দোস্তঃ বিছানা ভিজে গেছে

বিছানা থেকে উঠতেই পারে না

টিনাদের বাসায় নতুন কাজের ছেলে আসছে। তো একদিন কাঁচের প্লেট ধুইতে ধুইতে ছেলেটা একটা প্লেট ভেঙে ফেললো। টিনা রেগে গিয়ে বললো-

টিনা : এই হারামজাদা, প্লেট দেখে ধুতে পারিস না?

পিন্টু : মামণি, হারামজাদা কী?

টিনা : বাবা, যার গায়ে অনেক শক্তি, তাকে হারামজাদা বলে।

পরেরদিন আবার কাজের ছেলেটা একটা দামি ফ্লাওয়ার ভাস ভেঙে ফেললো। টিনা রেগে গিয়ে বললো-

টিনা : এই জমিদারের পুত, সাবধানে কাজ করতে পারিস না?

পিন্টু : মামণি, জমিদারের পুত কী?

টিনা : বাবা, যার গায়ে জোর নেই, তাকে জমিদারের পুত বলে।

এবার পিন্টুর বাবা মন্টু খুব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। পিন্টুর ক্লাসের বন্ধুরা তাকে জিজ্ঞেস করছে-

বন্ধু : তোর বাবার কী হইছে?

পিন্টু : বাবা আগে অনেক হারামজাদা ছিল, কিন্তু এখন এমন জমিদারের পুত হইছে যে বিছানা থেকে উঠতেই পারে না।

দুই পিচ্চির মধ্যে কথা হচ্ছে-

১ম পিচ্চি : জানিস, কাল রাতে স্বপ্নে দেখি আমি ফায়ার সার্ভিসে চাকরি পাইছি। পরে এক বাসায় আগুন নিভাইতাছি!

২য় পিচ্চি : দারুণ তো! তারপর কী হল দোস্ত?

১ম পিচ্চি : কী আর হবে? ঘুম থেকে উঠে দেখি কাজ শেষ!

২য় পিচ্চি : কেন রে, কী হইছিল?

১ম পিচ্চি : আর বলিস না, দেখি বিছানা ভিজে গেছে…

জেনে নিন,শেষ পর্যন্ত ‘মাছি’ নিয়ে বিশ্বনবীর (সা.) কথাটিই মানলো বিজ্ঞান

প্রায় ১৪০০ বছর আগে নাজিল হওয়া আল কোরআনের বিশ্লেষণ করে মানুষ মঙ্গল গ্রহ পর্যন্ত পৌঁছেছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)

১৪০০ বছর আগে মাছি প্রসঙ্গে যে কথাটি বলেছিলেন, তা আমাদের আধুনিক বিজ্ঞানও মেনে নিয়েছে।

বুখারী ও ইবনে মাজাহ হাদীসে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যদি তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পতিত হয়

সে যেন উক্ত মাছিটিকে ডুবিয়ে দেয়। কেননা তার একটি ডানায় রোগজীবাণু রয়েছে, আর অপরটিতে রয়েছে রোগনাশক

ঔষধ’(বুখারী)।

জ্ঞানবিজ্ঞানের যখন অগ্রগতি হলো, যখন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস জীবাণু সম্পর্কে জ্ঞানের অগ্রগতির মাধ্যমে বর্ণিত হচ্ছে, মাছি

মানুষের শত্রু, সে রোগজীবাণু বহন করে এবং স্থানান্তরিত করে। মাছির ডানায় রোগজীবাণু রয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই।’ তাই যদি

হয় তাহলে কিভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোগজীবাণু বহনকারী মাছিকে ডুবিয়ে নেয়ার আদেশ করলেন?

জোকসঃ নে এখন ভালো করে খেল’ !!

নেট প্র্যাকটিস করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

প্রতিটা ব্যাটসম্যানই বারবার বাজে শট খেলে আউট হয়ে যাচ্ছে।

দূরে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন দলের হিটার ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল।

মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে এসে হতাশ ভঙ্গিতে বললেনঃ
‘নাহ! তোদের দিয়ে কিচ্ছু হবেনা! দাঁড়া আমি দেখাচ্ছি’
তারপর চিৎকার করে বোলারদের বললেনঃ

‘দেখি কত জোরে ভাল বল করতে পারিস!’
৬ টা পেইস বলই করা হলো . . .
তামিম প্রতিটা বলে বোল্ড আউট হলেন!!

তারপর ঝাড়ি মেরে বাকিদের বললেনঃ ↓ ↓ ↓
.
.
.
.
.
.
. . . . . . . . ‘দেখলি তো? এইভাবে তোরা সবাই খেলছিলি! নে এখন ভালো করে খেল’ !! 😛

→ বাঙ্গালী আর কিছু পারুক আর নাই পারুক কিন্তু ফাপর বাজিতে নাম্বার ওয়ান!!

স্বামী : ছিদ্র অনেক চাপা !!

স্ত্রী : তোমাকে দিয়ে কিছুই হবে না,,,
স্বামী : আমি কম চেষ্টা করছি ঢোকাতে কিন্তু
ঢোকাতেই
পারতেছি না তো,ছিদ্র অনেক চাপা,,

স্ত্রী : কেন একটু থুথু দিয়ে নাও ছিদ্রর মুখে, তার
পরে জুড়ে ধাক্কা দাও,

স্বামী : তুমি তো ব্যথা পাবে,,,জুড়ে ধাক্কা দিলে,
স্ত্রী : একটু আনন্দ পেতে হলে তো একটু কষ্ট
ব্যথা পেতেই হয়,যা বললাম তাই করো।

স্বামী :আচ্ছা দিচ্ছি,,,
স্ত্রী :ওরে মা রে ওরে বাবারে গেছিরে গেছি মরে,একবারে ছিঁড়ে ভিড়ে গেছে গো কিভাবে রক্ত
বের হচ্ছে,,

স্বামী : আমার কি দুস আমি তো আগেই বলছিলাম
ছিদ্র

অনেক চাপা আর কানের দোলের হুকটা অনেক
মোটা,,

স্ত্রী :সব দুস ঐ কর্মকারের এত বার বার বললাম
হুকটা চিকন করে বানাতে আর সে মোটা করেই
বানাইয়াছে,,,

তোমরা সব কিছুতেই এত খারাপ কিছু খুজে বেড়াও
কেন,,,,,,,,,,,,,

“ ম্যাডাম! ঐখানে যত বেশি ঘষবেন! ঐটা ততই বাড়বে!

ছোট্র বাচ্চাদের ক্লাসে ঢুকে শিক্ষিকা দেখলেন, ব্লাকবোর্ডে ছোট করে ‘বালের এর ক্লাশ’ এই লাইনটি লেখা।

ভীষণ রেগে গিয়ে, তারাতারি করে সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে দিয়ে শিক্ষিকা বললেনঃ ‘কে লিখেছে এটা?’

কিন্তু কেউ উত্তর দিলো না।
পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার একই লাইনটি আরেকটু বড় করে লেখা।

আবারও ক্ষেপে গিয়ে শিক্ষিকা বললেনঃ ‘কে লিখেছে এটা?’

এবারো কেউ উত্তর দিলো না।
শিক্ষিকা আবার সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।

পরদিন আবার ক্লাসে সেই একই কান্ড, এবার লাইনটি আরো বড় করে লেখা।
এবার শিক্ষিকা কিছু না বলে শুধু ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে দিলেন লেখাটা।

তার পরদিন আবারও একই কান্ড, এবার সম্পূর্ন ব্লাকবোর্ড জুড়ে ঐ একই লাইন লেখা।
শিক্ষিকা বহুকষ্টে মেজাজ ঠিক রেখে ডাস্টার ঘষে লেখাটা মুছলেন!

তার পরদিন ক্লাসে এসে শিক্ষিকা দেখলেন, ব্লাকবোর্ডে লেখাঃ ↓ ↓ ↓
.
.
.
.
.
.
. . . . . . . . “ ম্যাডাম! ঐখানে যত বেশি ঘষবেন! ঐটা ততই বাড়বে!

জেনে নিন, জিবরাঈল (আঃ) নবী করীম (সাঃ)-এর কাছে বর্নীত একটি ঘটনা”

এক ব্যক্তি পাহাড়ের উচ্চ চূড়ায় পাঁচশ বছর ধরে আল্লাহ পাকের ইবাদতে মশগুল ছিল। ঐ পাহাড়ের চারদিক লবণাক্ত পানি দ্বারা বেষ্টিত ছিল। আল্লাহ তা’আলা তার জন্য পাহাড়ের অভ্যন্তরে সুপেয় পানির ঝর্ণা এবং একটি আনার গাছের সৃষ্টি করেন।
.
প্রতিদিন সেই ব্যক্তি আনার ফল খেত এবং পানি পান করত। আর পানি দিয়ে অযূ করত। সে ব্যক্তি আল্লাহ্তা’আলার কাছে এই দু’আ করল- “হে আল্লাহ্! আমার দেহ থেকে রূহ যেন সেজদারত অবস্থায় কবয করার ব্যবস্থা করা হয়। আল্লাহ্ তা’আলা তার এই দু’আ কবুল করেন।”
.
হযরত জিবরাঈল (আঃ)বলেন- “আমি আসমানে আসা যাওয়ার সময় তাকে সেজদারত দেখতাম। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্তা’আলা তার সম্পর্কে বলবেনঃ আমার এই বান্দাকে আমার রহমতে জান্নাতে প্রবেশ করাও।”
.
ঐ ব্যক্তি বলবে না, বরং আমার আমলের বরকতে।

তখন নির্দেশ আসবে- “আমার নিয়ামতের বিপরীতে তার কৃত আমল পরিমাপ কর। পরিমাপ করে দেখা যাবে, পাঁচশ বছরের ইবাদাত খতম হয়ে গেছে একটি চোখের নিয়ামতের বিনিময়ে।”
.
তখন আল্লাহ্ পাক নির্দেশ দিবেনঃ “আমার বান্দাকে জাহান্নামে নিয়ে যাও। ফেরেশতারা তখন তাকে নিয়ে রওয়ানা হবে। কিছুদূর যাওয়ার পর ঐ ব্যক্তি আরয করবে “হে আল্লাহ্! আমাকে তোমার রহমতে জান্নাতে প্রবেশ করাও।” নির্দেশ আসবে তাকে ফিরত নিয়ে আস। আল্লাহ্ পাকের নিকট ফিরিয়ে আনার পর তাকে নিচের প্রশ্নগুলো করা হবে আর সে বলবেঃ-
.
– “তোমাকে কে সৃষ্টি করেছেন?”
– “আল্লাহ, আপনি।”
– “এই কাজটা তোমার আমল না আমার রহমতের বরকতে হয়েছে?”
– “আপনার রহমতে।”
– “তোমাকে পাঁচশ বছর ইবাদাত করার শক্তি ও তাওফীক কে দিয়েছে?”
– “হে আল্লাহ্!আপনি।”
.
– “সমুদ্রের মাঝে পাহাড়ের উপর তোমাকে কে পৌঁছিয়েছে?
লবণাক্ত পানির মাঝে সুপেয় পানির ব্যবস্থা কে করেছে?
আনার গাছ কে সৃষ্টি করেছে?
তোমার দরখাস্ত মুতাবেক সেজদার মাঝে কে তোমার রূহ কবয করার ব্যবস্থা করেছে?”
.
-হে পরওয়ারদিগার! আপনি।
তখন ইরশাদ হবেঃ “এই সব কিছু আমার রহমতে হয়েছে এবং আমার রহমতেই তোমাকে জান্নাতে দাখিল করছি।” -( রিয়াদুস সালেহীনঃ ২/৫৩,৫৪)
.
আল্লাহু আকবার! হে আল্লাহ! কোন আমলের বিনিময়ে নয়, আপনার দয়া ও রহমতে আমাদেরকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন। আমিন।।

স্বামী বললোঃ ‘কিছু করমু না! খালি ইট্টু ঠেকা দিয়া রাখমু!

সময়ঃ ৮৮ সালের বন্যা!
স্থানঃ নিম্নবিত্ত দের এলাকা!
বাসায় ভিতর বন্যার পানি কোমর পর্যন্ত ।
থাকার জন্য মাচা দেওয়া হইছে।

রাতে পরিবারের সবাই ঐ মাচায় এক সাথে ঘুমায়।
এর মধ্যেই ঘরের নববিবাহিত ছেলের ভালবাসা নির্মান করার ইচ্ছে জেগে উঠলো।
তার বউ পাশেই শোয়া।

কিন্তু অন্যদের দেখিয়ে স্বামীকে বাঁধা দিচ্ছিলো বউ ।
স্বামী বললোঃ ‘কিছু করমু না! খালি ইট্টু ঠেকা দিয়া রাখমু!’
শুধু মাত্র ঠেকা দেয়ার কথা বললেও! ভালবাসা নির্মান তাদের চরম গরম গতিতে চললো।
কিন্তু কিছুক্ষণ চলার পরই আসল সর্বনাশটা ঘটল।

 চরম মূহুর্তের আগে অস্থির দোলানিতে মাচা ভেংঙ্গে পরিবারের সাবাই পানিতে পড়লো।
পাশে শুইয়া থাকা বাবা স্বাভাবিক কারণেই এতক্ষণ চুপচাপ মটকা মেরে পড়েছিলেন।
কিন্তু মাচা ভাংগার পর আর চুপ থাকতে পারলেন না!!
রেগে গিয়ে ছেলের উদ্দেশ্যে বললেনঃ ↓ ↓ ↓



↓.

→→→→→ ‘ নে ঠেকা, এইবার ভালা কইরা ঠেকা ’ !!

নামাজের বৈজ্ঞানিক উপকারীতা জানেন কি? না জানলে জেনে নিন!

১) নামাজে যখন সিজদা করা হয় তখন আমাদের মস্তিস্কে রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে আমাদের স্মৃতি শক্তি অনেক বৃদ্ধি পায়।

২) আমরা যখন নামাজে দাঁড়াই তখন আমাদের চোখ যায় নামাজের সামনের ঠিক একটি কেন্দ্রে বা সিজদাহর জায়গায় স্থির অবস্থানে থাকে, ফলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।

৩) নামাজের মাধ্যমে আমাদের শরীরের একটি ব্যায়াম সাধিত হয়। এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ছোট বড় সবাই করতে পারে।

৪) নামাজের মাধ্যমে আমাদের মনের অসাধারন পরিবর্তন আসে।

৫) নামাজ মানুষের দেহের কাঠামো বজায় রাখে। ফলে শারীরিক বিকলাঙ্গতা লোপ পায়।

৬) নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে। যেমন, ওজুর সময় আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা হয়; এর ফলে বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে আমরা সুরক্ষিত থাকি।

৭) নামাজে ওজুর সময় মুখমণ্ডল ৩ বার ধৌত করার ফলে আমাদের মুখের ত্বক উজ্জল হয় এবং মুখের দাগ কম দেখা যায় ।

৮) ওজুর সময় মুখমণ্ডল যেভাবে পরিষ্কার করা হয় তাতে আমাদের মুখে এক প্রকার মেসেস তৈরি হয়; ফলে আমাদের মুখের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং বলি রেখা কমে যায় ।

৯) কিশোর বয়সে নামাজ আদায় করলে মন পবিত্র থাকে; এর ফলে নানা প্রকার অসামাজিক কাজ সে বিরত থাকে ।

১০) নামাজ আদায় করলে মানুষের জীবনী শক্তি বৃদ্ধি পায় ।

১১) কেবল মাত্র নামাজের মাধ্যমেই চোখের নিয়ম মত যত্ন নেওয়া হয়; ফলে অধিকাংশ নামাজ আদায়কারী মানুষের দৃষ্টি শক্তি বজায় থাকে ।

যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘আপনার সাথে কয়েকবার আদরসোহাগ করতে চাই!

যুবতি মেয়ে বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়।
ঘুরে ঘুরে একটা ঘরে ঢুকে যুবতি দেখলো, একটা পুরনো চেরাগের পাশে এক দৈত্যের পোশাকে যুবক দাঁড়িয়ে।

যুবকটি বললোঃ “স্বাগতম, আমার মালিক! আমি এই চেরাগের দৈত্য। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ করতে চাই!”
যুবতি এক নিঃশ্বাসে বললোঃ ‘কোটি কোটি টাকা, দশটা বাড়ি, বিশটা গাড়ি!’

যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স তৈরি পাবেন। কিন্তু আমার মালিক আমি দীর্ঘদিন এই চেরাগে একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু মনে না করেন, আমি আপনার ইচ্ছাপূরণের আগে আমার একটি ইচ্ছাপূরণ করতে চাই!’
যুবতি বললোঃ ‘বলে ফেলো তোমার কি চাই?’

যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘আপনার সাথে কয়েকবার আদরসোহাগ করতে চাই!’
যুবতিটি ভাবলোঃ ‘এতো কিছু পাবো সাথে আবার আদর সোহাগও? মন্দ কি?’
তাই যুবতিটি সানন্দে রাজি হলো।
অতঃপর সারা রাত তারা আদর সোহাগ করলো!

পরদিন ভোরে যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘আমার মালিক, আপনার বয়স কত?’
যুবতিটি জবাব দিলোঃ ‘আমার বয়স ২৫!’
যুবক দৈত্যটি হাসতে হাসতে বললোঃ ↓ ↓ ↓