ঈদে স্পেশাল রেসিপি

ঈদে আমাদের প্রত্যেকের ঘরে ঘরে মজাদার খাবার তৈরি করা হয়। প্রত্যকের ঘরে মিষ্টি জাতীয় খাবার অবশ্যই রান্না করা থাকে। এর মাঝে ফিরনী, সেমাই ও জর্দা অন্যতম। আপনার রান্নাও যেন সুস্বাদু হয় তাই আমাদের আজকের এই আয়োজন। কীভাবে ফিরনী ও জর্দা অনেক মজাদার করে রান্না করবেন আসুন জেনে নেয়া যাক-

ফিরনীর রেসিপি-

উপকরণঃ
পোলাওয়ের চাল- ১/২ কাপ
তরল দুধ- ২ লিটার
কনডেন্সড মিল্ক- ১/২ টিন
দারচিনি- ৪-৫ টুকরা
এলাচ- ২-৩ টি,
কেওড়া জল- ১ টে চামচ
কিশমিশ- ২-৩ টে চামচ
পেস্তা বাদাম কুচি- ২-৩ টে চামচ
মাওয়া গুঁড়া- ৪ টে চামচ(ইচ্ছা)
চিনি- ১/২ কাপ (স্বাদমতো)
জাফরান- ১/৪ চা চামচ

প্রস্তুত প্রণালীঃ
পোলাওয়ের চাল ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে আধা বাটা করে দুধ দিয়ে জ্বাল দিন। চাল সেদ্ধ হলে চিনি, কনডেন্সড মিল্ক, দারচিনি, এলাচ দিয়ে জ্বাল করুন। কিছুক্ষণ পর কিশমিশ দিন। ঘন হয়ে গেলে কেওড়া জলের সাথে জাফরান গুলিয়ে ফিরনিতে দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।
সারভিং ডিশে ঢেলে মাওয়া, পেস্তা বাদামের কুচি দিয়ে সাজিয়ে ঠান্ডা করে শাহি ফিরনি পরিবেশন করুন।
জর্দার রেসিপি-

উপকরনঃ
পোলাওয়ের চাল বা চিনি গুড়াঁ চাল – ২ কাপ
পানি- ১,১/২ কাপ
চিনি- ১ কাপ (বেশী মিষ্টি চাইলে বাড়াতে পারেন,তবে মিষ্টি বেশি হলে ভাত শক্ত হয়ে যায় ঠান্ডা হওয়ার পর।)
ঘি-৪ টেবিল চামচ।
দারুচিনি ২টি টুকরা ,লবঙ ৫-৬ টি,এলাচি ৫টি
কমলা বা মাল্টার রস ১ কাপ ।
নারিকেল ১/২ কাপ (ইচ্ছা)
লাল- কালো কিসমিস, কাঠ বাদাম, মোরোব্বা ২টেবিল চামচ করে।
জর্দার রঙ ১/২ চা চামচ
কমলার খোসা কুচি ১ টেবিল চামচ ।
ছয় কাপ পানি চাল সিদ্ধ করার জন্য।

প্রণালীঃ
প্রথমে চাল ধুয়ে ভিজায় রাখুন আধা ঘন্টা। এবার ছয় কাপ মত পানি,দুটি তেজপাতা, সামান্য লবণ, ১চা চামচ তেল ও জর্দার রঙ চাল চুলায় দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। চাল বেশী সিদ্ধ বা শক্ত যেন না হয়। ৭৫-৮০ % হয়ে গেলে চালনিতে ঢেলে ছেকে নিন।পানি ভাল ভাবে ঝরিয়ে ট্রে তে বিছিয়ে রাখুন যেন বাতাসে পানিটা শুকিয়ে যায়।
এখন একটি প্যানে ঘি গরম করে মিড়িয়াম আচেঁ, আস্ত গরম মশলা গুলো দিন । ফুটে উঠলে কিশমিশ, বাদাম, নারিকেল ও মোরাব্বা দিয়ে নেড়ে চিনি, পানি ও কমলার রস দিয়ে নেড়ে দিন। বলক আসলে সিদ্ধ ভাত দিয়ে নেড়ে নেড়ে মিশান সব। এবার ঢেকেদিন চুলার আচঁ মিডিয়াম থেকে কমিয়ে দিন। ২০ মিনিট রান্না করুন।

২০মিনিট পর কমলার খোসা কুচি ও ১টেবিল চামচ ঘি দিয়ে হালকা নেড়ে মিশান। আবার ঢেকে ২০ মিনিট দমে রাখুন। ভাত একদম ফুটে গেলে নামিয়ে বাটিতে নিয়ে কিশমিশ, পেস্তা-বাদাম কুচি ,মাওয়া ও ছোট লাল -সাদা মিষ্টি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

মাওয়া তৈরিঃ গুঁড়া দুধ ১/২ কাপ, ২ টেবিল চামচ ঘি, ১ টেবিল চামচ চিনি দিয়ে হাতে মাখিয়ে মাইক্রোওভেনে ২৫-৩০ সেকেন্ড বেইক করে নিন। ঠান্ডা হলে ব্লেন্ড করে নিলেই ঝুরঝুরে মাওয়া তৈরী।

ইফতারে নিজেই বানান মুখরোচক হায়দরাবাদি হালিম

আমাদের দেশে হালিম জনপ্রিয় একটি খাবার। বিশেষ করে রমজানে তো হালিম ইফতারির অন্যতম এক উপকরণ।

আর যদি মেলে হায়দরাবাদি হালিম তাহলে তো কথাই নেই। হায়দরাবাদের বিরিয়ানির মতো হালিমেরও কদর ভাতর ছাড়িয়ে বাংলাদেশেও রয়েছে। এর জন্য সেখানে যেতে হবে না। জেনে নিন রেসিপি। বাড়িতেই বানাতে পারবেন বিখ্যাত হায়দরাবাদি বিরিয়ানি।
উপকরণ :

বুটের ডাল ১ কাপ,
খাসির মাংস ৭৫০ গ্রাম,
পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ,
পেঁয়াজের বেরেস্তা ২/৩ টেবিল চামচ,
আদা কুচি দেড় চা চামচ,
রসুন কুচি ২ চা চামচ,
শুকনা মরিচের গুঁড়া ২ চা চামচ,
গরম মসলার গুঁড়া ১ টেবিল চামচ,
হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ,
জিরা গুঁড়া ২ চা চামচ,
ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ,
টমেটো কুচি ২/৩ টেবিল চামচ,
লেবুর রস ৩ টেবিল চামচ,
ধনে পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ,
পানি পরিমাণ মতো,
লবণ যতটুকু লাগে এবং
তেল পরিমাণ মতো।

প্রণালী :

১. প্রথমে বুটের ডাল ধুয়ে পানির মধ্যে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। তারপর প্রেশার কুকারে আদা কুচি, রসুন কুচি, হলুদ গুঁড়া, লবণ, পানি, ডাল ও মাংস দিয়ে ঢেকে ৪/৫ টি হুইসেল দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

২. একটি প্যানে গরম তেলে পেঁয়াজ কুচি, টমেটো কুচি, হলুদ গুঁড়া, গরম মসলা, শুকনা মরিচ গুঁড়া ও ধনে গুঁড়া দিয়ে ভাজুন। ভাজা ভাজা হয়ে আসলে হুইসেল দেওয়া ডাল-মাংসে একটু পানি দিয়ে নেড়ে প্যানে দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর দেখে নিন স্বাদ ঠিক আছে কি না। স্বাদ ঠিক থাকলে লেবুর রস ও জিরা গুঁড়া দিয়ে নেড়ে ২/৩ মিনিট রান্না করুন।

৩. মিনিট পরে সার্ভিং ডিসে তুলে পেঁয়াজের বেরেস্তা ও ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন ডাল মাংস। ব্যাস ঝটপট তৈরি হয়ে গেলো হায়দ্রাবাদি ডাল মাংসের রেসিপি। সূত্র : ইন্টারনেট

ইফতারে বাড়িতেই বানান ‘হায়দরাবাদি মাটন বিরিয়ানি’

হায়দরাবাদের বিরিয়ানির কথা কে না শুনেছেন? অনেকে এই বিরিয়ানি চেখেও দেখেছেন। এটি ভারতের হায়দরাবাদের সুগন্ধি আর শৈল্পিক বিরিয়ানি।

এ গোটা ভারত তো বটেই, বাংলাদেশেও বিখ্যাত এক বিরিয়ানি। এবার এটা খেতে দামি কোনো রেস্টুরেন্টে যেতে হবে না। চাইলে বাড়িতেই সহজে বানাতে পারেন। ইফতারিতে কিন্তু মুখরোচক দারুণ এক খাবার হতে পারে হাইদারাবাদি বিরিয়ানি। চলুন জেনে নেই রেসিপি।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

খাসীর মাংস : ১ কেজি
বাসমতী চাল : ৫০০ গ্রাম
ঘি : ১ টেবিল চামচ
জিরা : ১ চা চামচ
গরম মশলা গুড়া : ২ চা চামচ
সাজানোর জন্য সেদ্ধ ডিম : ২টি (যদি দিতে চান তো দিতে পারেন)
গোলাপ জল : ১ টেবিল চামচ (এটাও ইচ্ছেমতো দিতে পারেন)
রসুন আদা পেস্ট : ২ টেবিল চামচ
পেঁয়াজ বেরেস্তা : ২ কাপ
টক দই : ২ টেবিল চামচ
পুদিনা পাতার : ১ গুচ্ছ
দই : ২ কাপ
হিজলি বাদাম : ৫০ গ্রাম (চাইলে দিতে পারেন)
হলুদ গুঁড়া : ১ চিমটি
জাফরান : ১ চিমটি
ধনে পাতা : ১ গুচ্ছ
লবণ : স্বাদ অনুযায়ী
তেল : ৫ টেবিল চামচ
কাশ্মীরি লাল মরিচ গুঁড়া : ১ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালী:

১. মাংস ধুয়ে পরিষ্কার করে একটি শুকনো পাত্রে গরম মশলা লবণ, আদা-রসুন বাটা, লাল মরিচ পেস্ট, এবং টকদই যোগ করে মেরিনেট করে একরাত ফ্রিজে রেখে দিন।

২. প্রথমেই পানি ফুটিয়ে ঘি, তেল, লবণ যোগ করুন এবং চাল অর্ধেক সিদ্ধ করুন। এবার তেল ও ঘি গরম করে তাতে পেঁয়াজ কিছুক্ষণ নেড়ে কাঁচালংকা দিন বাদামি হয়ে এলে মেরিনেট করা মাংস ঢেলে দিন এবং পেয়াজ বেরেস্তার ১/৩ অংশ যোগ করে পাশে সরিয়ে রাখুন।

৩. এবার একটি গভীর প্যানে নিচে মাংশ তার উপরে আধা সিদ্ধচাল তার উপরে আবারও মাংশ ও চাল দিয়ে উপরে বেরেস্তার বাকি অংশ পুদিনা পাতা কিশমিশ, বাদাম কুচি, এবং ধনে পাতা যোগ করুন। পৃথক একটি বাটিতে দুধ ও জাফরান এবং গোলাপ জল মিসিয়ে বিরিয়ানির প্যানের উপরে ঢেলে দিন।

৪. একটি বায়ুরোধী ঢাকনা দিয়ে প্যানের উপরে ঢাকা দিন এবং এভাবে ৪৫ মিনিট রান্না অল্প আঁচে করুন। চাল পুরোপুরি সিদ্ধ হলে নামিয়ে ফেলুন।

৫. ডিম চিরে উপরে দিয়ে দিন। কোরমার সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন।

বাড়িতে বসেই ওভেন ছাড়া তৈরি করুন | মজাদার ট্রিপল চকলেট মুজ কেক

মজাদার ট্রিপল চকলেট মুজ কেক

কেক খাবারটি ছোট বড় সবাই খেতে পছন্দ করেন। বেকিং-এর ঝামেলার কারণে অনেকে ঘরে কেক তৈরি করতে চান না। এখন আর এই ঝামেলায় পড়তে হবে না। ওভেন ছাড়াই তৈরি করে নিতে পারবেন চকলেট মুস লেয়ার কেক। চকলেট স্বাদের এই কেকটি ওভেন ছাড়াই তৈরি করতে পারবেন। আসুন তাহলে জেনে নিন ট্রিপল চকলেট মুজ কেক।

মজাদার ট্রিপল চকলেট মুজ কেক
মজাদার ট্রিপল চকলেট মুজ কেক

উপকরণ:

ওরিও ক্রাস্ট তৈরি করতে লাগবে- 

২০০ গ্রাম ওরিও কুকিস

৪ টেবিল চামচ মাখন গলানো

ডার্ক চকলেট মুজ তৈরি করতে লাগবে- 

১৫০ গ্রাম হালকা মিষ্টি চকলেট

১/২ কাপ (১২০ গ্রাম) হুইপড ক্রিম

২/৩ কাপ (১৬০ গ্রাম) হুইপড ক্রিম (৩৫% ফ্যাট)  

১ চা চামচ (৪ গ্রাম) জেলাটিন পাউডার

১ টেবিল চামচ+ ১ চা চামচ (২০ মিলিলিটার) ঠান্ডা পানি

মিল্ক চকলেট মুজ তৈরি করতে লাগবে- 

১৫০ গ্রাম মিল্ক চকলেট

১/২ কাপ (১২০ গ্রাম) হুইপড ক্রিম

২/৩ কাপ (১৬০ গ্রাম) হুইপড ক্রিম (৩৫% ফ্যাট)  

১ চা চামচ (৪ গ্রাম) জেলাটিন পাউডার

১ টেবিল চামচ+ ১ চা চামচ (২০ মিলিলিটার) ঠান্ডা পানি

হোয়াইট চকলেট মুজ তৈরি করতে লাগবে- 

১৫০ গ্রাম হোয়াইট চকলেট

১/২ কাপ (১২০ গ্রাম) হুইপড ক্রিম

২/৩ কাপ (১৬০ গ্রাম) হুইপড ক্রিম (৩৫% ফ্যাট)  

১ চা চামচ (৪ গ্রাম) জেলাটিন পাউডার

১ টেবিল চামচ+ ১ চা চামচ (২০ মিলিলিটার) ঠান্ডা পানি

সাজানোর জন্য লাগবে- 

কোকো পাউডার

স্ট্রবেরি

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

জেনে নিন বৃষ্টির দিনে গরুর মাংসের ভুনা খিচুরির রেসিপি

জেনে নিন বুষ্টির দিনে গরুর মাংসের ভুনা খিচুরির রেসিপি

রেসিপি, আসমা হারিয়াম বুশরাঃ

বৃষ্টি হচ্ছে। অবিরাম। এমন দিনে ঘরে বসে কাটে অলস সময়। তবে ভোজনরসিকদের সময় কেটে যায় নানা খাবারের আয়োজনে। এমনই একটি মেন্যু খিচুরি যা বৃষ্টির মধ্যে রুচির উদ্রেগ তৈরি করে। আর এই খিচুরির সঙ্গে যদি থাকে গরুর মাংস ভুনা! তাহলে জেনে নেয়া যাক বুষ্টির দিনের গরুর মাংসের ভুনা খিচুরির রেসিপি…
 
জেনে নিন বুষ্টির দিনে গরুর মাংসের ভুনা খিচুরির রেসিপি
জেনে নিন বুষ্টির দিনে গরুর মাংসের ভুনা খিচুরির রেসিপি
উপকরণ
১. গরুর মাংস এক কেজি
২. আদাবাটা এক টেবিল-চামচ
৩. পোলাওয়ের চাল চার কাপ
৪. রসুনবাটা দুই চা-চামচ
৫. মুগ ডাল এক কাপ
৬. মসুর ডাল এক কাপ
৭. পেঁয়াজবাটা চার টেবিল-চামচ
৮. গরমমসলার গুঁড়া দুই চা-চামচ
৯. ধনেবাটা এক চা-চামচ
১০. এলাচ চারটি
১১. পানি ১০ কাপ
১২. দারুচিনি চার-পাঁচটি
১৩. কাঁচামরিচ চয়-সাতটি
১৪. লবণ স্বাদমতো
১৫. তেল পরিমাণ মতো
 
প্রস্তুত প্রণালী
১. চাল ও ডাল ধুয়ে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। মাংসে তেল ছাড়া বাকি সব উপকরণ দিয়ে মাখাতে হবে।
২.হাঁড়িতে তেল গরম করে মসলা মাখানো মাংস দিয়ে দিন। ভালোমতো কষিয়ে তিন কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ হতে দিন।
৩.মসলা থেকে মাংস তুলে অন্য পাত্রে রাখুন। মসলায় পানি ঝরানো চাল ও ডাল কষিয়ে ১০ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিন। পানি শুকিয়ে আসলে কাঁচামরিচ ও মাংস দিয়ে নেড়ে রাখুন।
৪.সালাদ বা আচার দিয়ে পরিবেশন করুন।

বাড়িতে বসে নিজেই তৈরি করুন | পপ স্লাইস আইসক্রিম

পপ স্লাইস আইসক্রিম

বৈশাখ মাসের গরম পড়া শুরু করে দিয়েছে। ঠান্ডা পানি, আইসক্রিম এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। এইসময় প্রচুর পরিমাণ পানি পানের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু বাচ্চাদের পানি পান করানো বেশ কষ্টকর একটা ব্যাপার। তবে আইসক্রিম সব বাচ্চারাই খেতে পছন্দ করে। এই আইসক্রিমটা যদি কিছুটা স্বাস্থ্যকর করে তৈরি করা যায় তবে কেমন হয় বলুন তো? মজাদার পপ স্লাইসে আইসক্রিম এবং ফলের স্বাদ দুটোই একসাথে পাবেন। তাহলে জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন পপ স্লাইস।

পপ স্লাইস আইসক্রিম
পপ স্লাইস আইসক্রিম

উপকরণ:

১ কাপ তরমুজের টুকরো ( চারকোনা করে কাটা)

১৫টি স্ট্রবেরি

১টি কিউই ফল (পাতলা করে কাটা)

৫টি আঙ্গুর

১/৪ কাপ নারকেলের দুধ

১ টেবিল চামচ চিনির গুঁড়ো

প্রণালী:

১। প্রথমে তরমুজ এবং স্ট্রবেরি টুকরো করে কেটে নিন।

২। ব্লেন্ডারে তরমুজ এবং স্ট্রবেরির টুকরো দিয়ে ব্লেন্ড করুন। এতে পানি মেশাবেন না। এরসাথে কিছু পরিমাণ চিনি মেশাতে পারেন।

৩। এবার আইসক্রিমের মোল্ড বা ছাঁচে এক টুকরো কিউয়ি দিয়ে দিন। এরপর স্ট্রবেরি এবং তরমুজের স্মুদি ছাঁচের ৩/৪ অংশ পর্যন্ত ঢেলে দিন।

৪। এর ভিতর আঙ্গুরের টুকরো দিয়ে দিন। এটি ফ্রিজে রাখুন ৩০ মিনিট।

৫। একটি পাত্রে নারকেলের দুধ এবং চিনি মিশিয়ে নিন।

৬। নারকেলের দুধের মিশ্রণটি এক চামচ করে স্মুদিতে দিয়ে দিন।

৭। এবার মোল্ডগুলো ফ্রিজে রাখুন ৪ ঘন্টা। জমে আইসক্রিম হয়ে গেলে বের করে ফেলুন।

৮। গরম পানিতে ১০ সেকেন্ড মোল্ডগুলো ভিজিয়ে রাখুন। এতে সহজে আইসক্রিম বের হয়ে আসবে।

৯। ব্যস তৈরি হয়ে গেলো মজাদার পপ স্লাইস।

বাড়িতে বসেই তৈরি করুন | রেস্টুরেন্টের স্বাদে সুইট অ্যান্ড সাওয়ার চিকেন

মজাদার সুইট অ্যান্ড সাওয়ার চিকেন

চাইনিজ রেস্টুরেন্টের জনপ্রিয় একটি আইটেম হলো সুইট অ্যান্ড সাওয়ার চিকেন। ফ্রাইড রাইস, পোলাও অথবা সাদা ভাত সবকিছুর সাথে এই খাবারটি মানিয়ে যায় বেশ। টক, ঝাল, মিষ্টি স্বাদের মুরগির এই রান্নাটি করে নিতে পারেন অল্প সময়ে। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক রেসিপিটি।

মজাদার সুইট অ্যান্ড সাওয়ার চিকেন
মজাদার সুইট অ্যান্ড সাওয়ার চিকেন

উপকরণ:

৩টি মুরগির বুকের মাংস (কিউব করে কাটা)

৫০০ গ্রাম আনারস কুচি

১টি ডিম

১/৪ কাপ কর্ন স্টার্চ

৩টি রসুনের কোয়া কুচি

১/২ পেঁয়াজ কুচি

১টি লাল ক্যাপসিকাম কুচি

লবণ

২ টেবিল চামচ কর্ন স্টার্চ

সস তৈরির জন্য

১/২ কাপ আনারসের রস

২ টেবিল চামচ সয়াসস

১ টেবিল চামচ ভিনেগার

২ টেবিল চামচ ব্রাউন সুগার

৩ টেবিল চামচ টমেটো কেচাপ

পানি

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

রান্না করার সময় বাঁচান সহজ এক ডজন টিপস দিয়ে

রান্না করার সময় বাঁচান সহজ এক ডজন টিপস দিয়ে

রান্না করার সময় বাঁচান সহজ এক ডজন টিপস দিয়ে

রান্না করার সময় বাঁচান সহজ এক ডজন টিপস দিয়ে
রান্না করার সময় বাঁচান সহজ এক ডজন টিপস দিয়ে

ভোজন রসিক হোন কিংবা না হোন, খাবার মজা হলে সবাই এক নিমিষে খাবার সাবাড় করে ফেলেন। খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কম আছেন। আর খাবারকে মজা করে তোলার জন্য ব্যবহার করা হয় নানা মশলা। কিছু কৌশলে রান্নার কাজকে সহজ করে রান্নাকে করে তুলবে আরো বেশি মজার এবং সুস্বাদু। এমন কিছু কৌশল নিয়ে আজকের এই ফিচার।  

১। পেঁয়াজ এবং রসুনের গন্ধ সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই খুব বেশি সময় আগে পেঁয়াজ বা রসুন কুচি করে রাখবেন না। রান্নার এক মিনিট আগে পেঁয়াজ এবং রসুন কুচি করে নিন। কাঁচা পেঁয়াজ বা রসুন ব্যবহার করতে চাইলে বেকিং সোডার মিশ্রণে পেঁয়াজ এবং রসুন ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পছন্দের মতো আকৃতিতে কেটে নিন। এতে করে পেঁয়াজ এবং রসুনের গন্ধ দূর হয়ে যাবে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা ব্যবহার করবেন।

২। ঘরে আইসক্রিম তৈরি করতে অনেকে পছন্দ করেন। বানানা আইসক্রিম তৈরির আগে কলার খোসা ছাড়িয়ে ফ্রিজে রাখুন। তারপর চটকে অন্য ফলের সাথে মিশিয়ে নিন। এতে আইসক্রিম নরম এবং ক্রিমি হবে।

৩। ওল, কচু, কচুর শাক রান্নায় কিছুটা তেঁতুল ব্যবহার করুন। এতে তেতো ভাব কেটে যাবে আর খাবারের স্বাদও বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া খাওয়ার সময় লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। এতে গলা চুলকানোর কোনো ভয় থাকবে না।

৪। তরকারিতে টমেটো ব্যবহারের ক্ষেত্রে বীজ ফেলে দিবেন না। টমেটোর বীজ এবং মাঝের নরম অংশই খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে থাকে।

৫। মিষ্টি খাবারের অনেক সময় বাদাম ব্যবহার করা হয়। বাদাম সরাসরি তেলে ভাজলে এতে তেল বেশি লাগে। বাদামে কিছুটা তেল মাখিয়ে তারপর ভাজুন। এতে তেল কম লাগবে সাথে বাদামের স্বাদও থাকবে অটুট।

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন

আর লাগবে না ডিম ক্যারামেল পুডিং বানাতে

আর লাগবে না ডিম ক্যারামেল পুডিং বানাতে

আর লাগবে না ডিম ক্যারামেল পুডিং বানাতে

আর লাগবে না ডিম ক্যারামেল পুডিং বানাতে
আর লাগবে না ডিম ক্যারামেল পুডিং বানাতে

মিষ্টি খাবারের মধ্যে পুডিং অন্যতম। পুডিং খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। পুডিং তৈরির প্রধান উপাদান হলো ডিম। অনেকের অ্যালার্জি থাকার কারণে ডিম খাওয়া নিষেধ থাকে। আবার অনেক সময় ঘরে ডিম না থাকার কারণে পুডিং খাওয়ার ইচ্ছা থাকলে পুডিং তৈরি করা হয় না। এখন ডিম ছাড়াও পুডিং তৈরি সম্ভব। কীভাবে? জেনে নিন ডিম ছাড়া পুডিং তৈরির রেসিপিটি।

উপকরণ:

২-৩ চা চামচ কাস্টার্ড পাউডার

১/২ কাপ টকদই

১/২ কাপ কনডেন্সড মিল্ক

১/২ কাপ দুধ

৩-৪ টেবিল চামচ চিনি

চিনির গুঁড়ো

২-৩ ফোঁটা ভ্যানিলা এসেন্স

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন