সানি লিওনের একি হলো..বমি কেন…লজ্জার জোকস

বাসায় ঢুকেই সানি লিওন হঠাৎ ছুট দিল। বেসিনের সামনে গিয়েই হড়হড় করে বমি করা শুরু করল। আমি তো বুঝতে পারছিলাম না কী ঘটছে! বমি তো বন্ধ হওয়ার কোনো নামগন্ধ নেই। Continue reading “সানি লিওনের একি হলো..বমি কেন…লজ্জার জোকস”

নবীজির দাফন এর দিন কি হয়েছিল , দাফন কেন দেরি হয়ে ছিল

(সুরা আর রাহমান : ২৬-২৭) আরো ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে।’ (আলে ইমরান : ১৮৫) অন্যত্র ইরশাদ করেন, ‘আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ রয়েছে।
যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে, তখন তারা না এক মুহূর্ত পিছে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে।’ (সুরা আল আরাফ : ২৪, সুরা ইউনুস : ৪৯) কাজেই নবী-রাসুলদেরও মৃত্যুবরণ করা বিধিবদ্ধ।
নবী-রাসুলদের ওফাত : নবী-রাসুলরা যেহেতু মানুষ ছিলেন, সেহেতু তাঁদের মৃত্যু হওয়া স্বাভাবিক। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আর মুহাম্মদ একজন রাসুল মাত্র।

তাঁর আগেও বহু রাসুল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন বা শহীদ হন, তবে কি তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে?
বস্তুত কেউ যদি পশ্চাদপসরণ করে, তবে তাতে আল্লাহর কিছুই ক্ষতি হবে না। আর যারা কৃতজ্ঞ, আল্লাহ তাআলা তাদের সওয়াব দান করবেন।’ (আলে ইমরান : ১৪৪)
তবে নবী-রাসুলদের এই স্বাধীনতা দেওয়া হয় যে আপনি কি পৃথিবীতে থাকতে চান? না কি চলে যেতে চান। কিন্তু নবী-রাসুলরা চলে যাওয়াকেই প্রাধান্য দিয়েছেন (বুখারি, হাদিস : ৬৫০৯)
ওফাতকালীন অবস্থা : রাসুলুল্লাহ (সা.) অসুস্থ অবস্থায় একদা আপন গোত্রের লোকদের উপদেশ দিতে গিয়ে বলেন, ‘হে নবীর কন্যা ফাতেমা এবং হে নবীর ফুফু সাফিয়া!
নেক কাজ করো, নেক কাজ করো, আমি তোমাদের আল্লাহর হাত থেকে বাঁচাতে পারব না।’ ধীরে ধীরে রোগযন্ত্রণা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। একদিন তিনি হজরত আয়েশা (রা.)-এর কাছে কিছু স্বর্ণমুদ্রা জমা রেখেছিলেন। তিনি তীব্র রোগযন্ত্রণার মধ্যেও বলেন, ‘আয়েশা!
সেই স্বর্ণমুদ্রাগুলো কোথায়, যা আমি তোমার কাছে জমা রেখেছিলাম? আমি কি আল্লাহর সঙ্গে এ অবস্থায় মিলিত হব যে আমার ঘরে স্বর্ণমুদ্রা। এগুলো বিতরণ করে দাও।’
রোগযন্ত্রণা কখনো বৃদ্ধি পাচ্ছিল আবার কখনো হ্রাস পাচ্ছিল। ওফাতের দিন সোমবার তিনি অনেকটা সুস্থ ছিলেন। কিন্তু সময় যত গড়াতে থাকে, তিনি তত ঘন ঘন বেহুঁশ হতে থাকেন।
এ অবস্থায় তাঁর পবিত্র জবানে উচ্চারিত হতে থাকে—তাঁদের দলভুক্ত করুন, আল্লাহ যাঁদের প্রতি অনুকম্পা করেছেন। কখনো বলতে থাকেন, ‘হে আল্লাহ, আপনি মহান বন্ধু!’
আবার কখনো বলতে থাকেন, এখন আর কেউ নেই, তিনিই মহান বন্ধু। এ কথাটি তিনবার উচ্চারণ করেন। তখন তাঁর পবিত্র আত্মা প্রিয় বন্ধু আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যায়।
ওফাতের সময় ছিল ১১ হিজরি, মাসটি ছিল রবিউল আউয়াল, আর তারিখ ছিল ১২, দিনটি ছিল সোমবার, সময় ছিল চাশত নামাজের শেষ, বয়স ছিল ৬৩, ওফাতের স্থান হজরত আয়েশা (রা.)-এর হুজরা—তাঁর কোল। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আমার প্রতি আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত হলো,
আমার কোলে রাসুল (সা.) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, তাঁর মুখের লালার সঙ্গে আমার মুখের লালা একত্রিত হয়েছে।’ ঘটনাটি হলো, আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর রাসুল (সা.)-এর কাছে একটি মিছওয়াক হাতে নিয়ে এসেছিলেন, রাসুল (সা.) বারবার মিছওয়াকের দিকে তাকাতে দেখে হজরত আয়েশা বলেন, ‘আপনি কি
মিছওয়াক করবেন?’ তখন তিনি মাথা মোবারক নেড়ে সম্মতি জানালে হজরত আয়েশা (রা.) একটি মিছওয়াক নিয়ে মুখে চিবিয়ে নরম করে রাসুল (সা.)-কে দেন।
তিনি সেই মিছওয়াক দিয়ে মিছওয়াক করেন। আরো নেয়ামত হলো, তাঁর হুজরায় রাসুল (সা.) সমাহিত হন, তাঁর পবিত্রতায় কোরআনের আয়াত নাজিল হয় এবং তিনিই রাসুল (সা.)-এর একমাত্র কুমারী স্ত্রী।
ওফাত বিলম্বিত হওয়ার কারণ : মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন সোমবার চাশতের শেষ সময়। মঙ্গলবার তাঁকে গোসল দেওয়া হয়। গোসল দিয়েছেন হজরত আব্বাস (রা.), হজরত আলী (রা.), হজরত আব্বাস (রা.)-এর দুই ছেলে ফজল ও সাকাম, রাসুল (সা.)-এর আজাদকৃত ক্রীতদাস সাকরাম, ওসামা বিন যায়েদ ও আউস ইবনে খাওলা (রা.)। গোসলের পর বিশ্বনবী (সা.)-কে তিনটি ইয়েমেনি সাদা কাপড়ে কাফন পরানো হয়,
অতঃপর ১০ জন ১০ জন করে সাহাবায়ে কেরাম হুজরায় প্রবেশ করে পর্যায়ক্রমে জানাজার নামাজ আদায় করেন। নামাজে কেউ ইমাম ছিলেন না। সর্বপ্রথম বনু হাশিম গোত্রের সাহাবিরা, তারপর মুহাজির, অতঃপর আনসার, তারপর অন্যান্য পুরুষ সাহাবি, অতঃপর মহিলা ও সর্বশেষে শিশুরা জানাজার নামাজ পড়ে।
জানাজার নামাজ পড়তে পড়তে মঙ্গলবার সারা দিন অতিবাহিত হয়ে যায়। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সাইয়্যেদুল আম্বিয়া আমাদের প্রিয় নবী (সা.)-কে হজরত আয়েশা (রা.)-এর হুজরায় দাফন করা হয়।
মহানবী (সা.) বলেন, ‘তোমাদের মৃতদের দাফন দ্রুত সম্পন্ন করো, বিলম্ব কোরো না।’ (বুখারি, হাদিস ১৩১৫) তার পরও মহানবী (সা.)-এর জানাজা ও দাফন বিলম্বিত হয়েছে। এর কারণ প্রধানত তিনটি।
১. তাঁর ওফাতের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছতে বিলম্বিত হওয়া : মহানবী (সা.)-এর ওফাতের খবর শুনে হজরত ওমর (রা.) জ্ঞানহারা হয়ে যান, তিনি দাঁড়িয়ে বলতে থাকেন, কিছু কিছু মুনাফিক মনে করে যে রাসুল (সা.) ইন্তেকাল করেছেন, আসলে তিনি ইন্তেকাল করেননি।
তিনি হজরত মুসা (আ.)-এর মতো সেই প্রভুর কাছে গেছেন, আবার ফিরে আসবেন। আল্লাহর শপথ—‘যারা বলে, মুহাম্মদ (সা.) ইন্তেকাল করেছেন, আমি তাদের হাত-পা কেটে ফেলব।’ হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) রাসুল (সা.)-এর ওফাতের সময় নিজ বাড়িতে ছিলেন,
খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে আসেন। তিনি ওমর (রা.)-কে শান্ত করার জন্য বসতে বললে ওমর (রা.) না বসেই আরো উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তখন আবু বকর সিদ্দিক (রা.) উপস্থিত সব সাহাবির সামনে সুরা আলে ইমরানের ১৪৪ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করে শোনান। তখন সবাই শান্ত হয় এবং সবাই বুঝতে পারে যে আসলেই রাসুল (সা.)
ইন্তেকাল করেছেন। হজরত ওমর (রা.) বলেন, ‘হজরত আবু বকর (রা.)-এর মুখে মুহাম্মদ (সা.) শুধু রাসুল মাত্র, তাঁর আগেও বহু রাসুল গত হয়ে গেছেন… শ্রবণ করার পর মাটিতে ঢলে পড়েছিলাম এবং স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলাম যে রাসুল সত্যি ইন্তেকাল করেছেন।’ অতঃপর সবাই ওফাতের ব্যাপারে একমত হওয়ার পর দাফনকাজ সম্পন্ন করা হয়।
২। দাফনের স্থান নির্দিষ্ট না থাকা : মহানবী (সা.)-কে কোথায় দাফন করা হবে, তা সাহাবায়ে কেরামের জানা ছিল না। ফলে তাঁদের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়।
কেউ কেউ বলেন, জান্নাতুল বাকিতে দাফন করা হোক, কেউ কেউ বলেন, মসজিদ-ই-নববীতে দাফন করা হোক, আবার কেউ কেউ প্রস্তাব করেন হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর পাশে সমাহিত করা হোক।
এমতাবস্থায় হজরত আবু বকর (রা.) বলেন, ‘আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, নবী যেখানেই মৃত্যুবরণ করেন সেখানেই সমাহিত হন।’
অতঃপর হজরত আয়েশা (রা.)-এর হুজরায় যেখানে রাসুল (সা.) ইন্তেকাল করেন, সেখানে সমাহিত করার ব্যাপারে একমত হন।
৩। খলিফা নির্বাচনে ঐকমত্যে পৌঁছতে বিলম্ব : মহানবী (সা.)-এর স্থানে কে রাষ্ট্রের খলিফা হবেন, এ নিয়ে আনসার ও মুহাজিরদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছিল।
পরবর্তী সময় হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর ব্যাপারে সবাই ঐকমত্যে পৌঁছলে মহানবী (সা.)-এর দাফনের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
লেখক : প্রধান ফকিহ, আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদরাসা, ফেনী।
সংগৃহীত: পিএনএস নিউজ 24
আর্টিকেল টি তে কোনো ভুল থাকলে সংসুদনের জন্য অনুরোধ করা হলো

আপনি কেন খারাপ স্বপ্ন দেখেন, এ সমন্ধে মহানবী যা বলেছিলেন

রসূল(সঃ)-কে স্বপ্নদর্শন!একই চেহারার দুইজন ব্যক্তির স্বপ্নে আগমণ। একজন দ্বীনি ভাই তাদের প্রতি ইঙ্গিত করে জানালেন, এদের মধ্যে প্রথমজন রসূল(সঃ) এবং অপর ব্যক্তি আবু বকর(রাঃ)! আল্লাহ তায়ালা যে মহামানবকে সমস্ত সৃষ্টিজগতের নেতা করে পাঠিয়েছেন, তাঁর স্বপ্নদর্শন পাওয়া যে কোনো ঈমানদার মুসলিমের জন্যই নিঃসন্দেহে পরম সৌভাগ্যের। কিন্তু হুঁশিয়ার ঈমানদারগণ মহান আল্লাহ তায়ালার পবিত্র কালিমা পাঠ করতে থাকেন। দেখা যায় যে- আগন্তুকের সাদা পোশাক প্রথমে বেশ উজ্জ্বল দেখালেও পরক্ষণেই মলিন হতে শুরু করল! কাঁচা-পাকা শ্মশ্রুমণ্ডিত লোকটার নাকটা থেবড়া দেখালো এবং চেহারাটাও নিস্প্রভ হয়ে গেল! এটা কী করে রসূল(সঃ) হন?!সুতরাং, আগন্তুকের পরিচয়টা দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে গেল! উচ্চস্বরে কালিমা উচ্চারণের সাথে সাথে মুখোশটা পুরোপুরি খসেপড়ল! বিতাড়িত শয়তান দ্রুত পালাতে শুরু করল…আমরা অনেকেই প্রায়ই এরকম নানান স্বপ্ন দেখে থাকি।প্রথমেই বলে রাখা ভালো, ‘তথাকথিত শিক্ষিত’ দাবীদার অনেকেই স্বপ্নকে কেবলই নিজের চিন্তার ফসল বলে একেবারেই গুরুত্বহীন ভেবে থাকেন। আমার আজকের এই লেখাটা সেইসব ‘অতিপণ্ডিত’-দেরজন্য নয়। বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় কেবল মুসলিম-ঈমানদার ভাইদের উদ্দেশ্যেই স্বপ্ন সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার প্রয়াস করছি।মূলতঃ স্বপ্ন তিন ধরণের।

১। মনের খেয়াল। (বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে- মনের পর্দায় নিজ চিন্তা বা কল্পনার প্রতিচ্ছবি)।
২। শয়তানের পক্ষ হতে ভীতি প্রদর্শন।
৩। আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে সুসংবাদ প্রদান।[সুত্রঃ সহিহুল বুখারি, কিতাবুত তা’বির, হাদিসঃ৬৫৩৪]

আমরা প্রতিনিয়ত ভালো-মন্দ দুই ধরণের স্বপ্ন দেখে থাকি। স্বপ্নের কথাগুলো আবার প্রকাশও করে ফেলি। অনেক সময় দেখা যায় যে স্বপ্নটা বাস্তবেও ফলে গেছে। যেমন কেউ একজন স্বপ্নে দেখলেন যে- একটা পরিচিত বাচ্চা পানিতে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে। ঘুম থেকে জেগে স্বপ্নের কথাটা তিনি অন্যের নিকট প্রকাশ করার পর কেউ কেউ আশঙ্কা করলেন- “বাচ্চাটার পানিতে ডুবে মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।” দেখা গেল, পরে সত্যিই বাচ্চাটার পানিতে ডুবেই মৃত্যু হয়েছে। নিঃসন্দেহে সেটাই সেই বাচ্চাটার নিয়তি ছিল।তাহলে সেই বাচ্চাটার মৃত্যুর সাথে স্বপ্ন বা স্বপ্নের ব্যাখ্যার সম্পর্ক বা প্রভাব কী?অনেকেই এটাকে কেবল আল্লাহ্‌র ইচ্ছা বলেই চালিয়ে দেন। অথচ পবিত্র কুরআন মাজিদে আল্লাহ তায়ালা যে কোন আজাব-গযবকে মানুষের নিজের ‘হাতের কামাই’ বা কর্মফল বলেই অভিহিত করেছেন।

আমাদের কোনোভাবেই ভুলে গেলে চলবে না- শয়তান মানুষের ক্ষতি করার একটা শক্তি আল্লাহ্‌র নিকট থেকেই প্রাপ্ত। ফলশ্রুতিতে, দুঃস্বপ্নের মন্দ ব্যাখ্যার কারণে শয়তান সেই সুযোগটা গ্রহণ করে ক্ষতির চেষ্টা করে থাকে। এজন্যই রসূল(সঃ) আমাদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন- “উত্তম স্বপ্ন হয় আল্লাহ্‌র তরফ থেকে এবং খারাপস্বপ্ন হয়ে থাকে শয়তানের পক্ষ থেকে।” [সহিহুল বুখারি, কিতাবুত তা’বির, হাদিসঃ৬৫০৩]।সুতরাং যে কোনো স্বপ্নকে কেবল নিজ চিন্তা বা কল্পনার ফলাফল বলে চালিয়ে দেয়াটা চূড়ান্ত অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছু নয়। কেননা, শয়তান আমাদেরকে জাগ্রত বা নিদ্রিত সর্বাবস্থায় প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে! অবশ্য আশার কথা হলো- দুঃস্বপ্নের কথা অন্যের নিকট প্রকাশ না করা পর্যন্ত শয়তান অপকর্ম করার সুযোগ পায় না। এই প্রসঙ্গে রসূল(সঃ) আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে-“তোমাদের মধ্যে কেউ যদি এরূপ স্বপ্ন দেখে, যা তার পছন্দনীয়, তবে তা আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে। তারজন্য আল্লাহ্‌র কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা চাই এবং তা আলোচনা করাও বাঞ্ছনীয়। পক্ষান্তরে, যদিএমন বস্তু দেখে- যা সে পছন্দ করে না, তবে তা শয়তানের পক্ষ থেকে। এরঅপকার থেকে সে যেন আশ্রয় চায় এবং কারো সাথে এ বিষয়ে আলোচনা না করে। তবে তার কোনো অনিষ্ট হবে না। [সহিহুল বুখারি, কিতাবুত তা’বির, হাদিসঃ৬৫০৪]।

কোনো খারাপ স্বপ্ন দেখার পর করণীয় কী হবে, এ সম্পর্কে মহানবী(সঃ) দিকনির্দেশনা দিয়ে বলেছেন,”ভালো স্বপ্ন আল্লাহ্‌র আর মন্দ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে। সুতরাং যে এমন স্বপ্ন দেখে- যা তার অপছন্দনীয়; সে যেন তার বামদিকে তিনবার থুতু নিক্ষেপ করে এবং শয়তান হতে (আল্লাহ্‌র কাছে) আশ্রয় চেয়ে নেয়, তাহলে তার আর কোনো অনিষ্ট হবে না। আর শয়তান আমার রূপ ধারণ করতে পারে না।”[সহিহুল বুখারি, কিতাবুত তা’বির, হাদিসঃ৬৫১৪]।নবীজি(সঃ) অন্যত্র আরো বলেছেন,কেউ কোনো অপছন্দনীয় বস্তু স্বপ্নে দেখলে তা অন্যের নিকট না বলে উঠে যেন নামায পড়ে। [সূত্রঃ সহিহুল বুখারি, কিতাবুত তা’বির, হাদিসঃ৬৫৩৪]।সুতরাং, স্বপ্নের তাবির সম্পর্কে কোনো ঈমানদার-মুমিন বা বিজ্ঞ আলেম ছাড়া অন্য কারো নিকট স্বপ্নের কথা প্রকাশ করা উচিত নয়। কেননা, উদাহরণ হিসেবে বাচ্চার পানিতে হাবুডুবু খাওয়া সংক্রান্ত স্বপ্নের ব্যাখ্যাটা বিজ্ঞ কোনো মুমিন ব্যক্তির নিকট বলা হলে ব্যাখ্যাটা হয়তো এরকম হতো- “এই শিশু অনেক জ্ঞানপিপাসু; একদিন সে অনেক বড় আলেম হতে পারে।” এই রকম কোনো ব্যাখ্যার কারণে শয়তানের সেখানে অংশ নেয়ার তাহলেআর কোনো সুযোগও থাকত না।হযরত ইউসুফ(আঃ) স্বপ্নের বিষয় তাঁর পিতার নিকট প্রকাশ করলে,”জবাবে পিতা বললেন, হে পুত্র! তোমার এ স্বপ্নের কথা তোমার ভাইদের নিকট বলবে না। তাহলে তারা তোমার বিরুদ্ধে বড় ধরণের চক্রান্ত করবে; সত্য হল- শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু।” [সূরাঃ ইউসুফ, আয়াতঃ৫]।শয়তান কিন্তু তখনই পিতা-পুত্রের এই আলাপচারিতা শুনে ফেলল এবং ইউসুফ(আঃ)-এর অন্যভাইদের জানিয়ে দিলে তারা শয়তানের প্ররোচনায় তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। পবিত্র কুরআনে এ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।অনেকসময় শয়তান আমাদেরকে অশ্লীল,অনৈতিক কর্মকান্ড বা হত্যার মতোকোনো ভীতিকর অবস্থা প্রদর্শনপূর্বক সন্ত্রস্ত্র করে ঈমান হরণের চেষ্টা করে থাকে। এই প্রসঙ্গে হযরত জাবির(রাঃ)-এর সুত্রে বর্ণিত-“একদা এক বেদুঈন তাঁর (রসূল সঃ-এর) কাছে আগমন করে বলল, আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমার মাথা কেটে ফেলা হয়েছে, আর আমি তার পেছনে পেছনে ছুটে চলছি। তখন রসূলুল্লাহ(সঃ) তাকে ধমক দিয়ে বললেন, ঘুমের মাঝে তোমার সঙ্গে শয়তানের খেলাধূলার সংবাদ কাউকে দিও না।” [সহীহুল মুসলিম, স্বপ্ন পরিচ্ছদ, হাদিসঃ৫৭৭১]।আবার শয়তান অনেক সময় আলেমের ছদ্মবেশ নিয়েও মুমিনদের ক্ষতি করার অপচেষ্টা করে থাকে। অনেক সময় নবীজি(সঃ)-এর রূপ ধারণের ব্যর্থ চেষ্টাও করতে পারে। তবে যারা নবীজি(সঃ)-এর সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করার চেষ্টা করে, শয়তান তাদের কাছ থেকে ব্যর্থ হয়েই পালিয়ে যায়।রসূল(সঃ) বলেছেন, “যে আমাকে স্বপ্নে দেখবে, সে সত্যই দেখবে। কারণ, শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না এবং ঈমানদারের স্বপ্ন নবুয়তের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।” [সহিহুল বুখারি, কিতাবুত তা’বির, হাদিসঃ৬৫১৩]অতএব, শয়তান যেন রসূল(সঃ)-এর রূপ ধারণের ব্যর্থ চেষ্টা করে কোনভাবেই আমাদেরকে চূড়ান্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে, সেজন্য আমাদের উচিত, রসূল(সঃ)-এর সীরাত সম্পর্কে জানা এবং সেইমতো নিজেকে তাঁর প্রকৃত উম্মত হিসেবে পরিণত করারচেষ্টা করা। সেই সাথে শয়তানের প্রভাবমুক্তির জন্য আল্লাহ্‌র শেখানো এই দোয়া (সূরা নাস) পাঠ করতে থাকি-“আশ্রয় চাই তোমার কাছে, হে মানুষের রব!তুমি মালিক, আমরা তোমার সৃজিত মানব।হে মানুষের মহামহিম ইলাহ, মেহেরবান,করছে বিনাশ কুমন্ত্রনায় ভয়ানক শয়তান!লোকের কানে যুক্তি দিয়ে হয়ে যায় অচিন,কভু সফল হয় না যেন- দুষ্ট মানুষ, জ্বিন।'[কাব্যে আল-কুরআন, খন্ডঃ৩০, সুরাঃ না-স,

কেন ক্ষমা একটি মহৎ গুন! জানুন, মহানবী (সাঃ)’র একটি চমৎকার ঘটনায়?

মহানবী (সাঃ) একদিন মসজিদে বসে আছেন । সাহাবীরা তাঁকে ঘিরে আছেন । এমন সময় মহানবী (সাঃ) বললেন, “এখন যিনি মসজিদে প্রবেশ করবেন, তিনি বেহেশতের অধিবাসী ।” একথা শুনে উপস্থিত সব সাহাবী অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রইলেন মসজিদের প্রবেশ মুখে ।

সবার মধ্যে জল্পনা কল্পনা চলছে, হয়তো হজরত আবু বকর (রাঃ) বা হজরত উমর (রাঃ) অথবা এমন কেউ আসছেন যাঁদের বেহেশতের সুসংবাদ আল্লাহপাক ঘোষণা করেছেন । সবাইকে অবাক করে দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করলেন একজন সাধারণ আনসার সাহাবী । এমনকি তাঁর নাম পরিচয় পর্যন্ত জানা ছিল না অধিকাংশের ।

এরপরের দিনেও সাহাবীরা মসজিদে বসে আছেন নবীজি (সাঃ) কে ঘিরে । নবীজি (সাঃ) আবার বললেন, “এখন যিনি মসজিদে প্রবেশ করবেন, তিনি বেহেশতের অধিবাসী ।” সেদিনও মসজিদে প্রবেশ করলেন সেই সাহাবী ।
তৃতীয় দিন নবীজি (সাঃ) সাহাবীদের লক্ষ্য করে আবার ঘোষণা দিলেন, “এখন যিনি মসজিদে প্রবেশ করবেন, তিনি বেহেশতের অধিবাসী ।” এবং সাহাবীরা দেখলেন সেই অতি সাধারণ সাহাবী মসজিদে প্রবেশ করলেন ।

পরপর তিনদিন এই ঘটনা ঘটার পর, সাহাবীদের মধ্যে কৌতূহল হলো সেই সাধারণ সাহাবী সম্পর্কে জানার জন্য । তিনি কেন অন্যদের চেয়ে আলাদা তা জানতে হবে । বিখ্যাত সাহাবী হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর আল আ’স (রাঃ) ভাবলেন, এই সাহাবীর বিশেষত্ব কী তা জানতে হলে তাকে নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে । তিনি সেই সাহাবীর কাছে গিয়ে বললেন, “আমার বাবার সাথে আমার মনোমালিন্য হয়েছে, তোমার বাড়িতে কি আমাকে তিন দিনের জন্য থাকতে দেবে ?’’

সেই সাহাবী রাজী হলেন । হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকলেন, খুঁজতে থাকলেন কী এমন আমল তিনি করেন । সারা দিন তেমন কোন কিছু চোখে পড়ল না । তিনি ভাবলেন হয়তো তিনি রাত জেগে ইবাদত করেন । না, রাতের নামায পড়ে তো তিনি ঘুমাতে চলে গেলেন । উঠলেন সেই ফজর পড়তে ।

পরের দুটি দিনও এভাবে কেটে গেল । হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) কোন বিশেষ আমল বা আচরণ আবিষ্কার করতে পারলেন না যা অন্যদের চেয়ে আলাদা । তাই তিনি সরাসরি সেই সাহাবীকে বললেন, “ দেখ আমার বাবার সাথে আমার কোন মনোমালিন্য হয় নি, আমি তোমাকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য তোমার বাড়িতে ছিলাম । কারণ নবীজি (সাঃ) বলেছেন যে তুমি জান্নাতি। আমাকে বল তুমি আলাদা কী এমন আমল করো ?’’

সেই সাহাবী বললেন, “ তুমি আমাকে যেমন দেখেছ আমি তেমনই, আলাদা কিছুতো আমার মনে পড়ছে না”। এ কথা শুনে হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁকে বিদায় জানিয়ে চলে যেতে থাকলেন । এমন সময় সেই সাহাবী হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) কে ডেকে বললেন, ‘আমার একটা অভ্যাসের কথা তোমায় বলা হয়নি –রোজ রাতে ঘুমাতে যাবার আগে আমি তাদেরকে ক্ষমা করে দেই, যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, বা আমার প্রতি অন্যায় করেছে ।

তাদের প্রতি কোন ক্ষোভ আমার অন্তরে আমি পুষে রাখি না”। হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) একথা শুনে বললেন, “এ জন্যই তুমি আলাদা, এ জন্যই তুমি জান্নাতি”। রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না । (বুখারী ও মুসলিম)

কেন ওসমানীর পরিবর্তে ভারতীয় জেনারেল স্বাক্ষর করেছিলেন?

কেন ওসমানীর পরিবর্তে ভারতীয় জেনারেল স্বাক্ষর করেছিলেন?
‘ওসমানী কেন আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না’- এই মর্মে বহু প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে। যদিও মূল কারণটা হচ্ছে আর্মি প্রটোকল। তাজউদ্দিন আহমেদ যদি ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিযোগ না দিতেন, তাহলে সিনিয়ারিটি অনুযায়ী বাই ডিফল্ট পদটা পেতেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার, কারণ তিনিই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সবচেয়ে সিনিয়র অফিসার এবং একই সঙ্গে উপ-সেনাপ্রধান। অন্যদিকে ওসমানী তখনও কর্ণেল এবং তাকে জেনারেল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ১৬ ডিসেম্বরের পর। যা হোক তারপরও তিনি আমাদের প্রধান সেনাপতি এবং ভারতীয় বাহিনীর প্রধান স্যাম মানেকশর সমানই তার মর্যাদা ছিলো তখন। অন্য দিকে অরোরা একজন আঞ্চলিক প্রধান। পূর্ব ফ্রন্টের অধিনায়ক। যেমন লে. জেনারেল নিয়াজীও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্ব ফ্রন্টের অধিনায়ক। পূর্ব ফ্রন্টের জন্য গঠিত মিত্রবাহিনী তাই অরোরার কমান্ডেই হবে সেটাই স্বাভাবিক। ওসমানী কেন সই করবেন? পাকিস্তানের পক্ষে কি তাদের সেনাপ্রধান সই করেছিলো? আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে কি স্যাম মানেকশ ছিলেন? তাহলে ওসমানী কেন যাবেন?
এই প্রশ্নে জ্যাকবের উত্তর ছিলো: There is a lot of propaganda about it. The fact is, he was in Sylhet. He was in a helicopter that was shot at by the Pakistan army. I had ordered everyone on the Bangladesh side to stay in Kolkata. But he rode the chopper, got shot and couldn’t attend the ceremony. It’s not our fault. He should have been there. We wanted him there. Khandker (deputy commander-in-chief AK Khandker) attended in his absence.

জ্যাকবের কথাটা সত্যনিষ্ট নয়। এ প্রসঙ্গে ওসমানীর ভাষ্যটা বরং আমরা শুনি : যুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের অধীনে মুক্তিবাহিনীর সদর দপ্তরে জনসংযোগ কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন নজরুল ইসলাম। একাত্তরের রণাঙ্গন অকথিত কিছু কথা নামে এক স্মৃতিচারণে তিনি তুলে ধরেছেন এর বিশদ বিবরণ।

ঘটনা হচ্ছে ১২ ডিসেম্বর ওসমানী কলকাতা থেকে আগরতলা হয়ে মুক্তাঞ্চল সিলেটে যান। এটা নিশ্চিত করেন মুক্তিবাহিনী হেডকোয়ার্টারের অফিসার ইন চার্জ জেনারেল ওসমানীর বিশ্বস্ত বন্ধু মেজর এমআর চৌধুরী। তার ভাষায়- তানী এখন সিলেট গেছুন।

১৮ ডিসেম্বর সদর দপ্তরে ফিরে তাকে নিয়ে এসব গুজব শুনে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন ওসমানী। তার মন্তব্য ছিলো:

দেখুন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে যাচ্ছি। কিন্তু দুঃখ হলো স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধ সম্পর্কে কোনো চেতনা এখনও জন্ম হয়নি। আমাকে নিয়ে রিউমার ছড়ানোর সুযোগটা কোথায়? কোনো সুযোগ নেই। তার অনেক কারণ রয়েছে। নাম্বার ওয়ান- পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কবে আত্মসমর্পণ করবে আমি জানতাম না। আমি কলকাতা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তাদের আত্মসমর্পণের প্রস্তাব এসেছে।

নাম্বার টু- ঢাকায় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে আমার যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ এই সশস্ত্র যুদ্ধ ভারত-বাংলাদেশের যৌথ কমান্ডের অধীনে হলেও যুদ্ধের অপারেটিং পার্টের পুরো কমান্ডে ছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল স্যাম মানেকশ। সত্যি কথা হচ্ছে আমি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো নিয়মিত সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধানও নই। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুযায়ী পাকিস্তান সেনাবাহিনী আমার কাছে আত্মসমর্পণ করতে পারে না। কারণ বাংলাদেশ জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী কোনো দেশ নয়।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে জেনারেল মানেকশকে রিপ্রেজেন্ট করবেন লে.জে অরোরা। জেনারেল মানেকশ গেলে তার সঙ্গে যাওয়ার প্রশ্ন উঠতো। সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমার অবস্থান জেনারেল মানেকশর সমান। সেখানে তার অধীনস্থ আঞ্চলিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল অরোরার সফরসঙ্গী আমি হতে পারি না। এটা দেমাগের কথা নয়। এটা প্রটোকলের ব্যাপার। আমি দুঃখিত, আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধের বড় অভাব।

ঢাকায় ভারতীয় বাহিনী আমার কমান্ডে নয়। জেনারেল মানেকশর পক্ষে জেনারেল অরোরার কমান্ডের অধীন। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করবে যৌথ কমান্ডের ভারতীয় বাহিনীর কাছে। আমি সেখানে (ঢাকায়) যাবো কি জেনারেল অরোরার পাশে দাড়িয়ে তামাশা দেখার জন্য? হাও ক্যান আই!

আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করবেন জেনারেল মানেকশর পক্ষে জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা আর পাকিস্তানী বাহিনীর পক্ষে জেনারেল নিয়াজী। এখানে আমার ভূমিকা কি? খামোখা আমাকে নিয়ে টানা হ্যাচড়া করা হচ্ছে।

পাশাপাশি কেনো মুক্তিবাহিনীর কাছে পাকিস্তানীরা আত্মসমর্পণ করেনি এটার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ওসমানী সংক্ষেপে ব্যাপারটা এমন যে যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক নীতিমালা আছে যার অন্যনাম জেনেভা কনভেনশন। বাংলাদেশ এই কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ নয় বলেই সেই নীতিমালা মানতে মুক্তিবাহিনী বাধ্য ছিলো না। তাই তাদের হত্যা করলে বা তাদের উপর অত্যাচার করলে বলার থাকতো না কিছু। পাকিস্তানীরা জেনেশুনে সে ঝুকি নেয়নি। তাছাড়া ৯০ হাজার যুদ্ধবন্দীকে খাওয়ানো পড়ানো তদারক করার ক্ষমতাও যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের ছিলো না। তখনও নিজের খাওয়াটাই যে জোটে না! (তথ্যসূত্র : একাত্তরের রণাঙ্গন অকথিত কিছু কথা লেখক: নজরুল ইসলাম, অনুপম প্রকাশনী ১৯৯৯)

তো ওসমানী সিলেটে কি করেছেন? হেলিকপ্টারে গুলি ছোড়ার কাহিনী একটা গল্প বটে। কারণ তাতে ওসমানী আহত হননি। আগরতলা দিয়ে ওসমানী কুমিল্লা হয়ে সিলেটে ঢোকেন। কুমিল্লা থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথেই তার কপ্টারে গুলি ছোড়া হয় বলে কথিত আছে। যাহোক ১২ তারিখ তিনি হবিগঞ্জে মুক্তাঞ্চল সফর করেছেন।

সিলেটে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পন করে ১৫ ডিসেম্বরে। ওসমানী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ১৫ ডিসেম্বর মুক্ত সিলেটে ওসমানী কথা বলছেন দুই সেক্টর কমান্ডার লে.কর্নেল সিআর দত্ত এবং লে.কর্নেল মীর শওকত আলীর সঙ্গে এমন একটা ছবি ওসমানীর নিজের স্মৃতিকথাতেই প্রকাশিত। কথা বলছেন দুই সেক্টর কমান্ডার লে.কর্নেল সিআর দত্ত এবং লে.কর্নেল মীর শওকত আলীর সঙ্গে-

আর তিনি আত্মসমর্পনের দায়িত্বে থাকা মিত্র বাহিনীর ভারতীয় অফিসারদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন সে ছবিটাও আছে তার উপর প্রকাশিত সেই বইয়ে (ও জেনারেল, মাই জেনারেল)।

এমনকি মিত্রবাহিনী গঠন ও অনুমোদন তার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিনের সঙ্গে স্যাম মানেকশর বৈঠকে তিনিও ছিলেন।

এমনকি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তা অনুমোদন দেয়ার অধিকারী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠকেও।

এখন আসা যাক প্রশ্নের মধ্যে প্রচ্ছন্ন ও গোপন প্রশ্নটায়। ভারতীয় জেনারেল সই করেছেন যে দলিলটায় সেটায় কি পাকিস্তান ভারতের কাছে আত্মসমর্পন করেছে? উত্তর না। করেছে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কমান্ডের কাছে। সেই এখতিয়ার বাংলাদেশ সরকার অরোরাকে দিয়েছে। আত্মসমর্পনের যে দলিল সেটা ইনস্ট্রুমেন্ট অব সারেন্ডার নামে পরিচিত। সেটার বাদিকে নীচে অরোরা যেখানে সই করেছেন, সেখানে কি লেখা দেখেন তো? লেখা: জেনারেল অফিসার কমান্ডার ইন চীফ ইন্ডিয়ান অ্যান্ড বাংলাদেশ ফোর্সেস ইন দ্য ইস্টার্ন থিয়েটার।

এরপরও যদি উত্তর না পান, তাহলে আর কিছু বলার নেই…

জাপানিরা মাটিতে কেন ঘুমায়, কারন জানলে চমকে উঠবেন ।


আপনারা হয়তো ভাবছেন মাটিতে ঘুমাইলে রোগ জীবানু আক্রান্ত হতে পারেন, তাহলে ভুল ভাবছেন। কারণ মাটিতে ঘুমাইলে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভাল। মাটিতে ঘুমাইলে আপনার মনটাও ভাল থাকবে। বলতে গেলে শরীর আর মন দুইটা ভাল রাখতে আপনার মাটিতে ঘুমানো উচিত।

মাটিতে ঘুমানো শরীরের জন্য ভাল বলে অনেক জাপানিরা মাটিতে ঘুমাই। জাপানিরা মনে করেন মাটিতে ঘুমালে শরীর আরো চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

মাটিতে ঘুমানোর ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, পিঠের নানাবিধ রোগের সাথে শোয়ার একটা সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে।

তারা জানান, প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ পিঠের সমস্যা হয়ে থাকে ঠিক ভঙ্গিতে না শোয়ার কারণে। তাই মাটিতে কিংবা বিছানায়, ঠিক মতো শোয়াটাই হলো জরুরি। তা না হলে মেরুদণ্ডকে বহুদিন কর্মক্ষম রাখা সম্ভব হবে না।শুধু তাই নয় একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নরম বিছানায় ঘুমালে পিঠের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়ার আশঙ্কাই বাড়ে।

কারণ, নরম বিছানায় মেরুদণ্ড তার প্রয়োজনীয় সাপোর্ট পায় না। ফলে শোয়ার সময় ‘বডি পশচার’ ঠিক থাকে না। এতে পিঠে যন্ত্রণা দিয়ে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে শরীরে আরো সব রোগ এসে বাসা বাঁধে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বাঁচতে হলে সপ্তাহে ২-৩ দিন মাটিতে শোয়ার অভ্যাস করা ভালো। এর অর্থ এই নয় যে শীতকালেও মাটিতে শুয়ে থাকতে হবে। এতে বরং হিতে বিপরীতও হতে পারে।এছাড়া যারা ইতোমধ্যে শারিরীক জটিল রোগে আক্রান্ত তারা মাটিতে ঘুমানোর ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আশাকরি জাপানিদের মত আপনারাও মাটিতে ঘুমাবেন। দেখবেন আপনার শরীর আর মন দুইটাই ভাল থাকবে।

জেনে নিন, আমাদের বিশ্ব নবী একজন, কিন্তু চার মাজহাব মানি কেন?

প্রশ্ন : আমাদের নবী একজন, কিন্তু আমরা চার মাজহাব মানি কেন? নবী তো বলেছেন, আমাকে অনুসরণ করো। চার মাজহাবির লোক চারভাবে সালাত আদায় করে কেন? নবী তো বলেননি যে, মালয়েশিয়ার লোক একভাবে নামাজ আদায় করবে আর বাংলাদেশের লোক আরেকভাবে নামাজ আদায় করবে। আবার ভারতের লোক আরেকভাবে নামাজ আদায় করবে। এভাবে কী বলেছেন? আমাকে জানাবেন।

উত্তর : আসলে আমাদের বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে। আমরা মাজহাব এবং দ্বীনের মধ্যে এমনভাবে একাকার করে ফেলেছি যে আমরা এদের মধ্যে পার্থক্য করতে পারছি না। ফলে মাজহাবটাকে আমরা দ্বীন হিসেবে গ্রহণ করে নিচ্ছি। ফলে এ বিভ্রান্তি ও প্রশ্ন আমাদের সামনে উত্থাপিত হচ্ছে।

এখানে কথা হচ্ছে, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আনুগত্যই আমাদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। আমাদের যে আনুগত্যের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তা কোরআনে কারিমের মধ্যে সূরা মুহাম্মাদে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‌‌‘তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো এবং রাসূলের আনুগত্য করো। আল্লাহ এবং তার রাসূলের আনুগত্য যদি তোমরা পরিহার করো, তাহলে তোমাদের আমলগুলো বরবাদ হয়ে যাবে, তোমাদের আমল নষ্ট হয়ে যাবে। তাই তোমরা তোমাদের আমলগুলো নষ্ট করো না।’

এ দুই আমলই মূলত আমাদের করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা এই দুটি আমলের জন্যই নির্দেশিত। এ ছাড়া দুনিয়ায় কোনো ব্যক্তির আনুগত্য বা অন্ধ অনুসরণের নির্দেশ রাসূল (সা.) আমাদের দেননি। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সা.) একটি নির্দেশনা দিয়েছেন। তা হলো এই—দুটি হাদিস পাওয়া যায়, একটি হাদিসের মধ্যে তিনি বলেছেন যে, ‘আমার পরে তোমাদের মধ্যে যদি কেউ জীবিত থাকে, অচিরেই সে দেখতে পাবে অনেক মতপার্থক্য।’

তাহলে বোঝা গেল যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) এ বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, একটি সময় আসবে, যে সময়ে রাসূলের (সা.) তিরোধানের পর মানুষের মধ্যে অনেক মতপার্থক্য বিরাজ করবে। এ মতপার্থক্য ইসলাম নিয়ে, অন্য বিষয় নিয়ে নয়। ইসলাম নিয়ে, ইসলামের বিভিন্ন বিধিবিধান নিয়ে। ইসলামে যে বিধিবিধান আছে, সেগুলো নিয়ে অনেক মতপার্থক্য বিরাজ করবে।

এই হাদিসের মধ্যে স্পষ্ট করে নির্দেশনা দিয়েছেন যে, যখন তোমরা এখতেলাফ দেখতে পাবে, তখন তোমাদের করণীয় কাজ হবে দুটি। একটা হচ্ছে তোমরা আমার সুন্নতকে আঁকড়ে ধরবে। তো, আমার সুন্নতকে আঁকড়ে ধরতে গেলে এ নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হতে পারে। কারণ, আমার সুন্নত নিয়ে পরবর্তী সময়ে মানুষ এখতেলাফ করে ফেলতে পারে। সে জন্য রাসূলুল্লাহ (সা.) সঙ্গে আরেকটি নির্দেশনা দিলেন, যাতে করে আমরা রাসূলুল্লাহর (সা.) সুন্নত থেকে বিচ্যুত না হই। এবং আমার পরবর্তী হেদায়েতপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদিনের যে সুন্নাহ আছে, সেগুলো তোমরা অনুসরণ করবে; তারা যেভাবে চলেছে, যে রীতিনীতির অনুসরণ করেছে।

এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, তা হলো, এখানে সুন্নাহ বলতে একটি সিস্টেমকে বোঝানো হয়েছে। কর্মপদ্ধতি ও কর্মনীতিকে বোঝানো হয়েছে। সুন্নাহ বলতে সুন্নতের যে পরিভাষা রয়েছে, সেটাকে বোঝানো হচ্ছে না।

তো, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমার পরবর্তী যে খোলাফায়ে রাশেদিন আছে, তাদের সুন্নতের অনুসরণ করলেই দেখবে যে আমার সুন্নতের সঙ্গে সরাসরি মিলে যাবে। এবং সেখানেই মূলত পথভ্রষ্টতা থেকে বাঁচার সুযোগ তৈরি হবে।

যখন এই এখতেলাফ শুরু হলো, এখতেলাফের একটা দীর্ঘসূত্রতা রয়েছে, যা আজকের এই আলোচনায় শেষ করা সম্ভব নয়। সেই এখতেলাফের ক্ষেত্রে ওলামায়ে কেরাম দেখেছেন যে, সুন্নাহর বক্তব্যের মধ্যে জাল হাদিস, ভুল হাদিস, মিথ্যা হাদিস, অগ্রহণযোগ্য হাদিস, বিচ্ছিন্ন হাদিসের মধ্যে প্রবেশ করেছে এবং মানুষ সেগুলো গ্রহণ করে নিচ্ছে। ফলে যেটি হয়েছে সেটি হলো ওলামায়ে কেরাম এগুলোকে আরো ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করার জন্য গবেষণার আশ্রয় নিয়েছেন। সুন্নাহর ক্ষেত্রে, সুন্নাহর বক্তব্যের ক্ষেত্রে, সুন্নাহর বর্ণনার ক্ষেত্রে এবং সুন্নাহর যে লিখিত বর্ণনা আছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে। এই গবেষণার পরবর্তী যে আকার সেটি হচ্ছে মূলত ওলামায়ে কেরামের মতামত, গবেষণার পর তাঁরা একটি মতামত দিয়েছেন। সেটাকেই বলা হয় মাজহাব। এটা হচ্ছে স্কুল অব থট। এটা গবেষণারই একটি অংশ এবং গবেষণার পরেই এটা ওলামায়ে কেরামের ব্যক্তিগত মত। এটি কোনো দ্বীন নয় এবং এটা কোনো ইসলামের বিধান নয়।

এখন আমরা আমাদের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটকেই যদি সামনে রাখি, এখানে আমরা অধিকাংশ মানুষই হানাফি মাজহাবের অনুসরণ করে থাকি। অর্থাৎ ইমাম আবু হানিফার অনুসরণ করে থাকি। কিন্তু ইমাম আবু হানিফা (রা.) নিজেও বলেন নাই যে, আমার বক্তব্যই তোমাদের জন্য দ্বীন এবং আমার বক্তব্য অনুসরণ করা তোমাদের জন্য ফরজ।

এখন সমস্যা যেটা হয়েছে সেটা হলো এই—যেটা আল্লাহতায়ালা আমাদের ওপর ফরজ করেন নাই, নবী করিম (সা.) আমাদের জন্য ফরজ করেন নাই, আবু হানিফা (রা.) আমাদের জন্য ফরজ করেন নাই সেটাকে আমরা নিজেদের ওপর ফরজ করে নিয়ে, দ্বীন বানিয়ে নিয়ে, অন্ধ অনুসরণ করে থাকি। এবং রাসূলের (সা.) বক্তব্যের ওপর আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি না।

ভক্তদের মধ্যে এমন প্রশ্নও অনেকে করে থাকেন, মাজহাব এবং হাদিস দুটোই পাওয়া গেলে আমরা কোনটা অনুসরণ করব। আমরা কি হাদিসের অনুসরণ করব, নাকি আমাদের ইমাম হানিফার (রা.) অনুসরণ করব?

ফলে আমরা বড় ধরনের একটা ভুলের মধ্যে রয়েছি, বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছি। ভুলটি হচ্ছে এই—মাজহাবকে মাজহাবের মর্যাদায় না রেখে আমরা তাকে দ্বীনের মর্যাদায় নিয়ে গেছি। তাই এই ভাই আমাদের এই প্রশ্ন করেছেন যে, রাসূল (সা.) কি আমাদের চার ধরনের নামাজ আদায় করতে বলেছেন?

না, কখনোই না। রাসূল (সা.) আমাদের যে সালাত শিক্ষা দিয়েছেন, ওহির মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রদত্ত বাণীর মাধ্যমে এই জ্ঞান দিয়েছেন। সুতরাং সেখানে দ্বিমত থাকার কোনো সুযোগ নেই। সেখানে দ্বিমত ছিল না। দ্বিমত পরে তৈরি হয়েছে। এ বক্তব্যগুলো পরে যুক্ত হয়েছে। এখানে যে চারটি বা পাঁচটি মাজহাবের কথা এসেছে এবং পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ৮ থেকে ১০টি মাজহাবের বিস্তার রয়েছে। এবং এদের যে অনুসারী আছে, তারা যদি এটাকে নিজেদের ওপর ফরজ করে নেন, তিনি কিন্তু পথভ্রষ্ট এবং তিনি ভুল করছেন। তিনি যদি এটা মনে করেন যে, এটা ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য, তাঁরা আমাদের কাজকে সহজ করার জন্য আমাদের এই নির্দেশনা দিয়েছেন এবং সেটা মনে করে যদি তিনি তা গ্রহণ করেন, তাহলে তিনি পথভ্রষ্ট হবেন না এবং সেটি গ্রহণ করতেও কোনো আপত্তি নেই।

প্যান্ট খুলে জাবে : নীশি রাতে চকি কেন লরে

কারো
হাসতে হাসতে প্যান্ট
খুলে গেলে আমি
দায়ী নয়
শাকিব খানের
অফিসিয়াল ফেসবুক
পেজে নতুন ছবির
একটা নাম
চেয়ে একটা পোস্ট
করা হইছে আর
সেখানে প্রচুর নাম
জমেছে এর
মধ্যে নির্বাচিত কিছু নাম
দিলাম….কেমন
হয়েছে বলবেন পারলে আপনারা ও
কিছু
বলেন
@ নাম আমার খান, অপু আমার
জান
@ধর সাইকেল মুইতে আসি
@নীশি রাতে চকি কেন লরে
@অপু ছাড়া বাঁচিনা
@মারি তোর কানের
গোড়ায়
@মিসকল দিবি কিনা বল
@তুমি আমার ঝালমুড়ি
@ ১ টাকার হিজরা
@আমি গরিব তুই কেন ধনী
@”সাকিব খান back with চেইন
খোলা pant”
@শিড়ির নিচে বিড়ির দোকান
@এরশাদ কেন বেঈমান ?
@আমার এত আবেগ কেরে ?
@চৌধুরী সাহেব
আপনি রং দেখেছেন
মাগার রঙ্গের
ডিব্বা দেখেন নাই
@অপু না ববি?
@আঘাত The ATTACK
@JAN-THE HEART
@”নায়ক থেকে পরিচালক”
@আক্কাস কেনো কাঁদে
@শাকিব এখন টোকাই
@হরতাল
@নাম আমার শাকিব খান আকিজ
বিড়ি জোরে টান
@বদনা হাতে মদনা সাকিব
@অপু আমার জান ববি আমার
প্রান আমি হিজডা নাম্বার ১
@ মর্জিনা তোরে কাতুকুতু দিমু
@জমির আইলে ভালোবাসা
@জরিনা কেন পুকুর ঘাটে
@ঢিল মারি তোর টিনের চালে
@আঁন্ধার রাইতে কুত্তা ডাকে
@এক ফুট ভালোবাসা

বাঙ্গালি জাতি যে কত বড় রসিক
জাতি এইটা আরেকবার
প্রমান করলাম !!