রাসুল (সাঃ)-এর এই ভবিষ্যতবাণী কি ১০০% মিলে যায় নি?

রাসুল (সাঃ) বলেছেন, সিগ্রই আমার উম্মতের কিছু লোক মূর্তিপূজা করবে এবং কিছু লোক মুরতিপুজারিদের সাথে মিশে যাবে। (সুনান ইবনে মাজাহ- ৩৯৫২) Continue reading “রাসুল (সাঃ)-এর এই ভবিষ্যতবাণী কি ১০০% মিলে যায় নি?”

ব্রেকিং নিউজ: প্রখ্যাত বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী এই মাত্র মারা গেলেন

সিনেমা দেখেছি , কিন্তু শ্রী দেবীর সিনেমা দেখিনি এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল , যদিও তিনি ছিলেন সেকালের অভিনেত্রী। বাবা মার কাছে তার নাম যত বার শুনেছি অন্য কোনো নায়ক নায়িকার নাম তার অর্ধেক ও শুনি নাই। Continue reading “ব্রেকিং নিউজ: প্রখ্যাত বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী এই মাত্র মারা গেলেন”

আপনার ঘন ঘন স্বপ্ন দোষ হচ্ছে?

আমাদের অনেকের গণ গণ স্বপ্ন দোষ হয়ে থাকে , এতে যেমন আমাদের শারীরিক ক্ষতি হচ্ছে তেমনি সময় মতো অনেক এবাদত থেকে বঞ্চিত হচ্ছি , নবীজির ঘুমানোর আগের সুন্নত গুলো মানলে এ থেকে বাঁচা সম্ভব | Continue reading “আপনার ঘন ঘন স্বপ্ন দোষ হচ্ছে?”

আপনি কি হালাল পথে উপার্জন করছেন ? তাহলে এই আর্টিকলে টি আপনার জন্য

আল্লাহ তায়ালা অসংখ্য-অগণিত নিয়ামতের মধ্যে ডুবিয়ে রেখেছেন আমাদের। খাদ্য-পানীয়, আলো-বাতাস, জীবন-জীবিকা সবই তিনি আমাদের দিয়েছেন সুচারুরূপে। একজন মানুষ জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মহান আল্লাহ তায়ালার অসংখ্য-অগণিত নেয়ামতে লালিত-পালিত হয়; যার সঠিক পরিসংখ্যান সম্ভব নয়। জীবনধারণের উপকরণ সন্ধান করা ইসলামি শরিয়তের একটি স্পষ্ট নির্দেশ। মানবআত্মা প্রকৃতিগতভাবে রিজিক অন্বেষণের পেছনে ছুটে চলে। আর আল্লাহ তায়ালা দিনকে করেছেন জীবিকা অর্জনের সময়কাল এবং রাতে বানিয়েছন বিশ্রামের সশয় হিসেবে। তিনি মানুষকে নির্দেশ দিয়েছেন ভূপৃষ্ঠে বিচরণ করতে এবং তার দেয়া রিজিক ভোগ করতে। হালাল রিজিক উপার্জন করে মানুষের দ্বারস্থ হওয়ার থেকে বেঁচে থাকাই বিশাল সম্মান ও মর্যাদার বিষয়।
আল-কোরানে হালাল রিজিক উপার্জন প্রসঙ্গ

এক. পবিত্র কোরানে আল্লাহ মহান ইরশাদ করেন, আর পৃথিবীতে কোনো বিচরণশীল নেই, তবে সবার জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহ নিয়েছেন, তিনি জানেন তারা কোথায় থাকে এবং কোথায় সমাপিত হয়। সবকিছুই এক সুবিন্যস্ত কিতাবে রয়েছে।'[সুরা-হুদ, আয়াত-৬]
দুই. আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, অতঃপর নামাজ সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ কর ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর,তোমরা সফলকাম হবে।’ [সুরা-আল-জুমা, আয়াত-১০]
তিন. আল্লাহ বলেন, হে বিশ্ববাসীগণ,তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। আর সুদের যা বকেয়া আছে তা পরিহার করো; যদি তোমরা বিশ্বাসী হও। কিন্তু যদি তোমরা তা না করো তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও।’ [সুরা বাকারা-২৭৯]
চার. আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘হে রাসুলগণ, তোমরা পবিত্র ও ভালো বস্তু থেকে খাও এবং সৎকর্ম কর। নিশ্চয় তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আমি সম্যক জ্ঞাত। [সুরা আল-মুমিনুন :৫১]
পাচ. আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘হে মুমিনগণ, আহার কর আমি তোমাদের যে হালাল রিজিক দিয়েছি তা থেকে এবং আল্লাহর জন্য শোকর কর, যদি তোমরা তারই ইবাদত কর। [সুরা বাকারা:১৭২]

আল-হাদিসে হালাল রিজিক উপার্জন প্রসঙ্গ
এক. ইবনে মাসউদ [রা.] থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, আল্লাহর নির্ধারিত রিজিক পূর্ণমাত্রায় লাভ না করা পর্যন্ত কোনো জীবজন্তুই মারা যায় না। সাবধান! আল্লাহকে ভয় কর এবং বৈধ পন্থায় আয়-উপার্জনের চেষ্টা কর। রিজিক প্রাপ্তিতে বিলম্ব যেন তোমাদের তা উপার্জনে অবৈধ পন্থা অবলম্বনে প্ররোচিত না করে। কেননা আল্লাহর কাছে যা রয়েছে, তা কেবল তার আনুগত্যের মাধ্যমেই লাভ করা যায়। [ইবনে মাজা]
দুই. আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ [রা.] থেকে বর্ণিত,নবী [সা.] ইরশাদ করেন, কোনো ব্যক্তি হারাম পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে, তা থেকে দান-খয়রাত করলে তা কবুল করা হবে না এবং সে তার এ সম্পদে বরকত প্রাপ্ত হবে এরূপ কখনো হতে পারে না। তার পরিত্যক্ত হারাম মাল কেবল তার জন্য দোজখের পাথেয় হতে পারে (তা দিয়ে আখেরাতের সৌভাগ্য ও সাফল্য অর্জন করা যায় না)। আল্লাহতায়ালার নিয়ম হচ্ছে, তিনি মন্দের দ্বারা মন্দকে নিশ্চিহ্ন করেন না (হারাম মালের দান দ্বারা গুনাহ মাফ করেন না)। বরং ভালো দ্বারা মন্দ নিশ্চিহ্ন করেন (হালাল মালের দান দ্বারা গুনাহ মাফ করেন। নাপাক দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা যায় না। (মুসনাদে আহমাদ)।
তিন. নবী আকরাম [সা.] একটি হাদিসে বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের রুজি রোজগারের জন্য কাজ করে এবং সে কাজে লক্ষ্য থেকে আল্লাহর সন্তুটি অর্জন, তার দৃষ্টান্ত হজরত মুসা আ:-এর মায়ের মতো। তিনি নিজেরই সন্তানকে দুধ পান করান আবার তার বিনিময় লাভ করেন।
চার. শরিয়তের দৃষ্টিতে রিজিক অন্বেষণে শ্রম ব্যয়ের গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে নবিজি [সা.] বলেছেন, ‘নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্য সর্বোত্তম খাদ্য’।
পাচ. রাসুলে করিম [সা.] হাদিসে পাকে ইরশাদ করেন, ‘হালাল রিজিক অন্বেষণ করা ফরজ আদায়ের পর আরেক ফরজ। [তিবরানি ও বায়হাকি শরিফ]
হালাল রিজিক অন্বেষণ করাও একটি ইবাদত
আল্লাহই রিজিকের মালিক। কে কী উপার্জন করবে তা আল্লাহতায়ালা নির্ধারণ করে রেখেছেন। বান্দার উচিত হবে বৈধ পন্থায় আয়-উপার্জন করার প্রয়াসে নিয়োজিত থাকা। হালাল এবং হারামের পার্থক্য সম্পর্কে সতর্ক থাকা। কোনোভাবেই হারাম পথে প্রলুব্ধ না হওয়া। হারাম পন্থায় জীবিকা উপার্জনের দ্বারা কোনো ইবাদাত কবুল হবে না। বিষয়টিকে আমাদের অধিক গুরুত্ব দিতে হবে তা হলো, আমরা যা উপার্জন করছি তা পবিত্র কি-না, হালাল কি-না। কেননা আল্লাহ তায়ালা যা পবিত্র ও হালাল কেবল তাই ভক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
হালাল রিজিক অন্বেষণ করা কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়
পবিত্র ও হালাল রিজিক অন্বেষণ-উপার্জন করা আদৌ কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয় রবং টি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যিক বিষয়। কারণ কেয়ামতের ময়দানে বান্দাকে তার জায়গা থেকে এক চুল পরিমাণও নড়তে দেয়া হবে না যতক্ষণ না সে এই প্রশ্নের উত্তর প্রদান করতে পারবে যে, সে তার জীবিকা কীভাবে অর্জন করেছে এবং কোথায় তা ব্যয় করেছে। তাই প্রত্যেক মুসলমানের ইমানি কর্তব্য হলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা যে, সে তার জীবিকা কীভাবে উপার্জন করছে! সে যা উপার্জন করছে তা হালাল কি-না, পবিত্র কি-না তা অবশ্যই যাচাই করতে হবে।
ইবাদত কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত হালাল রিজিক

প্রসিদ্ধ সাহাবি হজরত সাহল ইবনে আবদুল্লাহ [রা.] বলেন, মুক্তি বা পরিত্রাণ লাভ তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল- ১. হালাল খাওয়া ২. ফরজ আদায় করা এবং ৩. রাসুলে করিম [সা.]-এর সুন্নতগুলোর আনুগত্য বা অনুসরণ করা। হালাল খাদ্য গ্রহণের মধ্যে ব্যক্তিজীবনের নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, দান-খয়রাত, লেনদেনসহ যাবতীয় নেক আমল কবুল হওয়ার সমূহ আশা বিদ্যমান এবং হারাম খাদ্যের প্রতিক্রিয়ায় তা কবুল না হওয়ার প্রবল আশঙ্কাই রয়েছে। এ ব্যাপারে উম্মতকে সতর্ক করতে রাসুল [সা.] ইরশাদ করেন, ‘বহু লোক এমন দীর্ঘ সফর করে আসে এবং অত্যন্ত ব্যাকুলভাবে দুহাত তুলে আল্লাহর দরবারে বলতে থাকে, হে পরওয়ারদেগার! রব! কিন্তু যেহেতু সে ব্যক্তির পানাহারসামগ্রী হারাম উপার্জনের, পরিধেয় পোশাক-পরিচ্ছদ হারাম পয়সায় সংগৃহীত, এমতাবস্থায় তার ইবাদত-বন্দেগি, নামাজ-রোজা কী করে কবুল হতে পারে?’ অন্যত্র তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি হারাম মালের এক লোকমা তার পেটে ঢোকাবে, ৪০ দিন পর্যন্ত তার নামাজ-রোজা, ইবাদত-বন্দেগি কবুল হবে না [তিরবানি শরিফ]
হালাল উপার্জন করার গুরুত্ব ও মহাত্ম্য
হালাল খাওয়ার বরকত ও হারাম খাওয়ার অকল্যাণ, অপকারিতা আর অনিষ্টতার প্রতি গুরুত্বারোপ করতে গিয়ে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা তাঁর কালামে পাকে সুরা বাকারার ১৭২ নম্বর আয়াতে ইমানদারদের সম্বোধন করে বলেন, ‘হে ইমানদারগণ! তোমরা হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্রী আহার করো, যেগুলো আমি তোমাদের রুজি হিসেবে দান করেছি এবং শুকরিয়া আদায় করো আল্লাহর, যদি তোমরা তাঁরই বন্দেগি করো।’ আলোচ্য আয়াতে কারিমার তাফসির পেশ করতে গিয়ে জগদ্বিখ্যাত আলেম মুফতি শফী (রহ.) তাঁর কালজয়ী ‘তাফসিরে মা’আরেফুল কোরআন’ তাফসির গ্রন্থে বলেন, ‘আলোচ্য আয়াতে যেভাবে হারাম খাওয়ার প্রতি নিষিদ্ধারোপ করা হয়েছে, ঠিক সেভাবে হালাল ও পবিত্র খানা খেতে এবং তা খেয়ে শুকরিয়া আদায় করতে অনুপ্রাণিত করা হয়েছে। কারণ হারাম খেলে যেমন মন্দ অভ্যাস ও অসৎ চরিত্র সৃষ্টি হয়, ইবাদতের আগ্রহ স্তিমিত হয়ে আসে, দোয়া কবুল হয় না, তেমনিভাবে হালাল খানায় আল্লাহ প্রদত্ত বরকত আর রহমত থাকার দরুন অন্তরে এক ধরনের নূর সৃষ্টি হয়, যা দ্বারা অন্যায় ও বদ চরিত্রের প্রতি ঘৃণা জন্মায় এবং সততা-সাধুতা ও উত্তম চরিত্রের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়; ইবাদত-বন্দেগির প্রতি অধিক মনোযোগ আসে, পাপের কাজে মনে ভয় আসে এবং ইবাদত, দোয়া ও মোনাজাত কবুল হয়। আর এ কারণেই আল্লাহ তাঁর সব নবী-রাসুলের প্রতি হেদায়েতস্বরূপ ইরশাদ করেন, হে আমার রাসুলগণ! তোমরা পবিত্র খাদ্য গ্রহণ করো এবং নেক আমল করতে থাকো [সুরা মুমিনুন, আয়াত ৫১]
দুনিয়ার মোহে অন্ধ হয়ে হালাল-হারামের বাছবিচার না করে, হক-হালাল না চিনে যে যেভাবে পারছি টাকা উপার্জনের পেছনে ছুটছি। সুদ, ঘুষ, চুরি, বাটপাড়ি, খুন, হত্যা, সিনেমা, গান, রাহাজানি, জবরদখল- এমন কোনো ঘৃণ্য পন্থা নেই, যা আমরা অবলম্বন করছি না। হিসাব করে দেখছি না ক্ষণিকের সুখ আর দুদিনের দুনিয়ার পেছনে পড়ে কিভাবে আখিরাতের অফুরন্ত সম্ভাবনাকে ধ্বংস করে দিচ্ছি। একবারও ভেবে দেখছি না, এ হারাম উপার্জনের কারণে আমার ইবাদত-বন্দেগি, নামাজ-রোজা, দান-খয়রাত সব বরবাদ হয়ে যাচ্ছে।?

আপনি জানেন কি টুথপেস্টের টিউবে রঙিন চিহ্ন কেন ব্যবহার করা হয়

দাঁত ঝকঝকে রাখতে টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করা মাস্ট। টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নানা রকমের টুথপেস্টের সঙ্গেই পরিচয় রয়েছে আমাদের। পছন্দমতন এক একজন এক একরকমের টুথপেস্টের ব্যবহার করেন। কিন্তু টুথপেস্ট ব্যবহার করলেও কখনও কি টুথপেস্ট টিউবের নিচের অংশে কিউব আকৃতির রঙিন চৌকো অংশটি খেয়াল করেছেন? এক একটি টুথপেস্টে এক এক রংয়ের থাকে এটি।

সবুজ, নীল, লাল, কালো রঙের এই ছোট্ট বাক্সটিকে নিয়ে হয়তো কোনও মাথাব্যাথা নেই কারোওরই। কিন্তু এগুলির পিছনেও রয়েছে একটি কারণ রয়েছে৷ রয়েছে আলাদা আলাদা অর্থ। রং ভেদে পেস্টগুলির আলাদা আলাদা মানে আছে।

সবুজ:যেসমস্ত পেস্ট তৈরিতে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হয়।

নীল:এই টুথপেস্ট তৈরি করতে কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ ব্যবহার করা হয়।

লাল:এই টুথপেস্ট তৈরি করতে কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ও কিছু রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়।

কালো:এই টুথপেস্ট তৈরি করতে শুধুমাত্র রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়।

আপনার টুথপেস্টের চৌকো বক্সটি কোন রংয়ের? মিলিয়ে নিন উপরের তথ্য দেখে৷ কোনও ক্ষতি করছেন না তো নিজের?

রাসুল (সাঃ) এর সাথে একসঙ্গে জান্নাতে যেতে চান,তাহলে আমল করুন এই দোয়াটি !!

হজরত মুনজির [রা.] বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে এ দোয়াটি পড়বে আমি তার দায়িত্ব নিলাম, কেয়ামতের দিন আমি তাকে তার হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাব। [মুজামে কাবির-৮৩৮ মুজামুস সাহাবাহ-১৬৯৬]

বাংলা উচ্চারণ
রদিতু বিল্লাহি রববাও ওয়া বিল ইসলামি দিনাও ওয়া বিমুহাম্মাদিন [সা.] নাবিইয়াও।

বাংলা অর্থ
আমি আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট আমার প্রতিপালক হিসেবে এবং ইসলামের প্রতি সন্তুষ্ট আমার দীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি সন্তুষ্ট আমার নবী হিসেবে।

মূল- হজরত মাওলানা ইউনুস বিন উমর পালনপূরী
অনুবাদ- মাওলানা মিরাজ রহমান

বাংলাদেশ ক্রিকেটের মধ্যমনি তিনি। বিশ্বের যারা ক্রিকেট বোঝেন তাদের কাছে পরিচিত নাম জাতীয় ওয়ানডে দলের এই অধিনায়ক। ইতোমধ্যে শেষ করেছেন ক্যারিয়ারের ১৬ টি বছর।যার প্রতিটি ক্ষণ ছিল স্মরণীয়।

এই ১৬ বছর ক্যারিয়ারে মাশরাফির ওয়ানডেতে সেরা বোলিং ফিগার ৬/২৬। অন্যদিকে টেস্টে ৪/৬০। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ার জুড়ে কাঁচি-ছুরির নিচে গেছেন অন্তত সতবার। তবুও তিনি লড়ছেন আপন মনে। এ যেন জীবন্ত কিংবদন্তী, জীবন্ত যোদ্ধা।

এই মাশরাফিকে যারা চেনেন তাদের নিশ্চত মনে আছে ২০১১ বিশ্বকাপের কথা। বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত ২০১১ বিশ্বকাপে মাশরাফিকে দলের বাইরে রেখেই স্কোয়াড় গড়েছিল নির্বাচক ও কোচ। টিম ম্যানেজম্যান্টের এমন সিদ্ধান্তে কেঁদেছিলেন জাতীয় দলের এই অধিনায়ক।

এ বিষয়ে দেশের প্রথম সারির একটি বেসরকারি টিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মাশরাফি বলেছেন, ‘এটা আসলে ঠিক হয়নি। আমি সেদিন কেঁদেছিলাম। ভাবতেও পারিনি আমার সাথে এমনটা করবে। কারণ আমি সারাক্ষণই দলের সঙ্গে ছিলাম। প্যাকটিসেও এসেছিলাম নিয়মিত। বুঝতেই পারিনি কোচ ও টিম ম্যানেজম্যান্ট আমার সাথে এমনটা করবে।’

অদ্ভুত ব্যাপার হলো, বোর্ড কিংবা কোচের কাছ থেকে আগে থেকে বিষয়টা শুনেননি মাশরাফি। তাই তো তার কষ্টের মাত্রাটা কয়েন গুণ বেশিই। আসরটিতে পুরো সময় জুড়ে দলের বাইরে ছিলেন তিনি। কিন্তু তার আশা ছিল কোন না কোন ম্যাচে ফিরবেন। কিন্ত শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি।

সেসময় মাশরাফির বিরুদ্ধে কথা উঠেছিল তিনি ইনজুরিতে ভুগছেন, আনফিট। কিন্তু দল গঠনের আগেও মোহামেডানের হয়ে দুর্দান্ত খেলেছিলেন এবং ভালো বোলিং করেছিলেন। এ ব্যাপারে মাশরাফি বলেন, এই ঘটনা যাতে আর কোন প্লেয়ারের বেলায় না ঘটে। অন্তত তাকে খেলার আগে জানানো উচিত। শুধু আমি কেন, সে সময় এমন ঘটনা ঘটেছে অনেকের সঙ্গে।

এই সূরা পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা রিজিকের ১০০০ টি দরজা খুলে দিবেন !!

মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৪টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১টি। আল ইখলাস সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরাটিকে ইসলামের শেষ পয়গম্বর মুহাম্মদ (সা:) বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তাৎপর্যের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এই আয়াতে আল্লাহ্‌র অস্তিত্ব ও সত্তার সবচেয়ে সুন্দর ব্যাখ্যা রয়েছে। এটি কুরআনের অন্যতম ছোট একটি সূরা হিসেবেও বিবেচিত হয়ে থাকে। এই সূরাটি কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।

আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সূরা) ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ সম্পর্কে বলেছেন, “সেই মহান সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ আছে, নিঃসন্দেহে এটি কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল।”

অপর এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণকে বললেন, ‘তোমরা কি এক রাতে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়তে অপারগ?’ প্রস্তাবটি তাঁদের পক্ষে ভারী মনে হল। তাই তাঁরা বলে উঠলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! এ কাজ আমাদের মধ্যে কে করতে পারবে?’ (অর্থাৎ কেউ পারবে না।)

তিনি বললেন, “ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস স্বামাদ’ (সূরা ইখলাস) কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল।” (অর্থাৎ এই সূরা পড়লে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়ার সমান নেকী অর্জিত হয়) (বুখারী) [1]

[1] সহীহুল বুখারী ৫০১৫, ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫, নাসায়ী ৯৯৫, আবূ দাউদ ১৪৬১, আহমাদ ১০৬৬৯, ১০৭৩১, ১০৭৯৭, ১০৯১৩, ১০৯৯৯, মুওয়াত্তা মালিক ৪৭৭, ৪৮৩ হাদিসের মানঃ সহিহ
(Sahih) উক্ত সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু আরও বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি কোন লোককে সূরাটি বারবার পড়তে শুনল। অতঃপর সে সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তা ব্যক্ত করল। সে সূরাটিকে নগণ্য মনে করছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “সেই সত্তার শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ আছে, নিঃসন্দেহে এই সূরা (ইখলাস) কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।” (বুখারী)

মাশরাফি বিন মতুর্জা। বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রাণ বলা হয় তাকে। গত ২৭ জুন একটি পত্রিকার মুখোমুখি হোন তিনি। তাতে মাশরাফি বলেন এই পৃথিবীর দুইজনকে ভয় পান তিনি। মানুষের এই ভালোবাসার কি কোনো ব্যাখ্যা আছে আপনার কাছে? একটা তো বুঝি, আপনার কথাবার্তা, চিন্তাভাবনা একটু আলাদা।

আপনি যেমন সব সময় বলেন, ক্রিকেট খেলছেন বলে লোকে আপনাকে মাথায় তুলে রাখছে। যেখানে সমাজে এর চেয়ে বেশি অবদান রেখেও অনেকে এমন ভালোবাসা বা সম্মান পাচ্ছে না। কথাটা সত্যি, কিন্তু তারকাখ্যাতি অনেককেই এটা ভুলিয়ে দেয়। আপনার মধ্যে এই বোধটা কীভাবে থাকল?

সাংবাদিকের এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আপনি বলতে পারেন, এর একটা কারণ ধর্মবিশ্বাস। প্রত্যেক মানুষ তার ধর্মকে বিশ্বাস করে। যেমন আমি প্রবলভাবে বিশ্বাস করি, পৃথিবীতে যা কিছু হচ্ছে ওপরওয়ালার মাধ্যমেই হচ্ছে। এটা আমি সব সময় মানি। জীবনের প্রতিটা পদক্ষেপে দুজনকে ভয় পাই—প্রথম আল্লাহ, দ্বিতীয় আমার মা। এই দুটো জিনিস পৃথিবীতে আমার সবচেয়ে দুর্বল জায়গা। এর সঙ্গে আমি ভাগ্যে প্রচণ্ড বিশ্বাসী। দেখেন, শুধু পরিশ্রম করলেই সব পাওয়া যায় না।

যদি আমি এভাবে চিন্তা করি, একজন রিকশাওয়ালা আমার চেয়ে বেশি খাটছে। আপনি তাকে কীভাবে বলবেন যে, তুমি পরিশ্রম করো, তোমার জীবন বদলে যাবে! ২০ বছর ধরে রিকশা চালাচ্ছে, সে আর কত পরিশ্রম করবে?

সংসারে সচ্ছলতা নেই, শান্তি নেই। তার মানে কি সে ঠিকমতো খাটেনি? একজন রিকশাওয়ালার দিকে তাকিয়ে দেখেন, ভ্যানওয়ালার দিকে, একজন ড্রাইভারের দিকে…তারা কী না করছে! তারা ছেলেমেয়েদের যেভাবেই হোক, পড়ালেখা করাচ্ছে। আবার ওই ছেলে বড় হওয়ার পর হয়তো তাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

এর কী ব্যাখ্যা? পরিশ্রম করলেই সাফল্য—এই কথা কি এখানে খাটে? অনেকে শচীন টেন্ডুলকারের উদাহরণ দেন—টেন্ডুলকার পরিশ্রম করেছে বলে এত সাফল্য পেয়েছে। তাহলে ওই রিকশাওয়ালা কী করছে? সে-ও তো পরিশ্রম করছে। অনেকে বলে, আল্লাহ তোমাকে দিয়েছে। হ্যাঁ, তোমার ‘ট্যালেন্ট’ ছিল, তুমি ভালো করেছ। আবার আমি এটাও বিশ্বাস করি যে, যদি না খাটো, তাহলে তুমি কিছুই পাবে না। শুধু ‘ট্যালেন্ট’ থাকলেই হবে না। তার ঠিকমতো ব্যবহার করতে হবে।

আবার এটাও বিশ্বাস করি, অনেক খেলোয়াড়ই খুব পরিশ্রম করছে, কিন্তু হচ্ছে না। তার মানে কী, খাটলেই সবার হয় না। তবে তখন একটা সান্ত্বনা থাকে যে আমি আমার সেরাটা দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, তুমি যা পেয়েছ, যেখানে আছ, পরিশ্রম না করলে ওখান থেকে ওপরে যাওয়া সম্ভব নয়। হয়তো নিচে যাবে, কিন্তু ওপরে যাওয়া সম্ভব নয়।

আবার এটাও বিশ্বাস করি না যে, শচীন টেন্ডুলকার এত রান করেছেন, এটা শুধু ওঁর যোগ্যতাতেই করেছেন। আজকে আমি এত ভালোবাসা মানুষের পেয়েছি বা আমার এই যে ক্যারিয়ার, তা যেমনই হোক—আমি বিশ্বাস করি না যে, এর সবকিছু আমার দ্বারাই সম্ভব হয়েছে। হ্যাঁ, আমি চেষ্টা করেছি, আমার নিষ্ঠা-আন্তরিকতা ছিল, সবই ঠিক আছে। কিন্তু ওপরওয়ালার থেকে না আসলে এটা আমার পক্ষে সম্ভব হতো না। এটা আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি।

আবার এটাও বিশ্বাস করি না যে, শচীন টেন্ডুলকার এত রান করেছেন, এটা শুধু ওঁর যোগ্যতাতেই করেছেন। আজকে আমি এত ভালোবাসা মানুষের পেয়েছি বা আমার এই যে ক্যারিয়ার, তা যেমনই হোক—আমি বিশ্বাস করি না যে, এর সবকিছু আমার দ্বারাই সম্ভব হয়েছে। হ্যাঁ, আমি চেষ্টা করেছি, আমার নিষ্ঠা-আন্তরিকতা ছিল, সবই ঠিক আছে। কিন্তু ওপরওয়ালার থেকে না আসলে এটা আমার পক্ষে সম্ভব হতো না। এটা আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি।

আল্লাহর পর মাকে সবচেয়ে ভয় পান বললেন। এটা একটু ব্যাখ্যা করবেন?

অপর প্রশ্নের উত্তরে মাশরাফি বলেন, এর মূল কারণও ধর্মবিশ্বাস। ছোটবেলা থেকেই একটা কথা বিশ্বাস করে এসেছি, এখনো বিশ্বাস করি, মা যদি কোনো কথা বলে, এর ওপরে কোনো কথা বলা যাবে না। আমার ধর্ম আমাকে এটাই বলে। আমি এটা মেনে চলি।

বিয়ের আগে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানা সকলের প্রয়োজন!

ভালোবেসে বিয়ে করুন কিংবা আয়োজন করে- বিয়ের জন্যে ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রস্তুতি দরকার। বিবাহিত জীবনের সাফল্য বহুলাংশেই নির্ভর করে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী নির্বাচনের উপর। তবে যদি কেউ বিয়ে করতেই চান, তবে তাদের কিছু প্রশ্নের পছন্দসই উত্তর মেলা জরুরি।

বলতেই হয়, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে এটা একটা। এ কাজে পা বাড়ানোর আগে অবশ্যই দ্বিতীয়বার ভেবে নেওয়া দরকার। বিশেষজ্ঞরা বিয়ের পরিকল্পনা করছেন বা ইচ্ছে হচ্ছে বা ভবিষ্যতে করবেন- এমন মানুষদের জন্যে গুটিকয়েক প্রশ্ন তুলে ধরেছেন।

* বিনিময় ছাড়া টাকা ধার হিসেবে দেওয়া বা এমনিতেই দেওয়ার মানসিকতা আছে তো? 
যদিও এটা সবচেয়ে জটিল এক বিষয়। বিয়ের পর অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখা সবচেয়ে চিন্তার। আধুনিক মেয়েরা চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ী হন। আবার অনেকেই বিয়ের পর গৃহিনী হিসেবে সংসার করতে চান। তখন স্ত্রীর সব খরচ স্বামীকেই চালাতে হয়।

এক হিসেবে চিন্তা করলে, আপনি একজনকে পয়সা দিচ্ছেন, কিন্তু বিনিময়ে কিছু চাইছেন না। এটা অফেরত যোগ্য খরচ। যদি সেই মানসিকতার হন তো সমস্যা নেই।

* সব অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড শেয়ার করতে প্রস্তুত আপনি?
এটা আসলেই খুব কঠিন এক বিষয়। কিন্তু সঙ্গী-সঙ্গিনীকে কি আর সব পাসওয়ার্ড দিয়ে দেওয়া যায়? কিন্তু বিয়ের পর বিশ্বস্ততা আনতে দু’জনের একজন বা উভয়ই দাবি করে বসতেই পারে। আর সেই বিশ্বস্ততার পরীক্ষায় পাস করতে হবে। না করলেও কিন্তু বিপদ। অশান্তি শুরু হবে। কাজেই বিয়ের আগে আপত্তি উঠতে পারে এমন কোনো সম্পর্ক বা ডিজিটাল সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সততার প্রমাণে সব পাসওয়ার্ড জীবনসঙ্গীকে দেওয়ার সাহস থাকতে হবে।

* বিরক্তিকর অভ্যাস বা বদভ্যাস এখনও ধরে রেখেছেন?
আপনার নানা কাজে প্রায়ই বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের লোকজন বিরক্ত হয়ে থাকেন? হয়তো পাত্তা দেন না আপনি। কিন্তু অনেকে বিরক্তি প্রকাশ করে থাকলে বুঝতে হবে আপনার মধ্যে একাধিক বদভ্যাস রয়েছে। বিয়ের পর কিন্তু পাত্তা না দিয়ে এসব ধরে রাখলে চলবে না। এ বিষয়কে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। কারণ ছোটখাটো মনে হলেও এগুলো দাম্পত্যজীবনের বড় সমস্যার সৃষ্টি করে।

* মায়ের ফোনকল কী তাকে দিতে পারেন?
একটু জটিল বিষয়, তবে প্রশ্নটা ছেলেদের জন্যে প্রযোজ্য হতে পারে। মায়ের ফোনকল আসলেই অধিকাংশ ছেলেদের স্ত্রীর কাছ থেকে একটু দূরে গিয়ে তা রিসিভ করতে দেখা যায়। এখানে বউয়ের সঙ্গে স্বামী আর শাশুড়ির বিস্তার ফারাকের দৃশ্যই ফুটে ওঠে। এটা নিশ্চয়ই সুখী দাম্পত্যজীবনের লক্ষণ নয়। কাজেই বিষয়টি আপনাকেই ঠিক করার মানসিকতা রাখতে হবে। যদি আপনি তেমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তো, বিয়ের চিন্তা করতে সমস্যা নেই।

* বাড়ির কাজে হাত লাগাতে প্রস্তুত?
হয়তো সারাদিন শুয়ে-বসে থাকেন। কিংবা দৌড়-ঝাঁপেই দিন কাটে আপনার। যাই করেন না কেন, বাড়ির কাজে হাত লাগানোতে আপনার কোনো ইচ্ছাই নেই। কিন্তু বিয়ের পর সব দায়িত্ব বউয়ের ওপর ছেড়ে দিলে চলবে না। বাড়ি সামলানো আরো অনেক বেশি ঝক্কির কাজ। তাই অমানবিক হবেন না। ঘরের কিছু কাজের দায়িত্ব হাসিমুখে নিজের কাঁধে নিন।

এই বছরের সেরা পাঁচ জোকস পড়ুন আর প্রাণ খুলে হাসুন

এক গাড়ীতে বল্টু তার
ফ্যামিলি কে নিয়ে যাচ্ছে॥
বল্টুর বাবা পিছনের সিট এ
ঘুমাচ্ছে আর বল্টুর মা
পাশের সিট এ বসা॥
হটাৎ রাস্তায় ট্রাফিক
পুলিশ গাড়ী থামিয়ে
বলল…
.
ট্রাফিক পুলিশ:- আজ সুরক্ষা
সপ্তাহ।
আপনি সিট বেল্ট বেধে
গাড়ী চালাচ্ছেন তাই সরকার
আপনাকে ১০,০০০ টাকা পুরস্কার
দিবে॥
.
আপনি এই পুরস্কার দিয়ে
কি করবেন????

.
বল্টু:- সবার আগে আমি আমার
ড্রাইভিং লাইছেন্স বানাবো॥
তখন বল্টুর মা বলল…
.
বল্টুর মা:- ওর কথা বিশ্বাস
করবেন না স্যার নেশা
করে ও যা খুশি তাই বলে॥
.
পুলিশের কথা শুনে বল্টুর
বাবা ঘুম থেকে উঠে
বলল…
.
বল্টুর বাবা:- আরে বল্টু
আমি আগেই বলছিলাম
চুরি করা গাড়ী নিয়ে আমরা
বেশি দূর যেতে পারবোনা.॥
Baba আর
ছেলে কথা বলছে:—
বাবা : তুই
বিয়ে করবি ?
ছেলে : না ।
বাবা : সেই মেয়ে যদি বিলগেটস
এর মেয়ে হয় ?
ছেলে : তাহলে ঠিক
আছে।
এরপর বাবা ছুটলেন
বিশ্ব ব্যাংক এ….. বাবা : আমার
ছেলে কে আপনাদের
ব্যাংকের ম্যানেজার
করবেন ?
বিশ্ব ব্যাংক : না ।
বাবাসে যদি বিলগেটস এর জামাই হয় ?
বিশ্ব ব্যাংকতাহলে ঠিক আছে। এখন বাবা ছুটলেন
বিলগেটস এর কাছে……

বাবা : আমার
ছেলেকে আপনার
মেয়ের
সাথে বিয়ে করাবেন ? বিলগেটস : না ।
বাবা : সে যদি বিশ্ব
ব্যাংকের ম্যানেজার
হয় ?
বিলগেটসতাহলে ঠিক আছে।

এক বুড়া বাপ তার
ছেলেকে জেলে চিঠি লিখলঃ’
বেটা,
আমার অনেক বয়স
হয়েছে। এত
বড় ক্ষেত খনন করে আলু চাষ
করা আমার
পক্ষে সম্ভব না।
তুই
থাকলে একটু সাহায্য
করতে পারতি’ . .

.
. ছেলে জেল
থেকে বাবাকে চিঠিতে জবাব
দিলঃ ‘তুমি ঐ ক্ষেত
খনন কর না ।
কারণ,
ক্ষেতে আমি আমার,সব
অস্ত্র
লুকিয়ে রেখেছি।
পরেরদিন কতগুলো পুলিশ
গিয়ে পুরো ক্ষেত
খনন
করে দেখল, কিন্তু
অস্ত্র
পেলো না।

ছেলে আবার তার
. .
.
.
.
. . . .
.
বাবাকে চিঠি লিখলঃ ‘বাবা,
আমি জেলে থেকে তোমার
জন্য এতটুকু
সাহায্যই করতে পারলাম।
এখন
শুধু
আলুর
বীজ লাগিয়ে দিয়.

একদিন একটি বিমান মানসিক অসুস্থ
(পাগল) দের বহন করে চিকিৎসার জন্য
একদেশ
থেকে অন্যদেশে নিয়ে যাচ্ছিলো।
পুরো বিমানটিতে পাগলগুলো
চিৎকার করে শব্দ-দূষণ করছিলো এবং এতে পাইলট এর
প্লেন চালাতে খুবই
অসুবিধা হচ্ছিলো।
হঠাৎ করে একটি পাগল
কিভাবে যেন
পাইলট এর কেবিনে ঢুঁকে পড়লো।
পাগলটি পাইলটকে বলল,
পাগলঃ ভাই
তুমি কিভাবে প্লেন
চালাও আমারে একডু শিখায় দাও।
আমি কালকেই একডা প্লেন কিন্না নিজে চালায়া লং ড্রাইভে
যামু।

পাইলটঃ আচ্ছা ঠিক আছে,
কিন্তু
একটা শর্ত আছে।
পাগলঃ কি শর্ত? পাইলটঃ আপনি যদি আপনার
বন্ধুদের শান্ত করে এই
প্লেনে হওয়া শব্দ-দূষণ বন্ধ
করতে পারেন। আমার প্লেন
চালাতে অনেক সমস্যা হচ্ছে।
পাগলঃ আচ্ছা ঠিক আছে। [১০ মিনিট পরে প্লেন একদম
শান্ত!!]
পাগল এসে পাইলটকে বলল,
পাগলঃ হ্যা ভাই, এখন শিখান।
পাইলটঃ Wow!! খুবই চমৎকার
আপনি কিভাবে উনাদের শান্ত করলেন?




↓ ↓


পাগলঃ আমি গিয়া প্লেন এর
দরজা খুইল্লা সবাইরে কইলাম ”
কেও এখানে শব্দ কইরো না, যাও সবাই বাহিরে গিয়া খেলোগা”

সাগরে নৌকা নিয়ে ঘুরত
আমেরিকান, এক
ইন্ডিয়ান আর এক
বাংলাদেশী।
হঠাৎ
পানি থেকে একটা দৈত্য উঠে এল। দৈত্য
প্রচন্ড
রাগী কন্ঠে বললঃ তোর
অনুমতি ছাড়াই আমার
এলাকায় ঢুকেছিস।
এখন আমি তোদের মেরে ফেলব!
ওরা তো ভয়ে হাউ-মাউ
করে কাঁদতে লাগল।
ওদের কান্নায় দৈত্যের
মন কিছুটা নরম হল।
দৈত্য বললঃ ঠিক আছে, তোদের
একটা চান্স দিচ্ছি।
তোরা কোন কিছু
সাগরের
পানিতে ফেলে দিবি।
যদি আমি সেটা তুলে আ তাহলে তোদের
মেরে ফেলব। আর
যদি না তুলে আনতে পার
ছেড়ে দেব।
আমেরিকান
লোকটি বন্দুকের একটা বুলেট
পানিতে ফেলল।

দৈত্য
সাথে সাথে সাগরের
পানিতে ডুব
দিয়ে সেটা তুলে আনল,
আর আমেরিকান লোকটিকে মেরে ফেলল
এবার ইন্ডিয়ান
লোকটি একটা সুই
পানিতে ফেলে দিল।
দৈত্য
সাথে সাথে সাগরের পানিতে ডুব
দিয়ে সেটা তুলে আনল,
আর ইন্ডিয়ান
লোকটিকে মেরে ফেলল
এবার
বাংলাদেশী লোকটির পালা।
সে একটা ওর-
স্যালাইনের প্যাকেট
খুলে সবটুকু স্যালাইন
পানিতে ঢেলে দিল !!!
LOLZZZ

এক লোক এক বাসায় গিয়ে পানি চাইল…
ছোট বাচ্চাঃ পানি নেই
লাচ্ছি চলবে??
লোকঃ অবশ্যই
অনেক শুকরিয়া
লোকটি ৫ গ্লাস লাচ্ছি পরপর খেয়ে জিজ্ঞেস করল,
“ তোমাদের বাসায় কেও
লাচ্ছি খায় না?? ”

বাচ্চাঃ জী খায়কিন্তু আজ
লাচ্ছি তে টিকটিকি পড়ে গেছেতো তাই কেও
খায়নি!! এ কথা শুনে লোকটির হাত থেকে গ্লাস পড়ে
গেলো!!
বাচ্চাটি কাঁদতে কাঁদতেবললঃ “আম্মু, ইনি
গ্লাস
ভেঙ্গে ফেলেছেন !!
এখন কুকুর দুধ খাবে কিসে…..