গল্প থেকে শিখুন

একবার একটা লঞ্চ দূর্ঘটনায় পড়লো। লঞ্চের এক দম্পত্তি একটা লাইফবোট পেল। কিন্তু স্বামীটা বুঝে ফেললো সেখানে একজনের বেশি উঠতে পারবে না। লোকটা তার স্ত্রীকে Continue reading “গল্প থেকে শিখুন”

বাজারে ঢুকছে প্লাস্টিকের প্রলেপ দেয়া তরমুজ

তাও ভাল যে লাউ বা চালকুমড়ার উপর রঙ মেরে তরমুজ কয় নাই, বাঙালির মত বেইমান জাতি মনেহয় আর নাই, খারাপের সব লেভেল ক্রস করে ফেলসে এরা 😡😡😡

সাবধান_বাঙালি

সচেতন থাকুন অন্যদের সচেতন হতে সাহায্য করুন

বাঙালিদের মাথায় বুদ্ধির অভাব নেই। কিন্তু বুদ্ধি গুলো ভালো জায়গায় ব্যবহার যদি করতে পারতো তাহলে আর ভালো জায়গায় চলে যেতে পারতো। এমন কি উন্নতশীল দেশ হিসেবেই স্বীকৃতি পেতো। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো ওই বুদ্ধি কখনোই মানুষের মঙ্গলের কাজে ব্যবহার করা হয় না। কি ভাবে মানুষকে ঠকানো যায় সেই জায়গায়ই বুদ্ধি টা কাজে লাগায়।

দেশ উন্নত হবে কি ভাবে যেখানে দেশের মানুষের চিন্তা ধারা জঘন্য পর্যায়ের। কথা না বাড়িয়ে আসল কথায় আসি।

আমরা সবাই জানি কালো তরমুজ বেশি মিষ্টি হয় এবং খেতে মজা। তাই অনেকেই কালো তরমুজ বাজার থেকে নিয়ে আসেন। কিন্তু সেটা কি আসলেও কালো তরমুজ ??

বাসায় তরমুজ আনে ঠান্ডা হওয়ার জন্য ফ্রীজে রাখা হল। ফ্রীজ থেকে বের করতে না করতেই তরমুজের আসল পূর বের হতে শুরু হলো। এক পাশ কাটার সাথে সাথে আলাদা চামড়ার মত তরমুজ থেকে রঙের আবরন উঠা শুরু হয়। এক পর্যায়ে পুর তরমুজ টি থেকেই গাঢ় রঙের প্রলেপ উঠে আসলো। এই ভাবেই তরমুজ ব্যবসায়ীরা মানুষের ঠকাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষ প্রতারণা শিকার হচ্ছে।

সবাই সাবধান থাকবেন এসব প্রতারনার হাত থেকে। তরমুজ ক্রয় করার আগে কেটে দেখে নিবেন। কালো রঙের তরমুজের বিচি কালো রঙের হয়। যারা জানেন না তারা সাবধানে তরমুজ ক্রয় করবেন।

ধন্যবাদ
Md Atiullah Sarker‎

যে যত বেশি শিক্ষিত সে তত বেশি নির্লজ্জ !

যে যত বেশি শিক্ষিত সে তত বেশি
নির্লজ্জ ! সে তত বেশি অসভ্য !
** কেন বললাম..??
—–কারণ
** আমি কখনো দেখিনি-গ্রামের একটা
অশিক্ষিত
মেয়ে অর্ধ নগ্ন জামা-কাপড় পড়ে
রাস্তায়
চলাফেরা করতে ।। কিন্তু – আমি অসংখ্য
শিক্ষিত
মেয়েকে দেখেছি অর্ধনগ্ন হয়ে
লোকালয়ে ঘুরতে ।
** আমি কখনো দেখিনি পড়াশোনা
না জানাএকটা ছেলে গার্লফ্রেন্ডের
জামার ভেতরে হাতদিয়ে রাস্তায় হাটতে
।। কিন্তু
অসংখ্য শিক্ষিত ছেলেকে দেখেছি
এইনির্লজ্জ
দৃশ্যে।
** আমি কখনো শোনিনি অশিক্ষিত কোন
ছেলে মেয়ের সেক্স স্ক্যান্ডাল বের
হয়েছে ।। কিন্তু শিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের
এই অসভ্যকার্য আমরা প্রতিনিয়ত শোনছি।
** আমি কখনো শোনিনি গ্রামের
অশিক্ষিত ১২-১৩ বছরের ছেলে মেয়ে
হোটেলে রাত কাটাতে গিয়েছে ।।
** আমি কখনোই শোনিনি গ্রামের কোন
অশিক্ষিত কৃষক অসংখ্য মেয়েদের সতিত্ব
নিয়ে
খেলা করতে ।। কিন্তু শিক্ষিত পরিমলের
কথা
আমরা সবাই জানি ।
** আমি কখনো শোনিনি একটি অশিক্ষিত
মেয়ে
তার হাত খরচার জন্য দেহ বিক্রি করেছে
।। কিন্তু –
ইউনিভারসিটি কলেজের বেহায়াদের
কথা আমরা সবাই
শোনেছি ।।
** আমি কখনো শোনিনি গ্রামের কিছু
অশিক্ষিত
ছেলে মেয়ে ল্যাংটা ছবি বানাতে গিয়ে
ধরা
খেয়েছে ।।
* এইবার প্রশ্ন শুধু একটা বলুন অসভ্য এবং
নির্লজ্জ
কারা??
এটার নাম ই কি শিক্ষিত সমাজ?
এটার নাম ই কি সভ্যতা?
কেউ কেউ বলে ‘তাহলে কি দেশ থেকে শিক্ষা তুলে দিলে ভালো হবে?
আমি বলি কেনো শিক্ষা তুলে দিবে?
প্রতিটা স্কুল কলেজে যদি ধর্মিয় শিক্ষা -বোরকা ‘হিজাব বাধ্যতা মূলক করা হতো’আর ছেলে মেয়েদের ওপেন চলাচল বন্ধ করে দেয়।তাহলে হয়তো কিছু কিছু শিক্ষিত অসভ্য মানুষ কিছুটা সভ্য হতো।

আমি কথাগুলো সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলিনি ।
শুধু যারা এই সব করে তাদের বলছি ।

আরে শিক্ষা অর্জন করো ঐ শিক্ষা -যে শিক্ষা মানুষকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।
দুনিয়া ও আখিরাত সুন্দর করে-
সমাজের মানুষ তাকে ভালো বলবে।
সবার কাছে সম্মান পাবে।

আর হমম কিছু কিছু মা ও বাবার উদ্দেশ্যে বলছি।
সন্তানের খুজ খবর নেনতো ঠিকঠাক ।কি করে কোথায় যায়?
কি ভাবে চলাফেরা করে?
ও মা ও বাবা তোমরা কি জানোনো -ছেলেমেয়েদের জন্যই তোমরা অপরাধ না করেও অপরাধী হবে।এদের জন্যই তোমাদের কে জাহান্নামে দিবে।
কেনো তোমরা ছেলে মেয়ের জন্য শাস্তি ভোগ করবে?
সময় থাকতে তোমরা তোমাদের ছেলে ‘মেয়েকে
বুঝাও কোন কাজ করলে ভালো হবে -কোনটা করলে খারাপ ।
ভালো কাজের আদেশ এবং খারাপ কাজের নিষেধ করো।
আর ভাই বোনদের উদ্দেশ্যে বলছি ।
তোমরা কি চাও – নিজের কঠিন পরিস্থিতি ও মা বাবার শাস্তি।
আশা করি কোনো ছেলে কিংবা মেয়েরা
নিজের _ এবং মা বাবার খারাপ টা চায় না।

ওকে ‘
পরিশেষে সবাইকে বলতে চাই ।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ো।
হালাল হারাম মেনে চলো’
আল্লাহর আদেশ নিষেধ- নবীর সুন্নত অনুযায়ী জীবন গড়ো'”
তবেইতো জীবন সুন্দর ও সার্থক হবে।

★#বিঃদ্রঃ- পোষ্টটি কেমন লাগল?
আপনার মূল্যবান লাইক ও কমেন্ট দিয়ে জানাতে ভুলবেন না।
পোস্ট ভাল লাগলে #শেয়ার_করবেন

দুহাত কাটার পরেও হাতের অবশিষ্টাংশ দিয়ে ইসলামের পতাকা দরছিলেন যে সাহাবী

হযরত মুসআব ধনীর দুলাল ছিলেন। কিন্তু ইসলাম গ্রহন করার পর তাঁর উপর চরম নির্যাতন চালানো হয়। দীর্ঘদিন বন্দী করে রাখা হয়। একদিন বন্দী জীবনের শৃংখল ভেংগে আবিসিনায় চলে যান। সেখান থেকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন একটি পোশাক পরিধান করে মদীনায় আসেন। হযরত মুসআবের এই দুরবস্থা দেখে আল্লাহর রাসুল (সা) এর চোখ অশ্র“ সিক্ত হয়। কেননা মুসআব খুবই আরাম আয়েশের জীবন যাপন করতো। শুধুমাত্র ইসলাম গ্রহন করার কারণে তার এই দুরবস্থা।

মুসআব মদীনায় আসার পর ওহুদ যুদ্ধ সংগঠিত হয়। উক্ত যুদ্ধে মুসআবের হাতে ছিল ইসলামের পতাকা। যুদ্ধের ময়দানে শত্র“র প্রচন্ড আঘাতে মুসআবের ডান হাত কেটে যায়। এরপর তিনি বাম হাত দিয়ে ইসলামের পতাকা উড্ডীন রাখেন। একটু পরে বাম হাতও কাটা যায়। দুহাত কাটা যাওয়ার পর দুই হাতের অবশিষ্টাংশ দিয়ে ইসলামের পতাকা বুকে ধরে রাখলেন। যতক্ষণ প্রাণ ছিলো ইসলামের পতাকা মাটিতে পড়তে দেন নাই। অবশেষে শত্রু “ পক্ষের তীরের আঘাতে তিনি শহীদ হন।

যে তিন ব্যক্তির দোয়া আল্লাহর দরবারে সরাসরি কবুল হয় !!

মহান আল্লাহ তা’য়ালা অনেকভাবেই তার বান্দার দোয়া কবুল করে থাকেন। পবিত্র হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, রাসূল কারীম সাল্লাল্লাহু ওয়াসাল্লাম এরশাত করেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া আল্লাহর দরবারে সরাসরি কবুল হয়।

আল্লাহর দরবারে সন্দেহাতিতভাবে যাদের দোয়া কবুল হয়- (১) নির্যাতিত ব্যক্তির দোয়া, (২) মুসাফিরের দোয়া এবং (৩) ছেলের জন্য পিতা-মাতার দোয়া।

আরবি হাদিস

ا1/987 وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: « ثَلاَثُ دَعَوَاتٍ مُسْتَجَابَات لاَ شَكَّ فِيهِنَّ: دَعْوَةُ المَظْلُومِ، وَدَعْوَةُ المُسَافِرِ، وَدَعْوَةُ الوَالِدِ عَلَى وَلَدِهِ ». رواه أَبُو داود والترمذي، وَقَالَ:«حديث حسن » . وليس في رواية أَبي داود: « عَلَى وَلَدِهِ » .

বাংলা হাদিস

আবূ আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনজনের দোয়া আল্লাহর দরবারে সন্দেহাতিতভাবে কবুল হয় (১) নির্যাতিত ব্যক্তির দোয়া, (২) মুসাফিরের দোয়া এবং (৩) ছেলের জন্য পিতা-মাতার দোয়া।

[আবু দাউদ ১৫৩৬, তিরমিজি ১৯০৫, ৩৪৪৮, ইবন মাজাহ ৩৮৬২, আহমদ ৭৪৫৮, ৮৩৭৫, ৯৮৪০, ১০৩৩০, ১০৩৯২]

‘আল্লাহ’ লেখা গোশতের টুকরা কি খাওয়া যাবে?

প্রশ্ন : আসসালামু আলাইকুম, সম্মানিত মুফতি সাহেব, আপনার কাছে আমার জানার বিষয় হলো, কয়েকদিন আগে আমরা একটি গরু জবাই করি, গরুর গোস্ত কাটার সময় হঠাৎ করে একটি গোস্তের টুকরার মাঝে পরিস্কারভাবে “আল্লাহ” লেখা দেখতে পাই। উক্ত টুকরাটি আমরা আলাদা করে রেখে দেই। আমার প্রশ্ন হলো, উক্ত গোস্তের টুকরাটি আমরা কী করব? খেতে পারব কি?

এমন আরো অনেকের মুখেই শুনেছি, আলুসহ অন্যান্য খাবার বস্তুর মাঝেও এমন আল্লাহ লেখা পাওয়া যায়। এখন বস্তুগুলো খাওয়া যাবে কি? নাকি কোনো পবিত্র স্থানে সংরক্ষিত করে রাখতে হবে? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হবো। এ খবর দিয়েছে দৈনিক কালের কন্ঠ।

উত্তর :

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم

উক্ত গোস্ত বা আলু ইত্যাদি খাওয়াতে কোনো সমস্যা নেই। বরং বরকতের নিয়তে খুশি মনেই খাওয়া উচিত। [ফাতাওয়া কাসিমীয়া : ২৪/৭৬]

أَبُو عَبْدِ الله السُّلَمِيُّ: ” فِي ذِكْرِ مَنْصُورِ بْنِ عَمَّارٍ وَأَنَّهُ أُوتِيَ الْحِكْمَةَ، وَقِيلَ: إِنَّ سَبَبَ ذَلِكَ أَنَّهُ وَجَدَ رُقْعَةً فِي الطَّرِيقِ مَكْتُوبًا عَلَيْهَا بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ فَأَخَذَهَا فَلَمْ يَجِدْ لَهَا مَوْضِعًا فَأَكَلَهَا فَأُرِيَ فِيمَا يَرَى النَّائِمُ قَائِلًا يَقُولُ لَهُ: قَدْ فَتَحَ اللهُ عَلَيْكَ بَابُ الْحِكْمَةِ بِاحْتِرَامِكَ لِتِلْكَ الرُّقْعَةِ، وَكَانَ بَعْدَ ذَلِكَ يَتَكَلَّمُ بِالْحِكْمَةِ (شعب الإيمان للبيهقى، فصل فى تعظيم المصحف، دار الكتب العلمية بيروت-2/545/ رقم-2662، مكتبة الرشد للنشر، رقم- 2416)

উত্তর দিয়েছেন : লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

ইসলাম সম্মত উপায়ে উলঙ্গ হয়ে পুরুষ-মহিলার গোসলের নিয়ম

উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়েয আছে তবে এটা একেবারে অনুত্তম কাজ , সুন্নতের পরিপন্থী। আল্লাহর রাসুল সা: কখনো এরকম করেনি। মোস্তাহাব ও উত্তম হল লুঙ্গি ইত্যাদি বেঁধে গোসল করা ও মেয়েরা নিচে পায়জামা বা উড়না সাদৃশ্য ও বুকে গামছা সদৃশ্য কিছু রাখবে। কেননা আবু দাউদ শরীফে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, মহান আল্লাহ লজ্জাশীল ও পর্দাকারীদের পছন্দ করেন। তাই তোমাদের কেউ যখন গোসল করে তখন সে যেন পর্দা করে নেয়। (তাহতাবী)

গোসলখানায় যদি কোনো পর্দাহীনতা না হয় তাহলে উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়েয আছে। তবে এটা না করাই উত্তম। কেননা শয়তান তখন ধোকা দেয়। এটা নিন্দনীয় কাজ। ( ফতুয়ায়ে মাহমুদিয়া ৪/৩৮৭)

(এমনিভাবে পর্দার ক্রটি না হলে খোলাস্থানেও উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়েয আছে তবে এটা ঠিক নয়। সর্ব অবস্থায় আল্লাহকে ভয় করা এবং গোসলের অযুতে নামায জায়েয)

পর্দার মধ্যে কাপড় খোলে গোসল করা জায়েয আছে তবে না করাই উত্তম। এমনিভাবে খোলা মাঠে পুরুষের নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত কাপড় বেঁধে বাকী অংশ খোলা রেখে গোসল করা জায়েয আছে। তাঁর নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত (যা পুরুষের সতর) কারো সামনে খোলা হারাম। (আপকে মাসায়েল : উন কা হল) দ্বিতীয় খন্ড, পৃঃ৮১)

মেয়েরা পেন্টি পরে ও পুরুষেরা জাঙ্গিয়া পরে গোসল করলে যদি কাপড়ের নিচে পানি পৌঁছে যায় এবং শরীরের ঢাকা অংশও ধোয়ে ফেলা যায়, তাহলে গোসল ছহীহ হবে। (আপকে মাসায়েল ২য় খন্ডঃ পৃঃ ৮১)

হযরত মুয়াবিয়া ইবনে হাইদা রা: বলেন রাসুল সা : বলিয়াছেন তুমি তোমার স্ত্রী ও হালালকৃত দাসি ব্যাতিত কারো সামনে নিজের সতর খুলবে না। তিনি প্রশ্ন করলেন তাহলে যখন আমরা নির্জনে একাকিত হয় তখনো কি সতর খুলব ( উলঙ্গ) হব না? রাসুল সা : বলেন তখনো আল্লাহকে লজ্জা কর। কেননা তিনি দেখছেন তোমরা কি অবস্থায় আছ। (জামে তিরমিযী, হাদিসে সহিহ ৭২৬৯)

রাসুল সা: জনৈক সাহাবীকে আদেশ দিলেন যে যখন তোমরা স্বামী স্ত্রী একত্রে সহবাস করবে তখন তোমাদের উপরে একটি লম্বা চাদর দিয়ে দুইজনের শরীর ঢেকে নিবে।

যে চিঠি পাঠ করে কেঁদে দাঁড়ি ভেজালেন হযরত উমর (রা.)….

হযরত উমর (রাঃ) এর খিলাফতের প্রথম দিকে হযরত আবু উবাইদা বায়তুল মাল দেখাশুনা করতেন। ঈদের আগের দিন খলীফার স্ত্রী বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’।
খলীফা বললেন, ‘আমার নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’। খলীফা পত্নী উম্মে কুলসুম খলীফার আগামী মাসের বেতন থেকে অগ্রিম নেয়ার জন্য তাঁকে অনুরোধ করলেন।
খলীফা উমর (রাঃ) হযরত আবু উবাইদাকে খলীফার এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।

সমগ্র মুসলিম জাহানের খলীফা যিনি, যিনি অর্ধ পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পাঠ করে হযরত আবু উবাইদার চোখে পানি এসে গেল। উম্মতে আমীন হযরত আবু উবাইদা (রাঃ) বাহককে টাকা না দিয়ে সিদ্ধান্ত চেয়ে চিঠি লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে। প্রথমত আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না?
দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও মুসলমানেরা আপনাকে খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?’
চিঠি পাঠ করে হযরত উমর এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে হযরত আবু উবাইদার জন্য দোয়া করলেন, ‘আল্লাহ আবু উবাইদার উপর রহম কর, তাঁকে হায়াত দাও’।
স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘প্রত্যেক জাতির একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি আছেন, আমার উম্মতের বিশ্বস্ত ব্যক্তি হচ্ছেন আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ’।

দম ফাটানো মজার জোকস পার্টঃ ৩

স্যার: এই বল্টু তুই পরীক্ষায়
কেন ফেইল
করলে,
কারণটা কি?
.
বল্টু: স্যার আপনি
নিজে হিসাব করে
দেখেন
বছরে শুক্রবার ৫২
দিন।
.
বাকি থাকল ৩১৩ দিন।
.
শীত গ্রীষ্ম বর্ষার
ছুটি ৫০ দিন।
.
বাকি থাকল ২৬৩ দিন।
.
৮ঘন্টা প্রতিদিন
ঘুমালে হয় ১২২দিন।
.
বাকি থাকে ১৪১ দিন।
.
১ঘন্টা প্রতিদিন খেলা
করলে হয় ১৫ দিন।
.
বাকি থাকল ১২৬ দিন।
.
২ ঘন্টার প্রতিদিন
খাওয়া দাওয়ার পিছনে,
মোট চলে যায় ৩০ দিন।

.
বাকি থাকে ৯৬ দিন।
.
১ঘন্টা সবার সাথে
কথা বলতে চলে যায়
১৫ দিন।
.
বাকি থাকল ৮১ দিন।
.
বছরে পরিক্ষা হয় ৩৫
দিন।
.
বাকি থাকল ৪৬ দিন।
.
ঈদ, সরকারী ছুটি ২০
দিন।
.
বাকি থাকল ২৬ দিন।
.
টিভি দেখা আত্বীয়ের
বাড়ি ঘুরতে যাওয়া ২৫
দিন।
.
বাকি থাকল ১ দিন
সেটাও আবার
জন্মদিন!
তাহলে পড়ার সময়
কোথায় ?????
ক্লাসে স্যার কবিতা
লিখতে দিয়েছে এখন বল্টু
লিখছে…
মার্ক: 20
*ছাগলের লেজ ছোট ছোট*
*কুকুরের লেজ বাঁকা*,
*ঐ মেয়ে তোর*
*চেহারাটা*
*দারুণ ঝাঁকানাকা*
.
মোটরসাইকেল দুই চাক্কা
ভ্যানের চাক্কা তিন,
*বউয়ের জ্বালায় সকল*
*স্বামীর জীবন*
*কেরোসিন* !

.
ব্রয়লার মুরগীর দাম কম
দেশী মুরগীর বেশি,
গয়না-শাড়ী কিনে দিলে
*মেয়েরা* অনেক খুশি !
.
কিল মারে পিঠেতে আর
ঘুষি মারে নাকে,
পার্লারেতে মেয়েরা মুখে
ময়দা-সুজি মাখে !
.
বিড়াল ডাকে ম্যাঁও ম্যাঁও
কুকুর ডাকে ঘেউ,
মেয়েদের মন বোঝার
মতো নাই রে দুনিয়ায়
কেউ !
.
*সাপে কামড়ায় পায়েতে*
*আর*
*মশা কামড়ায়*_গালে*
কল না দিয়ে *মেয়েরা*
*থাকে*
*মিসকল দেয়ার তালে*
বল্টুকে কত নাম্বার দেওয়া
যায়?
দুইজন লোক গেল চাকরির
ইন্টারভিউ
দিতে…
প্রথমজন আগেই
প্রশ্নকর্তাকে ঘুষ
দিয়ে রাখছিলো!!
প্রশ্নকর্তা প্রথমজনকে প্রশ্ন
করলেনঃ তুই
ডগ বানান কর
প্রথম জনঃ DOG.
প্রশ্নকর্তাঃ সাবাস
এরপর তিনি দ্বিতীয়
জনকে বললেনঃ তুই
হিপোপটমাস বানান কর
দ্বিতীয়
জনঃ এটা তো পারি না
প্রশ্নকর্তাঃ তুই পারিস নাই
তুই
বাদওর
চাকরি হয়া গেছে
দ্বিতীয় জনঃ মানি না
আমারে কঠিনটা ধরছেন
ওরে সহজটা ধরছেন

প্রশ্নকর্তাঃ আচ্ছা ঠিক
আছে আবারএই
তুই বল ১৯৭১
সালে বাংলাদেশে কতজন
মারা গেছে?
প্রথম জনঃ ৩০ লক্ষ
প্রশ্নকর্তাঃ সাবাস…..
এরপর দ্বিতীয়
জনকে বললোঃ তুই
ওই ৩০লক্ষ মানুষের নাম বল
দ্বিতীয় জন বেহুশ!!
একদিন এক লোক একটি বাসায় যায়।সে বাসার দরজাটি নক করে,ভেতর থেকে একটা ছেলে দরজাটি খোলে,তারপর……
লোকটি:তোমার বাবা ঘরে আছে?

ছেলে :না,বাবা অফিসের কাজে ঢাকার বাইরে গেছে।
লোকটি:তাহলে তোমার মা আছে?
ছেলে : না, আমমু নানুর বাসায় গেছে।
লোকটি:ও তাহলে তোমার বড় বোন আছে?
ছেলে :না,আপুও বাসায় নেই,ভারসিটিতে গেছে।
লোকটি:বাসায় তাহলে কেউ নেই?
ছেলে :না নেই।
লোকটি:তুমি একা বাসায় কি করছো?
ছেলে :সে জন্যই তো আমি আমার friend এর বাসায় এসেছি।
লোকটি:বাহুশ………..
বাচ্চা তার আম্মুকে বললো ,আম্মু
আমি হলাম কী করে ?
.
আম্মু বললো ,আমি একটি ফুলের টবে কিছু
মাটি দিয়ে বাসার পেছনে রেখে
আসছি, তারপর কিছুদিন পর তুমি হইছো
.
..

..তখন বাচ্চাটিও কিছু মাটি দিয়ে
ফুলের টব বাসার পেছনে রেখে
আসলো
!
.
.
.
.
কয়েক দিন পর গিয়ে দেখলো
সেখানে
একটা ব্যাঙ বসে আছে .
তখন বাচ্চাটি বললো মনডা চাইতাছে
তুরে আছাড় দিয়া মাইরা লাই,কিন্তু
কী করমু তুই তো আমার পুলা
তিন ইঁদুর নিজেদের বীরত্বের গল্প
করছে…..
প্রথম ইঁদুর : জানিস,
সেদিন আমি এক বোতল
ইঁদুর মারার বিষ
খেয়ে ফেলেছি, অথচ
আমার কিছুই হয়নি।
দ্বিতীয় ইঁদুর : কিছুদিন
আগে আমি একটা
ফাঁদে আটকা পড়ে
গেছিলাম। ফাঁদটা
ভেঙে বেরিয়ে এসেছি।
তৃতীয় ইঁদুর :
















তোরা গল্প কর,
আমি আজ উঠি।
বাড়ি ফিরে আবার
পোষা বিড়ালটাকে
খাবার দিতে হবে
সানি লিওন তার
ছেলেকে নিয়ে
গেছে স্কুলে ভর্তি
করাবে বলে !!!
হেডস্যার ছেলেটিকে
প্রশ্ন জিজ্ঞাসা
করলেন
„„„
বলতো„„„তোমার
আব্বুর নাম
কি ??? .
. .
.
.
পিছন
থেকে সানি লিওন
চিৎকার
করে বলে উঠল,

.
.
> ছোট বাচ্চাদের
কেউ এত কঠিন
প্রশ্ন
জিজ্ঞাসা করে…