যুল-কিফলের জীবনে পরীক্ষা:ইবলিশ ঐ দিন তার সাথে যা করেছিল

যুল-কিফল’ উক্ত মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছেন দেখে ইবলীস হিংসায় জ্বলে উঠল। সে তার বাহিনীকে বলল, যেকোন মূল্যে তার পদস্খলন ঘটাতেই হবে। কিন্তু সাঙ্গ-পাঙ্গরা বলল, আমরা ইতিপূর্বে বহুবার তাকে ধোঁকা Continue reading “যুল-কিফলের জীবনে পরীক্ষা:ইবলিশ ঐ দিন তার সাথে যা করেছিল”

নবীজির জানাযা কি হয়েছিল ঐ দিন

ইবনে মাজাহ শরিফে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, মঙ্গলবার সাহাবায়ে কেরাম রাসুলে কারিম সা.-এর গোসল ও কাফনের কাজ শেষ করেন। নবীজির দেহ মোবারক রওজার পাশে রাখেন। সাহাবারা Continue reading “নবীজির জানাযা কি হয়েছিল ঐ দিন”

এক দিন এক ভীক্ষুক আসল বিশ্ব নবী(সাঃ) এর কাছে

এক দিন এক ভীক্ষুক আসল বিশ্ব নবী(সাঃ) এর কাছে এসে ভীক্ষা চাইল বিশ্ব নবী(সাঃ) ভীক্ষুকে বল ঐ ঘরে এক জন লোক বসা আছে তার কাছে যাও তাকে সালাম দাও আর বল আমি তোমাকে পাঠাইছি সেই যেন তোমাকে Continue reading “এক দিন এক ভীক্ষুক আসল বিশ্ব নবী(সাঃ) এর কাছে”

নবীজির দাফন এর দিন কি হয়েছিল , দাফন কেন দেরি হয়ে ছিল

(সুরা আর রাহমান : ২৬-২৭) আরো ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে।’ (আলে ইমরান : ১৮৫) অন্যত্র ইরশাদ করেন, ‘আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ রয়েছে।
যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে, তখন তারা না এক মুহূর্ত পিছে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে।’ (সুরা আল আরাফ : ২৪, সুরা ইউনুস : ৪৯) কাজেই নবী-রাসুলদেরও মৃত্যুবরণ করা বিধিবদ্ধ।
নবী-রাসুলদের ওফাত : নবী-রাসুলরা যেহেতু মানুষ ছিলেন, সেহেতু তাঁদের মৃত্যু হওয়া স্বাভাবিক। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আর মুহাম্মদ একজন রাসুল মাত্র।

তাঁর আগেও বহু রাসুল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন বা শহীদ হন, তবে কি তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে?
বস্তুত কেউ যদি পশ্চাদপসরণ করে, তবে তাতে আল্লাহর কিছুই ক্ষতি হবে না। আর যারা কৃতজ্ঞ, আল্লাহ তাআলা তাদের সওয়াব দান করবেন।’ (আলে ইমরান : ১৪৪)
তবে নবী-রাসুলদের এই স্বাধীনতা দেওয়া হয় যে আপনি কি পৃথিবীতে থাকতে চান? না কি চলে যেতে চান। কিন্তু নবী-রাসুলরা চলে যাওয়াকেই প্রাধান্য দিয়েছেন (বুখারি, হাদিস : ৬৫০৯)
ওফাতকালীন অবস্থা : রাসুলুল্লাহ (সা.) অসুস্থ অবস্থায় একদা আপন গোত্রের লোকদের উপদেশ দিতে গিয়ে বলেন, ‘হে নবীর কন্যা ফাতেমা এবং হে নবীর ফুফু সাফিয়া!
নেক কাজ করো, নেক কাজ করো, আমি তোমাদের আল্লাহর হাত থেকে বাঁচাতে পারব না।’ ধীরে ধীরে রোগযন্ত্রণা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। একদিন তিনি হজরত আয়েশা (রা.)-এর কাছে কিছু স্বর্ণমুদ্রা জমা রেখেছিলেন। তিনি তীব্র রোগযন্ত্রণার মধ্যেও বলেন, ‘আয়েশা!
সেই স্বর্ণমুদ্রাগুলো কোথায়, যা আমি তোমার কাছে জমা রেখেছিলাম? আমি কি আল্লাহর সঙ্গে এ অবস্থায় মিলিত হব যে আমার ঘরে স্বর্ণমুদ্রা। এগুলো বিতরণ করে দাও।’
রোগযন্ত্রণা কখনো বৃদ্ধি পাচ্ছিল আবার কখনো হ্রাস পাচ্ছিল। ওফাতের দিন সোমবার তিনি অনেকটা সুস্থ ছিলেন। কিন্তু সময় যত গড়াতে থাকে, তিনি তত ঘন ঘন বেহুঁশ হতে থাকেন।
এ অবস্থায় তাঁর পবিত্র জবানে উচ্চারিত হতে থাকে—তাঁদের দলভুক্ত করুন, আল্লাহ যাঁদের প্রতি অনুকম্পা করেছেন। কখনো বলতে থাকেন, ‘হে আল্লাহ, আপনি মহান বন্ধু!’
আবার কখনো বলতে থাকেন, এখন আর কেউ নেই, তিনিই মহান বন্ধু। এ কথাটি তিনবার উচ্চারণ করেন। তখন তাঁর পবিত্র আত্মা প্রিয় বন্ধু আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যায়।
ওফাতের সময় ছিল ১১ হিজরি, মাসটি ছিল রবিউল আউয়াল, আর তারিখ ছিল ১২, দিনটি ছিল সোমবার, সময় ছিল চাশত নামাজের শেষ, বয়স ছিল ৬৩, ওফাতের স্থান হজরত আয়েশা (রা.)-এর হুজরা—তাঁর কোল। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আমার প্রতি আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত হলো,
আমার কোলে রাসুল (সা.) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, তাঁর মুখের লালার সঙ্গে আমার মুখের লালা একত্রিত হয়েছে।’ ঘটনাটি হলো, আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর রাসুল (সা.)-এর কাছে একটি মিছওয়াক হাতে নিয়ে এসেছিলেন, রাসুল (সা.) বারবার মিছওয়াকের দিকে তাকাতে দেখে হজরত আয়েশা বলেন, ‘আপনি কি
মিছওয়াক করবেন?’ তখন তিনি মাথা মোবারক নেড়ে সম্মতি জানালে হজরত আয়েশা (রা.) একটি মিছওয়াক নিয়ে মুখে চিবিয়ে নরম করে রাসুল (সা.)-কে দেন।
তিনি সেই মিছওয়াক দিয়ে মিছওয়াক করেন। আরো নেয়ামত হলো, তাঁর হুজরায় রাসুল (সা.) সমাহিত হন, তাঁর পবিত্রতায় কোরআনের আয়াত নাজিল হয় এবং তিনিই রাসুল (সা.)-এর একমাত্র কুমারী স্ত্রী।
ওফাত বিলম্বিত হওয়ার কারণ : মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন সোমবার চাশতের শেষ সময়। মঙ্গলবার তাঁকে গোসল দেওয়া হয়। গোসল দিয়েছেন হজরত আব্বাস (রা.), হজরত আলী (রা.), হজরত আব্বাস (রা.)-এর দুই ছেলে ফজল ও সাকাম, রাসুল (সা.)-এর আজাদকৃত ক্রীতদাস সাকরাম, ওসামা বিন যায়েদ ও আউস ইবনে খাওলা (রা.)। গোসলের পর বিশ্বনবী (সা.)-কে তিনটি ইয়েমেনি সাদা কাপড়ে কাফন পরানো হয়,
অতঃপর ১০ জন ১০ জন করে সাহাবায়ে কেরাম হুজরায় প্রবেশ করে পর্যায়ক্রমে জানাজার নামাজ আদায় করেন। নামাজে কেউ ইমাম ছিলেন না। সর্বপ্রথম বনু হাশিম গোত্রের সাহাবিরা, তারপর মুহাজির, অতঃপর আনসার, তারপর অন্যান্য পুরুষ সাহাবি, অতঃপর মহিলা ও সর্বশেষে শিশুরা জানাজার নামাজ পড়ে।
জানাজার নামাজ পড়তে পড়তে মঙ্গলবার সারা দিন অতিবাহিত হয়ে যায়। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সাইয়্যেদুল আম্বিয়া আমাদের প্রিয় নবী (সা.)-কে হজরত আয়েশা (রা.)-এর হুজরায় দাফন করা হয়।
মহানবী (সা.) বলেন, ‘তোমাদের মৃতদের দাফন দ্রুত সম্পন্ন করো, বিলম্ব কোরো না।’ (বুখারি, হাদিস ১৩১৫) তার পরও মহানবী (সা.)-এর জানাজা ও দাফন বিলম্বিত হয়েছে। এর কারণ প্রধানত তিনটি।
১. তাঁর ওফাতের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছতে বিলম্বিত হওয়া : মহানবী (সা.)-এর ওফাতের খবর শুনে হজরত ওমর (রা.) জ্ঞানহারা হয়ে যান, তিনি দাঁড়িয়ে বলতে থাকেন, কিছু কিছু মুনাফিক মনে করে যে রাসুল (সা.) ইন্তেকাল করেছেন, আসলে তিনি ইন্তেকাল করেননি।
তিনি হজরত মুসা (আ.)-এর মতো সেই প্রভুর কাছে গেছেন, আবার ফিরে আসবেন। আল্লাহর শপথ—‘যারা বলে, মুহাম্মদ (সা.) ইন্তেকাল করেছেন, আমি তাদের হাত-পা কেটে ফেলব।’ হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) রাসুল (সা.)-এর ওফাতের সময় নিজ বাড়িতে ছিলেন,
খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে আসেন। তিনি ওমর (রা.)-কে শান্ত করার জন্য বসতে বললে ওমর (রা.) না বসেই আরো উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তখন আবু বকর সিদ্দিক (রা.) উপস্থিত সব সাহাবির সামনে সুরা আলে ইমরানের ১৪৪ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করে শোনান। তখন সবাই শান্ত হয় এবং সবাই বুঝতে পারে যে আসলেই রাসুল (সা.)
ইন্তেকাল করেছেন। হজরত ওমর (রা.) বলেন, ‘হজরত আবু বকর (রা.)-এর মুখে মুহাম্মদ (সা.) শুধু রাসুল মাত্র, তাঁর আগেও বহু রাসুল গত হয়ে গেছেন… শ্রবণ করার পর মাটিতে ঢলে পড়েছিলাম এবং স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলাম যে রাসুল সত্যি ইন্তেকাল করেছেন।’ অতঃপর সবাই ওফাতের ব্যাপারে একমত হওয়ার পর দাফনকাজ সম্পন্ন করা হয়।
২। দাফনের স্থান নির্দিষ্ট না থাকা : মহানবী (সা.)-কে কোথায় দাফন করা হবে, তা সাহাবায়ে কেরামের জানা ছিল না। ফলে তাঁদের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়।
কেউ কেউ বলেন, জান্নাতুল বাকিতে দাফন করা হোক, কেউ কেউ বলেন, মসজিদ-ই-নববীতে দাফন করা হোক, আবার কেউ কেউ প্রস্তাব করেন হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর পাশে সমাহিত করা হোক।
এমতাবস্থায় হজরত আবু বকর (রা.) বলেন, ‘আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, নবী যেখানেই মৃত্যুবরণ করেন সেখানেই সমাহিত হন।’
অতঃপর হজরত আয়েশা (রা.)-এর হুজরায় যেখানে রাসুল (সা.) ইন্তেকাল করেন, সেখানে সমাহিত করার ব্যাপারে একমত হন।
৩। খলিফা নির্বাচনে ঐকমত্যে পৌঁছতে বিলম্ব : মহানবী (সা.)-এর স্থানে কে রাষ্ট্রের খলিফা হবেন, এ নিয়ে আনসার ও মুহাজিরদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছিল।
পরবর্তী সময় হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর ব্যাপারে সবাই ঐকমত্যে পৌঁছলে মহানবী (সা.)-এর দাফনের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
লেখক : প্রধান ফকিহ, আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদরাসা, ফেনী।
সংগৃহীত: পিএনএস নিউজ 24
আর্টিকেল টি তে কোনো ভুল থাকলে সংসুদনের জন্য অনুরোধ করা হলো

ক্বিয়ামতের দিন মুমিনগণকে বন্দী রাখা হবে

হযরত আনাস (রা:) হ’তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ(সাঃ) এরশাদ করেছেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন মুমিনগণকে (হাশরের ময়দানে স্ব স্ব অপরাধের কারণে)। তাতে তারা অত্যন্ত চিন্তিত ও অস্থির হয়ে পড়বে এবং বলবে, ‘যদি আমরা আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ্‌ তা‘আলার নিকট কারো মাধ্যমে সুপারিশ কামনা করি, যিনি আমাদের বর্তমান অবস্থা থেকে স্বস্তি দিবেন ।’সেই লক্ষ্যে তারা আদম (আঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলবে, ‘আপনি মানবজাতির পিতা আদম, আপনাকে আল্লাহ্‌ নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন, জান্নাতে বসবাস করিয়েছেন, ফেরেশতা মন্ডলীকে দিয়ে আপনাকে সিজদা করিয়েছিলেন এবং তিনিই যাবতীয় বস্তুর নাম আপনাকে শিক্ষা দিয়েছিলেন।আপনি আমাদের জন্য আপনার রবের নিকট সুপারিশ করুন, যেন তিনি আমাদেরকে এই কষ্টদায়ক স্থান হ’তে মুক্ত করে প্রশান্তি দান করেন ।’তখন আদম (আঃ) বলবেন, ‘আমি তোমাদের এই কাজের মোটেই উপযুক্ত নই’।

নবী করীম (সাঃ) বলেন, তখন তিনি গাছ হ’তে ফল খাওয়ার অপরাধের কথা স্মরণ করবেন, যা হ’তে তাঁকে নিষেধ করা হয়েছিল। [আদম (আঃ) বলবেন] ‘বরং তোমরা মানবজাতির জন্য আল্লাহ্‌ তা‘আলার প্রেরিত সর্বপ্রথম নবী নূহ (আঃ)-এর নিকট যাও’।
তারা নূহ (আঃ)-এর কাছে গেলে তিনি তাদেরকে বলবেন, ‘আমি তোমাদের এ কাজের জন্য একেবারেই যোগ্য নই ।’ সাথে সাথে তিনি তাঁর ঐ অপরাধের কথা স্মরণ করবেন, যা অজ্ঞতাবশত: নিজের (অবাধ্য) ছেলেকে পানিতে না ডুবানোর জন্য আল্লাহ্‌ কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। (তিনি বলবেন) ‘বরং তোমরা আল্লাহ্‌ খলীল হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর নিকটে যাও’।

রাসূলুল্লাহ(সাঃ) বলেন, এবার তারা হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর নিকটে যাবে। তখন তিনি বলবেন , ‘আমি তোমাদের এ কাজের জন্য কিছুই করার ক্ষমতা রাখি না ।’ সাথে সাথে তাঁর তিনটি মিথ্যা উক্তির কথা স্মরণ করবেন এবং বলবেন, ‘বরং তোমরা মূসা (আঃ)-এর কাছে যাও। তিনি আল্লাহ্‌র এমন এক বান্দা, যাকে আল্লাহ্‌ তাওরাত দান করেছেন, তার সাথে বাক্যালাপ করেছেন এবং গোপন কথাবার্তার মাধ্যমে তাঁকে নৈকট্য দান করেছেন’।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, তখন তারা সকলে হযরত মূসা (আঃ) এর নিকটে আসলে তিনি বলবেন, ‘আমি তোমাদের জন্য সুপারিশের ক্ষেত্রে অপারগ।’তখন তিনি সেই প্রাণনাশের অপরাধের কথা স্মরণ করবেন, যা তাঁর হাতে সংঘটিত হয়েছিল এবং বলবেন, ‘বরং তোমরা আল্লাহ্‌র বান্দা ও তাঁর মনোনীত রাসূল, তাঁর কালেমা ও রূহ হযরত ঈসা (আঃ)-এর কাছে যাও।’নবী করীম (সাঃ) বলেন, তখন তারা সবাই হযরত ঈসা (আঃ)-এর কাছে গেলে তিনি বলবেন, ‘আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই।বরং তোমরা মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর কাছে যাও।তিনি আল্লাহ্‌ তা‘আলার এমন এক বান্দা, যার আগের ও পরের সমস্ত গোনাহ আল্লাহ্‌ ক্ষমা করে দিয়েছেন।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘তারা আমার কাছে আসবে।আমি তখন আমার রবের কাছে তাঁর দরবারে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করব।অতঃপর আমাকে তাঁর নিকট যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।আমি যখন তাঁকে দেখব, তখনই তাঁর উদ্দেশ্যে সিজদায় পড়ে যাব।আল্লাহ্‌ আমাকে যতক্ষণ চাইবেন সিজদা অবস্থায় রাখবেন’।অতঃপর বলবেন, ‘হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও।আর যা বলার বল, তোমর কথা শুনা হবে। শাফা‘আত কর, কবুল করা হবে।তুমি চাও, তোমাকে দেওয়া হবে ।’ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘তখন আমি মাথা উঠাব এবং আমার রবের এমনভাবে প্রশংসা বর্ণনা করব, যা তিনি আমাকে শিখিয়ে দিবেন। অতঃপর আমি শাফা‘আত করব। তবে এ ব্যাপারে আমার জন্য একটি সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।তখন আমি আল্লাহ্‌র দরবার হতে উঠে আসব এবং ঐ নির্ধারিত সীমার লোকদেরকে জাহান্নাম হ’তে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাব।তারপর আমি পুনরায় ফিরে এসে আমার প্রতিপালকের দরবারে হাযির হওয়ার জন্য আল্লাহ্‌ কাছে অনুমতি প্রার্থনা করব।আমাকে অনুমতি দেওয়া হবে।আমি যখন তাঁকে দেখব, তখনই তাঁর উদ্দেশ্যে সিজদায় পড়ে যাব এবং আল্লাহ্‌ যতক্ষণ চাইবেন আমাকে সিজদা অবস্থায় থাকতে দিবেন ।’ তারপর আল্লাহ্‌ বলবেন, ‘হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও। আর যা বলার বল, তোমার কথা শুনা হবে, সুপারিশ কর, কবুল করা হবে। তুমি প্রার্থনা কর, যা প্রার্থনা করবে তা দেওয়া হবে’।

রাসূল (সাঃ) বলেন, তখন আমি মাথা উঠাব এবং আমার রবের এমনভাবে প্রশংসা ও গুণকীর্তন বর্ণনা করব, যা আমাকে শিখিয়ে দেওয়া হবে। এরপর আমি শাফা‘আত করব। তবে এ ব্যাপারে আমার জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হবে। তখন আমি আমার রবের দরবার হ’তে উঠে আসব এবং ঐ নির্দিষ্ট লোকগুলিকে জাহান্নাম হ’তে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাব।অতঃপর তৃতীয়বার ফিরে আসব এবং আমার প্রতিপালক আল্লাহ্‌র দরবারে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করব।আমাকে তাঁর কাছে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।আমি যখন তাঁকে দেখব, তখনই সিজদায় পড়ে যাব।আল্লাহ্‌ যতক্ষণ ইচ্ছা আমাকে সিজদা অবস্থায় য় রাখবেন ।’ তারপর বলবেন, ‘হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও।তুমি যা বলবে তা শুনা হবে, সুপারিশ কর, কবুল করা হবে।প্রার্থনা কর, তা দেওয়া হবে।’রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘তখন আমি মাথা উঠাব এবং আমার রবের এমন হামদ ও ছানা বর্ণনা করব, যা তিনি আমাকে শিখিয়ে দিবেন।’ নবী করীম (সাঃ) বলেন, ‘তারপর আমি শাফা‘আত করব।এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ তা‘আলা আমার জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দিবেন। তখন আমি সেই দরবার থেকে বের হয়ে আসব এবং তাদেরকে জাহান্নাম হ’তে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাব’।
অবশেষে কুরআন যাদেরকে আটকিয়ে রাখবে (অর্থাৎ যাদের জন্য কুরআনের ঘোষণা অনুযায়ী চিরস্থায়ী ঠিকানা জাহান্নামে নির্ধারিত হয়ে গেছে) তারা ব্যতীত আর কেউ জাহান্নামে অবশিষ্ট থাকবে না। বর্ণনাকারী ছাহাবী হযরত আনাস (রা:) বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কুরআনের এই আয়াতটি ‘আশা করা যায়, আপনার প্রতিপালক অচিরেই আপনাকে ‘মাকা‍‌মে মাহমূদে’ পৌঁছিয়ে দেবেন’ [বনী ইসরাঈল ৭৯] তেলাওয়াত করলেন এবং বললেন, এটাই সেই ‘মাকামে মাহমূদ’ যার প্রতিশ্রুতি তোমাদের নবীকে দেওয়া হয়েছে [ ছহীহ বুখারী হা/৭৪৪০ ‘তাওহীদ’অধ্যায়, অনুচেছদ-২৪, মিশকাত হা/৫৫৭২ ‘কিয়ামতের অবস্থা ও সৃষ্টির সূচনা’অধ্যায়, ‘হাওযে কাওছার ও শাফা‘আত’অনুচেছদ]
শিক্ষা:
১. সকল নবী-রাসলের উপর মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর শ্রেষ্ঠত্ব।
২. রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর শাফা‘আতে পরকালে কিছু জাহান্নামীকে আল্লাহ্‌ জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। এজন্য রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘প্রত্যেক নবীর এমন একটি দো‘আ রয়েছে, যা (আল্লাহ্‌র্ নিকট) গৃহীত হয়, আর নবী সে দো‘আ করে থাকেন।আমার ইচ্ছা, আমি আমার সে দো‘আর অধিকার আখেরাতে আমার উম্মতের শাফা‘আতের জন্য মুলতবি রাখি’ (বুখারী হা/৬৩০৪, ‘দো‘আ সমূহ’অধ্যায়, অনুচেছদ-১)।
৩. কোন পীর-ওলী পরকালে শাফা‘আতের অধিকার রাখবেন না।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা মসজিদে বসে ছিলেন ঐ দিন যা ঘটেছিলো


মজলিসের শেষ প্রান্তে বসা এবং মজলিসের অভ্যন্তরে ফাঁক দেখে সেখানে বসা।
আবূ ওয়াক্বিদ আল-লায়সী (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা মসজিদে বসে ছিলেন; তাঁর সাথে আরও লোকজন ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনজন লোক আসলো। তন্মধ্যে দু’জন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর দিকে এগিয়ে আসলেন এবং একজন চলে গেলেন। আবূ ওয়াকিদ (রাযি.) বলেন, তাঁরা দু’জন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর তাঁদের একজন মাজলিসের মধ্যে কিছুটা খালি জায়গা দেখে সেখানে বসে পড়লেন এবং অপরজন তাদের পেছনে বসলেন। আর তৃতীয় ব্যক্তি ফিরে গেল। যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবসর হলেন (সহাবীদের লক্ষ্য করে) বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে এই তিন ব্যক্তি সম্পর্কে কিছু বলব না? তাদের একজন আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করল, আল্লাহ্ তাকে আশ্রয় দিলেন। অন্যজন লজ্জাবোধ করল, তাই আল্লাহ্ও তার ব্যাপারে লজ্জাবোধ করলেন। আর অপরজন (মাজলিসে হাযির হওয়া থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিলেন, তাই আল্লাহ্ও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন।

মানুষ যতদিন বাঁচবে তত দিন শ্বাস নিবে ,আর শীত আসলে আমাদের ছোটোখাটো শ্বাস কষ্ট দেখা দেয়

মানুষ যতদিন বাঁচবে তত দিন শ্বাস নিবে , আর যে দিন শ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে সেদিনই মানুষ পরলোক ভ্রমণ করবে
আর শীত আসলে আমাদের ছোটোখাটো শ্বাস কষ্ট দেখা দেয় ।
আর এ থেকে রক্ষা পেতে হলে আপনাকে যা করতে হবে , নিচের সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

স্বাস্থ্য বার্তাঃ হাঁপানি থেকে রক্ষার পাওয়ার উপায়। যাদের নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় তাদের বলা হয় এজমার রোগী। বাংলায় বলে হাঁপানি, এজমা হলে মানুষের শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা হয়। সে সময় নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, শ্বাসের সঙ্গে একটা টান চলে আসে। এই টানকে বলে হাঁপানি। যখন মানুষের লাংগস কিংবা ফুসফুস যথেষ্ট পরিমাণ বাতাস টানতে পারে না, তখন শরীরে বাতাসের অভাব দেখা দেয়। আর এটাকে আমরা এজমায় আক্রান্ত হওয়া বুঝে থাকি। শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে বেশি। আর শীতকালে ঠাণ্ডাজনিত এলার্জির কারণে এজমা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বে এজমা কিংবা হাঁপানি রোগ বাড়ছে।

গ্রীক ভাষায় এজমা শব্দের অর্থ হলো হাঁপ ধরা অথবা হ্যাঁ করে শ্বাস টানা। গ্রীক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস যে কোন ধরনের শ্বাস কষ্টকে হাঁপানি নাম দিয়ে ছিলেন। এজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোন কারণ নেই। আবার যার এজমা আছে সে কখনো এই রোগ থেকে একেবারে ভালো হবে না কিন্তু নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। এজমাকে বলা হয় এমন একটা রোগ যার নিয়ন্ত্রণ একমাত্র চিকিৎসা। এজমার প্রবণতা দিন দিন বেড়ে চলেছে। উন্নত দেশ বলুন আর উন্নয়নশীল দেশই বলুন সব স্থানেই এজমা বেড়েই চলেছে। ৩০০ মিলিয়ন মানুষ বর্তমানে সারাবিশ্বে এই রোগে ভুগছেন। ২০২৫ সালের মধ্যে আরো ১০০ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কম বয়সের ছেলেদের মাঝে এই রোগ বেশি দেখা যায়। আর প্রাপ্ত বয়সের রোগীদের মাঝে মহিলারা বেশি আক্রান্ত হয়। এজমা রোগ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে স্কুল, কলেজ, কর্মক্ষেত্রে স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়। প্রায় হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়, অনেক সময় মৃত্যুও হতে পারে।
হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালী অতিরিক্ত সংবেদনশীল। এর ফলে কোন উত্তেজক যেমন ঘরে ধুলা, সিগারেটের ধোঁয়া, ঠান্ডা লাগা, ফুলের রেণু কিংবা পশুপাখির সংস্পর্শে আসা ইত্যাদিতে হঠাৎ করে শ্বাসনালী সংকুচিত করে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টের সৃষ্টি করতে পারে। রোগীর শ্বাসনালীর পথ স্বাভাবিক অবস্থার থেকে সরু হয়ে যায়, ফলে ফুসফুসে বাতাস প্রবেশের পথে বাধার সৃষ্টি হয়। ফলে বুকের মধ্যে শব্দ হয়, শ্বাস নিতে প্রচণ্ড কষ্ট হয়, কাঁশি হয়, বুকে ভার হয়ে চেপে আসে। এই আক্রমণ মৃদু আকারে দেখা দিলে সামান্য ওষুধ কিংবা ওষুধ ছাড়াই ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটা মারাত্মক আকার ধারণ করে রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সঠিক চিকিৎসা হলে এই ধরনের মৃত্যুর ৯০% রোধ করা সম্ভব। এছাড়া রোগীর শ্বাসনালীতে দীর্ঘ মেয়াদী প্রদাহ হয়ে থাকে। একই পরিবেশে একজনের এজমা অ্যাটাক হচ্ছে কিন্তু অন্য জনের হচ্ছে না। এর প্রধান কারণ ঐ আবহাওয়ায় এমন কিছু জিনিস আছে, যার এজমা অ্যাটাক হলো সে ঐ জিনিষের প্রতি সংবেদনশীল। ঐসব জিনিষকে বলা হয় এজমা ট্রিগার কিংবা অ্যালার্জি। এজমা ট্রিগার কিংবা অ্যালার্জি গুলো মোটামুটি নিম্নরূপঃ
১. ধুলো বালি,
২. ফুলের রেণু,
৩. পোকা মাকড়,
৪. ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম,
৫. কিছু ওষুধ (যেমন এসপিরিন)
৬. আবেগ (দুঃখের, ভয়ের কিংবা আনন্দের কারণে হতে পারে),
৭. ধূমপান,
৮. পোষা প্রাণী।
৯. ঠাণ্ডা এবং ভাইরাস,
১০. পশু-পাখীর লোম ইত্যাদি।

শ্বাসনালীতে respiratori syncytial ভাইরাস আক্রমণ করলে এজমা হতে পারে। এছাড়া যৌন কার্যক্রম কারো ক্ষেত্রে এজমা অ্যাটাক করতে পারে। এসব অ্যালার্জি একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। কারো একটা, দুটো কারো পাঁচ সাতটা থাকতে পারে। সুতরাং এজমা অ্যাটাক থেকে বাঁচার জন্য অবশ্যই ধরণ অনুযায়ী এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। যেসব কারণে হাঁপানি সৃষ্টি হয়ে থাকে, তার উপর ভিত্তি করে এজমা কে দুভাগে ভাগ করা যায়।
এলার্জি কিংবা বাহিরের কারণ জনিত এজমা এর ফলে কোন উত্তেজক যেমন ঘরের ধুলো, ধুলো বালি, ফুলের গন্ধ, নানা ধরনের খাদ্যদ্রব্য, ছত্রাক, সিগেরেটের ধোঁয়া, ঘরের ঝুল ঝাড়া, ঠাণ্ডা লাগা, ফুলের রেণু কিংবা পশুপাখির সংস্পর্শে আসা ইত্যাদিতে হঠাৎ করে শ্বাসনালী সংকুচিত করে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টের সৃষ্টি করতে পারে। জন্ম থেকে এদের হাঁপানি হওয়ার প্রবণতা থাকে। অনেক সময় এসব রোগীর এলার্জির অন্যান্য উপসর্গ থাকতে পারে। যেমন এলার্জিক rhinitis, ইত্যাদি। জীবনের প্রথম দিকে এধরনের হাঁপানি হয়ে থাকে।
Spasmodic কিংবা ভিতরগত কারণ জনিত এজমাঃ
এধরনের রোগীদের এলার্জির কোন ইতিহাস থাকে না। জীবনের শেষ দিকে অর্থাৎ অধিক বয়সে এরূপ হাঁপানি হয়ে থাকে।
শ্বাসকষ্ট, বুকে আওয়াজ, বুকে চাপ বোধ হওয়া, কাশি উঠতে থাকে। কোনো কোনো সময় কাশি একমাত্র লক্ষণ হতে পারে। প্রায় সময়ই রাত্রে, ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রমের সময় হয়। তবে যেকোন সময়ই এজমা অ্যাটাক হতে পারে।
চিকিৎসাঃ হাঁপানি তীব্র আক্রমণ হলে রোগীকে সোজা করে বসান, শান্ত করুন এবং আশ্বস্ত করুন। Salbutamol জাতীয় মেডিসিন ৫বার খাবেন, ৫চাপ ওষুধ নেন, প্রতি চাপ নেওয়ার পর ৫সেকেন্ড দম বন্ধ রাখুন, ৫মিনিট পরে আবার একই ভাবে মেডিসিন ব্যবহার করুন। কোন পরিবর্তন না হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। এলার্জি জনিত হাঁপানির ক্ষেত্রে যেসব জিনিষে রোগীর শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি পায় সেগুলো পরিহার করা উচিৎ।
এজমা প্রতিরোধের উপায়
১. এলার্জি কারক বস্তু এড়িয়ে চলুন। যেমনঃ ধুলো, বালি, ঘরের ঝুল, ধোঁয়া ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।
২. ঘর বাড়িকে ধুলো বালি থেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করা। এজন্য দৈনিক অন্তত একবার ঘরের মেঝে, আসবাপত্র, ভিজা কাপড় দিয়ে মুছতে হবে। অথবা ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার করা।
৩. ঘরে কার্পেট রাখবেন না।
৪. বালিশ, তোষক, ম্যাট্রেসে তুলা ব্যবহার না করে স্পঞ্জ ব্যবহার করা।
৫. শীতকালে যথা সম্ভব গরম পানিতে গোসল করা।
৬. ধূমপান করবেন না।
৭. যেসব খাবারে এলার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা পরিহার করে চলুন।
৮. ঠাণ্ডা খাবার, আইসক্রিম ইত্যাদি খাবেন না।
৯. মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তাকে ইতিবাচক মনোভাবে মানিয়ে চলুন। কিংবা মানসিক চাপের কারণকে এড়িয়ে চলুন।
১০. পেশাগত কারণে এজমা হলে চেষ্টা করতে হবে স্থান কিংবা পেশা পরিবর্তন।
১১. পরিশ্রম কিংবা খেলাধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট বাড়লে চেষ্টা করতে হবে পরিশ্রমের কাজ কম করতে।
১২. সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করবেন। ইতিবাচক মন আপনাকে ভালো থাকতে সাহায্য করবে।
১৩. রেণু পরিহারে সকাল কিংবা সন্ধ্যা বাগান এলাকায় কিংবা শস্য ক্ষেতের কাছে যাবেন না।
১৪. রেণু এলাকা থেকে বাসায় ফিরে মাথার চুল ও কাপড় ধুয়ে ফেলুন।
১৫. কুকুর বিড়াল বাগান থেকে রেণু বহন করতে পারে। এজন্য নিয়মিত কুকুর বিড়ালকে গোসল করানো প্রয়োজন।
এজমা নিয়ন্ত্রণে আনতে যা করা উচিৎ
১. ধূমপান করবেন না। ধূমপায়ী ব্যক্তিকে এড়িয়ে চলুন।
২. শয়নকক্ষে খুব বেশি মালামাল রাখবেন না।
৩. ঘরের সম্ভাব্য সব কিছু ঢেকে রাখবেন, যাতে ধুলো বালি কম উড়ে।
৪. টিভি, মশারি স্ট্যান্ড, সিলিং, পাখার উপর জমে থাকা ধুলো বালি সপ্তাহে একবার অন্য কাউকে দিয়ে পরিষ্কার করে নিবেন।
৫. শোকেস কিংবা বই selfie রাখা পুরনো খাতা, ফাইল, বইপত্র অন্য কাউকে দিয়ে ঝেড়ে নিবেন।
৬. বাস, মোটর গাড়ি কিংবা যানবাহনের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকবেন।
৭. উগ্র সুগন্ধি ব্যবহার করবেন না। তীব্র দুর্গন্ধ, ঝাঁজালো গন্ধ থেকে দূরে থাকুন।
৮. বাসায় হাঁস, মুরগি, বিড়াল, কুকুর, পোষাপ্রাণী যেন না থাকে এবং এগুলোর সঙ্গে মেলামেশা করবেন না।
৯. বাড়িতে ফুলের গাছ লাগাবেন না।
১০. ঘাসের উপর বসে থাকা পরিহার করুন। নিজে ঘাস কিংবা গাছ কাটবেন না।
১১. শীতে গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন এবং শীতের কাপর ব্যাবহার করবেন।
১২. শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। জোরে শ্বাস টানুন, প্রায় ১৫ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখুন। দুই ঠোঁট শীষ দেওয়ার ভঙিতে আনুন এবং ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে শ্বাস ফেলুন প্রতিদিন সকাল ও বিকালে ১০ মিনিট করে মুক্ত পরিবেশে।
১৩. সর্বদা ভয় ও চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করুন এবং কখনো হতাশাগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পরবেন না।
১৪. ছোট বাচ্চারা পুতুল নিয়ে খেলা করবে না।
১৫. ঘর ঝাড়ু দেবেন না। ঘর ঝাড়ু দিতে হলে মাস্ক, তোয়ালে কিংবা গামছা দিয়ে নাক বেঁধে নেবেন।
১৬. কাশি শক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো এন্টিবায়োটিক ওষুধ খাবেন।
১৭. ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি কম খাবেন। হালকা গরম পানি পান করবেন।
১৮. বিছানার চাদর কিংবা বালিশের কভার পাঁচ দিন পর ধুয়ে ব্যবহার করবেন।
১৯. মশারি সপ্তাহে একবার ধুঁয়ে ব্যবহার করবেন।
২০. যদি কোনো খাবারে সমস্যা হয়, Example: গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, হাঁসের ডিম, বেগুন, কচু, পাকা কলা, আনারস, নারিকেল ইত্যাদি কম খাবেন।
২১. সর্বদা ধুলো বালি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন।
২২. এলার্জি কিংবা এজমা কোনো কঠিন রোগ নয়, একটু মনযোগী হলে এটি নিয়ন্ত্রণে রেখে সম্পূর্ণ সুস্থ থাকা সম্ভব।
২৩. ডাক্তারের দেওয়া সব নিয়ম, পরামর্শ, ব্যবস্থাপত্র যথাসম্ভব মেনে চলুন।
২৪. শীতকালে এজমা রোগীদের বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

ভাল লাগলে অবশ্যই মন্তব্য করে আমাদের জানাতে ভুলবেনা, আপনাদের মন্তব্য আমাদের আরো অনেক অতসাহিত করবে। সবাই ভাল থাকবেন।

যে কারণে বছরের সবচেয়ে বাজে দিন হবে ২১ ডিসেম্বর!

শীতকালীন সোলসটাইস (নিরক্ষরেখা থেকে সূর্যের দূরতম স্থানে অবস্থানকাল) সরাসরি এবং রূপকঅর্থে বছরের সবচেয়ে অন্ধকারতম এবং ছোট দিন হতে যাচ্ছে। শীতকালীন সোলসটাইস একটি বিরল মহাজাগতিক ঘটনা, যা গত ৩৫০ বছরের মধ্যে আর ঘটেনি।

জ্যোতিষবিদদের মতে, ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর বছরের সবচেয়ে বাজে দিন হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা জ্যোতিষী এবং লেখক নীল স্পেন্সার বলেন, এ বছরের সোলসটাইস অতীতের অন্যান্য বছরগুলো থেকে ভিন্ন। কারণ ১৯৬৪ সালের পর এ বছর প্রথমবার সূর্য মকর সংক্রান্তিতে প্রবেশ করবে, কয়েক ঘণ্টা পর শনিও প্রবেশ করবে, ফলে সূর্য এবং শনি একই লাইনে থাকায়, এ ঘটনা খুব অস্বস্তিকর ফলাফল দিতে পারে।

নীল তার ব্যাখ্যায় বলেন, ‘ব্যক্তিজীবনের রাশিতে মকরের মধ্যে শনির অবস্থান খুবই কার্যকরী একটি অবস্থান, এর মাধ্যমে একজন মানুষের কঠিন অবস্থা চিহ্নিত করা যায়। কিন্তু দীর্ঘ-সময়ের ক্ষেত্রে এটি ফলপ্রসু পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেয় না।

তিনি ২১ ডিসেম্বর দিনটিতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ এদিন আপনি যা কিছু করবেন, যা স্বাভাবিকের চেয়ে আরো কঠিন মনে হতে পারে। এছাড়া এদিন নতুন কিছু শুরু করাটা দীর্ঘমেয়াদী বাজে ফলাফল দিতে পারে।

জ্যোতিষবিদ্যা ওয়েবসাইট ‘লুনার লিভিং’ পরামর্শ দিয়েছে, ‘এদিন নিজেকে সীমিত এবং সীমাবদ্ধ মনে হতে পারে, কিন্তু এ কারণে বাধ্যবাধকতা এড়িয়ে যাবেন না।’

ওয়েবসাইটটি আরো সতর্ক করেছে যে, ‘এদিন আপনি আপনার কাজে যত্নবান থাকুন, তাহলে ঠিকমতো কাজ করতে পারবেন। এদিন আপনার শক্তি কম থাকতে পারে কিন্তু এটিকে আপনার ভালো কাজ না করার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করবেন না।’

সাইটটিতে আরো বলা হয়েছে, আপনার সমস্যার সমাধান খোঁজার সময় নিশ্চিত হন যে তা কেবল নিজের নয় বরঞ্চ প্রত্যেকের যেন উপকারে আসে। আপনার লক্ষ্য যদি কেবল নিজের জন্য হয়, তাহলে আপনি যা সৃষ্টি করবেন তা স্থায়ী হবে না। যে উদ্যোগটা নিবেন, তা যেন সকলের ভালোর জন্য হয়।

যদি এই সতর্কবাণীগুলো ভীতিকর মনে না হয়, তাহলে ফেং শ্যুই ব্লগে জয়শ্রী বোসের পোস্ট নিশ্চয় ভীতি ধরাতে পারে। এ বছরের সোলসটাইস জন্য জয়শ্রী ভবিষ্যদ্বাণী প্রকাশ করে বলেছেন যে, ২১ ডিসেম্বর ভোগান্তিকর হবে এবং কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা উচিত হবে না।

জয়শ্রী বলেন, এদিন আপনি যে কাজ করবেন তা বিলম্বিত হতে পারে এবং আপনি ২০১৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে পারেন।

গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো পদক্ষেপের বিষয়ে জয়শ্রী সতর্ক করে বলেন, ‘এই তারিখে পরিকল্পিত কার্যক্রমগুলোয় শেষ মিনিটে পরিবর্তন ঘটতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, এক মাস বা এমনকি এক বছরের জন্য বিলম্বিত হতে পারে।’

কোনো সভা সঞ্চালনা করা থেকে বিরত থাকুন, এছাড়া আপনি যে সিদ্ধান্তগুলোই গ্রহণ করুন না কেন তা চূড়ান্ত হবে না, পরিবর্তন হতে পারে। বিমানবন্দর, রেলওয়ে বা বাসস্টেশনে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে না চাইলে এদিন ভ্রমণ পরিহান করুন। এমনটাই পরামর্শ জয়শ্রীর। তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল

বিয়ের কার্ডের নতুনত্ব নিয়ে যুগে যুগে রাতের ঘুম হারাম করেছেন বর-কনে। আর আধুনিক যুগে এসেতো কার বিয়ের কার্ড কেমন হবে সেটা নিয়ে চলে এক ধরণের প্রতিযোগিতা। মিউজিক, জরি, চুমকিসহ বিয়ের কার্ডের নান্দনিকতার শেষ নেই। তবে সাধারণ কিন্তু ব্যতিক্রমী এক বিয়ের কার্ড নিয়ে আলোচনায় নোয়াখালীর ইয়াছিন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় লেখা বিয়ের কার্ডটি নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। কার্ডটির শিরোনামে লেখা হয়েছে ‘যার লগে যার বিয়া’। যার অর্থ হলো যার সঙ্গে যার বিয়ে।

কার্ডটিতে দাওয়াতের জন্য লেখা হয়েছে ‘বেঁকে আঁর সালাম নিয়েন, যে দিন আঁর বিয়া হেই দিন আমনেরা বেঁকে আঁর লগে আঁর হোর বাড়ীত যাইবেন, হিয়ার হরের দিন আঁঙ্গো বাড়ীত আইবেন আর আঁঙ্গো বেকের লাই দোয়া করইবেন। ইতি আমনেগো বেকের আদরের ইয়াছিন (নোয়াখাইল্যা)’

যার অর্থ: সবাই আমার সালাম নিবেন, যেদিন আমাদের বিয়ে সেদিন আপনারা সবাই আমার সঙ্গে শ্বশুর বাড়িতে যাবেন। বিয়ের পরের দিন আমাদের বাড়িতে আসবেন। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। ইতি আপনাদের স্নেহের ইয়াছিন।

ব্যতিক্রমী এই চিঠির বিষয়ে চিঠিতে উল্লেখিত পাত্র ইয়াছিনের সঙ্গে কথা হয় টুয়েন্টিফোর লাইভ নিউজপেপারের। তিনি বলেন, ‘আসলে আমি চেয়েছিলাম আমার বিয়ের কার্ডটা একটু অন্যরকম হোক। বিয়ের মতো গুরুত্বর্পূর্ণ মুহূর্তটিকে স্বরণীয় করতেই এমন পরিকল্পনা করেছি। ‘

ইয়াছিন আরো বলেন, ‘অনেকে বিষয়টা হাস্যকরভাবেই নিচ্ছেন তবে আলোচনা হচ্ছে চারদিকে। এটাই আমি চেয়েছি। যে ভাষায় আমরা কথা বলি সে ভাষায় নিমন্ত্রণ পত্র লেখায় আমি দোষের কিছু দেখি না। ‘

জানা গেছে, বর ও কনে নিজেদের পছন্দের পর পারিবারিক সিদ্ধান্তেই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন। ইয়াছিন পেশায় একজন ব্যবসায়ী। কথোপকথনের সময় ইয়াছিন তার নতুন জীবনের সফলতা কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চান।

আমাদের নবী (সা.) -এর সকল কাজই আমাদের জন্য আদর্শ। নবী (সা.) -এর ঘুম, খাওয়া, হাটা, চলা এই সকল বিষয়ের মাঝেই আমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ।মহানবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করতেন। এমনকি তিনি তার নাস্তার এই মেনু কখনো পরিবর্তন করেননি। নবীর (সা.) সাহাবারা নবীর (সা.) কাছে জানতে চেয়েছিলেন তিনি কেন প্রতিদিন সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করেন?তিনি বলেছিলেন, সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করা মস্তিষ্কের জন্য ভালো। এরপরে সাহাবিরাও সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করতেন।কয়েক বছর আগে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেছেন, কেন নবী (সা.) সাতটি খেজুর ও এক দুধ দিয়ে নাস্তা করেছেন।

তারা গবেষণার ফলাফল হিসেবে যেটা পেয়েছেন সেটা হচ্ছে প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করলে মানুষের শরীরের হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ও এনজাইমগুলো দ্রুত কাজ করা শুরু করে। এতে করে মানুষের শরীর খালো থাকে।বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় আরো পেয়েছে যে প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও এক কাপ দুধ নিয়ে নাস্তা করলে মানুষের মস্তিষ্কের বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি পায়। লিভার ভালো থাকে। ত্বক সুন্দর হয়।

আমাদের নবীর (সা.) প্রতিটি সুন্নত মানার মাঝেই যে কল্যাণ বিজ্ঞানীদের এই একটি বিষয়ের উপর গবেষণা থেকেই বোঝা যায়। আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে আমাদের নবী (সা.) যেভাবে নাস্তা করেছেন সেই ভাবে নাস্তা করার মাঝে বিজ্ঞানীরা কল্যাণ খুঁজে পেয়েছে।

অথচ আমাদের নবী বিজ্ঞানীও ছিলেন না আবার ডাক্তারও ছিলেন না। আমরা মুসলিম হিসেবে আমাদের সবার উচিত নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতিটি সুন্নতের উপর আমল করা। নি:সন্দেহে এতেই আমাদের মাঝে রয়েছে কল্যাণ।

সূত্র : মুসলিমস্টোরিজ.টপ

মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৪টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১টি। আল ইখলাস সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরাটিকে ইসলামের শেষ পয়গম্বর মুহাম্মদ (সা:) বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তাৎপর্যের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এই আয়াতে আল্লাহ্‌র অস্তিত্ব ও সত্তার সবচেয়ে সুন্দর ব্যাখ্যা রয়েছে। এটি কুরআনের অন্যতম ছোট একটি সূরা হিসেবেও বিবেচিত হয়ে থাকে। এই সূরাটি কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।

আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সূরা) ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ সম্পর্কে বলেছেন, “সেই মহান সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ আছে, নিঃসন্দেহে এটি কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল।”

অপর এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণকে বললেন, ‘তোমরা কি এক রাতে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়তে অপারগ?’ প্রস্তাবটি তাঁদের পক্ষে ভারী মনে হল। তাই তাঁরা বলে উঠলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! এ কাজ আমাদের মধ্যে কে করতে পারবে?’ (অর্থাৎ কেউ পারবে না।)

তিনি বললেন, “ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস স্বামাদ’ (সূরা ইখলাস) কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল।” (অর্থাৎ এই সূরা পড়লে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়ার সমান নেকী অর্জিত হয়) (বুখারী) [1]

[1] সহীহুল বুখারী ৫০১৫, ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫, নাসায়ী ৯৯৫, আবূ দাউদ ১৪৬১, আহমাদ ১০৬৬৯, ১০৭৩১, ১০৭৯৭, ১০৯১৩, ১০৯৯৯, মুওয়াত্তা মালিক ৪৭৭, ৪৮৩ হাদিসের মানঃ সহিহ

(Sahih) উক্ত সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু আরও বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি কোন লোককে সূরাটি বারবার পড়তে শুনল। অতঃপর সে সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তা ব্যক্ত করল। সে সূরাটিকে নগণ্য মনে করছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “সেই সত্তার শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ আছে, নিঃসন্দেহে এই সূরা (ইখলাস) কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।” (বুখারী)

মাশরাফি বিন মতুর্জা। বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রাণ বলা হয় তাকে। গত ২৭ জুন একটি পত্রিকার মুখোমুখি হোন তিনি। তাতে মাশরাফি বলেন এই পৃথিবীর দুইজনকে ভয় পান তিনি। মানুষের এই ভালোবাসার কি কোনো ব্যাখ্যা আছে আপনার কাছে? একটা তো বুঝি, আপনার কথাবার্তা, চিন্তাভাবনা একটু আলাদা।

আপনি যেমন সব সময় বলেন, ক্রিকেট খেলছেন বলে লোকে আপনাকে মাথায় তুলে রাখছে। যেখানে সমাজে এর চেয়ে বেশি অবদান রেখেও অনেকে এমন ভালোবাসা বা সম্মান পাচ্ছে না। কথাটা সত্যি, কিন্তু তারকাখ্যাতি অনেককেই এটা ভুলিয়ে দেয়। আপনার মধ্যে এই বোধটা কীভাবে থাকল?

সাংবাদিকের এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আপনি বলতে পারেন, এর একটা কারণ ধর্মবিশ্বাস। প্রত্যেক মানুষ তার ধর্মকে বিশ্বাস করে। যেমন আমি প্রবলভাবে বিশ্বাস করি, পৃথিবীতে যা কিছু হচ্ছে ওপরওয়ালার মাধ্যমেই হচ্ছে। এটা আমি সব সময় মানি। জীবনের প্রতিটা পদক্ষেপে দুজনকে ভয় পাই—প্রথম আল্লাহ, দ্বিতীয় আমার মা। এই দুটো জিনিস পৃথিবীতে আমার সবচেয়ে দুর্বল জায়গা। এর সঙ্গে আমি ভাগ্যে প্রচণ্ড বিশ্বাসী। দেখেন, শুধু পরিশ্রম করলেই সব পাওয়া যায় না।

যদি আমি এভাবে চিন্তা করি, একজন রিকশাওয়ালা আমার চেয়ে বেশি খাটছে। আপনি তাকে কীভাবে বলবেন যে, তুমি পরিশ্রম করো, তোমার জীবন বদলে যাবে! ২০ বছর ধরে রিকশা চালাচ্ছে, সে আর কত পরিশ্রম করবে?

সংসারে সচ্ছলতা নেই, শান্তি নেই। তার মানে কি সে ঠিকমতো খাটেনি? একজন রিকশাওয়ালার দিকে তাকিয়ে দেখেন, ভ্যানওয়ালার দিকে, একজন ড্রাইভারের দিকে…তারা কী না করছে! তারা ছেলেমেয়েদের যেভাবেই হোক, পড়ালেখা করাচ্ছে। আবার ওই ছেলে বড় হওয়ার পর হয়তো তাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

এর কী ব্যাখ্যা? পরিশ্রম করলেই সাফল্য—এই কথা কি এখানে খাটে? অনেকে শচীন টেন্ডুলকারের উদাহরণ দেন—টেন্ডুলকার পরিশ্রম করেছে বলে এত সাফল্য পেয়েছে। তাহলে ওই রিকশাওয়ালা কী করছে? সে-ও তো পরিশ্রম করছে। অনেকে বলে, আল্লাহ তোমাকে দিয়েছে। হ্যাঁ, তোমার ‘ট্যালেন্ট’ ছিল, তুমি ভালো করেছ। আবার আমি এটাও বিশ্বাস করি যে, যদি না খাটো, তাহলে তুমি কিছুই পাবে না। শুধু ‘ট্যালেন্ট’ থাকলেই হবে না। তার ঠিকমতো ব্যবহার করতে হবে।

আবার এটাও বিশ্বাস করি, অনেক খেলোয়াড়ই খুব পরিশ্রম করছে, কিন্তু হচ্ছে না। তার মানে কী, খাটলেই সবার হয় না। তবে তখন একটা সান্ত্বনা থাকে যে আমি আমার সেরাটা দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, তুমি যা পেয়েছ, যেখানে আছ, পরিশ্রম না করলে ওখান থেকে ওপরে যাওয়া সম্ভব নয়। হয়তো নিচে যাবে, কিন্তু ওপরে যাওয়া সম্ভব নয়।

আবার এটাও বিশ্বাস করি না যে, শচীন টেন্ডুলকার এত রান করেছেন, এটা শুধু ওঁর যোগ্যতাতেই করেছেন। আজকে আমি এত ভালোবাসা মানুষের পেয়েছি বা আমার এই যে ক্যারিয়ার, তা যেমনই হোক—আমি বিশ্বাস করি না যে, এর সবকিছু আমার দ্বারাই সম্ভব হয়েছে। হ্যাঁ, আমি চেষ্টা করেছি, আমার নিষ্ঠা-আন্তরিকতা ছিল, সবই ঠিক আছে। কিন্তু ওপরওয়ালার থেকে না আসলে এটা আমার পক্ষে সম্ভব হতো না। এটা আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি।

আবার এটাও বিশ্বাস করি না যে, শচীন টেন্ডুলকার এত রান করেছেন, এটা শুধু ওঁর যোগ্যতাতেই করেছেন। আজকে আমি এত ভালোবাসা মানুষের পেয়েছি বা আমার এই যে ক্যারিয়ার, তা যেমনই হোক—আমি বিশ্বাস করি না যে, এর সবকিছু আমার দ্বারাই সম্ভব হয়েছে। হ্যাঁ, আমি চেষ্টা করেছি, আমার নিষ্ঠা-আন্তরিকতা ছিল, সবই ঠিক আছে। কিন্তু ওপরওয়ালার থেকে না আসলে এটা আমার পক্ষে সম্ভব হতো না। এটা আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি।

আল্লাহর পর মাকে সবচেয়ে ভয় পান বললেন। এটা একটু ব্যাখ্যা করবেন?

অপর প্রশ্নের উত্তরে মাশরাফি বলেন, এর মূল কারণও ধর্মবিশ্বাস। ছোটবেলা থেকেই একটা কথা বিশ্বাস করে এসেছি, এখনো বিশ্বাস করি, মা যদি কোনো কথা বলে, এর ওপরে কোনো কথা বলা যাবে না। আমার ধর্ম আমাকে এটাই বলে। আমি এটা মেনে চলি।

বড়দের জোকস বাচ্চারা দূরে যাওঃ প্রথমে চুমু দিন……

বিয়ের আগে চুমু
স্বামীঃ আচ্ছা বিয়ের আগে তোমাকে কেউ চুমু খেয়েছিলো?
স্ত্রীঃ একবার পিকনিকে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে একা পেয়ে একটা ছেলে ছোরা বের করে বলেছিলো, যদি চুমু না খাও, তাহলে খুন করে ফেলবো।
স্বামীঃ তারপর তুমি চুমু খেতে দিলে?
স্ত্রীঃ দেখতেই পাচ্ছো, আমি এখনও বেঁচে আছি।

প্রথমে চুমু দিন।
এরপর জড়িয়ে ধরে বিছানায় শুইয়ে দিন।
জোর-জবরদস্তি করবেন না ভুলেও।
… এরপর আস্তে আস্তে নিচে হাত ঢুকিয়ে চেক করুন ভেজা কিনা।
ভেজা থাকলে তক্ষুনি আপনার বাচ্চার প্যান্ট চেঞ্জ করে দিন না হলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে।

সান্টা সিং বনাম পাকিস্তানী সৈনিক

ভারত থেকে লাহোরের দিকে চলেছে সমঝোতা এক্সপ্রেস। এক কামরায় মাত্র ৪ জন যাত্রী। একজন দারুণ সুন্দরী তরুণী। অন্যজন মাঝবয়সী মহিলা। আর আছে একজন পাকিস্তানী সৈনিক। চতুর্থ জন পাঞ্জাবের বিখ্যাত সান্টা সিং।
জোক
ট্রেন হঠাৎ ঢুকল একটা অন্ধকার টানেলের ভিতর। কামরার ভেতরটা নিমেষে অন্ধকার হয়ে গেলো। সেই অন্ধকারের ভেতর থেকে, ট্রেনের শব্দ ছাপিয়ে, শোনা গেল চুম্বনের শব্দ। ঠিক তারপরই একটা জোরাল থাপ্পড়ের আওয়াজ।
বাংলা
পরমুহূর্তে ট্রেন টানেল পেরিয়ে আলোর মধ্যে চলে এল। দেখা গেল, পাকিস্তানী সেনাটি গালে হাত দিয়ে বসে আছে। আর সান্টা সিং জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করছে।
সান্টা জোক
মাঝবয়সী মহিলা ভাবছে, পাকিস্তানী সেনা ওই সুন্দরী তরুণীকে চুমু খেয়েছে বলে মেয়েটি তাকে খুব জোর থাপ্পড় মেরেছে!
পাকিস্তান
তরুণী ভাবছে, আচ্ছা বেয়াকুব পাকিস্তানী সেনা। কাণ্ডজ্ঞান নেই, মাঝবয়সী মহিলাকে চুমু খেয়ে থাপ্পড় খেলো!
চুমু
পাকিস্তানী সেনা ভাবছে, কী বদমাস ওই ভারতীয় শিখ, সটান চুমু খেল সুন্দরীকে, আর থাপ্পড় খেলাম আমি!!
গাধা
আর আমাদের সান্টা সিং ভাবছে, কী স্মার্ট আমি! চুমু খেলাম আমার নিজের হাতের তালুতে, তারপর সপাটে চড় কষিয়ে দিলাম পাকিস্তানীটার গালে!!!
দিদিমনিকে চুমু দিয়েছেন
স্কুল ইসপেক্টর এক শিক্ষাথীকে বললেন আচ্ছা আপনি ছেলেদের অবজারভেশান সন্বন্ধে তামিল দেন তো?
ঃ জি হ্যাঁ
ঃ দেখি ছেলেদের একটু পরীক্ষা করে ।আচ্ছা ছেলেরা তোমরা চোখ বন্ধ করত। তারপর ইনসপেক্টর মুখে একটু শব্দ করে এবং বললেন আচ্ছা ছোকরা বলত আমি কি করলাম
একটা ছেলে পেছন থেকে মুখ জবাড়িয়ে বলে ওঠে আপনি দিদিমনিকে চুমু দিয়েছেন

ভালবেসে চুমু খেল ।
প্রেমিকা তার প্রেমিককে ভালবেসে
চুমু খেল ।
অতঃপর বলল, যাহ ! তোমার
গালে লিপস্টিকের দাগ লেগে গেল ।
প্রেমিকের চট জলদি উত্তর,
.
দাগ থেকে যদি দারুন কিছু
হয় তাহলে দাগই ভালো ।

সান্টা সিং বুদ্ধিমান
ভারত থেকে লাহোরের দিকে চলেছে সমঝোতা এক্সপ্রেস।
একটি কামরায় মাত্র ৪ জন যাত্রী। একজন দারুণ সুন্দরী তরুণী, একজন মাঝবয়সী মহিলা, একজন পাকিস্তানী সৈনিক এবং চতুর্থজন হলো সান্টা সিং।
ট্রেন হঠাৎ ঢুকল একটা অন্ধকার টানেলের ভিতর। কামরার ভেতরটা নিমেষে অন্ধকার হয়ে গেল।
সেই অন্ধকারের ভেতর হঠাৎ শোনা গেল চুম্বনের শব্দ এবং ঠিক তারপরেই একটা বিরাশী সিক্কার চড়ের আওয়াজ।
ট্রেনটা টানেল পেরিয়ে আলোর মধ্যে চলে এলে দেখা গেল যে পাকিস্তানী সেনাটি গালে হাত দিয়ে বসে আছে আর সান্টা জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করছে।
মাঝবয়সী মহিলা কড়া চোখে পাকিস্তানী সেনাটির দিকে তাকিয়ে মনে মনে ভাবলো, ওই সুন্দরী তরুণীকে চুমু খেয়েছে বলে মেয়েটি তাকে খুব জোর থাপ্পড় মেরেছে।
তরুণী ভাবছে, আচ্ছা বেয়াকুব তো পাকিস্তানী সেনাগুলো! কোনও কাণ্ডজ্ঞান নেই, এক মাঝবয়সী মহিলাকে চুমু খেয়ে থাপ্পড় খেলো!
পাকিস্তানী সেনাটা গালে হাত বুলোতে বুলোতে ভাবছে, শালা, কি ধরণের বদমাস ওই ভারতীয় সর্দারটা। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে চুমু খেল সুন্দরীকে, আর থাপ্পড়টা খেলাম আমি!!

সান্টা সিং জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে মনে মনে হাসছে আর ভাবছে, পাকিস্তানিটাকে কেমন দিলাম! চুমু খেলাম আমার নিজের হাতের তালুতে, আর তারপর সপাটে চড় কষিয়ে দিলাম পাকিস্তানীর গালে।

বাসর রাতে চুমু
বাসর রাতে স্বামী বউয়ের চোখে বারবার চুমু দিচ্ছে
বউ বলল, “ বারবার চোখে চুমু দিচ্ছ কেন?”
স্বামী, “ তোমার চোখ হলো আমার কাছে ভালোবাসার বই,শুধু পাঠ করতে মন চায়”
বউ , “ নিচে লাইব্রেরীতে আগুন জ্বলছে,আর তুমি বই নিয়ে ব্যাস্ত”