বাজারে ঢুকছে প্লাস্টিকের প্রলেপ দেয়া তরমুজ

তাও ভাল যে লাউ বা চালকুমড়ার উপর রঙ মেরে তরমুজ কয় নাই, বাঙালির মত বেইমান জাতি মনেহয় আর নাই, খারাপের সব লেভেল ক্রস করে ফেলসে এরা 😡😡😡 Continue reading “বাজারে ঢুকছে প্লাস্টিকের প্রলেপ দেয়া তরমুজ”

১৪ বছর ধরে জাল টাকা বানাচ্ছে , বিলিয়নার হয়ে ধরা

টাকা বানানোর সকল পদ্দতি বর্ণনা করে জানালেন ।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর থানায় বসে পঞ্চাশ বছর বয়সী জামান জানান, ১৪ বছর ধরে টাকা জাল করার সঙ্গে জড়িত তিনি। ১৯৯৮ সালে একটি একশ টাকার নোট ফটোকপি করার পর থেকেই জাল টাকার চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে তার; শুরু হয় টাকা জাল করার ফন্দি।
এর ‘কাজে’ নামার আগে সাইন বোর্ড তৈরির দোকান ছাড়াও প্রিন্টার ও ফটোকপির দোকানে কাজ করেছেন বলে জানান জামান।
এই কাজে কি ‘সফটওয়্যার’ লাগে- এমন প্রশ্নে জামানের উত্তর, “না স্যার। টাকা স্ক্যান করে কালার ঠিকমতো মিলানোর পর প্রিন্ট করলেই অবিকল টাকা পাওয়া যায়।”
“প্রথমে কালার ফটোকপি দিয়ে নোটের দুই দিক ফটোকপি করার পর স্ক্রিন প্রিন্ট করে বাঘের মাথার জলছাপ দেয়া হয়, এরপর বিশেষ কাগজে তাপ দিয়ে বানানো হয় নিরাপত্তা সুতা।”

কাগজ কোথা থেকে সংগ্রহ করতেন তাও জানিয়েছেন জামান।
এক লাখ টাকা জাল করতে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা খরচ হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ওই নোট ৮/১০ হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়।
এই জাল নোটের ‘কারবার’ করেই কুষ্টিয়ায় বাড়ি করেছেন জামান।
গ্রেপ্তারের ভয়ে সাধারণত ফরিদপুর ও কুষ্টিয়ায় থেকে সারা বছর এই কারবার চালালেও ঈদকে সামনে রেখে কামরাঙ্গীরচর এসে টাকা ‘বানাতে’ গিয়েই ধরা পড়েন তিনি। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন শান্তা ওরফে শাবানা নামের এক নারী। তিনি নিরাপত্তা সুতার তৈরি করতেন বলে অভিযোগ আছে। যদিও শান্তা তা অস্বীকার করেছেন।
শুধু টাকাই না, জামান শেখ ভারতীয় রুপিও জাল করার পদ্ধতি রপ্ত করেছেন।
রুপি কেন জাল করেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “উত্তম নামে একজন ভারতের মালদহ থেকে এসে ওই রুপি নিয়ে যেত। গত ১৪ বছরে উত্তম ১০ থেকে ১২ বার জাল রুপি নিয়ে গেছে।”

প্রথমবার টাকার রঙ্গিন ফটোকপি করার পর টাকা ‘বানানোর’ ফন্দিতে নিজের এলাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে আশি হাজার টাকায় একটি রঙ্গিন ফটোকপি করার মেশিন কেনেন জামান। সঙ্গে কিনে ফেলেন অন্যান্য সরঞ্জামও। এরপর শুরু করে দেন টাকা জাল করা।
শুরুটা ছিলো ঢাকার জিগাতলায় ভাড়া নেয়া এক বাসায়। এরপর কতো বাসা যে পরিবর্তন করেছেন তা গুণেও শেষ করতে পারেন না এই জালিয়াত কারিগর।
জামান জানান, ১৯৯৯ সালে হেলাল নামে এক শিষ্যের ‘বোকামির’ কারণে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে ধরা পড়ে ২১ মাস জেল খেটেছিলেন। এরপর জামিনে বের হয়ে এসে আবার পুরোদমে ‘ব্যবসা’ শুরু করেন।
একবার ধরা পড়ার পরও জামানকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়নি কেন- এমন প্রশ্নে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, “উচিৎ ছিল। হয়তো নজরদারিও ছিলো। দীর্ঘ সময়তো, তাই এক সময় নজরদারি থেকে দূরে সরে যায় সে।”

করুন_কাহিনী ……….

★আমার মেয়ের কাছে আজও আমি নিষ্পাপ পিতা★
আমি একজন রিকসা চালক রিক্সা চালিয়েই দিনআনি দিন খাই, হটাৎ একদিন এক গার্মেন্টস কর্মি রাবেয়ার সাথে পরিচয় হয় আমার,,

প্রতিদিন রাত ১০ টায় গার্মেন্টস ছুটি হলে ওকে আমি ওর বাসায় পৌছে দেই এভাবে কেটে যায় ৬ মাস তারপর আমি তাকে একদিন বিয়ের পস্তাব দিলে ও মুচকি হেসে ওর বড় আপুর সাথে আমাকে কথা বলতে বলে, তাই একদিন ছুটির দিন আমি ওর বড় আপুর সাথে কথা বল্লে তিনিও আমাকে পছন্দ করেন এবং আগামি শুক্রবার বিয়ের দিন ঠিক করেন,

আমিও ব্যাস্ত হয়ে পরি বিয়ের আয়োজন করতে, মহাজনের কাছে গিয়ে ৫০০০ টাকা ধার করে মটামুটি ছোটখাটো
ধুমধাম করেই শেষ হয় আমাদের বিয়ে, রাবেয়া বউ হয়ে আসে আমার কুড়ে ঘরে, তারপর থেকে টেনে টুনে মোটামুটি সুখেই কাটছিলো আমাদের দিনগুলো,, একদিন আমার রিক্সা চালিয়ে ঘরে ফিরতে একটু রাত হয়ে গেলো, ফিরতেই রাবেয়া দৌড়ে এসে আমাকে জাপটে ধরলো, কি ব্যাপার? কি হইছে রাবু?

রাবেয়া আমার কানে কানে বল্লো সে মা হতে চলেছে, আমি খুশিতে আত্ব্যহারা হয়ে ওকে কোলে তুলে নাচতে লাগলাম পাসের ঘরের ভাবি আমার পাগলামো দেখে হাসতে শুরু করলেন তা দেখে আমি আর রাবেয়া দুজনেই লজ্জা পেয়ে গেলাম,, তারপর রাবেয়ার ডেলিভারির সময় ঘনিয়ে এলে আমি চিন্তিত হয়ে পরি অনেক টাকার দরকার,

আমি দিনরাত রিক্সা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পরি টাকা যোগানোর জন্যো,আজকে রাবেয়ার ডেলিভারি হবে ডাক্তার বলেছে সিজার করতে হবে অনেক টাকা লাগবে তাই ভোরের আযানের সাথেই রিকিসা নিয়ে ভের হই, টাকা যোগারের জন্যো, এক পথিক আমায় ডাকলো এই রিক্সা যাবে? কোথায় জাবেন সার? ধনমন্ডি? যাবো ১০০ টাকা লাগবে, কেনো এতো কেনো? আজকে আমার বউয়ের ডেরিভারি হবে টাকা লাগবে অনেক স্যার, তাই???

আচ্ছা আমি তোমাকে ২০০ টাকাই দেবো তবে তারাতারি যেতে হবে বলেই ভদ্রলোক আমার রিক্সায় উঠে বসলেন, কিছুদুর যাওয়ার পর ঠটাৎ ভদ্রলোকটি লাফিয়ে রিকসা থেকে নেমে পালিয়ে গেলেন, পেছনে ঘুরে তাকাতেই পুলিশ এসে আমাকে বেধড়ক পেটাতে লাগলেন,

কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার হাতে হাত কড়া লাগিয়ে থানায় নিয়ে বল্লেন আমার রিক্সায় অবৈধ অস্র পাওয়া গেছে তাই আমাকে চালান করে দিল কোর্টে আমার চিৎকার আর আকুতি কেউ শুনলো না, আজ পাচ বছর হলো আমি জেলখানায় নিরঅপরাধ হয়ে বিনা বিচারে জেল খাটছি ৭ বছরের সাজা হলো আমার,

শুনেছি আমার এ কথা শুনে কষ্টে রাবেয়ার ডেলিভারির সময় রাবেয়া আমাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলেগেছে ওপারে শান্তির নিবাশে, আল্লার কাছে, তবে স্মৃতি হিসাবে রেখেগিয়েছিলো একটি কন্যা সন্তান, পাশের বাড়ির ভাবিই তাকে পাচটি বছর লালন পালন করেছে, আজ আমার মেয়েটি আমাকে জেলখানায় দেখতে এসেছিল ওর নিজের হাতে আমাকে খাইয়ে দিচ্ছিল তখন আমি চিৎকার করে বলেছিলাম আমার মেয়ের কাছে আমি আজো সেই নিষ্পাপ পিতা।

এত পরিমাণে শেয়ার করুন যাতে করে প্রশাসনের নজরে আসে। আর কোনো রাবেয়াকে যাতে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়, এতিম হতে না হয় আর কোনো অবুজ শিশুকে।

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় শাহজালালে ব্লগার গ্রেফতার

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এক ব্লগারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার নাম আসাদুজ্জামান নূর ওরফে আসাদ নূর। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, আসাদ নূরের বিরুদ্ধে এ বছরের ১১ জানুয়ারি বরগুনার আমতলী থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একটি মামলা (নম্বর ১৪) দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমতলী শাখার সভাপতি মুফতি ওমর ফারুক। মামলায় আসাদের বিরুদ্ধে মহানবী হজরত মুহম্মদের (সা.) বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগ আনা হয়েছে। ঢাকার ইমিগ্রেশন পুলিশ ও আমতলী থানার ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বরগুনার আমতলী থানার ওসি শহীদ উল্লাহ বলেন, ‘ব্লগার আসাদ নূর ও তার এক সহযোগী লিমন ফকিরের বিরুদ্ধে মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে মামলা হয়েছিল। মামলার পরপরই লিমন ফকিরকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু আসাদ নূর পলাতক ছিলেন। সোমবার তিনি বিমানবন্দর দিয়ে নেপালে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। আমাদের টিম তাকে আনার জন্য ঢাকায় রওয়ানা হয়েছে।’

ওসি বলেন, ‘এর আগে আসাদ নূর কিছু দিন ভারতে গিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। আমরা তার বিষয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশকে জানিয়ে রেখেছিলাম।’

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, আসাদ নূর নেপালের কাঠমাণ্ডু যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন চ্যানেল পার হচ্ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই রেড নোটিশ থাকায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আমতলী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মাধব চন্দ্র দে বলেন, ‘আসাদ নূরের বাড়ি আমতলীর উত্তর টিয়াখালী। তার বাবার নাম তোফাজ্জল হোসেন।’

গতকাল থেকে ইয়াবা সেবনের পরপরই ইয়াবা সেবনকারি মারা যাচ্ছে।(বিস্তারিত ভিডিওতে)

মায়ানমার আর্মি নাকি এক প্রকার বিষ দিয়ে ইয়াবা বানিয়ে বাজারে ছাড়ছে। রোহিংগাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছে। এজন্য মায়ানমার সরকার ইয়াবার সাথে বিষ মিশিয়ে বাংলাদেশের বাজারে ছেড়েছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী নিরীহ জনগণদের বাঁচাতে হাজার কোটি টাকার ইয়াবা নষ্ট করে ফেলছে ।

বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান সংস্থার তথ্য মতে, নাখালপাড়াতে ইয়াবা খেয়ে একটা মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটছে এই সপ্তাহে। আর গতকাল ৪/৫ জন ইয়াবা খাওয়ার পরে প্রেশার অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। ইমিডিয়েট হসপিটালাইজ করতে হয়েছে।
মেরুল বাড্ডাতে এ পর্যন্ত দু জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এবং ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের মুখ দিয়ে লালচে লালা বের হচ্ছে !! মারা যেতে পারে যে কোন মুহূর্তে।
দয়া করে এই খবরটি কপি-পেস্ট করে ছড়িয়ে দিন। ইয়াবা সেবনকারীরা এদেশেরই নাগরিক। কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেটে প্রাণঘাতী উপাদান মেশাচ্ছে মায়ানমার। এই নতুন ইয়াবা সেবনের ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই মানুষের সেরিব্রাল এটাক হয় এবং মাথার রক্তনালী ফেটে গিয়ে তাৎক্ষনিক মৃত্যু হয়। জীবন বাঁচাতে ইয়াবা সেবন থেকে নিবৃত করুন।
মানবসেবায়ঃ বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে বিইউএফটি

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে বিইউএফটি

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি’র (বিইউএফটি) কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে তাঁবু বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ৮ ডিসেম্বর কক্সবাজারে উখিয়ার ঘুমধুম আর্মি ক্যাম্পে গমন করে।

বিইউএফটি কর্মকর্তাদ্বয় নাজমুল হাসান, চিফ ফাইনান্স অফিসার এবং উইং কমান্ডর (অব:) সহিদুল্লাহ, হেড লজিস্টিকের নেতৃত্বে দুর্জয় চব্বিশ এর ব্যবস্থাপনায় ৬৫ পদাতিক ব্রিগেড সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ঘুমধুম ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর খালেদ এর নিকট ১শ’ টি (১৮০ পাউন্ড) তাঁবু হস্তান্তর করেন।

ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতায় রোহিঙ্গাদের মাঝে তাঁবুগুলো বিতরণ করা হয়। সেইসময় বিইউএফটির প্রজেক্ট ডাইরেক্টর মো. মুজিবুর রহমান, প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান, ম্যানেজার আইটিসহ পিএস টু ট্রাস্টি বোর্ড মাহফুজা আলম, সহকারী ম্যানেজার সিইপিডি কামরুন নাহার পান্না, পিএসটু ভিসি মোনোয়ারা সুলতানা মুন্নী ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

৬০ বছর ধরে গোসল করেনি এই মানুষটি !! তারপর যা ঘটলো জানলে অবাক হবেন।

দিনে কবার গোসল করেন মশাই? একটা সমীক্ষায় এমন একটা সহজ প্রশ্ন করা হয়েছিল সবাইকে। তাতে কেউ জানিয়েছিল দুবার, কেউ একবার। কেউ কেউ তিনবারও গোসল করে থাকেন। আসলে গরম থেকে বাঁচতে অথবা ক্লান্তি দূর করতে গোসল উপেক্ষা করার ইচ্ছা কারওরই থাকে না। কিন্ত এই মানুষটা চরম গরম আবহাওয়ার মধ্যে থেকেও টানা ৬০ বছর গোসল করেননি। তবু তিনি দিব্যি আছেন।

ইরানের বাসিন্দা এই লোকটির নাম – আমু হাজি। বয়স প্রায় ৮০ বছর কিন্তু লোকটি ৬০ বছর ধরে গোসল করেনি কিন্তু ডেলি ৫ লিটার করে পানি পান করে শরীর ঠিক রাখতে । এমন জীবন বেছে নিয়েছে মানুষটা? আর কী কী আজব বিষয়ে নিজেকে এমনভাবে বেঁধে রেখেছে আমু? এমন নান প্রশ্ন মাথায় ঘুরছে। তাই আর অপেক্ষা করতে পারছি না। যদি আপনারও একই হাল হয়, তাহলে এক্ষুনি চোখ রাখুন বাকি প্রবন্ধে। জেনে নিন এক আজব, নোংড়া মানুষের উদ্ভট জীবন সম্পর্কে।

গোসল না করার কারণ –
কোনও কারণে তার মনে হয়েছিল গোসল করলে নাকি সে অসুস্থ হয়ে যাবে। তাই ২০ বছরের পর থেকে গায়ে পানি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল আমু হাজি। শুধু তাই নয়, তার খাওয়ার ধরণও সাধারণ মানুষদের মতো নয়। আমু খিদে পেলে ভাত-রুটি খায় না, তার প্রথম পছন্দ পোঁচে যাওয়া সজারু। আর এমনটা সে ১-২ বছর নয়, টানা ৬০ বছর ধরে খেয়ে আসছে। এবার বলুন তো এমন মানুষের কথা আগে শুনেছেন কখনও?

ধূমপানে অরুচি নেই –
একা একা থাকতে থাকতে একাকিত্বের সঙ্গে লড়াইটা আমু জিতে গেছে ঠিকই। কিন্তু মাঝে মাঝে সাপের বিষের মতো একা থাকার কষ্টটা কেমন যেন রক্তে মিশতে থাকে ৮০ বছরের বৃদ্ধের। তখন মাথা ঠিক থাকে না। মনে হয় একটু ধূমপান করলে মন্দ হত না। সে সময় আমু ধূপপান করে। বাতাসকে ভারি করে চারিদিকে ছড়িয়ে দেয় ধোঁয়ার জাল। কিন্তু ভুলেও সে তামাক ব্য়বহার করে না। তার পছন্দ প্রাণীদের শুকিয়ে যাওয়া পটি। এমন জিনিস দিয়ে নেশা করলে নাকি দারুন আমেজ তৈরি হয়, এমনটাই দাবি এই আজব মানুষটির।
এছাড়াও, কখনও কেউ আমুর সঙ্গে দেখা করতে গেলে এমনভাবেই তাকে পাকড়ে ধরেন মানুষটা। আসলে গল্প করার ইচ্ছাটা এখনও মেটেনি তার। তাই তো কাউকে পেলেই শুরু করে দেয় নিজের জীবন কাহিনি। এমন ভাবেই একদিন এক ডাক্তারকে নিজের উদ্ভট জীবন প্রসঙ্গে নানা কথা বলছিলেন আমু। সব শোনার পর ওই ডাক্তারের মনে হয়েছিল নোংড়াভাবে থাকতে থাকতে, নোংড়া খাবার এবং জল খেতে খেতে আমুর শরীরটা নিশ্চয় ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। কিন্তু আজব ব্যাপার, বাস্তবে এমনটা হয়নি। ওই চিকিৎসক আমুর শরীর পরীক্ষা করে দেখেন এত অত্যাচারের পরেও তার শরীরে কোনও রোগ বাসা বাঁধেনি। শুধু তাই নয়, সবদিক থেকে মানুষটা বেজায় সুস্থও আছেন। কিভাবে যে এমনটা সম্ভব হল, সে উত্তর যদিও আজ পর্যন্ত কেউ পায়নি।

দাড়ি কাটে আগুন দিয়ে –
একেবারে এমন কাজটাই করে থাকেন এই বৃদ্ধ। যখন তার দাঁড়ি অনেকটাই বড় হয়ে যায়, তখন অতিরিক্ত অংশটা কেটে না ফেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিতেই সে ভালবাসে। কেন করেন এমনটা? এই প্রশ্নের উত্তর একবার আমু জানিয়েছিল, গোসল না করলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে সবসময়ই তার মন চায়। তাই তো সে এমনটা করে থাকে। লোকটির

এরকম উদ্ভট চেহেরা হওয়ার আসল ইতিহাস –
অনেক খোঁজ খবর চালানোর পর দেখা মিলল কিছু মানুষের। যে গ্রামে আমুর ২০ বছর কেটেছে, সেই গ্রামের বাসিন্দা হল এরা। তারা জানালো প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর পরই আমু একটি মেয়েকে খুব ভালবেসে ফেলেছিল। কিন্তু নানা কারণে সেই মেয়েটি তাকে ছেড়ে চলে যায়। সেই দুঃখে, যন্ত্রণায় সারা জীবন একা থাকার সিদ্ধান্ত নেন হাজি। সেই থেকেই তার বাস জঙ্গলে জঙ্গলে। বন্ধ স্নান, খাওয়া-দাওয়া। হে ইশ্বর, ভালবাসার মারে মানুষটা যখন ক্ষতবিক্ষত, তখন তুমি কোথায় ছিলে, কোথায় ছিলে তুমি!

সব হারিয়ে নিঃস্ব সে এখন –
এমন জীবনে কি তুমি খুশি? খুব খুশি! এমনই উত্তর পাওয়া যায় আমুর থেকে। তার মতে, যারা বড় বড় অট্টালিকায় থাকে তাদের অনেক কিছু হারানোর ভয থাকে। তার কাছে কিছু নেই হারানোর মতো, যা ছিল তা আনেক আগেই সে হারিয়ে ফলেছে। তাই এই পৃথিবীতে তার থেকে খুশি মানুষ আর দ্বিতীয় কেউ নেই বলেই মনে করেন আমি হাজি।

জেনে নিন, পৃথিবীর গরীবতম ৫ দেশ, ৩ নম্বর নামটায় চমকাবেন!

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনাহারে কষ্ট পাচ্ছে এমন শিশুর ছবি পোস্ট করে মানুষকে অনেক কিছু জানানোর চেষ্টা করেন অনেকেই। তাতে কমেন্ট বা শেয়ার করে জনস্বার্থে প্রচার করারও অনুরোধ জানান।

কিন্তু অনেকেই জানেন না এই বিশ্বে কটা দেশ, সবচেয়ে গরিবতম দেশগুলির তালিকায় সবচেয়ে শীর্ষে রয়েছে।

১) কঙ্গো : দুনিয়ার সবচেয়ে দরিদ্রতম দেশ। দেশের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র অনাহারে মারা যান। ৪০ শতাংশ মানুষ আধপেটা খেয়ে বাঁচেন। দারিদ্রতার মাপকাঠি এই দেশ সবার প্রথমে। গৃহযুদ্ধের পর দেশের অর্থনীতি একেবারে জরাজীর্ণ হাল। ভ্রুক্ষেপ নেই সরকার ও প্রশাসনেরও। দেশে কর্মসংস্থানের কোনও বালাই নেই। মধ্য আফ্রিকার এই দেশে রাস্তায় রাস্তায় মানুষ খিদের জ্বালায় ছোটাছুটি করে।

জিডিপি পার ক্যাপিটা ৩৪৮ মার্কিন ডলার।

২) লাইবেরিয়া : পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে অর্থনীতি একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। যেটুকু ছিল তা ইবোলা হানার পর নিঃশেষ হয়ে গিয়েছে। একজন লাইবেরিয়ান সদ্যোজাত ৩৫০০ মার্কিন ডলার ঋণ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৪৫৬ মার্কিন ডলার।

৩) জিম্বাবুয়ে : একেবারে দেউলিয়া দেশ। রাষ্ট্রনেতা রবার্ট মুগাবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ, ক্ষোভ-বিক্ষোভ রয়েছে। সম্পদে পরিপূর্ণ দেশ হলেও জিম্বাবুয়ে দেউলিয়া দেশে পরিণত হয়েছে। অর্থনীতির হাল এতটাই খারাপ যে ১ মার্কিন ডলারের মূল্য জিম্বাবোয়েতে দাঁড়িয়েছে ৩৬২ টাকা। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৪৮৭ মার্কিন ডলার।

৪) বুরুন্ডি : পূর্ব আফ্রিকার এই দেশের অর্থনীতি একেবারে বেহাল দশা। জিডিপি পার ক্যাপিটা ৬১৫ মার্কিন ডলার।

৫) এরিত্রেয়া : গৃহযুদ্ধের পর বেহাল দশা এই দেশে। প্রশাসনিক গাফলতির কারণে আফ্রিকার এই দেশ বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে। জিডিপি পার ক্যাপিটা মার্কিন ৭৩৫ ডলার।

– এই সময়

জেনে নিন, মসজিদটিতে তালাবন্ধ করে দিয়েছিল সেই দেশের সরকার, গায়েবি ভাবে হচ্ছে আজান, খুলছে দরজা (ভিডিওটি দেখুন, )

মসজিদটি সরকার তালাবন্ধ করে দিয়েছিল সেই দেশের সরকার, ওয়াক্ত হলেই আজান  দরজা গায়েবি ভাবে হচ্ছে আজান, খুলছে দরজা