দুহাত কাটার পরেও হাতের অবশিষ্টাংশ দিয়ে ইসলামের পতাকা দরছিলেন যে সাহাবী

হযরত মুসআব ধনীর দুলাল ছিলেন। কিন্তু ইসলাম গ্রহন করার পর তাঁর উপর চরম নির্যাতন চালানো হয়। দীর্ঘদিন বন্দী করে রাখা হয়। একদিন বন্দী জীবনের শৃংখল ভেংগে Continue reading “দুহাত কাটার পরেও হাতের অবশিষ্টাংশ দিয়ে ইসলামের পতাকা দরছিলেন যে সাহাবী”

যারা ঈমান আনার পরেও মুসলিম হতে পারেনা!

যারা ঈমান আনার পরেও মুসলিম হতে পারেনা শিরোনামটি দেখে হয়তো আপনি চমকে গেছেন যে,একটি লোক ইসলাম গ্রহণ বা ঈমানের উপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখার পরেও কিভাবে মুসলিম হতে পারে না বা তার কারণ কি? লেখাটি পড়ুন, তাহলে আসল কারণ বুঝতে আপনার সুবিধা হবে।”

আল্লাহ বলছেন,- [ “হে বিশ্বাসীগণ! ইসলামের মধ্যে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করো” ] – বাক্বারা ২০৮
আচ্ছা, এই আয়াতটা পড়তে গিয়ে কখনো কী ভেবেছেন যে আল্লাহ সুবাহান ওয়া’তালা ঠিক কী বুঝাতে চাচ্ছেন?
খেয়াল করুন, আল্লাহ তা’লা প্রথম সম্বোধনটাই করেছেন “ ইয়া আইয়্যুহাল লাজীনা আমানু” বা “হে বিশ্বাসীগণ” বলে।
এখন, বিশ্বাসী বলে সম্বোধন করার পরে তাহলে নতুন করে আবার ইসলামে প্রবেশের কী থাকতে পারে?
যারা এক আল্লাহ, পরকাল, জান্নাত-জাহান্নাম, নবী-রাসূলগণ, ফেরেস্তা, আসমানী কিতাব ইত্যাদি বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ঈমান আনে, তাদের বলা হয় বিশ্বাসী। ঈমানদার।
তাহলে, একজন বিশ্বাসী কী পরিপূর্ণভাবে ইসলামে থাকে পারে না?
উত্তরটা এরকম- পারে, আবার পারে না।
কীভাবে একটু ব্যাখ্যা করি। 

একজন মানুষ যদি ঈমানের প্রাথমিক শর্তগুলো ফিলাপ করে (বিশ্বাস করে), তাহলে সে বিশ্বাসী।
যখন সে একনিষ্ঠভাবে ইসলামের নিয়ম কানুন মানা শুরু করবে, নামাজ, রোজা, যাকাত, হজ্ব, পর্দা, দাঁড়ি সহ সকল ইসলামী অনুশাসনকে নিজের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করবে, তখন সে মুসলিম। একজন মুসলিম সে, যে নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করে। আরো ক্লিয়ারলি, একজন মুসলিম সে, যে নিজেকে আল্লাহর কাছে সঁপে দেয়। তার ইচ্ছা-অনিচ্ছার উপরে আল্লাহর হুকুম আহকামকে প্রাধান্য দেয়।
প্রাথমিকভাবে একজন বিশ্বাসী আবার একজন মুসলিম নাও হতে পারে, কিন্তু প্রত্যেকটা মুসলিম অবশ্যই অবশ্যই বিশ্বাসী।
এজন্য, কোরআনে আল্লাহ যখন ইবরাহীম (আঃ) এর পরিচয় দিচ্ছেন, তখন বলছেন-
[ “Ibrahim was neither a Jew nor a Christian, but he was one inclining toward truth, a Muslim” -Al Imran- 67] [ “ ইব্রাহীম না খ্রিষ্টান ছিলেন, না ইহুদী। বরং, তিনি ছিলেন একজন মুসলিম (একনিষ্ঠ আত্মসমর্পণকারী” ) ] এখানে, আল্লাহ তা’লা ইবরাহীম (আঃ) এর পরিচয় দেওয়ার সময় উনাকে ‘মুসলিম’ বলেছেন।

আবার, সূরা ইমরানে বলা হচ্ছে-
[ “হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় কর এবং তোমরা মুসলমান
না হয়ে মৃত্যুবরণ করোনা।”]- আল ইমরান, ১০২
খেয়াল করুন, বিশ্বাসীগণকে উদ্দেশ্য করে বলা হচ্ছে আল্লাহকে ভয় করতে, আবার বলা হচ্ছে ‘তোমরা মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।’…
আল্লাহ সুবাহান ওয়া’তালা অবশ্যই জানেন যে, আমাদের মধ্যে ঈমান থাকা সত্ত্বেও আমরা (অনেকে) মুসলিম হতে পারবো না।
আল্লাহ জানেন, আমাদের মধ্যে ঈমানের টইটুম্বুর অবস্থা। ঈমানী জোশে আমরা ঈসরাঈলকে ঘৃণা করি। এই যে আল আকসাতে হামলা করছে ঈসরাঈল, আমাদের ভাইদের শহীদ করছে, জুমা আটকে দিচ্ছে, আমরা কিন্তু প্রতিবাদে ফেঁটে পড়ছি। ইয়ায়ায়ায়ায়া লম্বা আবেগঘন পোস্ট লিখছি ফেইসবুকে। সবকিছুই কিন্তু ঈমান থেকে।
কিন্তু দেখা যায়, পরেরদিন আমার ফজ্বর কাযা। 
ঘুম থেকে জাগতে জাগতেই বেজে গেছে ১০ টা (চাকরি বা কাজ থাকলে। নাহলে টাইমটা কমপক্ষে দুপুর ১২ টা)।
এরপর ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে যোহরও কাযা। আসর আর মাগরিব চলে যায় আড্ডায়। এশা’টা আর পড়া হয়েই উঠে না…..

আল্লাহ জানেন, আমরা বিশ্বাস করি যে বিবাহ বহিঃভূত রিলেশনশীপ ইসলামে হারাম। আমরা আরো জানি,ইসলামে কঠোর পর্দাপ্রথার নিয়ম আছে।
কিন্তু জানা এবং বিশ্বাস করা সত্ত্বেও আমরা জি এফ, বি এফ রাখতে পছন্দ করি। রাতভর তাদের সাথে ফোনালাপ, দিনভর রিক্সায় পাশাপাশি চেপে ঘুরাঘুরিও কিন্তু আমরা করি।
আমরা বিশ্বাস করি ইসলাম অশ্লীল কিছুই সমর্থন করে না, কিন্তু তবুও, রাতভর “বাহুবলী-২” দেখেই কিন্তু আমরা ঘুমাতে যাই।
এই যে “বিশ্বাস করা” আর বিশ্বাস করে “পালন করা”র মধ্যে গূর্ঢ় যে পার্থক্য, এটাই হচ্ছে বিশ্বাসী আর মুসলিমের মধ্যে পার্থক্য।
আমি একজন বিশ্বাসী হয়ে মুসলিম নাও হতে পারি, কিন্তু একজন মুসলিম হয়ে আলটিমেটলি আমি একজন বিশ্বাসী।
এজন্য আল্লাহ তালা বলেছেন- “হে বিশ্বাসীগণ! ইসলামের মধ্যে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করো”
আল্লাহ বলছেন,- তুমি আমায় বিশ্বাস করো, পরকালে বিশ্বাস করো, জান্নাত-জাহান্নামে বিশ্বাস করো। নবী-রাসূল, কিতাবে বিশ্বাস করো। কিন্তু, এর পাশাপাশি যে নামাজ পড়ো না, মুভি দেখো, হারাম রিলেশনে জড়াও, পর্দা করো না, দাঁড়ি রাখো না, গালি দাও, মিথ্যা কথা বলো, সুদ খাও, ঘুষ নাও, মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করো- এসবকিছু ছেড়ে পরিপূর্ণভাবে ইসলামে চলে এসো। মুসলিম হয়ে যাও।

ঈমানের প্রাথমিক শর্তাবলী পূরণ করার পরেও যারা মুসলিম হতে পারেনা, এই আয়াত তাদের জন্য।
আমরা যারা এই আয়াতের ক্রাইটেরিয়ার (যা উল্লেখ করেছি) মধ্যে পড়ি, তাদের কী উচিত কেবল একজন বিশ্বাসী হয়ে বসে থাকা? নাকী, মুসলিম বনে যাওয়া?
যদি কেবল বিশ্বাসী হয়েই পার পাওয়া যেতো, আল্লাহ নিশ্চই পরিপূর্ণভাবে আমাদের ইসলামে দাখিল হবার জন্য বলতেন না।

জেনে নিন | কেন সালমান-শাহরুখের থেকে পিছিয়ে আছে প্রভাস

এস এস রাজমৌলির ‘বাহুবলী’র কল্যাণে দক্ষিণ ভারতের নায়ক প্রভাস এখন ভারতের অন্যতম বড় তারকা। সিনেমাপ্রেমীদের মুখে এখন শুধু একটিই নাম আর একটি আলোচনা। সেটি হলো ‘বাহুবলী ২’ ও এর নায়ক প্রভাস। এক হাজার কোটি রুপিরও আয়ও ছাড়িয়েছে ছবিটি। এ ছবির পরই তেলেগু ছবির অন্যতম তারকা প্রভাস বাড়িয়ে দিয়েছেন তাঁর পারিশ্রমিক। এরপরও পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে বলিউড তারকা সালমান খান ও শাহরুখ খানের চেয়ে পিছিয়ে।

বলিউডের ছবির রমরমা ব্যবসার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তারকা অভিনয়শিল্পীরা। কোনো ছবির সাফল্যের অনেকটাই নির্ভর করে ছবিতে জনপ্রিয় তারকার অন্তর্ভুক্তি। আর বিষয়টি তারকারা ভালো করেই জানেন বলেই আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক হেঁকে বসেন। একের পর এক ছবি সাফল্যের মুখ দেখলে তাঁরা বাড়িয়ে নেন দর।

‘বাহুবলী’ সিরিজের দুটি ছবির পরই দক্ষিণের ছবির প্রযোজক পরিচালকেরা প্রভাসকে পরবর্তী সিনেমায় নিতে চাইবেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তাঁদের গুনতে হবে ৩০ কোটি রুপি। ‘বাহুবলী’র বিস্ময়কর সাফল্যের পর বলিউডেও বিগ শট হতে যাচ্ছেন তিনি।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাহুবলী ২’ ছবির জন্য প্রভাস পারিশ্রমিক নিয়েছেন ২৫ কোটি রুপি। এ ছবির পরই পারিশ্রমিক বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। এখন থেকে নিচ্ছেন ৩০ কোটি। ২০১৮ সালে মুক্তির লক্ষ্য এখন প্রভাস ব্যস্ত ‘সাহো’ ছবির শুটিংয়ে। তবে প্রভাস ছবিপ্রতি এখন যা নিচ্ছেন, তাতে তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকে তাঁর পারিশ্রমিক দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। তাই তিনি এখন বিগ শট। তবে এত কিছুর পরও ভারতের সিনেমাবাজারে তিনি পিছিয়ে আছেন। পারিশ্রমিকে সবার ওপরে সালমান খান। তাঁর পরেই আছেন মি. পারফেকশনিস্ট আমির খান ও বলিউড কিং শাহরুখ খান।

সালমান-শাহরুখের থেকে পিছিয়ে আছে প্রভাস
সালমান-শাহরুখের থেকে পিছিয়ে আছে প্রভাস

কয়েক বছর ধরে বক্স অফিসে একের পর এক ঝড় তোলা ছবি উপহার দিয়ে যাচ্ছেন ‘দাবাং’ তারকা সালমান খান। ছবিতে সালমান আছেন জানলে, দর্শকেরা প্রেক্ষাগৃহে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। বলিউডে সালমানের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। জনপ্রিয়তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পারিশ্রমিকের অঙ্কটাও দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। এখন প্রতি ছবিতে ৬০ কোটি রুপি নিচ্ছেন ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ সালমান। এর মধ্য দিয়ে বলিউডের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেতা এখন খান সাহেব।

শিশু শিল্পী হিসেবে বলিউডে যাত্রা শুরু করা আমির খান পরবর্তী সময়ে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য ব্যবসাসফল ছবি। ভিন্নধারার গল্প ও বার্তানির্ভর ছবিতে অভিনয় করেও প্রশংসিত ‘পিকে’ তারকা। চরিত্র বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলতে কোনো রকম ছাড় দিতে রাজি নন আমির। এ জন্য ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ তকমা পেয়েছেন। তাঁর ছবি মুক্তি মানেই তোলপাড়। তাই পারিশ্রমিকের অঙ্কটাও কম নয়। প্রায় সালমানের কাছাকাছি। প্রতিটি ছবির জন্য ৫৫ থেকে ৬০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন ‘দঙ্গল’ তারকা।

পারিশ্রমিক নেওয়ার ক্ষেত্রে সালমান-আমিরের পরেই আছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলী আর অসাধারণ পর্দা-উপস্থিতি দিয়ে বছরের পর বছর ধরে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন ‘রইস’ তারকা। তাঁকে বড় পর্দায় দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন ভক্ত ও দর্শকেরা। জনপ্রিয়তার পাল্লায় তাঁর পারিশ্রমিক সমসাময়িক অভিনেতাদের তুলনায় কিছুটা কমই। ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ তারকা ছবিপ্রতি পারিশ্রমিক নেন ৪০ থেকে ৪৫ কোটি রুপি।

এরপরেই আছেন ‘খিলাড়ি’ তারকা অক্ষয় কুমার। তাঁর জনপ্রিয়তাও কম নয়। তাঁর ছবি মুক্তি পাওয়া মানেই শতকোটি রুপির ব্যবসা। অ্যাকশন ঘরানা থেকে বেরিয়ে এখন সব ধরনের ছবিতে দারুণ সাফল্য পাচ্ছেন অক্ষয়। ‘জলি এলএলবি ২’ তারকা বছরে চার থেকে পাঁচটি ছবি করেন। তাঁকে ছবিতে নিলে লগ্নীকারীরা টাকা ঠিকমতোই পকেটে পুরেন। বর্তমানে ছবি প্রতি ৩৫ থেকে ৪০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন অক্ষয়।

নায়িকাদের মধ্য কঙ্গনা রনৌত ১০ থেকে ১২ কোটি, দিপীকা পাড়ুকোন ৮ থেকে ১০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক হাঁকছেন। কারিনা কাপুর খান, বেওয়াচ তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, আনুশকা শর্মাও সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া তারকাদের মধ্য আছেন।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

পোলায় এক সাপ্তার জন্য রাইখা গেছিলো, ১২ বছর পরেও আসেনি : বৃদ্ধাশ্রমে মা

বৃদ্ধাশ্রমে মা

‘পোলায় এক সাপ্তার (সপ্তাহ) জন্য রাইখা গেছিলো, আজ ১২ বচ্ছর (বছর)। পোলা আর আয়ে (আসে) নাই।’ কথাগুলো বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন এক মা। তিনি হলেন গাজীপুর খতিববাড়ী বৃদ্ধাশ্রমে থাকা রাবেয়া খাতুন। এভাবে কথাগুলো যখন বলছিলেন স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে বুক ফাটা হাহাকারে তার চোখের পানিও যেন ক্লান্ত হয়ে আসছে।

বৃদ্ধাশ্রমে মা
বৃদ্ধাশ্রমে মা

রাত পোহালেই মা দিবস, কিন্তু এখনো এই মা তাকিয়ে আছেন হয়তো কোন এক নতুন ভোরে ছেলে আসবে তাকে নিতে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাবেয়া খাতুনের বাড়ি মুন্সীগঞ্জে। এক ছেলে দুই মেয়ের এই জননী আজ ১২ বছর ধরে খতিববাড়ী বৃদ্ধাশ্রমে বসবাস করছেন। ছেলে আশা দিয়েছিল সেখান থেকে নিয়ে যাবেন। সেই আশায়ই বুকে বেঁধে পথ চেয়ে বসে আছেন এখনো। বড় স্বপ্ন নিয়ে একমাত্র ছেলেকে আদরে যতনে মানুষ করেছিলেন রাবেয়া খাতুন। ভেবেছিলেন শেষ জীবনের আশ্রয় আর ভরসার জায়গা হবে আপন ছেলে। কিন্তু তার জীবনের গণেশটা উল্টে গেল হুট করেই। নতুন এক গল্প যুক্ত হলো তার জীবনে।

ছেলে না হয় ছেলের বউ ও সংসার নিয়ে আছে। কিন্তু মেয়ে দুটিও খোঁজ নেয় না কেন? স্থানীয় একটি গণমাধ্যমের সাংবাদিক তার কাছে জানতে চেয়েছেন এ কথা? এ বিষয়ে রাবেয়া খাতুন জানান, মেয়েগুলো প্রথম প্রথম দেখতে আসতো। এখন আর সময় পায় না। তারা ব্যস্ত তাদের সংসার ও ছেলে মেয়েদের নিয়ে। নাতি নাতনির প্রসঙ্গ তুলতেই আবারো আঁচলে মুখ ঢেকে কাঁদলেন রাবেয়া। কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, ‘নিশ্চয়ই অনেক বড় হয়ে গেছে। কারও কারও হয়ত বিয়েও হয়েছে।’