ত্বকের যে সমস্যাগুলো দেখে বুঝে নিবেন ডায়াবেটিস আসন্ন

দেহের যেকোনো অংশে আক্রমণ চালাতে পারে ডায়াবেটিস। এর মধ্যে একটি অংশ ত্বক। ঘটনাক্রমে অনেক ক্ষেত্রেই ডায়াবেটিস আক্রমণের প্রথম লক্ষণ প্রকাশ পায় ত্বকের মাধ্যমে। বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন …

ভালো খবরটি হলো, ডায়াবেটিস সংশ্লিষ্ট ত্বকের সমস্যার অধিকাংশই চিকিৎসার মাধ্যমে সমাধান মেলে, যদি তা আগে থেকেই চিহ্নিত করা যায়। এখানে বিশেষজ্ঞরা কিছু ত্বকের সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

নিজের যে পর্ণ ভিডিও সাংবাদিকের কাছে দেখে চমকে ওঠে ভন্ড পিয়ার! (ভিডিওসহ)

নিজের যে পর্ণ ভিডিও সাংবাদিকের কাছে দেখে চমকে ওঠে ভন্ড পিয়ার

নিজের যে পর্ণ ভিডিও সাংবাদিকের কাছে দেখে চমকে ওঠে ভন্ড পিয়ার! নিজের যে পর্ণ ভিডিও সাংবাদিকের কাছে দেখে চমকে ওঠে ভন্ড পিয়ার!

ভিডিওঃ-

প্রেমিকের সাথে ঘুরতে দেখে বকা দেয়ায় বাবাকে জুতা মারলো মেয়ে ! অতঃপর যা হল

প্রেমিকের সাথে ঘুরতে দেখে বকা দেয়ায় বাবাকে জুতা মারলো মেয়ে

মানবতা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে ধারণা করা যায়? প্রেমিকের সাথে কলেজ ফাঁকি দিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলো সাদিয়া। অফিসের কাজ শেষে তখন সেই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন সাদিয়ার বাবা।

হঠাৎ তিনি তার মেয়েকে এক ছেলের সাথে বেশ মাখামাখি করে রাস্তায় হাঁটতে দেখে তৎক্ষণাত গিয়ে মেয়েকে বকাঝকা করেন। ঘটনাস্থলে কিছু মানুষ ভিড় জমিয়ে ফেলে।

এই উৎসুক জনতার রোষানলেই পড়লো হলো মেয়েটার বাবাকে। প্রেমিককে বাচাতে মেয়েটি নিজের বাবাকে ইভটিজার পরিচয় দিয়ে জুতা পেটা করলো জনতার সামনে।

এরকম মেয়ে আর কোনো বাবা মার ঘরে যেনো না জন্ম‍ায়।

জেনে নিন | মহানবী (সা.) কে দেখে একটি উট যে কারনে কেঁদেছিলো

মহানবী (সা.) কে দেখে একটি উট যে কারনে কেঁদেছিলো

আবূ জাফর আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সওয়ারীর উপর তাঁর পিছনে বসালেন এবং আমাকে তিনি একটি গোপন কথা বললেন, যা আমি কাউকে বলব না।আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঁচু জায়গা (দেওয়াল, ঢিবি ইত্যাদি) অথবা খেজুরের বাগানের আড়ালে মল-মূত্র ত্যাগ করা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন।’ (ইমাম মুসলিম এটিকে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন)

বারক্বানী এতে মুসলিমের সূত্রে বর্ধিত আকারে খেজুরের বাগান’ শব্দের পর বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসারীর বাগানে প্রবেশ করে সেখানে একটা উট দেখতে পেলেন। উটটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল এবং তার চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে লাগল।

মহানবী (সা.) কে দেখে একটি উট যে কারনে কেঁদেছিলো
মহানবী (সা.) কে দেখে একটি উট যে কারনে কেঁদেছিলো

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এসে তার কুঁজে এবং কানের পিছনের অংশে হাত ফিরালেন, ফলে সে শান্ত হল। তারপর তিনি বললেন, এই উটের মালিক কে?

এই উটটা কার?’’ অতঃপর আনসারদের এক যুবক এসে বলল, এটা আমার হে আল্লাহর রাসুল!’ তিনি বললেন, তুমি কি এই পশুটার ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো না, আল্লাহ তোমাকে যার মালিক বানিয়েছেন? কারণ, সে আমার নিকট অভিযোগ করছে যে, তুমি তাকে ক্ষুধায় রাখ এবং (বেশি কাজ দিয়ে) ক্লান্ত করে ফেলো!’’[মুসলিম ৩৪২, ২৪২৯, আবু দাউদ ২৫৪৯, ইবন মাজাহ ২৪০, আহমদ ১৭৪৭, দারেমি ৬৬৩, ৭৫৫]

জেনে নিন | চাঁদ দেখে রোজা শুরু ও শেষ করার বিধান

চাঁদ দেখে রোজা শুরু ও শেষ করার বিধান

শাবান মাসের ঊনত্রিশ তারিখের সন্ধ্যাবেলায় রমজানের চাঁদ তালাশ করা মুসলমানগণের উপর ওয়াজিব। যদি চাঁদ দেখা যায় তবে পরবর্তী দিন রোজা রাখবে। আকশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে যদি চাঁদ দেখা না যায়, তবে শাবান মাসকে ত্রিশদিন গণনা করবে বা পূর্ণ করবে। (ফতওয়ায়ে আলমগীরী, ১ম খন্ড)

এ ব্যাপারে বুখারী ও মুসলিম শরীফে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) বলেন, চাঁদ দেখে রোজা রাখবে এবং চাঁদ দেখে রোজা শেষ করবে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় যদি চাঁদ তোমাদের দৃষ্টিগোচর না হয় তবে শাবান মাসকে ত্রিশদিন পূর্ণ করবে। (মারাকিল ফালহ, পৃষ্ঠা- ৫৫)

এ প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (রমজানের) চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোজা রাখবে না এবং (শাওয়ালের) চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোজা রাখা বন্ধ করবে না। (সহিহ মুসলিম ১/৩৪৭) 

অন্য হাদিসে আছে, (শাবানের ২৯ দিন পূর্ণ করার পর) তোমরা যদি রমজানের চাঁদ না দেখ তাহলে শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে। (মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক, হাদিস নং ৭৩০১)

চাঁদ না দেখা গেলে এ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য জ্যোতির্বিদের গণনাভিত্তিক অভিমত গৃহীত হবে না। এটি বিশুদ্ধতম সিদ্ধান্ত। (মারাকিল ফালহ, পৃষ্ঠা-৫৬১)

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন বা কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলে রমজানের চাঁদ দেখার ব্যাপারে গ্রহণযোগ্য এক ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য। তবে শর্ত হলো, সাক্ষ্যদানকারী যেন সত্যবাদী, ধর্মভীরু ও প্রাপ্তব্যয়স্ক মুসলমান হয়। যদিও বা সে নারী হোক কিংবা পুরুষ হোক। (মারাকিল ফালহ, পৃষ্ঠা- ৫৫)

এক ব্যক্তির সাক্ষ্যের উপর অন্য এক ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদান করলে তার সাক্ষ্যও গ্রহণযোগ্য হবে। তারা উভয়ে পুরুষ হোক কিংবা নারী। (ফতওয়ায়ে আলমগীরী, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা-১৯৯-২০২)

রমজানের চাঁদ দেখার সাক্ষ্য প্রদানকালে শাহাদাত (সাক্ষ্যদান) শব্দটির উচ্চারণ শর্ত নয়। অনুরূপভাবে চাঁদ দেখার দাবি করা এবং এ ব্যাপারে কাজির হুকুম প্রদান করাও শর্ত নয়।

যে ব্যক্তি চাঁদ দেখেছে তার নিকট চাঁদ দেখার ব্যাখ্যা তলব করার প্রয়োজন নেই। একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি যখন রমজানের চাঁদ দেখবে তখন তার উপর জরুরি হবে এ রাতেই চাঁদ দেখার সাক্ষ্য প্রদান করা। সে পুরুষ হোক কিংবা নারী। (কাযীখান, হাশিয়ায়ে আমগীরী, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা- ২০৫)

যদি গ্রামাঞ্চলে কোনো নির্ভরযোগ্য লোক চাঁদ দেখে তবে গ্রামের মসজিদে সে চাঁদ দেখার সাক্ষ্য প্রদান করবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণের উপর তার কথা মতো রোজা রাখা ওয়াজিব। কোনো ব্যক্তি একা রমজানের চাঁদ দেকে সাক্ষ্য প্রদান করলে, তার সাক্ষ্য যদি গৃহীত না হয় তবুও তার উপর রোজা রাখা ওয়াজিব হবে। কাফফারা ওয়াজিব হবে না।

 চাঁদ দেখে রোজা শুরু ও শেষ করার বিধান
চাঁদ দেখে রোজা শুরু ও শেষ করার বিধান

চাঁদ দেখার পর যার সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যাত হয়েছে সে লোকটির ত্রিশটি রোজা পূর্ণ হয়ে গেলেও যদি শাওয়ালের চাঁদ দেখা না যায় তবে সে একা রোজা রাখা পরিহার করবে না। বরং সকলের সাথে রোজা রাখবে ও ঈদ করবে। আকাশ যদি পরিষ্কার থাকে, তবে চাঁদ দেখার ব্যাপারে এমন সংখ্যক লোকের সাক্ষ্য প্রদান আবশ্যক হবে যাদের সংবাদের সত্যতার ব্যাপারে নিশ্চিত ধরণা লাভ করা যায়। তাদের সংখ্যা কত হবে এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই। (বেহেশতি জেওর, ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা- ১২)

এই হুকুম রমজান, শাওয়াল ও জিলহজ্জের চাঁদের ব্যাপারেও প্রযোজ্য হবে। শাওয়ালের চাঁদ রমযানের উনত্রিশতম দিনের সন্ধ্যায় তালাশ করবে। শাওয়ালের চাঁদ দেখার সময় যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয় কিংবা কুয়াশাচ্ছন্ন থাকে তবে চাঁদ দেখার ব্যাপারে দুইজন নির্ভরযোগ্য পুরুষ অথবা একজন পুরুষ এবং দুইজন নারীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা যাবে। সাক্ষীদানের সময় ‘শাহাদত’ শব্দের উচ্চারণ করা শর্ত।

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকা অবস্থায় যদি এমন একটি গ্রামে দুইজন লোক শাওয়ালের চাঁদ দেখার সংবাদ দেয়, যেখানে কোনো শাসন এবং কাজী নেই, তবে সেখানকার লোকজনের রোজা রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে। আর আকাশ যদি পরিষ্কার থাকে তবে দু‘চারজনের সাক্ষ্যে চাঁদ দেখা প্রমাণিত হবে না। অবশ্য যদি এত বেশি লোক চাঁদ দেখার প্রমাণ দেয় যে, যাদের সাক্ষ্য সত্য বলে দৃঢ় প্রত্যয় জন্মে তবে চাঁদ দেখা প্রমাণিত হবে।

ঈদুল আজাহার চাঁদের হুকুম ঈদুল ফিতরের চাঁদের অনুরূপ। অন্যান্য চাঁদের ব্যাপারেও হুকুম অনুরূপ। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকা অবস্থায় যদি দুইজন লোক রমজানের চাঁদ দেখার সাক্ষী  প্রদান করে, আর কাজি বা প্রশাসক তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ত্রিশটি রোজা রাখার পরও যদি শাওয়ালের চাঁদ দেখা না যায় তবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকুক অথবা পরিষ্কার থাকুক, সহিহ মতে উভয় অবস্থাতেই রোজা রাখা বন্দ করবে। (ফতওয়ায়ে আলমগীরী, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা-২০৭)

চাঁদের উদয়স্থলের বিভিন্নতার কোনো মূল্য নেই। সুতারং এক অঞ্চলের লোকজন যদি রমজানের চাঁদ দেখে, তাহলে অন্য অঞ্চলের অধিবাসীদের উপর রোজা রাখা সম্পর্কে ফয়সালা এই যে, যদি তা গ্রহণ করার ফলে মাসে ২৮ বা ৩১ দিনের হয়ে যায় তবে তা গ্রহণ করা যাবে না। যে সকল স্থানে চাঁদ একদিনে উদিত হওয়া সম্ভব সেখানে চাঁদ দেখা প্রমাণিত হলে সে এলাকার সব লোকের তা অনুসরণ করতে হবে, তবে এমন দূরাঞ্চলের বাসিন্দাদের উপর তা প্রযোজ্য হবে না সেখানে সেদিন চাঁদ দেখা বাস্তবিকপক্ষে সম্ভব নয়। (ফতওয়ায়ে আলমগীরী, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা- ২০৭)

একদল যদি এ কথার সাক্ষ্য দান করে যে, অমুক শহারের কাজির কাছে দুই ব্যক্তি অমুক রাতে চাঁদ দেখার সাক্ষ্য প্রদান করায় কাজি তাদের সাক্ষ্যের উপর চাঁদ দেখার ফয়সালা দান করেছেন। তাহলে ফয়সালা গ্রহণযোগ্য হবে। কোনো শহরবাসী রমজানের চাঁদ না দেখে রোজা রাখতে আরম্ভ করে এবং ২৮ দিন রোজা রাখার পর শাওয়ালের চাঁদ দেখতে পায় তাহলে তার হুকুম হলো, যদি তারা শাবানের চাঁদ ত্রিশ দিন গণনা করার পরও রমজানের চাঁদ দেখতে না পায় তবে তারা একটি রোজা কাজা করবে। শুধুমাত্র তারযন্ত্রের সংবাদ গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু বিভিন্ন উপায়ে যদি তারযন্ত্রের সংবাদের সত্যতা প্রমাণিত হয় তবে সে মতে আমল করা জায়েজ আছে। (বেহেশতি জেওর, ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা- ১৫-১৭)

রমজানের চাঁদ দেখার ব্যাপারে চিঠিপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশনের সংবাদ এ শর্তে গ্রহণযোগ্য হয় যে, সংবাদদাতার লেখা অথবা কণ্ঠস্বর পূর্ণভাবে চেনা যায়। সংবাদদাতা লোকটি নির্ভরযোগ্য হতে হবে এবং সে নিজে চাঁদ দেখেছে বলে ঘোষণা করতে হবে। অমুক স্থানে চাঁদ দেখা গিয়েছে অথবা রোজা রাখা হয়েছে এরূপ অস্পষ্ট সংবাদের কোনো মূল্য নেই। হ্যাঁ, রেডিও, টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ ইত্যাদি সংবাদ মাধ্যমে যদি এমন কোনো নির্দিষ্ট সংস্থার অধীনে থাকে যে,  এসব মাধ্যম দ্বারা কোনো ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য (আদিল) মুসলমানের অনুমতি ছাড়া সংবাদ প্রচার করতে পারে না। তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে।

শাবানের ঊনত্রিশতম দিবসে আকাশে মেঘ বা কুয়াশার কারণে যদি চাঁদ দেখা না যায় তবে পরবর্তী দিন শাবানের ত্রিশ তারিখ, না রমজানের প্রথম তারিখ এরূপ সিদ্ধান্তহীনতাকে সন্দেহের দিন বলে। (ফতওয়ায়ে আলমগীরী, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা- ২০৭)

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে রোজা শুরুর জন্য এমন একজন ব্যক্তির চাঁদ দেখাই যথেষ্ট হবে, যার দ্বীনদার হওয়া প্রমাণিত কিংবা অন্তত বাহ্যিকভাবে দ্বীনদার। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘একজন মরুবাসী ব্যক্তি হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট (রমজানের) চাঁদ দেখার সাক্ষ্য দিল। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি কি এ কথার সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল?’ সে বলল, ‘হ্যাঁ।’ রাসূলুল্লাহ (সা.) তখন সকলকে রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন। (মুসতাদরাকে হাকিম- ১/৪২৪)

উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম ও গবেষক আল্লামা আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর ভাষ্য- এক শহরের চাঁদ দেখা অন্য সকল শহরবাসীদের জন্য গ্রহণীয় হবে। ঐ শহরগুলোর সঙ্গে চাঁদ দেখা শহরের যত দূরত্বই হোক না কেন। এমনকি সর্ব পশ্চিমের চাঁদ দেখার সংবাদ সর্ব পূর্বের মানুষের নিকট গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে পৌঁছালে ঐ দিনই তাদের উপর রোজা রাখা ফরজ হবে। (বেহেশতী জেওর, খন্ড-১১, পৃষ্ঠা-৫১০)

এক পায়েই অসাধ্য সাধন !!! বিস্তারিত ভিডিওতে

লোকটি যুদ্ধ করতে যেয়ে এক পা হারায়, এর পর বাকি এক পা দিয়ে যা করেছে তা দেখে বিশ্ব হতবাক। অনেক সুস্থ লোকের পক্ষেও এই কাজ করা অসম্ভব। বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন…

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যে দোয়া পড়লে আল্লাহ্ আপনাকে হেফাজত করবে | দেখে নিন

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যে দোয়া পড়লে আল্লাহ্ আপনাকে হেফাজত করবে | দেখে নিন

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন, যেন তার উম্মতকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিয়ে এক সঙ্গে ধ্বংস না করা হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আল্লাহর রাসূল বেশি বেশি তাওবা-ইসতেগফার করতেন এবং অন্যান্যদেরকেও নির্দেশ তা পড়ার নির্দেশ দিতেন।

উচ্চারণ : লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ
অর্থ : আল্লাহ তাআলা ছাড়া কোনো শক্তি এবং ভরসা নেই। (বুখারি ও মুসলিম)

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যে দোয়া পড়লে আল্লাহ্ আপনাকে হেফাজত করবে | দেখে নিন
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যে দোয়া পড়লে আল্লাহ্ আপনাকে হেফাজত করবে

তাছাড়া বিপদাপদে পড়লে দোয়া ইউনস পড়ার কথাও হাদিসে উল্লেখ রয়েছে-
উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনজ জ্বালিমিন।
অর্থ : আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি নিশ্চয় আমি অপরাধের অন্তর্ভূক্ত। (সুরা আম্বিয়া : আয়াত ৮৭) আল্লাহ্ তআলা মুসলিম উম্মাহকে ঝড়-তুফান, ভূমিকম্প, জলোচ্ছ্বাস, নিম্নচাপ, চন্দ্রগহণ ও সূর্যগ্রহণসহ সব ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বেঁচে থাকতে তাওবা ও ইসতেগফার করার তাওফিক দান করুন। 

অভিনব উপায়ে প্লাস্টিক বোতলে নির্মিত হচ্ছে পরিবেশবান্ধব আলিশান বাড়ি | দেখে নিন

অভিনব উপায়ে প্লাস্টিক বোতলে নির্মিত হচ্ছে পরিবেশবান্ধব আলিশান বাড়ি | দেখে নিন

চন্দ্রপুর ইউনিয়নের নওদাবাস গ্রামে, ১৭০০ বর্গফুটের প্লাস্টিক বোতলের বাড়িটি তৈরি করেছেন পরিবেশবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী দম্পতি রাশেদুল আলম ও আসমা খাতুন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আশিকুর রহমান জোয়ারদার বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বোতল দিয়ে বাড়ি বানানোর নজির আছে। আমার জানা মতে, বাংলাদেশে এ ধরনের বাড়ি এটাই প্রথম। এটি নিঃসন্দেহে পরিবেশবান্ধব। রাশেদুল-আসমা দম্পতি জানান, এ বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় বাড়ির কাজ। আজ সোমবার পর্যন্ত ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি ২০ ভাগ কাজ শেষ হতে আরও মাস খানেক সময় লাগবে। বাড়িটি নির্মাণে এক লিটার, আধা লিটার ও ২৫০ মিলিলিটারের খালি প্লাস্টিকের (পিইটি) ৮০ হাজার বোতল ব্যবহৃত হয়েছে। এ বাড়িতে চারটি শয়নকক্ষ, একটি রান্নাঘর, একটি খাবার ঘর, দুটি শৌচাগার আর একটি বারান্দা থাকবে। বাড়িটির সেপটিক ট্যাংকও প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে তৈরি। বাড়ির শুধু লিনটেনে ইটের খোয়া ও রড ব্যবহার হয়েছে। প্লাস্টিকের বোতলের দেয়াল বা প্রাচীর গাঁথতে সিমেন্ট ও বালুর মিশ্রণ ব্যবহার হয়েছে। বাড়ির দরজা ও জানালা যথারীতি স্টিল বা কাঠের হবে। বাড়ির ছাদে টিন ব্যবহার করা হবে। আবদুল বারি ও সুফিয়া বারি দম্পতির ছোট ছেলে রাশেদুল আলম (৩৩) নওদাবাস গ্রামের ছেলে হলেও তাঁর স্ত্রী আসমা খাতুন পুরোদস্তুর রাজধানী ঢাকার মেয়ে। আসমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, লেখাপড়া, বিয়ে, সন্তানের জন্ম—সবকিছু ঢাকাতে হলেও তিনি এখন স্থায়ীভাবে স্বামীর সঙ্গে নওদাবাস গ্রামের খোলামেলা পরিবেশে বাস করছেন। রাশেদুল আলম বলেন, যা ভেবেছি, তা-ই কাজে পরিণত করতে প্রথমে বোতলবাড়ির বিষয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করতে শুরু করি; যা তথ্য পাই, তা বিশ্লেষণ করে স্ত্রী আসমার সম্মতি নিয়ে এবং পরিবারের সদস্যদের বলে প্লাস্টিকের বোতল সংগ্রহের কাজ শুরু করি।’ তিনি বলেন, ‘লালমনিরহাট বিসিক শিল্পনগরী থেকে এবং স্থানীয়ভাবে প্লাস্টিকের পুরোনো ও কুড়ানো বোতল ২৫ টাকা কেজি দরে ৬০ মণ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে রাজমিস্ত্রিরা এ ধরনের দালান তৈরিতে আগ্রহ না দেখালেও পরে তাঁদের সবকিছু খুলে বললে তাঁরা রাজি হয়ে যান। আসমা খাতুন বলেন, গ্রামের কে যেন এ বাড়ির ছবি তুলে ফেসবুকে দিলে নানা স্থান থেকে লোকজন এসে বাড়ির কাজ দেখে যাচ্ছেন, তাঁরা এর সুবিধা ও খরচ বিষয়ে জানতে চাইছেন। রাশেদুলের এই বাড়ি তৈরির কথা শুনে প্রথমে তো সবাই থ। রাশেদুলের বড় ভাই শফিউর রহমান এবং মামা শেখ আবদুল আলিম বলেন, আমরা ভেবেছিলাম, রাশেদুল বুঝি আমাদের সঙ্গে তামাশা করছে। পরে সত্যি সত্যি ইটের পরিবর্তে প্লাস্টিকের বোতলে বালি ভরে বাড়ি নির্মাণ করতে দেখে আমরাও খুশি।

অভিনব উপায়ে প্লাস্টিক বোতলে নির্মিত হচ্ছে পরিবেশবান্ধব আলিশান বাড়ি | দেখে নিন
প্লাস্টিক বোতলে নির্মিত হচ্ছে পরিবেশবান্ধব আলিশান বাড়ি

বাড়ি নির্মাণে অভিনবত্ব বিস্মিত করেছে এলাকার অনেককেই। লালমনিরহাট বিসিকের প্লাস্টিকের বোতল বিক্রেতা হামিদুল ইসলাম (৪০) বলেন, ‘আমি জীবনেও শুনি নাই প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে বাড়ি হয়। রাশেদুল আলম আমার কাছ থেকে কয়েক হাজার প্লাস্টিকের খালি বোতল কিনেছেন। এতে আমার ব্যবসা ভালো হয়েছে। বাড়ি নির্মাণের সঙ্গে থাকা মিস্ত্রিদের কাছেও এ এক বিরল অভিজ্ঞতা। রাজমিস্ত্রি দীনহরি চন্দ্র রায় (৪০) বলেন, ‘সারা জীবন ইট দিয়া বাড়ি বানালাম, এবার প্লাস্টিকের বোতলে কাজ করলাম। আমি ভীষণ খুশি, সবাই কাজ দেখার জন্য আসে, ছবি তোলে, ফেসবুকে দেয়। কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পারভেজ নেওয়াজ খান বলেন, প্লাস্টিকের বোতলে বালি ভরে বাড়ি নির্মাণে নির্মাণ খরচ কম। এ ধরনের বাড়ি নির্মাণের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও কারিগরি সুবিধা-অসুবিধা বিষয়ে আরও গবেষণা ও নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজন রয়েছে। রাশেদুল আলম ও আসমা খাতুন বলেন, এ ধরনের বাড়ি শীত ও গ্রীষ্মকালে পরিবেশ অনুকূল থাকবে। অর্থাৎ শীতকালে উষ্ণ এবং গ্রীষ্মকালে শীতল থাকবে। এ জন্য তিনি পর্যাপ্ত জায়গা উন্মুক্ত রেখেছেন। এ ছাড়া প্লাস্টিকের বোতলে বালি ভরা থাকায় আগুন ও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হওয়া থেকে নিরাপদ থাকবে। কখনো আগুন লাগলে তা অন্যত্র ছড়াবে না। বরং যেখানে আগুন লাগবে, সেখানকার বোতলের বালুতে আগুন নিভে যাবে। বাড়িটি নির্মাণে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা খরচ হবে বলে তাঁরা জানান। বুয়েটের স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আশিকুর রহমান জোয়ারদার বলেন, এখানে আগুন লাগলে ছড়ানোর আশঙ্কা কিছুটা কম। এটি পরিবেশবান্ধব এ জন্যই যে এখানে ব্যবহার করা বোতল প্রকৃতিতে মিশে যেত। এই ফেলে দেওয়া উপাদান দিয়ে বাড়ি বানানোটা অভিনব।