দেখুন জাহান্নামী নারীদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ( বিস্তারিত ভিডিওতে )

দেখুন জাহান্নামী নারীদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়
নিজেরা সতর্ক হোন এবং আমাদের বিপদগামী মা-বোনদের বাঁচাতে শেয়ার করুন

গতকাল থেকে ইয়াবা সেবনের পরপরই ইয়াবা সেবনকারি মারা যাচ্ছে।(বিস্তারিত ভিডিওতে)

মায়ানমার আর্মি নাকি এক প্রকার বিষ দিয়ে ইয়াবা বানিয়ে বাজারে ছাড়ছে। রোহিংগাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছে। এজন্য মায়ানমার সরকার ইয়াবার সাথে বিষ মিশিয়ে বাংলাদেশের বাজারে ছেড়েছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী নিরীহ জনগণদের বাঁচাতে হাজার কোটি টাকার ইয়াবা নষ্ট করে ফেলছে ।

বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান সংস্থার তথ্য মতে, নাখালপাড়াতে ইয়াবা খেয়ে একটা মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটছে এই সপ্তাহে। আর গতকাল ৪/৫ জন ইয়াবা খাওয়ার পরে প্রেশার অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। ইমিডিয়েট হসপিটালাইজ করতে হয়েছে।
মেরুল বাড্ডাতে এ পর্যন্ত দু জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এবং ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের মুখ দিয়ে লালচে লালা বের হচ্ছে !! মারা যেতে পারে যে কোন মুহূর্তে।
দয়া করে এই খবরটি কপি-পেস্ট করে ছড়িয়ে দিন। ইয়াবা সেবনকারীরা এদেশেরই নাগরিক। কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেটে প্রাণঘাতী উপাদান মেশাচ্ছে মায়ানমার। এই নতুন ইয়াবা সেবনের ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই মানুষের সেরিব্রাল এটাক হয় এবং মাথার রক্তনালী ফেটে গিয়ে তাৎক্ষনিক মৃত্যু হয়। জীবন বাঁচাতে ইয়াবা সেবন থেকে নিবৃত করুন।
মানবসেবায়ঃ বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান

হযরত আলী (রা.) এর মাজার জিয়ারত করতে এসে আল্লাহর রহমতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেল এই অন্ধ শিশু,বিস্তারিত জানুন।

১০ই মহররম পবিত্র আশুরার দিনে ইমাম আলী (রা.) এর মাজার যেয়ারত করতে এসে দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেয়েছে ইরাকি এক শিশু।

‘ফাতেমা আলী’ (৯) নামক ইরাকের নাজাফ শহরের বাসিন্দা ঐ শিশু আশুরার দিন তার বাবা-মায়ের সাথে আযাদারী পালন করতে আমিরুল মু’মিনীন আলী ইবনে আবি তালিব (রা.) এর মাজারে এসেছিল। হঠাৎ সে অনুভব করে যে, কে যেন তার কানে আদর করছে, এরপর সে মাজারের বাতীগুলো দেখতে পায়। আর এভাবেই সে তার দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেয়েছে।

ইমাম আলী (রা.) এর মাজারের বিশেষ টিম গত ২৮ অক্টোবর এ ঘটনার সত্যতার বিষয়ে তদন্তের পর ‘ফাতেমা আলী’র মেডিকেল রিপোর্ট গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ করেছে। -বার্তা সংস্থা আবনা।

জোকস : তোমার পাঠানো Kiss গুলোর বিস্তারিত জানাচ্ছি

প্রবাসী স্বামী তার স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে লিখেছে,

প্রিয় সুইট হার্ট,
আমি এই মাসের বেতনের টাকা পাঠাতে পারছিনা, তাই তোমাকে ১০০ Kiss পাঠালাম।
ইতি তোমার স্বামী (আক্কাস)

তার বউ কিছুদিন পর সে চিঠির উত্বর দিল এভাবে,

প্রিয় সুইট হার্ট,
তোমার পাঠানো Kiss গুলোর বিস্তারিত জানাচ্ছি।

১/ দুধ ওয়ালা ২টা Kiss বিনিময়ে এক মাসের জন্য দুধ দিতে রাজি হয়েছে।

২/ বিদ্যুত্ত বিল ওয়ালা ৭টা Kiss এর বিনিময়ে শান্ত হয়েছে।

৩/ বাড়ি এয়ালাকে প্রতিদিন দুইটা কিংবা তিনটা Kiss দিতে হচ্ছে।

৪/ সুপার মার্কেট মালিক শুধু Kiss তেই মানি রাজি নয়, তাই ……… (সেন্সর)

৫/ আর অন্যান্য খাতে ব্যায় হয়েছে ৪০ টি Kiss।

আমার জন্য কোন চিন্তা করোনা। বাকি রয়েছে ৩৫ টি Kiss। আমি আশা করছি সেগুলোও এই মাসেই ব্যাবহার করতে পারবো।

ফেসবুকের বন্ধু ২০০০ ছাড়ালেই ৭ রাত বিলাসবহুল হোটেল ফ্রি!জেনে নিন বিস্তারিত।

ফেসবুকের বন্ধু ২০০০ ছাড়ালেই ৭ রাত বিলাসবহুল হোটেল ফ্রি!জেনে নিন বিস্তারিত।

হোটেল নরডিয়াক লাইট জানিয়েছে, ফেসবুকে বন্ধুর সংখ্যা ২০০০ ছাড়ালেই সাত রাত পর্যন্ত বিনা মূল্যে এই হোটেলে থাকতে পারবে যে কেউ।

ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করছেন, যেতে ইচ্ছা করছে ইউরোপে? টাকা পয়সা ও পার্সপোর্ট ভিসা নয় তার আগে আপনার ফেসবুকে ফ্রেন্ডলিস্ট চেক করে নিন।

ফেসবুকের বন্ধুদের খাতিরেই ইউরোপ ভ্রমণে পেয়ে যেতে পারেন বিরাট ছাড়।

স্টকহোমের বিলাসবহুল হোটেল নরডিয়াক লাইট এই ‘থ্যাংস গিভিং ডে’ উপলক্ষে এমন অফার দিয়েছে। ফেসবুকে আপনার বন্ধুর সংখ্যা, ফলোয়ার, লাইক পাইয়ে দেবে বড়সড়ো ডিসকাউন্ট।

এমনকি সাত দিন পর্যন্ত এই হোটেলে কাটানোর সুযোগ মিলতে পারে একেবারে বিনা মূল্যে।

হোটেল নরডিয়াক লাইট জানিয়েছে, ফেসবুকে বন্ধুর সংখ্যা ২০০০ ছাড়ালেই সাত রাত পর্যন্ত বিনা মূল্যে এই হোটেলে থাকতে পারবে যে কেউ।

সাধারণভাবে বিলাসবহুল এই হোটেলে এক রাত থাকার খরচ ২৩০ পাউন্ড।

ইনস্টাগ্রামে এক লাখ ফলোয়ার বা ফেসবুক পেজে সমান সংখ্যক লাইক থাকলেও বিনা মূল্যে ঘর পেয়ে যাবেন এখানে।

যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় অতটা জনপ্রিয় নন, তাঁদেরও হতাশ হওয়ার কিছু নেই।

ফেসবুকে ৫০০ বন্ধু থাকলেই নরডিয়াক লাইটে ঘর ভাড়ায় পেয়ে যাবেন ৫% ছাড়, এক হাজার বন্ধু থাকলে ১০% ছাড়, বন্ধু সংখ্যা এক হাজার ৫০০ হলেই ছাড় হবে ১৫% আর ২০০০ বন্ধু হলে ছাড় পুরো ১০০%।

কুরআনে পরকালের জবাব দিহিতার বর্ণনা জেনে নিন বিস্তারিত…

কুরআনে পরকালের জবাব দিহিতার বর্ণনা

কুরআনুল কারিম মানুষের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। এ বিধান শুধুমাত্র দুনিয়ার জন্যই প্রযোজ্য নয়; বরং দুনিয়ার জীবন-যাপনে এ বিধান পালন করে কিয়ামাতের দিন জবাবদিহিতা থেকে মুক্তি লাভের একমাত্র উপায়। আল্লাহ তাআলা কুরআনে মানুষের প্রতিটি কর্মের জবাবদিহিতার বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।

কুরআনের সে বর্ণনা পড়লে পরকালের জবাবদিহিতার চিত্র মুমিনের হৃদয়ে ভেসে ওঠে। দুনিয়ার আমল অনুযায়ী পরকালে মানুষের জবাবদিহিতার বর্ণনা কুরআনে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরে আল্লাহ তাআলা বলেন-

‘যখন তিনি (আল্লাহ) শাস্তি দিবেন, তখন এই সমস্ত নেতা ও প্রধান ব্যক্তিরা, দুনিয়ায় যাদের অনুসরণ করা হতো; তাদের অনুগামীদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদের ঘোষণা করবে। (অর্থাৎ তাদেরকে পথভ্রষ্ট করার অভিযোগ তারা অস্বীকার করবে) কিন্তু শাস্তি তারা পাবেই এবং তাদের সমস্ত উপায়-উপকরণের ধারা (আত্মীয়-স্বজন; বন্ধুত্ব; বংশ পরিচয়) ছিন্ন হয়ে যাবে।’ (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১৬৫)

পূর্ববর্তী আয়াতে আল্লাহ তাআলা মানুষের পরিচয় তুলে ধরেছেন। সুতরাং মানুষ জ্ঞান-বুদ্ধি-বিবেচনা থাকা সত্বেও তাঁদের হাতে গড়া বস্তুকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করে। আল্লাহর সৃষ্ট জীবকে সৃষ্টিকর্তার মতো ভালোবাসে। অথচ মানুষের নিকট দৃঢ় ভালোবাসা পাওয়ার অধিকার শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার। যারা আল্লাহকে মনে প্রাণে ভালোবাসে তারাই মুমিন।

এ আয়াতে কিয়ামাতের একটি বিশেষ দৃশ্যের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কিয়ামাতের দিন যখন মুশকির নেতারা, তাদের বিদ্বানবর্গ, শাসকবর্গ ও বিশিষ্ট ব্যক্তির তাদের অনুগামী, শাসিত ও সাধারণ লোকদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে তাদের অসহায়, নিরুপায় অবস্থায় ফেলে রাখবে; এ আয়াতে সে সময়টি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

কুরআনে পরকালের জবাব দিহিতার বর্ণনা
কুরআনে পরকালের জবাব দিহিতার বর্ণনা

দুনিয়াতে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে ফিরিয়ে রাখে, গোমরাহীর পথ প্রদর্শন করায়, তারা কিয়ামাতের দিন তাদের অনুসারীদের সকল কৃতকর্মের দায়ভার অস্বীকার করবে। আত্মীয়তা ও ভালোবাসার যে সম্পর্ক দুনিয়াতে ছিল, সে দিন তাদের সে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে।

তাফসিরে ওসমানিতে এসেছে, ‘যে অত্যাচারীরা মহান আল্লাহর জন্য শরিক স্থির করে, তারা যদি সেই অবশ্যম্ভাবী সময় দেখি নিত; যখন তারা মহান আল্লাহর সঙ্গে শরিক স্থাপনের জন্য শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে যে, সমস্ত শক্তির অধিকারী মহান আল্লাহ তাআলাই। তাঁর শাস্তি হতে কেউ বাঁচতে পারবে না; তাঁর শাস্তি বড়ই কঠোর। তাহলে তারা মহান আল্লাহ তাআলার ইবাদাত ছেড়ে অন্যের প্রতি কিছুতেই মনোনিবেশ করত না এবং আল্লাহ ব্যতিত অন্যের থেকে উপকার লাভের প্রত্যাশা করত না।

আয়াতের শেষে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহর সঙ্গে শিরককারীদের সম্পর্কের যত দিক বা সূত্র রয়েছে- তা উস্তাদ-সাগরেদ হোক; নেতা-কর্মী (অনুগামী) হোক; বংশ ও রক্তের বন্ধন হোক; স্বদেশী-স্বজাতি বা বন্ধুত্বের সম্পর্ক হোক; এ সবই পৃথিবী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। এ সকল নেতা ও বন্ধুরাই কিয়ামাতের দিন তাদের থেকে দূরে সরে দাঁড়াবে। যা তাদের সকল অনুসারী ও অনুগামীদের জন্য শুধুমাত্র সীমাহীন বিপদই ডেকে আনবে।

আল্লাহ তআলা মুসলিম উম্মাহকে এ ধরনের নেতা, আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধব থেকে হিফাজত করুন। শিরকমুক্ত ঈমান লাভ করে পরকালের কঠিন অবস্থা থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। পরিপূর্ণ ঈমানদার হিসেবে মুক্তি লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

৩ পিতার ৯৬ সন্তান | বিস্তারিত জেনে অবাক হবেন

৩ পিতার ৯৬ সন্তান

আজকাল পৃথিবীতে কত আজব ঘটনাই না তার কোন ইয়ত্তা নাই।  ঠিক এমন এক আজব পরিবার আছে উত্তর ওয়াজিরিস্তানে।  ঘটনা অবশ্য গল্প মনে হলেও সত্যি।  তিনটি পরিবার।  সেখানে ছেলেমেয়ে মিলিয়ে একটা প্রজন্মেরই ৯৬টি সদস্য।  মানে সোজা ভাষায় ভাইবোনের সংখ্যা মাত্র ৯৬!

৩ পিতার ৯৬ সন্তান
৩ পিতার ৯৬ সন্তান

৫৭ বছর বয়সি গুলজার খান।  ছেলেমেয়ের সংখ্যা ৩৬।  আর তার তৃতীয় পক্ষের স্ত্রী এই মুহূর্তে সন্তানসম্ভবা। উত্তর ওয়াজিরিস্তানের আদিবাসী অধ্যুষিত জেলার বাসিন্দা ৭০ বছরের মস্তান খান ওয়াজির।  সন্তানসংখ্যা ২২ জন।  এখানেই শেষ নয়, তার নাতি নাতনির সংখ্যা অগুণতি। বেলুচিস্তানের কোয়েট্টার জান মোহাম্মদ, যার ৩৮টি সন্তানের বাবা।  তার এখন ইচ্ছা চতুর্থবার বিয়ে করার।  অবশ্য অবাক হওয়ার খুব বেশি কিছু নেই।  বহুবিবাহ পাকিস্তানে নিষিদ্ধ নয়।  জন্মদানের হারে দক্ষিণ এশিয়ায় সেরার শিরোপা পেয়েছে পাকিস্তান। 

প্রতি মহিলা পিছু তিনজন করে সন্তানের হিসেব ধরা হয় পাকিস্তানে।  শেষ আদমসুমারি অনুযায়ী পাকিস্তানের জনসংখ্যা ১৩.৫ কোটি।  এই হিসাব অবশ্য ১৯৯৮ সালের।  হিসাাব বলছে, এখন তা ২০ কোটির গণ্ডি পেরিয়ে গেছে। 

এক পায়েই অসাধ্য সাধন !!! বিস্তারিত ভিডিওতে

লোকটি যুদ্ধ করতে যেয়ে এক পা হারায়, এর পর বাকি এক পা দিয়ে যা করেছে তা দেখে বিশ্ব হতবাক। অনেক সুস্থ লোকের পক্ষেও এই কাজ করা অসম্ভব। বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন…