মহিলাদের কনডম কি ? এই কনডম ব্যবহারের উপকার বা সুবিধা কি?

মহিলাদের কনডম Female Condom বিষয়ে অনেকের জানা নেই ।তাই আজকে মহিলাদের কনডম Female Condom এর পরিচয় এবং সুবিধা সম্পর্কে জানাব অনেকে হয়ত জানেন না মহিলাদেরও কনডম আছে !! বিষয়টা মহিলাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মহিলাদের কনডম ইংরেজি ( Female Condom) প্রধানত যৌনসঙ্গমকালে নারীসংগী দ্বারা ব্যবহৃত এক প্রকার জন্মনিরোধক বস্তু। এটি মূলত গর্ভাধারন ও গনোরিয়া, সিফিলিজ ও এইচআইভি-এর মতো যৌনরোগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ল্যাস্সি হেসেল এটি আবিস্কার করেন।

female-condom
যৌনসঙ্গমকালে এটি নারীসংগীর যৌনাংগে পরিধান করা হয় এবং এসময় এটি পুরুষের বীর্যকে স্ত্রী যোনিতে (নারীদের যোনি চোষার বিষয়ে কিছু তথ্য জেনে নিন ) প্রবেশে বাধা দেয় ফলে পুরুষের বীর্যের শুক্রাণুসমূহ নারীর ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করতে পারে না। এছাড়া এটি পায়ুসঙ্গমকালে গ্রাহক সংগী দ্বারা পরিধান হতে পারে। মহিলাদের কনডম Female Condom পাতলা, ঢিলা, নমনীয় আবরন এবং এর দুই প্রান্তে দুটি রিং বিদ্যমান।

মহিলাদের কনডম Female Condom ব্যবহারের মাধ্যমে নারীরা তাদের যৌনসাস্থ্যকে নিজ নিজ পছন্দের ও ইচ্ছানুযায়ি নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারেন।এই কনডম ব্যবহারের মাধ্যমে নারী সংগীটি নিজেকে গর্ভধারন থেকে রক্ষা করতে পারে, যখন পুরুষ সংগীটি পুরুষের কনডম ব্যবহারে অনিচ্ছুক থাকে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে নারী সংগীর এই ধরনের কনডমের ব্যবহার পুরুষ সংগীকে সাধারন কনডমের তুলনায় অধিক পুলকিত করতে সক্ষম হয়।
মহিলাদের কনডম Female Condom আলার্জি নিরোধী এবং যাদের রাবার ল্যাটেক্স ব্যবহারে সংক্রমনের সম্ভাবনা রয়েছে তাদের জন্য উপযোগী। মহিলাদের কনডম Female Condom সংগমের বহু সময় পূর্বেই পরিধান করা যায়। পুরুষদের কনডমের ন্যায় এটি পুরুষাংগের উত্থানের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না বা বীর্যস্থলনের সাথে সাথে বের করে নেয়ার প্রয়োজন পড়ে না।এটি আঁটসাঁট নয় এবং শরীরের তাপমাত্রার সাথে সাথে এর উপাদানের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়।
এছাড়া মহিলাদের কনডম Female Condom যে সব রোগ সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় এমন যৌনরোগ থেকে সুরক্ষা দেয় বলে অনেক গবেষনায় দেখা গেছে।
এই সাইটে কোন প্রকার অশ্লীল আর্টিকেল দেওয়া হয় না। মূলত যৌন জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।এরপরও আপনাদের কোর প্রকার অভিযোগ থাকলে comment box এ আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন, আমরা আপনাদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করব। ধণ্যবাদ আপনাদের আমাদের সাথে থাকার জন্য।

আমলকীর আশ্চর্য গুণাবলি

আমলকী এক ধরনের ভেষজ ফল। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম ‘আমালিকা’। একজন মানুষ যদি প্রতিদিন ৬ দশমিক ৫ গ্রাম আমলকী খান, তবে অনেক রোগ থেকেই মুক্ত থাকতে পারবেন।

আমলকীর রস মধু দিয়ে খেলে চোখের বিভিন্ন ধরনের অসুখ ভালো হয়ে যায়, যেমন : কনজাংটিভ, গ্লুকোমা ইত্যাদি। এর মধ্যে ক্রমিয়াম রয়েছে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুবই উপকারী। আমলকী হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া পেশি শক্ত ও নমনীয় করতেও সাহায্য করে। আমলকী বয়সের বলিরেখা পড়তে দেয় না। এমনকি ক্যানসার প্রতিরোধেও বেশ সহায়ক এই আমলকী। এটি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে।

আমলকীতে সলিউবল ফাইবার থাকে। এটি শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে এবং হজমে সাহায্য করে।

আমলকীর সবচেয়ে বড় অবদান চুলের জন্য। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকী খেলে টাক মাথায় নতুন করে চুল গজায়। এটি চুল পাকা, চুল পড়া রোধ করে এবং চুলে চকচকে ভাব নিয়ে আসে। নিয়মিত আমলকী খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। দাঁতের বিভিন্ন অসুখ দূর করতেও আমলকী কাজ করে।

এ ছাড়া আমলকী আরো কিছু অসুখ রোধে সাহায্য করে। যেমন—
অগ্ন্যাশয়ের ক্ষত : অগ্ন্যাশয়ের ক্ষত সারাতে আমলকী বেশ কার্যকর। এটি রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সাহায্য করে। কিডনির রোগ সারাতেও কাজ করে।

লিভার ও জন্ডিস : আমলকী বিভিন্ন ধরনের লিভারের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এটি জন্ডিস ভালো করতেও বেশ উপকারী।

রোদে পোড়া দাগ : রোদে পোড়া দাগ দূর করতে আমলকী খেতে পারেন। এটি সানস্ট্রোক থেকেও রক্ষা করবে আপনাকে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় এটি বেশ উপকারী।

সর্দি-কাশি : দীর্ঘমেয়াদি সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পেতে আমলকী বেশ উপকারী। মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতেও এটি খাওয়া যেতে পারে ।

যে খাবার বাড়ায় কান্সেরের ঝুঁকি

মানুষের মৌলিক চাহিদা গুলির মধ্যে খাদ্য অন্যতম। বেঁচে থাকার জন্য মানুষকে প্রতিনিয়ত খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। শুনে অবাক হবার মত বিষয় হলো দৈনন্দিন গ্রহনীয় কিছু খাদ্য রয়েছে যা কিনা বহুগুনে বাড়িয়ে তুলছে কান্সেরের ঝুঁকি। আসুন যাচাই করে দেখি এই দশটি খাবারের কোন কোন খাবার রয়েছে কিনা আপনার খাদ্য তালিকায়? আজই বাদ দিয়ে দিন সেগুলো। নিজের শরীরের সুস্থতা রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে নিজেকেই।

১। উচ্চ প্রক্রিয়াজাত ময়দাঃ
বেশি প্রক্রিয়াজাত করার কারনে যে ময়দার পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় তাই শুধু নয় বরং ক্ষতিকর ও হয়ে দাঁড়ায়। ময়দাকে ক্লোরিন গ্যাস দ্বারা শোধন করা হয়। এই ক্লোরিন গ্যাস মানব দেহের জন্য খুব বেশি ক্ষতিকর, যা উচ্চরক্তচাপের সৃষ্টি করে। এমনকি এই প্রক্রিয়াজাত ময়দা ক্যান্সারের হারও বৃদ্ধি করে!

২। মাইক্রোওয়েভে ভাজা ভুট্টাঃ
পপকর্ন খেতে কে না ভালোবাসে! মুভি দেখা বা আড্ডায় বসে মজাদার পপকর্ন খেতে প্রায় সবাই ই পছন্দ করে। আর এই পপকর্ন বানানো মানে ভুট্টা ভাঁজার কাজটা মাইক্রোওয়েভে ভাঁজাটা একটু বেশিই সহজ বলা চলে।
কিন্তু মাইক্রোওয়েভে ভাজা ভুট্টা বা পপকর্নে রয়েছে, Perfluortanoic Acid (PFOA). এই রাসায়নিক পদার্থ টেফলনেও পাওয়া গিয়েছে। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে এই উপাদানটি দেহের সাথে মিশে ক্যান্সার সৃষ্টি করে।

৩। কৃত্রিম চিনিঃ
ডায়বেটিস হলে বা ডায়েটের জন্য আমরা অনেকেই বেছে নেই কৃত্রিম চিনি। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে এই চিনি মানব দেহের টক্সিন ভেঙে ফেলে যাকে DKP বলে। এই ভাঙনে যে রাসায়নিক পরিবর্তন হয় তা ক্যান্সার এবং ব্রেন টিউমারের জন্য দায়ী।

৪। অ্যালকোহলঃ
ডায়বেটিস সহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের জন্য দায়ী হল অ্যালকোহল। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে অ্যালকোহল গ্রহন করা নারীদের স্তন ক্যান্সের ঝুঁকি, সাধারন নারী থেকে প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি হয়। তামাকের পর ক্যান্সারের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী হল অ্যালকোহল। এই অ্যালকোহল মুখ, লিভার, কোলন, রেকটাম এবং নারীদের স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

৫। শোধিত চিনি এবং সোডাঃ
বাজার থেকে কেনা এনার্জি ড্রিক্স এবং ড্রাই ফ্রুটসে থাকে প্রচুর পরিমাণে সোডা এবং রিফাইনড সুগার। এই উপাদানগুলো ক্যান্সার জীবাণু বৃদ্ধির জন্য দায়ী। আর তাই এই ধরনের খাবারগুলোকে এড়িয়ে চলাই ভালো।

৬। প্রক্রিয়াজাত মাংসঃ
অনেকেই সময় বাচাতে বাজার থেকে প্রক্রিয়াজাত মাংস কিনে থাকেন। বেশিরভাগ সময় হট ডগ, সসেজ ইত্যাদি তৈরি করার জন্য এ মাংস ব্যাবহার করা হয়। জানেন কি, এসব মাংসে থাকে অতিরিক্ত পরিমানে লবণ আর রাসায়নিক পদার্থ। গবেষণায় দেখা গেছে এসব প্রক্রিয়াজাত মাংস গ্রহণকারী ব্যাক্তি, সাধারণ মানুষ থেকে ৪৩ শতাংশ বেশি ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকে।

৭। ভাপানো, সল্টেড এবং পিকেল্ড খাবারঃ
এই ধরনের খাবার যেমন মটর দানা ভাজা, সল্টেড বিস্কুট, বার্গার, হটডগ ইত্যাদি খেতে সুস্বাদু হলেও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। নিয়মিত এসব খাবার গ্রহন আপনার পাকস্থলি ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।

৮। চিপসঃ
বাচ্চাকে প্রায় প্রতিদিন ই আদর করে চিপস কিনে দেন? হুম, খেতে খুব মজার হলেও এই স্বল্পমেয়াদী স্বাদের খাবারটি কিন্তু আপনার সন্তানের শরীরে ক্যান্সারের সৃষ্টি করতে পারে। চিপসে রয়েছে অতিরিক্ত মাত্রায় ফ্যাট ও ক্যালরি। এছাড়াও রয়েছে অতিরিক্ত মাত্রায় সোডিয়াম যা ক্যান্সার সৃষ্টি করা ব্যাতীত ও হৃদরোগের সৃষ্টি করে।

৯। ফার্মে চাষ করা মাছঃ
ফার্মে চাষ করা মাছগুলো দেখতে বড়সড় হলেও আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। কেননা, এই মাছগুলোকে তাড়াতাড়ি বড় করার জন্য নানা ধরণের রাসায়নিক দ্রব্য, এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো হয়। তাই সাধারণ মাছের তুলনায় এই মাছ দেখতে বেশি আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে এসব মাছে PCB এবং মার্কারির মাত্রাও অত্যাধিক যা ক্যান্সার সৃষ্টি করে থাকে।

১০। ডায়েট ফুড বা লো ফ্যাট জাতীয় খাবারঃ
স্লিম হবার জন্য বা মেদ কমানোর জন্য ডায়েট এর বিকল্প নেই। আর এই ডায়েটের জন্য আমরা বেছে নেই লো ফ্যাট জাতীয় খাবার। তবে দুঃখের বিষয় হল, সবকিছু মিলিয়ে এসব খাবার কিন্তু আমাদের দেহের জন্য ভালো নয়।
এসব খাবারে ব্যবহার করা হয় কৃত্রিম চিনি এবং রঙ। সাধারন খাবারের তুলনায় স্বাদ কমাতে এসব খাবারকে বারবার রিফাইন বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়। ফলে, খাবারে সোডিয়াম এবং ক্যালরীর মাত্রা বেড়ে যায়। এক সময় এই খাবারগুলো ই ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তবে দেখলেন তো, আমাদের গ্রহন করা এ খাবারগুলো কতটা বিপদজনক! এই খাবারগুলো কে এড়িয়ে চলুন। নিজে সুস্থ থাকুন। প্রিয়জনকে ও সুস্থ রাখুন।

French-Fries

সনাক্ত করুন কান্সেরের ১০ টি লক্ষণ

মরণ ব্যাধি কান্সের নাম শুনলেই সবাই আত্কে উঠে।  মানব দেহ বহন করে এমন অনেক কান্সেরের জীবানু যা কিনা আমরা খুব সাধারণ ভাবেই এরিয়ে যাই। তাই আজকে জানব ক্যান্সারের সেই সব লক্ষণ যা থেকে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। 

  • ঘনঘন কাশি মাঝে মাঝে কাশি হলে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। কিন্তু ঘনঘন কাশি কিংবা কফের সঙ্গে রক্ত বের হলে, উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো ব্যাপার বৈকি! বেশিরভাগ কাশি বিপদের না হলেও কিছুক্ষেত্রে তা ফুসফুসে ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
  • অন্ত্রের অভ্যাসে ঘনঘন পরিবর্তন আপনার অন্ত্রের মধ্যে নড়াচড়া যদি সহজ না হয় এবং মল স্বাভাবিকের চেয়ে বড় কিংবা কোনোভাবে অস্বাভাবিক মনে হয়, তাহলে তা মলাশয়ে ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। তাই এক্ষেত্রেও দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি।
  • মূত্রথলির অভ্যাসে পরিবর্তন যদি কারো মূত্র বা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত আসে, তাহলে তা মূত্রথলি বা কিডনির ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। আবার মূত্রনালীতে সংক্রমণের কারণেও এটা হতে পারে। তাই সন্দেহ থাকলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই শ্রেয়।
  • ঘনঘন অপ্রত্যাশিত ব্যথা অধিকাংশ ব্যথাই ক্যানসারের লক্ষণ নয়, তবে ঘনঘন ব্যথা হলে তা চিন্তার বিষয়। তবে ক্রমাগত মাথাব্যথা হলে আবার এটা ভাবার কারণ নেই যে, কারো বুঝি ব্রেইন ক্যানসার হয়েছে। কিন্তু বুকে ক্রমাগত এবং নিয়মিত ব্যথা ফুসফুসের ক্যান্সার কিংবা তলপেটে ক্রমাগত ব্যথা ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।
  • ক্ষতস্থান না শুকালে আপনার শরীরে কোনো ক্ষত যদি তিন সপ্তাহেও না শুকায়, তাহলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ থাকতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে তাই দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
  • অপ্রত্যাশিত রক্তপাত মাসিকের সময় ছাড়া অন্য সময়ে যোনি থেকে রক্তপাত সার্ভিকাল ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে৷ আর মলদ্বার থেকে রক্তপাতও কোনো কোনো ক্ষেত্রে ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।
  • অপ্রত্যাশিতভাবে ওজন কমা অনেকেই ওজন কমানোর জন্য নানারকম চেষ্টা করেন। কিন্তু যদি কোনোরকম চেষ্টা ছাড়াই কারো ওজন ক্রমাগত কমতে থাকে, তাহলে সেটা বিপদের লক্ষণ।
  • অপ্রত্যাশিত স্ফীতি শরীরের কোথাও কোনো অপ্রত্যাশিত স্ফীতি বা কোনো ফোলা স্থানের আকার পরিবর্তন হতে থাকলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। মেয়েদের স্তনের মধ্যে কোনো অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ডের উপস্থিতিও কিন্তু ক্যান্সারের লক্ষণ।
  • ঘনঘন গিলতে সমস্যা হলে এটা দু’ধরনের ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। ঘাড় এবং খাদ্যনালীর ক্যান্সার৷ তাই দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।
  • আঁচিল বা তিলের আকৃতিতে পরিবর্তন সব আঁচিল বা তিলের সঙ্গে টিউমারের সম্পর্ক নেই। তবে কোনো আঁচিল বা তিলের আকৃতি ক্রমাগত পরিবর্তন হতে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই ভালো।

Skin-Cancer copy

জেনে নিন ,মধুর ১২টি গুণাগুণ !

মধু তার অসাধারণ ঔষধি গুনের কারনে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটে রিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের শুধুমাত্র দেহের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে। সর্বগুন সম্পন্ন এই মধুর গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- কোথায় নেই মধুর ব্যবহার? আসুন দেখে নেয়া যাক মাত্র এক চামচ মধু কি কি অসাধারণ উপকারে লাগতে পারে আপনার।

১)মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রঙ চা কিংবা দুধের সাথে খেতে পারেন। সেই সাথে আপনার রোজকার ফেস প্যাকেও ব্যবহার করতে পারেন মাত্র এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।
২)মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে, কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ক্ষত পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে।
৩)মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারনে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান। এক চামচ মধুর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
৪)মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডে ন্টসমূহ যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক চামচ মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মতন লাগান। রোদে পোড়া জনিত কালো দাগ দূর হয়ে চেহারা হবে ঝলমলে।
৫)মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহের কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারাদিনের জন্য দেহের পেশীর ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।
৬)প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।
৭)মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধু লাগান। ঠোঁট হয়ে উঠবে নজর কাড়া সুন্দর।
৮)মধুর ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি কপার , আয়োডিন ও জিংক দেহে এইচডিএল (ভালো) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে মধু কোলেস্টেরল সংক্রান্ত রোগ থকে দেহকে মুক্ত রাখে। দিনে অন্তত এক চামচ মধু খেয়ে নিন,যেভাবে আপনার ভালো লাগে।
৯)সাইনাসের কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের যে কোন সমস্যা থেকে মধুর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডে ন্টসমূহ দেহকে মুক্ত রাখে। চা কিংবা উষ্ণ পানির সাথে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।
১০)প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়। ফলে আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সহজে অসুখ বিসুখ ও জীবাণুর সংক্রমণ হয় না।
১১)মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আমাদের হজম শক্তি বাড়ে ও ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়। এতে ওজন কমে যায়। চিনির বদলে মধুর ব্যবহার মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।
১২)যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। দ্রুত আরোগ্য হবে।

honey copy

ভাত খাবার পর যে ৫টি কাজ করবেন না

→মানলে উপকার আপনারই হবেঃ
.
ভাত খাবার পর’ যে ৫টি কাজ করবেন না
.
পৃথিবীর কমপক্ষে তিনশ কোটি মানুষের প্রধান
খাবার ভাত ৷ বাংলাদেশীদেরও প্রধান খাবারও এই
ভাত । স্বাস্থ্যরক্ষায় ভাত খাবার পর কিছু কাজ
হতে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা ।
.
নিজেকে সুস্থ্য রাখতে মেনে চলুন ওই পাঁচ পরামর্শ ।
.
১. খাবার শেষের পর পরই তাৎক্ষণিকভাবে কোন
ফল খাবেন না । এতে গ্যাসট্রিকের সমস্যা হতে
পারে । ভাত খাওয়ার এক থেকে দুই ঘন্টা পর, কিংবা
এক ঘন্টা আগে ফল খাবেন ।
.
২. ধুমপান করবেন না । আপনি সারাদিনে
অনেকগুলো সিগারেট খেলেও যতটুকু না ক্ষতি হয়,
ভাত খাবার পর একটি সিগারেট বা বিড়ি তার চেয়ে
অনেক বেশী ক্ষতি করবে আপনার শরীরের । ভাত
খাবার পর একটা সিগারেট খাওয়া আর সার্বিকভাবে
দশটা সিগারেট খাওয়া ক্ষতির বিবেচনায় সমান বলে
মত দিয়েছেন চিকিৎসকরা ।
.
৩. চা খাবেন না । চায়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ
টেনিক এসিড থাকে যা খাদ্যের প্রোটিনের
পরিমাণকে ১০০ গুণ বাড়িয়ে তোলে । ফলে খাবার
হজম হতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশী সময়
লাগে ।
.
৪. বেল্ট কিংবা প্যান্টের কোমর ঢিলা করবেন না ।
খাবার পরপরই বেল্ট কিংবা প্যান্টের কোমর ঢিলা
করলে অতি সহজেই ইন্টেসটাইন (পাকস্থলি) থেকে
রেক্টাম (মলদ্বার) পর্যন্ত খাদ্যনালীর নিম্নাংশ
বেকে যেতে পারে, পেঁচিয়ে যেতে পারে অথবা ব্লকও
হয়ে যেতে পারে । এ ধরণের সমস্যাকে ইন্টেস্টাইনাল
অবস্ট্রাকশন বলা হয় । কেউ বেশি খেতে চাইলে
আগে থেকেই কোমরের বাধন লুজ করে নিতে পারেন ।
.
৫. স্নান বা গোসল করবেন না । ভাত খাবার
পরপরই স্নান করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন
মাত্রা বেড়ে যায় । ফলে পাকস্থলির চারপাশের
রক্তের পরিমাণ কমে যেতে পারে যা পরিপাক
তন্ত্রকে দুর্বল করে ফেলবে, ফলে খাদ্য হজম হতে
সময় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী লাগবে ।
.
শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন

images copy

মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ঝুঁকিসমূহ

দৈনন্দিন চাহিদার মধ্যে ঘুম সকল মানুষের একটি প্রাকৃতিক চাহিদা। ঘুম দূর করে ক্লান্তি আর শরীর করে তুলে সতেজ।নিয়মিত ঘুম যেমন প্রয়জন আবার মাত্রাতিরিক্ত ঘুম এর কারণে বাড়তে পারে অনেক রোগের ঝুঁকি। প্রতিদিন  সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমই একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য যথেষ্ট। এখানে, মাত্রাতিরিক্ত ঘুম যে সকল রোগের ঝুকি বহন করে সেগুলি তুলে ধরা হলো –

১. বিষণ্ণতার ঝুঁকি বাড়তে পারে:
২০১৪ সালে প্রাপ্তবয়স্ক যুগলের উপর দীর্ঘ সময় গবেষণা করে জানতে পেরেছেন, অতিরিক্ত ঘুম বিষণ্ণতার সৃষ্টি হয়। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমিয়েছে, তাদের মাঝে বিষণ্ণতার পরিমাণ ছিল ২৭ শতাংশ এবং যারা ৯ ঘণ্টার বেশি সময় ঘুমিয়েছেন, তাদের মাঝে বিষণ্ণতার পরিমাণ ছিল ৪৯ শতাংশ। ২০১২ সালের আরেকটি গবেষণায় দেখা যায়, বৃদ্ধ মহিলাদের জন্য অতিরিক্ত ঘুম মস্তিষ্কের সমস্যা বৃদ্ধি করে। অতিরিক্ত ঘুম প্রতি দুই বছরে তাদের মস্তিষ্কের ঘিলুর পরিবর্তন প্রদর্শিত হয়।

২. গর্ভধারণে সমস্যা হওয়া:
২০১৩ সালে কোরিয়ার গবেষণা দল ৬৫০ জন মহিলা নিয়ে ভিট্রো ফার্টিলাইজেশনের মাধ্যমে তাদের ঘুম নিয়ে গবেষণা করেন। তারা তাদের গবেষণায় দেখতে পান, যেসকল মহিলারা ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা নিয়মিত ঘুমান, তাদের গর্ভধারণের রেট বেশি তবে যারা ৯ ঘণ্টার বেশি সময় ঘুমান তাদের গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে। তাদের মতে, ঘুমের অভ্যাস অবশ্যই সার্কাডিয়ান রিদম , হরমোন secretions এবং মাসিক চক্র পরিবর্তন করতে পারেন । এছাড়াও, অতিরিক্ত ঘুমের ফলে ডায়াবেটিসের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

৩. ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে:
গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত ঘুম ছয় বছরের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে শরীরের ওজন বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যায়। অতিরিক্ত ঘুম ও অল্প ঘুমের কারণে শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়। যারা ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমিয়েছিল গবেষণার সময় তাদের ওজন ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষণার সময়কাল শেষ হবার পর তার ওজন ৫ কেজি বৃদ্ধি পায়। তারা শরীর পরিচর্যা ও ডায়েট করার পরও তাদের ওজন বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই, তাদের মতে ঘুম স্থূলতা ও ওজন বৃদ্ধিতে প্রবল ভূমিকা রাখে।

৪. হার্টের জন্য ক্ষতিকর:
২০১২ সালের আমেরিকান কলেজ কার্ডিওলজি সভায় অতিরিক্ত ঘুমের কারণে হার্টের বিভিন্ন সমস্যা হয় এ বিষয়টি উপস্থাপিত করা হয়। গবেষকরা ৩০০০ মানুষকে নিয়ে গবেষণা করে দেখতে পান যে, অতিরিক্ত ঘুম কণ্ঠনালীপ্রদাহ ও আর্টারি ডিজিজ এর ঝুঁকি দুই গুণ বৃদ্ধি পায়। যা মৃত্যুর কারণও হতে পারে।
২০১০ সালের বিভিন্ন বিভিন্ন ১৬টি গবেষণায় দেখা যায়, অতিরিক্ত ঘুম ও সল্প ঘুম উভয়ই স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। ১৩,৮২,৯৯৯ জন অংশগ্রহনকারীকে নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, আট থেকে নয় ঘণ্টার বেশি ঘুমানোর ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই, পরিমিত ও পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করুন।Sleeping-Woman copy

কিডনি ও কিডনি রোগ সম্পর্কে জানুন এবং সচেতন হোন

মানবদেহের বাহিরে যেমন যত্নবান হওয়া জরুরি ঠিক তেমনি দেহের ভিতরেও যত্নবান হওয়া উচিত। কিডনি মানবদেহের অব্ভান্তরীণ  একটি অঙ্গ। মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের মত কিডনিও একটি  গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিডনিকে মানব দেহের ফিল্টার বলা হয়। কারণ কিডনি প্রাণী শরীরের পানি ফিল্টার করে আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিডনির যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে বেঁচে থাকাও আর সম্ভব নয়। তাই কিডনি ও কিডনি রোগ সম্পর্কে জানুন এবং সচেতন হোন।

  •  আপনি জানেন কি, আপনার দুটো কিডনি প্রতিদিন প্রায় ১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধিত করে আপনার শরীরকে সুস্থ রাখে?
  • দুটো কিডনিতে প্রায় ২০-২৫ লাখ ছাঁকনি রয়েছে, যা অনবরত আপনার রক্তকে পরিশোধিত করে যাচ্ছে।
  •  কিডনি আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে এবং আপনার অস্থিগুলো শক্তিশালী করে থাকে।
  •  কিডনির প্রধান রোগ নেফ্রাইটিস বা নেফ্রোটিক সিনড্রোম, যা কিডনির ছাঁকনি বা ফিল্টার মেমব্রেনকে ক্ষতবিক্ষত করে। এর কারণে শরীর থেকে অত্যাবশ্যক প্রোটিন বেরিয়ে যায়।
  • প্রস্রাব প্রদাহ কিডনির একটি সাধারণ রোগ হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।
  • ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগ নয়, তবু কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা কমিয়ে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করে।
  •  যেসব রোগ কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা বিনষ্ট করে বা কিডনি ফেইলার হয়: ১. নেফ্রাইটিস ২. ডায়াবেটিস ও ৩. উচ্চ রক্তচাপ।
  •  ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী কিডনি রোগে ভোগে থাকে।
  •  আপনার বয়স যদি ৪০ বছরের ওপরে হয়, আপনি যদি ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন অথবা বংশে যদি কিডনি রোগ থাকে, তবে অবশ্যই আপনার রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করে জেনে নিন, আপনার কিডনি রোগ আছে কি না।
  •  মেয়েদের গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ পরবর্তী পর্যায়ে কিডনি রোগের কারণ হতে পারে।
  •  শুধু রক্তচাপ, প্রস্রাব পরীক্ষা এবং রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও সুগার পরীক্ষা করেই জানা যায় কিডনি রোগ আছে কি না।

বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটি লোক কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রাথমিক পর্যায় থেকে এসব রোগের চিকিৎসায় যত্নবান হোন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

যেহেতু কিডনি ছাড়া আমরা অচল, তাই কিডনি নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচতে হলে আমাদের প্রত্যেকেরই কিডনি সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের অগোচরেই অনেক সময় কিছু অসাবধানতার কারণে আমরা কিডনির ক্ষতি করছি।

জেনে নেই কিডনি নষ্টের গুরুত্বপূর্ণ সেই কারণসমূহ :

  •  প্রস্রাব আটকে রাখা।
  •  পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
  •  অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
  •  যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
  • মাংস বেশি খাওয়া।
  • প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
  •  অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
  •  ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
  •  অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
  •  পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেয়া।

 

[ File # csp2267406, License # 1521240 ] Licensed through http://www.canstockphoto.com in accordance with the End User License Agreement (http://www.canstockphoto.com/legal.php) (c) Can Stock Photo Inc. / Eraxion

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে ৭ টি খাবার

স্তন ক্যান্সার বর্তমান বিশ্বে অত্যন্ত ভাবনার একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার আপনাকে প্রতিনিয়ত সাহায্য করে। আর প্রতিদিন বিশেষ কিছু খাবার আপনাকে দূরে রাখতে পারে স্তন ক্যান্সার থেকে। এমন কিছু খাবার যা খুব বেশি দামী নয় আর পাওয়া যায় হাতের কাছেই এবং যা রুখে দিতে পারে আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি। জেনে নিন এ ধরনের ৭ টি খাবার সম্পর্কেঃ

১) বাঁধাকপিঃ বাঁধাকপিতে থাকে প্ল্যান্ট কম্পাউন্ড যা স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। সালাদ বা কোলস্লো বানিয়ে খেতে পারেন বাঁধাকপি। কাঁচা খেতে ভালো না লাগলে হালকা ভাপিয়ে নিতে পারেন সামান্য লবন দিয়ে। বাঁধাকপি কখনোই বেশি সময় ধরে রান্না করবেন না। হাল্কা সবুজ আভা থাকতে থাকতেই চুলা থেকে নামিয়ে নিন। নয়তো এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায় অনেকটাই।

 

২) অলিভ অয়েলঃ অলিভ অয়েলে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা মূল জায়গা থেকে দেহের নানা ধরনের ক্ষতি প্রতিরোধ করে। এটি স্তনে টিউমারের বৃদ্ধি রোধ করে ও স্তন ক্যান্সার ঠেকায়। মাংস ম্যারিনেট করে রাখার সময় আপনি সহজেই ব্যবহার করতে পারেন খানিকটা অলিভ অয়েল আর সেই সাথে সবজি রান্নাতেও খানিকটা দিতে পারেন।সবচেয়ে ভালো হয় যদি সালাদের ড্রেসিং এ ব্যবহার করতে পারেন।

 

৩) উজ্জ্বল রঙের ফল ও সবজিঃ উজ্জ্বল রঙের বিশেষত লাল, হলুদ ও কমলা রঙের সবজি ও ফলে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ছাড়াও থাকে ক্যারোটিনয়েড নামক পদার্থ। যা স্তন ক্যান্সার প্রতিহত করে। তরমুজ, কমলা, লাল মরিচ, মিষ্টি আলু, টমেটো, গাজর ইত্যাদি বেশি করে খাদ্য তালিকায় রাখুন।

 

৪) সবুজ শাকঃ সবুজ শাকে থাকে ভিটামিন বি যা আপনার ডি এন এ কে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে আর প্রতিরোধ করে স্তন ক্যান্সার।যদি আপনার শাক রান্না খেতে ভালো না লাগে, তবে শাক কুচি করে মেশাতে পারেন পাস্তা, নুডলস, সালাদ বা সসের সাথে।

 

৫) কম ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত খাবারঃ কম ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত খাবারে থাকে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি স্তন ক্যান্সার থেকে আপনাকে দূরে রাখে। টকদই ও পনির খেতে পারেন। এগুলো আপনাকে মোটা হতে না দিয়েই স্বাস্থ্যের সুরক্ষা করবে।

 

৬) আখরোটঃ আখরোটে যদিও প্রচুর ক্যালোরি থাকে তবু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে এটি স্তনের টিউমারের বৃদ্ধির গতি কমিয়ে আনে। কম করে হলেও আখরোট খান যা আপনার স্তনকে রাখবে ক্যান্সার থেকে সুরক্ষিত।

 

৭) সামুদ্রিক মাছঃ সামুদ্রিক মাছে আছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা প্রদাহ প্রতিরোধ করে একে ক্যান্সারে রূপ নিতে বাধা দেয়। সপ্তাহে অন্তত ২ দিন সামুদ্রিক মাছ খান যা আপনাকে স্তন ক্যান্সার থেকে দূরে রাখবে শত হাত।

 

বর্তমানে ডাক্তাররা পুষ্টিকর খাদ্যের মাধ্যমেই বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের কথা বলছেন। এগুলোর মধ্যে স্তন ক্যান্সার অন্যতম। পুষ্টিকর খাবার খান আর প্রতিরোধ করুন স্তন ক্যান্সার।

 

 rupcare_breast-cancer copy