ত্বকের দাগ দূর করার জন্য | ঘৃতকুমারী এত উপকারী

ঘৃতকুমারী :

এলোভেরা বা ঘৃতকুমারী আমাদের সবারই সুপরিচিত একটি ভেষজ উপাদান। দৈনন্দিন ব্যবহার্য বিভিন্ন প্রসাধনীতে প্রায়শই দাবি করা হয়ে থাকে এলোভেরার উপস্থিতির কথা। আমরা এর সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে যাব না, শুধু তুলে ধরবো এলোভেরা বা ঘৃতকুমারীর মাধ্যমে কিভাবে দাগহীন ত্বক পাবেন তার কথা।

ভেষজ চিকিৎসা শাস্ত্রে এলোভেরার ব্যবহার পাওয়া যায় সেই খৃীষ্টপূর্ব যুগ থেকেই। তখন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এলোভেরার অনেক গুণের কথা আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে ত্বকের দাগ দূর করার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অনন্য।

মুখ এবং ত্বকের দাগ দূর করতে এলোভেরা বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরিন দুইভাবেই কাজ করে। বাহ্যিকভাবে বলতে ত্বকের উপরিভাগে এর প্রয়োগ বুঝায়। এলোভেরার শাস সেবন করাই অভ্যন্তরিন ব্যবহার। আসুন কিভাবে সঠিকভাবে এটি ব্যবহার করতে হবে তা জেনে নিই।

 ত্বকের দাগ দূর করার জন্য | ঘৃতকুমারী এত উপকারী

                                                               ঘৃতকুমারী

এলোভেরার টনিক
এলাভেরার টনিক বানাতে হলে আপনাকে এলোভেরার কচিপাতা যোগার করতে হবে। এজন্য আপনি স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করতে পারেন, অথবা বাড়িতেই টবে লাগাতে পারেন এলোভেরার চারা। শুষ্ক অঞ্চলের গাছ হওয়ায় এলোভেরার তেমন যত্ন করার প্রয়োজন নেই। যাই হোক একটি সতেজ পাতা কেটে নিয়ে পরিস্কার করে দুইভাগ করুন। এরপর ভেতরের জেলির মতো শাসগুলো চামচ দিয়ে গ্লাসে ঢেলে নিন। এবার পানি ও চিনি মিশিয়ে তৈরী করুন এলোভেরার টনিক। এর ঝাঁঝালো গন্ধ দূর করতে এর সাথে একটু ট্যাং মেশাতে পারেন। এই টনিক প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পান করলে, প্রাকৃতিক ভাবেই পেতে পারেন দাগহীন ত্বক। ব্রণ এবং সানবার্ণ থেকেও এটি আপনাকে মুক্তি দেবে।

ত্বকের দাগ দূর করতে
এলোভেরার শাস বা জেল ত্বকের যেসব জায়গায় দাগ আছে, সেখানে সরাসরি প্রয়োগ করতে পারেন। রাতে ঘুমাবার আগে ত্বকের দাগগুলোতে জেলের মতো করে এলোভেরার শাস লাগান। সকালে উঠে যে কোন ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

নিয়মিত এলোভেরার ব্যবহার আপনাকে দিতে পারে দাগহীন ত্বকের প্রতিশ্রুতি। তাহলে আর দেরি কেন।

 

 

 

 

 

ব্রন থেকে এক রাতের মধ্যে দ্রুত মুক্তি পান।

আমার প্রীতি এবং আকর্ষণ ছিল অনেক আগ থেকেই টুথপেস্ট এর উপরে যখন স্কুল এ থাকতে ব্রন কমানোর জন্য আমি টুথপেস্ট ব্যবহার করতাম।
টুথপেস্ট এর ব্যবহার নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক আছে,এটা আসলেই কাজ করে কিনা? উত্তর টা খুব সম্ভবত হ্যাঁ! এটা আসলেও কাজ করে,কিন্ত কিভাবে?টুথপেস্ট এ হাইড্রজেন পারঅক্সাইড,অ্যালকোহল,বেকিং সোডা,আরও কিছু মিনারেল অ্যাড করে বানানো হয় যেই উপাদান গুলো ব্রন কারি উপদান হিসেবে গণ্য করা হয় নামি দামী beautician দের দ্বারা।
এবং ব্রন এর ক্রিম জেল গুলোর মধ্যে ঘুরে ফিরে এই একই জিনিস গুলো ব্যবহার করা হয়।
সুতরাং যারা এক রাতের মধ্যে ব্রন কিছুটা কমিয়ে আনতে চান তাদের জন্য এই রেমেডী টা পোস্ট করলাম।
কাজে লাগলে অবশ্যই শেয়ার করে আরও মানুষ কে জানার সুযোগ দিন

টিপস লিখেছেনঃ সিফা মাহমুদ

 

দেশ-বিদেশের সকল খবর,
ব্রেকিং নিউজ ও সমসাময়িক
ইসলামিক আলোচনা পেতে : রিপোর্ট 24 বিডি তে লাইক দিন ।

চুল পড়া বন্ধ করে চুল কে উজ্জ্বল,মসৃণ এবং আকর্ষণীও করার উপায়

চুল পড়া টা যেন নারী পুরুষ উভয় এর কাছে অভিশাপসরূপ!
সকল এই এক গুচ্ছ ঘন কালো,মসৃণ চুল এর অধিকারি হতে চায়,কিন্ত বাস্তব বাংলাদেশের ধুলা,ময়লা,দুষিত বায়ু,আবহাওয়া যেন হুমকি হয়ে দাড়ায় অরূপ চুল পেতে!আজকে আমি একটি মাস্ক এর কথা আর কিছু সাজেশন দেব এ বিষয়ে! পোস্ট টি অবশ্যই শেয়ার করে আপানর নিকটস্থ বাক্তিদের জানতে দিন!
চুল পড়া বন্ধ করে চুল কে উজ্জ্বল,মসৃণ এবং আকর্ষণীও করার উপায়ঃ
যা যা লাগবেঃ
একটি বাটি এবং বিটার
২ টা ডিম
১/২ কাপ ত্বক দই
3 টা ভিটামিন এ ক্যাপস্যুল(ইচ্ছা)
২ চামচ বাদাম তেল(almond oil)
(ছবি অনুসরণ করুন)
একটা বাটিতে ডিম দুটো ছেড়ে দিয়ে ঘন ফোম না হওয়া পর্যন্ত বিট করতেই থাকুন।ফোম হয়ে আসলে ২ চামচ নারিকেল তেল ছেড়ে দিন!
আধা কাপ ত্বক দই যোগ করুন!আবার বিট করতে থাকুন । হয়ে আসলে আঙুল দিয়ে চুল এর গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত সবটুকু মিস্রন লাগান! ৩০ থেকে ৪০ মিনিট রাখুন।পারলে চুল এ শাওার ক্যাপ এর মত পলিথিন পেঁচিয়ে নেবেন!৩০ মিনিট পর সাধারণ শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ডিম এবং বাদাম তেল এ প্রচুর ভিটামিন এ এবং পুষ্টি থাকে যা আপানার চুল এর শুষ্কতা আগা ফাটা,চুল পড়ার জন্য দারুন ভাবে কাজ করবে! চুল পড়ার হার শতকরা ৯০ ভাগ কমে যাবে সাথে যদি খাবার রুটিন টাও মেনে চলেন!

12047008_436467763224594_2455741278999887946_n

টিপস লিখেছেনঃ সিফা মাহমুদ

ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন ঘরোয়া মাস্ক

প্রতিদিনের আবহাত্তয়া সর্বদা পরিবর্তনশীল।এই পরিবর্তনশীল আবহাত্তয়াতে ত্বকের সৌন্দর্য ধরে  রাখতে অনেকেই ব্যবহার করতে শুরু করেন বাজারে সহজলভ্য রং ফর্সা করা প্রসাধনী। এসব পণ্যে এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয় যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই ত্বকের যত্নে ঘরোয়া মাস্ক ব্যবহার করা সব থেকে বেশি উপকারী। মাস্কগুলো প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। এই প্রতিবেদনে এমনই মাস্ক তৈরির পদ্ধতি দেওয়া হল।

lookbd-lemo

মধু ও লেবুর ফেইস মাস্ক:
এক টেবিল-চামচ মধুর সঙ্গে এক টেবিল-চামচ লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে মিশ্রণটি পুরো মুখে ও গলায় ভালোভাবে লাগিয়ে নিতে হবে। শুকিয়ে আসলে ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

ময়দার ফেইস মাস্ক:
গম ছোলা, ডাল, ভুট্টা ইত্যাদি যে কোন শস্যের তৈরি ময়দা ২ টেবিল-চামচ, এক চিমটি হলুদগুঁড়া এবং পরিমাণ মতো দুধ মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা এ মিশ্রণের সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মেশাতে পারেন। মিশ্রণটি তৈরি করার পর পরিষ্কার মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। মাস্কটি শুকিয়ে গেলে হালকা হাতে স্ক্রাব করে ধুয়ে ফেলতে হবে।
গুঁড়াদুধের ফেইস মাস্ক:
এক চামচ গুঁড়াদুধ, এক চামচ মধু এবং এক চামচ লেবুর রস একটি পরিষ্কার পাত্রে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। মুখ ও গলা ভালোভাবে পরিষ্কার করে মিশ্রণটি লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে।
শসা ও লেবুর রসের ফেইস মাস্ক:
এক চামচ শসার রস ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে এই মাস্ক তৈরি করতে হবে। মাস্কটি মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে।
টমেটো এবং ময়দার ফেইস মাস্ক:
দুই চামচ ময়দা এবং দুই থেকে তিন চামচ টমেটোর রস নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর তা ধুয়ে ফেলতে হবে।

উপরের প্রতিটি মাস্ক তৈরির উপাদানই আমাদের হাতের কাছেই পাওয়া যায়। মাস্কগুলো তৈরি করতে ঘরে সহজলভ্য এমন দু’ থেকে তিনটি উপকরণ প্রয়োজন হয়। আর মাস্কগুলো সহজে এবং চটজলদি ব্যবহার উপযোগী। এই মাস্কগুলো ব্যবহারে ত্বকের কোন ধরনের ক্ষতি হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে না। ভালো ফলাফলের জন্য প্রথম পর্যায়ে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এবং পরের মাসে দুই থেকে তিনবার এই মাস্কগুলো ব্যবহার করা যাবে।

দেশ-বিদেশের সকল খবর,
ব্রেকিং নিউজ ও সমসাময়িক
ইসলামিক আলোচনা পেতে : রিপোর্ট 24 বিডি তে লাইক দিন ।

শিখে নিন প্রাকৃতিক ভাবে রূপচর্চার একটা সহজ আর অসাধারণ পদ্ধতি

অনেক তো রূপচর্চা হল..

এবার প্রাকৃতিক ভাবে রূপচর্চার একটা সহজ আর অসাধারণ পদ্ধতি শিখে নিন যৌবন ধরে রাখুন আজীবন!!! সৌন্দর্যের দিক থেকে জাপানিজ নারীরা সবসময়েই অনবদ্য। বিশেষ করে তাঁদের ঝলমলে চুল এবং নিখুঁত ত্বকের কারণে। এমন অনেক জাপানিজ চিত্রনায়িকা ও মডেলরা আছেন যাঁদের সত্যিকারের বয়স অনেক বেশি, কিন্তু দেখলে মনে হয় এখনও তরুণী! বিশ্বজুড়েই জাপানিজ নারীদের এই চিরতারুণ্য একটা রহস্যের বিষয় বৈকি। মজার ব্যাপার হচ্ছে, তাঁদের এই তারুণ্যের পেছনে যে উপাদানটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে তা হল ‘ভাত’। কি, অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, জাপানিজদের বয়স ধরে রাখে ভাতের তৈরি একটি ফেস প্যাক। আসুন তাহলে জেনে নিই সেই জাদুকরী ফেসপ্যাকটির কথা।

12038157_155790391439707_416156705671165632_n

উপকরণঃ
৩ টেবিল চামচ ভাত
১ টেবিল চামচ মধু
১ টেবিল চামচ গরম দুধ

যেভাবে তৈরি করবেনঃ
-চাল সিদ্ধ করুন। অর্থাৎ ভাত রান্না করুন। এবার চাল থেকে পানি আলাদা করে ফেলুন বা মাড় ফেলে দিন।
-গরম ভাত চটকে নিন, নাহলে পরে শক্ত হয়ে যাবে। এর সাথে হালকা গরম বা উষ্ণ দুধ এবং মধু দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।

যেভাবে ব্যবহার করবেনঃ
-প্রথমে মুখ ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সম্ভব হলে কোন হালকা ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
-মুখ শুকিয়ে গেলে ভাতের প্যাকটি মুখ ও ঘাড়ে ভাল করে লাগান।
-প্যাকটি শুকিয়ে গেলে ভাত সিদ্ধ পানি বা মাড় দিয়ে মুখ ও ঘাড় ধুয়ে ফেলুন।
-সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

যেভাবে কাজ করেঃ
ভাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই যা ত্বককে ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করে থাকে ও তারুণ্য ধরে রাখে। তার সাথে সাথে সানবার্নও প্রতিরোধ করে। এছাড়া এতে লিনোলিক এসিড যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ভাতের মাড়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে যা ত্বকের পানির পরিমাণ বজায় রাখার পাশপাশি রক্ত চলাচল ঠিক রাখে।

দেশ-বিদেশের সকল খবর,
ব্রেকিং নিউজ ও সমসাময়িক
ইসলামিক আলোচনা পেতে : রিপোর্ট 24 বিডি তে লাইক দিন ।

চুল পরা রোধ করতে বিশেষ টিপস

চুল পরা রোধ করতে বিশেষ টিপস 

১- এলোভেরা: এলোভেরা ২/৩ টি নিয়ে ভিতর এর সাদা অংশ বের করে একটি বাটিতে নিন,, এটি চুলের স্কাল্প এ লাগান ২৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন,

২- ডিম এর সাদা অংশ নিয়ে চুল এ লাগান ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন

৩- টকদই আর নারিকেল তেল মিক্সড করে লাগান ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন

৪- মধু আপনার স্কাল্প এ লাগান কিছুক্ষন পড়ে শুকালে ধুয়ে ফেলুন

৫- পিয়াজ ব্লেন্ড করে নারিকেল তেল এর সাথে মিক্সড করে ১ ঘন্টা ফ্রিজ এ রেখে দিন তারপর গুসোল এর আগে চুল এ লাগান ২৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন

৬- অলিভ অয়েল আর নারিকেল তেল হালকা গরম করে চুল এ লাগান সারারাত রেখে পরের দিন ধুয়ে ফেলুন

৭- সরিসার তেল লাগান সপ্তাহে ২ দিন

৮- প্রতিদিন তেল দিয়ে চুলের স্কাল্প এ ব্যায়াম করুন

12006281_175064979496193_3595463193749829353_n copy

আশাকরি এতে করে আপনার চুল পড়া দ্রুত কমে যাবে

রূপচর্চার জন্য লেবু

lemon-680x450 copy

সালাদ থেকে শুরু করে চিকিৎসা ক্ষেত্র সর্বত্রই লেবুর জয়জয়কার। প্রচীনকাল থেকেই এটি তাই সমাদৃত।রূপচর্চার জন্য লেবু একটি শ্রেষ্ঠতম উপাদান। সৌন্দর্য চর্চায় লেবুর ব্যবহার আজ থেকে হয়নি। প্রাচীন মিশর এবং গ্রীসের রাজকুমারীরাও লেবুর সমাদর করতেন। লেবুকে তারা তাদের রূপচর্চার একটি বিশেষ উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করতেন। এজন্য চীন দেশে লেবুকে বলা হতো ‘লিমুং’। অর্থাৎ মেয়েদের জন্য উপকারী। চীনের উপকথায় আছে- কোন এক রূপসী সম্রাজ্ঞী লেবু থেকে তার রূপচর্চার উপকরণ তৈরি করতেন এবং তার সৌন্দর্যের তথ্যটি গোপন রেখেছিলেন। কিন্তু তার মৃত্যুর পর ব্যাপারটি জানাজানি হয়ে গেল। আর তখন থেকে মেয়েরা রূপচর্চায় লেবু ব্যবহার করে আসছেন।

✬মুখে শ্রী বাড়ানোর জন্য এক টুকরো লেবুর রসের সাথে ১/২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। ত্বকে টান টান ভাব হলে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বক উজ্জ্বল করবে। লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং ত্বককে আরো ফর্সা করবে।

✬একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে তার রস বের করে নিন। এবার তার সাথে ১০ টেবিল চামচ তরল দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ধীরে ধীরে পুরো মুখে ম্যাসাজ করুন, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু ত্বকের তেল দূর করে আর দুধ ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই মিশ্রণটি চোখের চারপাশে সাবধানে লাগাতে হবে।

✬একটি ডিমের সাদা অংশের সাথে অর্ধেকটা লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ কমলালেবুর রস কুসুম গরম পানি দিয়ে পেস্টের মতো করে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার পাশাপাশি উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

✬ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সমপরিমাণ শসার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তুলার সাহায্যে মুখে লাগান। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে ত্বক সতেজ হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগানোর সাথে সাথে যদি জ্বলে, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। সেক্ষেত্রে লেবু ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে।

✬হাতের কনুই, হাঁটু, পায়ের গোড়ালি এসব জায়গায় বেশি ময়লা জমে। এ নিয়ে অনেকেরই দুঃশ্চিন্তার শেষ নেই। আধা টুকরো লেবু নিয়ে এই জায়গাগুলোতে ভাল করে ঘষে নিলে ময়লা উঠে গিয়ে ঝকঝকে হয়ে উঠবে।

✬পায়ের রুক্ষভাব দূর করতে লেবুর রসের সাথে অল্প মিহি চিনি মিশিয়ে মালিশ করে নেবেন। দশ মিনিট পর হাত ধুয়ে নিন কুসুম গরম পানিতে। দেখবেন হাত-পা কেমন পেলব কোমল মসৃণ হয়ে উঠেছে।

✬ঘরের কাজ যেমন কাপড় কাচা, বাসন মাজা, ঘর মোছা, এসব কাজ করতে করতে হাতে কড়া পড়ে যায়। হাতের মোলায়েম ভাব নষ্ট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে গোলাপ পানির সাথে লেবুর রস মিশিয়ে হাতের পাতায় মাখুন।

✬ অতুলনীয় সৌন্দর্যময় কেশরাজির পরিচর্যায় লেবুর প্রয়োজন সর্বাধিক। প্রতিদিন গোসলের আগে একটা লেবু চিপে রস বের করে সেই রস চুলের গোড়ায় বিলি কেটে কেটে ঘষে লাগিয়ে দিন। এতে চুলের গোড়া পরিষ্কার ও শক্ত চুলের খুসকি দূর হয়। এ ছাড়া চায়ের পানি ছেঁকে সেই পানিতে একটা লেবুর রস মিশিয়ে শ্যাম্পু করার পর সেই পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেললে চুলের রুক্ষ্মভাব কেটে চুল হবে রেশমের মতো কোমল-মসৃণ-উজ্জ্বল।

সতর্কতা :    ✬✬✬ তবে মুখে বা শরীরের কোথাও লেবু লাগাবার পর সরাসরি সূর্যের আলোতে যাবেন না ✬✬✬