আধুনিক বিশ্ব ধ্বংস হবে কিভাবে? দেখুন ভিডিও সহ!!

পৃথিবীর জন্মের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে ধ্বংস হয়েছে প্রাণী কুল বিভিন্ন জাতি, এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের এই আধুনিক বিশ্ব কিভাবে ধ্বংস হবে? আমরা আমাদের ধ্বংস করতে উঠে পরে লাগছি। শুত্রু পক্ষকে ঘায়েল করতে আবিস্কার করছি নতুন নতুন প্রযুক্তির মরণাস্ত্র।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতেঃ

রেশমি এলনের মত শয়তানরা ধরা পরবে অচিরেই।

প্রযুক্তি যেমন জীবন যাপনের মান বাড়িয়ে দিচ্ছে তেমনি বেড়েছে এর অপব্যবহার। সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুক টুইটার গুলোর জনপ্রিয়তা পেয়েছে বহুগুন। আর এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু মানুষ তরুণদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে পর্ণ তেমনি একজন হচ্ছে রেশমি এলন। খুব শীঘ্রই তাকে আইনের আওতায় ঘোষণা দিলেন।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে ঃ

এবার বন্যার প্রভাব ফেলছে, অনলাইন গরুর হাটেও

ঈদ সামনে রেখে কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে অনলাইনে কোরবানির গরু-ছাগল বিক্রির চল শুরু হয়েছে। এবারও অনলাইনে চলছে পশু বিক্রি। বিভিন্ন অনলাইন ক্লাসিফাইড সাইট ও ই-কমার্সের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে চলছে কোরবানির পশু বিক্রি। উত্তরবঙ্গে বন্যার কারণে এবার গৃহস্থদের কাছ থেকে গরু কম পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অনলাইন মার্কেটপ্লেস সংশ্লিষ্টরা। তবে অনলাইনে কোরবানির পশুর হাট জমজমাট করতে প্রস্তুতির কমতি নেই তাদের।

কোরবানির পশু পাওয়া যাচ্ছে, অনলাইন মার্কেটপ্লেস বিক্রয় ডট কম, আমার দেশ ই-শপ, বেঙ্গল মিট ও সাশ্রয় এগ্রো প্রভৃতি সাইটে। এসব সাইটের পাশপাশি বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে পাওয়া যাচ্ছে কোরবানির পশু। অনলাইনে গরুর হাট, গাবতলী গরুর হাট, নয়াবাজারের গরুর হাট, গাবতলী কাউ ক্যাটেল মার্কেট, ঢাকা গরুর হাট, আফতাব নগর গরুর হাটসহ আরও অনেক ফেসবুক পেজের মাধ্যমে গরু-ছাগল বিক্রি করা হচ্ছে।

এসব ওয়েবসাইটে শুধু পশুর ছবিই নয়, ক্রেতাদের সুবিধার জন্য পশুর বয়স, দাঁতের সংখ্যা, ওজন, চামড়ার রং, জাত, জন্মস্থান এবং প্রাপ্তিস্থানও দেয়া থাকে পোস্টে। ক্রেতারা চাইলে স্বচক্ষে পশু দেখতে যেতে পারেন। আর ছবি দেখই ক্রয় করতে চাইলে বিক্রেতা সেই পশু পৌঁছে দেবেন তার বাসায়।

অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে কোরবানির পশু ক্রেতাদের বাসায় পৌঁছে দিয়ে আসা হয়। আবার কিছু ওয়েবসাইট ক্রেতাদের সরাসরি গরু খামারিদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। ফলে ক্রেতারা কৃষকদের কাছ থেকেও গরু কেনারও সুযোগ পান।

আমার দেশ ই-শপের প্রধান নির্বাহী আতাউর রহমান বলেন, আমরা সরাসরি গৃহস্থদের কাছ থেকে গরু নিয়ে থাকি। কিন্তু এবার উত্তরবঙ্গে ব্যাপক বন্যার কারণে কৃষকদের কাছ থেকে গরু কম পাচ্ছি। ফলে গরু সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া রাস্তায় যানজটের কারণে আমরা সঠিক সময়ে ঢাকার বাইরে থেকে গরু আনতে পারছি না। এ পর্যন্ত ২২টি গরুর অর্ডার পেয়েছি।

বিক্রয় ডটকমের পরিচালক (বিপণন) ইয়াসের নূর বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ভালো মানের পশু আমাদের সাইটে আপ করেছি। তবে ক্রেতারা এখনো গরু কেনা শুরু করেননি। তারা বিভিন্ন গরুর দামের খোঁজখবর নিচ্ছেন। শেষে মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছেন তারা।

কম্পিউটারের মাধ্যমে ফোনে চার্জ দিলে যেভাবে তথ্য চুরি!

অফিসে বসে কাজ করছেন, হঠাৎ দেখলেন আপনার মোবাইলে চার্জ নেই। হাতের কাছে ডেটা ক্যাবলটা নিয়ে ফোনের সঙ্গে যুক্ত করেই ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে লাগিয়ে চার্জ দেয়া শুরু করলেন। আপনি জানেন কী, এভাবে মোবাইলে চার্জ দেয়ার কারণে আপনি বিপদে পড়তে পারেন। আপনার ফোনটি হ্যাক হয়ে যেতে পারে। এমনই দাবি করছে ক্যাসপারস্কি ল্যাব।

ক্যাসপারস্কি ল্যাব জানিয়েছে কম্পিউটারের মাধ্যমে ফোনে চার্জ অনেক তথ্য চুরি হয়ে যেতে পারে। যেমন; ফোনের নাম, নির্মাতা, সিরিয়াল নম্বর, অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত তথ্য, ফাইল সিস্টেম, ইলেকট্রনিক চিপ আইডি এসব চলে যেতে পারে হ্যাকারদের দখলে।

এসব তথ্য চুরি হওয়া ঠেকাতে ফোনটিকে চার্জে দেয়ার আগে মোবাইল ফোনে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিতে পারেন অথবা ভালোমানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে পারেন।

মিথ্যুকদের চিনিয়ে দেবে কম্পিউটারের মাউস

আপনার সাথে মিথ্যা কথা বলে কেউ প্রতারণা করছে। আপনি তার কথা বুঝতে না পেরে আপনি তাকে বিশ্বাস করছেন। কিভাবে চিনবেন সেই সব ব্যক্তিদের। এবার কম্পিউটারের মাউস মিথ্যাবাদীদের ধরিয়ে দিবে এমনটাই দাবি করেছেন, ইতালির পাভোদা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকরা।

মিথ্যাবাদীদের ধরবার জন্যে অনেক টেকনোলজি বাজারে আছে। তবে এবার এমন এক নতুন এক টেকনোলজি আসতে চলেছে যার ব্যাপারে শুনলে আপনি চমকে যাবেন। এবার মিথ্যাবাদীদের ধরিয়ে দেবে ‘কম্পিউটারের মাউস’। নতুন এই পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, কম্পিউটারে মাউসের ব্যবহারের ধরণ দেখেই চেনা যাবে মিথ্যুক। হ্যাঁ মাউস ঘোরানোর ধরন দেখেই বোঝা যাবে কম্পিউটারে করা কোনো প্রশ্নের উত্তরে কেউ মিথ্যা নাকি সত্যি বলছে।

একটি সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, ইতালির পাভোদা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের এ গবেষণায় ব্যবহার করেছেন ‘আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স’। যা ভবিষ্যতে অনলাইনে ফেক রিভিউ ও ফেক ইন্সুরেন্স শনাক্ত করতে সাহায্যে করবে। গবেষণাটি করতে গিয়ে ‘অ্যালগোরিদম’ সিস্টেমে কিছু নমুনা উত্তর দেওয়া হয়। সেই নমুনার ভিত্তিতেই মাউসের নড়ন চড়নের ধরন দেখে কম্পিউটার সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের কাজটি করবে।

গবেষণার জন্য ৬০ শিক্ষার্থীকে কম্পিউটারে কিছু প্রশ্ন করতে বলা হয়। উত্তরে কোনও কোনও শিক্ষার্থীকে পরিচয় গোপন করতে বলা হয়। যেখানে দেখা গিয়েছে, যারা নিজেদের সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিয়েছে তারা মাউস নাড়িয়ে সরাসরি উত্তরে ক্লিক করেছেন। আর যাদেরকে নিজের সম্পর্কে ভুল তথ্য দিতে বলা হয়েছে তারা মাউস নাড়ানোর আগে অনেক্ষণ সময় নিয়েছেন। উত্তরও দিয়েছেন ঘুরিয়ে।

গ্রহাণুর ধাক্কায় যেকোনও মুহূর্তে ধ্বংস হবে পৃথিবীর মানব সভ্যতা

প্রকাশ্যে এল সমুদ্রের তলায় থাকা বিভিন্ন প্রজাতির বিলুপ্তির কারণ৷ পৃথিবীর ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যাবে পৃথিবীর সঙ্গে প্রায়ই ধাক্কা লাগে মহাকাশে থাকা বিভিন্ন পাথরের৷ প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছর ধরেই এহেন একটি ঘটনায় আজ বিলুপ্তির পথে সমুদ্রের তলায় থাকা নানা সামুদ্রিক প্রজাতি৷

গবেষকেরা জানিয়েছেন, প্রায় বেশিরভাগ গ্রহানুগুলির আয়তন প্রায় ১কিলোমিটার৷ কিন্তু বর্তমানে এই গ্রহাণুগুলির আয়তন মাত্র ১৪০মিটার৷ এগুলি পৃথিবীর জন্য বিপর্যয় নেমে আসতে পারে৷ ১০০মিলিয়ন বছরে এই ঘটনাটি একবার হয়৷ কিন্তু পরবর্তীকালে এই ঘটনাটি ঘটলে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে মানবসভ্যতা৷ এই ঘটনাটি আমাদের জীবনে হয়তো একবারই হতে পারে কিন্তু তা হলে সেটি মারাত্মক পর্যায়ে হতে পারে৷ সেই প্রভাব যেকোনও মুহূর্তে হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷

বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে নিজেদেরকে প্রতিরক্ষা করার কোনও ব্যবস্থা নেই পৃথিবীতে৷ যার ফলে এই ধরনের ঘটনায় মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী৷ আর এই ঘটনার জেরে বেড়ে চলেছে পৃথিবীর তাপমাত্রাও৷ ১০০মিলিয়ন বছরে এই ঘটনাটি একবার হয়৷ আর তার জেরে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানবসভ্যতা৷ তবে, এই বিষয়টিকে রোধ করতে গেলে রাজনীতিবিদ এবং স্পেস এজেন্সীর সহযোগিতা প্রয়োজন৷ কারণ এটি প্রতিরোধ করতে গেলে খরচ করতে হবে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০মিলিয়ন ইউরো৷ সূত্র-কলকাতা২৪

পৃথিবীর ন্যায় ১০টি গ্রহের সন্ধান পেল নাসা, থাকতে পারে বহু প্রাণ

আমাদের সৌরজগতের বাইরে আরও ১০টি নয়া গ্রহের অস্তিত্ব খুঁজে পেল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা৷ তাদের টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে এই ১০ টি গ্রহ৷

যেখানে থাকতে পারে প্রাণের অস্তিত্ব৷ নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রাণ সৃষ্টি হতে গেলে যে পরিবেশের প্রয়োজন তা রয়েছে এই গ্রহ গুলিতে, তাই বিজ্ঞানীদের ধারনা এই গ্রহগুলোতে থাকতে পারে বহু প্রাণ।

মহাকাশে অন্য গ্রহের অস্তিত্ব সম্পর্কে বহুদিন ধরেই খোঁজ চালাচ্ছিল নাসার কেপলার টেলিস্কোপ৷ অভিযান শেষে সোমবার নাসার পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, এই টেলিস্কোপেই ধরা পড়েছে ৪৯ টি নয়া গ্রহ৷ যাদের মদ্যে ১০টি রয়েছে প্রাণ সঞ্চার হওয়ার মতো পরিবেশ৷

এই বিষয়ে গবেষণা চালান বিজ্ঞানী মারিও পেরেৎ জানিয়েছেন, সম্ভবত আমরা একা নেই৷ কারণ চার বছর ধরে খোঁজ চালিয়ে পৃথিবীর মতো আরও কিছু গ্রহের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে৷-কলকাতা২৪

দিন আর ২৪ ঘণ্টায় থাকছে না! কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?

এমন একটা সময় আসতে পারে, যখন আর কেউ ‘২৪ ঘণ্টা খাটিয়ে মারল’ অথবা ‘২৪ ঘণ্টা তোমার কথাই ভাবছি’ বলতে পারবেন না।

আপনি খেয়াল রাখেন না। কিন্তু তাই বলে যে ব্যাপারটা ঘটছে না, এমন নয়। নিঃশব্দে ঘটে চলেছে ঘটনাটা। শুধু আপনি কেন অধিকাংশ পৃথিবীবাসীই টের পাচ্ছেন না, তাঁদের সাধের ‘২৪ ঘণ্টার দিন’ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এমন একটা সময় আসতে পারে, যখন আর কেউ ‘২৪ ঘণ্টা খাটিয়ে মারল’ অথবা ‘২৪ ঘণ্টা তোমার কথাই ভাবছি’ বলতে পারবেন না। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, আমাদের দিন ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

ব্রিটেনের রয়্যাল গ্রিনউইচ অবজারভেটরির মহাকাশবিদ লেসলি মরিসন জানাচ্ছেন, পৃথিবার পরিক্রমণের গতি ক্রমশ কমে আসার কারণেই প্রতিদিনই একটু একটু করে বেড়ে চলেছে ‘দিন’-এর দৈর্ঘ্য। প্রতি শতকে প্রায় ১.৮ মিলিসেকেন্ড করে বেড়ে চলেছে দিনের দৈর্ঘ্য। আর তা বড়ছে গত ২৭,০০০ বছর ধরেই। বিজ্ঞানী মরিসনের মতে, এটা খুবই ধীর প্রক্রিয়া। এর পিছনে কেবল পৃথিবীর বার্ধক্য নয়, চাঁদের মহাকর্ষজ টানও কাজ করছে।

সাধারণ ঘড়িতে এই পরিবর্তন ধরা পড়বে না। কিন্তু, মহাকাশচর্চায় ব্যবহৃত বিশেষ সংবেদনশীল ঘড়িতে রীতিমতো ধরা পড়ছে দিনের বাড়বৃদ্ধি।-এবেলা

পুরোনো অ্যান্ড্রয়েডে হোয়াটসঅ্যাপ সাপোর্ট ২০২০ সাল পর্যন্ত

পুরোনো অ্যান্ড্রয়েডে হোয়াটসঅ্যাপ সাপোর্ট ২০২০ সাল পর্যন্ত

অ্যান্ড্রয়েডের পুরাতন সংস্করণ ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো হোয়াটসঅ্যাপ। ২০২০ সাল পর্যন্ত পুরাতন অ্যান্ড্রয়েড ওএসে বিনামূল্যে কথা বলার জনপ্রিয় এ ম্যাসেজিং অ্যাপ ব্যবহারের সাপোর্ট দেয়া হবে।

এর আগে হোয়াটসঅ্যাপ গত বছর থেকে অ্যান্ড্রয়েডের ২.১ থেকে শুরু ও ২.২ সংস্করণে চালিত ডিভাইসে সাপোর্ট দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এতে অনেকে এ অ্যাপ ব্যবহারে সমস্যায় পড়েন। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী পুরাতন ওএস ব্যবহারকারীরা এখন পুরোদমে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন।

এদিকে চলতি বছর ৩০ জুনের পরে নকিয়া সিম্বিয়ান এস৬০ প্লাটফর্মে হোয়াটসঅ্যাপ সুবিধা বন্ধ করে দিবে প্রতিষ্ঠানটি। ব্ল্যাকবেরি ওএস, ব্ল্যাকবেরি ওএস ১০ এবং উইন্ডোজ ফোন ৮’সহ পুরাতন সংস্করণেও সাপোর্ট বন্ধ করে দেয়া হবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ।

তবে নকিয়া এস৪০ প্লাটফর্মে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সাপোর্ট পাওয়া যাবে বলে এক ব্লগপোষ্টে জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে ইয়াহুর সাবেক কর্মী ব্রায়ান অ্যাক্টন ও জান কউম মিলে হোয়াটসঅ্যাপ তৈরি করেন। ২০১৪ সালে ১৯ বিলিয়ন ডলারের ফেইসবুক কিনে নেয় জনপ্রিয় এ ম্যাসেজিং অ্যাপ। প্রতিদিন ৩০ বিলিয়নের বেশি মেসেজ আদান-প্রদান হয় এ মাধ্যম ব্যবহার করে ।