আর্মি পুলিশের মজার জোকস

মরুভূমিতে এক গাধা আর এক হাবিলদারের মধ্যে দেখা হলো। গাধা জিজ্ঞেস করল, “তুই কে রে??”হাবিলদার এদিক ওদিক তাকিয়ে আশপাশে কেউ নেই দেখে গর্বের… সঙ্গে বলল, “আমি মেজর জেনারেল!! তুই কে??” গাধা Continue reading “আর্মি পুলিশের মজার জোকস”

বোকা লোকের মজার জকস : জোকস মিস তো আজকের দিনের মজায় মিস

সকালে এক বোকা ব্যাক্তি পার্কে জগিং করতে বের হয়েছেন। এমন সময় একজন ভদ্রলোকের সাথে ধাক্কা খান।
ভদ্রলোক তাকে বলে, “এই ইডিয়েট Continue reading “বোকা লোকের মজার জকস : জোকস মিস তো আজকের দিনের মজায় মিস”

গুরু-শিষ্য মজার কাহিনী

এক গুরু তার শিষ্যকে নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে এমন এক দেশে এসে পৌঁছাল যেখানে দুধ ঘি ঘোল পানি সব একই দামে বিক্রি হচ্ছে।
শিষ্য তার গুরুকে প্রস্তাব Continue reading “গুরু-শিষ্য মজার কাহিনী”

বল্টুর মজার জোকস পর্ব ১৩

বল্টু এক অফিসের ম্যানেজার
পদে চাকরি পেল।
তো, বল্টু চাকরিতে জয়েন করার পরই
কর্মচারীরা সময়মতো অফিসে আসা শূরু
করল।
কেউ লেট করেনা।
তাই দেখে অফিসের এম.ডি. একদিন
বল্টুকে বললঃ ঘটনা কি? আগে তো কেউ
সময়মতো অফিসে আসতোনা।
আপনাকে ম্যানেজার করার পর থেকেই
সবাই টাইমের
আগেই চলে আসে!
আপনি কি জাদু জানেন নাকি ??
বল্টুঃ না স্যার, জাদু-টাদু কিছুনা।
আমি অফিস থেকে একটা চেয়ার
সরিয়ে ফেলেছি।
যে সবার পরে আসবে, তাকে দাঁড়িয়ে কাজ
করতে হবে !!
তাই সবাই টাইমের আগেই চলে আসে !!!
jokes 2
“আজ বলটুর
গার্লফ্রেন্ডের মন
ভালো নেই, বল্টু তাকে
হাসানোর জন্য ১টা
গল্প বলতে শুরু
করল…..”
একটা মেয়ে কলেজ
থেকে বাড়ি ফিরছিলো
:
:
:
মেয়েটির পেটে খুব
গ্যাস ছিলো । যখন
তখন
গ্যাস বেরিয়ে যেতে
পারে। আর এ দিকে বাস
ভর্তি লোক। মেয়েটি
খেয়াল করলো বাসে
গান
বাজছে।খুব জোরে
জোরে গান বাজছে।
মেয়েটির
মাথায়
একটা বুদ্ধি এলো। যখন
গান বাজছে মেয়েটি
গানের তালে তালে
গ্যাস ছাড়ছে । যাতে
কেউ
বুঝতে না পারে।
গানের তালে তালে
পুইইইইই…পুউউইইই
করে গ্যাস ছাড়ছে
একসময় মেয়েটার
স্টপেজ এসে যায়।বাস
থেকে নামতে নামতে
খেয়াল করলো সবাই
তার দিকে কেমন
জানি রাগ
নিয়ে তাকিয়ে
আছে। কয়েকটা
ছেলেমেয়ে তার দিকে
তাকিয়ে মুচকি মুচকি
হাসছে।
তাহলে কি সবাই জেনে
গেলো সেইই গ্যাস
ছেড়েছে??
:
:
:
হঠাৎ মনে পড়লো গান
তো বাজছিলো, তবে
সেটা বাসে নয়!.
মেয়েটার হেডফোনে!!!!
বল্টু কি হাসাতে
পেরেছে?

jokes 3
শ্বশুর মশাই, তার হবু জামাইকে বলছেন ,
“বাবা … বিয়েতে তুমি কী কী উপহার
চাও?”
জামাই পটলাঃ কি আর চাইব, বাবা,
আপনার মেয়ে নিজেই লক্ষী…!
আমি শুধু “টর” চাই…!
শ্বশুর : খুব অবাক হয়ে বললেন…
“টর” জিনিসটা কি বাবা?
পটলাঃ যেমন ধরুন… “রেফ্রিজারে টর”,
“জেনারে টর” , “স্কু টর”, যেকোন ধরনের
“মো টর”, “কমপিউ টর”
শ্বশুরঃ (মজা করে) আমিও তোমায়
পড়াতে জানি “সোয়ে টর”, তারপর
তোমার হাতে তুলে দেব আমার “ড টর”,
তার হাতে থাকবে একটা “হান্ টর”, যে
তোমায় দিয়ে রান্না করাবে “ম টর
টমা টর”, রান্না খারাপ হলে গায়ে
ঢালবে “ওয়া টর”, তখন তোমায় দেখতে
লাগবে
“বে টর”, কি বুঝলে “মিস টর”…??!!
এই শুনে পটলা এমন পালালো, ঠিক
যেন… ” হেলিকপ্ টর।

এক সুন্দরী তরুণীর মজার জোকস

এক সুন্দরী তরুণী পঞ্চাশ তলা উঁচু এক ভবনের ছাদে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গেল।

পড়তে পড়তে দশ তলা পার হয়ে সে যখন ঠিক চল্লিশ তলা পর্যন্ত আসল তখন এক বৃটিশ ভদ্রলোক বারান্দা থেকে হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেলল। এভাবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় মেয়েটি খুশিতে আত্মহারা হয়ে অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করেই বাংলা সিনেমার ডায়লগের মতো গড় গড় করে বলল

: আপনি আমার জীবন বাঁচিয়েছেন; কাজেই আমি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনার ঋণ শোধ করার জন্য আপনি যা চাইবেন আমি তাই দিব। বলুন আপনি কি চান?

বৃটিশ দেখল এ যেন না চাইতেই একেবারে মধু। কাজেই সে সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে বলল,

: আমি বেশি কিছু চাই না – শুধু তোমাকে চাই। এক সুন্দরী তরুণী পঞ্চাশ তলা উঁচু এক ভবনের ছাদে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গেল।

পড়তে পড়তে দশ তলা পার হয়ে সে যখন ঠিক চল্লিশ তলা পর্যন্ত আসল তখন এক বৃটিশ ভদ্রলোক বারান্দা থেকে হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেলল। এভাবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় মেয়েটি খুশিতে আত্মহারা হয়ে অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করেই বাংলা সিনেমার ডায়লগের মতো গড় গড় করে বলল

: আপনি আমার জীবন বাঁচিয়েছেন; কাজেই আমি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনার ঋণ শোধ করার জন্য আপনি যা চাইবেন আমি তাই দিব। বলুন আপনি কি চান?

বৃটিশ দেখল এ যেন না চাইতেই একেবারে মধু। কাজেই সে সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে বলল,

: আমি বেশি কিছু চাই না – শুধু তোমাকে চাই। তোমার এই সুন্দর শরীরটা চাই।

বৃটিশের এ অন্যায় আবদার শুনে বিন্দুমাত্র চিন্তা-ভাবনা না করে তরুণী বলল

: শয়তান, ইতর, বদমাশ, জানোয়ার! ভেবেছিস এত সহজ? আমার জীবন বাঁচিয়ে এখন তার বিনিময়ে এই চাইছিস? দরকার নেই আমার এ জীবনের। তোর মতো পাপিষ্ঠের সাথে বিছানায় যাওয়ার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো। ছেড়ে দে আমাকে শয়তান। ছেড়ে দে …

কাজেই বৃটিশ লোকটা তাকে ছেড়ে দিল এবং সে আবার পড়তে লাগল। পড়তে পড়তে আরো দশ তলা পেরিয়ে সে যখন ত্রিশ তলা পর্যন্ত এল তখন এক আমেরিকান ভদ্রলোক হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেলল। আগেরবারের ঘটনা থেকে তরুণীর যথেষ্ট শিক্ষা হয়েছে। কাজেই সে বেশি কিছু না বলে আমেরিকানকে শুধু তার জীবন বাঁচানোর জন্য একটা ধন্যবাদ দিল। কিন্তু আমেরিকানটা বৃটিশটার চেয়েও এক ডিগ্রী বেশি অসভ্য। সে নিজে থেকেই বলল,

: দেখ মেয়ে আমি এখনও তোমাকে বারান্দা থেকে সরিয়ে নেই নি। তুমি যদি আমার সাথে বিছানায় যেতে রাজি থাক, তাহলেই কেবল তোমাকে আমি সরিয়ে নিব। নইলে কিন্তু দিলাম ছেড়ে।

আমেরিকানের কথা শেষ হওয়ার আগেই তরুণী বলল,

: পেয়েছিস কি তোরা? মেয়ে দেখলেই ভোগ করতে ইচ্ছে করে? দরকার নেই তোর দয়ার। ছেড়ে দে আমাকে। তোর হাতে যাওয়ার চেয়ে মাটিতে পড়ে মরাও অনেক ভালো। ছেড়ে দে বদমাইশ লোফার..

কাজেই আমেরিকান লোকটাও তাকে ছেড়ে দিল এবং সে আবার পড়তে লাগল।

পড়তে পড়তে তরুণীটি আরো দশতলা পেরিয়ে গেল কিন্তু এবার আর কেউ তাকে হাত বাড়িয়ে ধরল না। এই সময় তার একটু আফসোস হতে লাগল। তার মনে হল, ঐ দুজনের কথামতো তাদের সাথে বিছানায় গেলে কি এমন ক্ষতি হতো! অন্তত মারা যাওয়ার চেয়ে সেটাতো খারাপ হতো না! ইস, কেন যে সে ওদের কথায় রাজি হল না! তা হলে তো আর জীবনের আনন্দগুলো উপভোগ করার আগেই বিদায় নিতে হতো না হায় আর কেউ কি নেই তাকে বাঁচানোর? বিনিময়ে সে এবার সব দিতে রাজি আছে

এসব ভাবতে ভাবতে সে যখন আরো দশতলা অর্থাৎ মোট চল্লিশ তলা পেরিয়ে ঠিক দশতলা উচুঁতে আসল, ঠিক তখন এক আরবীয় তাকে হাত বাড়িয়ে ধরে ফেললেন। মেয়েটি এবার খুশিতে গদগদ হয়ে বলল

: আপনি আমার জীবন বাঁচিয়েছেন! চলুন আমি আপনার সাথে বিছানায় যাব

মেয়েটির মুখে এরকম নির্লজ্জ কথা শুনে আরবীয় হতভম্ব হয়ে গেলেন। নিজের অজান্তেই “আসতাগফিরুল্লাহ” শব্দটা উচ্চারণ করে তিনি মেয়েটিকে হাত থেকে ছেড়ে দিলেন

বৃটিশের এ অন্যায় আবদার শুনে বিন্দুমাত্র চিন্তা-ভাবনা না করে তরুণী বলল

: শয়তান, ইতর, বদমাশ, জানোয়ার! ভেবেছিস এত সহজ? আমার জীবন বাঁচিয়ে এখন তার বিনিময়ে এই চাইছিস? দরকার নেই আমার এ জীবনের। তোর মতো পাপিষ্ঠের সাথে বিছানায় যাওয়ার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো। ছেড়ে দে আমাকে শয়তান। ছেড়ে দে …

কাজেই বৃটিশ লোকটা তাকে ছেড়ে দিল এবং সে আবার পড়তে লাগল। পড়তে পড়তে আরো দশ তলা পেরিয়ে সে যখন ত্রিশ তলা পর্যন্ত এল তখন এক আমেরিকান ভদ্রলোক হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেলল। আগেরবারের ঘটনা থেকে তরুণীর যথেষ্ট শিক্ষা হয়েছে। কাজেই সে বেশি কিছু না বলে আমেরিকানকে শুধু তার জীবন বাঁচানোর জন্য একটা ধন্যবাদ দিল। কিন্তু আমেরিকানটা বৃটিশটার চেয়েও এক ডিগ্রী বেশি অসভ্য। সে নিজে থেকেই বলল,

: দেখ মেয়ে আমি এখনও তোমাকে বারান্দা থেকে সরিয়ে নেই নি। তুমি যদি আমার সাথে বিছানায় যেতে রাজি থাক, তাহলেই কেবল তোমাকে আমি সরিয়ে নিব। নইলে কিন্তু দিলাম ছেড়ে।

আমেরিকানের কথা শেষ হওয়ার আগেই তরুণী বলল,

: পেয়েছিস কি তোরা? মেয়ে দেখলেই ভোগ করতে ইচ্ছে করে? দরকার নেই তোর দয়ার। ছেড়ে দে আমাকে। তোর হাতে যাওয়ার চেয়ে মাটিতে পড়ে মরাও অনেক ভালো। ছেড়ে দে বদমাইশ লোফার..

কাজেই আমেরিকান লোকটাও তাকে ছেড়ে দিল এবং সে আবার পড়তে লাগল।

পড়তে পড়তে তরুণীটি আরো দশতলা পেরিয়ে গেল কিন্তু এবার আর কেউ তাকে হাত বাড়িয়ে ধরল না। এই সময় তার একটু আফসোস হতে লাগল। তার মনে হল, ঐ দুজনের কথামতো তাদের সাথে বিছানায় গেলে কি এমন ক্ষতি হতো! অন্তত মারা যাওয়ার চেয়ে সেটাতো খারাপ হতো না! ইস, কেন যে সে ওদের কথায় রাজি হল না! তা হলে তো আর জীবনের আনন্দগুলো উপভোগ করার আগেই বিদায় নিতে হতো না হায় আর কেউ কি নেই তাকে বাঁচানোর? বিনিময়ে সে এবার সব দিতে রাজি আছে

এসব ভাবতে ভাবতে সে যখন আরো দশতলা অর্থাৎ মোট চল্লিশ তলা পেরিয়ে ঠিক দশতলা উচুঁতে আসল, ঠিক তখন এক আরবীয় তাকে হাত বাড়িয়ে ধরে ফেললেন। মেয়েটি এবার খুশিতে গদগদ হয়ে বলল

: আপনি আমার জীবন বাঁচিয়েছেন! চলুন আমি আপনার সাথে বিছানায় যাব
মেয়েটির মুখে এরকম নির্লজ্জ কথা শুনে আরবীয় হতভম্ব হয়ে গেলেন। নিজের অজান্তেই “আসতাগফিরুল্লাহ” শব্দটা উচ্চারণ করে তিনি মেয়েটিকে হাত থেকে ছেড়ে দিলেন

স্বামী স্ত্রীর চরম মজার জোকস

সাইফ: তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস? রিয়াজ: হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে। সাইফ: বলিস কী! তারপর? রিয়াজ: তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।

…………….
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কয়েক দিন ধরে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলেন না। আর যতটুকু বলা প্রয়োজন, তা ইশারায় জানিয়ে দেন। স্বামী দেখলেন, পরের দিন ভোরে তাঁর ফ্লাইট। তাঁকে উঠতে হবে ভোর পাঁচটায়। কিন্তু স্ত্রী যদি জাগিয়ে না দেন, তবে কিছুতেই ভোরবেলায় তাঁর ঘুম ভাঙবে না। কিন্তু তাঁরা কথাও তো বলেন না। কী আর করা! স্বামী একটা কাগজে লিখে দিলেন, ‘দয়া করে ভোর পাঁচটায় আমাকে জাগিয়ে দেবে।’ কাগজটি টেবিলের ওপর রেখে দিলেন, যাতে স্ত্রী দেখতে পান। কিন্তু পরের দিন যখন তাঁর ঘুম ভাঙল, তখন সকাল নয়টা বেজে গেছে এবং বিমানও তাঁকে ছেড়ে চলে গেছে। তিনি রেগে টং হয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তাঁকে জাগানো হলো না। এদিকে স্ত্রীও সমান তেড়িয়া, ‘এত রাগছ কেন? আমি তো তোমার ওই কাগজটিতে লিখে রেখেছি যে এখন ভোর পাঁচটা বাজে, ঘুম থেকে ওঠো। কিন্তু তুমি তো টেরই পেলে না। আমার কী দোষ?’
…………….
স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন— স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন। আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের? স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না। আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।

……………
নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে। স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে? স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।
……………