সালাত আপনি স্বাভাবিকভাবে যেভাবে সালাত আদায় করেন, সেভাবে করবেন। কারণ এ ছাড়া আপনার আর কোনো উপায় ছিল না। অজু ছাড়া তো সালাত আদায় করার কোনো সুযোগ নেই। আর অজু করতে হলে অবশ্যই এই সময়টুকু তাঁকে দিতে হবে। এটি তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক, ওয়াজিব। তাই এই ওয়াজিবটুকু সালাত আদায়ের জন্য তাঁকে আদায় করতেই হবে। ফলে তাঁর সালাতটা কাজা হবে না, এই অবস্থায় তিনি সালাত আদায় করতে পারবেন, এটিকে কাজা বলা হয় না।

জোকসঃ গার্ল ফ্রেন্ড-রে নিয়া খামু।

০। ফকিরঃ বাবা আমারে ১০টা টাকা দেন চা খাব।
ভদ্রলোকঃ চা খেতে তো ৫টাকা লাগে, তুমি ১০ টাকা চাচ্ছ কেন?
ফকিরঃ গার্ল ফ্রেন্ড-রে নিয়া খামু।
ভদ্রলোকঃ হালার পাবলিক। ফকির হইয়াও গার্ল ফ্রেন্ড বানাইয়া ফেলছ!!

ফকিরঃ না স্যার, গার্ল ফ্রেন্ড-ই আমারে ফকির বানাইছে।

১। বাবা: এই সামনেই তো তোর জন্মদিন। উপহার কী চাই বল তো?
ছেলে: তেমন কিছু না, বাবা, একটা সিডি প্লেয়ার দিলেই চলবে।
বাবা: ব্যস! এটুকুই?
ছেলে: সিডি প্লেয়ার একটা গাড়িতে বসানো থাকলে ভালো হয়…।

২। মা: তুই এত অপদার্থ কেন! কোনো একটা কাজ অন্য ছেলের আগে শেষ করতে পারিস না।
ছেলে: পারি তো মা, আমার হাতের লেখা আমি সবার আগে পড়তে পারি।

৩। শিক্ষক: বল তো রাজু, ৪ গুণ ৭ সমান সমান কত?
রাজু: ২৮, স্যার।
শিক্ষক: এবার বল তো, ৭ গুণ ৪ সমান সমান কত?
রাজু: ৮২, স্যার।

৪। ইতিহাসের অধ্যাপক: বলো তো, ব্রিটেন আমাদের কত দিন শাসন করেছিল?
ছাত্র: আপনার বইয়ের ৫০-৭৭ পৃষ্ঠা পর্যন্ত শাসন করেছিল, স্যার।

৫। মাঝরাতে স্ত্রী স্বামীকে ঠেলা দিয়ে বলল, ‘অ্যাই…শোনো! একটা চোর ঢুকেছে বাসায়। আমার মা যে পিঠাগুলো পাঠিয়েছিল, সেসব খাচ্ছে ফ্রিজ থেকে বের করে।’
স্বামী: বলো কি! এখন তো পুলিশ বাদ দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে হবে!

৬। কানের সমস্যা নিয়ে এক বৃদ্ধ গেলেন ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার তাঁকে একটা শ্রবণযন্ত্র দিলেন। এর এক মাস পর ফিরে এলেন সেই বৃদ্ধ। ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, ‘কানে কেমন শুনছেন এখন?’
বৃদ্ধ: একদম পরিষ্কার।
ডাক্তার: ঘরের লোকজন নিশ্চয়ই খুব খুশি।
বৃদ্ধ: বাড়ির কাউকে এখনো জানাইনি। চুপচাপ বসে বসে ওদের কথা শুনি। এর মধ্যে পাঁচবার উইল পাল্টেছি।

৭। আধুনিক চিত্রকরেরা তাঁদের আঁকা ছবির নিচে ডান কোণে স্বাক্ষর বসান কেন?
—নইলে ছবির ওপর-নিচ আপনি বুঝতে পারতেন?

৮।  সাতসকালে ফোন বেজে উঠল। রিসিভার তুলে ঘুম ঘুম গলায় জোলতান বলল, ‘হ্যালো, কে বলছেন?’
‘আপনি আমাকে চিনবেন না।’
‘কোনো প্রয়োজনে ফোন করেছেন?’
‘না।’
‘তাহলে ফোন করার কারণটা কী?’
‘এই সময় ফোন সস্তা বলে।’

৯। হাবলু ও সঞ্জুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
সঞ্জু: কী রে, তুই অফিসে না গিয়ে এভাবে বসে আছিস কেন?
হাবলু: আর বলিস না। বড় কর্তা অফিসে আসতে বারণ করে দিয়েছেন। বস আমার ওপর খুব খেপা।
সঞ্জু: কেন?
হাবলু: অফিসে কাজ করার সময় একটা মশা মেরেছিলাম, এ কারণে হবে হয়তো।
সঞ্জু: শুধু একটা মশা মারার কারণে এই শাস্তি! তোর বড় কর্তা তো লোক ভালো না।
হাবলু: আরে বোকা, রেগেছেন কী সাধে! মশাটা যে উনার গালের ওপর বসে ছিল।

 

১০। বস-কর্মকর্তার মধ্যে কথা হচ্ছে—
কর্মকর্তা: স্যার, এবার আমার বেতনটা একটু বাড়িয়ে দিলে ভালো হতো।
বস: কেন?
কর্মকর্তা: গত সপ্তাহে বিয়ে করেছি। তাই আগের বেতনে দুজনের চলাটা বেশ কষ্ট হবে, স্যার।
বস: শুনুন, অফিসের বাইরের কোনো দুর্ঘটনার জন্য অফিস কোনোভাবেই দায়ী নয়। আর তার জন্য জরিমানা দিতেও অফিস রাজি নয়।

জেনে নিন, তুর পাহাড়: আল্লাহর সঙ্গে মুসা আ.-এর কথা বলার স্থান

তুর পাহাড়: আল্লাহর সঙ্গে মুসা আ.-এর কথা বলার স্থান (ছবি: সংগৃহীত)
প্রাচীনকাল থেকেই মিসর সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে স্বীকৃত। যুগে যুগে দর্শনার্থীদের বিচরণভূমি হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে পর্যটন খাত মিসরের অর্থনীতি সচল রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

মিসরের যেসব স্থান পর্যটকদের আকর্ষণ করে এর অন্যতম হলো- তুরে সাইনা বা তুর পাহাড়।

কায়রো থেকে তুরে সাইনা যাওয়ার দু’টি পথ। এর একটি সোজা অন্যটি বেশ ঘুরে। সোজা রাস্তার দূরত্ব কায়রো থেকে ৪৩০ কিলোমিটার। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে রাস্তাটি বন্ধ। অন্য রাস্তাটি হলো- কায়রো থেকে শারমুশ শাইখ হয়ে তুরে সাইনা যাওয়া। এ পথের দূরত্ব ৭৪০ কিলোমিটার।

কোরআনে কারিমে হজরত মুসা (আ.) সম্পর্কে অনেক আলোচনা রয়েছে। প্রচুর উপমা ও বিভিন্ন আঙ্গিকে তার ঘটনা বারবার উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে মানুষ এসব থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

যেমন কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘মুসা যখন মেয়াদ পূর্ণ করল এবং নিজ স্ত্রীকে নিয়ে রওয়ানা হয়ে গেল, তখন সে তুর পাহাড়ের দিকে এক আগুন দেখতে পেল। সে নিজ পরিবারবর্গকে বলল, তোমরা অপেক্ষা কর। আমি এক আগুন দেখেছি, হয়ত আমি সেখান থেকে তোমাদের কাছে আনতে পারব কোনো সংবাদ অথবা আগুনের একটা জ্বলন্ত কাঠ, যাতে তোমরা উত্তাপ গ্রহণ করতে পার। সুতরাং সে যখন আগুনের কাছে পৌঁছল, তখন ডান উপত্যকার কিনারায় অবস্থিত বরকতপূর্ণ ভূমির একটি বৃক্ষ থেকে ডাকা হলো- হে মুসা! আমিই আল্লাহ, জগৎসমূহের প্রতিপালক।’ -সূরা কাসাস: ২৯-৩০
তুর পাহাড়: আল্লাহর সঙ্গে মুসা আ.-এর কথা বলার স্থান (ছবি: সংগৃহীত)
তুর পাহাড়ে হজরত মুসা (আ.) আসমানি কিতাব তাওরাত লাভ করেছিলেন। আল্লাহতায়ালা সূরা আরাফে তা উল্লেখ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি মুসার জন্য ত্রিশ রাতের মেয়াদ স্থির করেছিলাম (এ রাতসমূহে তুর পাহাড়ে এসে ইতিকাফ করবে)। তারপর আরও দশ রাত বৃদ্ধি করে তা পূর্ণ করি। এভাবে তার প্রতিপালকের নির্ধারিত মেয়াদ চল্লিশ দিন হয়ে গেল এবং মুসা তার

ভাই হারুনকে বলল, আমার অনুপস্থিতিতে তুমি সম্প্রদায়ের মধ্যে আমার প্রতিনিধিত্ব করবে, সবকিছু ঠিকঠাক রাখবে এবং অশান্তি সৃষ্টিকারীদের অনুসরণ করবে না। মুসা যখন আমার নির্ধারিত সময়ে এসে পৌঁছল এবং তার প্রতিপালক তার সঙ্গে কথা বললেন, তখন সে বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে দর্শন দিন আমি আপনাকে দেখব। তিনি বললেন, তুমি আমাকে কিছুতেই দেখতে পাবে না। তুমি বরং পাহাড়ের প্রতি দৃষ্টিপাত কর। তা যদি আপন স্থানে স্থির থাকে, তবে তুমি আমাকে দেখতে পারবে। অতপর যখন তার প্রতিপালক পাহাড়ে তাজাল্লি ফেললেন ( জ্যোতি প্রকাশ করলেন) তখন তা পাহাড়কে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলল এবং মুসা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে গেল। পরে যখন তার সংজ্ঞা ফিরে আসল, তখন সে বলল, আপনার সত্তা পবিত্র। আমি আপনার দরবারে তওবা করছি এবং (দুনিয়ায় কেউ আপনাকে দেখতে সক্ষম নয়- এ বিষয়ের প্রতি) আমি সবার আগে ঈমান আনছি।’ -সূরা আরাফ: ১৪২-১৪৩
তুর পাহাড় মিসরের দক্ষিণ সাইনা জেলায় অবস্থিত। সাইনার মূল শহরের নাম ‘আত তুর’। বড় শহরের নাম- শারমুশ শাইখ। পাহাড়টির উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২৮৫ মিটার। এই পাহাড়কে জাবালে মুসা নামে নামকরণ করা হয়েছে। এই পাহাড়ের পাদদেশে হজরত মুসা (আ.)-এর ভাই হজরত হারুন (আ.)-এর কবর রয়েছে। তুর পাহাড়ের কথা কোরআনে কারিমের কয়েক জায়গায় এসেছে।

তুর পাহাড়ের কাছাকাছি বেশ কয়েকটি পাহাড়। তন্মধ্যে একটি পাহাড়ের নাম ‘সানত কার্তিন।’ এই পাহাড়টি দক্ষিণ সাইনা জেলায় অবস্থিত এবং মিসরের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়। পাহাড়টি হজরত মুসা (আ.)-এর পাহাড়ের সঙ্গে একেবারে লাগানো। এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩৬০০ মিটার। পাহাড়টি দেখতে বেশ সুন্দর, সোনালি রংয়ের।
সাইনা এলাকার নামও কোরআনে কারিমে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পাহাড়ি এলাকায় এক প্রকার গাছ হয়, যা থেকে তেল তৈরি হয়। সাইনা নবীদের বরকতময় ভূমি। এ অঞ্চলে অনেক নবী-রাসূলের আগমন ঘটেছে। এখানে রয়েছে অনেক নবীদের কবর, বনী ইসরাঈলের তিহ নামক ময়দান। আরও অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে এই মাটি ও পাহাড় সম্পৃক্ত।

এলাকাটি মুসলিম উম্মাহর কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তুর পাহাড়ের পাদদেশে গোলাকার আকৃতির একটি গাছ রয়েছে। যে গাছের কাছে আল্লাহতায়ালার সঙ্গে হজরত মুসা (আ.) কথা বলেছিলেন এবং যে গাছের কথা কোরআনে উল্লেখ রয়েছে।

গাছটি দেখতে অনেক সুন্দর। হাজার হাজার বছর ধরে এভাবে গাছটা বেঁচে আছে। এটা আল্লাহর অনেক বড় কুদরত। মিসরের প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক ড. আবদুর রহিম রায়হান এই গাছ সম্পর্কে বলেন, এই বরকতপূর্ণ গাছ দুনিয়ার অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না এবং এর পাতা কখনো মরে না। সেখানে লেখা আছে এই গাছের পাতা ছেঁড়া নিষেধ। গাছটা আমাদের দেশের লতা গাছের মতো। এ জন্যই তো এই গাছটার নাম আশ শাজারাতুল উল্লিকা অর্থাৎ ঝুলন্ত গাছ।

তুর পাহাড়ের চূড়ায় উঠার জন্য পাথর কেটে রাস্তা বানানো হয়েছে। এই রাস্তা ছাড়া বেয়ে ওপরে ওঠা খুব কঠিন। তুর পাহাড়ের চূড়ায় বসে হজরত মুসা (আ.) ইবাদত করতেন। এখনও সেই স্থানটি চিহ্নিত করা আছে।

তবে যে পাহাড়টি আল্লাহর নূরের তাজাল্লিতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়েছিলো তা তুর পাহাড় থেকে উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। ব্যাপক অনুসন্ধান এবং অনেক গবেষণার পর এটা প্রমাণিত হয়েছে। এই স্থানেই আল্লাহতায়ালা হজরত মুসা (আ.) কে তার নূরের তাজাল্লি দেখিয়েছিলেন। ফলে তৎক্ষণাৎ হজরত মুসা (আ.) জ্ঞান হারিয়েছিলেন। যা কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে।

নামায যেভাবে আদায় করবেন…

শরীরের পবিত্রতা অর্জনের পর নামাযের সময় হলে নফল অথবা ফরয, যে কোন নামায পড়ার ইচ্ছা করুন না কেন, অন্তরে দৃঢ়সংকল্প নিয়ে কিব্লা অর্থাৎ পবিত্র মক্কায় অবস্থিত কাবা শরীফের দিকে মুখ করে একাগ্রতার সাথে দাঁড়িয়ে যাবেন এবং নিুবর্ণিত কর্মগুলো করবেন:
১। সেজদার জায়গায় দৃষ্টি রেখে তাক্বীরে তাহ্রীমা (আল্লাহু আকবার) বলবেন।
২। তাকবীরের সময় কান বরাবর অথবা কাঁধ বরাবর উভয় হাত উঠাবেন।
৩। তাকবীরের পর নামায শুরুর একটি দু’আ পড়বেন, পড়া সুন্নাত। দু’আটি নিুরূপ:
উচ্চারণ: সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা’আলা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুকা।
অর্থ: “প্রশংসা এবং পবিত্রতা বর্ণনা করছি আপনার হে আল্লাহ! বরকতময় আপনার নাম। অসীম ক্ষমতাধর ও সুমহান আপনি। আপনি ভিন্ন আর কোন উপাস্য নেই”।

ইচ্ছা করলে উক্ত দু’আর পরিবর্তে এই দোআ পড়া যাবে:
উচ্চারণ: “আল্লাহুম্মা বাইদ্ বাইনী ওয়া বাইনা খাতাইয়াইয়া কামা বা’আত্তা বাইনাল মাশরিকি ওয়াল মাগরিবি, আল্লাহুম্মা নাক্কিনী মিন খাতাইয়াইয়া কামা য়ুনাক্কাছ ছাওবুল আবইয়াযু মিনাদ্দানাসি, আল্লাহুম্মাগ্সিল্নী মিন্ খাতাইয়াইয়া বিল মায়ি ওয়াছ্ ছালজি ওয়াল বারাদি”।
অর্থ: “হে আল্লাহ! আমাকে ও আমার গুনাহের মাঝে এতটা দূরত্ব সৃষ্টি করুন যতটা দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ঠিক ঐভাবে পাপমুক্ত করুন যেভাবে সাদা কাপড় ময়লামুক্ত হয়। হে আল্লাহ! আপনি আমার গুনাহসমূহকে পানি দিয়ে ও বরফ দিয়ে এবং শিশির দ্বারা ধুয়ে দিন”। (বুখারী ও মুসলিম)

৪। তারপর বলবেন:
উচ্চারণ: “আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম”।
অর্থ: “আমি আশ্রয় চাচ্ছি আল্লাহর নিকট অভিশপ্ত শয়তান থেকে। আরম্ভ করছি দয়াবান কৃপাশীল আল্লাহর নামে।” এর পর সূরা ফাতিহা পড়বেন:

অর্থ: “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টিকুলের রব। পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। বিচার দিবসের মালিক। আপনারই আমরা ইবাদত করি এবং আপনারই নিকট সাহায্য চাই। আমাদেরকে সরল পথের হিদায়াত দিন। তাদের পথ, যাদেরকে আপনি নিয়ামত দিয়েছেন। যাদের উপর আপনার ক্রোধ আপতিত হয় নি এবং যারা পথভ্রষ্টও নয়।”

৫। তারপর কুরআন হতে মুখস্থ ও সহজ সুরা পড়বেন।
৬। তারপর আল্লাহু আকবার (আল্লাহ সবচেয়ে বড়) বলে দু হাত কাঁধ বরাবর অথবা কান বরাবর উত্তোলন করে দুই হাত হাঁটুর উপর রেখে পিঠ সোজা ও সমান করে রুকু করবেন এবং বলবেন
উচ্চারণ: “সুবহানা রাব্বিয়্যাল আযীম
(পবিত্র মহান রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি) এটি তিনবার অথবা তিনের অধিকবার বলা সুন্নত। তারপর বলবেন:
“সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ”
(আল্লাহ ঐ ব্যক্তিকে শুনলেন যে তাঁর প্রশংসা করল) বলে রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে, ইমাম হোক অথবা একাকী হোক, সোজা দাঁড়িয়ে গিয়ে দু হাত কাঁধ বরাবর অথবা কান বরাবর উত্তোলন করে বলতে হবে:
উচ্চারণ: রব্বানা ওয়া লাকাল হামদু হামদান কাসীরান তাইয়্যেবান মুবারাকান ফীহ, মিল্ আস্সামাওয়াতি ওয়া মিলআলআরযি, ওয়ামিলআ মা বাইনাহুমা ওয়া মিলআ মা শী’তা মিন শাইয়িন বা’দু”।
অর্থ: “ হে আমার প্রতিপালক! প্রশংসা আপনারই জন্য, প্রচুর প্রশংসা, যে প্রশংসা পবিত্র-বরকতময়, আকাশ ভরে, যমীন ভরে এবং এ উভয়ের মধ্যস্থল ভরে, এমনকি আপনি যা ইচ্ছে করেন তা ভরে পরিপূর্ণরূপে আপনার প্রশংসা”।
আর যদি মুক্তাদী হয় তাহলে রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে উপরোল্লেখিত দু’আ رَبَّنَا ولَكَ الْحَمْد …. (রাব্বানা ওয়ালাকাল হামদু…) শেষ পর্যন্ত পড়বেন।
৮। তারপর اللهُ أَكْبَرُ (আল্লাহু আকবর) বলে বাহুকে তার পার্শ্বদেশ থেকে এবং ঊরুকে উভয় পায়ের রান থেকে আলাদা রেখে সেজদা করবেন। সেজদা পরিপূর্ণ হয় সাতটি অঙ্গের উপর, কপাল-নাক, দুই হাতের তালু, দুই হাঁটু এবং দুই পায়ের অঙ্গুলির তলদেশ। সেজদার অবস্থায় তিনবার অথবা তিন বারেরও বেশি এই দুআ পড়বেন।
উচ্চারণঃ সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা (পবিত্রতা ঘোষণা করছি আমার মহান প্রতিপালকের) বলবেন এবং ইচ্ছা মত বেশী করে দু’আ করবেন।
৯। তারপর اللهُ أَكْبَرُ (আল্লাহু আকবার) বলে মাথা উঠিয়ে পা খাড়া রেখে বাম পায়ের উপর বসে দুই হাত, রান ও হাঁটুর উপর রেখে বলবেন,
উচ্চারণ: “আল্লাহুম্মাগর্ফিলী ওর্য়াহামনী ওয়া আফিনী ওয়ারজুকনী ওয়াহ্দিনী ওয়াজবুরনী”।
অর্থ: “ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, দয়া করুন, নিরাপদে রাখুন, জীবিকা দান করুন, সরল পথ দেখান, শুদ্ধ করুন”।
১০। তারপর اللهُ أَكْبَر (আল্লাহু আকবার) বলে দ্বিতীয় সেজদা করবেন এবং প্রথম সেজদায় যা করেছেন তাই করবেন।
১১। তারপর اللهُ أَكْبَر (আল্লাহু আকবার) বলে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য উঠে দাঁড়াবেন। (এই ভাবে প্রথম রাকাত পূর্ণ হবে।)
১২। তারপর দ্বিতীয় রাকাআতে সূরা ফাতিহা ও কুরআনের কিছু অংশ পড়ে রুকু করবেন এবং দুই সেজদা করবেন, অর্থাৎ পুরোপুরিভাবে প্রথম রাকাতের মতোই করবেন।
১৩। তারপর দ্বিতীয় রাকাতের দুই সেজ্দা থেকে মাথা উঠানোর পর দুই সাজ্দার মাঝের ন্যায় বসে তাশাহ্হুদের এই দু’আ পড়বেন:
i) সমস্ত তাশাহহুদের সময় ডান হাতের মুঠি প্রায় বন্ধ করে তর্জনী কিবলার দিকে করে স্থির রাখা
অথবা
ii) সমস্ত তাশাহহুদের সময় ডান হাতের মুঠি প্রায় বন্ধ করে তর্জনী কিবলার দিকে করে স্থির না রেখে অল্প একটু উপরে নিচে করে নাড়তে থাকা।
উল্লেখ্য যে, তর্জনী নাড়ানোর এই পদ্ধতিটিও মুস্তাহাব। অর্থাৎ, কেউ একেবারেই তর্জনী না উঠালে গুনাহগার হবে না, কিন্তু কেউ এটা করলে সাওয়াব পাবে ইন শা আল্লাহ্। [৭]

উচ্চারণ:আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস্সলাওয়াতু ওয়াত্তাইয়েবাতু, আস্সালামু আলাইকা আইয়ুহান্নাবিয়্যু ওয়া রহ্মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ, আস্সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস্ সলেহীন, আশ্হাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহ”।
অর্থ : “সকল তাযীম ও সম্মান আল্লাহর জন্য, সকল সালাত আল্লাহর জন্য এবং সকল ভাল কথা ও কর্মও আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপানার প্রতি শান্তি, আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের উপরে এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রাসূল।”

তবে নামায যদি দুই রাকাত বিশিষ্ট হয়। যেমন: ফজর, জুমআ, ঈদ তাহলে আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ….. পড়ার পর একই বৈঠকে এই দরূদ পড়বেন:

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়ালা আলি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ, ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়ালা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাক্তা আলা ইব্রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ”।
অর্থ: “ হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেরূপভাবে আপনি ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত সম্মানিত।”


আপনি মুহাম্মাদ ও তার বংশধরদের উপর বরকত বর্ষণ করুন, যেরূপভাবে আপনি ইব্রাহীম ও তার বংশধরদের উপর বরকত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত, সম্মানিত”।

তারপর চারটি জিনিস থেকে এই বলে পানাহ চাইবেন:
উচ্চারণ: “আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন আযাবি জাহান্নামা ওয়া মিন আযাবিল্ ক্বাবরি ওয়ামিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল্মামাতি ওয়া মিন ফিত্নাতিল মাসীহিদ্দাজ্জাল”।
অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি অবশ্যই আপনার নিকট জাহান্নাম ও কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। দজ্জালের ফিত্না এবং জীবন মৃত্যুর ফিত্না থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।”
অথবা
আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসী যুলমান কাছীরাওঁ ওয়ালা ইয়াগফিরুয যুনুবা ইল্লা আনতা, ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইনদাকা ওয়ারহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফুরুও রাহীম।

উক্ত দু’আর পর ইচ্ছেমত দুনিয়া ও আখিরতের কল্যাণ কামনার্থে মাস্নুন দু’আ পড়বেন। ফরয নামায হোক অথবা নফল সকল ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি প্রযোজ্য। তারপর ডান দিকে ও বাম দিকে (গর্দান ঘুরিয়ে)
উচ্চারণ: “আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ”
বলবেন।


আর নামায যদি তিন রাকাত বিশিষ্ট হয়, যেমন মাগরিব। অথবা চার রাকাত বিশিষ্ট হয়, যেমন যোহর, আসর ও এশা, তাহলে দ্বিতীয় রাকাতের পর (সালাম না ফিরিয়ে) “আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি…. পড়ার পর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে দু হাত কাঁধ বরাবর অথবা কান বরাবর উত্তোলন করে সোজা দাঁড়িয়ে গিয়ে শুধু সূরা ফাতিহা পড়ে প্রথম দু’ রাকাতের মত রুকু ও সাজদা করতে হবে এবং চতুর্থ রাকাতেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। তবে (শেষ তাশাহ্হুদে) বাম পা, ডান পায়ের নীচে রেখে ডান পা খাড়া রেখে মাটিতে নিতম্বের (পাছার) উপর বসে মাগরিবের তৃতীয় রাকাতের শেষে এবং যোহর, আসর ও এশার চতুর্থ রাকাতের শেষে, শেষ তাশাহ্হুদ (আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহ……, ও দরূদ পড়বেন। ইচ্ছে হলে অন্য দু’আও পড়বেন। এরপর ডান দিকে (গর্দান) ঘুরিয়ে (আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ” বলবেন।সাওবান থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে: “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করে তিনবার ইস্তেগফার করতেন।ইব্ন আজুরা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সালাতের পর কিছু তাসবিহ আছে, যার পাঠকারীরা কখনো বঞ্চিত হয় না, ৩৩বার তাসবিহ, ৩৩বার তাহমিদ ও ৩৪বার তাকবির” অথাৎ সুবহানাল্লাহ ৩৩বার, আল-হামদুলিল্লাহ ৩৩বার, আল্লাহু আকবার ৩৪বার বলবেন।

এভাবেই একশত পুরো হবে, যেমন পূর্বে আবু হুরায়রার হাদিসে রয়েছে।[
আর এভাবেই নামায সম্পন্ন হয়ে যাবে।

** বাসর রাত **

: এই যে। আপনি কিন্তু আমাকে আমার অনুমতি ছারা টাস করবেন না।
: মানে, কি বুঝলাম না।
: বুঝতে হবে না। আপনি আমাকে টাস করবেন না। করলে কিন্তু আমি কান্না করবো।
: ওকে। তাও কান্না করতে হবে না। এখন একটু সরে বসেন, আমি ঘুমাবো। এভাবে বিছানার মাঝখানে বসে থাকলে আমি ঘুমাবো কি ভাবে।
.
: শোনেন আমি আপনার ৫ বছরের ছোট। তাই আমাকে আপনি বলবেন না। আমাকে আপনি তুমি করে বলবেন। আর আমি আপনাকে আপনি করে বলবো।
: কেনো এমনটা হবে। হয় দুজনে তুমি বলবো না হয় আপনি।
: দেখুন কথা না শুনলে কিন্তু কান্না করবো।
: কি আজব,,,, কথায় কথায় কাদতে হবে নাকি।
: না। আগে বলেন রাজি কিনা।
: ওকে, রাজি। তুমি ঘুমাবে না।
.
: শোনেন আজ রাতে আমি আপনি কেউ ঘুমাবো না।
: কেনো।
: আমি না সারা জীবন কোন প্রেম করিনি। সব সময় ভেবেছি, যাকে বিয়ে করবো, তার সাথেই প্রেম করবো। আর যত দিন তাকে ভালবাসতে পারবো না তত দিন তাকে টাস করতে দিব না।
: ওহহ আচ্ছা। এর সাথে না ঘুমানোর কি কারণ বুঝলাম না।
: আপনি আজ ঘুমাবেন না। আজ সারা রাত আপনার সাথে গল্প করবো।
: কি গল্প।
.
: আমার বরকে নিয়ে আমি যত স্বপ্ন দেখছি,,,, সেই গল্প।
: এমা,,,,, আমি না আজ খুব ক্লান্ত। কাল গল্প করি।
: না,,,,, আজকেই। আপনি ঘুমালে কিন্তু আপনার গায়ে পানি ঢেলে দিবো।
: কয় কি (এই শীতের রাতে) । না থাক তার চেয়ে বরং গল্প করি। বলো কি বলবে।
: আপনি তো আচ্ছা বরিং মানুষ। কথা বলতেও পারেন না ঠিক ভাবে। আমার নাম জিজ্ঞেস করেন।
.
: ওহহ আচ্ছা তোমার নামতো রাইসা, তাই না।
: আরে ধুর এভাবে কি কেউ জিজ্ঞেস করে।
: তাহলে কি ভাবে জিজ্ঞেস করে।
: বলবেন,,,, “তোমার নাম কি। ”
: কিন্তু আমি তো তোমার নাম জানি।
: ইহহহহ,,,,,😡 আপনাকে কিন্তু😡😡। যা বলতে বলছি তাই বলেন।
: ওকে,,,, তোমার নাম কি?
: আমি রাইসা।
: কিসে পড়ো?
: অনার্স ২য় বর্ষ।
: আর কি?
: ধুর ছাই,,,, কি বরিং মানুষ আপনি।
: আবার কি করলাম।
: ওকে আপনার প্রশ্ন করতে হবে না। আমি নিজে থেকেই বলছি।
.
.

: যানেন আমার সব ফ্রেন্ড রা রিলেশন করতো। কিন্তু আমি করতাম না।
: কেনো।
: কারণ আমি আমার বরের দুষ্ট মিষ্টি বউ হতে চাইছি সব সময়।
: কি রকম।
: আমি সব সময় চাইছি,,,, আমার সব ভালোবাসা আমি আমার বরকে দিবো। আর ওকে খুব জ্বালাবো।
: কি রকম?
: জানেন আমার চাহিদা গুলো খুব সামান্য। আমার বাড়ি, গাড়ি, ভালো পোশাক, দামি ফার্নিচার কিছুই চাইনা।
.
: তাহলে কি চাই।
: রোজ সকালে আপনি যখন অফিসে যাবেন, তখন আমার কপালে একটা চুমু দিবেন।
: আর।
: দুপুরে খাবার আগে যেখানেই থাকেন, আমাকে একটা কল দিবেন। না হলে আমি না খেয়েই থাকবো।
: ওকে দিবো। আর।
: অফিস থেকে ফেরার সময় আমার জন্য, চকলেট, আইসক্রিম, ফুসকা, কিছু না কিছু আনতে হবে।
: আর।
.
: যদি কখনো ভুলে যান তবে আবার বাইরে পাঠাই দিবো।
: ওকে আনবো। আর।
: ভালবাসা দিবস, মেরেজ ডে, সহ সব ভালো ভালো দিনে আমায় নতুন করে প্রপোজ করতে হবে। কিন্তু কোন ফুল দেওয়া যাবে না।
: এটা কেমন কথা।
: জী এমনি কথা।
: আর।
: আমার কুয়াশা, চাদনী রাত, ঠান্ডা খুব ভালো লাগে। তাই মাঝে মাঝে ঘুরতে নিয়ে যেতে হবে। ব্যস্ত থাকলে বলবো না।
: ওকে।
.
: মাঝে মাঝে চাদনী রাতে, বেল কোনিতে বসে এক কাপে দুজন কফি খাবো।
: এক কাপে কেন?
: হুম এক কাপেই খাবো।
: ওকে, আর
: মাঝে মাঝে বৃষ্টির রাতে ছাদে গিয়ে দুজন ভিজবো। আর তুমি কদম ফুল দিয়ে আমায় প্রপোজ করবে।
: এই শহরে কদম ফুল কই পাবো।
: আমি জানি না। আর রাগ করলেও কদম ফুল দিয়ে রাগ ভাঙ্গাতে হবে।
: এটাতো রিতিমত টর্চার। সারা বছর কদম ফুল কই পাবো।
: আমি জানি না।
: আচ্ছা অন্য ফুলের কথা বলো।
: না। কদম ফুল না দিতে পারলে আমায় কোলে নিতে হবে। যতখন মন ভালো হয়নি ততখন কোলে নিয়ে থাকতে হবে।
: এই ৪৮ কেজির বস্তা কোলে নিলে আমি বাচবো।
.
: আমি জানি না। কদিন পর আরো মোটা হবো। তবুও কোলে নিতে হবে।
: বলেকি। প্রথমের গুলাইতো ভালো ছিল।
: সব গুলাই ভালো, কোলে নিবে কিনা বলেন।
: ওকে বাবা নিবো।
.
.
.

: শোনেন।
: হুম বলো।
: আপনার এই বোকা বোকা চশমাটা একটু খুলবেন।
: কেনো।
: আপনাকে দেখবো। এত মোটা ফ্রেমের চশমা পড়েন, এখনো ভালো করে আপনাকে দেখি নাই।
: আচ্ছা আমি ঘুমাবো,,,, কাল কথা হবে গুড নাইট।
.
.
: এই যে শোনেন এখানে তো একটা বালিশ, আমি কোথায় ঘুমাবো।
: আমার বুকের উপর।
: মানে?
: তোমার যেমন আমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন। ঠিক তেমন তোমাকে নিয়ে আমার একটা স্বপ্ন। আমার বউ সব সময় আমার বুকে মাথা দিয়ে ঘুমাবে। সারদিন যত রাগ ঝগড়াই হোক , রাতের বেলা যেন কেউ কখনো অন্যজনকে ছাড়া না ঘুমাতে পারে। 😊😊
❤❤❤❤❤❤❤❤

এমন একট পাগলী বউ চাই আমার!
কে আছ আওয়াজ দাও!