রোঁদে পোড়া ত্বক সারতে ঘরোয়া উপায়!

গরমের সময় তাপমাত্রা অত্যাধিক হারে বেড়ে যায়। এ সময় বাইরে গেলে রোদের তাপে ত্বকের ক্ষতি হয়। এসময় সানস্ক্রিন লাগিয়ে রোদে গেলেও ত্বক কালচে হবেই।
এ ক্ষেত্রে সানস্ক্রিন লাগানোর পাশাপাশি ঘরোয়া কিছু সহজ উপায়ে ত্বকের পোড়া ভাব দূর করতে পারেন। ত্বকের পোড়া দাগ দূর করার জন্য ৪টি ঘরোয়া উপায়ের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

১. ভিটামিন সি দিয়ে পরিপূর্ণ লেবু, ত্বকের পোড়া দাগ দূর করতে অনেক বেশি কার্যকরী। এছাড়াও শরীরের কিছু কিছু কালো অংশ যেমন- কনুই এর কালো দাগ, হাঁটুর দাগ ইত্যাদি দূর করতেও সাহায্য করে। মাত্র ১৫ মিনিট লেবুর রস কালো স্থানগুলোতে লাগিয়ে রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।

২. রোঁদে পোড়া দূর করতে ঘরে হলুদ-দইয়ের মিশ্রণ তৈরি করে নিতে পারেন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। ফলাফল আপনার চোখের সামনেই দেখতে পাবেন।

৩. আলু ব্লেন্ড করে মুখে লাগালেও পোড়া ত্বকের সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এতে কালচে ভাব দূর হবে এবং পুড়ে যাওয়ার কারণে ত্বকে যে জালাপোড়া করে সেটিও দূর হবে।

৪. অ্যালোভেরা ত্বক ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তাই বাসায় ফিরে ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা অ্যালোভেরার রস মুখে লাগান। এতে রোদে পোড়া দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি ত্বক নরম ও মসৃণ হবে।

রোদে পুড়েও থাকবেন উজ্জ্বল!

বছরের এই একটা সময়ে ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখাটা বাস্তবিকই একটা কঠিন কাজ। সূর্যের তাপদাহে ত্বক পুড়ে যাওয়ার ভয় তো থাকেই। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত ঘাম এবং সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে স্কিন খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও বহু গুণে বৃদ্ধি পায়। তাহলে উপায়।
উল্লেখিত নিয়মগুলি মেনে চলার চেষ্টা করুন। তাহলেই দেখবেন ৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডেও আপনার ত্বক উজ্জ্বল এবং সুন্দর থাকবে।

১. স্কার্ব: গরমকালে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ খুব বেড়ে যায়। যে কারণে নিদিষ্ট সময় অন্তর অন্তর ঘরোয়া স্কার্বের সাহায্যে ত্বক পরিষ্কার করা একান্ত প্রয়োজন। এমনটা করলে ত্বকের উপরিঅংশে জমে থাকা মৃত কোষের স্থর সরে যায়। সেই সঙ্গে ব্যাকটেরিয়ারাও নিজের ঘর বানানোর সুযোগ পায় না। ফলে শুষ্কতা দূর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক রোগের প্রকোপও হ্রাস পাবে।

২. বিউটি ক্রিম: স্ক্রিনকে আদ্র রাখার পাশাপাশি ত্বককে উজ্জ্বল এবং সুন্দর রাখতে বিউটি ক্রিমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো গরমকালে এই ধরনের ক্রিম বেশি করে ব্যবহারের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

৩. হেয়ার স্প্রে: অতিরিক্ত তাপ প্রবাহের কারণে এই সময় চুল খুব শুষ্ক হয়ে যায়। তাই তো হেয়ার স্প্রের ব্যবহার গরম কালে খুব জরুরি। প্রতিদিন যদি হেয়ার স্প্রে দিয়ে চুলের পরিচর্যা করা যায়, তাহলে চুলের আদ্রতা ফিরে আসে। সেই সঙ্গে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকেও চুল রক্ষা পায়।

৪. হেয়ার মাস্ক: গরমকালে কি চুল খুব খারাপ হয়ে যায়? তাহলে আজ থেকেই ব্যবহার শুরু করুন হেয়ার মাস্ক। কারণ এটি সূর্যালোকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে চুলকে বাঁচায়। সেই সঙ্গে মাথায় চুলকানি এবং চুল পরে যাওয়ার সমস্যা কেও দূর করে।

৫. সান স্ক্রিন: গরকালের সবথেকে কাজের বন্ধু হল এই বিউটি প্রডাক্টটি। সান স্ক্রিন ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে অতি বেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকেও ত্বককে রক্ষা করে।

৬. ফেসিয়াল মাস্ক: অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতি করার ক্ষমতা গরম কালে খুব বেড়ে যায়। যে কারণে ত্বক পুড়ে যাওয়ার পাশপাশি সৌন্দর্যও কমতে শুরু করে। এক্ষেত্রে ফেসিয়াল মাস্ক আপনাদের দারুনভাবে সাহায্য করতে পারে। প্রতিদিন মুখে এবং সারা শরীরে ফেসিমাল মাস্ক লাগিয়ে মাসাজ করলে ত্বকের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়।

চুল সিল্কি ও সুন্দর রাখতে চুল ধোয়ার আগে ও পরে অবশ্যই করবেন এই কাজ

চুল সিল্কি ও সুন্দর রাখতে চুল ধোয়ার আগে ও পরে অবশ্যই করবেন এই কাজ

সুস্থ ও সুন্দর চুল কে না চায় বলুন। সুস্থ সুন্দর ও ঝলমলে চুলের জন্য নানা ধরণের কেমিক্যাল যুক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট থেকে শুরু করে ঘরে তৈরি হারবাল প্যাকও লাগিয়ে থাকেন অনেকে।

চুল সিল্কি ও সুন্দর রাখতে চুল ধোয়ার আগে ও পরে অবশ্যই করবেন এই কাজ
চুল সিল্কি ও সুন্দর রাখতে চুল ধোয়ার আগে ও পরে অবশ্যই করবেন এই কাজ

কিন্তু এতো সব কাজ বৃথা হয়ে যায় যখন সাধারণ কিছু নিয়মে সমস্যা হয়। চুল ধোয়ার আগে ও পরে বিশেষ কিছু কাজ করে নেয়া উচিত। জেনে নিন- অবশ্যই চুলে তেল দিন –চুল ধোয়ার আগে অবশ্যই কিছু প্রস্তুতির ব্যাপার রয়েছে। আর তা হচ্ছে চুলে তেল লাগানো। চুল ধোয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে চুলে ভালো করে তেল Oil দিয়ে ম্যাসাজ করে নেয়া উচিত। এতে চুল পুষ্টি পায়। প্রয়োজনে ২/৩ ধরণের তেল একসাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিত। ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন –চুল ধুতে হবে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে। স্কিন এক্সপার্ট হুমায়রা আফসারি প্রিয়.কমকে জানান, ‘গরম পানি বা কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়া washing hair একেবারেই উচিত নয়। কারণ এতে চুল এবং মাথার ত্বক থেকে প্রাকৃতিক তেল দূর হয়ে যায়, যার ফলে চুলের রুক্ষতা ও শুষ্কতা বাড়তে থাকে’। সরাসরি শ্যাম্পু নয় –শ্যাম্পু সরাসরি ব্যবহার করা একেবারেই উচিত নয়। শ্যাম্পু একটু পানিতে গুলে নিয়ে তা দিয়ে শ্যাম্পু করে নেয়া উচিত চুল। এতে কেমিক্যালের ক্ষতিটা একটু কম হয়। চুলের hair উপর খারাপ প্রভাব একটু কম পড়ে থাকে। ভেজা চুল আঁচড়াবেন না –ভেজা চুল কোনো অবস্থাতেই আঁচড়ানো উচিত নয়। ভেজা চুলে চিরুনির ঘর্ষণে চুলের আগা ফাটা সমস্যা দিনকে দিন বাড়তেই থাকে। এবং সেই সাথে বাড়তে থাকে চুল ভাঙার পরিমাণ। মাথায় তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখবেন না –চুল ধুয়ে এসে মাথায় তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখেন অনেকেই। এই কাজটি করবেন না একেবারেই। তোয়ালে যতো সময় মাথায় পেঁচানো থাকবে ততোই মাথার ত্বক ঘামতে থাকবে এবং চুলের গোঁড়া নরম হতে থাকবে, যার কারণে চুল পড়ার হার অত্যধিক মাত্রায় বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে’। চুল ফ্যানের fan বাতাসে যতোটা সম্ভব শুকিয়ে নেয়া ভালো।

মাত্র ১৫ মিনিটে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করার উপায় জেনে নিন

মাত্র ১৫ মিনিটে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করার উপায় জেনে নিন

রাস্তাঘাটে চলতে ফিরতে সুন্দর ফ্রেশ ত্বকের কাউকে দেখলেই মনে হয় ইস, আমারও ত্বক যদি এমন সুন্দর হতো। আপসোস করার দিন শেষ।মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক আপনিও পেতে পারেন। এর জন্য প্রয়োজন হবে একটুখানি যত্নের।তাহলে আর দেরি না করে আজ থেকেই ত্বকের যত্ন নেওয়া শুরু করে দিন আর পেয়ে যান উজ্জ্বল ফর্সা ত্বক।

মাত্র ১৫ মিনিটে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করার উপায় জেনে নিন
মাত্র ১৫ মিনিটে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করার উপায় জেনে নিন

উজ্জ্বল ফর্সা ত্বক পেতে – ৩ চা চামচ টমেটো পেস্টের সাথে ১ চা চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার সারা মুখে ও গলায় এই মিশ্রণ পুরু করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।যাদের ত্বকে মধু সহ্য হয় না। সেক্ষেত্রে ২ চা চামচ টমেটোর পেস্টের সাথে ৪ চা চামচ টক দই ভালো করে মিশিয়ে নিন।এবার এই মিশ্রণ মুখে ও গলায় লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এখন আয়নার সামনে গিয়ে নিজেই দেখুন ম্যাজিকের মত আপনার চেহেরার উজ্জ্বলতা বেড়ে গেছে।

জেনে নিন, মাত্র ১৫ মিনিটে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করার সহজ উপায় ।

জেনে নিন মাত্র ১৫ মিনিটে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করার সহজ উপায় ।

রাস্তাঘাটে চলতে ফিরতে সুন্দর ফ্রেশ ত্বকের কাউকে দেখলেই মনে হয় ইস, আমারও ত্বক যদি এমন সুন্দর হতো। আপসোস করার দিন শেষ।

মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক আপনিও পেতে পারেন। এর জন্য প্রয়োজন হবে একটুখানি যত্নের।তাহলে আর দেরি না করে আজ থেকেই ত্বকের যত্ন নেওয়া শুরু করে দিন আর পেয়ে যান উজ্জ্বল ফর্সা ত্বক।

জেনে নিন মাত্র ১৫ মিনিটে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করার সহজ উপায় ।
জেনে নিন মাত্র ১৫ মিনিটে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করার সহজ উপায় ।

উজ্জ্বল ফর্সা ত্বক পেতে –

৩ চা চামচ টমেটো পেস্টের সাথে ১ চা চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার সারা মুখে ও গলায় এই মিশ্রণ পুরু করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

যাদের ত্বকে মধু সহ্য হয় না। সেক্ষেত্রে ২ চা চামচ টমেটোর পেস্টের সাথে ৪ চা চামচ টক দই ভালো করে মিশিয়ে নিন।

এবার এই মিশ্রণ মুখে ও গলায় লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এখন আয়নার সামনে গিয়ে নিজেই দেখুন ম্যাজিকের মত আপনার চেহেরার উজ্জ্বলতা বেড়ে গেছে।

আপনার শ্যাম্পুতে লবন মিশিয়ে দেখুন | এর অবাক করা ফলাফল!

আপনার শ্যাম্পুতে লবন মেশিয়ে দেখুন | এর অবাক করা ফলাফল!

রান্নাঘরে লবনের ব্যবহার আর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতিদিনের রান্নায় অবশ্যই ব্যবহার্য একটি উপাদান হল লবন। 
কিন্তু জানেন কি এই লবন আপনার চুল কিংবা ত্বকের জন্যই বিশেষ উপকারী?
আপনি যদি চুল পড়া এবং নতুন চুল না গজানো সমস্যায় ভুগে থাকেন তবে লবন অবশ্যই আপনার উপকারী বন্ধু হিসেবে আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধিতেঃ
সি সল্ট বা সামুদ্রিক লবন অবিশ্বাস্য ভাবে চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। চুল পড়া সমস্যায় ভোগা মানুষদের সাধারণত সামুদ্রিক লবনের চিকিৎসা গ্রহণ করতে বলা হয়। চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সামুদ্রিক লবন ব্যবহারের উপায়টিও বেশ সোজা। আপনার চুল পানিতে ভিজিয়ে নিন। এবার এক টেবিল চামচ লবন আপনার মাথার ত্বকে ঘষে ঘষে লাগান। ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ দিন এই কাজ করলে আপনার চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাবে।

খুশকি সমস্যা থেকে মুক্তিঃ
খুশকি আর কিছুই নয় বরং আপনার মাথার ত্বকের মৃত কোষ। সাধারণত মাথার ত্বকের স্বাভাবিক রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলে খুশকির জন্ম হয়। আর লবনের রয়েছে সেই ক্ষমতা যা রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। মাথায় সিঁতি করে লবন দিন। ভেজা আঙুলে ১০/১৫ মিনিট ঘষুন। অতঃপর চুল ধুয়ে ফেলুন। মাথায় নতুন ফাঙ্গাস আর জন্মাবেনা।

আপনার শ্যাম্পুতে লবন মিশিয়ে দেখুন | এর অবাক করা ফলাফল!
আপনার শ্যাম্পুতে লবন মিশিয়ে দেখুন এর অবাক করা ফলাফল!

তৈলাক্ত চুল বা মাথার ত্বক থেকে মুক্তিঃ
অনেকেরই মাথার ত্বক বেশ তেলতেলা থাকে। শ্যাম্পু করার পরও চুলে ঝরঝরে ভাব আসেনা। এমন সমস্যার সমাধান করতে পারে লবন। আপনার শ্যাম্পুর সাথে এক চামচ লবন মেশান। ভালো করে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এরপর স্বাভাবিক নিয়মে চুলে শ্যাম্পু করুন। প্রথম ব্যবহারেই আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন চুল আর মাথার ত্বকের তেলতেলে ভাব অনেকটা কমে গেছে।

বডি স্ক্রাবিং করতেঃ
দেহের মৃত কোষ দূর করার প্রক্রিয়াকে বডি স্ক্রাবিং বলা হয়। অনেকে এর জন্য পার্লারেও যান। আপনি খুব সহজে ঘরে বসেই স্ক্রাবিং করতে পারেন। ৩/৪ টেবিল চামচ লবন নিন। এর সাথে আধা কাপ নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল মেশান। ততক্ষণ অব্দি মেশাতে থাকুন যতক্ষণ না ঘন মিশ্রণ তৈরি হয়। এরপর দেহে লাগান। কিছু সময় পর ধীরে ধীরে নরম তোয়ালে দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলুন। সবশেষে, একটু মশ্চয়রাইজার মালিশ করে নিন।

প্রশান্তিময় গোসলেঃ
সারাদিনের পরিশ্রম, ব্যস্ততা আমাদের কাহিল করে রাখে। আর তাই সকলেই চায় প্রশান্তিময় গোসল সারতে। আপনার গোসলের পানিতে একটু লবন মিশিয়ে নিন। এটি আপনার দেহে প্রশান্তি এনে দিবে। দেহে থেকে অপকারী টক্সিন দূর করবে।

চোখের নীচের ফোলাভাব দূর করতেঃ
চোখ নীচটা ফোলা থাকলে কি বিচ্ছিরিই না লাগে দেখতে। এই সমস্যাতেও আপনাকে সাহায্য করবে লবন। এক টেবিল চামচ লবন, দুই টেবিল চামচ উষ্ণ জলের সাথে মেশান। এবার কটন বাড ভিজিয়ে ১০/১৫ মিনিট চোখের নীচে রাখুন। ফোলাভাব পালাবে।
তাহলে আর দেরী কেন? রান্নাঘর থেকে লবন নিন আর ব্যবহার করুন ত্বকের যত্নে।

জেনে নিন | ত্বকের সমস্যা সমাধানে কফির ব্যাবহার

ত্বকের সমস্যা সমাধানে কফির ব্যাবহার

নারীদের ত্বকে সমস্যার শেষ নেই। ত্বকের কালো দাগ থেকে শুরু করে চুল পড়া পর্যন্ত ত্বক নিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হয় তাদের। আপনি কী জানেন, ত্বকের কিছু সাধারণ সমস্যা সমাধান করে দেবে কফি! অলসতা কাটিয়ে সতেজ দিন পেতে এক কাপ কফি যথেষ্ট। এইবার এই কফি সমাধান করে দেবে আপনার রুপ সমস্যা।

ত্বকের সমস্যা সমাধানে কফির ব্যাবহার
ত্বকের সমস্যা সমাধানে কফির ব্যাবহার

১। সেলুলাইট

 

বিরক্তিকর সেলুলাইট দূর করে দেবে কফি। সমপরিমাণ কফির গুঁড়ো এবং লবণ একসাথে মিশিয়ে নিন। এরসাথে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মেশান। এই মিশ্রণটি স্ক্রাব হিসেবে ত্বকে চক্রাকারে ম্যাসাজ করুন। নিচের থেকে উপর দিকে ম্যাসাজ করুন। এটি সপ্তাহে ১-২ বার ব্যবহার করুন।

২। চুল পড়া রোধ

 

দুই টেবিল চামচ কফির গুঁড়ো এবং তিন চামচ কুসুম গরম অলিভ অয়েল একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি ভেজা চুলে ব্যবহার করুন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে এক বা দুইবার ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে এটি চুল পড়া রোধ করবে।

৩। চোখের ফোলাভাব দূর

আধা চা চামচ কফির গুঁড়ো, আধা চা চামচ নারকেল তেল এবং এক চিমটি গোল মরিচের গুঁড়োর সাথে কিছুটা পানি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চোখের চারপাশে ব্যবহার করুন। প্যাকটি শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি দ্রুত চোখের ফোলাভাব দূর করে দেবে।

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

জেনে নিন | ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ফলের খোসার ব্যাবহার

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ফলের খোসার ব্যাবহার

ফলের মতো তার খোসাও পুষ্টিগুণে ভরপুর হয়। তাই তো ফলের খোসাও আমাদের শরীরের গঠনে নানাভাবে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও এদের ভূমিকাকে অস্বীকার করা যায় না। ফলের খেসা কীভাবে আমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কাজে লাগতে পারে, সে সম্পর্কে জানা আমাদের দরকার। পুষ্টিকর উপাদানের ভান্ডার হল ফলের খোসা। তাই তো ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে এগুলি এতটা কাজে লাগে। কোন কোন ফলের খোসা, কীভাবে ব্য়বহার করলে সুফল মিলবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে।

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ফলের খোসার ব্যাবহার
ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ফলের খোসার ব্যাবহার

১. কলার খোসা: এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং প্রোটিন, যা ত্বককে ফর্সা করার পাশপাশি একাধিক ত্বকের রোগে প্রকোপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কীভাবে ব্যবহার করবেন কলার খোসাকে? দিনে দুবার, কলার খোসা ভাল করে মুখে ঘষবেন। তাহলেই দেখবেন ত্বক উজ্জ্বল এবং সুন্দর হতে শুরু করেছে। আরেক ভাবে কলার খোসাকে কাজে লাগাতে পারেন। পরিমাণ মতো খোসা সংগ্রহ করে সেগুলিকে রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর খোসাগুলিকে পিষে পাউডার বানিয়ে ফেলুন। সেই পাউডার দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে দুবার এইবাবে ত্বকের পরিচর্যা করলে সুফল পাবেন একেবারে হাতেনাতে।

২. বেদানার খোসা:

এই ফলের খোসায় রয়েছে এমন কিছু উপাদান যা ত্বকের উপরি অংশে জমে থাকা মৃত কোষের স্তরকে সরিয়ে ফেলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, ত্বকের পি এইচ লেভেল ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে স্কিনের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধিতেও বেদানার খোসা দারুন কাজে আসে। এক্ষেত্রে বেদানার খোসা রোদে শুকিয়ে নিন প্রথমে। তারপর সেটি ব্লেন্ডারে গুঁড়ো করে পাউডার বানিয়ে ফেলুন। সেই পাউডার ২ চামচ নিয়ে, ১ চামচ লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন। এই পেস্টটি মুখে লাগালে দারুন উপকার পাবেন।

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন

ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে ডিমের খোসার ব্যাবহার

কোনকিছুই এখন ফেলে দেওয়া উচিত না।আমরা ডিমের খোসা সচরাচর ফেলে দেই, কিন্তু আমরা ডিমের খোসা দিয়ে আমাদের কাজে লাগাতে পারি। ডিমের খোসাকে কাজে লাগিয়ে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা সম্ভব। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে, ডিমের খোসায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা স্কিনকে তরতাজা এবং প্রাণবন্ত করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডিমের খোসায় রয়েছে কিছু প্রাকৃতিক অ্যাসিড, যা ত্বককে পরিষ্কার করে তার ঔজ্জ্বল্য় বৃদ্ধি করে। তাই এবার থেকে ডিম খাওয়ার পর আর খোসাটা ফেলবেন না। বরং সেগুলি কাজে লাগিয়ে হয়ে উঠবেন অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী। আর কী কী ভাবে ডিমের খোসা সাহায্য করতে পারে? চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে।

ত্বকের উজ্জলতা  বৃদ্ধিতে ডিমের খোসার ব্যাবহার
ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে ডিমের খোসার ব্যাবহার

১. ত্বকের ছিদ্রগুলিকে পরিষ্কার করে:

পরিমাণ মতো ডিমের খোসা নিয়ে প্রথমে সেগুলিকে গুঁড়ো করে পাউডার বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেই পাউডারের সঙ্গে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর সেই পেস্টটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, এই মিশ্রনটি ত্বকের ছিদ্রতে জমে থাকা ময়লা টেনে বার করে আনে। ফলে স্কিন উজ্জ্বল এবং সুন্দর হয়ে ওঠে।

২. ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে:

ডিমের খোসায় মজুত থাকে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন এবং ভিটামিন, যা বলিরেখা কমানোর সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের বয়স কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে কীভাবে ব্যবহার করতে হবে ডিমের খোসাকে? ২ চামচ ডিমের খোসার পাউজার নিন। তারপর তাতে একে একে মধু এবং ময়দা মিশিয়ে সেই মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে কম করে ১৫ মিনিট রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে মুখটা ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ২-৩ বার এই ফেস প্যাকটি মুখে লাগালে অল্প দিনেই সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

৩. ত্বকের বয়স কমায়:

বয়স ৩০ পেরতে না পেরতেই ত্বকের উপর বয়সের ছাপ পরতে শুরু করে দেয়। তাই তো এই সময় ডিমের খোসাকে আরও বেশি করে কাজে লাগানো উচিত। এমনটা করলে ত্বক টানটান হয়, সেই সঙ্গে স্কিনের বয়সও কমতে শুরু করে। এক্ষেত্রে ৩-৪ চামচ ডিমের খোসার গুঁড়ো নিয়ে তার সঙ্গে পরিমাণ মতো দই এবং কয়েক চিমটে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে একটা ফেস প্যাক বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, এই পেস্টটি বলিরেখা কমিয়ে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে দারুন কাজে আসে।

৪. ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখে:

আপনি কি শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে আজ থেকেই কাজে লাগাতে শুরু করুন ডিমের খোসাকে। কারণ এতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করে। ২-৪ চামচ ডিমের খোসার পাউডার নিয়ে তার সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মেশান। ভাল করে দুটি উপকরণ মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। সেটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ মাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, এই ফেস মাস্কটি প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে মুখে লাগালে ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকে। ফলে চামড়া কুঁচকে গিয়ে সৌন্দর্য কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

৫. ত্বকের প্রদাহ কমায়:

নানা কারণে ফুসকুরি এবং ত্বকের প্রদাহ তো লেগেই থাকে। এই ধরনের সমস্যার সমাধানে ডিমের খোসা দারুন কাজে আসতে পারে। কীভাবে? ১ কাপ অ্যাপেল সিডার ভিনিগারের সঙ্গে ডিমের খোসা মিশিয়ে নিন। মিশ্রনটি কম করে ১০ মিনিট রেখে দিয়ে মুখে লাগান। দেখবেন প্রদাহ তো কমবেই, সেই সঙ্গে ত্বকের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটবে।

৬. ত্বককে আরও চকচকে করে তোলে:

অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে পরিমাণ মতো ডিমের খোসার পাউডার মিশিয়ে সেই মিশ্রনটি মুখে লাগালে অল্প দিনেই ত্বক আরও চকচকে এবং উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। তবে দিনে দুবার এই ফেস প্যাকটি মুখে লাগাতে হবে। তবেই উপকার পাবেন।

৭. ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে:

ডিমের খোসার পাউডার দিয়ে বানানো ফেস মাস্ক ত্বককে পরিষ্কার করার পাশপাশি, সার্বিকভাবে ত্বককে সুন্দর এবং নরম রাখতে সাহায্য করে। তাই তো গবেষণা পত্রটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে এটির ব্যবহার এতে চোখে পরার মতো বেড়েছে।

৮. ত্বককে দীর্ঘ সময় তরতাজা রাখে:

একদিকে পরিবেশ দূষণ তো অন্য দিকে আমাদের অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, নানা কারণে অল্প বয়সেই ত্বক সৌন্দর্য হারাতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখায় ভরে গিয়ে ত্বকের বয়সও যায় বেড়ে! তাই তো সময় থাকতে থাকতে ডিমের খোসার সাহায্য ত্বকের পরিচর্যা করুন। দেখবেন ভাল ফল পাবেন। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো ডিমের খোসার পাউডারের সঙ্গে অল্প করে লেবুর রস এবং চারকোল পাউডার মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেই মিশ্রনটি ৩০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, এই ফেস মাস্কটি বানাতে যে যে উপকরণগুলি ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে রয়েছে ব্লিচিং প্রপাটিজ। তাই তো এই পেস্টটি মুখে লাগালে ত্বক এত প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।