বাজারে ঢুকছে প্লাস্টিকের প্রলেপ দেয়া তরমুজ

তাও ভাল যে লাউ বা চালকুমড়ার উপর রঙ মেরে তরমুজ কয় নাই, বাঙালির মত বেইমান জাতি মনেহয় আর নাই, খারাপের সব লেভেল ক্রস করে ফেলসে এরা 😡😡😡 Continue reading “বাজারে ঢুকছে প্লাস্টিকের প্রলেপ দেয়া তরমুজ”

জেনে নিন | প্লাস্টিকের ডিম চেনার সহজ কিছু উপায়

প্লাস্টিকের ডিম চেনার সহজ কিছু উপায়

গত কয়েক বছরেই শোনা যাচ্ছে দেশের বাজারে প্লাস্টিকের ডিম ছেয়ে গেছে। চীনে তৈরি এই নকল ডিম একেবারে আসলের মতো দেখতে। তাই তো খালি চোখে দেখে বোঝা সম্ভব নয়, কোন ডিমটা আসল, আর কোনটা নকল।  

এমনিতেই আজ সব খাবারে ভেজালের দৌরাত্ম চোখে পরার মতো বেড়েছে। এই অবস্থায় যদি দিনের পর দিন প্লাস্টিকের ডিম খেতে থাকেন, তাহলে শরীরের যে আর কিছুই থাকবে না, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন প্রশ্ন হল, কী এই প্লাস্টিক ডিম? বেশ কয়েক বছর আগে হঠাৎ করেই গুজব ওঠে যে সাধারণ বাজার থেকে সুপারমার্কেট, সব জয়গাতেই এক ধরনের ভেজাল ডিম পাওয়া যাচ্ছে, যা তৈরিতে নানাবিধ ক্ষতিকর কেমিকেলের ব্য়বহার হচ্ছে।  

জিপসাম পাউডার, প্যারাফিন ওয়েক্স, বেনজোয়িক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড, জিলেটিন, সোডিয়াম অ্যালগিনেট এবং সেলিকাম কার্বোনেটের মতো রাসায়নিক ব্যবহার করে তৈরি করা এই ডিম খেলে লিভার খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে নার্ভ সেল ড্যামেজ এবং পেটের নানাবিধ রোগ হওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। তাই তো এখন থেকেই যদি সাবধান না হন, তাহলে কিন্তু বিপদ!

প্লাস্টিকের ডিম চেনার সহজ কিছু উপায়
প্লাস্টিকের ডিম চেনার সহজ কিছু উপায়

প্লাস্টিক ডিমকে যেহেতু দেখে চেনা যায় না, তাই তো বাঁচতে চাইলে এই প্রবন্ধে আলোচিত পদ্ধতিগুলি সম্পর্কে এক্ষুন জেনে নিন। এক্ষেত্রে যে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে, সেগুলি হল… 

পদ্ধতি ১: 
যদি দেখেন ডিমের খোলাটা খুব চকচক করছে, তাহলে সাবধান! কারণ আসল ডিমের খোসা একেবারেই উজ্জ্বল হয় না। এই পার্থক্য়টা দেখে সহজেই আপনি বুঝে যেতে পারবেন কোন ডিমটা আসল, আর কোনটা নকল! 

পদ্ধতি ২: 
ডিমের খোসায় একটু আঙুল চালিয়ে দেখুন তো মসৃণ লাগছে না খসখসে। যদি দেখেন খোসাটা মসৃণ, তাহলে বুঝবেন ডিমটি আসল। কারণ নকল ডিমের খোসা একটু হলেও অমসৃণ হয়।

পদ্ধতি ৩: 
ডিমটা কানের কাছে এনে একটু নারিয়ে দেখুন তো কিছু শুনতে পান কিনা। আসল ডিমের ক্ষেত্রে কিছুই শুনতে পাবেন না। কিন্তু ডিমটা যদি নকল হয়, তাহলে একবারে অন্য ঘটনা ঘটবে। সেক্ষেত্রে হালকা হলেও আওয়াজ শুনতে পাবেন। কারণ প্লাস্টিক ডিমের ভেতরে যে তরল উপাদান থাকে, তা কেমিকেল দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে আসল ডিমের কুসুমের মতো হয় না। ফলে নারালেই হলকা আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়।  

পদ্ধতি ৪: 
আসল ডিম ভাঙার পর খুব সহজেই কুসুমটা সংগ্রহ করে নিতে পারবেন। কিন্তু নকল ডিমের ক্ষেত্রে কুসুম এবং ডিমের সাদা অংশে লেগে থাকা তরল এক সঙ্গে মিশে যাবে।  

পদ্ধতি ৫: 
ডিমের খোসাটা আগুনে ফেলে দেখুন তো কী হয়। যদি সঙ্গে সঙ্গে আগুন লেগে যায়, তাহলে বুঝবেন ডিমটা নকল। প্রসঙ্গত, আগুনে পোড়ার সময় প্লাস্টিক পোড়ার মতো গন্ধও বের হবে। এই বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে।

পলিব্যাগ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্লাস্টিকের চাল!দুনিয়া কোথায় যাচ্ছে ?

পলিব্যাগ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্লাস্টিকের চাল! দুনিয়া কোথায় যাচ্ছে ?? Artificial rice making with poly bag! বছর দুয়েক আগে থেকেই আমরা দেখছি বাংলাদেশের সবার কাছেই পরিচিত হয়ে উঠেছে নকল ডিম। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ডিমের পাশাপাশি এখন চালেরও নকল তৈরি হচ্ছে।
নাইজেরিয়ার কাস্টমস অফিসাররা ১০২ ব্যাগ নকল চাল জব্দ করেছেন। এর মাঝে পাওয়া যায় প্লাস্টিকের চালসদৃশ গুটি। ওই ব্যবসায়ী দেশের ভেতরে এগুলো চালান দিয়ে ক্রিসমাসের সময়ে তা বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছিল।

পলিব্যাগ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্লাস্টিকের চাল!
পলিব্যাগ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্লাস্টিকের চাল!

প্রায় বছরখানেক ধরে মূল্যস্ফীতি প্রতি মাসেই বেড়ে চলেছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে। গত ডিসেম্বরে এক ব্যাগ চালের দাম যা ছিলো, এখন তা হয়ে উঠেছে প্রায় দ্বিগুণ। এ কারণে একদম সাধারণ খাবার জোগাড় করতে গিয়েও হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। এই সুযোগে কিছু মানুষ টাকা অর্জনের শর্টকাট উপায় হিসেবে কম দামে বিক্রি করার চেষ্টা করছে নিকৃষ্ট মানের এমনকি বিপজ্জনক পণ্য।

লাগোসের কাস্টমস চিফ হারুনা মামুদু জানান, তাদের কর্মকর্তারা মোট ২.৫৫ টন চাল জব্দ করে, যার ব্র্যান্ডের নাম ছিলো “বেস্ট টমেটো রাইস”। এতে কোনো ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট ছিল না। কর্মকর্তারা এই চাল সেদ্ধ করে দেখেন তা ঠিক চালের মতো নয়। ফলে তা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য।
দি গার্ডিয়ান জানায় মামুদুর ভাষ্যমতে: “আমরা এই চাল প্রাথমিক পর্যায়ে বিশ্লেষণ করি। সেদ্ধ করার পর এটা আঠালো হয়ে যায় আর মানুষ খেলে যে কি অবস্থা হতো ঈশ্বর জানেন।”
এখনো জানা যায়নি এই চাল আসলে কোথায় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু নকল খাদ্যদ্রব্য তৈরিতে চীনের কুখ্যাতি আছে। এ কারণে অনেকেই আঙ্গুল তুলছেন চীনের দিকেই। ২০০৮ সালে দুধে মেলামাইন মেশানোর স্ক্যান্ডাল আমাদের সবারই জানা। এরপর ২০১১ সালে কোরিয়া টাইমসের একটি রিপোর্টে বলা হয় চীনে এমন নকল চাল তৈরি হয়। এই রিপোর্টের মতে, এই চাল তৈরিতে আলু, মিষ্টি আলু এবং প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয় এবং চীনের বাজারে প্রচুর বিক্রি হয় এই চাল।
নকল ডিমে যেমন কোনো খাদ্যগুণ নেই, বরং মানবদেহের জন্য তা ক্ষতিকর হতে পারে, একই কথা এই চালের জন্যও প্রযোজ্য। প্লাস্টিকের উপস্থিতি যে মানুষের জন্য খারাপ, তা বলাই বাহুল্য।