বাড়িতে বসেই তৈরি করুন | মজাদার হান্ডি ভেজিটেবল

বাড়িতে বসেই তৈরি করুন মজাদার হান্ডি ভেজিটেবল

আমাদের দেশের সবচেয়ে সহজলভ্য খাবার হচ্ছে সবজি। সবজি খাবারটি বাচ্চারা একদম খেতে চায় না। শুধু বাচ্চারা নয় অনেক বড়রাও সবজি খেতে চান না। এই সবজি একটু ভিন্নভাবে রান্না করলে ছোট বড় সবাই খেতে পছন্দ করবে। অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সবজি হলো ভেজিটেবল হান্ডি। ভাত কিংবা পোলাও উভয়ের সাথে এই খাবারটি মানিয়ে যায় বেশ। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ভেজিটেবল হান্ডির রেসিপিটি।

বাড়িতে বসেই তৈরি করুন মজাদার হান্ডি ভেজিটেবল
বাড়িতে বসেই তৈরি করুন মজাদার হান্ডি ভেজিটেবল

উপকরণ:

১/২ কাপ গাজর

১/২ কাপ আলু

১/৪ কাপ মটরশুঁটি

১/৪ কাপ বেবি কর্ন

১/২ কাপ ফুলকপি

১/২ কাপ মাশরুম

১/২ কাপ পেঁয়াজ

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

এবার বৈশাখে ঘরে বসেই তৈরি করে ফেলুন | সুস্বাদু স্পঞ্জ রসগোল্লা

আসছে বাঙ্গালীদের প্রানের উৎসব পহেলা বৈশাখ। এই দিনে আমরা অনেকেই অতিথিদের মিষ্টিমুখ করিয়ে থাকি। মিষ্টির কথা উঠলেই আমাদের মনের মাঝে রসগোল্লার নাম ভেসে উঠে। আমরা সব সময়ই বাজার থেকে কিনে রসগোল্লা খেয়ে থাকি, নিজ হাতে কি রসগোল্লা বানানো সম্ভব? বাজারের মত কি আমার হাতে বানানো রসগোল্লা এতো মজাদার হবে? আসলে রসগোল্লা তৈরি করা খুবই সহজ। বাজারের কেনা রসগোল্লার পরিবর্তে ঘরে তৈরি  করে নিতে পারেন রসগোল্লা।  ছানা দিয়ে তৈরি করতে পারেন মজাদার স্পঞ্জ রসগোল্লা। কীভাবে? জেনে নিন এর সম্পূর্ণ রেসিপিটি।

সুস্বাদু স্পঞ্জ রসগোল্লা
সুস্বাদু স্পঞ্জ রসগোল্লা

উপকরণ:

ছানা তৈরির জন্য

১ লিটার দুধ

২ টেবিল চামচ লেবুর রস

১ কাপ পানি

চিনির সিরা তৈরির জন্য

১.৫ কাপ চিনি

৮ কাপ পানি

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

কাঁকড়ার দো’পেঁয়াজা

কাঁকড়ার দো’পেঁয়াজা

কাঁকড়ার দো’পেঁয়াজা
কাঁকড়ার দো’পেঁয়াজা

পৃথিবীর যেকোন সাগরেই কাঁকড়া পাওয়া যায়। এছাড়া মিঠাপানি বা স্থলবাসী কাঁকড়াও আছে। বাংলাদেশে কাঁকড়ার তুলনায় চিংড়ি খাওয়ার প্রচলনটাই বেশি। তবে সমুদ্র তীরবর্তী বা পাহাড়ী এলাকার মানুষের কাছে কাঁকড়াই বেশি সমাদৃত। বর্তমানে কাঁকড়া জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অনেকের কাছে। কাঁকড়া দিয়ে হয় বাহারি সব রান্না। নস্টালজিয়ার অতিথি সেঁজুতি বড়ুয়া রাঁধলেন তেমনই একটি পদ কাঁকড়ার দো’পেঁয়াজা।

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

 

ঘরে বসে কাশ্মীরি আচার বানিয়ে নিন খুব সহজে

ঘরে বসে কাশ্মীরি আচার বানিয়ে নিন খুব সহজে

রেসিপি : “‘ কাশ্মিরি আচার ”

উপকরণ :
১. আম ৫ কেজি,
২. চিনি ৩ কেজি,
৩. ভিনিগার ৬৫০ মি.লি,
৪. শুকনামরিচ ২৪, ২৫টি,
৫. আদাকুচি ৬ টেবিল-চামচ,
৬. লবণ স্বাদমতো।

ঘরে বসে কাশ্মীরি আচার বানিয়ে নিন খুব সহজে
ঘরে বসে কাশ্মীরি আচার বানিয়ে নিন খুব সহজে

দেখে নিন | পহেলা বৈশাখের জন্য মুড়ালি তৈরির রেসিপি

আসছে বাঙ্গালীদের ঐতিহ্যবাহী উৎসব পহেলা বৈশাখ। বাঙ্গালীরা এই দিনে বাংলা বর্ষ বরন করবে মহা ধুমধামে। বৈশাখ মানে মুড়ি, মুড়কি, বাতাসা আর মুড়ালির সম্ভার। বৈশাখী মেলায় গেলে ব্যাগ ভরে কেনা হয় মুড়ালি, বাতাসা, মিষ্টি। মুড়ালি কেনার পরিবর্তে ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন। এই বৈশাখে ঘরে তৈরি করা মুড়ালি দিয়ে অ্যাপায়ন করুন অতিথিদেরকে। মুড়ালির রেসিপিটি দেখে নিন এক নজরে।

পহেলা বৈশাখের জন্য মুড়ালি তৈরির রেসিপি
পহেলা বৈশাখের জন্য মুড়ালি তৈরির রেসিপি

উপকরণ:

২ কাপ ময়দা

২ টেবিল চামচ মাখন

১ কাপ দুধ

এক চিমটি লবণ

১.৫ কাপ চিনি

১/২ কাপ পানি

পাতলা আদা কুচি

১/২ দারুচিনি

 তেল

বৈশাখের জন্য তৈরি করুন । মজাদার কাঁচা আমের পান্না

পহেলা বৈশাখ আসছে, সেই সাথে এসে গেছে প্রচন্ড গরম।এই গরমে অতিথি আপ্যায়ন বা নিজের রসনা বিলাসের জন্য দারুন লোভনীয় একটি পানীয় আম পান্না l আবার প্রচলিত কোল্ড ড্রিঙ্কসের তুলনায় অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত l হিট স্ট্রোক প্রতিহত করতে এই পানীয়টি দারুণ কার্যকরী। কাঁচা আম আর বেশ কিছু সুগন্ধি মশলা থাকায় নিমিষেই আপনার প্রাণ জুড়িয়ে যাবে। চলুন দেখে নিই ছোট্ট রেসিপিটি।

বৈশাখের জন্য তৈরি করুন মজাদার  কাঁচা আমের পান্না
বৈশাখের জন্য তৈরি করুন মজাদার কাঁচা আমের পান্না

উপকরণ

–   ২টি মাঝারি কাঁচা আম

–   আধা কাপ চিনি

–   আধা চা চামচ এলাচ গুঁড়ো

–   আধা চা চামচ বিট লবণ

–   অল্প জাফরান

প্রণালী

১) ১ টেবিল চামচ পানিতে জাফরান গুলে রাখুন।

২) একটি প্রেসার কুকারে কাঁচা আম এবং দেড় কাপ পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন। ৪টি শিস দিলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন।

৩) আমগুলোর খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের অংশটা বের করে নিন। এর সাথে চিনি মিশিয়ে মিহি করে ব্লেন্ড করে নিন।

৪) এতে জাফরানের পানি, এলাচ গুঁড়ো এবং বিট লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

৫) এতে ৩ কাপ ফ্রিজের ঠান্ডা পানি ভালো করে মিশিয়ে নিন।

ব্যাস, তৈরি হয়ে গেলো উত্তপ্ত একটি দিনের জন্য পারফেক্ট ড্রিঙ্ক! ৪টি গ্লাস ঢেলে পরিবেশন করুন। সাথে দিতে পারেন কিছু আইস কিউব।

দেখে নিন । বৈশাখের জন্য মজাদার একটি সালাদের রেসিপি

দিন যতই যাচ্ছে বাঙ্গালীদের প্রিয় উৎসব পহেলা বৈশাখ ততই কাছে আসছে। বৈশাখে বাইরে ঘুরে বেড়াবেন, তার জন্য শরীর থাকা চাই সুস্থ। অনেকেই এ সময়ে ত্বকের সুস্থতার জন্যও একটু বাড়তি রূপচর্চা করেন। কিন্তু এর জন্য শরীর ভেতর থেকে শীতল রাখাটা জরুরী। আজ তাই দেখে নিন এমন একটি রেসিপি যাতে আপনার পেটও ভরবে, স্বাস্থ্যকর খাওয়া হবে পাশাপাশি শরীরটাও থাকবে ঠাণ্ডা। অনেকটা ফাইবার, ভিটামিন এ এবং সি থাকায় আপনার ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল হতে তা সাহায্য করবে। লো ক্যালোরির এই সালাদ রেসিপিটি তাদের জন্যও ভালো যারা ওজন কমানোর জন্য আগ্রহী।

বৈশাখের জন্য মজাদার একটি সালাদের রেসিপি
বৈশাখের জন্য মজাদার একটি সালাদের রেসিপি

উপকরণ

ফল এবং সবজি

–   ১ কাপ আইসবার্গ লেটুস, ছোট করে টুকরো করে নেওয়া

–   সিকি কাপ ক্যাপসিকাম কিউব করে কাটা

–   আধা কাপ গাজর মিহি কুচি

–   ২ টেবিল চামচ সেলেরি মিহি কুচি

–    ২ কাপ আপেল কিউব করে কাটা

–   আধা কাপ কমলার কোয়া অর্ধেক করে কাটা

–   ২ টেবিল চামচ কিসমিস

ড্রেসিং এর জন্য

–   আধা কাপ লো ফ্যাট দই

–   দেড় কাপ টমেটো কেচাপ

–   ১ চা চামচ চিলি সস

–   ১ চা চামচ চিনি

–   সিকি চা চামচ সরিষা গুঁড়ো

–   ২ চা চামচ পিঁয়াজ মিহি কুচি

–   ২ চা চামচ ক্যাপসিকাম মিহি কুচি

–   ২ চা চামচ কাঁচামরিচ মিহি কুচি

–   লবণ স্বাদমতো

–   ২ টেবিল চামচ লো ফ্যাট দুধ

প্রণালী

১) প্রথমে ড্রেসিং এর সব উপকরণ একটি পাত্রে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

২) এরপর সবজি ও ফল একত্রে মিশিয়ে তাতে ড্রেসিং ঢেলে দিন। টস করে মিশিয়ে নিন।

ড্রেসিং দেওয়ার পর পরই সার্ভ করুন লো ক্যালোরি সালাদ।

বাড়িতে বসেই বানিয়ে ফেলুন । মজাদার চকলেট ব্রেড পুডিং

খাবারে নতুনত্ব কে না চায়, নতুন ও রুচিশীল খাবার খাবার সকলেই পছন্দ করে।ডিম আর দুধের সংমিশ্রনে সহজ একটি ডেজার্ট আইটেম হলো পুডিংপুডিং। সাদামাটা পুডিং মাঝে মাঝেই খাওয়া হয়, শখ করে বড়জোর ব্রেড পুডিং তৈরি করেন অনেকে। কিন্তু ব্রেড পুডিং এর সাথে চকলেটের স্বাদ থাকলে কেমন হয় বলুন তো? দেখে নিন চকলেট এবং জ্যামের স্বাদে ব্রেড পুডিং তৈরির রেসিপিটি।

বাড়িতে বসেই বানিয়ে ফেলুন মজাদার চকলেট ব্রেড পুডিং
বাড়িতে বসেই বানিয়ে ফেলুন মজাদার চকলেট ব্রেড পুডিং

উপকরণ

–   ৮-৯টি পাউরুটির স্লাইস

–   ১৫০ গ্রাম ডার্ক চকলেট

–   ৩ কাপ দুধ

–   ২ টেবিল চামচ মাখন + বেকিং প্যানে মাখানোর জন্য

–   ৩টি ডিম

–   আধা কাপ চিনি

–   ১ টেবিল চামচ কিসমিস

–   ১ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স

–   ৪ টেবিল চামচ ব্লুবেরি জ্যাম

–   পরিবেশনের জন্য আইসিং সুগার

প্রণালী

১) প্রথমে একটি বড় গোল কুকি কাটার দিয়ে পাউরুটি স্লাইসগুলোকে গোল করে কেটে নিন। এরপর এগুলোকে টোস্ট করে নিন। এক্ষেত্রে ওভেনে টোস্ট করে নিতে পারেন। টোস্ট করার পর ওভেন ১৮০ ডিগ্রিতে প্রিহিট হতে দিন।

২) একটি নন-স্টিক ফ্রাইপ্যানে ডার্ক চকলেট টুকরো করে দিন। এর সাথে দিন দুধ এবং ২ টেবিল চামচ মাখন। কম আঁচে গলিয়ে নিন সব উপকরণ।

৩) একটি পাত্রে বিট করে নিন ডিম এবং চিনি। এর সাথে মিশিয়ে নিন ভ্যানিলা এসেন্স।

৪) চকলেটের গলিত মিশ্রণ আচ থেকে নামিয়ে নিন। একটু ঠান্ডা করে ডিমের মিশ্রণে মিশিয়ে নিন।

৫) ছোট ছোট গোল বেকিং ছাঁচে মাখন মাখিয়ে নিন। এতে প্রথমে এক টুকরো পাউরুটি দিন। এর ওপর কিছু কিসমিস, এক টেবিল চামচ জ্যাম এবং এর ওপর আরেকটি পাউরুটির টুকরো দিন। সবশেষে এতে চকলেট ও ডিমের মিশ্রণ দিন যাতে পুরো পাত্র ভরে যায়। এভাবে চারটি ছাঁচ তৈরি করে নিন।

৬) এই ছাঁচগুলো একটি বড় বেকিং ট্রেতে নিন। ট্রেতে পানি দিয়ে দিন। প্রিহিট করা ওভেনে ১ ঘন্টা বেক করে নিন।

বের করে ওপরে আইসিং সুগার ছিটিয়ে পরিবেশন করুন সুস্বাদু Chocolate Bread Pudding

দেখে নিন । পহেলা বৈশাখের জন্য মজাদার কিছু ভর্তার রেসিপি

আসছে পহেলা বৈশাখ বাঙালীর প্রয়োজন ভাত, ভর্তা, ডালের রকমারি খাবারের আয়োজন। এক থালা গরম ভাতের পাশে একটুখানি আলু ভর্তা, তেলে ভাজা মুচমুচে মরিচ আর ওপরে ছড়িয়ে দেওয়া এক চামচ খাঁটি ঘি! যখন আপনি ক্ষুধার্ত, তখন এই খাবারটুকুই আপনার কাছে অমৃত। আমাদের প্রতিদিনের খাবারের টেবিলে তো বটেই, নতুন বছর বরণে বা অতিথি আপ্যায়নেও নানা ধরনের ভর্তার জুড়ি মেলা ভার। আসুন, জেনে নেই পহেলা বৈশাখের জন্য ভীষণ জনপ্রিয় বাংলাদেশী ভর্তার রেসিপি

দেখে নিন পহেলা বৈশাখের জন্য মজাদার কিছু ভর্তার রেসিপি
দেখে নিন পহেলা বৈশাখের জন্য মজাদার কিছু ভর্তার রেসিপি

১) আলু ভর্তা

আলু ভর্তা একটি জনপ্রিয় এবং প্রাচিনতম খাবার। আমাদের দেশের প্রায় সব ধরনের মানুষের কাছে আলু ভর্তা খুব প্রিয়।

উপকরণ

আলু, কাঁচা পেঁয়াজ কুঁচি/পেঁয়াজ বেরেস্তা, কাঁচা মরিচ কুঁচি, লবণ, সরিষার তেল, ভাজা শুকনা মরিচ।

প্রণালী

আলু সিদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন। ভাজা পেঁয়াজ কুঁচি (বেরেস্তা) ভর্তাকে করে ভীষণ সুস্বাদু, তাই মুচমুচে করে ভেজে তোলা পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ কুঁচি, একটা ভাজা শুকনা মরিচ, লবণ, সরিষার তেল আলাদা একটা পাত্রে খুব ভালো করে মাখিয়ে নিন। এবার সিদ্ধ আলু এই মিশ্রণের সাথে আবার মেখে নিন। খুব ভালোভাবে মাখাতে হবে। যদি বাড়তি স্বাদ চান, যোগ করুন এক চামচ ঘি এবং সামান্য একটু ধনিয়াপাতা। ব্যাস, হয়ে গেল, আলু ভর্তা। এক প্লেট ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করেই দেখুন, কত লোভনীয়!

২) পোড়া বেগুনের ভর্তা

আরেকটি পরিচিত এবং বেশ জনপ্রিয় রেসিপি হলো পোড়া বেগুন ভর্তা। বেগুন আগে থেকে পুড়িয়ে নিয়ে তারপর বিভিন্ন উপকরণ মিশিয়ে এ ভর্তাটি করা হয়।

উপকরণ

বেগুন, কাঁচা পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা মরিচ কুঁচি, লবণ, সরিষার তেল, ভাজা শুকনা মরিচ।

প্রণালী

চুলা জ্বালিয়ে একটা তাওয়ার ওপর ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখা আস্ত বেগুনটি দিয়ে দিন। তবে তার আগে বেগুনের গায়ে কাঁটা চামচ দিয়ে কয়েকটি ছিদ্র করে দিন। মাঝারি আঁচে একটু সময় নিয়ে পোড়াতে হবে, নাহলে ভেতরে কাঁচা রয়ে যাবে। প্রতিটি পাশ যেন ভালোভাবে পুড়ে যায়, সেজন্য বারবার বেগুনটি ঘুরিয়ে দিতে হবে। প্রতিটি পাশ যখন কালো হয়ে আসবে, তখন বুঝতে হবে পোড়ানো হয়ে গেছে। এক বাটি ঠাণ্ডা পানির মধ্যে এই বেগুনটি কিছুক্ষন রাখুন এবং খোসাটা ছাড়িয়ে নিন। ঠাণ্ডা পানিতে রাখার কারণ হলো এতে খুব সহজে বেগুনের খোসা ছাড়ানো যায়। এবার বেগুনটি হাত দিয়ে চেপে একটু হালকা করে মাখিয়ে নিন। অন্য একটি পাত্রে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ কুঁচি, একটা ভাজা (অথবা পোড়ানো) শুকনো মরিচ, প্রয়োজন মতো লবণ এবং সরিষার তেল একসাথে খুব ভালো করে মাখিয়ে নিন, চাইলে দিতে পারেন ধনিয়া পাতা। এবার খোসা ছাড়িয়ে রাখা বেগুনটা মিশিয়ে নিয়ে আবারও মাখিয়ে পরিবেশন করুন চমৎকার পোড়া বেগুনের ভর্তা।

৩) সিদ্ধ ডিমের ভর্তা

ডিমের আবার ভর্তা হয় নাকি! হয়, হয়! করেই দেখুন না। সহজ কিন্তু ভীষণ মজাদার এই সিদ্ধ ডিম ভর্তা।

উপকরণ

সিদ্ধ ডিম,কাঁচা বা ভাজা পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা মরিচ কুঁচি, লবণ, সরিষার তেল, ভাজা শুকনা মরিচ।

প্রনালী

ডিম সিদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে রাখুন। পছন্দ অনুযায়ী কাঁচা অথবা ভাজা পেঁয়াজ নিন। এর সাথে আরও লাগবে কাঁচা মরিচ কুঁচি, একটা মুচমুচে করে ভেজে তোলা শুকনো মরিচ, লবণ ও সরিষার তেল। একসাথে ডিম দিয়ে খুব ভালো করে মাখিয়ে নিন। যারা ঘি খেতে পছন্দ করেন তারা অবশ্যই একটুখানি ঘি দেবেন। এবার খেয়ে দেখুন, মোঘলাই, পোলাও, বিরিয়ানি থেকে কোনো অংশেও কম নয় সিদ্ধ ডিমের ভর্তা!

৪) মসুর ডালের ভর্তা

ডালের বিভিন্ন ধরণের রেসিপির মাঝে এটি তৈরী বোধহয় সবচেয়ে সহজ। গরম ভাতে দারুণ সুস্বাদু!

উপকরণ

সিদ্ধ মসুর ডাল, পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা মরিচ কুঁচি, লবন, সরিষার তেল, ভাজা শুকনা মরিচ, ধনিয়া পাতা।

প্রণালী

পরিমাণ মতো পানি দিয়ে এমনভাবে ডাল সিদ্ধ করে নিতে হবে যেন বাড়তি পানি না থাকে। ভাজা পেঁয়াজ, মরিচ কুঁচি, লবণ, সরিষার তেল ও ধনিয়া পাতা দিয়ে মাখিয়ে গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন এই চমৎকার মজাদার ভর্তাটি।

৫) চিংড়ি মাছের ভর্তা

এটিও ভীষণ মজাদার এবং জনপ্রিয় আরেকটি ভর্তার পদ।

উপকরণ

চিংড়ি মাছ লাগবে একটু ছোট আকারের, পেঁয়াজ কুঁচি, সামান্য রসুন কুঁচি, কাঁচা মরিচ, কয়েকটি শুকনা মরিচ ভাজা, লবণ, সরিষার তেল, ধনিয়াপাতা।

প্রণালী

চিংড়ি মাছগুলি প্রথমে ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে, সামান্য তেল দিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। ভাজা হলে তুলে রাখুন। ঐ একই পাত্রে পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচা মরিচ ও শুকনা মরিচগুলি ভেজে তুলুন। শুকনা মরিচগুলো একটু মুচমুচে করে ভাজতে হবে, তাহলেই পাওয়া যাবে এই ভর্তাটির আসল মজা! এবার তুলে রাখা চিংড়ি মাছের সাথে এই মিশ্রণটি মিশিয়ে সাথে দিন স্বাদ অনুযায়ী লবণ, সরিষার তেল এবং ধনিয়া পাতা। ব্লেন্ডার এ ব্লেন্ড করে নিন মিহি হওয়া পর্যন্ত। চাইলে কিন্তু শিলপাটাতেও বেটে নিতে পারেন। হয়ে গেল, দারুণ মজার চিংড়ি ভর্তা।

৬) টাকি মাছের ভর্তা

বাংলাদেশের হরেক রকমের সুস্বাদু মাছের মধ্যে টাকি মাছ একটি। দেশী খাবারের রেস্টুরেন্টগুলিতে দারুণ জনপ্রিয় এই টাকি মাছের ভর্তা।

উপকরণ

টাকি মাছ, পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, কাঁচা মরিচ কুঁচি, শুকনা মরিচ ভাজা, সামান্য পরিমাণে হলুদ গুড়া, সরিষার তেল, পরিমাণ মতো লবণ,ধনিয়া পাতা।

প্রণালী

মাছগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করে ছুরি দিয়ে কেঁচে নিন, যেন ঠিকমতো সিদ্ধ হয়। এবার অল্প তেলে সামান্য হলুদ ও লবণ মাখিয়ে মাছ ভেজে তুলে রাখুন। ঠাণ্ডা হয়ে এলে কাঁটা বেছে মাছগুলো একটি পাত্রে রেখে দিন। একই তেলে পেঁয়াজ, রশুন ও শুকনা মরিচ ভেজে নিন, চেষ্টা করবেন একটু মুচমুচে করে ভাজতে। এবার আগে থেকে তুলে রাখা মাছ, পেঁয়াজ রসুনের এই মিশ্রণ, স্বাদ অনুযায়ী কাঁচা মরিচ, লবণ, তেল ও ধনিয়া পাতা একসাথে মিক্সারে মিক্স করে নিন। মিক্সার হাতের কাছে না থাকলে শিলপাটাতেও বেটে নিতে পারেন। এবার হাতে একটু সরিষার তেল মেখে নিয়ে ছোট ছোট বল আকারে তৈরি করে পরিবেশন করুন এই দারুণ মজাদার ও লোভনীয় ভর্তাটি।

৭) টমেটো ভর্তা

এই আইটেমটি তৈরি করার জন্য প্রথমে টমেটো পুড়িয়ে নেওয়া হয়। এরপর যোগ করা হয় বাকি উপকরণগুলি।

উপকরণ

টমেটো প্রয়োজন মতো, পেঁয়াজ কুঁচি, শুকনা মরিচ, সরিষার তেল, পরিমাণ মতো লবন, ধনিয়া পাতা।

প্রণালী

একটা তাওয়ার ওপর টমেটোগুলি রেখে মাঝারি আঁচে পুড়িয়ে নিতে হবে। যখন দেখবেন চারপাশে কালো রঙ হয়ে এসেছে এবং টমেটো নরম হয়ে গেছে, সেই পর্যায়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। একটু ঠাণ্ডা হয়ে এলে টমেটোর খোসা ছাড়িয়ে রাখুন। এখন একটি শিক বা কাঁটা চামচে কয়েকটি শুকনা মরিচ গেঁথে নিয়ে সরাসরি চুলার আঁচে পুড়িয়ে নিন, অন্যরকম স্বাদ যোগ করবে এই ভর্তাটিতে। অন্য একটি পাত্রে পেঁয়াজ কুঁচি, পোড়ানো শুকনা মরিচ, লবণ, সরিষার তেল ও ধনিয়া পাতা একসাথে খুব ভালো করে মাখিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণের সাথে ছাড়িয়ে রাখা টমেটো মিশিয়ে নিলেই তৈরি মজাদার টমেটোর ভর্তা।

সামনে আসছে নতুন বছর, নববর্ষে বাড়িতে অতিথি আপ্যায়নে অন্যান্য নানান খাবারের পাশাপাশি দেশী এই ভর্তাগুলিও কিন্তু দারুণ জনপ্রিয়। গরম গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের পাশে পরিবেশন করেই দেখুন, অতিথিরা আপনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে বাধ্য!