এক বোনের কাহিনী

কখন ভাবিনি আমার হুজুর টাইপের কারো সাথে বিয়ে হবে। আমার ইচ্ছা না থাকা সত্তেও পরিবারের চাপে বিয়ের পিড়িতে বসতে হয়। আমি মর্ডান মেয়ে আর বিয়ে করব কিনা হুজুরকে, ভাবতেই কেমনযেন সংকোচ বোধ হচ্ছিল। এমনিতেই বিয়ে করতে ইচ্ছা করছিল না তাতে আবার এক বান্ধবি এসে বললঃ- কিরে রিয়া তুই হুজুরকে বিয়ে করলি আর পাত্র খুজে পাসনি। আর এক ভাবী এসে কানে ফিসফিস করে বললঃ- তোর বরের তো সারা মুখেই দাড়ি, কিস করবি কোথায় । খুব বিরক্ত লাগছিল । ইচ্ছা করছিল এখুনি আসন থেকে উঠে যাই। হটাৎ পায়ের ঠক ঠক আওয়াজে ঘোমটার ফাক দিয়ে আর চোখে দেখলাম একজন লোক আসতেছে।

তার বেশ ভুষা আর গঠন দেখে বুঝলাম উনি আমার স্বামী। অনিচ্ছা থাকা সত্তেও উঠে গিয়ে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করলাম। থাক থাক বলে আমার ২ বাহুতে হাত দিয়ে তুলে বিছানায় বসাল আর বললঃ- তোমার নাম কি ? খুব ইচ্ছা করছিল বলতে আমার নাম না জেনেই আমাকে বিয়ে করেছেন। বললামঃ- রিয়া –সুন্দর নাম কিন্তু তুমি কি জানো রিয়া নামের অর্থ কি ? মেজাজটা খারাপ হওয়ার উপক্রম বললামঃ- না –শোন আরবিতে রিয়া শব্দের অর্থ অহংকার।
আর মানুষকে যে জিনিসগুলা ধ্বংস করে দেয় তার মধ্যে রিয়া অন্যতম । তাই আজ থেকে আমি তোমাকে মীম বলে ডাকব। নাহ আর মেজাজটা ঠিক রাখতে পারছি না বাসর রাতে আমার স্বামী আমাকে অর্থ শেখাচ্ছে কারো মাথা ঠিক থাকার কথা। একটু বারক্ত সুরে বললামঃ- আপনার যেটা ভাল লাগে সেটাই ডাকিয়েন। বুঝতে পারছে মনে হয় বলল তোমার মনে হয় খারাপ লাগছে তুমি ঘুমিয়ে পড়।

“আমার ধার্মিক স্বামী”

লেখাঃ- ব্যাথার দান

(২) ঘুমটা ভাঙ্গল গুন গুন আওয়াজে। কান খাড়া করে আওয়াজটা শুনতে চেষ্টা করলাম বুঝলাম কেউ কোরআন পড়ছে। তাকিয়ে দেখলাম আমার স্বামী। তার সমধুর কন্ঠে কোরআন তিলাওয়াত শুনতে ভালই লাগছিল। তাই একটু উঠে বসলাম। আমাকে উঠে বসতে দেখে তিলাওয়াত বন্ধ করে বললঃ- আসসালামু আলাইকুল। শুভ সকাল , ঘুমটা কেমন হলো? সালাম নিয়ে বললাম জি ভাল হয়েছে। এভাবেই কাটছিল দিনগুলা। এর মাঝে উনি আমাকে নানা ভাবে নামাজ পরার কথা বলত। এত ধৈয্য আর এত ভাল করে বুঝিয়ে বলত যে আমি নিজেই খুব অবাক হয়ে যেতাম। তার সব চেষ্টাকে সফল করে একদিন নামাজ পরা শুরু করলাম। দেখলাম তার মুখটা খুশিতে ভরে উটেছে। তার হাসি মাখা মুখটা দেখতে ভালই লাগত। নামাজ ৫ ওয়াক্ত হলেও আমি ৪ ওয়াক্ত পরতাম।

ফজরের নামাজ পরতাম না। খুব আলসেমি লাগত। উনি আমাকে ডাকতেন শুনেও জাগতাম না। এটা উনি বুঝতে পেরেছিল যে আমি ইচ্ছা করেই উঠি না। তাই আমাকে কাছে ডেকে পাশে বসিয়ে বলল:- দ্যাখো তুমি এভাবে প্রতিদিন ৮ ঘন্টা করে ঘুমাও তাহলে দিনের ৩ ভাগের ১ভাগ তুমি ঘুমিয়ে কাটাচ্ছ। যদি তোমার আয়ুকাল ৬০ বছর হয় তাহলে তুমি ৩ভাগের এক ভাগ মানে ২০ বছর ঘুমিয়ে কাটাচ্ছ। আল্লাহ তা’আলা তো তোমাকে এই দীর্ঘ সময় ঘুমীয়ে কাটাতে পৃথিবীতে পাঠাইনি। তারপর অনেকগুলা ভাল ভাল কথা আর কোরআনের বাণী শুনালেন। এত ভাল কথা শুনিয়েছিলেন যে শুনে আমার চোখে পানি এসে গিয়েছিল। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত আমি ১ ওয়াক্ত নামাজও আমি কাজা করিনি। সর্বদাই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলি। আজ আমি অনুতপ্ত নয় গর্ববোধ করি আমার স্বামীর জন্য। সত্যিই আমি খুব ভাগ্যবতী।

সূত্র : ২য় বর্ষ প্রথম সংখ্যা, বার্তা দা’অহ ম্যাগাজীন, পশ্চিমবঙ্গ ভারত।

ফেল করা নিয়ে ছাত্র শিক্ষক চরম জোকস

ফেল করার পর
শিক্ষককে বললো…
বল্টুঃ “স্যার, আপনাকে একটা প্রশ্ন
জিজ্ঞাস করবো, যদি উত্তর
না দিতে পারেন তাহলে আমাকে A গ্রেড
দিতে হবে।”
শিক্ষকঃ ঠিক আছে।
বল্টুঃ বলুন তো, কোনটা বৈধ কিন্তু
যুক্তিসংগত নয়, যুক্তিসংগত কিন্তু
বৈধ নয় এবং না যুক্তিসংগত
না বৈধ???
শিক্ষক কোন উত্তর
দিতে না পেরে বল্টুকে Aগ্রেড দিলো।
তারপর বল্টু এর উত্তর দিলো,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
স্যার আপনার বয়স ৫৩ আর আপনার
স্ত্রীর ২৩…. এটা বৈধ কিন্তু
যুক্তিসংগত নয়।
আপনার স্ত্রীর ২৫ বছর
বয়সী একটা বয়ফ্রেন্ড আছে….
এটা যুক্তিসংগত কিন্তু বৈধ নয়।
আর এখন আপনি আপনার স্ত্রীর
প্রেমিক’কে Aগ্রেড দিলেন….
এটা না বৈধ, না যুক্তিসংগত…..

………………….
মাদ্রাসা পড়ুয়া এক ছাত্র হেঁটে যাচ্ছে।
পুলিশ দেখে ডাক দিয়ে জিজ্ঞেস করল কোন মাদ্রাসায় পড়?
ছাত্রটা হাত দিয়ে পাশের মাদ্রাসাটি দেখিয়ে দিল।
পুলিশঃ কোন ক্লাসে পড়?
ছাত্রঃ নাজেরা বিভাগে।
পুলিশঃ মাদ্রাসায় ছাত্র কতজন?
ছাত্রঃ অনেক।
পুলিশঃ মাদ্রাসায় “আল কায়দা” আছে?
ছাত্রঃ জি স্যার।
পুলিশঃ . এখন গেলে পাব?
ছাত্রঃ হ্যাঁ পাবেন।
পুলিশ থানায় বড় স্যারকে ফোন দিয়ে বলে দিল যে একটা মাদ্রাসায় আল কায়দার সন্ধান পাওয়া গেছে।
সাথে সাথে ফোর্স সহ সবাই এই মাদ্রাসায় হাজির।
মাদরাসায় গিয়ে তারা বলল কোথায় আল কায়দা?
ছাত্রঃ কোনটা নিবেন স্যার?
পুলিশঃ মানে ??
ছাত্রটা ভিতর থেকে কয়েক ডজন কায়দা এনে বলল,
কোনটা নিবেন,
“নূরানী আল কায়দা” নাকি “বোগদাদী আল কায়দা”
এই হল আমাদের দেশের পুলিশের অবস্থা,,,,,,,,,,,,

মালিক ইবনে দিনার (একটি ফিরে আসার গল্প)

মালিক ইবনে দিনার (রাহিমাহুল্লাহ) ছিলেন একজন ধার্মিক এবং (আল্লাহর প্রতি) অনুগত ইমাম। কেউ একথা কল্পনাও করতে পারে না যে, এক সময় তিনি খুব রূঢ় ও অবাধ্য মানুষ ছিলেন। তাঁর তওবা করার গল্পটি আমাদের দেখায় যে, কোনো মানুষ – সে যতো খারাপই হোক না কেন – আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার অযোগ্য নয়।
ইবনে দিনার ছিলেন খুব অত্যাচারী লোক। কেননা তিনি ছিলেন নীতিহীন ও মাতাল। এমনকি তিনি সুদের ব্যবসাও করতেন, যার কারণে লোকজন তাকে ঘৃণা করতো ও এড়িয়ে চলতো। তার একটি ছোট মেয়ে ছিলো যাকে তিনি খুব ভালোবাসতেন। মাত্র তিন বছর বয়সে যখন তার মেয়ের মৃত্যু হয়, তিনি উন্মত্তপ্রায় এবং শোকে কাতর হয়ে পড়েন, আর মদপান করতে থাকেন যতক্ষণ না তার হুঁশ চলে যায়।

এক রাতে তিনি স্বপ্নে দেখলেন, তিনি কিয়ামত প্রত্যক্ষ করছেন এবং একটি ভয়ঙ্কর সাপ তাকে ছোবল মারছে। ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ইবনে দিনার যখন পালানোর কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না, একজন বৃদ্ধ লোক ছাড়া তিনি আর কাউকেই দেখলেন না এবং তার দিকে ছুটতে লাগলেন। তাকে সাহায্য করার পক্ষে লোকটি ছিলো খুবই দুর্বল, তবে তিনি ইবনে দিনারকে অন্য একটি পথের দিকে নির্দেশ করলেন। আর ইবনে দিনার ঠিক ততক্ষণ দৌড়াতে থাকলেন যতক্ষণ না তিনি নিজেকে জাহান্নামের কিনারায় আবিষ্কার করলেন।
ভীতসন্ত্রস্ত ইবনে দিনার পুনরায় বৃদ্ধ লোকটির কাছে ছুটে গেলেন এবং তাকে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করলেন। কাঁদতে কাঁদতে বৃদ্ধ লোকটি তাকে বললো, “দেখতেই পাচ্ছো আমি দুর্বল। আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারবো না।” তারপর তিনি ইবনে দিনারকে আরেক দিকে ছুটতে বললেন, আর ইবনে দিনার তা-ই করলেন। তিনি যখন ছুটছিলেন তখন দেখলেন সাপটি তার খুব নিকটবর্তী এবং তাকে প্রায় ধরেই ফেলেছিলো। হঠাৎ তিনি দেখলেন তার ছোট মেয়ে তাকে সাপের হাত থেকে বাঁচাতে এসেছে।
এতক্ষণ যা কিছু ঘটে গেলো তার জন্য খুব ভীতসন্ত্রস্ত থাকলেও মেয়েকে দেখে ইবনে দিনার স্বস্তি পেলেন এবং মেয়ের হাত ধরে দুজন একসাথে বসলেন, ঠিক আগে যেভাবে তারা বসতেন। তারপর মেয়েটি তার বাবাকে এই প্রশ্নটি করলোঃ
বাবা!

“যারা মুমিন, তাদের জন্যে কি আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য অবর্তীর্ণ হয়েছে, তার কারণে হৃদয় বিগলিত হওয়ার সময় আসেনি?”
[সূরা আল-হাদিদঃ ১৬]
ইবনে দিনার বললেন, “মা! আমাকে সাপটি সম্পর্কে বলো।” তখন মেয়ে বললো, “এটি ছিলো আপনার খারাপ কাজ যা আপনি স্তুপাকারে জমা করছিলেন যতক্ষণ না তা আপনাকে প্রায় গিলে ফেললো। বাবা, আপনি কি জানেন না যে, একজন মানুষ দুনিয়াতে যে ‘আমল করবে কিয়ামতের দিন একত্রে সেগুলো তার সাথে মিলিত হবে? আর বৃদ্ধ লোকটি ছিলো আপনার ভালো কাজ, যেগুলো খুব সামান্য এবং দুর্বল, তাই তা আপনার অবস্থা দেখে কাঁদছিলো এবং আপনাকে সাহায্য করার অপারগতা প্রকাশ করছিলো। যদি এতো অল্প বয়সে আপনার মেয়ে মারা না যেতো তবে দুনিয়াতে করা আপনার ভালো কাজ কোনো উপকারেই আসতো না।”
ইবনে দিনার জেগে উঠলেন এবং চিৎকার করে বললেন, “হে আমার রব, এখনই (আমি তওবাহ করলাম); হে আল্লাহ! এখনই। হ্যাঁ, এখনই।” তারপর তিনি উযূ করে ফযরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদের দিকে রওয়ানা হলেন এবং তওবাহ করে আল্লাহর দিকে পুনরায় প্রত্যাবর্তন করলেন। মসজিদে প্রবেশ করেই তিনি শুনতে পেলেন ইমাম সাহেব ঠিক সেই আয়াতটিই তিলাওয়াত করছেন যেটি তার মেয়ে তাকে স্বপ্নের মধ্যে বলেছিলো।
বস্তুতঃ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাদের প্রতি পূর্ণ সচেতন যারা তার দিকে প্রত্যাবর্তন করতে চায়। আর তাঁর অসীম দয়ার কারণে তিনি প্রতিনিয়ত তাদের সুযোগ দিয়ে যান যাতে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে এবং তাঁর নিকটবর্তী হতে পারে।
তওবাহ করার পর ইবনে দিনার সালাতের প্রতি একনিষ্ঠতা এবং রাতজুড়ে দু’আ ও আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটির জন্য সুপরিচিত হয়ে উঠেন। তিনি বলতেন, “হে আল্লাহ, একমাত্র আপনিই জানেন কে জান্নাতের বাসিন্দা হবে, আর কে হবে জাহান্নামের বাসিন্দা। আমিই বা কোন দলের অংশ? হে আল্লাহ, আমাকে জান্নাতের বাসিন্দাদের সাথে যোগ দেওয়ার সুযোগ দিন এবং জাহান্নামবাসিদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে মুক্তি দিন।”
চরম অত্যাচারী, মদ্যপ এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্কের প্রতি অবহেলাকারী থেকে ইবনে দিনার বিখ্যাত ধার্মিক ‘আলিমে রূপান্তরিত হয়েছিলেন। অসম্মানের পাত্র হওয়ার পরও তিনি এমনই পরিবর্তিত হয়েছিলেন যে, আজও মানুষ তাঁকে ভালোবাসে, শ্রদ্ধার সাথে তাঁর কথা স্মরণ করে এবং মহান আল্লাহর কাছে তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণের জন্য দু’আ করে। এক সময় যেই মানুষটির‘আমল তাকে জাহান্নামের বাসিন্দা করে দিতে পারতো, আমরা আশা করি সেই ইবনে দিনার চিরকাল জান্নাতে বাস করবেন।

এটি ছিলো মহান আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামিনের কাছে ইবনে দিনারের আন্তরিক তওবার গল্প।
এখন আমার, আপনার অবস্থা কী? ঠিক এই মুহূর্তে আমরা কী ধরনের মানুষ? আমরা কী ভালোর দিকে পরিবর্তিত হবো? প্রকৃতপক্ষে আমাদের উচিত কোনো সময় নষ্ট না করে লক্ষ্য স্থির করা এবং আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা যাতে আমরা সফল হতে পারি।
ইবনে দিনার বলেন,
“কোনো কোনো হাদীসগ্রন্থে আমি পড়েছি, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “অবশ্যই আমি আল্লাহ, রাজন্যবর্গের অধিপতি, সম্রাটদের সম্রাট। রাজাদের অন্তর আমার নিয়ন্ত্রণাধীন। বান্দাগণ যখন আমার আনুগত্য করে, তখন তাদের রাজা বাদশাহদের অন্তরকে রহমত ও করুণার সমন্বয়ে তাদের দিকে ঘুরিয়ে দেই। আর যখন বান্দারা আমার অবাধ্যতা অবলম্বন করে,তখন তাদের রাজা বাদশাহদের অন্তরকে রাগ ও কঠোরতার দিকে ঝুঁকিয়ে দেই, যার ফলে তারা প্রজাদের কঠিন শাস্তি আস্বাদন করায়। সুতরাং রাজা বাদশাহদের অপমান করায় নিজেদের ব্যস্ত রেখো না, বরং আমার নিকট তওবাহ করো, ফলে আমি রাজা বাদশাহদের অন্তরে তোমাদের জন্য করুণা ও সহানুভূতি স্থাপন করে দিবো।”
[সাফওয়াত আত-তাফাসীর, খণ্ড ১, পৃ. ৪১৯]
চলুন আমরা আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করি, তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁর সাথে আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের উন্নতি ঘটানোর চেষ্টা করি। ইনশা আল্লাহ একমাত্র তখনই পুরো মুসলিম উম্মাহ (ইসলামের উপর) অবিচল এবং তওবার ফল ভোগ করতে পারবে।

ছেলেটি আমাকে মাল বলছে

মেয়েটি এগিয়ে গিয়ে ছেলেটিকে থাপ্পড়
মারলো!
.
ছেলেটির অপরাধ সে ঐ মেয়েটিকে ‘মাল’
বলছে!
★★ তাই দেখে এগিয়ে গেলাম, মেয়েটিকে
ডাকলাম,,,
– এই যে আপু, হ্যা আপনাকেই বলছি।
ওকে থাপ্পড় মারলেন কেন?
-এই অসভ্য ছেলেটি আমাকে মাল বলছে!
-আচ্ছা,আপনার সাথে তো আরো মেয়ে আছে,
তাদের কাউকে বললো না, আপনাকে কেন
মাল বললো?
-মেয়েটি চুপ!
-আচ্ছা আপনে ঠোঁট রাঙ্গাইছেন কেন?
-মেয়েটি চুপপ!
-চোখের ভ্রু কেটে ডিজাইন করছেন কেন?
-মেয়েটি চুপপ!
-এইযে থ্রি-পিচ পড়ছেন, আপনার দুপাশ থেকেই
কমড় দেখা যাচ্ছে। এটার দুই সাইডের ফাঁড়া এত
বড় কেন?
-মেয়েটি চুপপ!
-কাপড়ের নিচে ছোট কাপড়সহ শরীর দেখা
যাচ্ছে, এরকম কেন?
-মেয়েটি চুপপ!
.
এইযে আপু এইবার আপনাদের বলছি।কখনো
দেখেছে, বোরকা পরা, মুখ ঢাকা, পরিপাটি
কোনো মেয়েকে কোনো ছেলে ‘মাল’ বলে
সম্বোধন করছে দেখেছে?
হ্যা তাও বলেছে। কারণ আপনি এমন বোরকা
পড়েছেন যার অর্ধেক নাই,এমন টাইট তাতে
আপনার শরীরের গঠন বুঝা যাচ্ছে। শরীর দেখা
যাচ্ছে!
আপনাদের এই উগ্র ভাব আর ফ্যাশন আপনাকে
‘মাল’ বানাইছে!
★★একটা কসমেটিক সেন্টারে এত
ডেকোরেশন করে তাদের সমস্ত ‘মাল’ সুন্দর করে
গুছিয়ে রাখে কেন জানেন?
যাতে মানুষের নজর কাড়ে। ঠিক একই ভাবে
কিছু আপুরা বাড়ি থেকে স্কুল, কলেজ বা
আদার্স কোথাও যাওয়ার আগে
কয়েক ঘন্টা ভরে তাদের দেহ ডেকোরেশন
করে। কেন?
উত্তরটা কোনো আপু দিয়ে যাবেন!
★★”মাল” মানে কি জানেন?
→সম্পদ!


.
মহানবী (সাঃ) প্রত্যেকটা মানুষকে তাদের
সম্পদ
রক্ষা করতে বলেছেন।
→আচ্ছা আপু আপনার সম্পদ কি?
আপনার দেহ এবং দেহের পবিত্রতা, এই সম্পদের
রক্ষা করছেন তো?
→যদি সত্যি আপনার মাল বা সম্পদের রক্ষা
করতে
জানেন, তাহলে কোনো ছেলে আপনাকে আর
কখনোই মাল বলবে না! কখনোই না।
.
(কিছু খারাপ ছেলে আছে। তারা খারাপই
তাদের অসভ্য ফালতু ভাবুন আর ওই কাতারেই
রাখুন!)

আমি প্রতিটি জিনিসই জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে করে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর”। [আয যারিয়াতঃ ৪৯]

“পবিত্র নিখুঁত সেই মহান স্রস্টা, যিনি জুড়ি সৃষ্টি করেছেন সবকিছুর__উদ্ভিদের, স্বয়ং তাদের (মানুষের) এবং এমন সব কিছুরও যাদের তারা জানেনা”। (ইয়াসিনঃ ৩৬]

“হে মানুষ! আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি একজন পুরুষ এবং একজন নারী থেকে”। [আল হুজুরাতঃ১৩]

“হে মানুষ! তোমরা সতর্ক হও তোমাদের সেই মহান প্রভুর ব্যাপারে, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একজন মাত্র ব্যক্তি থেকে এবং তার থেকে সৃষ্টি করেছেন তার স্ত্রীকে, আর তাদের থেকেই সৃষ্টি করেছেন বিপুল সংখ্যায় পুরুষ আর নারী” [সূরা নিসাঃ ১]
পর্দার বিধান হাদীস শরীফে

১. আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,

নারী হল সতর তথা আবৃত থাকার বস্ত্ত। নিশ্চয়ই সে যখন ঘর থেকে বের হয় তখন শয়তান তাকে মনোযোগ দিয়ে দেখতে থাকে। আর সে যখন গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করে তখন সে আল্লাহ তাআলার সবচেয়ে বেশি নিকটে থাকে।-আলমুজামুল আওসাত, তবারানী

এই হাদীস দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া উচিত নয়।

২. আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

ইহরাম গ্রহণকারী নারী যেন নেকাব ও হাতমোজা পরিধান না করে। (সহীহ বুখারী ৪/৬৩, হাদীস : ১৮৩৮)

কাযী আবু বকর ইবনে আরাবী বলেন, নারীর জন্য বোরকা দ্বারা মুখমন্ডল আবৃত রাখা ফরয। তবে হজ্বের সময়টুকু এর ব্যতিক্রম। কেননা, এই সময় তারা ওড়নাটা চেহারার উপর ঝুলিয়ে দিবে, চেহারার সাথে মিলিয়ে রাখবে না। পরপুরুষ থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখবে এবং পুরুষরাও তাদের থেকে দূরে থাকবে। (আরিযাতুল আহওয়াযী ৪/৫৬)

৩. আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

যে ব্যক্তি অহঙ্কারবশত কাপড় ঝুলিয়ে রাখে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তার দিকে (রহমতের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না। তখন উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামা রা. জিজ্ঞাসা করলেন, তাহলে মহিলারা তাদের কাপড়ের ঝুল কীভাবে রাখবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এক বিঘত ঝুলিয়ে রাখবে। উম্মে সালামা বললেন, এতে তো তাদের পা অনাবৃত থাকবে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে এক হাত ঝুলিয়ে রাখবে, এর বেশি নয়। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ৪১১৭; জামে তিরমিযী ৪/২২৩; সুনানে নাসাঈ ৮/২০৯; মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ১১/৮২

ইমাম তিরমিযী বলেন, এই হাদীসে নারীর জন্য কাপড় ঝুলিয়ে রাখার অবকাশ দেওয়া হয়েছে। কারণ এটিই তাদের জন্য অধিক আবৃতকারী।

স্বামী স্ত্রীর চরম মজার জোকস

সাইফ: তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস? রিয়াজ: হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে। সাইফ: বলিস কী! তারপর? রিয়াজ: তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।

…………….
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কয়েক দিন ধরে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলেন না। আর যতটুকু বলা প্রয়োজন, তা ইশারায় জানিয়ে দেন। স্বামী দেখলেন, পরের দিন ভোরে তাঁর ফ্লাইট। তাঁকে উঠতে হবে ভোর পাঁচটায়। কিন্তু স্ত্রী যদি জাগিয়ে না দেন, তবে কিছুতেই ভোরবেলায় তাঁর ঘুম ভাঙবে না। কিন্তু তাঁরা কথাও তো বলেন না। কী আর করা! স্বামী একটা কাগজে লিখে দিলেন, ‘দয়া করে ভোর পাঁচটায় আমাকে জাগিয়ে দেবে।’ কাগজটি টেবিলের ওপর রেখে দিলেন, যাতে স্ত্রী দেখতে পান। কিন্তু পরের দিন যখন তাঁর ঘুম ভাঙল, তখন সকাল নয়টা বেজে গেছে এবং বিমানও তাঁকে ছেড়ে চলে গেছে। তিনি রেগে টং হয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তাঁকে জাগানো হলো না। এদিকে স্ত্রীও সমান তেড়িয়া, ‘এত রাগছ কেন? আমি তো তোমার ওই কাগজটিতে লিখে রেখেছি যে এখন ভোর পাঁচটা বাজে, ঘুম থেকে ওঠো। কিন্তু তুমি তো টেরই পেলে না। আমার কী দোষ?’
…………….
স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন— স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন। আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের? স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না। আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।

……………
নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে। স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে? স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।
……………

ইসলাম সম্মত উপায়ে উলঙ্গ হয়ে পুরুষ-মহিলার গোসলের নিয়ম

উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়েয আছে তবে এটা একেবারে অনুত্তম কাজ , সুন্নতের পরিপন্থী। আল্লাহর রাসুল সা: কখনো এরকম করেনি। মোস্তাহাব ও উত্তম হল লুঙ্গি ইত্যাদি বেঁধে গোসল করা ও মেয়েরা নিচে পায়জামা বা উড়না সাদৃশ্য ও বুকে গামছা সদৃশ্য কিছু রাখবে। কেননা আবু দাউদ শরীফে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, মহান আল্লাহ লজ্জাশীল ও পর্দাকারীদের পছন্দ করেন। তাই তোমাদের কেউ যখন গোসল করে তখন সে যেন পর্দা করে নেয়। (তাহতাবী)

গোসলখানায় যদি কোনো পর্দাহীনতা না হয় তাহলে উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়েয আছে। তবে এটা না করাই উত্তম। কেননা শয়তান তখন ধোকা দেয়। এটা নিন্দনীয় কাজ। ( ফতুয়ায়ে মাহমুদিয়া ৪/৩৮৭)

(এমনিভাবে পর্দার ক্রটি না হলে খোলাস্থানেও উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়েয আছে তবে এটা ঠিক নয়। সর্ব অবস্থায় আল্লাহকে ভয় করা এবং গোসলের অযুতে নামায জায়েয)

পর্দার মধ্যে কাপড় খোলে গোসল করা জায়েয আছে তবে না করাই উত্তম। এমনিভাবে খোলা মাঠে পুরুষের নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত কাপড় বেঁধে বাকী অংশ খোলা রেখে গোসল করা জায়েয আছে। তাঁর নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত (যা পুরুষের সতর) কারো সামনে খোলা হারাম। (আপকে মাসায়েল : উন কা হল) দ্বিতীয় খন্ড, পৃঃ৮১)

মেয়েরা পেন্টি পরে ও পুরুষেরা জাঙ্গিয়া পরে গোসল করলে যদি কাপড়ের নিচে পানি পৌঁছে যায় এবং শরীরের ঢাকা অংশও ধোয়ে ফেলা যায়, তাহলে গোসল ছহীহ হবে। (আপকে মাসায়েল ২য় খন্ডঃ পৃঃ ৮১)

হযরত মুয়াবিয়া ইবনে হাইদা রা: বলেন রাসুল সা : বলিয়াছেন তুমি তোমার স্ত্রী ও হালালকৃত দাসি ব্যাতিত কারো সামনে নিজের সতর খুলবে না। তিনি প্রশ্ন করলেন তাহলে যখন আমরা নির্জনে একাকিত হয় তখনো কি সতর খুলব ( উলঙ্গ) হব না? রাসুল সা : বলেন তখনো আল্লাহকে লজ্জা কর। কেননা তিনি দেখছেন তোমরা কি অবস্থায় আছ। (জামে তিরমিযী, হাদিসে সহিহ ৭২৬৯)

রাসুল সা: জনৈক সাহাবীকে আদেশ দিলেন যে যখন তোমরা স্বামী স্ত্রী একত্রে সহবাস করবে তখন তোমাদের উপরে একটি লম্বা চাদর দিয়ে দুইজনের শরীর ঢেকে নিবে।

উপমহাদেশের যে রাজা নগ্ন নারীদের সাথে স্নান করতো

বৈভব আর রাজকীয় অর্থ নয়ছয়ের ইতিহাসে আজও কুখ্যাতই হয়ে রয়েছেন রাজস্থানের ভরতপুরের রাজা কিষণ সিংহ। রাজস্থান মানেই বীর রাজপুতদের জায়গা। মহারানা প্রতাপ সিংহ থেকে সংগ্রাম সিংহ— একের পরে এক বীরপুঙ্গবের জন্মের জায়গা হিসেবে আজও রাজস্থানের নাম গর্বভরে নেওয়া হয়।

এমনকী, রানী পদ্মাবতী যিনি আলাউদ্দিন খিলজির হাত থেকে সম্মান রক্ষার্থে স্বামীর চিতায় জ্যান্ত আত্নাহুতি দিয়েছিলেন, তাঁর কাহিনি শুনে আজও ভারতীয় নারীরা অনুপ্রেরণা পান। সেখানে রাজস্থানের মতো বীরজন্মের পীঠস্থানে রাজা কিষণ সিংহের কাহিনি স্বাভাবিকভাবেই অবাক করে।

শুধু বৈভব বা অর্থ নয়ছয় করা নয়, রাজা কিষণ সিংহ যেভাবে নারীসঙ্গ উপভোগের জন্য এইসব করতেন, তার জন্য আজও তাঁকে ধিক্কার দেন রাজস্থানবাসী। ১৮৮৯ সালে জন্ম রাজা কিষণ সিংহের। দেওয়ান জারামানি দাসের লেখা বই থেকে রাজা কিষণ সিংহের নারীসঙ্গের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

জানা যায়, রাতের অন্ধকারে সুইমিং পুলে নগ্ন হয়ে স্ত্রীদের সঙ্গে স্নান করতে নামতেন কিষণ সিংহ। এটা ছিল নাকি তাঁর প্যাশন। রাজা কিষণ সিংহের রাজমহলে ৪০ জন রানি থাকতেন। রাজার স্নানের এই রানিরাও নাকি নগ্ন হয়ে পুলে নেমে পড়তেন।

বিলাসবহুল এই জীবনকে আরও রঙিন করতে রাজমহলের সামনে গোলাপি মার্বেলে সুইমিং পুল বানিয়েছিলেন কিষণ সিংহ। এমনকী, সেই সুইমিং পুলে যাওয়ার রাস্তা বাঁধানো হয়েছিল চন্দন কাঠে। সুইমিং পুলে নামার জন্য চন্দন কাঠের সিঁড়িও বানানো হয়েছিল। পুলের মধ্যে ২০টি চন্দনকাঠের পাটাতন এমনভাবে রাখা হয়েছিল যে, এক একটি পাটাতলে ২জন করে রানি আরামসে দাঁড়াতে পারতেন।

রাজা কিষণ সিংহের নির্দেশে প্রত্যেক রানিকেই হাতে মোমবাতি নিয়ে পুলের সিঁড়ি থেকে একদম সিড়ির শেষ ধাপ পর্যন্ত দাঁড়াতে হতো। মোমবাতি হাতে রানিরা পুলে এসে হাজির হলে নিবিয়ে দেওয়া হত রাজপ্রাসাদের সমস্ত আলো। রানিরা পুলের সামনে এসে দাঁড়ানোর পরে রাজা পুলে আসতেন। সুইমিং পুলে নামার সময়ে এক এক করে রানিদের পুলে ছুড়ে দিতেন রাজা। কেবল একজন রানিকে বাহুডোরে নিয়ে নিতেন। রাজা পুলে নামলে নগ্ন অবস্থায় হাতে মোমবাতি নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করতে হত রানিদের।

রানিদের উদ্দেশে কিষণ সিংহের কঠোর নির্দেশ ছিল—মোমবাতি যেন না নেবে। নাচের শেষমুহূর্ত পর্যন্ত যে রানির হাতের মোমবাতি জ্বলত, তাঁকে নিয়ে নিজের খাসমহলে যেতেন রাজা। এর মানে, ওই রানি সেই রাতে রাজার সঙ্গে রাত কাটানোর সুযোগ পেতেন। এবেলা
সূত্র : বহুমাত্রি ডট কম

বল্টুর সকালের জোকস

খুব মশা কামড়াচ্ছে তাই বল্টু রেগে গিয়ে এক বোতল বিষ খেয়ে নিলো
বল্টু : আই এবার , কামরা দেখি , রক্ত খেলেই মরবি
…………….
একটি মাত্র বানান ভুলের কারণে সারাদিন এক হাজারের জায়গায় দুই মিলিয়ন বই বিক্রি !! ভাবা যায় !!! বইটির নাম ছিল “How to change your Life”? কিন্তু, ভুল বসত লেখা হয়েছিল… “How to change your Wife” !!


…………….
শিক্ষক : বলো তো Grammar কাকে বলে? 👦বিলু : যারা গ্রামে থাকে তাদেরকে Grammar বলে। যারা বাংলার গ্রামে থাকে তাদেরকে বাংলা Grammar এবং যারা বিদেশের গ্রামে থাকে তাদেরকে ইংলিশ Grammar বলে।😀😀😃😝 👨 শিক্ষক : ফোর্ড বলতে কি বোঝ? 👦 বিলু : গাড়ী স্যার 🚗। 👨 শিক্ষক : আর অক্সফোর্ড? 👦 বিলু : 🐮গরুর গাড়ী স্যার। 😁😁😳😳 👨 শিক্ষক : বলো তো তাজমহল কে তৈরি করেছিল? 👦 বিলু : মিস্ত্রিরা স্যার। 😳😳😝😝😱 👨 শিক্ষক : Object-সহ একটা ইংরেজি বাক্য বলো। 👦 বিলু : You are a very honest man. 👨 শিক্ষক : এই বাক্যে object কি? 👦 বিলু : ভালো নম্বর পাওয়া স্যার।😱😱😱😆😆 👨 শিক্ষক : বঙ্গানুবাদ করো-It has been raining cats and dogs. 👦 বিলু : বিড়াল🐈 কুকুর🐕 দৌড়চ্ছে, কারণ বৃষ্টি পড়বে।😀😀😊😆😆 👨 শিক্ষক : একজন দেশপ্রেমিকের নাম করো। 👦 বিলু : আমার বাবা। 👨 শিক্ষক : কেন? 👦 বিলু : শুধু দেশী খায়, বিলিতি 🍺 ছোঁয় না। 😁😁😃😀😱😱 👨 শিক্ষক : বলো তো বিল্টু , তোমার বাবা শতকরা ১০ টাকা হারে সুদে ব্যাঙ্ক থেকে ৫০০ টাকা লোন 💶 নিলেন, এক বছর পর তিনি কত টাকা ফেরত দেবেন? 👦 বিলু : এক টাকাও না। 👨 শিক্ষক : গাধা! এখনো এই অঙ্কই জানো না? 👦 বিলু : আমি অঙ্ক জানি, কিন্তু আপনি আমার বাবাকে জানেন না স্যার। 😆😆😱😃😁 👨 শিক্ষক : চোর সম্পর্কে একটি বাক্য বলো। 👦 বিলু : চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, অতএব নিজেকে বুদ্ধিমান করে গড়ে তোলার জন্য চোরকে সব সময়ই পালাতে দিতে হবে। 😊😳😳😜 👨 শিক্ষক : বাঙালি জাতির প্রধান বৈশিষ্ট্য কি..? 👦 বিলু : বাঙালি একাই একশো হতে পারে, কিন্তু ১০০ বাঙালি কখনো এক হতে পারে না

এক বাদশার ঘটনা নিয়ে শিক্ষনীয় একটি ইসলামিক গল্প

এক বাদশার একটি বাগান ছিল। বাগানটি ছিল অনেক বড় এবং বিভিন্ন স্তর বিশিষ্ট। বাদশাহ একজন লোককে ডাকলেন। তার হাতে একটি ঝুড়ি দিয়ে বললেন, আমার এই বাগানে যাও এবং ঝুড়ি বোঝাই করে নানা রকম ফলমুল নিয়ে আস। তুমি যদি ঝুঁড়ি ভরে ফল আনতে পার আমি তোমাকে পুরস্কৃত করব। কিন্তু শর্ত হল, বাগানের যে অংশ তুমি পার হবে সেখানে তুমি আর যেতে পারবে না। লোকটি মনে করলো এটা তো কোন কঠিন কাজ নয়। সে এক দরজা দিয়ে বাগানে প্রবেশ করল। দেখল, গাছে গাছে ফল পেকে আছে। নানা জাতের সুন্দর সুন্দর ফল। কিন্তু এগুলো তার পছন্দ হল না।

সে বাগানের সামনের অংশে গেল। এখানকার ফলগুলো তার কিছুটা পছন্দ হল। কিন্তু সে ভাবল আচ্ছা থাক সামনের অংশে গিয়ে দেখি সেখানে হয়ত আরো উন্নত ফল পাব, সেখান থেকেই ফল নিয়ে ঝুঁড়ি ভরব। সে সামনে এসে পরের অংশে এসে অনেক উন্নত মানের ফল পেল। এখানে এ সে তার মনে হল এখান থেকে কিছু ফল ছিড়ে নেই। কিন্তু পরক্ষণে ভাবতে লাগলো যে সবচেয়ে ভাল ফলই ঝুড়িতে নিবে। তাই সে সামনে এগিয়ে বাগানের সর্বশেষ অংশে প্রবেশ করল। সে এখানে এসে দেখল ফলের কোন চিহ্ন ই নেই।

অতএব সে আফসোস করতে লাগল আর বলতে লাগল, হায় আমি যদি বাগানে ঢুকেই ফল সংগ্রহ করতাম তাহলে আমার ঝুড়ি এখন খালি থাকত না। আমি এখন বাদশাকে কি করে মুখ দেখাব। ঝুড়ি সহ বাগানে প্রবেশকারি লোকটির সাথে আমলনামা সহ দুনিয়ার বাগানে প্রবেশকারী তোমাকে তুলনা করা যায়। তোমাকে নেক কাজের ফল ছিঁড়তে বলা হয়েছে, কিন্তু তুমি প্রতিদিনই ভাব, আগামী কাল থেকে ফল ছেঁড়া আরম্ভ করব। আগামী দিন, আগামী দিন করতে করতে তোমার জীবনে আর আগামী দিন আসবে না।

এভাবেই তুমি শূণ্য হাতে আল্লাহর সামনে হাজির হবে। এজন্য মুফতি তাকি উসমানী (রহঃ) বলেন, জীবনের সময়গুলো অতিবাহিত হচ্ছে। জীবন কেটে যাচ্ছে জানা নেই বয়স বাকি কত। সুতরাং নেক কাজের বাসনা জাগ্রত হওয়ার সাথে সাথে তা করে ফেল। কে জানে কিছুক্ষণ পরে মনের এই আগ্রহ থাকবে কি না? এটাও জানা নাই একটু পর বেঁচে থাকবো কিনা, যদিও বেঁচে থাকি হয়তো দুনিয়ার কোন ব্যস্ততা সামনে এসে পড়বে। অতএব নেক কাজ যখনি করতে মন চায় তখনি করে নাও। জীবন থেকে ফায়দা লুটে নাও।

তাই জীবন নামক আল্লাহ্‌র অনুগ্রহে দেয়া বাগানে বিচরণ কালে আমল নামার বিশেষ ঝুড়িতে যখনই সুযোগ পাওয়া যায় তখনি নেকী নামক ফল দিয়ে প্রথম থেকেই ভরা শুরু করে দাও। পরে সময় পাওয়া যাবে কিনা জানা নাই । আল্লাহ সুবহা’নাহু ওয়া তা’য়ালা সবাইকে তওফিক দিন।