বাজারে ঢুকছে প্লাস্টিকের প্রলেপ দেয়া তরমুজ

তাও ভাল যে লাউ বা চালকুমড়ার উপর রঙ মেরে তরমুজ কয় নাই, বাঙালির মত বেইমান জাতি মনেহয় আর নাই, খারাপের সব লেভেল ক্রস করে ফেলসে এরা 😡😡😡

সাবধান_বাঙালি

সচেতন থাকুন অন্যদের সচেতন হতে সাহায্য করুন

বাঙালিদের মাথায় বুদ্ধির অভাব নেই। কিন্তু বুদ্ধি গুলো ভালো জায়গায় ব্যবহার যদি করতে পারতো তাহলে আর ভালো জায়গায় চলে যেতে পারতো। এমন কি উন্নতশীল দেশ হিসেবেই স্বীকৃতি পেতো। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো ওই বুদ্ধি কখনোই মানুষের মঙ্গলের কাজে ব্যবহার করা হয় না। কি ভাবে মানুষকে ঠকানো যায় সেই জায়গায়ই বুদ্ধি টা কাজে লাগায়।

দেশ উন্নত হবে কি ভাবে যেখানে দেশের মানুষের চিন্তা ধারা জঘন্য পর্যায়ের। কথা না বাড়িয়ে আসল কথায় আসি।

আমরা সবাই জানি কালো তরমুজ বেশি মিষ্টি হয় এবং খেতে মজা। তাই অনেকেই কালো তরমুজ বাজার থেকে নিয়ে আসেন। কিন্তু সেটা কি আসলেও কালো তরমুজ ??

বাসায় তরমুজ আনে ঠান্ডা হওয়ার জন্য ফ্রীজে রাখা হল। ফ্রীজ থেকে বের করতে না করতেই তরমুজের আসল পূর বের হতে শুরু হলো। এক পাশ কাটার সাথে সাথে আলাদা চামড়ার মত তরমুজ থেকে রঙের আবরন উঠা শুরু হয়। এক পর্যায়ে পুর তরমুজ টি থেকেই গাঢ় রঙের প্রলেপ উঠে আসলো। এই ভাবেই তরমুজ ব্যবসায়ীরা মানুষের ঠকাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষ প্রতারণা শিকার হচ্ছে।

সবাই সাবধান থাকবেন এসব প্রতারনার হাত থেকে। তরমুজ ক্রয় করার আগে কেটে দেখে নিবেন। কালো রঙের তরমুজের বিচি কালো রঙের হয়। যারা জানেন না তারা সাবধানে তরমুজ ক্রয় করবেন।

ধন্যবাদ
Md Atiullah Sarker‎

অ্যালার্জি জনিত কারণে ঘন ঘন সর্দি লাগলে কি করবেন ?

অ্যালার্জি জনিত কারণে ঘন ঘন সর্দি লাগলে কি করবেন ?

"অ্যালার্জি জনিত কারণে ঘন ঘন সর্দি লাগলে কি করবেন ?"

হঠাত্‍ করেই গরম বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন ধরনের ভাইরাল অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে সবাই। বিশেষ করে সর্দি গরমের রোগীর দেখা মিলছে প্রতিটি পরিবারে। প্রচন্ড গরমে ঘামার পর সেই ঘাম শরীরেই শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। আর এই বসে যাওয়া ঠান্ডা থেকেই সর্দিগর্মির উত্পশত্তি। এ থেকে হতে পারে জ্বর, কাশি, মাথাব্যথা, সর্দির মতো অস্বস্তিকর রোগ। এই রোগের স্থায়িত্ব কম হলেও ভেতর থেকে শরীর দুর্বল করে ফেলে।

এই দুর্বলতার ফলে রোগপরবর্তী ধকল সামলে উঠতে অনেকেই পারেন না, আরো বড় কোনো ভাইরাল অসুখে আক্রান্ত হন। তাই সাধারণ সর্দিগর্মিতেই যদি নিজের একটু খেয়াল রাখতে পারেন, তাহলে পরবর্তী রোগের ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যায়। বিশেষ করে খাবারের ব্যাপারে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলেই রোগ প্রতিরোধ করা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।

  • মৌসুমী ফলমূল সর্দিকাশি প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। আঙুর, বাঙ্গি, তরমুজ, আনারস ইত্যাদি ফল খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন।
  • খাদ্যতালিকায় রাখুন বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার। যেমন – অ্যাপ্রিকট, গাজর, ব্রকলি ইত্যাদি। কারণ বিটা-ক্যারোটিন নাক ও ফুসফুসে সর্দি জমতে দেয় না।
  • ফ্লু বা ভাইরাল ফিভার হলে পথ্য হিসেবে চিকেন স্যুপ খুব কাজে দেয়। সর্দিগর্মি হলে রুচিও চলে যায়। এসময় গরম গরম চিকেন স্যুপ যেমন খেতে ভালো লাগবে তেমনি জমে থাকা সর্দিও সরিয়ে দিতে সাহায্য করবে।
  • সর্দিগর্মির সাথে যদি কাশি হয় তাহলে তুলসী ও আদার রস খুব উপকারে দেয়। ফুটন্ত পানিতে তুলসী পাতা ও আদা দিয়ে ভালো করে ফোটান। ঈষদুষ্ণ এই মিশ্রণ খুশখুশে কাশি দূর করবে ও বুকে কফ জমতে দেবে না।
  • আধা চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ার সাথে দুই চা চামচ মধু ও অল্প আদার রস মিশিয়ে খেতে পারেন।
  • আদার রসের সাথে মধু ও মেথিগুঁড়া মিশিয়ে খান। গলাব্যথা থাকলে কমে যাবে।
  • ফুটন্ত পানিতে দারুচিনি, লবঙ্গ, মধু, গোলমরিচ, থেঁতো করা তুলসী পাতা ও আদা দিয়ে ভালো করে ফোটান। হালকা গরম অবস্থায় বার বার চুমুক দিয়ে খান। সর্দি ভেতর থেকে বেরিয়ে যাবে। গলাব্যথাও কমে যাবে।
  • খাবারের পাশাপাশি বিশ্রামও আপনাকে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করবে। দিনে অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুমান। সর্দিগর্মি কমে যাওয়ার পরও কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে তারপর কাজে ফিরুন।
  • সর্দিকাশি ও জ্বরের সাথে লড়তে সাহায্য করে ভিটামিন সি। সর্দিগর্মির সময় রক্তে হিস্টামিন নামক এক প্রকার উপাদান বেশি বেড়ে যায়। ফলে নাকেমুখে একটা দমবন্ধ ভাব লাগে। ভিটামিন সি হিস্টামিনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। এছাড়া ভিটামিন সি শ্বেত রক্তকণিকা মজবুত করে ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি যুক্ত খাবার রাখুন। সর্দিজ্বরের সময় লেবু, টমেটো প্রতিদিনের খাবারে খান। ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন।
  • রসুন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিও প্রতিরোধে সাহায্য করে। দুই টুকরা কাঁচা রসুন খান প্রতিদিন। গলা খুশখুশ করলে মুখে লবঙ্গ রাখতে পারেন। গলায় আরাম পাবেন, জিভের আড়ষ্টতাও কাটবে।
  • সর্দিগর্মি হলে পানীয় গ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রচুর পরিমাণে পানি খান। সাথে আদা চা, সরবত, ডাবের পানি, জুস, স্যুপ ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খান। কারণ তরল পদার্থ জমে থাকা সর্দি শরীর থেকে বের করে দিতে সহায়তা করে।
  • অতিরিক্ত কফি বা অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন এ সময়।
  • অ্যালার্জির ধাত থাকলে নিয়মকানুন মেনে চলুন। নয়তো শ্বাসনালি বা ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

দৈহিক শক্তি বাড়াতে যে সকল খাবারগুলো খাবেন

দৈহিক শক্তি বাড়াতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ওষুধি কৌশল এবং মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা এখন প্রায় সেকেলে হয়ে পড়েছে। আজকাল এই শক্তি বাড়াতে প্রাকৃতিকভাবেই দৈহিক শক্তি বর্ধক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই বিবাহিত জীবনে মিলনে ফিট থাকতে হলে আপনাকে দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। কারণ সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক।  

অথচ প্রায়ই দেখা যায়, দৈহিক দুর্বলতার কারণে সংসারে অশান্তি হয়, এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়। তাই আগে থেকে সতর্ক থাকলেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি নাও হতে পারেন আপনি। আপনার শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোনো প্রকার ওষুধের প্রয়োজন নেই, তার জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবার দাবারই যথেষ্ট। আপনার খাবার মেনুতে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং মধু রাখুন আর নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করুন, তাহলে দৈহিক দুর্বলতায় ভুগবেন না।

দৈহিক শক্তি বাড়াতে যে সকল খাবারগুলো খাবেন
দৈহিক শক্তি বাড়াতে যে সকল খাবারগুলো খাবেন

ডিম: দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে ও উত্তেজনা বাড়াতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার দুর্বলতার সমাধান হবে।  
 
দুধ: যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার জীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

মধু: দৈহিক দুর্বলতার সমাধানের মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।

রসুন: দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই দৈহিক উদ্দীপনা বাড়াতে এবং দেহকে পূর্ণ সক্রিয় রাখতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।

কফি: কফি আপনার মিলনের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মিলনের মুড কার্যকর রাখে।

জয়ফল: গবেষণায় দেখা গেছে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

চকলেট: ভালোবাসা ও মিলনের সঙ্গে সবসময়ই চকলেটের একটা সম্পর্ক রয়েছে। এতে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো মিলনের উত্তেজনা ও দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএ’র সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হলেও আপনার ক্লান্তি আসবে না।

ভিটামিন সি জাতীয় ফল: দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল দৈহিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী।  

গবেষণা দেখা গেছে, একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। এসব ফলে মধ্যে তরমুজের প্রভাব বেশি। অনেকে মিলনের উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

গরুর মাংস: গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি মিলনকে আরও আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

অতি সহজেই বানিয়ে ফেলতে পারেন নানা প্রকার শরবত শিখে নিন

শরবত:

আদা লেবুর শরবত:- উপকরণ: আদার রস ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ঠাণ্ডা পানি ১ গ্লাস। প্রস্তুত প্রণালী: সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে শরবত বানাতে হবে। তারপর পরিবেশন করুন|

শসার শরবত:- উপকরণ: শসা ২৫০ গ্রাম, ধনেপাতা কুচি আধা টেবিল চামচ, বিট লবণ সামান্য, চিনি সামান্য, কাঁচা মরিচ ১টি এবং পানি সামান্য। প্রস্তুত প্রণালী: শসার খোসা ছাড়িয়ে এবং বীজ ফেলে কুচি করে নিন। এরপর সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এবার সুদৃশ্য একটা শরবতের গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন শসার শরবত।

আমের শরবত:- উপকরণ: পাকা আম কুচি এককাপ, চিনি স্বাদমতো, পানি আধাকাপ, লবণ এক চিমটি, পরিমাণমতো বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী: বরফকুচি বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন আমের শরবত।                                                                                                                                                            1460045250974                                                শরবত                                                                                                                                                  তরমুজের শরবত:- উপকরণ: তরমুজ কুচি দুইকাপ, চিনি ২ টেবিল চামচ, বিট লবণ আধা চা চামচ, লেবুর রস ২ চা চামচ, বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী: তরমুজ কুচিসহ সব উপকরণ মিশিয়ে ব্লেন্ড করে ফ্রিজে রেখে দিন। প্রয়োজনীয় ঠাণ্ডা হলে নামিয়ে এনে পরিবেশন করুন রঙিন এক গ্লাসে  ঠাণ্ডা তরমুজ শরবত।

আনারসের শরবত:- উপকরণ: আনারস কুচি ১ কাপ, বিট লবণ আধা চা চামচ, চিনি ২ চা চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া ২ চা চামচ, পানি পরিমাণমতো। প্রস্তুত প্রণালী: আনারস কুচির সঙ্গে বিট লবণ, চিনি, গোল মরিচের গুঁড়া ও পানি একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল আনারসের শরবত। এবার সুন্দর একটি গ্লাসে ঢেলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

জামের শরবত:- উপকরণ: জাম ১ কাপ, পানি ১ কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, অর্ধেক কাঁচামরিচ, পুদিনাপাতা কুচি, পরিমান মতো লবণ। প্রস্তুত প্রণালী: জাম বীচি থেকে আলাদা করুন। এবার অন্যান্য সব উপকরণ আর জাম একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। চাইলে ছেঁকে নিন অথবা না ছেঁকে নিলেও হবে। ফ্রিজে রেখে দিন ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য।তারপর পরিবেশন করুন |

বেলের শরবত:- উপকরণ: পাকা বেল, চিনি পরিমান মতো, দুধ পাউডার আধা কাপ ও ঠাণ্ডা পানি। প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে বেল ফাটিয়ে নিন। এরপর চামচ দিয়ে ভেতরের বেল বের করে নিন। সামান্য পানি দিয়ে মাখিয়ে নরম করুন। বেলের আঠা ও বিচি ফেলে ভালোভাবে চটকে চালুনিতে ছেঁকে নিন। এবার ঠাণ্ডা পানি যোগ করুন। দুধ পাউডার যোগ করতে পারেন। চিনি প্রয়োজন অনুযায়ী মিশিয়ে নিন। এবার বরফকুচি বাদে অন্য সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে গ্লাসে ঢেলে বরফকুচি মিশিয়ে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।

ডাব পুদিনার শরবত:- উপকরণ: বড় ডাব ১টি (শাঁসসহ), পুদিনা পাতা কুচি করা আধা চা চামচ, বিট লবণ সামান্য, চিনি সামান্য, পাতলা করে কাটা ডাবের শাস ২ টেবিল চামচ, বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী: ডাবের পানির সঙ্গে অন্যান্য উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর ব্লেন্ডারে অল্প ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

বাঙ্গির শরবত:- উপকরণ: বাঙ্গির রস ১ কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, বরফ কিউব পরিমাণমতো, লবণ এক চিমটি। প্রস্তুত প্রণালী: বাঙ্গি কুচি কুচি টুকরো করুন। বড় বাটিতে বাঙ্গির সঙ্গে চিনি মিশিয়ে রেখে দিন বেশ কিছুক্ষণ। লেবুর রস ও বরফ মিশিয়ে রাখুন আরও কিছুক্ষণ। বাঙ্গি থেকে পানি বের হয়ে শরবত হবে। এটা ছেকে ঢেলে নিন গ্লাসে। লবণ মেশান। বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

লেবু পুদিনা:- উপকরণ: মাঝারি আকারের লেবু ২টা, পুদিনাপাতা ১০ গ্রাম, পানি ২৫০ মিলিলিটার, চিনি ২ টেবিল চামচ, বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে লেবুর খোসা ফেলে টুকরো করে নিন। পুদিনাপাতা ধুয়ে কুচি করে কাটুন। ব্লেন্ডারে লেবু, পুদিনাপাতা, পানি, চিনি দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। ছাকনি দিয়ে ছেকে গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

তেঁতুলের শরবত:- উপকরণ: তেঁতুল, বিট লবণ, চিনি, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনিয়া পাতা কুচি, শুকনা মরিচের গুড়া, ঠাণ্ডা পানি। প্রস্তুত প্রণালী:প্রথমে তেঁতুল থেকে বিচি আলাদা করে একটি পাত্রে তেতুল গুলে নিন। গোলানো তেঁতুলের সঙ্গে পরিমানমতো ঠাণ্ডা পানি মিশান।

এবার তেঁতুলের সঙ্গে একে একে পরিমানমতো চিনি, বিট লবণ, টেলে রাখা শুকনা মরিচের গুড়া, কাঁচা মরিচ কুচি ও ধনিয়া পাতা কুচি দিন এবং নেড়ে ১০ মিনিট রাখুন। তেঁতুলের মিশ্রনটি অন্য একটি পাত্রে ছাকনি দিয়ে ছেকে নিন। গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

আপেল ও মাল্টার শরবত:- উপকরণ: আপেল ১টি, মাল্টা ১টি, লবণ ১ চিমটি, চিনি ১ চা চামচ, পানি ১ গ্লাস, বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী: মাল্টার ভেতর থেকে রস বের করে তার সঙ্গে আপেল, লবণ, চিনি ও পানি মিশিয়ে একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পরিবেশন করুন।