জেনে নিন, কারা বা কোন শ্রেণিভুক্তরা রাসুল [সা.]-এর উম্মত নয়!

ইসলাম একটি আদর্শ ধর্ম। ভালো, কল্যাণকর এবং উপকারধর্মী কাজের প্রতি ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে মানুষকে উৎসাহ প্রদান করেছে। ইসলাম শিখিয়েছে ভালো পথে মানুষকে চলার কথা, শিখিয়েছে মানুষকে সম্মান করা কথা। ছোটদের প্রতি বড়দের এবং বড়দের প্রতি ছোটদের ধর্মীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। আল্লাহর রাসুল [সা.] বলেন, যে ছোটদের হে করে না আর বড়দের সম্মান করে না সে আমার উম্মত নয়। ছোটরা বড়দের সম্মান করবে, শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবে আর বড়রা ছোটদের হে করবে, পথ দেখাবে মানুষের কাছে এই প্রত্যাশা সব ধর্মের। ইসলাম এ ব্যাপারটিকে আরো বেশি গুরুত্ব প্রদান করেছে। ইসলামের নবির এই সতর্কীকরণ একটি বাণীর দ্বারাই এ বিষয়টির প্রকৃত গুরুত্ব অনুধাবন করা সম্ভব। সবকিছুর ঊর্ধ্বে মানবিক সম্প্রীতি ও শৃঙ্খলা প্রাধান্য পাবে। বড়দেরই ছোটদের হে ও ভালোবাসার দিকে প্রথম এগিয়ে আসতে হবে। কারণ ছোটরা বড়দের কাছ থেকেই শিখবে, তাদের শিক্ষা ও দীক্ষার উৎকৃষ্ট মাধ্যম হলো বড়রা।

ছোটদের সঙ্গে বড়দের দূরত্ব কমিয়ে আনতে বেশি বেশি সালামের অভ্যাস করা যেতে পারে। সালাম খুব দ্রুত সম্প্রীতি অর্জনে সহযোগিতা করে। ইসলামের নবি হজরত মোহাম্মদ [সা.] ছোট বড় সবাইকে আগে সালাম দিতেন। ছোট বাচ্চাদেরও তিনি সালাম দিতেন এবং বলতেন, আমাদের কাছ থেকেই তো ওরা শিখবে। তুমি যদি একজন বাচ্চাকে আগে সালাম প্রদান করো তাহলে সেও তোমাকে একদিন আগে সালাম প্রদান করবে। সালামের প্রচলন কমে গেছে বলে এমন একটি অনাকাক্সিক্ষত পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেই মনে করেন বিজ্ঞ ইসলামী পণ্ডিতরা। মহানবি [সা.] বলেছেন, তোমরা ছোট-বড়, পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে সালাম কর। নিশ্চয়ই সালাম হৃদ্যতা বাড়িয়ে দেয়।

আমাদের অনেকের ধারণা সালাম বুঝি কেবল ছোটরাই বড়দের করবে। কিন্তু ইসলাম ছোটদের যেমনি বড়দের সালাম করার নির্দেশ দিয়েছে, সমভাবে বড়দেরও ছোটদের প্রতি সালাম বলার নির্দেশ দিয়েছে। যা উপরিউক্ত হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে। রাসুল [সা.] স্বয়ং সালাম প্রদানে কখনো ছোট বড় ভেদ করতেন না। হজরত আবু বকর [রা.] বলেন, রাসুল [সা.] সবসময় আগে সালাম দিতেন। তিনি ছোট-বড় ভেদ করতেন না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ইসলামের আদেশ ও নিষেধ মেনে, ইসলামের আদর্শে আদর্শিত হয়ে ছোটদের হে করার তাওফিক দান করুক। আমিন।

জেনে নিন, জান্নাত সম্পর্কে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স:) এর চল্লিশ কথা…

১) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর উম্মতের মধ্য মধ্য থেকে ৭০ হাজার ব্যক্তি বিনা হিসেবে জান্নাতে যাবে।- [আহমদ, তিরমিজী, ইবনে মাজাহ- আবু ওমামা (রা.)]

২) যারা রাতে আরামের বিছানা থেকে নিজেদের পার্শ্বদেশকে দূরে রেখেছিল, এমন অল্প সংখ্যক লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অবশিষ্ট সকল মানুষ হতে হিসেব নেয়ার নির্দেশ করা হবে। [বায়হাকি- আসমা (রা.)]

৩) জান্নাতে জান্নাতবাসীরা প্রতি জুমাবারে বাজারে মিলিত হবে এবং জান্নাতে জান্নাতবাসীদের রূপ-সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। [মুসলিম- আনাস রা.)]

৪) জান্নাতের স্তর হবে ১০০টি এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তর জান্নাতুল ফেরদাউস। যখন তোমরা আল্লাহর কাছে জান্নাত চাইবে তখন জান্নাতুল ফেরদাউস চাইবে। [তিরমিজী ওবাই ইবনে সামেত (রা.)]

৫) জান্নাত সমস্ত পৃথিবী থেকে উত্তম। (মুয়াত্তা- আবু হুরাইরা (রা.)

৬) জান্নাতবাসীনী কোন নারী (হুর) যদি পৃথিবীর দিকে উঁকি দেয়, তবে গোটা জগত আলোকিত হয়ে যাবে এবং আসমান জমীনের মধ্যবর্তী স্থান সুগন্ধিতে মোহিত হয়ে যাবে। তাদের মাথার উরনাও গোটা দুনিয়া ও তার সম্পদরাশি থেকে উত্তম। [বুখারী- আনাস (রা.)]

 

৭) জান্নাতে একটি চাবুক রাখার পরিমাণ জায়গা গোটা দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তা থেকে উত্তম। [মুয়াত্তা- আবু হুরাইরা (রা.)]

৮) জান্নাতের একটি গাছের নিচের ছায়ায় কোন সাওয়ারী যদি ১০০ বছরও সাওয়ার করে তবুও তার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে না। [বুখারী, মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)]

৯) জান্নাতে মুক্তা দিয়ে তৈরী ৬০ মাইল লম্বা একটি তাঁবু থাকবে। জান্নাতের পাত্র ও সামগ্রী হবে সোনা ও রুপার। [বুখারী, মুসলিম আবু মুসা (রা.)]

১০) পূর্ণিমা চাঁদের মতো রূপ ধারণ করে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ক) তাদের অন্তরে কোন্দল ও হিংসা বিদ্বেষ থাকবে না। (খ) তারা কখনো রোগাক্রান্ত হবে না। (গ) তাদের পেশাব পায়খানা হবে না। (ঘ) তারা থুথু ফেলবে না। (ঙ) তাদের নাক দিয়ে ময়লা ঝরবে না। (চ) তাদের চিরুনী হবে সোনার চিরুনী। (ছ) তাদের ধুনীর জ্বালানী হবে আগরের। (জ) তাদের গায়ের গন্ধ হবে কস্তুরির মতো সুগন্ধি। (ঝ) তাদের স্বভাব হবে এক ব্যক্তির ন্যায়। (ঞ) তাদের শাররীক গঠন হবে (আদী পিতা) আদম (আ:) এর ন্যয়। [বুখারী, মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)]

১১) জান্নাতীদের খাবারগুলো ঢেকুর এবং মিশকঘ্রাণযুক্ত ঘর্ম দ্বারা নি:শেষ হয়ে যাবে। [বুখারী, মুসলিমযাবির (রা.)]

১২) জান্নাতীরা সুখে শান্তিতে স্বাচ্ছন্দ্যে ডুবে থাকবে। হতাসা দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনা থাকবে না। পোশাক পরিচ্ছেদ ময়লা হবে না, পুরাতন হবে না। তাদের যৌবনও নিঃশেষ হবে না। [মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)]

১৩) জান্নাতবাসীরা সব সময় জীবিত থাকবে। কখনো মৃত্যুবরণ করবে না। সব সময় যুবক থাকবে বৃদ্ধ হবে না। [মুসলিম আবু সাঈদ (রা.)]

১৪) জান্নাতে (এমন) এক দল প্রবেশ করবে, যাদের অন্তর হবে পাখিদের অন্তরের মতো। [মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)]

১৫) জান্নাতবাসীদের প্রতি আল্লাহ বলবেন, আমি তোমাদের উপর সন্তুষ্টি দান করেছি, তোমাদের উপর আর কখনো অসন্তুষ্ট হবো না। [বুখারী, মুসলিমআবু সাঈদ (রা.)]

১৬) জান্নাতের নহরে পরিণত হবে- সায়হান, জায়হান, ফোরাত ও নীল নদী। [মুসলিম – আবু হুরায়রা (রা.)]

১৭) জান্নাতে বান্দার আশা আকাঙ্খার দ্বিগুণ দেয়া হবে। [মুসলিম – আবু হুরায়রা (রা.)]

১৮) জান্নাতের দরওয়াজা ৪০ বছরের দুরত্বে সমান, এমন এক দিন আসবে যে তাও ভরপুর হয়ে যাবে। [মুসলিম-উতবা ইবনে খাজওয়ান (রা.)]

১৯) জান্নাতের ইট স্বর্ণ ও রোপ্য দ্বারা তৈরী। কঙ্কর হলো মনি মুক্তা, আর মসল্লা হলো সুগন্ধীময় কস্তুরী। [তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)]

২০) জান্নাতের সকল গাছের কা- হবে সোনার। [তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)]

২১) জান্নাতের ১০০ টি স্তর আছে, দু’স্তরের মধ্যে ব্যবধান শত বছরের। [(তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)]

২২) জান্নাতের ১০০ স্তরের যে কো এক স্তরে সারা বিশ্বের সকল লোক একত্রিত হলেও তা যথেষ্ট হবে। [তিরমিজী আবু সাঈদ (রা.)]

২৩) জান্নাতের উচ্চ বিছানা (সুরুরুম মারফুআ) আসমান জমীনর মধ্যবর্তী ব্যবধানের পরিমাণ- ৫০০ শত বছরের পথ। [তিরমিজী আবু সাঈদ (রা.)]

২৪) জান্নাত প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১০০ পুরুষের শক্তি দান করা হবে। [(তিরমিজ – আবু হুরায়রা (রা.)]

২৫) জান্নাতবাসীগণ কেশবিহীন দাড়িবিহীন হবে। তাদের চোক সুরমায়িত হবে। [তিরমিজ – আবু হুরায়রা (রা.)]

২৬) জান্নাতবাসীগণ ৩০ বা ৩৩ বছর বয়সীর মতো জান্নাতে প্রবেশ করবে। [তিরমিজী, ময়াজ ইবনে জাবাল (রা.)]

২৭) জান্নাতে অবস্থিত কাওসার এর পানি দুধ অপেক্ষা অধিক সাদা এবং মধুর চেয়েও মিষ্টি হবে। [তিরমিজীআসান (রা.)]

২৮) জান্নাতবাসী উট ও ঘোড়া চাইলে দুটোই পাবে এবং তা ইচ্ছেমতো দ্রুত উড়িয়ে নিয়ে যাবে। তাতে তুমি সে সব জিনিস পাবে যা কিছু তোমার মন চাইবে এবং তোমার নয়ন জুড়াবে। [তিরমিজী-আবু বুরাইদা (রা.)]

২৯) জান্নাতবাসীদের ১২০ কাতার হবে। তার মধ্যে ৮০ কাতার হবে এ উম্মতের। অবশিষ্ট ৪০ কাতার হবে অন্যান্য উম্মতের। [তিরমিজী- বুরাইদা (রা.)]

৩০) জান্নাতে একটি বাজার আছে সেখানে ক্রয়-বিক্রয় নেই। সেখানে নারী-পুরুষের আকৃতিসমূহ থাকবে। সুতরাং যখনই কেউ কোন আকৃতিকে পছন্দ করবে তখন সে সেই আকৃেিত রূপান্তরিত হবে। [(তিরমিজী- আলী (রা.)]

৩১) জান্নাতবাসীদের উপর এক খণ্ড মেঘ আচ্ছন্ন করে ফেলবে। তাদের উপর এমন সুগন্ধি বর্ষণ করবে যে, অনুরূপ সুগন্ধি তারা আর কখনো পায়নি। জান্নাতের বাজারে একজন আরেকজনের সাথে সাক্ষাত করবে এবং তার পোশাক পরিচ্ছদ দেখে আশ্চার্যান্নিত হবে। কিন্তু তার কথা শেষ হতে না হতেই সে অনুভব করবে যে, তার পোশাক তার চেয়ে আরো উত্তম হয়ে গেছে। এটা এ জন্য যে, জান্নাতে দুশ্চিন্তার কোন স্থান নেই। তাদের স্ত্রীদের কাছে ফিরে আসলে তারা বলবে তুমি আগের চেয়ে সুন্দর হয়ে ফিরে এসেছ। [তিরমিজী, ইবনে মাজাহ- সাইধ ইবনে মুসায়েব (রা.)]

৩২) নিম্নমানের জান্নাতবাসীর জন্যে ৮০ হাজার খাদেম ও ৭২ জন স্ত্রী হবে। ছোট্ট বয়সী বা বৃদ্ধ বয়সী লোক মারা গেলে জান্নাতে প্রবেশের সময় ৩০ বছর বয়সী হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ বয়স কখনো বৃদ্ধি হবে না। জান্নাতবাসীগণ যখন সন্তান কামনা করবে, তখন গর্ভ, প্রসব ও তার বয়স চাহিদা অনুযায়ী মুহূর্তের মধ্যে সংঘটিত হয়ে যাবে। [তিরমিজী, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ- আবু সাঈদ (রা.)]

৩৩) জান্নাতে হুরদের সমবেত সংগীত শুনা যাবে। এমন সুরে যা আগে কখনো শুনা যায় নি। তারা বলবে-
আমরা চিরদিন থাকবো, কখনো ধ্বংস হবো না।
আমরা সুখে আনন্দে থাকবো, কখনো দুঃখ দুশ্চিন্তা হবে না।
আমরা সব সময় সন্তুষ্ট থাকবো, কখনো নাখোশ হবো না।
সুতরাং তাকে ধন্যবাদ যার জন্যে আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি। [তিরমিজী- আলী (রা.]

৩৪) জান্নাতে রয়েছে, ১. পানির সমূদ্র ২. মধুর সমুদ্র ৩. দুধের সমুদ্র ৪. শরাবের সমুদ্র। তার পর তা থেকে আরো বহু নদী প্রবাহিত হবে।- [তিরমিজী- হাকিম ইবনে মুয়াবিয়া (রা.)]

৩৫) জান্নাতে একজন কৃষি কাজ করতে চাইবে। তার পর সে বীজ বপণ করবে এবং চোখের পলকে অংকুরিত হবে, পোক্ত হবে এবং ফসল কাটা হবে। এমন কি পাহাড় পরিমাণ স্তুপ হয়ে যাবে। আল্লাহ বলবেন, হে আদম সন্তান! নিয়ে যাও, কোন কিছুতেই তোমার তৃপ্তি হয়না। [বুখারী – আবু হুরায়রা (রা.)]

৩৬) জান্নাতে এক ব্যক্তি ৭০টি তাকিয়ায় হেলান দিয়ে বসবে। এ শুধু তারই স্থান নির্ধারিত থাকবে। একজন মহিলা এসে সালাম দিয়ে বলবে, “আমি অতিরিক্তের অন্তর্ভুক্ত” তার পরনে রং বেরং এর ৭০ খানা শাড়ী পরিহিত থাকবে এবং তার ভিতর দিয়েই তার পায়ের নলার মজা দেখা যাবে। তার মাথার মুকুটের আলো পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্তের মধ্যবর্তী স্থান রৌশনী করে দিবে। [আহমদ- আবু সাঈদ (রা.)]

৩৭) জান্নাতবাসীগণ নিদ্রা যাবে না। নিদ্রাতো মৃত্যুর সহোদর আর জান্নাতবাসী মরবে না। [বায়হাকী- যাবের (রা.)]

৩৮) আল্লাহ তায়ালা হিজাব বা পর্দা তোলে ফেলবেন, তখন জান্নাতবাসীরা আল্লাহর দিদার বা দর্শন লাভ করবে। আল্লাহর দর্শন লাভ ও তার দিকে তাকিয়ে থাকার চেয়ে অধিকতর প্রিয় কোন বস্তুই এযাবত তাদেরকে প্রদান করা হয়নি। [মুসলিম- সুহায়ব (রা.)]

৩৯) বারা বিন আযেব (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন: কবরে মুমিন বান্দার কাছে দু‘জন ফেরেশতা আসে তাকে উঠিয়ে বসাবেন। তার পর তাকে জিজ্ঞেস করবেন: তোমার রব কে? সে উত্তর দেয় আমার রব ‘আল্লাহ’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তোমার দ্বীন কি? সে উত্তর দেয়, আমার দ্বীন ‘ইসলাম’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তোমাদের মাঝে যিনি প্রেরিত হয়েছিলেন তিনি কে? সে উত্তর দেয়, তারা উত্তর দেয়, তিনি হলেন ‘আল্লাহর রাসূল’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তুমি এসব কিভাবে জানলে? সে উত্তর দেয়, আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি, তাঁর উপর ঈমান এনেছি ও তাঁকে সমর্থন করেছি। তখন আকাশ থেকে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করবেন- আমার বান্দা সত্য বলেছে, আমার বান্দার জন্য জান্নাতের একটি বিছানা বিছিয়ে দাও, তাকে জান্নাাতের পোশাক পরিয়ে দাও এবং তার জন্য জান্নাতের একটি দরজা খুলে দাও। তখন তা খুলে দেওয়া হয়। রাসূল (সা.) বলেন: ফলে তার দিকে জান্নাতের স্নিগ্ধ বাতাস এবং সুগন্ধি আসতে থাকে। তার জন্য কবরের স্থানকে দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়। (আহমদ আবু দাউদ)

৪০) যে ব্যক্তি কুরআন পড়েছে, তাকে (সমাজে কুরআনের বিধান) প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে, কুরআনে বর্ণিত হালালসমূহকে হালাল জেনে মেনেছে, হারামগুলোকে হারাম মনে করেছে। আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের জাহান্নামযোগ্য ১০ জনে বিষয়ে সুপারিশ করতে পারবেন। (তিরমিযী হযরত আলী হতে)

জেনে নিন, মহানবী (সা:) কে খুন করতে এসে যেভাবে ইসলাম গ্রহণ করেছিলো এক খুনি…

মহানবী (সা) একদিন একটি গাছের তলায় ঘুমিয়েছিলেন। এই সুযোগে দাসুর নামের একজন শত্রু তাঁর পাশে এসে দাঁড়াল। শোরগোল করে সে মহানবী (সা) কে ঘুম থেকে জাগাল। মহানবী (সা) ঘুম ভাঙলে চোখ খুলে দেখলেন, একটা উন্মুক্ত তরবারি তাঁর উপর উদ্যত। ভয়ানক শত্রু দাসুর চিৎকার করে উঠলো, ‘এখন আপনাকে কে রক্ষা করবে?’

মহানবী(সা) ধীর শান্ত কণ্ঠে বললেন, ‘আল্লাহ’। শত্রু দাসুর মহানবী (সা) এর এই শান্ত গম্ভীর কণ্ঠের আল্লাহ শব্দে কেঁপে উঠল। তার কম্পমান হাত থেকে খসে পড়ল তরবারি।

মহানবী (সা) তার তরবারি তুলে নিয়ে বললেন, ‘এখন তোমাকে কে রক্ষা করবে, দাসুর? সে উত্তর দিল কেই নেই রক্ষা করার।’ মহানবী (সা) বললেন, ‘না, তোমাকেও আল্লাহই রক্ষা করবেন।’ এই বলে মহানবী (সা) তাঁকে তার তরবারি ফেরত দিলেন এবং চলে যেতে বললেন।

বিস্মিত দাসুর তরবারি হাতে চলে যেতে গিয়েও পারল না। ফিরে এসে মহানবীর হাতে হাত রেখে পাঠ করলঃ ‘লা- ইলাহ ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।’

জোকসঃ বালিশের নীচে তোমার পেনিস…

শিকাগোর এক হাসপাতালে এক ভদ্রলোক অনেক্ষণ যাবৎ ছেলেদের টয়লেটে যেতে চাচ্ছিল কিন্তু কেউ না কেউ সবসময় ভেতরে থাকে এজন্য যেতে পারছিল না। একজন নার্স লোকটার দুর্দশা দেখছিল, সে বলল, স্যার, আপনি মেয়েদের টয়লেট ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু আপনাকে প্রমিজ করতে হবে যে আপনি টয়লেটের দেয়ালের কোন বাটন ব্যবহার করবেন না।

ভদ্রলোক তাতে রাজী হয়ে টয়লেটে গেল, তারপর যা করার করল, এবং বসে থাকার সময় সে দেয়ালে বাটন গুলো লক্ষ্য করল। প্রত্যেকটা বাটনের গায়ে কিছু অক্ষর বসানো আছে যেমন, ww, wa, pp এবং লাল একটা বাটনে apr।

সে ভাবল বাটন গুলো চেপে দেখলে কে আর দেখবে, কিউরিসিটির জয় হল, সে ww (warm water) বাটন চাপল ইষৎ গরম পানি এসে তার পশ্চাৎদেশে স্প্রে করে দিল। কি মজার অনুভূতি, পুরুষের টয়লেটে এসব নাই কেন?

আরও ভাল কিছু হবে এটা ভেবে সে wa (warm air) বাটন চাপল, গরম পানির বদলে এবার গরম বাতাস এসে তার পশ্চাৎদেশ শুকিয়ে দিল।

যখন ঐটা শেষ হল তখন সে pp (perfume puff)বাটন চাপল এবং খুব সুগন্ধি পাউডারের একটা পাফ এসে তার তলদেশে সুগন্ধে ভরে দিল, তার মনে হল মেয়েদের রেস্টরুম আসলে আনন্দদায়ক!

পাউডারের পাফ দেয়া শেষ হলে সে apr বাটন না চেপে থাকতে পারল না, যেটায় সে ভাবছিল সবচেয়ে বেশি মজা পাওয়া যাবে।

জ্ঞান হওয়ার পরে সে দেখল হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে, এবং নার্স তার দিকে তাকিয়ে আছে। তার বিশেষ অঙ্গের উপর ব্যন্ডেস করা।

কি হয়েছে ! শেষ যেটা মনে পড়ছে আমি apr বাটন চাপছিলাম।

apr বাটন হল অটোম্যাটিক প্যাড রিমুভার, বালিশের নীচে তোমার পেনিস…

রম্যঃ আজ রাতটা বড়, কী করবেন

আপনি জানেন আজ ২৩ ডিসেম্বর। বছরের সবচেয়ে বড় রাত? আসুন জেনে নিই এই বড় রাতে কী করবেন।

ফেসবুক লাইভে আসুন
আজ রাতে ফেসবুক লাইভে আসুন। ফেসবুক লাইভে না এলে মান-সম্মান নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যায়। আপনি প্রচণ্ড ব্যস্ততার দরুন লাইভে আসতে পারছেন না। অথচ সবাই মনে করে আপনার চেহারা সুন্দর না বা লাইভ অপশন পাননি কিংবা স্মার্টফোন চালানোর মতো স্মার্ট হননি বলে লাইভে আসছেন না। এবার সারা রাত লাইভে থেকে সবাইকে দেখিয়ে দিন।

বিয়ে করে ফেলুন
আজ ২৩ ডিসেম্বর। আপনি বিয়ে করলে বছরের সবচেয়ে বড় রাত হবে আপনার বাসর রাত। মনের যত কথা আছে সব বলতে পারবেন। সব কথা পূর্বে বলা হয়ে থাকলে রিভিশন দিতে পারেন।

ফেসবুক বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ জমাতে পারেন
ব্যস্ততার দরুন ফেসবুকে হাজার হাজার বন্ধুর সঙ্গে কথা বলা হয়ে ওঠে না। যেহেতু বড় রাত, একে একে সবার সঙ্গে আলাপ সেরে নিতে পারেন।

বন্ধুর ছবিতে লাইক দিয়ে রাত কাটাতে পারেন
সবার লিস্টে এমন বন্ধু আছে যে কাঁচাবাজারে গেলেও কয়েকশ ছবি সেলফি ওঠে এবং সবগুলো ফেসবুকে আপলোড দেয়। আপনি আবার সে ছবিতে লাইক দেন না বলে কিঞ্চিত অভিমান করে আছে। বন্ধুর অভিমান ভাঙানোর মোক্ষম সুযোগ এই ২২ ডিসেম্বর। বড় রাত। সারা রাত ভরে বন্ধুর সেলফিতে লাইক দিন।

জেনে নিন, যে মসজিদে ৭০ জন নবী নামাজ আদায় করেছেন

আল খায়েফ মসজিদ
পবিত্র মক্কা নগরী থেকে: মক্কা থেকে মিনার দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। মিনায় হাজিদের জন্য স্থাপিত বিশেষ তাঁবুতে অবস্থান করে হজের বেশকিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়।

হজের আনুষ্ঠানিকতার অন্যতম অংশ হলো- শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে কঙ্কর নিক্ষেপ করা। এই কঙ্কর নিক্ষেপের স্থানের খুব কাছে ঐতিহাসিক ‘মসজিদে খায়েফ’ অবস্থিত। এই মসজিদে ৭০ জন নবী নামাজ আদায় করেছেন।

সওর পাহাড়ের বিপরীত দিকের পাহাড়ের অদূরে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদের আলোচনা বেশ গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে। বিশাল মসজিদটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে আসা হাজিদের মনে করিয়ে দেয় ইতিহাসের অনেক ঘটনাকে।

বৃহদাকার মসজিদের উচুঁ মিনারগুলো বেশ দূর থেকে পাহাড়ের চূড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বর্ণিত আছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এই মসজিদে নামাজ আদায় করছেন এবং বলেছেন, এখানে সত্তরজন নবী সমাহিত হয়েছেন।

নবী করিম (সা.) বিদায় হজে মসজিদে খায়েফে নামাজ পড়েছেন। এই মসজিদের অনেক ফজিলত হাদিস ও ইতিহাসের গ্রন্থসমূহে উল্লেখ আছে।

পাহাড়ের চেয়ে নিচু এবং সমূদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঁচু স্থানকে আরবি পরিভাষায় খায়েফ বলা হয়। আবার দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী উপত্যকাসম ভূমিকেও খায়েফ বলে আরবরা।
আল খায়েফ মসজিদ
অপরদিকে, খায়েফ মসজিদ হচ্ছে মক্কার কাফেরদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের বিজয়ের এক স্মৃতিচিহ্ন।

ইতিহাসে এসেছে, পঞ্চম হিজরিতে ইহুদিদের প্ররোচনায় মক্কার কাফেররা মদিনায় হামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ লক্ষ্যে তারা কিছু আরব গোত্রের সঙ্গে সন্ধি চুক্তি করে। এই সন্ধি চুক্তি করার জন্য মক্কার কাফেররা যে স্থানটি বেছে নেয় পরে সেখানেই খায়েফ মসজিদ নির্মিত হয়।

মূলত মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফের গোত্রগুলোর ঐক্যের ব্যর্থতার নিদর্শন হিসেবে মসজিদটি দাঁড়িয়ে প্রতিনিয়ত ঘোষণা করছে, ইসলামের বিজয়গাঁথা ইতিহাসকে।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) খায়েফ মসজিদের যে জায়গায় দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছিলেন ওসমানিয় শাসনামলে সেখানে একটি বড় গম্বুজ ও মেহরাব তৈরি করা হয়। এখন অবশ্য সেটি আর নেই।

ঐতিহাসিক আল খায়েফ মসজিদ

বর্ণনায় এসেছে, ২৪০ হিজরিতে এক প্রলয়ঙ্করী বন্যায় খায়েফ মসজিদ ধসে পড়ে। তবে বন্যা শেষ হওয়ার পরপরই মসজিদটি আবার নির্মাণ করা হয় এবং এর চারপাশে বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়। সে সময় এই মসজিদের দৈর্ঘ্য ছিল ১২০ মিটার এবং প্রস্ত ছিল ৫৫ মিটার।

সে হিসাবে এটি ছিল ওই সময় আরব অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মসজিদ। এমনকি তখন মসজিদে হারামের চেয়েও বড় ছিল এই মসজিদের আয়তন।

৮৭৪ হিজরিতে মিসরের মামলুকি সুলতান কাইতবা এই মসজিদ পুননির্মাণ করেন। মসজিদের ওই স্থাপনাটি কয়েক দশক আগ পযন্ত বিদ্যমান ছিল।

এখন থেকে তিন দশক আগে ১৪০৭ হিজরিতে এই মসজিদ পরিবধন ও পুননির্মাণের এক বিশাল পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মসজিদের আয়তন আগের চেয়ে চারগুণ বাড়িয়ে প্রায় ২৫ হাজার বর্গমিটার করা হয়।

খায়েফ মসজিদে এখন ৩০ হাজার মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের চারকোণায় অবস্থিত চারটি সুউচ্চ মিনার মসজিদটিকে দান করেছে অপার সৌন্দর্য।

হজের মৌসুমে মিনায় শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের সময়টাতে মসজিদটি মুসল্লিদের প্রচুর ভিড় দেখা যায়।
আল খায়েফ মসজিদ
মসজিদের সামনে স্থাপিত সাইনবোডে বেশ ৭টি ভাষায় লেখা রয়েছে মসজিদের নাম। সেখানে বাংলাতেও লেখা আছে- আল খায়েফ মসজিদ।

জোকস টিপসঃ ভুলেও কনডম কখনও মানিব্যাগে রাখা যাবেনা!

রনের সব কিছুই ঠিক ছিল। জুলির সাথে অনেক দিন প্রেম করার পর ও তাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। জুলির পরিবারও ওকে মেনে নিয়েছে। বিয়ের দিন তারিখও মুটামুটি ঠিক। কিন্তু সমস্যা এক জায়গাতেই। তা হলো জুলির ছোট বোন টিশা। টিশা ভীষণ সুন্দরী আর সেক্সি!
যদিও জুলিও কম সুন্দরী না। কিন্তু টিশা রনকে দেখলেই কেমন যেন করে বলে রনের মনে হয়!

যেমন ইচ্ছা করে বুক, পা বের করা, ইংগিত দেয়া এসব আর কি!
টিশা কিন্তু আর কারো সামনে এমন করে না।
যাই হোক, এটা নিয়ে রন একটু অস্বস্তিতেই ছিল। রনের অস্বস্তি আরো বেড়ে গেলো যখন ও একদিন জুলিদের বাসায় গিয়ে দেখলো যে ওখানে টিশা ছাড়া আর কেউ নেই।
এবার টিশা সরাসরি ওকে বলেই ফেললো, “তোমাকে আমার ভালো লাগে! যেহেতু আপুর সাথে তোমার বিয়ে হতে যাচ্ছে তাই তোমাকে চিরদিনের মতো করে পাবার উপায় নেই। কিন্তু তোমার বিয়ে হবার আগে আমি তোমাকে একবারের জন্য কাছে পেতে চাই!
আমি উপরের তলায় অপেক্ষা করছি।”
এই বলে টিশা উপরে চলে গেলো এবং উপর থেকে নিজের প্যান্টি খুলে ছুড়ে ফেললো!
রনের মাথা ঘুরতে লাগলো! সে কোন দিকে না তাকিয়ে মূল দরজা খুলে বের হয়ে গাড়ির দিকে হাঁটতে লাগলো। একটু এগোবার পর সে দেখলো তার হবু শ্বশ্বুর ও জুলি দাঁড়িয়ে আছে!

তারা দু জনেই রনকে জড়িয়ে ধরলো! রনের হবু শ্বশ্বুর বলতে লাগলো, “আমি আজ খুব খুশি! তোমার সততা পরীক্ষা করার জন্য আমরা টিশাকে দিয়ে এই নাটকটি করিয়েছিলাম! তুমিই জুলির উপযুক্ত পাত্র!”
রন একটু হতভম্ব হয়ে ভাবতে লাগলো, “যাক আজকের ঘটনা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শিখলাম। ভুলেও কনডম কখনও মানিব্যাগে রাখা যাবেনা! কনডম রাখার জন্য গাড়ির গ্লভস্ই উপযুক্ত জায়গা!!”

আমি অপেক্ষায় আছি

দুই কুত্তা গ্রামে খাবার কমে যাওয়া শহরে আসছে। এসে একজন গেছে উত্তরে একজন দক্ষিনে। একমাস পর দুইজনের দেখা। উত্তরের জন অনেক মোটাতাজা হয়ে গেছে কিন্তু দক্ষিনের জন আরও শুকায়ে গেছে। তো উত্তরের জন দক্ষিনের জনরে কইছে তুমি উত্তরে চলে আস, উত্তরে অনেক খাবার, তুমি অনেক মোটা হয়ে যাবে।

:না
:কেন?
:আমি অপেক্ষায় আছি।
:কিসের অপেক্ষা?
:আছে বলা যাবে না।
একমাস পর আবার তাদের দেখা। এইবার দক্ষিনের জন আরও শুকায়ে গেছে। কিন্তু তারপরও সে উত্তরে যাবে না। শুধু বলে সে অপেক্ষায় আছে।
আরও একমাস পর তাদের আবারও দেখা। দক্ষিনের জনের অবস্থা এইবার মরমর। তো উত্তরের জন কইছে হয় এইবার তুমি আমার সাথে আসবা না হয় কইবা তুমি কিসের অপেক্ষায় আছো।

: তাইলে শুনো। ঐ যে সাদা বাড়িটা দেখ। ঐখানে একটা নতুন বৌ আসছে। সে রান্না খুব একটা পারে না। একদিন তরকারিতে লবন বেশী দিয়া ফেলছিল। তখন জামাইডা কইছে আর একদিন যদি তরকারিতে লবন বেশী হয় তরে আমি কুত্তা দিয়া চাটামু। আমি অপেক্ষায় আছি আবার কবে তরকারিতে লবন বেশী হবে।

জেনে নিন, অজু করতে গিয়ে নামাজের সময় পার হলে কী করতে হবে?

প্রশ্ন : সালাতের ভেতর কি বায়ু চাপিয়ে রাখা যায়? অজু করতে গেলে যদি সময় পার হয়ে যায়, তবে কি কাজা সালাত পড়ে নিতে হবে?

উত্তর : না, সালাতের ভেতরে এই কাজ করা জায়েজ নেই, এটি মাকরুহ। কখনো কখনো সালাত বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। কারণ, আপনি মনোযোগই তো দিতে পারবেন না। আপনি দুই দিকে মনোযোগ দেবেন কীভাবে? এটা আপনার একেবারেই প্রয়োজন। আপনি খেয়াল করবেন অজু নষ্ট হচ্ছে কি না, নাকি সালাতের মধ্যে খেয়াল রাখবেন। এই কাজ ইসলাম অনুমোদন দেয়নি। সুতরাং রাসূল (সা.) সালাতের যে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সেটি হচ্ছে, ‘কোনো ব্যক্তি সে অবস্থায় সালাত আদায় করবে না যে সে প্রস্রাব অথবা পায়খানা আটকে রাখার চেষ্টা করছে।’

দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে, এমনভাবে কি সালাত আদায় করতে যাচ্ছেন যে অজু করতে গেলেই সালাতের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাবে। এটাও একটা ভুল কাজ। অজু করতে লাগে তিন মিনিট। এই তিন মিনিটেই আপনার ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাবে? এর অর্থ হচ্ছে আপনি আসলে সালাত আদায়ের ব্যাপারে ওয়াক্তের দিকে যে নজর দেওয়ার কথা ছিল, সেটি দেননি। কিন্তু এর পরও যদি কারো প্রস্রাব অথবা পায়খানার বেগ থেকে যায় আর তার সময় একেবারেই শেষ, সালাতের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাহলে তিনি অজু করে সালাতের মধ্যে দাঁড়িয়ে যাবেন না, বরং প্রস্রাব-পায়খানা শেষ করবেন। এর পর অজু করে সালাত আদায় করবেন। এই সালাত তাঁর কাজা করতে হবে, এটি শুদ্ধ নয়, এই সালাত আপনি স্বাভাবিকভাবে যেভাবে সালাত আদায় করেন, সেভাবে করবেন। কারণ এ ছাড়া আপনার আর কোনো উপায় ছিল না। অজু ছাড়া তো সালাত আদায় করার কোনো সুযোগ নেই। আর অজু করতে হলে অবশ্যই এই সময়টুকু তাঁকে দিতে হবে। এটি তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক, ওয়াজিব। তাই এই ওয়াজিবটুকু সালাত আদায়ের জন্য তাঁকে আদায় করতেই হবে। ফলে তাঁর সালাতটা কাজা হবে না, এই অবস্থায় তিনি সালাত আদায় করতে পারবেন, এটিকে কাজা বলা হয় না।

জোকসঃ গার্ল ফ্রেন্ড-রে নিয়া খামু।

০। ফকিরঃ বাবা আমারে ১০টা টাকা দেন চা খাব।
ভদ্রলোকঃ চা খেতে তো ৫টাকা লাগে, তুমি ১০ টাকা চাচ্ছ কেন?
ফকিরঃ গার্ল ফ্রেন্ড-রে নিয়া খামু।
ভদ্রলোকঃ হালার পাবলিক। ফকির হইয়াও গার্ল ফ্রেন্ড বানাইয়া ফেলছ!!

ফকিরঃ না স্যার, গার্ল ফ্রেন্ড-ই আমারে ফকির বানাইছে।

১। বাবা: এই সামনেই তো তোর জন্মদিন। উপহার কী চাই বল তো?
ছেলে: তেমন কিছু না, বাবা, একটা সিডি প্লেয়ার দিলেই চলবে।
বাবা: ব্যস! এটুকুই?
ছেলে: সিডি প্লেয়ার একটা গাড়িতে বসানো থাকলে ভালো হয়…।

২। মা: তুই এত অপদার্থ কেন! কোনো একটা কাজ অন্য ছেলের আগে শেষ করতে পারিস না।
ছেলে: পারি তো মা, আমার হাতের লেখা আমি সবার আগে পড়তে পারি।

৩। শিক্ষক: বল তো রাজু, ৪ গুণ ৭ সমান সমান কত?
রাজু: ২৮, স্যার।
শিক্ষক: এবার বল তো, ৭ গুণ ৪ সমান সমান কত?
রাজু: ৮২, স্যার।

৪। ইতিহাসের অধ্যাপক: বলো তো, ব্রিটেন আমাদের কত দিন শাসন করেছিল?
ছাত্র: আপনার বইয়ের ৫০-৭৭ পৃষ্ঠা পর্যন্ত শাসন করেছিল, স্যার।

৫। মাঝরাতে স্ত্রী স্বামীকে ঠেলা দিয়ে বলল, ‘অ্যাই…শোনো! একটা চোর ঢুকেছে বাসায়। আমার মা যে পিঠাগুলো পাঠিয়েছিল, সেসব খাচ্ছে ফ্রিজ থেকে বের করে।’
স্বামী: বলো কি! এখন তো পুলিশ বাদ দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে হবে!

৬। কানের সমস্যা নিয়ে এক বৃদ্ধ গেলেন ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার তাঁকে একটা শ্রবণযন্ত্র দিলেন। এর এক মাস পর ফিরে এলেন সেই বৃদ্ধ। ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, ‘কানে কেমন শুনছেন এখন?’
বৃদ্ধ: একদম পরিষ্কার।
ডাক্তার: ঘরের লোকজন নিশ্চয়ই খুব খুশি।
বৃদ্ধ: বাড়ির কাউকে এখনো জানাইনি। চুপচাপ বসে বসে ওদের কথা শুনি। এর মধ্যে পাঁচবার উইল পাল্টেছি।

৭। আধুনিক চিত্রকরেরা তাঁদের আঁকা ছবির নিচে ডান কোণে স্বাক্ষর বসান কেন?
—নইলে ছবির ওপর-নিচ আপনি বুঝতে পারতেন?

৮।  সাতসকালে ফোন বেজে উঠল। রিসিভার তুলে ঘুম ঘুম গলায় জোলতান বলল, ‘হ্যালো, কে বলছেন?’
‘আপনি আমাকে চিনবেন না।’
‘কোনো প্রয়োজনে ফোন করেছেন?’
‘না।’
‘তাহলে ফোন করার কারণটা কী?’
‘এই সময় ফোন সস্তা বলে।’

৯। হাবলু ও সঞ্জুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
সঞ্জু: কী রে, তুই অফিসে না গিয়ে এভাবে বসে আছিস কেন?
হাবলু: আর বলিস না। বড় কর্তা অফিসে আসতে বারণ করে দিয়েছেন। বস আমার ওপর খুব খেপা।
সঞ্জু: কেন?
হাবলু: অফিসে কাজ করার সময় একটা মশা মেরেছিলাম, এ কারণে হবে হয়তো।
সঞ্জু: শুধু একটা মশা মারার কারণে এই শাস্তি! তোর বড় কর্তা তো লোক ভালো না।
হাবলু: আরে বোকা, রেগেছেন কী সাধে! মশাটা যে উনার গালের ওপর বসে ছিল।

 

১০। বস-কর্মকর্তার মধ্যে কথা হচ্ছে—
কর্মকর্তা: স্যার, এবার আমার বেতনটা একটু বাড়িয়ে দিলে ভালো হতো।
বস: কেন?
কর্মকর্তা: গত সপ্তাহে বিয়ে করেছি। তাই আগের বেতনে দুজনের চলাটা বেশ কষ্ট হবে, স্যার।
বস: শুনুন, অফিসের বাইরের কোনো দুর্ঘটনার জন্য অফিস কোনোভাবেই দায়ী নয়। আর তার জন্য জরিমানা দিতেও অফিস রাজি নয়।