গল্প থেকে শিখুন

একবার একটা লঞ্চ দূর্ঘটনায় পড়লো। লঞ্চের এক দম্পত্তি একটা লাইফবোট পেল। কিন্তু স্বামীটা বুঝে ফেললো সেখানে একজনের বেশি উঠতে পারবে না। লোকটা তার স্ত্রীকে Continue reading “গল্প থেকে শিখুন”

দূর্ধর্ষ ডাকাত থেকে রাসূল (সা:) এর বিশ্বাসী সাহাবী হয়ে উঠার গল্প

মক্কা যে গিরিপথের মাধ্যমে বাকী পৃথিবীর সাথে যুক্ত ছিল সেটা ছিল ওয়াদান ভ্যালী এবং সেখানেই ছিল গিফার গোত্রের বাস। অত্যন্ত দুর্ধর্ষ এই জাতি মক্কা এবং সিরিয়ার মধ্যে যে সকল বানিজ্য বহর চলাচল করত তাদের জিম্মি Continue reading “দূর্ধর্ষ ডাকাত থেকে রাসূল (সা:) এর বিশ্বাসী সাহাবী হয়ে উঠার গল্প”

মিরাজ থেকে নবীজির মৃত পর্যন্ত যা ঘটেছিলো

* মি’রাজ : রাসূলুল্লাহ (সঃ) -এর বয়স যখন ৫১ বছর নয় মাস হয়, তখন তাঁকে সশরীরে মর্যাদাপূর্ণ ইসরা ও মি’রাজ ভ্রমণের মাধ্যমে সম্মানিত করা হয়। মি’রাজে রাসূলুল্লাহ (সঃ) প্রথমে কা’বা থেকে বাইতুল মুকাদ্দাসে যান, অতঃপর সেখান থেকে এক এক করে সাত আসমান অতিক্রম করে মহান আল্লাহর আরশে আজীমে তাশরীফ গ্রহণ করেন। এ মি’রাজ সফরে রাসুলুল্লাহ (সঃ) পাঁচ ওয়াক্ত নামাযে বিধান লাভ করেন। মি’রাজে গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সঃ) জান্নাত এবং জাহান্নাম স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করেন।
মদীনায় হিজরত : ৪ঠা রবিউল আউয়াল সোমবার রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত আবু বক্কর (রাঃ) সহ মক্কা থেকে হিজরত শুরু করেন এবং লোকালয় পেরিয়ে ছাওর গুহায় অবস্থান গ্রহণ করেন। অতঃপর তাঁদের সাথে আমের ইবনে ফুহাইয়া এবং আবদুল্লাহ ইবনে উরাইকিতকে নিয়ে মদীনায় হিজরত করেন।
* জিহাদে অংশগ্রহণ : রাসূলুল্লাহ (সঃ) স্বীয় জীবনে সর্বোমোট তেইশটি জিহাদে অংশগ্রহণ করেন। এ সকল জিহাদকে ‘গাযওয়া’ বলা হয়। তন্মধ্যে মোট নয়টি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। যথা- (১) গাযওয়ায়ে বদর, (২) গাযওয়ায়ে উহুদ, (৩)গাযওয়ায়ে আহযাব, (৪) গাযওয়ায়ে বনী কুরাইযা, (৫) গাযওয়ায়েবনী মুস্তালিক, (৬) গাযওয়ায়ে খাইবার, (৭) গাযওয়ায়ে ফাতহে মক্কা, (৮) গাযওয়ায়ে হুনাইন এবং
(৯) গাযওয়ায়ে তায়িফ।
আর রাসূলুল্লাহ (সঃ) নিজে সশরীরে অংশগ্রহণ না করে অপর কাউকে সিপাহসালার নিযুক্ত করে সাহাবায়ে কেরাম -এর জামা’আতকে যে জিহাদ অভিযানে প্ররণ করেছেন, তাকে ‘সারিয়্যা’ বলে। এ ধরনের জিহাদের সংখ্যা ৪৩টি।
* ওফাত : রাসূল (সঃ) ৬৩ বছর বয়সে ১১ হিজরীর ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার দুপুরের পর রফীকে আ’লা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ডাকে সাড়া দিয়ে ইহধাম ত্যাগ করে পরপারে গমন করেন । অতঃপর খলীফা নির্বাচনের কাজসমাধা করে ১৪ই রবিউল আউয়াল রাতে হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ)-এর গৃহে (রওযা মুবারকে ) রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-কে সমাহিত করা হয়

তথ্যসুত্র- মহানবী (সঃ)-এর জীবনী।

ঘুম থেকে উঠে যে দোয়া পড়বেন, আমার নবীজি যে দোয়া পড়তেন

দিন ও রাত্রির সৃষ্টি আল্লাহ তাআলার একত্ববাদের এক বড় নিদর্শন এবং তামাম জাহানের সকল মাখলুকের জন্য মহা নিয়ামত। যার শোকর আদায় করে শেষ করা যাবে না। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দুনিয়াতে অগণিত অসংখ্য মাখলুক সৃষ্টি করে প্রত্যেককে তার পরিধিতে সংসার জীবন প্রতিপালনে ব্যস্ত করে রেখেছেন এবং এ সকল কাজে সকল মাখলুকের মাঝে ক্লান্তি আসে; আবার তা থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করেছেন ঘুমের মাধ্যমে। আর আশরাফুল মাখলুকাত মানুষের মাধ্যমে সকল মাখলুক অবস্থা উপলদ্ধি করিয়েছেন এবং সকল মাখলুক থেকে মানুষকে উপকার ও শিক্ষা গ্রহণের উপকরণ বানিয়েছেন।

আল্লাহ বলেন-
`তোমাদের ঘুম বা নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী। রাত্রিকে করেছি আবরণ। দিনকে করেছি জীবিকা অর্জনের সময়।` (সুরা আন-নাবা; আয়াত -৯, ১০ ও ১১)

ঘুমের মাধ্যমে মানুষের প্রশান্তি লাভের পর ঘুম থেকে উঠার সময় মানুষকে আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করার কথা বলেছেন-

হাদীস শরীফে এসেছে-
আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আহইয়ানা বা’দা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশুর। (সহিহ বুখারী)
হযরত হুযাইফা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তিনি জাগ্রত হতেন তখন বলতেন, সমস্ত প্রশংসাই আল্লাহর জন্য। যিনি আমাদেরকে মারার পর জীবিত করেছেন। আর তাঁর দিকেই আমাদের ফিরে যেতে হবে। (সহিহ বুখারী, রিয়াদুস সালেহীন-৮১৭)।

অতঃপর কালিমাতুশ শাহাদাত পড়বে-
আশহাদুআল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসুলুহু।

আমাদের সকল ভালো কর্মের প্রশংসা করবো এবং সকল প্রকার মন্দ কর্মের জন্য আল্লাহর দরবারে সব সময় ফানাহ চাইবো।
আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের যোগ্যতা দান করুন। আমীন ছুম্মা আমীন।

তথ্যসূত্র : সহিহ বুখারী, রিয়াদুস সালেহীন।

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজীম ওয়া বিহামদিহি আসতাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইকা।

জাগো নিউজ ২৪ ডটকমের সঙ্গে থাকুন। গুরুত্বপূর্ণ দোয়া শিখে আমল করুন। কুরআন-হাদীস মোতাবেক আমলী জিন্দেগী যাপন করুন।

আবাসিক হোটেল থেকে ৪০ নারী-পুরুষ আটক

গাজীপুরে আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ৪০ নারী-পুরুষকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার শাপলা আবাসিক হোটেল থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ১৮ নারী ও ২৫ জন পুরুষ রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশে সন্ধ্যায় শাপলা আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গতকাল থেকে ইয়াবা সেবনের পরপরই ইয়াবা সেবনকারি মারা যাচ্ছে।(বিস্তারিত ভিডিওতে)

মায়ানমার আর্মি নাকি এক প্রকার বিষ দিয়ে ইয়াবা বানিয়ে বাজারে ছাড়ছে। রোহিংগাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছে। এজন্য মায়ানমার সরকার ইয়াবার সাথে বিষ মিশিয়ে বাংলাদেশের বাজারে ছেড়েছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী নিরীহ জনগণদের বাঁচাতে হাজার কোটি টাকার ইয়াবা নষ্ট করে ফেলছে ।

বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান সংস্থার তথ্য মতে, নাখালপাড়াতে ইয়াবা খেয়ে একটা মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটছে এই সপ্তাহে। আর গতকাল ৪/৫ জন ইয়াবা খাওয়ার পরে প্রেশার অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। ইমিডিয়েট হসপিটালাইজ করতে হয়েছে।
মেরুল বাড্ডাতে এ পর্যন্ত দু জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এবং ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের মুখ দিয়ে লালচে লালা বের হচ্ছে !! মারা যেতে পারে যে কোন মুহূর্তে।
দয়া করে এই খবরটি কপি-পেস্ট করে ছড়িয়ে দিন। ইয়াবা সেবনকারীরা এদেশেরই নাগরিক। কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেটে প্রাণঘাতী উপাদান মেশাচ্ছে মায়ানমার। এই নতুন ইয়াবা সেবনের ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই মানুষের সেরিব্রাল এটাক হয় এবং মাথার রক্তনালী ফেটে গিয়ে তাৎক্ষনিক মৃত্যু হয়। জীবন বাঁচাতে ইয়াবা সেবন থেকে নিবৃত করুন।
মানবসেবায়ঃ বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান

এশিয়ার সব থেকে বড় আম গাছটি বাংলাদেশের কোন জেলায়, বলতে পারবেন না পারলে জেনে নিন ?


শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীতে এটাই সম্ভবত সব থেকে বড় আম গাছ। যা ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী এলাকায় অবস্থিত। বর্তমানে এ গাছটিকে ঘিরে প্রতিদিনই ভীর জমাচ্ছে নানা স্থানের পর্যটকরা।

সৃষ্টির অপার রহস্যের এক নিদর্শন হয়ে এই আম গাছটি কেবল ওই অঞ্চলের মানুষের মাঝেই বিস্ময়ক্ষুধা নিবারণ করছে না, আজব এই গাছকে কেন্দ্র করে এখন এই অঞ্চলকে পর্যটন অঞ্চল করার কথাও ভাবা হচ্ছে।

জানা গেছে, এই বৃহত্তম আম গাছটিকে ঘিরে শুধু ওই গ্রামই নয়, পুরো অঞ্চলই নাকি এখন বেশ পরিচিত। গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিশালাকার এই আম গাছের খবর এখন দেশের গণ্ডি ছাপিয়ে পৌঁছে গেছে দেশ-বিদেশে। ফলশ্রুতিতে প্রতিদিনই আজব এ গাছের দর্শন পেতে হরিণমারী এসে হাজির হচ্ছেন অনুসন্ধিৎসু-ভ্রমণপিপাসুরা।

সূত্র বলছে, তিন বিঘা (এক একর) জমি জুড়ে বিস্তৃত এই আম গাছটি ঘিরে ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা। ব্যক্তি মালিকানাধীন হলেও এই বৃক্ষকে দর্শনে সড়ক অবকাঠামোসহ প্রয়োজনীয় পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা ব্যক্তিবর্গরা। একইসঙ্গে স্থানীয়রা আশা করেন, এশিয়ার সর্ববৃহৎ আম গাছের খ্যাতি কুড়ানো এই বৃক্ষটি একসময় গিনেজ ওয়ার্ল্ডবুকেও স্থান করে নিবে।

দেশের উত্তরাঞ্চলীয় বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত, বতর্মান ঠাকুরগাঁও জেলায় অন্তর্ভূক্ত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় সীমান্তবর্তী আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারী (নয়াপাড়া) গ্রামে দুই শতাব্দির নীরব সাক্ষী এই বৃক্ষের অবস্থান। ঠাকুরগাঁও জেলা শহর থেকে যার দুরত্ব ত্রিশ কিলোমিটারের বেশি নয়।

অতিকায় এই আমগাছটি স্থানীয়ভাবে ‘সূর্য্যপুরী আম’ গাছ নামে ডাকা হয়। গাছটির প্রায় ১৯ টি বৃহাদাকার শাখা বা ডাল রয়েছে, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ৬০ থেকে ৮০ ফুট। শাখাগুলোর ব্যসার্ধ ৩০ থেকে ৩৫ ফুট। যুগ যুগ ধরে সম্প্রসারিত হতে থাকা গাছের প্রত্যেকটি ডালের উপর অনায়াসে হাটাচলা করা সম্ভব।

নয়নাভিরাম শোভা ছড়ানো আমগাছটির প্রত্যেকটি শাখা বা ডাল গাছের মূলকান্ড থেকে বের হয়ে ঢেউয়ের মতো আকৃতি ধারণ করে মাটি স্পর্শ করেছে। ডালগুলো মূলকান্ড থেকে বেরিয়ে একটু উপরে উঠেই আবার তা মাটিতে নেমে গেছে। তারপর আবারও উপরে উঠে গেছে।

গাছের বর্তমান মালিক ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গাছটি তার জন্মের আনুমানিক দুশ’ বছর পার করে ফেলেছে। হরিণমারীর প্রয়াত শরিফ উদ্দীনরে দুই ছেলে মোঃ সাইদুর রহমান মোল্যা(৪০) ও মোঃ নুর ইসলাম মোল্যা (৩০) উত্তরাধিকারসূত্রে গাছটির মালিকানা পেয়েছেন।

গাছের অন্যতম মালিক নুর ইসলাম জানান, ‘প্রতিবছর এ গাছ থেকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ মণ আম উৎপাদন হয়, যার বাজার মূল্য আনুমানিক ১ লাখ টাকা।’

তিনি জানান, এই বৃহৎ আমগাছটির পাশেই আরো কয়েকটি একই জাতের আমগাছ রয়েছে, যা হুবুহু ওই আমগাছের মতোই ডালপালা বিস্তার করে মাটির সঙ্গে ঢেউ খেলিয়ে আলিঙ্গন করছে। তাদের আশা, অদূর ভবিষ্যতে এই গাছটিও বিশালাকার পাবে ও মানুষের বিস্ময় হয়ে থাকবে।

গাছটিকে ঘিরে প্রত্যন্ত এই জনপদ এখন রীতিমতো পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। একটিবার গাছটিকে দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে, এমনকি দেশের বাইরে থেকেও  পর্যটকরা আসছেন প্রতিনিয়ত। যার ফলে গাঠের আশাপাশে গড়ে উঠেছে দোকানপাট, নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ যানবাহন রাখার সু-ব্যবস্থাও!

এমনি এক সৌন্দর্য পিপাসু বিচারপতি একেএম ফজলুর রহমান। সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত এই বিচারক সম্প্রতি আমগাছটি দেখতে আসেন।

প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘স্রষ্টার এক বিষ্ময়কর সৃষ্টি এই আমগাছ। আমগাছটির মূলকান্ড থেকে বেরিয়ে গেছে অনেকগুলো ডাল, যেগুলো একটু উপরে উঠেই আবার মাটিতে নেমে গেছে-তারপর আবারো উঠে গেছে। সত্যি মহান আল্লাহর এ এক বিষ্ময়কর সৃষ্টি।’

‘না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। স্রষ্টা যেন শিল্পীর তুলিতে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে মনের মতন করে গাছটিকে একেঁছেন। গাছটিতে হাজার হাজার আম ধরে আছে’-যোগ করেন বিচারপতি একেএম ফজলুর রহমান।

তিনি মনে করেন, পৃথিবীতে যা কিছু আশ্চর্য হিসেবে পরিচিত, স্রস্টার সৃষ্টির বিচারে এ আম গাছটিও একটি আশ্চর্যই বটে।

আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এ স্থানটির প্রতি সরকারের বিশেষ দৃষ্টি পাবে এবং যোগাযোগের জন্য রাস্তাটির উন্নয়ন সাধন করে স্থানীয় প্রশাসন একে ঘিরে দৃষ্টিনন্দন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে পারে।’

“এধরণের আমের চারা দেশের অন্যান্য স্থানে রোপণ করে আম উৎপাদনে বড় বিপ্লব সাধন করা যায়’ বলেন গাছটি দেখতে আসা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উফসী পাট বীজ উৎপাদন প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব) নারায়ন চন্দ্র সরকার।

পীরগঞ্জ থেকে আসা দর্শনার্থী মোঃ বাদশা আলম বলেন, ‘একটি আমগাছ এত বড় হতে পারে তা কখনো কল্পনাই করতে পারিনি। এই আমগাছ না দেখলে জীবনের অনেক বড় একটা অপূর্ণতা থেকে যেতো। গাছটি দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না।’

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা সদর থেকে দশ কিলোমিটার পশ্চিমে নিভৃত পল্লী হলেও এখন যোগাযোগ ব্যবস্থা মোটামুটি ভাল থাকায় প্রতিদিনই বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেক দর্শনার্থী এই আমগাছটি দেখতে আসেন। এটি এখন এই অঞ্চলের মানুষের বিনোদনের অন্যতম স্থান হয়ে উঠেছে। এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় এই আমগাছকে দেখতে যে কেউ আসতে পারেন সপরিবারে।

জেনে নিন, কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহর রহমত, বরকত ও ক্ষমার দৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হবেন যারা !!

কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহর রহমত,বরকত ও খমার দৃষ্টি থেকে যারা বন্চিত হবেন!!আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রসূলিল্লাহ। আম্মাবাদঃএমন কিছু মানুষ রয়েছে যারা কিয়ামত দিবসে দয়াময় আল্লাহর সুদৃষ্টি থেকে বঞ্ছিত থাকবে,তিনি তাদের দিকে তাকাবেন না আর না তাদের প্রতি সুনজর দিবেন।তাদের সংখ্যা অনেক। [আল্লাহর কাছে দুআ করি, তিনি যেন আমাদেরকে এই বঞ্ছিতের অনিষ্ট থেকে হেফাযতে রাখেন, এর কারণ থেকে দূরে রাখেন এবং সেই বঞ্ছিত সম্প্রদায় থেকেও দূরে রাখেন।]

১-যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার ও শপথকে সামান্য বিনিময়ে বিক্রয় করেঃ আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “নিশ্চয় যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং

নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, এরা আখেরাতের কোন অংশই পাবে না এবং আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না,তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদের পবিত্র করবেন না,বস্তুতঃ তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” [আল্ ইমরান/৭৭] এই আয়াতে মিথ্যা কসম করা হারাম এর প্রমাণ রয়েছে, যা মানুষ সামান্য পর্থিব লাভের জন্যে করে থাকে। উলামাগণ এই কসম কে আল্ ইয়ামীন আল্ গামূস বা ডুবানোর কসম আখ্যা দিয়েছেন কারণ; তা এই কসমকারীকে পাপে ডুবায় অতঃপর জাহান্নামে। [আল্লাহই আশ্রয়দাতা]

২- গিঁটের নিচে বস্ত্র পরিধানকারী।

৩-মিথ্যা কসম দিয়ে পণ্য বিক্রয়কারী।

৪- কারো উপকার করে তাকে উপকারের খোটা দাতা।আবু হুরাইরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “ তিন প্রকার এমন লোক রয়েছে, যাদের সাথে আল্লাহ কথা বলবেন না আর না কেয়ামতের দিন তাদের দিকে দেখবেন আর না তাদের পবিত্র করবেন বরং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি”। আমি (আবু হুরাইরা) বললামঃ আল্লাহর রাসূল! তারা কারা? ওরা তো ক্ষতিগ্রস্ত! তিনি(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বলেনঃ “গিঁটের নিচে কাপড় পরিধানকারী, ব্যবসার সামগ্রী মিথ্যা কসম দিয়ে বিক্রয়কারী এবং কাউকে কিছু দান করার পর তার খোটা দাতা”। [মুসলিম, ঈমান অধ্যায়,নং২৯৪]গিঁটের নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পরিধানকারী হচ্ছে, সেই ব্যক্তি যে তার লুঙ্গি ও কাপড় এত ঝুলিয়ে পরে যে তার দুই গিঁটের নিচে চলে যায়। যদি সে অহংকার স্বরূপ এমন করে, তাহলে তার জন্য উপরোক্ত শাস্তির ঘোষণা কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না যে, তার লুঙ্গি অহংকার স্বরূপ ঝুলিয়ে পরে”। [বুখারী,নং৫৭৮৩/ মুসলিম] আর যে অহংকার স্বরূপ নয় বরং এমনি ঝুলিয়ে পরে,তাহলে তার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এই বাণী প্রযোজ্যঃ “লুঙ্গির যতটা গিঁটের নিচে থাকবে, ততটা জাহান্নামে যাবে”। [বুখারী,নং৫৭৮৭ ] এই ভাবে হাদীসগুলির মাঝে সমন্বয় সাধন হবে। আল্লাহই বেশী জানেন।পর্দার উদ্দেশ্যে মহিলাদের এক গজ ঝুলিয়ে পরা বৈধ কিন্তু এর বেশী করবে না।আর মিথ্যা শপথ করে সামগ্রী বিক্রয়কারী হচ্ছে, এমন ব্যক্তি যে মহান আল্লাহকে তুচ্ছকারী।তাই সে (আল্লাহার কসম দিয়ে)মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে লোকদের নিকট পণ্য বিক্রি করে।আর খোটাদাতা হচ্ছে, যে দান করার পর খোটা দেয়।

৫- যে মুসাফিরকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি থেকে বাধা দেয়।

৬-যে পার্থিব লাভের আশায় কোন মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানের হাতে বায়আত (অঙ্গীকার)করে।আবু হুরাইরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তিন প্রকারের লোকের সাথে মহান আল্লাহ কিয়ামত দিবসে কথা বলবেন না, না তাদের দিকে তাকাবেন আর না তাদের পবিত্র করবেন; বরং তাদের জন্য রয়েছে শক্ত আযাব। ঐ ব্যক্তি যার নিকট র্নিজন প্রান্তরে প্রয়োজনে অতিরিক্ত পানি থাকা সত্ত্বেও মুসাফিরকে তা ব্যবহার করা থেকে নিষেধ করে। আল্লাহ তাকে বলবেনঃ আজ আমি তোমাকে আমার অতিরিক্ত (রহমত) থেকে বঞ্ছিত করবো, যেমন তুমি তোমার বিনা পরিশ্রমে অর্জিত অতিরিক্ত পানি থেকে বঞ্ছিত কেরেছ এবং সেই ব্যক্তি যে আসরের পর কোন ব্যক্তিকে তার সামগ্রী বিক্রয় করে। আল্লাহর কসম খেয়ে বলে আমি এটা এই এই দামে ক্রয় করেছি।ক্রেতা তার কথা সত্য মনে করে তার কাছ থেকে পণ্য খরিদ করে অথচ সে সত্য নয়। আর সেই ব্যক্তি যে কোন মুসলিম ইমামের (রাষ্ট্রপরিচালকের) হাতে কেবল পার্থিব উদ্দেশ্যেই বাইআত (অঙ্গীকার) করলো; সে যা চায় যদি তাকে তা দেওয়া হয় তো অঙ্গীকার পূরণ করে, আর না
দিলে ভঙ্গ করে। [বুখারী, নং ৭২১২/ মুসলিম, ঈমান অধ্যায়, নং২৯৭] মরুভূমীতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি থেকে মুসাফিরকে বাধাদানকারীকে আল্লাহ তার কৃত কর্ম অনুযায়ী বদলা দিবেন। তার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত যা আছে তার তুলনায় আল্লাহর রহমত ও ফযলের প্রয়োজন অনেক বেশী। আর যে দুনিয়া পাবার আশায় ইমামের হাতে বাইআত করে, সে যেন এই অঙ্গীকারকে পার্থিব উদ্দেশ্যের সাথে সম্পৃক্ত করে দেয়। আর ইসলামের মূল বিধান শাষকের আনুগত্ব করা,তাকে সদুপদেশ দেওয়া, সাহায্য করা এবং ভাল কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা,এসবের অবজ্ঞা করে। সে মুসলিম শাষক ও ইমামদের প্রতারনাকারী স্পষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত।

৭-বৃদ্ধ ব্যভিচারী।

৮-মিথ্যুক বাদশাহ।

৯-অহংকারী দরিদ্র।আবু হুরাইরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “ আল্লাহ তাআ’লা কেয়ামত দিবসে তিন শ্রেণীর লোকের সাথে কথা বলবেন না,আর না তাদের পবিত্র করবেন, না তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টি দিবেন, তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তিঃ বৃদ্ধ যেনাকারী,মিথ্যুক রাজা এবং অহংকারী দরিদ্র”।[মুসলিম, ঈমান অধ্যায়, নং২৯৬] বিশেষ করে এদের সম্পর্কে উক্ত শাস্তির কারণ বর্ণনায় কাযী
ইয়ায বলেনঃ “তাদের প্রত্যেকে উক্ত পাপ থেকে দূরে থাকার পরেও তা করে। যদিও কোনো পাপীর পাপের অজুহাত গ্রহণীয় নয়, কিন্তু একথা বলা যেতে পারে যে, উক্ত পাপ করার ক্ষেত্রে তাদের অতীব প্রয়োজন ছিল না আর না তাদের সচরাচর স্বাভাবিক কোনো অন্য কারণ ছিল। তা সত্ত্বেও তাদের উক্ত পাপে লিপ্ত হওয়াটা যেন আল্লাহর অধিকারকে তুচ্ছ মনে করা, বিরোধিতা করা এবং অন্য কোন কারণ নয় বরং স্রেফ পাপ করার উদ্দেশ্যেই তা করা”।

১০- পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান।

১১- নারী হয়ে পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বণকারীনি।

১২-দাইযূস।আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলঅইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “ তিন প্রকার লোকের দিকে আল্লাহ
তাআ’লা কিয়ামতের দিনে দৃষ্টিপাত করবেন নাঃ পিতা-মাতার অবাধ্য,পুরুষের সদৃশ অবলম্বনকারীনি মহিলা এবং দাইয়ূস। আর তিন প্রকার লোক জান্নাতে যাবে নাঃ পিতা-মাতার অবাধ্য, মদ পানে আসক্ত এবং অনুদানের পর খোটাদাতা” [মুসনাদ আহমদ, নং ৬১১/নাসাঈ] পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তানের বিষয়টি স্পষ্ট, কারণ আল্লাহ তাআ’লা পিতা-মাতার অধিকারকে মর্যাদা দিয়েছেন, তিনি নিজ অধিকারকে তাদের অধিকারের সাথে সংযুক্ত

করেছেন এবং তাদের উভয়ের সাথে সদ্ব্যবহার করার আদেশ করেছেন; যদিও তারা কাফের হয়।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “ পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং তাদের অসন্তুষ্টিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি”। [তিরমিযী, নং ১৯৬২, আলবানীসহীহ বলেছেন] পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বণকারীনি বলতে সেই মহিলাকে বুঝায় যে,পোষাক-পরিধানে, চাল-চলনে,কাজে-কর্মে এবং কথার শুরে পুরূষের অনুকরণ করে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহিলাদের সাদৃশ্য অবলম্বণকারী পুরূষ এবং পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বণকারীনি মহিলাদের প্রতি অভিষাপ করেছেন”। [বুখারী]আর দাইয়ূস হচ্ছে, যে নিজ পরিবারে অশ্লীলতা প্রশ্রয় দেয়, তাদের সম্ভ্রম রক্ষায় আত্মসম্মানী নয়, সে মানবিকতাহীন, অপুরুষত্ব, অসুস্থ মস্তিষ্ক এবং দুর্বল ঈমানের অধিকারী। তার তুলনা অনেকটা শুকরের মত, যে নিজ সম্ভ্রম রক্ষা করে না। তাই ঐ সকল লোককে সতর্ক থাকা উচিৎ যারা নিজ পরিবারে এবং তার দায়িত্বে থাকা লোকদের মাঝে অশ্লীলতা বা অশ্লীলতার উপকরণ প্রশ্রয় দেয়। যেমন বাড়িতে এমন টিভি চ্যানেল রাখা যা যৌনতা উষ্কে দেয় এবং অশ্লীলতা বৃদ্ধি করে।

১৩- যে তার স্ত্রীর পায়ুপথে সঙ্গম করেঃইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত,তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “আল্লাহ তাআ’লা সেই ব্যক্তির দিকে দৃষ্টিপাত করবেন না যে, পুরুষের সাথে সঙ্গম করে কিংবা স্ত্রীর পায়ুপথে সঙ্গম করে”।[তিরিমিযী, নং১১৭৬ আলবানী সহীহ বলেছেন]

আবু হুরাইরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “সে অভিশপ্ত যে স্ত্রীর পায়ু পথে সঙ্গম করে”।[আহমদ, আবু দাউদ, নং ২১৬২/আলবানী সহীহ বলেছেন]

জেনে নিন, যেদিন মানুষ কবর থেকে বের হয়ে আসবে

>>>যেদিন মানুষ কবর থেকে বের হয়ে আসবে <<<

ﺛُﻢَّ ﺃَﻣَﺎﺗَﻪُ ﻓَﺄَﻗْﺒَﺮَﻩُ ﺛُﻢَّ ﺇِﺫَﺍ ﺷَﺎﺀَ ﺃَﻧْﺸَﺮَﻩُ এরপর তার মৃত্যু দেন অতঃপর তাকে কবরস্থ করেন; এরপর যখন তিনি চাইবেন তখন তাকে পুনর্জীবিত করবেন। আবাসা, ৮০/২১-২২

ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﺴَّﺎﻋَﺔَ ﺁﺗِﻴَﺔٌ ﻻ ﺭَﻳْﺐَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﺒْﻌَﺚُ ﻣَﻦْ ﻓِﻲ ﺍﻟْﻘُﺒُﻮﺭِ আর কিয়ামত অবশ্যম্ভাবী, এতে কোন সন্দেহ নেই এবং কবরে যারা আছে, আল্লাহ তাদেরকে নিশ্চয়ই পুনরুত্থিত করবেন। আল-হাজ্জ, ২২/৭

ﻭَﻧُﻔِﺦَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼُّﻮﺭِ ﻓَﺈِﺫَﺍ ﻫُﻢْ ﻣِﻦَ ﺍﻷﺟْﺪَﺍﺙِ ﺇِﻟَﻰ ﺭَﺑِّﻬِﻢْ ﻳَﻨْﺴِﻠُﻮﻥَ আর যখন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে তৎক্ষণাৎ তারা কবর থেকে তাদের রবের দিকে ছুটে আসবে। ইয়াসিন, ৩৬/৫১

ﻭَﻧُﻔِﺦَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼُّﻮﺭِ ﻓَﺈِﺫَﺍ ﻫُﻢْ ﻣِﻦَ ﺍﻷﺟْﺪَﺍﺙِ ﺇِﻟَﻰ ﺭَﺑِّﻬِﻢْ ﻳَﻨْﺴِﻠُﻮﻥَ ﻗَﺎﻟُﻮﺍ ﻳَﺎ ﻭَﻳْﻠَﻨَﺎ ﻣَﻦْ ﺑَﻌَﺜَﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﻣَﺮْﻗَﺪِﻧَﺎ ﻫَﺬَﺍ ﻣَﺎ ﻭَﻋَﺪَ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَﻦُ ﻭَﺻَﺪَﻕَ রআ ﺍﻟْﻤُﺮْﺳَﻠُﻮﻥَ যখন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে তৎক্ষণাৎ তারা কবর থেকে তাদের রবের দিকে ছুটে আসবে। তারা বলবে, ‘হায় আমাদের দুর্ভোগ! কে আমাদেরকে আমাদের নিদ্রাস্থল থেকে উঠালো’? (তাদেরকে বলা হবে) ‘এটা তো তাই- যার ওয়াদা দয়াময় (আল্লাহ) দিয়েছিলেন এবং রাসূলগণ সত্য বলেছিলেন’। ইয়াসিন, ৩৬/৫১-৫২

ﻳَﻮْﻡَ ﻳَﺨْﺮُﺟُﻮﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻷﺟْﺪَﺍﺙِ ﺳِﺮَﺍﻋًﺎ ﻛَﺄَﻧَّﻬُﻢْ ﺇِﻟَﻰ ﻧُﺼُﺐٍ ﻳُﻮﻓِﻀُﻮﻥَ ﺧَﺎﺷِﻌَﺔً ﺃَﺑْﺼَﺎﺭُﻫُﻢْ ﺗَﺮْﻫَﻘُﻬُﻢْ ﺫِﻟَّﺔٌ ﺫَﻟِﻚَ ﺍﻟْﻴَﻮْﻡُ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻛَﺎﻧُﻮﺍ ﻳُﻮﻋَﺪُﻭﻥَ সেদিন তারা কবর থেকে বের হবে দ্রুতবেগে, যেন তারা কোন একটি লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটছে। তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনমিত; লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে! এটিই সেই দিন যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছিল। আল-মা‘আরিজ, ৭০/৪৩-৪৪

ﺧُﺸَّﻌًﺎ ﺃَﺑْﺼَﺎﺭُﻫُﻢْ ﻳَﺨْﺮُﺟُﻮﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻷﺟْﺪَﺍﺙِ ﻛَﺄَﻧَّﻬُﻢْ ﺟَﺮَﺍﺩٌ ﻣُﻨْﺘَﺸِﺮٌ ﻣُﻬْﻄِﻌِﻴﻦَ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﺪَّﺍﻉِ ﻳَﻘُﻮﻝُ ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮُﻭﻥَ ﻫَﺬَﺍ ﻳَﻮْﻡٌ ﻋَﺴِﺮٌ ভীত-শংকিত দৃষ্টি অবনত হয়ে, তারা তাদের কবর থেকে বের হয়ে আসবে; যেন তারা বিক্ষিপ্ত পঙ্গপাল। তারা ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় আহবানকারীর দিকে ছুটে আসবে। কাফিররা বলবে, ‘এটি বড়ই কঠিন দিন’। আল-কামার, ৫৪/৭-৮

ﺃَﻓَﻼ ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﺇِﺫَﺍ ﺑُﻌْﺜِﺮَ ﻣَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟْﻘُﺒُﻮﺭِ ﻭَﺣُﺼِّﻞَ ﻣَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼُّﺪُﻭﺭِ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻬُﻢْ ﺑِﻬِﻢْ ﻳَﻮْﻣَﺌِﺬٍ ﻟَﺨَﺒِﻴﺮٌ তবে কি সে জানে না, কবরে যা আছে, যখন তা উত্থিত হবে আর অন্তরে যা আছে তা প্রকাশিত হবে। সেদিন তাদের কি ঘটবে, তাদের রব অবশ্যই তা সবিশেষ অবহিত। আল-আদিয়াত, ১০০/৯-১১

ﺇِﺫَﺍ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﺀُ ﺍﻧْﻔَﻄَﺮَﺕْ ﻭَﺇِﺫَﺍ ﺍﻟْﻜَﻮَﺍﻛِﺐُ ﺍﻧْﺘَﺜَﺮَﺕْ ﻭَﺇِﺫَﺍ ﺍﻟْﺒِﺤَﺎﺭُ ﻓُﺠِّﺮَﺕْ ﻭَﺇِﺫَﺍ ﺍﻟْﻘُﺒُﻮﺭُ ﺑُﻌْﺜِﺮَﺕْ ﻋَﻠِﻤَﺖْ ﻧَﻔْﺲٌ ﻣَﺎ ﻗَﺪَّﻣَﺖْ ﻭَﺃَﺧَّﺮَﺕْ যখন আসমান বিদীর্ণ হবে। আর যখন নক্ষত্রগুলো বিক্ষিপ্তভাবে ঝরে পড়বে। যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে। আর যখন কবরসমূহ উম্মোচিত হবে। তখন প্রত্যেকে জেনে নিবে, সে যা অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং যা পশ্চাতে ছেড়ে এসেছে। ইনফিতার, ৮২/১-৫