আজ রক্তাভ চন্দ্রগ্রহণ

• চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ৩৮ মিনিটে।
• পৃথিবীর ছায়া পুরোপুরি চাঁদকে গ্রাস করবে ৬টা ৫১ মিনিটে।
• চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে রাত ১০টা ৯ মিনিটে।
• সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একটি রেখায় খুব কাছাকাছি অবস্থান করবে।
• চাঁদ ‘সুপার মুন’ হিসেবে দেখা দেবে।
নতুন বছরে প্রথম মাসের শেষ রাতে আজ দেখা মিলবে এক অসাধারণ মুহূর্তের। সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটের দিকে পৃথিবীর ছায়া চাঁদকে সম্পূর্ণভাবে গ্রাস করবে। এ সময় সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একটি রেখায় খুব কাছাকাছি অবস্থান করবে। চাঁদকে দেখা যাবে রক্তাভ নীল রঙে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ৩৮ মিনিটে। আর পৃথিবীর ছায়া পুরোপুরি চাঁদকে গ্রাস করবে ৬টা ৫১ মিনিটে। চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে রাত ১০টা ৯ মিনিটে।

বিভিন্ন কারণে এই চন্দ্রগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ও বিরল একটি মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। প্রথমত, চাঁদ এই দিনে ‘সুপার মুন’ হিসেবে দেখা দেবে। অর্থাৎ দুই মাসের ব্যবধানে আগামী ৩১ মার্চ একই রকম চন্দ্রগ্রহণের দেখা মিলবে। দ্বিতীয়ত, এটি বছরের প্রথম ‘ব্লু মুন’ বা বছরের অতিরিক্ত পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ। তৃতীয়ত, এই গ্রহণের সময় চাঁদের রং তামাটে বা অতিরিক্ত লাল হবে বলে এটি ‘কপার মুন’।

এই তিনটি ঘটনা একত্রে খুবই বিরল বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মো. আবদুস ছাত্তার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মানবসভ্যতার শুরু থেকে চন্দ্রগ্রহণ চমকপ্রদ এক ঘটনা। প্রাচীনকালে এটি অনেকের কাছে ভীতিকর ব্যাপার ছিল। তবে বিজ্ঞানমনস্ক ও আধুনিক মানুষেরা এটি কৌতূহল নিয়ে উপভোগ করেন।

চাঁদের বিরল এই মুহূর্ত দেখতে ঢাকার পূর্বাচলে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি একটি শিবিরের আয়োজন করবে। এর সহযোগী মাসিক সাময়িকী বিজ্ঞানচিন্তা ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি। বিকেল পাঁচটা থেকেই পূর্বাচলের স্বর্ণালি আবাসিক এলাকার ল্যাবএইড প্রজেক্ট মাঠে শিবির করা হবে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টেলিস্কোপে ও দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে চন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের উদ্যোগে আগারগাঁওয়ের জাদুঘরে ও পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত থেকে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখাতে পৃথক শিবির করা হবে। যে কেউ তাতে অংশ নিতে পারবেন।
সূত্র : প্রথম আলো

২০২৬ সালের মধ্যে উড়ন্ত ট্যাক্সি চলবে ঢাকার আকাশে

ঢাকায় মানুষের জীবনযাত্রা দিনকে দিন জটিল থেকে জটিলতর হয়ে যাচ্ছে তার একটাই কারণ ঢাকার রাস্তার যানজট ।
আর এই যানজট যে দিন পর্যন্ত না কমছে সে দিন পর্যন্ত মানুষ শান্তিতে চলা ফেরা করতে পারবে না । আর এই যানজট চাইলেই সমাধান করা সম্ভব না । ঢাকায় উড়াল সেতু তৈরির পরেও এর সমাধান করা যাই নাই । তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করছে উন্নত প্রজক্তির ব্যাবহার ছাড়া এর সমাধা সম্ভব না । তাই ঢাকাতে ২০২৬ সালের মধ্যে উড়ন্ত ট্যাক্সি ক্যাপ নামানোর চিন্তা ভাববোনা করছে সরকার ।
স্বয়ংক্রিয় আকাশ ভ্রমণ
স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রিক গাড়ি রাস্তাঘাটে মানুষের চলাফেরার ধরণ পাল্টে দিলেও উড়ন্ত ট্যাক্সি আমাদের একেবারে মাটি থেকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করছে। ডেট্রয়েটের কোম্পানি ‘এয়ারস্পেসএক্স‘ এ মাসের শুরুতে উত্তর আমেরিকার আন্তর্জাতিক অটো প্রদর্শনীতে ‘মবিওয়ান’ নামের উড়ন্ত ট্যাক্সি প্রদর্শন করেছে।

স্বয়ংক্রিয়তাকে মাথায় রেখে মবিওয়ানের নকশা তৈরি করা হয়েছে। এটি ২-৪ জন যাত্রী অথবা ২০০ কেজি পণ্য নিয়ে বিমানবন্দর বা শহরের কেন্দ্রে ৬০ মাইল পর্যন্ত পথ পাড়ি দিতে সক্ষম। এটি মাটি থেকে হেলিকপ্টারের মতো করে আরোহণ করলেও পাখার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে প্লেনের মতো করে সর্বোচ্চ ২৫০মিটার/সেকেন্ড বেগে উড়তে পারে।

যাত্রীদেরকে ব্রডব্র্যান্ডের মাধ্যমে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হবে। এছাড়াও এটিতে সংঘর্ষ এড়ানো এবং নিরাপদ বার্তা প্রেরণের ব্যবস্থাও রয়েছে। মবিওয়ান নিজে নিজে শিখতে ও পাইলটের থেকে ইঙ্গিত নিতে সক্ষম। আপাতত প্রতিটি ফ্লাইটের জন্য একজন করে নিরাপত্তা পাইলট রয়েছেন।

এয়ারস্পেসএক্স এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জন রিমানেলির মতে, মবিওয়ান পরিচ্ছন্ন, শান্তিপূর্ণ এবং চাহিদা সাপেক্ষে ন্যায্য মূল্যে আকাশযাত্রা প্রদান করবে। অবশ্য তিনি সম্ভাব্য খরচের কথা উল্লেখ করেন নি। তিনি বলেন, “বাস্তবতা হচ্ছে, সকলেই যানবাহনকে সমস্যা মনে করে। অটো কোম্পানিগুলো যানবাহন কমাতে স্বয়ংক্রিয়তার দিকে নজর দেয়নি।”
আকাশপথের সীমিত জায়গা
নিউ অ্যাটলাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুধু ট্যাক্সি হিসেবে ব্যবহার করা ছাড়াও মবিওয়ান চিকিৎসা ও উদ্ধারকার্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। এমনকি একে গবেষণা ও নজরদারির কাজেও ব্যবহার করা যাবে।
রিমানেলি দাবি করেন, মবিওয়ান ২০২০ সালে বাহ্যিক প্রদর্শনী শুরু করবে। এয়ারস্পেসের প্রধান বাণিজ্যিক অফিসার জেপি ইয়োরো ২০২৬ সালের মাঝে ২,৫০০ মবিওয়ান ছাড়ার পরিকল্পনার কথা জানান। এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি বড় শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি জানান, মবিওয়ানের কার্যক্রম পুঁজি সংক্রান্ত হলেও আকাশপথে যাত্রার সেবা অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। তার মতে, “আমরা অর্থায়নের একটি বড় খাতের ব্যাপারে বিবেচনা করছি।”

এয়ারস্পেসএক্স মনে করে, মবিওয়ান স্থলের যানবাহন ও ভ্রমণের সময় কমাতে সাহায্য করবে। তবে তারাই উড়ন্ত ট্যাক্সির নিয়ে কাজ করা একমাত্র কোম্পানি না যারা এই কথা ভাবছে। উবার, নাসা, এয়ারবাস এবং বোয়িংয়ের কাজেও এ ধরনের উড়ন্ত ট্যাক্সির ধারণা রয়েছে।

আকাশপথ তুলনামূলকভাবে খালি দেখালেও পর্যাপ্ত পরিমাণে উড়ন্ত ট্যাক্সি আকাশপথকে যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও মূল্যবান করে তুলবে, বিশেষত যদি সেগুলো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার উপর দিয়ে চলায় নিষেধাজ্ঞা থাকে। কোনো সন্দেহ নেই যে, উড়ন্ত ট্যাক্সির ধারণাটি খুব রোমাঞ্চকর, তবুও দেখার বিষয় এটি কতটুকু বাস্তবসম্মত।

ইতহাস করতে যাচ্ছে নির্মাণাধীন এই মসজিদটি

বাংলাদেশসহ বিশ্বের মসজিদের ইতিহাসে জায়গা করে নিতে যাচ্ছে নির্মাণাধীন টাঙ্গাইলের গোপালপুরের ঐতিহাসিক ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। নির্মাণাধীন এ ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদে থাকবে বিশ্বের সর্বোচ্চ সংখ্যক গম্বুজ ও ৪৫১ ফুট উচুঁ একটি মিনার।
যা একটি বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করে গিনেস রেকর্ড বুকে নাম লেখাতে চলেছে, শুধু তাই নয় আল্লাহর ঘর এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি বাংলাদেশকে বিশ্বে নতুন করে পরিচিত করে তুলতে সহায়ক হবে এবং প্রচুর বিদেশি পর্যটক ও ওলি আউলিয়ার আগমন ঘটবে এই মসজিদকে ঘিরে, এমনটি মন্তব্য টাঙ্গাইল ও গোপালপুরের এলাকাবাসী এবং মসজিদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যাগে মসজিদটি নির্মিত হচ্ছে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে। ২৭১ শতাংশ জায়গায় নির্মাণাধীন মসজিদের কাজ ইতোমধ্যেই ৭৫% শেষ হয়েছে। নির্মাণাধীন অবস্থায়ই মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়েছে।বাংলাদেশ ও বিশ্বের ইতিহাসে এত বেশি গম্বুজ বিশিষ্ট কোনো মসজিদ এর আগে নির্মাণ করা হয়নি।

নির্মাণাধীন এ ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদে থাকবে অত্যাধুনিক সব সুবিধা। মসজিদটিতে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। মসজিদের পশ্চিমের দেয়ালে অংকিত থাকবে সম্পূর্ণ পবিত্র কোরআন। আর মসজিদের প্রধান দরজায় ব্যবহার করা হবে ৫০ মন পিতল। আজান প্রচারের জন্য মসজিদের পাশে নির্মাণ করা হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে উচুঁ মিনার। উচ্চতার হিসেবে মিনারটি হবে প্রায় ৫৭ তলার সমপরিমাণ অর্থাৎ ৪৫১ ফুট।
মসজিদের পাশে নির্মাণ করা হবে আলাদা ভবন। ওই ভবনে থাকবে, দুঃস্থ মহিলাদের জন্য বিনামূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা। মসজিদটির নির্মাণ খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। নির্মাতাদের প্রত্যাশা, শৈল্পিক স্থাপনা হিসেবে এ মসজিদটি অনন্য বৈশিষ্ট্যের এক প্রতীক হয়ে দাঁড়াবে। ইতোমধ্যেই (নির্মাণাধীন অবস্থায়) মসজিদটি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে।
প্রতিদিন অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক নির্মাণ কাজ দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন।মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে। এ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মা রিজিয়া খাতুন।আয়োজকরা আশা প্রকাশ করছেন, পবিত্র কাবা শরিফের ইমামের উপস্থিতি ও ইমামতির মাধ্যমে মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। সুত্রঃ পূর্ব পশ্চিম

ঢাকায় ১০৮ টাকা কেজিতে গরুর মাংস

দেশে ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে হিমায়িত গরুর মাংস আমদানি হয়। আমদানিতে এসব মাংসের কেজিপ্রতি দাম দেখানো হয় ১০৮ থেকে ২২৫ টাকা। এই দর বাংলাদেশের বাজারের চেয়ে অনেক কম। ঢাকার বাজারে এখন গরুর মাংসের কেজিপ্রতি দাম ৪৮০ টাকার মতো।
হিমায়িত গরুর মাংস আমদানির এ তথ্য উঠে এসেছে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের (বিটিসি) এক প্রতিবেদনে। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গরুর মাংস আমদানির বিষয়ে মতামত চেয়ে ট্যারিফ কমিশনের কাছে একটি প্রতিবেদন চেয়েছিল। কমিশন তা তৈরি করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, ট্যারিফ কমিশন গরুর মাংস আমদানির বিষয়ে সাতটি মতামত বা পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশে গরুর খামার বাড়ছে এবং গরুর মাংসের উৎপাদন এখন চাহিদার চেয়েও বেশি হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে দাম কমে যাবে। ভারত থেকে হিমায়িত মাংস আমদানি বাড়লে বরং খামারিদের ক্ষতি হতে পারে।

দেশের ব্যবসায়ীদের একটি অংশ ভারত থেকে হিমায়িত মাংস আমদানির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চেয়েছে। গত জুলাই মাসে ভারতের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসে মাংস রপ্তানির প্রস্তাব দেয়। ২৮ নভেম্বর এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি সভা হয়। এরপর ওই সভায় এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, ট্যারিফ কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মতামত চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ট্যারিফ কমিশন এ বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে শিক্ষিত বেকার যুবকেরা গরু পালন ও গরু মোটাতাজাকরণ কাজে নিযুক্ত রয়েছেন। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে গরু কেনা, গরু লালন-পালন, গরুর সংকরায়ণ, দুগ্ধজাতীয় খাদ্যসামগ্রী উৎপাদন ও বিপণন খাতে বিপুল পরিমাণ ঋণ দেওয়া হয়েছে। দেশে সরকারি ও বেসরকারি গবাদিপশু পালনে ব্যাপক বিনিয়োগ হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে গরুর মাংসের দাম কমে যাবে বলে অনুমিত হয়। কমিশন বলছে, হিমায়িত মাংস আমদানি বাড়লে এসব খামারির ক্ষতি হবে। পাশাপাশি ব্যাংকঋণ আদায় কঠিন হবে।
চার বন্ধুর উদ্যোগে দেড় বছর আগে ঢাকার উত্তরখানে একটি খামার গড়ে তোলা হয়েছে। ওই খামারে এখন ৫০টি গরু আছে, বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার মতো। গরুর মাংস আমদানির বিষয়ে জানতে চাইলে ওই খামারের মালিকদের একজন আরিফুর রহমান খান বলেন, দেশে এখন বহু গরুর খামার গড়ে উঠেছে। মাংস আমদানি হলে এসব খামারের মালিকেরা বিশাল ক্ষতির মুখে পড়বেন। তিনি বলেন, ‘আমরা খামারের জন্য গরু কিনতে গিয়ে দেখেছি, গ্রামের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাহীন খামারিরা উন্নত জাতের গরু পালন করছেন। দেশে খামারের ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন ঘটে গেছে, তা সমীক্ষা ছাড়া বোঝা যাবে না।’
২০ হাজার কেজি মাংস আমদানি!

কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে প্রায় ২০ টন বা ২০ হাজার কেজি গরুর মাংস আমদানি হয়েছে। আগের অর্থবছরে দেশে প্রায় ৫৫ হাজার কেজি গরুর মাংস আমদানি হয়েছিল। তবে তার আগের, অর্থাৎ ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ১৮ হাজার কেজি গরুর মাংস। এসব মাংস এসেছে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকে হিমায়িত অবস্থায়।
দেশে গত বছর বেশি মাংস এসেছে অস্ট্রেলিয়া থেকে, যার পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার কেজি। আর মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ৪ হাজার ২০০ কেজি। এ ছাড়া ভারত থেকে এসেছে ৯২০ কেজি। বাকিটা আমদানি হয়েছে অন্যান্য দেশ থেকে। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানিতে গড় দাম পড়েছে কেজিপ্রতি ২২৫ টাকা। মালয়েশিয়া থেকে আমদানিতে মাংসের দাম গড়ে কেজিপ্রতি ১০৮ টাকা ও ভারত থেকে আমদানিতে ১২০ টাকা পড়েছে।
আমদানি নিষিদ্ধ নয়
বাংলাদেশে হিমায়িত গরুর মাংস আমদানি নিষিদ্ধ নয়। আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-১৮ অনুযায়ী, দেশে শূকর ছাড়া অন্যান্য পশুর মাংস আমদানি করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে আমদানি করতে হয়। আমদানির ক্ষেত্রে নানা শর্ত আছে। শর্তের মধ্যে অন্যতম হলো গরু, ছাগল ও মুরগির মাংস এবং মানুষের খাওয়ার উপযোগী অন্যান্য পশুর মাংস আমদানির ক্ষেত্রে মোড়কের গায়ে রপ্তানিকারক দেশের উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ মুদ্রিত থাকতে হবে। পাশাপাশি পৃথক লেবেল ছাপিয়ে মোড়কের গায়ে লাগানো যাবে না। এ ছাড়া মাংস নানা ধরনের ক্ষতিকর উপাদান, অ্যান্টিবায়োটিক ও রোগমুক্ত বলে সনদ থাকতে হবে। মাংস বন্দরে পরীক্ষা করবে বাংলাদেশি সরকারি সংস্থা।
গরুর মাংস আমদানিতে মোট করভার ৩৩ শতাংশ। এর মধ্যে আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ, অগ্রিম আয়কর ৫ শতাংশ ও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৩ শতাংশ।

১৪ বছর ধরে জাল টাকা বানাচ্ছে , বিলিয়নার হয়ে ধরা

টাকা বানানোর সকল পদ্দতি বর্ণনা করে জানালেন ।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর থানায় বসে পঞ্চাশ বছর বয়সী জামান জানান, ১৪ বছর ধরে টাকা জাল করার সঙ্গে জড়িত তিনি। ১৯৯৮ সালে একটি একশ টাকার নোট ফটোকপি করার পর থেকেই জাল টাকার চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে তার; শুরু হয় টাকা জাল করার ফন্দি।
এর ‘কাজে’ নামার আগে সাইন বোর্ড তৈরির দোকান ছাড়াও প্রিন্টার ও ফটোকপির দোকানে কাজ করেছেন বলে জানান জামান।
এই কাজে কি ‘সফটওয়্যার’ লাগে- এমন প্রশ্নে জামানের উত্তর, “না স্যার। টাকা স্ক্যান করে কালার ঠিকমতো মিলানোর পর প্রিন্ট করলেই অবিকল টাকা পাওয়া যায়।”
“প্রথমে কালার ফটোকপি দিয়ে নোটের দুই দিক ফটোকপি করার পর স্ক্রিন প্রিন্ট করে বাঘের মাথার জলছাপ দেয়া হয়, এরপর বিশেষ কাগজে তাপ দিয়ে বানানো হয় নিরাপত্তা সুতা।”

কাগজ কোথা থেকে সংগ্রহ করতেন তাও জানিয়েছেন জামান।
এক লাখ টাকা জাল করতে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা খরচ হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ওই নোট ৮/১০ হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়।
এই জাল নোটের ‘কারবার’ করেই কুষ্টিয়ায় বাড়ি করেছেন জামান।
গ্রেপ্তারের ভয়ে সাধারণত ফরিদপুর ও কুষ্টিয়ায় থেকে সারা বছর এই কারবার চালালেও ঈদকে সামনে রেখে কামরাঙ্গীরচর এসে টাকা ‘বানাতে’ গিয়েই ধরা পড়েন তিনি। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন শান্তা ওরফে শাবানা নামের এক নারী। তিনি নিরাপত্তা সুতার তৈরি করতেন বলে অভিযোগ আছে। যদিও শান্তা তা অস্বীকার করেছেন।
শুধু টাকাই না, জামান শেখ ভারতীয় রুপিও জাল করার পদ্ধতি রপ্ত করেছেন।
রুপি কেন জাল করেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “উত্তম নামে একজন ভারতের মালদহ থেকে এসে ওই রুপি নিয়ে যেত। গত ১৪ বছরে উত্তম ১০ থেকে ১২ বার জাল রুপি নিয়ে গেছে।”

প্রথমবার টাকার রঙ্গিন ফটোকপি করার পর টাকা ‘বানানোর’ ফন্দিতে নিজের এলাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে আশি হাজার টাকায় একটি রঙ্গিন ফটোকপি করার মেশিন কেনেন জামান। সঙ্গে কিনে ফেলেন অন্যান্য সরঞ্জামও। এরপর শুরু করে দেন টাকা জাল করা।
শুরুটা ছিলো ঢাকার জিগাতলায় ভাড়া নেয়া এক বাসায়। এরপর কতো বাসা যে পরিবর্তন করেছেন তা গুণেও শেষ করতে পারেন না এই জালিয়াত কারিগর।
জামান জানান, ১৯৯৯ সালে হেলাল নামে এক শিষ্যের ‘বোকামির’ কারণে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে ধরা পড়ে ২১ মাস জেল খেটেছিলেন। এরপর জামিনে বের হয়ে এসে আবার পুরোদমে ‘ব্যবসা’ শুরু করেন।
একবার ধরা পড়ার পরও জামানকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়নি কেন- এমন প্রশ্নে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, “উচিৎ ছিল। হয়তো নজরদারিও ছিলো। দীর্ঘ সময়তো, তাই এক সময় নজরদারি থেকে দূরে সরে যায় সে।”

করুন_কাহিনী ……….

★আমার মেয়ের কাছে আজও আমি নিষ্পাপ পিতা★
আমি একজন রিকসা চালক রিক্সা চালিয়েই দিনআনি দিন খাই, হটাৎ একদিন এক গার্মেন্টস কর্মি রাবেয়ার সাথে পরিচয় হয় আমার,,

প্রতিদিন রাত ১০ টায় গার্মেন্টস ছুটি হলে ওকে আমি ওর বাসায় পৌছে দেই এভাবে কেটে যায় ৬ মাস তারপর আমি তাকে একদিন বিয়ের পস্তাব দিলে ও মুচকি হেসে ওর বড় আপুর সাথে আমাকে কথা বলতে বলে, তাই একদিন ছুটির দিন আমি ওর বড় আপুর সাথে কথা বল্লে তিনিও আমাকে পছন্দ করেন এবং আগামি শুক্রবার বিয়ের দিন ঠিক করেন,

আমিও ব্যাস্ত হয়ে পরি বিয়ের আয়োজন করতে, মহাজনের কাছে গিয়ে ৫০০০ টাকা ধার করে মটামুটি ছোটখাটো
ধুমধাম করেই শেষ হয় আমাদের বিয়ে, রাবেয়া বউ হয়ে আসে আমার কুড়ে ঘরে, তারপর থেকে টেনে টুনে মোটামুটি সুখেই কাটছিলো আমাদের দিনগুলো,, একদিন আমার রিক্সা চালিয়ে ঘরে ফিরতে একটু রাত হয়ে গেলো, ফিরতেই রাবেয়া দৌড়ে এসে আমাকে জাপটে ধরলো, কি ব্যাপার? কি হইছে রাবু?

রাবেয়া আমার কানে কানে বল্লো সে মা হতে চলেছে, আমি খুশিতে আত্ব্যহারা হয়ে ওকে কোলে তুলে নাচতে লাগলাম পাসের ঘরের ভাবি আমার পাগলামো দেখে হাসতে শুরু করলেন তা দেখে আমি আর রাবেয়া দুজনেই লজ্জা পেয়ে গেলাম,, তারপর রাবেয়ার ডেলিভারির সময় ঘনিয়ে এলে আমি চিন্তিত হয়ে পরি অনেক টাকার দরকার,

আমি দিনরাত রিক্সা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পরি টাকা যোগানোর জন্যো,আজকে রাবেয়ার ডেলিভারি হবে ডাক্তার বলেছে সিজার করতে হবে অনেক টাকা লাগবে তাই ভোরের আযানের সাথেই রিকিসা নিয়ে ভের হই, টাকা যোগারের জন্যো, এক পথিক আমায় ডাকলো এই রিক্সা যাবে? কোথায় জাবেন সার? ধনমন্ডি? যাবো ১০০ টাকা লাগবে, কেনো এতো কেনো? আজকে আমার বউয়ের ডেরিভারি হবে টাকা লাগবে অনেক স্যার, তাই???

আচ্ছা আমি তোমাকে ২০০ টাকাই দেবো তবে তারাতারি যেতে হবে বলেই ভদ্রলোক আমার রিক্সায় উঠে বসলেন, কিছুদুর যাওয়ার পর ঠটাৎ ভদ্রলোকটি লাফিয়ে রিকসা থেকে নেমে পালিয়ে গেলেন, পেছনে ঘুরে তাকাতেই পুলিশ এসে আমাকে বেধড়ক পেটাতে লাগলেন,

কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার হাতে হাত কড়া লাগিয়ে থানায় নিয়ে বল্লেন আমার রিক্সায় অবৈধ অস্র পাওয়া গেছে তাই আমাকে চালান করে দিল কোর্টে আমার চিৎকার আর আকুতি কেউ শুনলো না, আজ পাচ বছর হলো আমি জেলখানায় নিরঅপরাধ হয়ে বিনা বিচারে জেল খাটছি ৭ বছরের সাজা হলো আমার,

শুনেছি আমার এ কথা শুনে কষ্টে রাবেয়ার ডেলিভারির সময় রাবেয়া আমাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলেগেছে ওপারে শান্তির নিবাশে, আল্লার কাছে, তবে স্মৃতি হিসাবে রেখেগিয়েছিলো একটি কন্যা সন্তান, পাশের বাড়ির ভাবিই তাকে পাচটি বছর লালন পালন করেছে, আজ আমার মেয়েটি আমাকে জেলখানায় দেখতে এসেছিল ওর নিজের হাতে আমাকে খাইয়ে দিচ্ছিল তখন আমি চিৎকার করে বলেছিলাম আমার মেয়ের কাছে আমি আজো সেই নিষ্পাপ পিতা।

এত পরিমাণে শেয়ার করুন যাতে করে প্রশাসনের নজরে আসে। আর কোনো রাবেয়াকে যাতে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়, এতিম হতে না হয় আর কোনো অবুজ শিশুকে।

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় শাহজালালে ব্লগার গ্রেফতার

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এক ব্লগারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার নাম আসাদুজ্জামান নূর ওরফে আসাদ নূর। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, আসাদ নূরের বিরুদ্ধে এ বছরের ১১ জানুয়ারি বরগুনার আমতলী থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একটি মামলা (নম্বর ১৪) দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমতলী শাখার সভাপতি মুফতি ওমর ফারুক। মামলায় আসাদের বিরুদ্ধে মহানবী হজরত মুহম্মদের (সা.) বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগ আনা হয়েছে। ঢাকার ইমিগ্রেশন পুলিশ ও আমতলী থানার ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বরগুনার আমতলী থানার ওসি শহীদ উল্লাহ বলেন, ‘ব্লগার আসাদ নূর ও তার এক সহযোগী লিমন ফকিরের বিরুদ্ধে মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে মামলা হয়েছিল। মামলার পরপরই লিমন ফকিরকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু আসাদ নূর পলাতক ছিলেন। সোমবার তিনি বিমানবন্দর দিয়ে নেপালে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। আমাদের টিম তাকে আনার জন্য ঢাকায় রওয়ানা হয়েছে।’

ওসি বলেন, ‘এর আগে আসাদ নূর কিছু দিন ভারতে গিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। আমরা তার বিষয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশকে জানিয়ে রেখেছিলাম।’

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, আসাদ নূর নেপালের কাঠমাণ্ডু যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন চ্যানেল পার হচ্ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই রেড নোটিশ থাকায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আমতলী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মাধব চন্দ্র দে বলেন, ‘আসাদ নূরের বাড়ি আমতলীর উত্তর টিয়াখালী। তার বাবার নাম তোফাজ্জল হোসেন।’

গতকাল থেকে ইয়াবা সেবনের পরপরই ইয়াবা সেবনকারি মারা যাচ্ছে।(বিস্তারিত ভিডিওতে)

মায়ানমার আর্মি নাকি এক প্রকার বিষ দিয়ে ইয়াবা বানিয়ে বাজারে ছাড়ছে। রোহিংগাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছে। এজন্য মায়ানমার সরকার ইয়াবার সাথে বিষ মিশিয়ে বাংলাদেশের বাজারে ছেড়েছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী নিরীহ জনগণদের বাঁচাতে হাজার কোটি টাকার ইয়াবা নষ্ট করে ফেলছে ।

গতকাল থেকে ইয়াবা সেবনের পরপরই ইয়াবা সেবনকারি মারা যাচ্ছে। বাংল…

গতকাল থেকে ইয়াবা সেবনের পরপরই ইয়াবা সেবনকারি মারা যাচ্ছে।বাংলাদেশের সেনাবাহিনী নিরীহ জনগণদের বাঁচাতে হাজার কোটি টাকার ইয়াবা নষ্ট করে ফেলছে ।

Posted by ফটো জোকস on Tuesday, December 19, 2017

বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান সংস্থার তথ্য মতে, নাখালপাড়াতে ইয়াবা খেয়ে একটা মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটছে এই সপ্তাহে। আর গতকাল ৪/৫ জন ইয়াবা খাওয়ার পরে প্রেশার অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। ইমিডিয়েট হসপিটালাইজ করতে হয়েছে।
মেরুল বাড্ডাতে এ পর্যন্ত দু জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এবং ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের মুখ দিয়ে লালচে লালা বের হচ্ছে !! মারা যেতে পারে যে কোন মুহূর্তে।
দয়া করে এই খবরটি কপি-পেস্ট করে ছড়িয়ে দিন। ইয়াবা সেবনকারীরা এদেশেরই নাগরিক। কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেটে প্রাণঘাতী উপাদান মেশাচ্ছে মায়ানমার। এই নতুন ইয়াবা সেবনের ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই মানুষের সেরিব্রাল এটাক হয় এবং মাথার রক্তনালী ফেটে গিয়ে তাৎক্ষনিক মৃত্যু হয়। জীবন বাঁচাতে ইয়াবা সেবন থেকে নিবৃত করুন।
মানবসেবায়ঃ বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে বিইউএফটি

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে বিইউএফটি

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি’র (বিইউএফটি) কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে তাঁবু বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ৮ ডিসেম্বর কক্সবাজারে উখিয়ার ঘুমধুম আর্মি ক্যাম্পে গমন করে।

বিইউএফটি কর্মকর্তাদ্বয় নাজমুল হাসান, চিফ ফাইনান্স অফিসার এবং উইং কমান্ডর (অব:) সহিদুল্লাহ, হেড লজিস্টিকের নেতৃত্বে দুর্জয় চব্বিশ এর ব্যবস্থাপনায় ৬৫ পদাতিক ব্রিগেড সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ঘুমধুম ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর খালেদ এর নিকট ১শ’ টি (১৮০ পাউন্ড) তাঁবু হস্তান্তর করেন।

ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতায় রোহিঙ্গাদের মাঝে তাঁবুগুলো বিতরণ করা হয়। সেইসময় বিইউএফটির প্রজেক্ট ডাইরেক্টর মো. মুজিবুর রহমান, প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান, ম্যানেজার আইটিসহ পিএস টু ট্রাস্টি বোর্ড মাহফুজা আলম, সহকারী ম্যানেজার সিইপিডি কামরুন নাহার পান্না, পিএসটু ভিসি মোনোয়ারা সুলতানা মুন্নী ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।