ধর্ষকের হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্য লড়াই করা কি নারীর জন্য ওয়াজিব?

প্রশ্ন: কেউ যদি কোন নারীকে ধর্ষণ করতে উদ্যত হয় তখন সেই নারীর উপর আত্মরক্ষা করা কি ওয়াজিব? আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র ব্যবহার করা জায়েয হবে কি?

উত্তর:
যে নারীর সাথে জোরপূর্বক যেনা করার চেষ্টা করা হচ্ছে সে নারীর উপর আত্মরক্ষা করা ফরজ। তিনি কিছুতেই দুর্বৃত্তের কাছে হার মানবেন না। এজন্য যদি দুর্বৃত্তকে হত্যা করে নিজেকে বাঁচাতে হয় সেটা করবেন। এই আত্মরক্ষা ফরজ। ধর্ষণ করতে উদ্যত ব্যক্তিকে হত্যা করার কারণে তিনি দায়ী হবেন না। এর সপক্ষে দলিল হচ্ছে- ইমাম আহমাদ ও ইবনে হিব্বান কর্তৃক সংকলিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস,
“যে ব্যক্তি তার সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে মারা গেল সে শহীদ। যে ব্যক্তি তার জীবন রক্ষা করতে গিয়ে মারা গেল সে শহীদ। যে ব্যক্তি তার ধর্ম রক্ষা করতে গিয়ে মারা গেল সে শহীদ। যে ব্যক্তি তার পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে মারা গেল সে শহীদ।”
এ হাদিসের ব্যাখ্যায় এসেছে- “যে ব্যক্তি তার পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে মারা গেল সে শহীদ” অর্থাৎ যে ব্যক্তি তার স্ত্রী অথবা অন্য কোন নিকটাত্মীয় নারীর ইজ্জত রক্ষা করতে গিয়ে মারা গেল (সে শহীদ)।

যদি স্ত্রীর ইজ্জত রক্ষা করার জন্য লড়াই করা ও ধর্ষকের হাত থেকে স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত হওয়া স্বামীর জন্য বৈধ হয় তাহলে কোন নারী নিজের ইজ্জত নিজে রক্ষা করার জন্য প্রাণান্তকর লড়াই করা; এই ধর্ষক, জালিম ও দুর্বৃত্তের হাতে নিজেকে তুলে না দিয়ে নিহত হওয়া সে নারীর জন্য বৈধ হওয়া অধিক যুক্তিপূর্ণ। কেননা তিনি যদি নিহত হন তাহলে তিনি শহীদ। যেমনিভাবে কোন নারীর স্বামী তার স্ত্রীর ইজ্জত রক্ষা করতে গিয়ে যদি নিহত হন তিনি শহীদ। শহীদি মৃত্যুর মর্যাদা অনেক বড়। আল্লাহর আনুগত্যের পথে, তাঁর পছন্দনীয় পথে মারা না গেলে এ মর্যাদা লাভ করা যায় না। এর থেকে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ তাআলা এ ধরনের প্রতিরোধকে তথা কোন ব্যক্তির তার স্ত্রীর ইজ্জত রক্ষার জন্য লড়াই করাকে এবং কোন নারীর তার নিজের ইজ্জত রক্ষার জন্য লড়াই করাকে পছন্দ করেন। আর যদি কোন নারী আত্মরক্ষা করতে সমর্থ্ না হন, পাপিষ্ঠ ও দুশ্চরিত্র লোকটি যদি তাকে পরাস্ত করে তার সাথে যেনাতে লিপ্ত হয় তাহলে এ নারীর উপর হদ্দ (যেনার দণ্ড) অথবা এর চেয়ে লঘু কোন শাস্তি কার্যকর করা হবে না। কারণ হদ্দ কায়েম করা হয় সীমালঙ্ঘনকারী, পাপী ও দুশ্চরিত্র ব্যক্তির উপর।
http://bdpromoters.com/wp-content/uploads/2016/06/image.jpg
ইবনে কুদামা হাম্বলির “মুগনী” নামক গ্রন্থে এসেছে- যে নারীকে কোন পুরুষ ভোগ করতে উদ্যত হয়েছে ইমাম আহমাদ এমন নারীর ব্যাপারে বলেন: আত্মরক্ষা করতে গিয়ে সে নারী যদি তাকে মেরে ফেলে… ইমাম আহমাদ বলেন: যদি সে নারী জানতে পারেন যে, এ ব্যক্তি তাকে উপভোগ করতে চাচ্ছে এবং আত্মরক্ষার্থে তিনি তাকে মেরে ফেলেন তাহলে সে নারীর উপর কোন দায় আসবে না। এ প্রসঙ্গে ইমাম আহমাদ একটি হাদিস উল্লেখ করেন যে হাদিসটি যুহরি বর্ণনা করেছেন কাসেম বিন মুহাম্মদ থেকে তিনি উবাইদ বিন উমাইর থেকে। তাতে রয়েছে- এক ব্যক্তি হুযাইল গোত্রের কিছু লোককে মেহমান হিসেবে গ্রহণ করল। সে ব্যক্তি মেহমানদের মধ্য থেকে এক মহিলাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করেছিল। তখন সে মহিলা তাকে পাথর ছুড়ে মারেন। যার ফলে লোকটি মারা যায়। সে মহিলার ব্যাপারে উমর (রাঃ) বলেন: আল্লাহর শপথ, কখনই পরিশোধ করা হবে না অর্থাৎ কখনোই এই নারীর পক্ষ থেকে দিয়ত (রক্তমূল্য) পরিশোধ করা হবে না। কারণ যদি সম্পদ রক্ষার্থে লড়াই করা জায়েয হয় যে সম্পদ খরচ করা, ব্যবহার করা জায়েয তাহলে কোন নারীর তার আত্মরক্ষার্থে, খারাপ কাজ থেকে নিজেকে হেফাযত করতে গিয়ে, যেনা থেকে নিজেকে বাঁচাতে গিয়ে- যে গুনাহ কোন অবস্থায় বৈধ নয়- লড়াই করা সম্পদ রক্ষার লড়াই এর চেয়ে অধিক যুক্তিপূর্ণ। এইটুকু যখন সাব্যস্ত হল সুতরাং সে নারীর যদি আত্মরক্ষা করার সামর্থ্য থাকে তাহলে সেটা করা তার উপর ওয়াজিব। কেননা দুর্বৃত্তকে সুযোগ দেয়া হারাম। এক্ষেত্রে আত্মরক্ষা না করাটাই তো সুযোগ দেয়া।[আল-মুগনি (৮/৩৩১)] আল্লাহ ভাল জানেন।[আল-মুফাসসাল ফি আহকামিল মারআ (৫/৪২-৪৩)]

আজ রক্তাভ চন্দ্রগ্রহণ

• চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ৩৮ মিনিটে।
• পৃথিবীর ছায়া পুরোপুরি চাঁদকে গ্রাস করবে ৬টা ৫১ মিনিটে।
• চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে রাত ১০টা ৯ মিনিটে।
• সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একটি রেখায় খুব কাছাকাছি অবস্থান করবে।
• চাঁদ ‘সুপার মুন’ হিসেবে দেখা দেবে।
নতুন বছরে প্রথম মাসের শেষ রাতে আজ দেখা মিলবে এক অসাধারণ মুহূর্তের। সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটের দিকে পৃথিবীর ছায়া চাঁদকে সম্পূর্ণভাবে গ্রাস করবে। এ সময় সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একটি রেখায় খুব কাছাকাছি অবস্থান করবে। চাঁদকে দেখা যাবে রক্তাভ নীল রঙে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ৩৮ মিনিটে। আর পৃথিবীর ছায়া পুরোপুরি চাঁদকে গ্রাস করবে ৬টা ৫১ মিনিটে। চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে রাত ১০টা ৯ মিনিটে।

বিভিন্ন কারণে এই চন্দ্রগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ও বিরল একটি মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। প্রথমত, চাঁদ এই দিনে ‘সুপার মুন’ হিসেবে দেখা দেবে। অর্থাৎ দুই মাসের ব্যবধানে আগামী ৩১ মার্চ একই রকম চন্দ্রগ্রহণের দেখা মিলবে। দ্বিতীয়ত, এটি বছরের প্রথম ‘ব্লু মুন’ বা বছরের অতিরিক্ত পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ। তৃতীয়ত, এই গ্রহণের সময় চাঁদের রং তামাটে বা অতিরিক্ত লাল হবে বলে এটি ‘কপার মুন’।

এই তিনটি ঘটনা একত্রে খুবই বিরল বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মো. আবদুস ছাত্তার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মানবসভ্যতার শুরু থেকে চন্দ্রগ্রহণ চমকপ্রদ এক ঘটনা। প্রাচীনকালে এটি অনেকের কাছে ভীতিকর ব্যাপার ছিল। তবে বিজ্ঞানমনস্ক ও আধুনিক মানুষেরা এটি কৌতূহল নিয়ে উপভোগ করেন।

চাঁদের বিরল এই মুহূর্ত দেখতে ঢাকার পূর্বাচলে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি একটি শিবিরের আয়োজন করবে। এর সহযোগী মাসিক সাময়িকী বিজ্ঞানচিন্তা ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি। বিকেল পাঁচটা থেকেই পূর্বাচলের স্বর্ণালি আবাসিক এলাকার ল্যাবএইড প্রজেক্ট মাঠে শিবির করা হবে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টেলিস্কোপে ও দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে চন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের উদ্যোগে আগারগাঁওয়ের জাদুঘরে ও পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত থেকে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখাতে পৃথক শিবির করা হবে। যে কেউ তাতে অংশ নিতে পারবেন।
সূত্র : প্রথম আলো

পাচার আর মায়াবতীর জোকস

মায়াবতী নাকি এক টিভি ইন্টারভিউ-এ বলেছেন, ‘আমি যদি পদ্মাবতী হতাম, কক্ষনো বিষ খেতাম না….!’ সেই ইন্টার্ভিউ দেখে উত্তেজিত পাচা টুইট করেছেন, লিখেছেন- ‘নিজেকে দেখেছিস আয়নায়…. তুই পদ্মাবতী হলে শালী … খিলজী নিজেই বিষ খেত..
…………………..

পচা ভোট দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল – স্যার আঙ্গুলের এই দাগ কি জল দিয়ে ধুলে যাবে? অফিসার : না। পচা : তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে? অফিসার : না পচা : তা-হলে স্যার কত দিন পরে উঠবে? অফিসার : (বিরক্ত) ১ বছর পর যাবে। পচা – তাহলে আরও একটু দেবেন স্যার? অফিসার : কেন? চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাই গুলো এক সপ্তাহের বেশি থাকে না। পোলিং অফিসার অজ্ঞান
…………………..
পাচার বাড়িতে ৪ জন বন্ধু এসেছেন, রামবাবু স্ত্রীকে চা বানাতে বললেন। স্ত্রী: ( রান্নাঘরে রামবাবুকে ডাকলেন)– চিনি তো সব শেষ, একফোঁটাও নেই, চা বানাবো কী করে ? রামবাবু: তুমি বানাও তো চা, বাকিটা আমি ম্যানেজ করে নেব। (রামবাবুর স্ত্রী চা বানিয়ে পরিবেশন করলেন) রামবাবু : বন্ধুরা আজ আমরা একটা মজার খেলা খেলবো। এই চাএর কাপগুলোর মধ্যে একটা কাপে চিনি দেওয়া নেই, সবাই একটা করে কাপ নেবেন, যার কাপে চিনি থাকবে না, তিনি আগামী রবিবার আমাদের সবাইকে একটা বড় রেস্তোরাঁয় নিয়ে গিয়ে খাওয়াবেন। চা খাবার পর প্রশ্ন করা হলে সবাই স্বীকার করে নিলেন তাদের চা-এ চিনি ঠিক ছিল, একজন তো বলেই বসলেন, বৌদি কি আমার কাপে ডবল চিনি দিয়েছিলেন নাকি ?

ইসলামের দৃষ্টিতে যৌনতা , ২০ টি প্রশ্নের উত্তর

1. আমি কী আমার স্ত্রীর স্তনের দুধ খেতে পারবো? এটি কী জায়েজ?
– না। এটি জায়েজ নয়। যদি আপনি ইচ্ছা করে খান, তাহলে আপনার স্ত্রী আপনার জন্য হারাম হয়ে যাবে। তাছাড়া স্তনের দুধ শুধুমাত্র সন্তানের জন্য, স্বামীর জন্য নয়।

প্রশ্নোত্তরগুলো পূর্বে প্রকাশিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থেকে নেয়া যে সূত্রগুলো নীচে উল্লেখ করা হয়েছে। কারো মনে কোন প্রশ্নের উদ্রেক হলে অনুগ্রহ করে সোর্সগুলো দেখবেন। এখানে কোন প্রশ্নের যথার্থ উত্তর না থাকলে কমেন্ট করে সংশোধনী দেয়ার অনুরোধ থাকল।

১. আমি স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করতে গেলে কী সামনের দিক থেকেই করতে পারবো? পিছন দিক থেকে করা যাবে?
– আপনি সামনে এবং পিছনে উভয় দিক থেকেই সঙ্গম করতে পারবেন। তবে সঙ্গম অবশ্যই যোনীপথ দিয়ে করতে হবে।

২. আমি শুনেছি পায়ূপথে সঙ্গম করা হারাম। কথাটা কি সত্যি?
– হ্যাঁ, এটি সত্যি। মহানবী (সঃ) পায়ূপথে সঙ্গম করা হারাম করেছেন।

৩. আমার স্বামী প্রায়ই আমার সাথে জোর করে সঙ্গম করে। কিন্তু তখন আমার সঙ্গম করার ইচ্ছা থাকে না। এক্ষেত্রে কী করণীয়?
– এক্ষেত্রে করণীয় যে, আপনি আপনার স্বামীকে বোঝান যে, আপনার ইচ্ছা না থাকলে তখন তার বিরত থাকাই উত্তম। কারণ, এতে দুজনই সঙ্গমের পূর্ণ আনন্দ লাভে ব্যর্থ হয়। তখন সেই সঙ্গমটা একপক্ষীয় হয়ে যায়।

৪. আমার স্বামী প্রায়ই আমাকে তার পুরুষাঙ্গ চুষতে বলে এবং আমার যোনী চুষতে চায়। কিন্তু আমার চুষতে ইচ্ছা করে না এবং আমারটাও চুষতে দেই না। খুব ঘৃণা লাগে। যদি গোপনাঙ্গ চোষা হয় তাহলে এতে কোন পাপ হবে কী?
– ইসলামে গোপনাঙ্গ চোষণ সম্পর্কে হাদিসে কোন সঠিক ব্যাখ্যা না থাকার ফলে এ আচরণকে হারামও বলা যাবে না, আবার হালাল ও বলা যাবে না। সুতরাং গোপনাঙ্গ চোষণের ব্যাপারটি সম্পূর্ণ আপনাদের ওপর।

৫. আমার হস্তমৈথুন করার অভ্যাস আছে। এটা কী পাপ?
– ইসলামে হস্তমৈথুন সম্পর্কে হাদিসে কোন সঠিক ব্যাখ্যা নেই যে এটি হারাম নাকি হালাল। তবে যদি আপনি এটাকে পাপ মনে করে থাকেন তাহলে ধীরে ধীরে হস্তমৈথুনের অভ্যাসটি ত্যাগ করতে পারেন।

৬. ইসলামে একজন পুরুষ দুজন নারীকে একসাথে নিয়ে সঙ্গম করতে পারবে কিনা?
– যেহেতু ইসলামে একই লিঙ্গের দুজন ব্যক্তি একে অপরের গোপনাঙ্গ দেখতে পারবে না, সেক্ষেত্রে এ ধরণের সঙ্গমকে না বলাই ভালো।

৭. আমি এবং আমার স্ত্রী কী একসাথে গোসল করতে পারবো? এটা কি জায়েজ?
– হ্যাঁ, অবশ্যই পারবেন এবং এটি জায়েজ।

৮. আমি শুনেছি যে ইসলামে একে অপরের গোপনাঙ্গ দেখা নিষেধ। কিন্তু আমার স্বামী আমার গোপনাঙ্গের দিকে তাকিয়ে সঙ্গম করে। এতে কী কোন সমস্যা হবে?
– স্বামী-স্ত্রী একে অপরের গোপনাঙ্গ দেখতে পারবে। এতে কোন বাঁধা নেই, অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কোন পর্দা নেই। তবে স্ত্রীর গোপনাঙ্গের দিকে তাকিয়ে সঙ্গম করলে পুরুষের চোখের জ্যোতি কমে যায়।

৯. নিজেদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে অন্যদের সাথে খোলামেলা আচরণ করা কি ঠিক?
– না। এটি মোটেই ঠিক নয়। নিজেদের দাম্পত্য জীবনের কথা অন্যজনদের না বলাই ভালো। তবে চিকিৎসার প্রয়োজনে ডাক্তারের কাছে নিজেদের দাম্পত্য জীবনের কথা বলতে পারেন।



১০. সঙ্গম করার পূর্বে কী শৃঙ্গার (ফোরপ্লে) করা জরুরী?
– হ্যাঁ। কারণ পুরুষদের যৌনইচ্ছা হঠাৎ করে আসে আবার হঠাৎ করে চলে যায় কিন্তু নারীদের যৌনইচ্ছা আস্তে আস্তে করে আসে আবার আস্তে আস্তে করে যায়। তাই সঙ্গমের পূর্বে শৃঙ্গার করা জরুরী।

১১. সঙ্গম শেষে কী নারীদের গোসল করা জরুরী?
– হ্যাঁ। শুধু নারীদেরই নয়, পুরুষদেরও গোসল করে পবিত্র হয়ে নেয়া জরুরী।

১২. কনডম ব্যবহার করে কী জন্মনিয়ন্ত্রণ করা যাবে?
– যেহেতু মহানবীর যুগে কনডম আবিষ্কার হয়নি, তাই সেসময়ের আরবের লোকরা আল-আযল পদ্বতি ব্যবহার করতো, অর্থাৎ বীর্যপাত হওয়ার আগে যোনীপথ থেকে পুরুষাঙ্গ বের করে বীর্যপাত করতো। তবে যে আত্না আসার, সেটা আসবেই। তা যতই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্বতি অবলম্বন করা হোক না কেন। তাই কনডম ব্যবহার করে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা আর না করা সেটা সম্পূর্ণ আপনাদের ব্যাপার।

১৩. আমার মাসিকের সময় আমার স্বামী প্রায়ই পায়ূপথে সঙ্গম করতে চায়। কিন্তু আমি বাঁধা দেই। আমি জানি যে, মাসিকের সময় এবং পায়ূপথে সঙ্গম করা হারাম। তবে স্বামী-স্ত্রীর জন্য এ আইন শিথিল কিনা?
– না। সঙ্গমের ক্ষেত্রে এ দুটো বিষয় কখনোই শিথিল নয়। এ দুটি বিষয় সম্পর্কে ইসলামে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।

১৪. স্বামী-স্ত্রী কি একে অপরের শরীরের বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করতে পারবে?
– হ্যাঁ। এতে কোন সমস্যা নেই।
১৫. ইসলামে সঙ্গমের জন্য কি কোন নির্দিষ্ট আসন রয়েছে?
– না। আপনি যেভাবে ইচ্ছা বা যে আসনে সঙ্গম করলে আপনাদের সুবিধা হয় সেসব আসন অবলম্বন করতে পারেন।

১৬. যেহেতু মাসিকের সময় সঙ্গম নিষেধ, সেক্ষেত্রে কী শৃঙ্গার করা যাবে?
– চাইলে শৃঙ্গার করতে পারেন, তবে তা চুম্বন, স্তন চোষা এবং টিপ দেয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ব রাখবেন।

১৭. আমার স্বামী আমার স্তনের বোঁটা চুষে এবং স্তন টিপে। এটা কী জায়েজ?
– হ্যাঁ। এটি অবশ্যই জায়েজ। তাছাড়া স্তন টিপলে প্রাকৃতিকভাবেই আপনার স্তন বড় হবে।

১৮. আমি কী আমার স্ত্রীর স্তনের দুধ খেতে পারবো? এটি কী জায়েজ?
– না। এটি জায়েজ নয়। যদি আপনি ইচ্ছা করে খান, তাহলে আপনার স্ত্রী আপনার জন্য হারাম হয়ে যাবে। তাছাড়া স্তনের দুধ শুধুমাত্র সন্তানের জন্য, স্বামীর জন্য নয়।

১৯. সঙ্গমের সময় শরীরে কী একটু হলেও কাপড় রাখা উচিত?
– এটি রাখলে ভালো। তবে চাইলে পুরোপুরি উলঙ্গ হয়েও সঙ্গম করতে পারেন। সেটা আপনাদের ব্যাপার।

২০. স্বামী-স্ত্রী কী উলঙ্গ হয়ে বিছানায় শয়ন করতে পারবে?
– হ্যাঁ। এতে কোন সমস্যা নেই।

সূত্র : হেলথ বাংলা

স্বীয় কঠোরতা প্রসঙ্গে হযরত (রাযি.)-এর বক্তব্য

হযরত ওমর (রাযি.) খেলাফতের দায়িত্ব নিয়োজিত হওয়ার পর জানতে পারেন যে, সর্ব সাধারণ তাঁর কঠোরতার ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত । তিনি লোকদিগকে একত্রিত করে একটি মূল্যবান ভাষণ প্রদান করলেন। তাতে হামদ-ও ছানার পর বললেন–আমি জানতে পেরেছি যে, লোকজন আমার কঠোরতায় সদা সন্ত্রত । আমার কঠোর মানসিকতাকে ভয় পায়। অনেকে বলাবলি করে যে, ওমর রাসূলুল্লাহ –এর যুগে আমাদের উপর খড়গ হস্ত ছিল। যখন হযরত আবু বকর (রাযি.) খলীফা ছিলেন, তখনও ছিল অত্যন্ত কঠোর, আর এখন তাঁর হাতে সকল ক্ষমতা রয়েছে। এখন তার কঠোরতা কি রূপ ধারণ করবে কে জানে।

যা হোক শুনে রাখ। তাদের এ জাতীয় মন্তব্য সঠিক, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময় ছিলাম। তখন তাঁর খাদেম ও সহযোগী হিসেবে ছিলাম, এমনকি তিনি আমার উপর তাঁর সন্তুষ্ট অবস্থায় দুনিয়া ত্যাগ করেছেন। এক্ষেত্রে আমি আমার সৌভাগ্য অন্যদের তুলনায় কিছুটা বেশী। অতঃপর হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাযি.) খিলাফতের দায়িত্বে নিয়োজিত হল, তখন আমি তারও খাদেম এবং সাহায্যকারী হিসাবে ছিলাম, আমি আমর কঠোরতাক তাঁর কোমলতার সঙ্গে মিশিয়ে রাখতাম। আর ততক্ষণ পর্যন্ত রাঙ্গা তরবরীর ভূমিকায় থাকতাম যতক্ষণ না তিনি আমাকে খাপে না ঢোকাতেন। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তা’আলা তাকেও এমতাবস্থায় ইহলোক হতে নিয়ে গেছেন যে, তিনিও আমার উপর সন্তুষ্ট ছিলেন এবং এক্ষেত্রেও আমি অন্যান্যদের চেয়ে বেশী সফল।

এখন আি তোমাদের দায়িত্বে নিয়োজিত হয়েছি, মনে রাখবে এখন সে কঠোরতায় করে কয় গুন বেশি সংযোজন হয়েছে। হ্যাঁ তবে, আমর এ আচরণ কেবল সে সকল লোকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে যারা মুসলমানদের উপর যুলুম নির্যাতন, লুণ্ঠন সীমা লঙ্ঘনকে বোইধ মনে করে থাকে। পক্ষান্তরে যারা দীনদার, ন্যায়পরায়ণ ও সঠিক চিন্তার অধিকারী, তাদের প্রতি আমি তাদের নিজেদের চাইতেও বেশি কোমল ও দয়াপরয়ণ। কিন্তু যে ব্যক্তি কারও উপর যুলুমের জন্য উদ্ধত হয়, আমি তাকে ততক্ষণ পর্যন্ত ছাড়ব না যতক্ষণ না তার এক থুতনী মাটির সঙ্গে মিশে যাবে অপর থুতনীর উপর আমি পাড়া দেব, আর সে ন্যায় নিষ্ঠা ও ইনসাফের ঘোষণা দেবে। হে লোক সকল! আমর উপর তোমাদের হক রয়েছে, আমি তোমাদের জাতীয় সম্পদে এক বিন্দু পরিমাণ এদিক-সেদিক করব না। তোমাদের কে ধ্বংস করব না। আর যখন তোমরা মুসলমানদের জাতীয় খেদমতে কোথও সফর করবে তখন তোমাদের ফেরার আগ পর্যন্ত আমি তোমাদের সন্তানদের সংঙ্গে পিতার ন্যায় আচরণ করব। এ কয়েকটি কথা বলে বিদায় নিচ্ছি। আল্লাহ তা’আলা আমাদের সকলকেই ক্ষমা করুন। এই কামনা করি।-আল হায়াতুল হায়ওয়ান ১/৪৬

এক বুড়ির কান্ড যার বাড়িতে বাদশাহর পোষা বাজ পাখি উড়ে পড়েছিল

বৃদ্ধা পাখীটি ধরে আফসোস করে বলতে লাগলো, আহা! বাদশাহর বিলাসিতায় তোর এ দুর্দশা হয়েছে। এতদিন খাচায় আটকিয়ে রেখেছিল, নখগুলোও কেটে দেয়নি। কত বড় নখ হয়েছে।

এ বলে বুড়ি সে পাখীর সব কয়টি নখ একেবারে গোড়া থেকে কেটে দিল।

এরপর বাজ পাখির বাকা ঠোঁটটি দেখে বলে উঠলো, “আহা খাচার মধ্যে অযত্নে থাকতে থাকতে ঠোঁটটি কেমন বাকা হয়ে গেছে। তোর ঠোঁটটি সোজা করে দেই।’

এ বলে ঠোঁটের বাকা অংশ ছুরি দিয়ে চেঁছে ঠোঁটটি সম্পূর্ণ সোজা করে দিল।

ফল হলো এ যে, বাজ পাখিটি আর কোন দিন পায়ের নখের সাহায্যে ছো মেরে শিকার ধরতে পারবে না এবং আর কোন দিন ঠোঁট দিয়ে ছিঁড়ে শিকারের মাংস খেতে পারবে না।

এ অবুঝ বৃদ্ধাটি বাজের উপকার করতে গিয়ে জীবনের মত তাকে পঙ্গু করে দিল।

সেরূপ অনেক কোরআন পাকের বাংলা তরজমা পাঠ করে এ অবুঝ বৃদ্ধার মত মূল বস্তুকে পরিবর্তন করে ভুল অর্থ গ্রহন করে থাকে।

(আল-এফাযাতুল ইয়াউমিল্যাহ, খন্ড-৪, পৃষ্ঠা-১০২-১০৩)

ঘটকের জোকস

গোপাল একবার একটি বিয়ের ঘটকালি করে ছিল। মেয়েটি খোঁড়া, ছেলেটি কানা। কনেপক্ষ পাত্র পক্ষ গোপালের মুখের কথায় উপর নির্ভর করেই বিয়ে পাকাপাকি করে ফেলেছিল। কনেপক্ষ জানে না যে বর কানা, আবার পাত্রীপক্ষ জানে না যে মেয়ে খোঁড়া। গোপারের ভীষণ নাম ডাকের জন্য কেউ কাউকে অবিশ্বাস করতে পারে নি। সবকাজ গোপালের উপরই ছেড়ে দিয়েছে।
নির্বিঘ্নে বিয়ে হয়ে যাবার পর পাত্রকক্ষের কর্তা গোপালকে ডেকে বললেন, কনেপক্ষের লোকেরা জানতেই পারেনি যে, বর কানা। বরকে কানা দেখলে কোন বাপ মেয়েই দিত না। এর জন্য আপনার কাছে বেশ কৃতজ্ঞ আমরা। এই বলে পাত্রপক্ষের লোকেরা কিছু পুরষ্কার বাবদ টাকা দিল। গোপাল তা মুখটি চেপে নির্বিবঘ্নে তাদেরকে কিছু না বলে নিয়ে নিল।
এদিকে কন্যাপক্ষের লোক এল। মেয়েটি যে খোঁড়া পাত্রপক্ষের লোকেরা জানিতেই পারেনি, কি বল গোপাল! এই বলে কন্যাপক্ষের লোকেরা গোপালকে কিছু পুরষ্কার দিল।

দুপক্ষের কাছে মোটা বকসিস পেয়ে পুলকে গোপাল মনে মনে হাসতে হাসলে বলল, আপনারা মহাশয় ব্যক্তি। তাহলে সব কথা খুলে বলি শুনুন, আপনার মেয়েটি খোঁড়া আর বরও কানা। এতে অবশ্য দুপক্ষের চিন্তা ভাবনা করার কোনও কারণই নেই।
গোপালের কথা শুনে বর পক্ষের আক্কেল গুডুম। বললেন, অ্যাঁ, বলো কি। পাত্রী খোঁড়া? আগে এ কথা আমাদের বলেননি কেন?
গোপাল বললে, নইলে মানাবে কেন দাদা? না মানালে আমরাই যে বদনাম। আমি তো কারও কাছে বদনাম শুনতে রাজি নই। এখন, আপনাদের আর কারোর কিছু বলার থাকলো না।
…………
রফিক সাহেব ঠিক করলেন, ছেলের বিয়ে দেবেন।
ছেলেকে গিয়ে বললেন, শোন, আমি ঠিক করেছি তোর বিয়ে দেব। পাত্রীও ঠিক।
ছেলে: কিন্তু বাবা আমি তো নিজের পছন্দে বিয়ে করতে চাই!
রফিক সাহেব: পাত্রী বিল গেটসের মেয়ে।
ছেলে: তাহলে বাবা আমি রাজি!

এরপর রফিক সাহেব গেলেন বিল গেটসের কাছে। বললেন, আপনার মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে দিতে চাই।
বিল গেটস: কিন্তু আপনার ছেলে করে কী?
রফিক সাহেব: সে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট।
বিল গেটস: ও! তাহলে আমি রাজি।

সব শেষে রফিক সাহেব গেলেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কাছে। বললেন, আমার ছেলেকে আপনার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন।
প্রেসিডেন্ট: কিন্তু আপনার ছেলের কি সেই যোগ্যতা আছে? তা ছাড়া আমার একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট আছে। আমি তো তাকে সরিয়ে আপনার ছেলেকে নিতে পারি না।
রফিক সাহেব: কিন্তু সে যদি বিল গেটসের মেয়ের জামাই হয়?
প্রেসিডেন্ট: তাহলে আমি রাজি!
…………
মেয়ের বাবাঃ এই মাত্র মেয়েটার যে গান শুনলেন এর জন্য আমার বহু টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। ছেলের বাবাঃ হ্যাঁ, তা তো হবেই। নির্ঘাত প্রতিবেশীদের সঙ্গে মামলা লড়তে হয়েছে।

বল্টুর ভ্রমণ জোকস

বল্টু একবার বনে গেলো ঘুরতে
বল্টু গেছে আফ্রিকায়। গাইডের সঙ্গে তার কথোপকথন। বল্টু: বন-জঙ্গলে মানুষখেকো নেই তো? -না, নেই। এ নিয়ে একদম ভাববেন না। -একটা মানুষখেকোও নেই? -না, নেই। আমি নিশ্চিত হয়ে বলছি। শেষ মানুষখেকোটা আমরা গত সোমবার খেয়ে ফেলেছি।

বল্টু তো পরে বেহুস

………….
বল্টু: আচ্ছা, এই পাহাড় থেকে লোকজন প্রায়ই পড়ে যায় না তো? গাইড: না, একবার পড়লেই হয়।
………….
বল্টু : নদীতে নামতে পারি? কুমিরের ভয় নেই তো? স্থানীয় লোক : নিশ্চিন্তে নামুন, এখন আর কুমিরের ভয় নাই। গত দু’বছরে সবগুলো কুমির হাঙরে খেয়ে ফেলেছে।
………….
ছুটিতে আমেরিকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন বল্টু । ফিরে আসার পর বন্ধু শফিক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কিরে, আমেরিকানদের কথা বুঝতে কোনো সমস্যা হয়নি তো?’ জলিল: আমার কোনো সমস্যা হয়নি। সমস্যা যা হওয়ার ওদের হয়েছে!
………….

কুস্তিগীর খেলায় অংশ নিচ্ছে এক আরব নারী

ইসলাম যেখানে খেলাধুলা প্রায় একদম নিষিদ্ধ সেখানে কুস্তির মতো এরকম একটি খেলা তাও একজন নারী. একজন মুসলমান হিসিবে আমরা এটা কখনো আশা করত পারি না।
ওই মহিলাটির সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের সম্পর্ণ অংশ টুকু পড়ুন
নাম তার সাদিয়া
তিনি কেবল মার্শাল আর্টের মারদাঙ্গা শিল্পীই নন, মার্কিন মুলুকে রীতিমতো পেশাদার কুস্তিতে নাম লিখিয়েছেন। তিনিই প্রথম আরব নারী, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড রেসলিং এন্টারটেইনমেন্টে (ডব্লিউডব্লিউই) কুস্তি লড়তে হাজির।

সিএনএনের খবরে জানানো হয়, গতকাল সোমবার ডব্লিউডব্লিউইতে যুক্ত হন পেশাদার মার্শাল আর্টের অ্যাথলেট সাদিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের অরল্যান্ডোর ডব্লিউডব্লিউইর আখড়ায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করেছেন ৩১ বছরের জর্ডানি নারী সাদিয়া বেসিসো। শিগগিরই রিংয়ের ভেতরে প্রতিযোগীকে পরাস্ত করতে পারবেন বলে তাঁর আশা।

টিভিতে উপস্থাপনার কাজও করেছেন সাদিয়া। দুবাইয়ের ব্যক্তিমালিকানাধীন একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন তিনি।

২০১৪ সালে মার্শাল আর্ট শুরু করেন সাদিয়া। বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ডোরাকাটা নীল বেল্টও পেয়েছেন তিনি।

সাদিয়া বিভিন্ন শোতে উইমেন সুপারস্টার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। তাঁর প্রত্যাশা, মার্শাল আর্ট ও টিভি উপস্থাপনায় ডব্লিউডব্লিউই তাঁর সুযোগকে ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারবে।

সাদিয়া মনে করছেন, রিংয়ের ভেতরে কুস্তি লড়তে তাঁর আরও দুই বছর সময় লাগতে পারে। তবে তিনি কতটা ভালো কাজ করছেন, তার ওপর বিষয়টা নির্ভর করছে।

সূত্র : প্রথম আলো: