ট্রাম্পের ভাষণ ‘ঘেউ-ঘেউ করা কুকুরের চিৎকার’: উত্তর কোরিয়া

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উত্তর কোরিয়াকে হুমকি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ভাষণ দিয়েছেন, সেটাকে ‘ঘেউ-ঘেউ করা কুকুরের চিৎকার’ বলে অভিহিত করেছেন উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কূটনীতিক রি ইয়ং হো।

সাধারণ অধিবেশনে ট্রাম্পের ভাষণের পরিপ্রেক্ষিতে এটাই উত্তর কোরিয়ার প্রথম জবাব বলে বৃহস্পতিবার বিবিসির খবরে বলা হয়। পাশাপাশি ‘বাধ্য করা হলে যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়াকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেবে’ ট্রাম্পের এমন সতর্কবার্তাকে তিনি অগ্রাহ্য করেছেন বলে খবরে বলা হয়।

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদরদপ্তরের কাছে একটি হোটেলের সামনে ট্রাম্পের ভাষণের প্রতিক্রিয়া জানতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রি বলেন, “কথায় আছে না, ‘কুকুর ঘেউ ঘেউ করলেও কুচকাওয়াজ বন্ধ থাকে না’।”

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত মন্তব্যে রি আরো বলেন, “যদি ঘেউ ঘেউ করে আমাদের বিস্মিত করে দেওয়ার চিন্তা করে তাহলে সে স্বপ্ন দেখছে।”

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানার বিষয়ে গত বুধবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যদি এটি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের হুমকি সৃষ্টি করে, তবে তিনি উত্তর কোরিয়াকে ‘সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস’ করে দেবেন।

জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও উ. কোরিয়া পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো অব্যাহত রেখেছে। যা কিনা যুক্তরােষ্ট্রর মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিউইয়র্কের জাতিসংঘের সদর দফতরের পাশে রি ইয়ং হো সাংবাদিকদের বলেন, জাতিসংঘে বক্তৃতায় উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনকে ‘রকেট ম্যান’ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন ‘রকেট ম্যান’ নিজের এবং তার শসনের আত্মঘাতী মিশনের পথে।

এ প্রসঙ্গে রি ইয়ং বলেন, যখন মি. ট্রাম্প মি. কিমকে ‘রকেট ম্যান’ বলেন, তখন আমি তার সহযোগীদের জন্য দুঃখ অনুভব করি।

ভিক্ষুকের বিস্কুটে কুকুরের অভিশাপ

ভয়ংকর অভিজ্ঞতা! এই শহরে চলতে গিয়ে এত ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি আর কখনো হইনি। এই অভিজ্ঞতা ছিল সমাজের উচ্চ মহল থেকে বঞ্চিত মানুষ আর অভিজাত হোটেলের রুচিপূর্ণ খাবার থেকে বঞ্চিত কুকুরের অভিশাপ।

 

বহুরুপি মানুষ আছে যারা নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে অন্যের উপর হায়েনার মত আক্রমণ করে। কিন্তু একটি চতুষ্পদী প্রাণী কিভাবে অশান্ত হয়ে উঠে অধিকার বঞ্চিত হলে সেটি সত্যি ভয়ংকর। গ্রিণরোডে কম্পোট হাসপাতালের উল্টোপাশে চার বছরের ছোট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ভিক্ষা করছেন বৃদ্ধ নারীটি। সারদিন ক্ষুধার্ত শিশুটির হাতের বিস্কুটি মনের আনন্দে খাচ্ছে হাত ছেটে। পাশে বাহারি শীতের পিঠার পসরা সাজানো দোকানটি ঘিরে মুখরোচকদের জটলা।

ফখরুদ্দিন রেস্তোরার কর্মচারীর দৌড়ানি খেয়ে সারাদিন অভুক্ত কুকুরটি প্রতিশোধ প্রবণ হয়ে উঠল। কুকুরটির ব্যাবাক সিদ্ধান্তে হঠাৎ জড়ো হলো জনাপঞ্চাশেক মানুষ। তখনও নিজের চোখকে বিশ্বাসই করাতে পারছি না ততক্ষণে কি ঘটেছে। শিশুটি সামনে দাঁড়ানো কুকুরটির আশা ছিল বিস্কুটের ভাগ তাকেও দেওয়া হবে। ক্ষুধার রাজ্যে শিশুটি এমন তত্ত্ব সত্যি মানতে নারাজ। শুরু হলো দুটি অবলা প্রাণীর লড়াই।

গায়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে কুকুরটি কামড়িয়ে শিশুটিকে মায়ের কোল থেকে মাটিতে ফেলার সমস্ত চেষ্টিই ব্যর্থ হলো। অবশেষে নিজের পরাজয় নিশ্চিত জেনে কুকুরটি পটাপট কয়েকটা কামড় বসিয়ে দিল ভিক্ষুকের হাতে।

জটলা বাঁধা জনতাকে এই আনন্দ বেশি ক্ষণ উপভোগ করতে দেননি মোমেনা আক্তার লিপি নামের একজন মা। দৌড়ে গিয়ে নিজের হাতের বেগ দিয়ে আলাদা করেছেন ক্ষুধার্ত কুকুর আর অভুক্ত মানব শিশুকে।

ততক্ষণে ভিক্ষুকের হাতের টপটপ পড়া লাল রক্তে তৃষ্ণা মিটছে মাটিতে পাতানো ইটের। কিন্তু টাই পেন্ট পরা মানুষের দেখার তৃষ্ণা মিটছে না। আফসোস নেই উপস্থিত কারো। চোখে অশ্রু নেই আহত ভিক্ষুকের। অাতঙ্ক নেই চার বছরের ছেলেটির মধ্যেও।

কুকুরের সাথে যাদের বসবাস তাদের আবার কিসের কুকুর ভয়? উপস্থিত জৈনিক ভদ্রলোকের এমন প্রশ্নে ভিক্ষুকটি লজ্জা না পেলেও লজ্জা আর ভয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করলো আক্রমণকারী কুকুরটি। অবুঝ শিশুটি কুকুরকে তার খেলার সাথী মনে করলেও মায়ের রক্তের পড়া দেখে শিশুটি নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে সবার চোখে চোখাচুখি করছে।

কুকুর যে ভিক্ষুককে কামড়িয়েছে তার স্বাক্ষী কেউ থাকতে চাইলেন না ব্যস্ত বলে। সবাই চলে গেলেন যেভাবে যাচ্ছিলেন পাঁচ মিনিট আগে এ পথে। মানব কুকুরের লড়াই দেখার আনন্দ মনে সবাই ফিরছেন বাসায়। রাতে খাবার টেবিলে বসে কেউ কেউ শুনাবেন ন্যাশনাল জিয়োগ্রাফি নয় ঢাকার ফুটপাতের মানুষের জীবনের এমন গল্প। মোমেনা আক্তার লিপি আর আমি ছুটলাম হসপিটালে। সাথে আমার ছাত্র নবীন। কম্পোট হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত ডাক্তারের নির্দ্দেশ, যতদ্রুত সম্ভব ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করতে হবে। দুটো পকেট হাতিয়ে পাওয়া পঞ্চাশ টাকার প্রয়োজন পড়েনি মোমেনা আপুর ৫০০ টাকার নোটটি ছিল বলে। তার ঔষধ কেনার টাকাটা ভিক্ষুকের হাতে দিয়ে  রিকশাটা ঘুরিয়ে দিলাম ঢাকা মেডিকেলের দিকে।

গন্তব্যে ছুটে চলা প্রতিটি কদমই নিজেকে পিছনে টেনে নিয়ে যাচ্ছে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি কুকুরে কামড়ানো ভিক্ষকের কাছে। আর ব্যস্ত মনকে বার বার বলছে আমি কেন শিশুটিকে কোলে নিয়ে ভিক্ষুকের পাশে রিকশায় বসে মেডিকেলে নিয়ে যাইনি?

দেখুন | টিভিতে লাইভ অনুষ্ঠানের সময় কুকুরের প্রবেশ (ভিডিও সহ)

দেখুন | টিভিতে লাইভ অনুষ্ঠানের সময় কুকুরের প্রবেশ (ভিডিও সহ)

সবকিছুই ঠিকঠাক মতো চলছিল। এর মধ্যে হঠাৎ বিপত্তি। কোনো প্রাণীর কর্কশ শব্দ। কিন্তু স্টুডিওর মতো সুরক্ষিত জায়গায় এ রকম শব্দ আসবে কোথা থেকে? ডেস্কের নিচে দেখতে গিয়ে চোখ কপালে ওঠে উপস্থাপিকার। ডেস্কের তলায় কালো ওটা কী? কিছুক্ষণের মধ্যে মাথা উচিয়ে জানিয়ে দেয় নিজের উপস্থিতি। দেখা গেল কালো রঙের বিশাল একটি ল্যাব্রাডর কুকুর। হয়তো কোনোভাবে সকলের নজর এড়িয়ে ঢুকে পড়েছে সেটি। প্রথমে কুকুরটিকে দেখে ভয় পেলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই হাঁসি ফিরে আসে উপস্থাপিকার মুখে। এরপরেই সেটি উঠে পড়ে উপস্থাপিকার সামনে ডেস্কের ওপর। তবে কুকুরটিকে আদর করে পরিস্থিতি নিজের আয়ত্তে নেন ওই উপস্থাপিকা। ১৫ সেকেন্ডের মতো সেখানে ছিল কুকুরটি। আর পুরো ঘটনাটিই ঘটেছে লাইভ ক্যামেরার সামনে। একটি রাশিয়ান টিভি চ্যানেলে এ ঘটনাটির ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ইতিমধ্যেই ৫৮ লাখের বেশি দেখা হয়েছে ভিডিওটি।

ভিডিওঃ-

কি খাচ্ছেন খাসির নামে কুকুরের গোশত নয় তো !!! (ভিডিও)

কি খাচ্ছেন খাসির নামে কুকুরের গোশত নয় তো

https://youtu.be/1Ax1gjyLAl4

সাধারণত নামি দামি রেষ্টুরেন্ট গুলোতে খাসির নামে কুকুরের গোশত এবং মরা মুরগী পাওয়া যায়।

আস্ত খাসীর কাচ্চি খাচ্ছেন না আস্ত কুকুরের কাচ্ছি খাচ্ছেন?
আমরা রেস্তোরাঁগুলাতে গিয়ে কবজি ডুবিয়ে খেয়ে তারপর বিল দিয়ে চলে আসি।খুশি হয়ে বখসিসও দিতে ভুল করি না।
কিন্তু একবারো কি চিন্তা করি আমরা কি খাচ্ছি?

কি খাচ্ছেন খাসির নামে কুকুরের গোশত নয় তো
কি খাচ্ছেন খাসির নামে কুকুরের গোশত নয় তো

হোটেল মালিকদের কাছে অনুরোধ,
আপনারা খাসির নামে ভেড়া খাওয়ান দুঃখ নাই কিন্তু প্লিজ এতটা খারাপ হবেন না।