এবার ঈদে ব্যতিক্রম সুপারম্যান লুঙ্গি

পুরান ঢাকা। সুপারম্যান সবে ল্যান্ড করেছে। এমন সময় কয়েকটি বাচ্চা ছেলে হাসতে হাসতে তার পেছনের ওড়নায় আগুন লাগিয়ে দেয়। পেছন থেকে বস্তা দিয়ে জড়িয়ে ধরে মজিদ তাকে বাঁচায়।

এ কাহিনী ‘সুপারম্যানের লুঙ্গি’র। নাটকটি রচনা করেছেন শাহরিয়ার তাসদিক ও পরিচালনা করেছেন খায়রুল পাপন। সুপারম্যান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নিলয়। তার সাথে আছেন সিদ্দিকুর রহমান ও তাসনুভা তিশা।

এরপর দেখা যাবে— মজিদ জানতে চায় কোন নাটকের শ্যুটিংয়ে এসেছে সুপারম্যান? সুপারম্যান তার পরিচয় দিতে থাকে। কিন্তু মজিদ বিশ্বাস করে না। সুপারম্যান বলে তার ওড়না ফেরত না পেলে উড়েও দেখাতে পারছে না।

ওটা ছাড়া তার কোনো শক্তি নেই। মজিদ সুপারম্যানকে বাটপার ভেবে চলে যেতে চায়। সুপারম্যান তাকে থামায়, সাহায্য করতে বলে। মজিদ বাটপার টাইপের লোক। সে বলে সাহায্যর বিনিময়ে তাকে কী দেবে? সুপারম্যান বলে শক্তি ফিরে পেলে যা চাইবে তাই দিবে। মাজিদ ওই লোভে সুপারম্যানকে বাসায় এনে লুঙ্গি দেয়। সুপারম্যান কাঁধে লুঙ্গি বেঁধে উড়ার চেষ্টা করে এবং তিন-চার ফুট উপরে উঠে আবার নেমে আসে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রচার হবে ‘সুপারম্যানের লুঙ্গি’।

রাতে আপনার রেট এখন কত?’’ সানিকে প্রশ্ন সাংবাদিকের। অতঃপর…

হোলি উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সুরাতে গিয়েছিলেন সানি লিওন। অনুষ্ঠান শুরুর আগে পায়চারি করছিলেন। জানা গিয়েছে, তখনই এক সাংবাদিক তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। অভিযোগ, এর পরেই ‘অশালীন’ প্রশ্নটি করে বসেন ওই সাংবাদিক।

বলা হচ্ছে, সানিকে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘‘আপনি আগে একজন পর্নস্টার ছিলেন। এখন ফিল্মস্টার। আপনি এখন কত টাকা নিচ্ছেন?’’

প্রথমে এই প্রশ্নে সানি খানিকটা হকচকিয়ে যান। বলেন, ‘‘কী বললেন? আর একবার বলুন।’’

অভিযোগ, ওই সাংবাদিক এর পরে বলেন, ‘‘রাতের প্রোগ্রামে আপনি এখন কত করে নিচ্ছেন?’’

শোনা যাচ্ছে, মুহূর্তের মধ্যে সপাটে চড় এসে পড়ে ওই সাংবাদিকের গালে। সানি তাঁকে চড় কষিয়ে হনহন করে হেঁটে চলে যান। যে হোটেলে সানি উঠেছিলেন, তার কর্মীরা নাকি এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। তবে সানি যে একজন পেশাদার, তার প্রমাণ মিলেছে মিনিট পনেরোর মধ্যেই। নির্ধারিত সময়েই তিনি অনুষ্ঠানো পৌঁছন এবং পারফর্ম করেন।

পরে সানির স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবার জানিয়েছেন এমন কোনও ঘটনাই নাকি ঘটেনি।

তবে, ওই দিন সকালে নাকি এক ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় সানির ঘরে ঢুকে তাঁকে অশালীন প্রস্তাব দেন। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে সানি বাড়াবাড়ি করেননি।

এক মোরগের দাম ১২ হাজার টাকা , কারণ জানলে আঁতকে উঠবেন !!

এক মোরগের দাম ১২ হাজার টাকা! কি আঁতকে উঠলেন? আঁতকে ওঠারই কথা। তবে ঘটনা সত্য। তবে এটা কোনো সাধারণ মোরগ নয়, লড়াকু মোরগ। যে কারণেই এর এত দাম।

‘কাটিং মাস্টার’ বলে খ্যাত মোরগটি ইতোমধ্যে লড়াই করে বিজয়ী হয়ে মালিককে পুরস্কারও এনে দিয়েছে।

১২ হাজার টাকার এই মোরগের খোঁজ মিললো অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার ওয়েবসাইট বিক্রয় ডটকমে। কোরবানির পশু খুঁজতে গিয়ে দামি এই মোরগের দেখা মিলল। দামের কারণেই মোরগটি অনেকেরই আগ্রহের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে একটি সাধারণ মোরগের দাম বড়জোর ৫০০ টাকা, সেখানে ১২ হাজার টাকার মোরগ।

বিক্রয় ডটকম থেকে ফোন নম্বর নিয়ে জানা যায়, মোরগটির মালিক হলেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার আব্দুল জব্বার। পেশায় কৃষক হলেও পশু-পাখি পালন তার নেশা।

আব্দুল জব্বার বলেন, ‘এটি লাক্ষা জাতের মোরগ। বয়স ১৪ মাস। এটি দিয়ে দুইটি মোরগ লড়াইয়ে জয়ী হয়েছি। পুরস্কার হিসেবে পেয়েছি দুইটি মোবাইল ফোন।

মালিক ভালোবেসে মোরগটির নাম দিয়েছেন ‘কাটিং মাস্টার’। এ নামে তিনি ফেসবুকে একটি পেজ খুলেছেন। ওই পেজে গিয়ে মোরগটির অনেক ছবিও পাওয়া গেছে। লাল রঙের মোরগটির লেজটা কালো রঙের। উচ্চতা ২৮ ইঞ্চি। লাল ঠোঁট আর ঝুঁটিতে লড়াকু ভাব রয়েছে।

দুইবারের চ্যাম্পিয়ন এই মোরগ বিক্রির কারণ জানতে চাইলে আব্দুল জব্বার জানান, তিনি আরেকটি জাতের মোরগ কেনার জন্য মনস্থির করেছেন। একটি মোরগ পছন্দও করেছেন। যেটার দাম বিক্রেতা হাঁকছেন ৪০ হাজার টাকা।

তিনি জানান, বিক্রয় ডটকমে মোরগের বিজ্ঞাপন থেকে অনেকেই সেটি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে দামে পোষাচ্ছে না। পরে দাম এক হাজার টাকা কমিয়ে ১১ হাজার করলেও একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে রাজি হয়েছিলেন।

লড়াকু এই মোরগের খানাপিনা আর জীবনযাপনও কিছুটা বিলাসী। মালিক জানান, ‘সাধারণ মোরগের মত এটা সেটা খেতে দিলে মোরগটি খায় না। এর খাদ্য তালিকায় আছে ধান, গম ও ভু্ট্টা। নিয়ম করে সময় মত এটাকে খাবার খাওয়ানো হয়।’

আব্দুল জব্বার বলেন, ‘শিশুদের মতই মোরগটির যত্ন নিতে হয়। গরম পড়লে মোরগটির বৈদ্যুতিক পাখার নিচে রাখতে হয়। কখনো তামপাত্রা কমে গেলে এটাতে রাখতে হয় ইলেকট্রিক বাতির নিচে।’

আব্দুল জব্বারের কাটিং মাস্টার ওই এলাকায় ভীষণ জনপ্রিয়। অনেকেই মোরগটি দেখতে আসেন। মোরগ লড়াই দেখানোর জন্য আব্দুল জব্বারকে অনুরোধও জানান। কিন্তু আব্দুল জব্বার প্রতিযোগিতা ছাড়া একে লড়াইয়ে নামান না। যদিও তিনি মোরগটিকে নিয়মিত লড়াইয়ের নানা কৌশল শেখান।

পশুপাখি প্রেমী হিসেবে আব্দুল জব্বারের এলাকায় খ্যাতি রয়েছে। তার একটি হাসের খামারও আছে। খামারের আয় দিয়ে দিন চলে যায় শৌখিন এই তরুণের।

বড়পর্দায় এবার পা রাখবে করিনার ছেলে তৈমুর আলি খান!

তৈমুর আলি খান। সইফ আলি খান ও করিনা কাপুর খানের পুত্র। জন্মানোর সঙ্গে সঙ্গেই সেলেব্রিটি হয়ে গিয়েছে তৈমুর। নামকরণ থেকে শুরু করে তাঁর পরিচর্যা সবই থাকে খবরের শিরোনামে। মাত্র সাতমাসেই তিনি রীতিমতো স্টার। পাপারাৎজিরা তাঁর অপেক্ষায় থাকেন। কারন তার এক ছবিতেই হাজারও লাইক। সোশ্যাল সাইটের তিনি অন্যতম জনপ্রিয় স্টার। তবে শোনা যাচ্ছে, এবার আর সোশ্যাল সাইটে নয়, বড়পর্দাতে ডেবিউ করতে চলেছে তৈমুর আলি খান।

Taimur-Ali-Khan-1

[সঞ্জয়ের আপত্তিতেই সোশ্যাল সাইট থেকে ছবি সরালেন মান্যতা!]

taimurcutefeaturepic-1

শাহরুখ খানের ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ ছবিতে ছোট্ট আব্রামকে দেখা গিয়েছিল একটি সিনে। সেরকমই মা করিনা কাপুর খানের সঙ্গে ‘বীরা দি ওয়েডিং’ ছবিতে একটি ক্যামিও রোলে দেখা যাবে বি-টাউনের এই খুদে তারকাকে। তবে করিনার মুখপত্র জানান, এই খবর সত্যি নয়, তৈমুরকে কোনও ছবিতে দেখা যাবে না। এটি একটি গুজব। এমনকী ‘বীরা দি ওয়েডিং’ ছবির তরফ থেকেও এই খবর অস্বীকার করা হয়েছে।

19765085_1564626733568867_7736159440755228672_n

[বিয়ের আগেই মা হতে চলেছেন নার্গিস ফকরি! ভাইরাল ছবি]

kareena-kapoor-khan-taimur-ali-khan

হলিউডের জনপ্রিয় ছবি ‘দ্য সিস্টারহুড অফ দ্য ট্রাভেলিং প্যান্টস’ থেকে অনুপ্রাণিত এই ছবির চিত্রনাট্য। দিল্লির চারবন্ধু বেরিয়ে পড়ে ইউরোপ ট্যুরে। তারপর ঘটতে থাকে নানা ঘটনা। করিনা ছাড়াও এই ছবিতে দেখা যাবে সোনম কাপুর, স্বরা ভাস্কর ও শিখা তালসানিয়াকে।

সেই কিশোরী এবার ইমরান হাশমির নায়িকা!

ভারতের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘কাভি খুশি কাভি গম’ দেখে না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বড়ই দায়। জনপ্রিয় সেই মুভিটির লাড্ডুকে মনে আছে? ২০০১-এ মুক্তিপ্রাপ্ত করণ জোহর পরিচালিত ছবিটির ওই শিশুশিল্পীটি সবচেয়ে ভয় পেত প্রায় তারই সমবয়সী পূজাকে।

নিশ্চয়ই মনে করতে পারছেন হৃতিক রোশন ও কারিনা কাপূর অভিনীত চরিত্র দু’টি। কারিনার ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অভিনেত্রী মালবিকা রাজ। দীর্ঘ ১৬ বছর পর ফের বড়পর্দায় ফিরছেন তিনি।

বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমি অভিনীত সিনেমা ক্যাপ্টেন নবাব। এ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা চরিত্রে অভিষেক হতে চলেছে মালবিকা রাজের। কিন্তু সিনেমায় অভিনয়ে নতুন নন তিনি।

ক্যাপ্টেন নবাব সিনেমাটি পরিচালনা করছেন টনি ডিসুজা। তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন কিছু চাইছিলাম এজন্য সঠিক কাস্টিং নির্ধারণ করা অনিবার্য ছিল। মালবিকার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছে এবং তাকে চুক্তিবদ্ধ করি। আমরা তার অডিশন নিয়েছি এবং তিনি সব ক্ষেত্রেই চমৎকার দক্ষতা দেখিয়েছেন। তিনি অভিনয়ের ব্যাপারে দক্ষ। ইতোমধ্যে একটি সিনেমাতেও শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন এবং যে পরিবারে বেড়ে উঠেছেন তারাও এই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অংশ।’

মডেল হিসেবে বেশ পরিচিত মুখ মালবিকা। ফেমিনা মিস ২০১০ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন তিনি। জায়াদেব নামে একটি তেলেগু সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। দক্ষিণী সিনেমায় অভিষেকের সময় মালবিকা বলেছিলেন, ‘যেহেতু আমি খুবই দুষ্টু ছিলাম, কাভি খুশি কাভি গম সিনেমার পর আমার বাবা চাননি সিনেমায় অভিনয় করি কারণ এতে আমার পড়ালেখার ক্ষতি হতে পারে। শিশুশিল্পী হিসেবে আমি অনেক সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছি কিন্তু বাবা আমাকে অভিনয় করতে দেননি।’

ক্যাপ্টেন নবাব সিনেমায় ইমরান হাশমিকে একজন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যাবে। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে এটি। ওয়ার-ড্রামা ঘরানার সিনেমাটির পরিবেশনায় রয়েছে ইমরান হাশমির অডবল মোশন পিকচার্স।

বর্তমানে বাদশাহো সিনেমার প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন হাশমি। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন মিলান লুথারিয়া। এতে আরো অভিনয় করছেন-অজয় দেবগন, ইলিয়েনা ডিক্রুজ, এশা গুপ্তা প্রমুখ। আগামী ১ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

তাদের ‘ন্যাড়া’ রহস্য

সাংবাদিক ও রম্যলেখক মাসুদ কামাল হিন্দোলের গ্রন্থণা ও পরিকল্পনায় এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে বিশেষ রম্য অনুষ্ঠান ‘কোজাকের বেশে বাংলাদেশে’। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন কুইন রহমান।

আশির দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হত ইংরেজি মেগা সিরিয়াল কোজাক। কেন্দ্রীয় চরিত্র কোজাক ছিল ন্যাড়া। সে সময়ে এ চরিত্রটির জনপ্রিয়তার কারণে বাজারে আমেরিকার পাশাপাশি আমাদের দেশেও কোজাক নামে ললিপপ পাওয়া যেত। তখন অনেক তরুণ কোজাকের অণুকরণে মাথা ন্যাড়া করেছেন। কিন্তু সেটা ছিল সাময়িক। কিন্তু কোজাকের প্রেম ভুলতে পারেননি আমাদের দেশের জনপ্রিয় কিছু মানুষ।

অনুষ্ঠানটি প্রসঙ্গে মাসুদ কামাল বলেন, “কোজাক প্রচারিত হওয়ার প্রায় তিন দশক পরও আমাদের দেশে এমন কিছু সেলিব্রেটি আছেন যারা মাথায় চুল থাকা সত্বেও মাথা ন্যাড়া করে রাখেন। তাদের ন্যাড়া মাথার রহস্য নিয়ে এ অনুষ্ঠান। আরও থাকছে ন্যাড়া মাথা সম্পর্কে মজার মজার সব তথ্য।”

সংগীতশিল্পী শেখ সাহেদ আলী’র উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, ফটোগ্রাফার চঞ্চল মাহামুদ, রম্যলেখক ও অভিনেতা আহসান কবির, সংগীতশিল্পী মিলন মাহামুদ এবং উপস্থাপক খন্দকার ইসমাইল।

ঈদের দিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে প্রচারিত হবে মজার এ অনুষ্ঠানটি।

বিচ্ছেদের অনলে জ্বলছেন নিশো-মিথিলা!

বিচ্ছেদের অনলে জ্বলছেন নিশো-মিথিলা

জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী তাহসানের সঙ্গে এক দশকেরও বেশি সময়ের দাম্পত্য জীবনের অবসান হয়েছে মিথিলার।  ব্যাক্তিগত জীবনের নানা ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন।  দীর্ঘদিন অভিনয় থেকে দূরেও ছিলেন।  মানসিক যন্ত্রনা থেকে রক্ষা পেতে কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন মিথিলা।  কিন্তু কাজে ফিরেও যে ‘বিচ্ছেদের’ মুখোমুখি গ্লাম্যারাস এ অভিনেত্রী।  যন্ত্রনা যেন তাকে ছাড়ছেই না। 

একটু খোলাসা করে বলি।  ঈদুল আজহায় শিহাব শাহীনের পরিচালনায় ডিভোর্স নামে একটি নাটকে 

দেখা যাবে মিথিলাকে।  এতে মিথিলার সহ অভিনেতা আফরান নিশো।  এই নাটকেও বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়েই মন খারাপ করে থাকতে দেখা যাবে মিথিলাকে। 

নাটকে মিথিলার স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো।  নিশো বলেন, ‘সম্পর্কের টানাপড়েনের গল্প নিয়েই নাটকটি নির্মিত হয়েছে।  এটা কারো জীবনের কোনো ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলাটা বোকামি হবে।  আমাদের সবার মধ্যেই সমস্যা থাকে।  সমস্যাগুলো নিজেরা বুঝে নিয়ে বোঝাপড়া করলেই ঠিক হয়ে যায়।  আর যদি তা না করা যায়, তাহলে দূরত্ব বাড়তেই থাকে।  আমার বিশ্বাস, এ কাজটি দর্শকের ভালো লাগবে। ’

মিথিলা বলেন, ‘এবারের ঈদ উপলক্ষে এটাই আমার শুটিং করা শেষ নাটক।  গল্প, পরিচালক ও সহশিল্পী সব মিলিয়েই ভালো লাগা ছিল কাজটিকে ঘিরে।  নিশো আমার খুব ভালো বন্ধু, এ সময়ের একজন প্রমাণিত অভিনেতাও বটে।  যে কারণে অভিনয়টা দারুণ উপভোগ করেছি। ’ আসছে ঈদে আরটিভিতে প্রচার হবে নাটকটি, জানালেন । 

নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই

নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই

বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই! ইন্নালিল্লাহি…. রাজিউন। আজ সোমবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। গুরুতর অবস্থায় তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই তার জীবনের অবসান ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন। এই নায়কের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্রাঙ্গণে। রাজ্জাক ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন পশ্চিমবঙ্গের (বর্তমান ভারতের) কলকাতার টালিগঞ্জে। কলকাতার খানপুর হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্বরসতি পূজা চলাকালীন সময়ে মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের জন্য তার গেম টিচার রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাকে বেছে নেন নায়ক অর্থাৎ কেন্দ্রীয় চরিত্রে। শিশু-কিশোরদের নিয়ে লেখা নাটক বিদ্রোহীতে গ্রামীণ কিশোর চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই নায়করাজের অভিনয়ে সম্পৃক্ততা। তিনি ১৯৬৪ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাড়ি জমান। প্রথমদিকে রাজ্জাক তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশনে ‘ঘরোয়া’ নামের ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হন। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি আব্দুল জব্বার খানের সাথে সহকারি পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান। সালাউদ্দিন প্রোডাকশন্সের তেরো নাম্বার ফেকু ওস্তাগড় লেন চলচ্চিত্রে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করে সবার কাছে নিজ মেধার পরিচয় দেন রাজ্জাক। পরবর্তীতে কার বউ, ডাক বাবু, আখেরী স্টেশন-সহ আরও বেশ ‘টি ছবিতে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয়ও করে ফেলেন। পরে বেহুলা চলচ্চিত্রে তিনি নায়ক হিসেবে ঢালিউডে উপস্থিত হন সদর্পে। তিনি প্রায় ৩০০টি বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। পরিচালনা করেছেন প্রায় ১৬টি চলচ্চিত্র। তার দুই পুত্র বাপ্পারাজ ও সম্রাটও চলচ্চিত্র অভিনয়ের সঙ্গে জড়িত।

ফের ঘর ভাঙছে শ্রাবন্তীর!

ফের ঘর ভাঙছে শ্রাবন্তীর

বর্তমানে টালিগঞ্জের বাতাসে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে একটি প্রশ্ন, অভিনেত্রী শ্রাবন্তী ও মডেল  কৃষাণ ব্রজের সাংসার নাকি ভেঙে যাচ্ছে? পার্টি বা ঘরোয়া আড্ডা বখানেই এই নিয়েই আলোচনা চলছে। 

শ্রাবন্তী সম্পর্কে তার ঘনিষ্ঠদের অনুযোগ, তিনি কোনও সম্পর্কে জড়ালে নিজের দিকটা একেবারেই দেখেন না।  তারা মনে করেন, যে কোনও সম্পর্কে শ্রাবন্তী নিজেকে বড় বেশি উজাড় করে দেন।  পরিচালক রাজীবের সঙ্গে প্রথম বিয়ের পর পাঁচ বছর আর সিনেমা করেননি তিনি।  

কৃষাণের সঙ্গে বিয়ের পর কীভাবে তাকে নিয়ে ছবি বানানো যায় সে জন্য প্রচুর খেটেছেন তিনি।   নিজের স্টার স্ট্যাটাস অগ্রাহ্য করে বারবার চেষ্টা করেছেন সুপার মডেল স্বামীকে কীভাবে লঞ্চ করানো যায় বাংলা সিনেমায়। 

এমনকী শোনা যায়, গত বছর জুলাই মাসে কলকাতার পাঁচতারা হোটেলে যখন তার আর কৃষাণের  বিয়ে হয়, সেই অনুষ্ঠানেরও সব আর্থিক দায়িত্ব নিয়েছিলেন শ্রাবন্তী নিজে।  গত বছর বিয়ে রেজিস্ট্রি হলেও এবছর ঘটা করে কোনও পাঁচতারা হোটেলে অফিশিয়াল রিসেপশন করার কথা ছিল তাদের।  তা হলে এখন ভাঙনের প্রশ্ন উঠছে কেন? শুধু ভাঙন না।  শ্রাবন্তী নাকি ডিভোর্স ফাইল করেছেন এমন খবরও টালিগঞ্জের বাতাসে উড়ছে। 
জানা গেছে, গত কিছুদিন থেকে তারা আলাদা থাকতে শুরু করেছেন।  শ্রাবন্তী থাকছেন তার বাবা মা ও ছেলের সঙ্গে।  শ্রাবন্তী নাকি কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবদের কাছে দুঃখও করেছেন, বারবার সম্পর্ক সংক্রান্ত এই দুর্ভোগে পড়া নিয়ে। 

এদিকে কৃষেণ তার দাম্পত্য জীবন নিয়ে বলেছেন, “দেখুন কিছু ডিফারেন্সেস হয়েছিল হুইচ উই হ্যাভ সর্টেড।  আমরা ঠিক করে নিয়েছি কথা বলে।  ফেসবুকে কেন আমি আমার পরিবারের সঙ্গে ছবি দিচ্ছি, শ্রাবন্তীর সঙ্গে নয়, এই নিয়ে যদি কিছু মানুষ দুইয়ে দুইয়ে পাঁচ করেন সেটা তাদের প্রবলেম।  আমাদের নয়।  আমরা ডিভোর্স করছি খবরটা সর্বৈব মিথ্যে। ”

অন্য দিকে শ্রাবন্তীকে ফোন করা হলে তিনি যথেষ্ট বিরক্তির সঙ্গে জানান, এই প্রসঙ্গে কোনও কথা বলতেই চান না।  “আমাকে এর আগেও ফোন করেছিলেন, আমি তখনও এই বিষয়ে কথা বলতে চাইনি।  আমি বুঝতে পারছি না কে বা কারা আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এতটা ইন্টারেস্টেড?” প্রশ্ন করেন শ্রাবন্তী।