ইসলামিক প্রশ্ন উত্তর: ভর্তির সময় সন্তানের বয়স কমানো যাবে কি?

আমাদের দেশে অভিভাবকরা সাধারণত সন্তানদের প্রকৃত বয়স বাদ দিয়ে দুই/তিন বছর কমিয়ে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করান। অনেকে আবার ৫ম বা ৮ম শ্রেণিতে রেজিষ্ট্রেশনের সময় বয়স কমিয়ে দেন। আবার জন্ম নিবন্ধন Continue reading “ইসলামিক প্রশ্ন উত্তর: ভর্তির সময় সন্তানের বয়স কমানো যাবে কি?”

একটি ছোট্ট শিশু বয়স ৮ নাম তার আব্দুর রহমান বাড়ি তার আফগানস্থান

ছেলেটির নাম আব্দুর রহমান বাড়ি আফগানস্থানে
আব্দুর রহমানকে তার মা কোরআন শিক্ষা দেয়।
অতপর আব্দুর রহমান Continue reading “একটি ছোট্ট শিশু বয়স ৮ নাম তার আব্দুর রহমান বাড়ি তার আফগানস্থান”

একটি ছোট্ট শিশু বয়স ৮ নাম তার আব্দুর রহমান: সত্য গল্প

একটি ছোট্ট শিশু বয়স ৮ নাম তার আব্দুর রহমান
সে ছিল কোরআন এর হাফেয শুনুন তাহলে গল্পটি

ছেলেটির নাম আব্দুর রহমান বাড়ি আফগানস্থানে
আব্দুর রহমানকে তার মা কোরআন শিক্ষা দেয়।
অতপর আব্দুর রহমান আস্তে আস্তে সম্পুর্ন কোরআন
হেফয করে নেয় এবং কোরআন এর হাফেয হয়ে যায়।
আফগানস্থান ও রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হয়
তার বাবা জিহাদের ময়দানে বা যুদ্ধে যান
তখন তার মায়ের প্রসব বেদনা(Labor pain) উঠেছে
বাচ্চা হবে আব্দুর রহমান এখন ডাক্তারকে
ডাকতে যাচ্ছে এমত অবস্থায় রাশিয়া সন্য বাহিনি
আব্দুর রহমান আটক করে এবং আস্থানায় নিয়ে যায়
আব্দুর রহমান এর পরনে ছিল পান্জাবি,টুপি ও পায়জামা
রাশিয়া সন্য বাহিনি আব্দুর রহমানকে তালেবান আলকায়দা
শন্যবাহিনি বলে আটক করে ।

আব্দুর রহমান
বলে আমি কোরআনের হাফেয আমি তালেবান শন্য নয়
তাদেরকে বেঝাতে চেষ্টা করে আরও বলে আমি ডাক্তারকে
ডাকতে যাচ্ছি তখন রাশিয়া সন্য বাহিনি বলে তুই
কোরআনের হাফেয ত তোকে আজ পরিক্ষা করব
আব্দুর রহমান বল্ল কি পরিক্ষা করবেন । সাজোয়া ট্যংক (Artillery)
রাশিয়া কাফির সন্যরা(Artillery)
সাজোয়া ট্যংক
পাহারা দিচ্ছিল তাই রাশিয়া কাফির সন্যরা
বল্ল তুই যদি তোর কোরআন দিয়ে এই
সাজোয়া ট্যংক(Artillery) গুলো আগুন ধরাতে
পারিস তাহলে কোরআন সত্য বলে মানব যদি
না পারিস তাহলে তোর কোরআন মিথ্যা
ছোট্ট ছেলে ত নাছড় বান্দা আমকে ছেড়ে দিন
এদিকে কাফির শন্যরাও নাছড় বান্দা তখন
আব্দুর রহমান আল্লাহর কাছে নিরাশ না হয়ে
বল্ল আমাকে পানি দেন আমি অজু করব।


আব্দুর রহমান দুই রাকাত নামাজ পড়ে
এক মুঠ বালু নিয়ে কোরআন এর একটি
আয়াত (ইযরমা ইসরমা ইন্নাত তহা রমা—)
এই আয়াতটি পড়ে বালু গুলে ছুড়ে মারে
এভাবে তখন একে একে ২৩টি সাজোয়া ট্যংক(Artillery)
ধংস হয় এবং কয় একজন শন্য ছাড় সবাই মারা যায়
এবং যারা বেচে ছিল তারা সবাই মুসলমান হয়।

আল্লাহ তার কোরআন এর র্মযাদা দিয়ে ছেন যদি এই Postটি ভাল লাগে Like দিবেন ও কমেন্ট করবেন অনুরেধ রইল ।

জোয়ান পোলা এই বয়সে একটু আধটু তো করবই, আমিও করি

জোয়ান পোলা এই বয়সে একটু আধটু তো করবই, আমিও করি

আরে মিয়া, আমার পোলা আকাম (ধর্ষণ) করছে তো কি হইছে। জোয়ান পোলা একটু-আধটু তো এসব করবই। আমিও তো করি। আমার যৌবন কি শেষ হয়ে গেছে? আমি এখনও বুড়া হইনি।

জোয়ান পোলা এই বয়সে একটু আধটু তো করবই, আমিও করি
জোয়ান পোলা এই বয়সে একটু আধটু তো করবই, আমিও করি

ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হওয়ার পর ছেলের অপকর্মে সমর্থন দিয়ে এসব কথা বলেন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিম। রাজধানীর বারিধারা আবাসিক এলাকায় আপন জুয়েলার্সের অফিসে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় আপন জুয়েলার্সের কর্মকর্তা ডা. দৌলাসহ তার ঘনিষ্ঠ আরও দুই বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। তারাও মাথা নেড়ে সেলিমের এমন বক্তব্য সমর্থন করেন।স্বর্ণালঙ্কার ব্যবসায়ী দিলদার আহমেদ সেলিমের বড় ছেলে সাফাত আহমেদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।ধর্ষণ মামলার বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে সেলিম বারিধারার সোহরাওয়ার্দী এভিনিউর ১০৩ নম্বর বাড়িতে যেতে বলেন। সেখানে গেলে দেখা যায়, একটা কাচঘেরা কক্ষে স্বল্প আলোতে সোফায় বসে একের পর এক ধূমপান করছেন তিনি। তার দু’পাশে আরও দু’জন মধ্য বয়সী ব্যক্তি বসে আছেন। সাংবাদিক এসেছেন শুনে তিনি ডা. দৌলা নামের আপন জুয়েলার্সের এক কর্মকর্তাকে ডেকে পাঠান। ধর্ষণ মামলা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেই সেলিম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। বলেন, ‘আরে ভাই এমন ফালতু বিষয় নিয়ে হৈচৈ করার কি আছে? মানছি আমার ছেলে আকাম করছে। কিন্তু ওই দুইটা মেয়েও তো ভালো না। খারাপ মেয়ে। তা না হলে কেউ গভীর রাতে হোটেলে যায়? ভদ্রঘরের কোনো মেয়ে কি রাত-বিরাতে হোটেলে যাবে?’এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ধর্ষণ কাকে বলে আসলে আপনারা তা জানেন না। জোর করে কিছু করলে তাকে ধর্ষণ বলে। কিন্তু যে মেয়ে নিজের ইচ্ছায় হোটেলে গিয়েছে তাকে ধর্ষণ করতে হবে কেন? আসলে ওরা (ধর্ষিত দুই তরুণী) মনে করছে বড় লোকের ছেলেরে পাইছি। এগুলোরে ধর্ষণ মামলায় ফাঁসাইতে পারলে কিছু টাকা-পয়সা পাওয়া যাবে। ’সেলিম বলেন, ‘পুরোপুরি প্ল্যানিং করে ওরা এটা করেছে। আমার সাবেক পুত্রবধূ ফারিয়া মাহবুব পিয়াসাও ওদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। ’সেলিম বলেন, ‘আমিও তো অনেক জায়গায় আকাম করি। করুম না কেন। আমি কি বুড়া হইয়া গেছি নাকি? আমার যৌবন নাই? আমিও তো হোটেলে যাই। আমার ছেলে যদি হোটেলে ওগো লগে কিছু কইরা থাকে তো মিলমিশ কইরা করছে। ধর্ষণ করতে যাইব ক্যান?’ঘটনার পুরো দায় পিয়াসার ওপর চাপিয়ে তিনি বলেন, পিয়াসা যে এসব করছে তার প্রমাণও তার কাছে আছে। কথাবার্তার ফাঁকে নিজের মোবাইল ফোন থেকে তিনি কয়েকটি ক্ষুদে বার্তা (মেসেজ) দেখিয়ে বলেন, ‘মামলা হওয়ার পর পিয়াসা আমার কাছে এসব দিয়েছে। ওই বাজে মেয়ে (পিয়াসা) মনে করছে আমরা বিপদে পড়েছি। এখন সে যা বলবে তাই করব। ওই মাইয়া বলেছে, তার সঙ্গে মিটমাট করে ফেললে সে সব সমাধান করে দিতে পারবে। বিনিময়ে বউ হিসেবে তাকে মেনে নিয়ে ঘরে তুলে নিতে হবে। কিন্তু বলেন তো, ওর মতো … মেয়ে কি সেলিমের বউ হতে পারে … ইত্যাদি (একেবারে প্রকাশযোগ্য নয়)। ’সেলিম বলেন, ‘পিয়াসা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আমার ছেলেকে বিয়ে করেছিল। কিন্তু তার সম্পর্কে জানার পর আমার ছেলে তাকে তালাক দিয়েছে। তালাকের পর থেকেই ওর মাথা খারাপ হয়ে গেছে। ক্ষতি করার জন্য সে আমার পরিবারের পেছনে লেগেছে। ’দিলদার আহমেদের এমন মন্তব্যের বিষয়ে তার সাবেক পূত্রবধু ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা বলেন, ‘দিলদার আহমেদ সেলিম একটা প্রথম সারির লম্পট। এখন তার ৫৪ বছর বয়স। কিন্তু নারী লিপ্সা থেকে তিনি পিছু হটছেন না। এক প্রশ্নের উত্তরে পিয়াসা বলেন, মূলত তার লাম্পট্যের কারণেই সাফাত নষ্ট হয়েছে। বাপ হয়ে ছেলের চরিত্র নষ্ট করেছেন তিনি। ’পিয়াসা বলেন, ‘কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করলেই আপনারা বুঝতে পারবেন দিলদার আসলে কেমন চরিত্রের মানুষ। ’ তিনি জানান, ‘আমি তখন ওই বাড়ির বউ। একদিন ফোন এলো সাফাতের বাবাকে গুলশানের একটি পাঁচতারকা হোটেলের কর্মচারীরা মারধর করছে। একথা শুনে সাফাত হোটেলে যায়। গিয়ে দেখে ঘটনা ভিন্ন। মদপান করে মাতাল অবস্থায় এক নারীকে তুলে নিতে চাইছিলেন সেলিম। এ নিয়ে হোটেল কর্মচারীদের সঙ্গে তার তুমুল বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে হোটেলে আটকে রাখে। পরে সাফাত ক্ষমা চেয়ে তার বাবাকে ছাড়িয়ে আনে। ’দিলদার হোসেনের বন্ধু-বান্ধবদের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আপন জুয়েলাসের এক কর্মকর্তা বলেন, সেলিমের সার্বক্ষণিক সঙ্গী হলেন ডা. দৌলা ও জনৈক রাজনৈতিক নেতা। এদের মধ্যে ডা. দৌলা যুবলীগ নেতা মিল্কী হত্যা মামলায় গ্রেফতার হন। পরে সেলিমই প্রচুর টাকা-পয়সা খরচ করে তার জামিনের ব্যবস্থা করেন। আর রাজনৈতিক দলের জনৈক নেতা একাধিক হত্যা মামলার আসামি। অভিযোগ আছে, তাকে নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত পাঁচতারকা হোটেলে মদপান করেন তিনি।দিলদার আহমেদ সেলিমের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলেন, এমনিতে তার আর কোনো দোষ নেই। তবে মদ ও নারী ছাড়া সেলিমের চলে না। সন্ধ্যার পর গুলশানের কোনো না কোনো বারে তাকে পাওয়া যাবেই। তবে নির্ধারিত একটি হোটেলের বারে নিয়মিত মদপান করেন তিনি। একদিন মাতাল হয়ে বারের এক ক্যাবারে ড্যান্সারকে তার ভালো লেগে যায়। এ নিয়ে হোটেলে লঙ্কাকাণ্ড ঘটে।ঢাকার অভিজাত হোটেলে ডিজে পার্টির এক আয়োজক বলেন, ‘সেলিমের নারী বন্ধু’র তালিকা অনেক বড়। উনার যে কতগুলো গার্লফ্রেন্ড আছে তা গুনে শেষ করা যাবে না। পার্টিতে এলেই তিনি সুন্দরী মেয়ে খুঁজতেন। ’ এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেল কর্মকর্তা শাহরিয়ার শেখের সঙ্গে সেলিমের দহরম-মহরম। হোটেলে রুম বুক থেকে শুরু করে মদ ও নারী সরবরাহের কাজটা করেন এ শাহরিয়ার।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলেন, দিলদার হোসেন সেলিম শূন্য থেকে কোটিপতি। প্রায় সব সময়ই সে মাতাল অবস্থায় থাকে। এছাড়া তার আশপাশে অপরাধী ও স্মাগলারদের ঘোরাফেরা। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এত টাকা-পয়সা থাকলেও পারিবারিকভাবে সেলিম সাহেব সুখী নন। প্রতিদিন তিনি মাতাল অবস্থায় বাসায় ফেরেন। শুনেছি মাতাল হয়ে স্ত্রী-সন্তানকে গালাগালও করেন। ’সেলিমের পরিবারিক অবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে তার সাবেক পুত্রবধূ ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘তার মাতলামির কথা বলে শেষ করা যাবে না। এসব কারণে বড় ছেলে তো নষ্ট হয়েছেই, এখন ছোট ছেলে ইফাতও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ছেলের বন্ধু হলেও নাঈমকে (দুই নম্বর আসামি নাঈম আশরাফ ওরফে হালিম) দিয়ে তিনি শোবিজের উঠতি মডেলদের ভাড়া করতেন। অনেক মডেলকে নিয়ে তিনি থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরেও গেছেন। বাবাকে দেখে তার ছেলেও এসবই শিখেছে। সাফাতও আপন জুয়েলার্সের মডেলদের নিয়ে বিদেশে যাওয়া শুরু করেছে। কিছুদিন আগে সে একজন আলোচিত মডেল নিয়ে ভারতে যায়। ওই মডেলের সঙ্গে সাফাতের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেছে। ’

দেখুন | পৃথিবীর সবচেয়ে আজব শিশু যার মস্তিষ্ক নাকের ডগায় (ভিডিও সহ)

দেখুন | পৃথিবীর সবচেয়ে আজব শিশু যার মস্তিষ্ক নাকের ডগায় (ভিডিও সহ)

২১ মাসের ওলি ট্রেজাইস৷ শরীরের গড়ন অন্য পাঁচটি সমবয়সি বাচ্চার মতো হলেও, নাকটি প্রয়োজনের তুলনায় অস্বাভাবিক বড়৷ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সম অনুপাতে বেড়ে চলেছে পুঁচকে ওলির নাকও! অথচ ‘পিনাচ্চিও’র মতো মিথ্যে কথা তো দূর কি বাত, এখনও ঠিক করে কথাই বলতে শেখেনি ওলি! ওলি তখনও মায়ের পেটে বয়স ২০ সপ্তাহ৷ স্ক্যানে ধরা পড়ে, অতিরিক্ত চামড়া তৈরি হচেছ তার মুখের কোনও এক অংশে, যা খানিক ‘অস্বাভাবিক’ বলে জানানো হয় তার মা অ্যামিকে৷ জন্মানোর পর কুৎসিত ওলিকে দেখে রীতিমতো ঘেন্না হত পরিচিতদের৷ এরকম বীভৎস দেখতে একটা বাচ্চাকে জন্ম দেওয়াই উচিত হয়নি বলে কানাঘুষোও শুনতে হয়েছিল অ্যামিকে৷ অ্যামির পূর্বজন্মের অভিশাপ বলেও বলে বর্ণিত হত ওলির জন্ম৷ এছাড়াও ছুটে এসেছিল আরও অগুনতি ব্যঙ্গবাণ৷ ভেঙে পড়লেও বিশ্বাস হারাননি তিনি৷ ছুটে যান চিকিৎসকদের দরজায় দরজায়৷ এরপর অন্য এক এমআরআই স্ক্যানে জানা যায়, ওলির মস্তিষ্কটি খুলির একটি ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে এসে জমা হয়েছে তার নাকের ডগায় ৷ বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় এই ঘটনাটি পরিচিত ‘এনসেফেলোসিলি’ নামে৷ মস্তিষ্কের এই অদ্ভুত অবস্থানের জন্য প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা হত ওলির৷ অথচ প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়াটি ছিল বাঁচা-মরার ঝুঁকিকিপূর্ণ৷ ঝুঁকি নিয়েছিলেন ওলির মা, বোধহয় ছোট্ট ওলির হাসি মুখের উপর ভরসা করেই৷ ন’মাস বয়সে এক কঠিন সার্জারির পর অবশেষে ছোট্ট ওলির মস্তিষ্কটি স্থাপন করা হয় যথাস্থানে৷ জিত হয় খুদে আঙুলের বজ্রমুষ্টির৷ অ্যামি এখন ‘এনসেফেলোসিলি’ আক্রান্ত শিশু এবং তাদের পরিবারের মধ্যে সচেতনতা প্রচারে ব্যস্ত৷ জানাতে ব্যস্ত ‘এনসেফেলোসিলি’ কোনও অভিশাপ নয়৷ আর এ কাজে তিনি একা নন, সঙ্গে আছে ছোট্ট ওলির নিজের আত্মবিশ্বাসের যাবতীয় স্ফুরণটুকুও৷

ভিডিওঃ-

সন্তান হচ্ছে না! করণীয় কী? জেনে নিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শগুলো কি কি?

সন্তান হচ্ছে না! করণীয় কী? জেনে নিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শগুলো কি কি?

আমার স্ত্রীর বয়স যখন ১২-১৩ বছর তখন তার অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করা হয়। সে সময় তার জরায়ু নালী কিছুটা কেটে গিয়েছিল। বর্তমানে আল্ট্রাসনোগ্রাম করে কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। কিন্তু এখন আমাদের বাচ্চা হচ্ছে না, কী করতে পারি?

প্রশ্নটি আমাদের ফেসবুক পেজে করেছেন:নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন।
উত্তর
বিশেষজ্ঞের উত্তর: প্রথমেই বলে নিই, জরায়ুর নালী অল্প একটু কেটে গেলেও তা জোড়া লাগানো সম্ভব এবং একপাশের নালী সম্পূর্ণ কেটে গেলেও অপরপাশের ডিম্বাশয় যদি সুস্থ থাকে তাহলে তা দিয়ে গর্ভধারণ সম্ভব। শুধুমাত্র আল্ট্রাসনোগ্রাম স্বাভাবিকতাই পূর্ণ সুস্থতার নিশ্চয়তা নয়, অন্য সমস্যার কারণেও বাচ্চা হতে সমস্যা হতে পারে।

সন্তান হচ্ছে না! করণীয় কী? জেনে নিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শগুলো কি কি?
সন্তান হচ্ছে না! করণীয় কী? জেনে নিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শগুলো কি কি?

যেমন:
১. স্বামীর শুক্রাণুর সমস্যা, স্বামীর শুক্রাণুতে যথেষ্ট পরিমাণ শুক্র না থাকলে এমনটা হতে         পারে।
২. স্বামী বা স্ত্রী কিংবা উভয়ের কোনো রোগ থাকলে।
৩. স্ত্রীর ওজন বেশি হলে, হরমোন কিংবা মাসিকের সমস্যা থাকলে।
৪. স্ত্রী অপুষ্টিতে ভুগলে।
৫. যথাযথ সময়ে যৌনমিলন না হলে।
৬. পূর্বে দীর্ঘমেয়াদী কোনো জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি নিয়ে থাকলে।

এছাড়া আরও অনেক কারণে আপনাদের সন্তান ধারণে সমস্যা হতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয়, আপনারা একজন গাইনী ডাক্তারের কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো করিয়ে নেন এবং সমস্যা আদৌ আছে কি না বা সমস্যা থাকলে কী করণীয় এ বিষয়ে নিশ্চিত হোন। ধন্যবাদ, আপনাদের জন্যে শুভ কামনা।

বাংলাদেশে গরু পাচার বন্ধ করতে ভারতে গরুর জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য আবেদন

বাংলাদেশে গরু পাচার বন্ধ করতে ভারতে গরুর জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য আবেদন
ভারত থেকে বাংলাদেশে গরু পাচার ঠেকাতে নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের মত (আধার কার্ড) গরুকেও পরিচয়পত্র দেয়ার প্রস্তাব সুপ্রিম কোর্টে দিয়েছে দেশটির  কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার বাংলাদেশে গরু পাচার ঠেকাতে অখিল ভারত কৃষি গো সেবা সংঘর এক আবেদনের শুনানির সময় কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রস্তাব করে। 
বাংলাদেশে গরু পাচার বন্ধ করতে ভারতে গরুর জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য আবেদন
বাংলাদেশে গরু পাচার বন্ধ করতে ভারতে গরুর জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য আবেদন
উল্লেখ্য, আধার কার্ড হচ্ছে ১২ ডিজিটের ‘অদ্বিতীয়’ নাম্বার যার মধ্যে নাগরিকের বায়োমেট্রিক ও জনমিতিক তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে। অনেকটা বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো। ভারতজুড়ে গোরক্ষকদের তাণ্ডবের মধ্যেই এই প্রস্তাবের কথা জানালো কেন্দ্রীয় সরকার।
 
অখিল ভারত গো সেবা সংঘ সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা এক পিটিশনে বলে, বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ব্যাপকভাবে গরু পাচার হচ্ছে যার ফলে ভারতে গরুর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এই বিষয়ে শুনানির সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কমিটি প্রস্তাব করে, নাগরিকদের মত গরুরও একটি ‘অদ্বিতীয়’ আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার প্রদান করা উচিত।
 
প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়, গরুর পরিচয়পত্রে বয়স, জাত, লিঙ্গ, উচ্চতা, বর্ণ, শিং, লেজ ও বিশেষ চিহ্নর বর্ণনা থাকবে। ভারতজুড়ে গরুর পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ সীমান্তে গরু পাচার বন্ধে জনগণের সক্রিয় সমর্থন আদায় করা প্রয়োজন। এনডিটিভি ও ইন্ডিয়া টুডে।

আইনস্টাইনের চেয়েও বেশি মেধাবী বাংলাদেশি এক শিশু

আইনস্টাইনের চেয়েও বেশি মেধাবী বাংলাদেশি এক শিশু

বয়স মাত্র তার চার বছর। এ বয়সে অনেক ছেলে-মেয়ে স্কুলেও যায় না। অথচ এই কচি বয়সেই অনেক কঠিন ও জটিল বিষয়ের সমাধান করছে এক বিষ্ময় বালক।

নাম তার “সুবর্ণ”। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি দম্পতি রাশেদুল বারি ও শাহেদা বারির সন্তান সে। সুবর্ণের জন্ম ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল। তার পুরো নাম সুবর্ণ বারি। তার স্বপ্ন ১০ বছর বয়সেই সে হার্ভার্ডে ভর্তি হবে। সে এখন তার বাবার ল্যাবরেটরিতে যাচ্ছে এবং অঙ্কশাস্ত্র ছাড়াও রসায়নের বিভিন্ন বিভাগ সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছে।

তাকে বলা হচ্ছে ভবিষ্যতের আইনস্টাইন। কেননা এ বয়সেই সে ইংরেজি, অ্যালজেবরা, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা ও জ্যামিতিতে সমান পারদর্শী। স্কুলের আঙ্গিনায় পা রাখার আগেই জ্যামিতি, অ্যালজেবরা, রসায়নের জটিল বিষয়ের সহজ সমাধান দিচ্ছে।

সুবর্ণ ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে হইচই ফেলে দিয়েছে।

অক্ষরজ্ঞানের প্রাতিষ্ঠানিক কোনো প্রক্রিয়া অবলম্বন করা ছাড়াই কীভাবে সে ইংরেজি বই অবলীলায় পড়ছে! তাই কৌতূহলের অন্ত নেই বিস্ময়শিশু সুবর্ণকে ঘিরে।

আইনস্টাইনের চেয়েও বেশি মেধাবী বাংলাদেশি এক শিশু
আইনস্টাইনের চেয়েও বেশি মেধাবী বাংলাদেশি এক শিশু

মাত্র দেড় বছর বয়সে রসায়নের পর্যায় সারণি তথা কেমিস্ট্রি পিরিয়ডিক টেবিল (পর্যায় সারনী) মুখস্থ, দুই বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের কলেজে সাক্ষাৎকার, ভয়েস অব আমেরিকাকে সাক্ষাৎকার , তিন বছর বয়সে লেবুর সাহায্যে ব্যাটারি এক্সপেরিমেন্ট এবং সাড়ে তিন বছর বয়সে খ্যাতনামা একটি কলেজের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের আমন্ত্রণ! সত্যি চোখ কপালে ওঠার মতো ব্যাপারই।

অত্যন্ত মেধাবী এই ছেলের প্রতিভা সম্পর্কে বাবা-মা প্রথম বুঝতে পারেন ২০১৩ সালে যখন তার বয়স মাত্র এক বছর। তখন সুবর্ণ নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালের বিছানায় জ্বরে কাতরাচ্ছিল। সেখানে একদিন তার বাবা রাশীদুল বারি তাকে বললেন, ‘আই লাভ ইউ মোর দ্যান এনিথিং ইন দ্য ইউনিভার্স’। সুবর্ণ তখন বলল, ‘ইউনিভার্স অর মাল্টিভার্স?’ এতে চমকে গেলেন কলেজ শিক্ষক রাশীদুল বারি। কিন্তু তখনো তিনি জানতেন না এই সুবর্ণ তিন বছর বয়সে অঙ্ক, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে দক্ষতা দেখিয়ে সাড়া ফেলবে।

এর কয়েকমাস পর একদিন সুবর্ণকে তার মা অঙ্ক শেখাচ্ছিলেন। হঠাৎ সুবর্ণ তার মাকে বলল, “If 1 + 1 = 2, then n + n must be 2n; if 2 x 2 = 4, then n x n must be …”

রাশীদুল বারি বলেন, স্ত্রীর কাছ থেকে এ কথা শুনে বিষয়ে অভিভূত হয়ে পড়েন তিনি। আনন্দে তার চোখে জল এসে যায়। স্ত্রী জানতে চাইলেন, কাঁদছ কেন ? দেড় বছরের ছেলের অঙ্কশাস্ত্র প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে রাশীদুল তাকে অ্যাডভান্সড ম্যাথ অ্যান্ড সায়েন্সের পাঠ দেওয়া শুরু করেন। আর এভাবেই মাত্র দুই বছর বয়সে সুবর্ণ রসায়নের পিরিয়ডিক টেবিল মুখস্থ করে ফেলে।

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে ডিমের খোসার ব্যাবহার

কোনকিছুই এখন ফেলে দেওয়া উচিত না।আমরা ডিমের খোসা সচরাচর ফেলে দেই, কিন্তু আমরা ডিমের খোসা দিয়ে আমাদের কাজে লাগাতে পারি। ডিমের খোসাকে কাজে লাগিয়ে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা সম্ভব। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে, ডিমের খোসায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা স্কিনকে তরতাজা এবং প্রাণবন্ত করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডিমের খোসায় রয়েছে কিছু প্রাকৃতিক অ্যাসিড, যা ত্বককে পরিষ্কার করে তার ঔজ্জ্বল্য় বৃদ্ধি করে। তাই এবার থেকে ডিম খাওয়ার পর আর খোসাটা ফেলবেন না। বরং সেগুলি কাজে লাগিয়ে হয়ে উঠবেন অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী। আর কী কী ভাবে ডিমের খোসা সাহায্য করতে পারে? চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে।

ত্বকের উজ্জলতা  বৃদ্ধিতে ডিমের খোসার ব্যাবহার
ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে ডিমের খোসার ব্যাবহার

১. ত্বকের ছিদ্রগুলিকে পরিষ্কার করে:

পরিমাণ মতো ডিমের খোসা নিয়ে প্রথমে সেগুলিকে গুঁড়ো করে পাউডার বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেই পাউডারের সঙ্গে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর সেই পেস্টটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, এই মিশ্রনটি ত্বকের ছিদ্রতে জমে থাকা ময়লা টেনে বার করে আনে। ফলে স্কিন উজ্জ্বল এবং সুন্দর হয়ে ওঠে।

২. ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে:

ডিমের খোসায় মজুত থাকে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন এবং ভিটামিন, যা বলিরেখা কমানোর সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের বয়স কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে কীভাবে ব্যবহার করতে হবে ডিমের খোসাকে? ২ চামচ ডিমের খোসার পাউজার নিন। তারপর তাতে একে একে মধু এবং ময়দা মিশিয়ে সেই মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে কম করে ১৫ মিনিট রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে মুখটা ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ২-৩ বার এই ফেস প্যাকটি মুখে লাগালে অল্প দিনেই সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

৩. ত্বকের বয়স কমায়:

বয়স ৩০ পেরতে না পেরতেই ত্বকের উপর বয়সের ছাপ পরতে শুরু করে দেয়। তাই তো এই সময় ডিমের খোসাকে আরও বেশি করে কাজে লাগানো উচিত। এমনটা করলে ত্বক টানটান হয়, সেই সঙ্গে স্কিনের বয়সও কমতে শুরু করে। এক্ষেত্রে ৩-৪ চামচ ডিমের খোসার গুঁড়ো নিয়ে তার সঙ্গে পরিমাণ মতো দই এবং কয়েক চিমটে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে একটা ফেস প্যাক বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, এই পেস্টটি বলিরেখা কমিয়ে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে দারুন কাজে আসে।

৪. ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখে:

আপনি কি শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে আজ থেকেই কাজে লাগাতে শুরু করুন ডিমের খোসাকে। কারণ এতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করে। ২-৪ চামচ ডিমের খোসার পাউডার নিয়ে তার সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মেশান। ভাল করে দুটি উপকরণ মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। সেটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ মাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, এই ফেস মাস্কটি প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে মুখে লাগালে ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকে। ফলে চামড়া কুঁচকে গিয়ে সৌন্দর্য কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

৫. ত্বকের প্রদাহ কমায়:

নানা কারণে ফুসকুরি এবং ত্বকের প্রদাহ তো লেগেই থাকে। এই ধরনের সমস্যার সমাধানে ডিমের খোসা দারুন কাজে আসতে পারে। কীভাবে? ১ কাপ অ্যাপেল সিডার ভিনিগারের সঙ্গে ডিমের খোসা মিশিয়ে নিন। মিশ্রনটি কম করে ১০ মিনিট রেখে দিয়ে মুখে লাগান। দেখবেন প্রদাহ তো কমবেই, সেই সঙ্গে ত্বকের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটবে।

৬. ত্বককে আরও চকচকে করে তোলে:

অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে পরিমাণ মতো ডিমের খোসার পাউডার মিশিয়ে সেই মিশ্রনটি মুখে লাগালে অল্প দিনেই ত্বক আরও চকচকে এবং উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। তবে দিনে দুবার এই ফেস প্যাকটি মুখে লাগাতে হবে। তবেই উপকার পাবেন।

৭. ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে:

ডিমের খোসার পাউডার দিয়ে বানানো ফেস মাস্ক ত্বককে পরিষ্কার করার পাশপাশি, সার্বিকভাবে ত্বককে সুন্দর এবং নরম রাখতে সাহায্য করে। তাই তো গবেষণা পত্রটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে এটির ব্যবহার এতে চোখে পরার মতো বেড়েছে।

৮. ত্বককে দীর্ঘ সময় তরতাজা রাখে:

একদিকে পরিবেশ দূষণ তো অন্য দিকে আমাদের অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, নানা কারণে অল্প বয়সেই ত্বক সৌন্দর্য হারাতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখায় ভরে গিয়ে ত্বকের বয়সও যায় বেড়ে! তাই তো সময় থাকতে থাকতে ডিমের খোসার সাহায্য ত্বকের পরিচর্যা করুন। দেখবেন ভাল ফল পাবেন। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো ডিমের খোসার পাউডারের সঙ্গে অল্প করে লেবুর রস এবং চারকোল পাউডার মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেই মিশ্রনটি ৩০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, এই ফেস মাস্কটি বানাতে যে যে উপকরণগুলি ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে রয়েছে ব্লিচিং প্রপাটিজ। তাই তো এই পেস্টটি মুখে লাগালে ত্বক এত প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।