ব্রেকিং নিউজ: প্রখ্যাত বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী এই মাত্র মারা গেলেন

সিনেমা দেখেছি , কিন্তু শ্রী দেবীর সিনেমা দেখিনি এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল , যদিও তিনি ছিলেন সেকালের অভিনেত্রী। বাবা মার কাছে তার নাম যত বার শুনেছি অন্য কোনো নায়ক নায়িকার নাম তার অর্ধেক ও শুনি নাই। Continue reading “ব্রেকিং নিউজ: প্রখ্যাত বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী এই মাত্র মারা গেলেন”

দাজ্জাল মারা যাওয়ার পরে পৃথিবীর অবস্থা কেমন হবে, কতদিন পরে পৃথিবী ধ্বংশ হবে !

দাজ্জাল মারা যাওয়ার পরে পৃথিবীর অবস্থা কেমন হবে, কতদিন পরে পৃথিবী ধ্বংশ হবে !

আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে দাজ্জালের আভির্ভাব হবে। সে চল্লিশ-আমি জানি না চল্লিশ দিবস, না মাস, না বছর-অবস্থান করবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালাম কে পাঠাবেন।

তাকে দেখতে উরওয়া ইবনে মাসউদের মত মনে হবে। তিনি দাজ্জাল-কে খোজ করবেন ও হত্যা করবেন।

এরপর মানুষ সাত বছর এমনভাবে কাটাবে যে দুজন মানুষের মধ্যে কোন শত্রুতা থাকবে না। এরপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন উত্তর দিক থেকে হিমেল বায়ু প্রেরণ করবেন। যাদের অন্তরে অনু পরিমাণ ঈমান রয়েছে তারা সকলে এতে মৃত্যু বরণ করবে। ঈমানদার ও ভাল মানুষের কেহ বেঁচে থাকবে না। যদি তোমাদের কেহ পাহাড়ের সুরক্ষিত গুহায় প্রবেশ করে তাকেও এ বাতাস পেয়ে বসবে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আরো শুনেছি যে, দুরাচারী মানুষগুলো অবশিষ্ট থাকবে পাখির মত দ্রুত আর বাঘের মত হিংস্র। তারা ভালকে ভাল হিসাবে জানবে না আর মন্দ-কে মন্দ মনে করবে না। শয়তান মানুষের আকৃতিতে তাদের কাছে এসে বলবে তোমরা ভাল কাজে সাড়া কেন দাও না? তারা বলবে তুমি আমাদের কী করতে বলো? সে তাদের মুর্তির উপাসনা করতে আদেশ করবে। তারা সুন্দর জীবনোপকরণ নিয়ে জীবন যাপন করবে। অতঃপর একদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে। (তখন সব কিছু ধ্বংস হয়ে যাবে) এরপর একদিন প্রচন্ড বৃষ্টি বর্ষিত হবে। এ বৃষ্টির কারণে মানুষের দেহগুলো উদ্ভিদের মত উত্থিত হবে। এরপর আবার শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে তখন মানুষেরা দাড়িয়ে যাবে ও এদিক সেদিক তাকাতে থাকবে।

তারপর বলা হবে হে মানব সকল! তোমাদের প্রতিপালকের দিকে আসো। তোমরা দাড়িয়ে যাও, তোমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপর আল্লাহ তাআলা বলবেন, জাহান্নামীদের বের করে আনো। জিজ্ঞাসা করা হবে কত জন থেকে কত জন বের করে আনবো? উত্তর দেয়া হবে, প্রত্যেক হাজার থেকে নয় শত নিরানব্বই জনকে বের করে নাও। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, সেটিই এমন দিন যা শিশুদের বৃদ্ধ করে দেবে। আর এ দিনটিতে আল্লাহ তাআলা নিজ পায়ের গোছা উম্মুক্ত করবেন।

( মুসলিম হাদীস নং ২২৫৮)

গতকাল থেকে ইয়াবা সেবনের পরপরই ইয়াবা সেবনকারি মারা যাচ্ছে।(বিস্তারিত ভিডিওতে)

মায়ানমার আর্মি নাকি এক প্রকার বিষ দিয়ে ইয়াবা বানিয়ে বাজারে ছাড়ছে। রোহিংগাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছে। এজন্য মায়ানমার সরকার ইয়াবার সাথে বিষ মিশিয়ে বাংলাদেশের বাজারে ছেড়েছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী নিরীহ জনগণদের বাঁচাতে হাজার কোটি টাকার ইয়াবা নষ্ট করে ফেলছে ।

বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান সংস্থার তথ্য মতে, নাখালপাড়াতে ইয়াবা খেয়ে একটা মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটছে এই সপ্তাহে। আর গতকাল ৪/৫ জন ইয়াবা খাওয়ার পরে প্রেশার অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। ইমিডিয়েট হসপিটালাইজ করতে হয়েছে।
মেরুল বাড্ডাতে এ পর্যন্ত দু জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এবং ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের মুখ দিয়ে লালচে লালা বের হচ্ছে !! মারা যেতে পারে যে কোন মুহূর্তে।
দয়া করে এই খবরটি কপি-পেস্ট করে ছড়িয়ে দিন। ইয়াবা সেবনকারীরা এদেশেরই নাগরিক। কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেটে প্রাণঘাতী উপাদান মেশাচ্ছে মায়ানমার। এই নতুন ইয়াবা সেবনের ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই মানুষের সেরিব্রাল এটাক হয় এবং মাথার রক্তনালী ফেটে গিয়ে তাৎক্ষনিক মৃত্যু হয়। জীবন বাঁচাতে ইয়াবা সেবন থেকে নিবৃত করুন।
মানবসেবায়ঃ বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান

অবশেষে মারা গেল ‘ভিনগ্রহী শিশু’

স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বড় মাথা নিয়ে জন্মেছিল শিশুটি। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই ঘটনা খুব বিরল না হলেও সংবাদমাধ্যমে শিশুটির নামই হয়ে গিয়েছিল ‘ভিনগ্রহী শিশু’।

জন্মের পর চিকিৎসকরা বলেছিলেন, শিশুটি বেশিদিন বাঁচবে না। কিন্তু সবাইকে বিস্মিত করে পাঁচ বছর দিব্যি বেঁচেছিল শিশুটি।

অবশেষে স্থানীয় সময় গত শনিবার রুনা বেগম নামের ওই মেয়েশিশুটি মারা গেছে। শ্বাসকষ্টজনিত কারণে শিশুটি মারা যায় বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

শিশুটির মা সংবাদমাধ্যম এএফপিকে বলেন, ‘সে ভালোই ছিল। কিন্তু শনিবার তার শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। আমি আমার স্বামীকে (শিশুটির বাবা) তাকে ঘরে নিয়ে আসতে বলি। সে তাকে ঘরে এনে মুখে পানি দেয়। হাসপাতালে যাওয়ার আগেই মারা যায় সে।’

পাঁচ বছর বয়সী শিশুটি জন্ম থেকেই ‘হাইড্রোসেফালাস’ রোগে ভুগছিল। এ রোগের কারণেই তার মাথার আকার স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বাড়তে থাকে।

এএফপির আলোকচিত্রী ত্রিপুরার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ২০১৩ সালে শিশুটির ছবি তুললে সে আলোচনায় আসে। আর সংবাদমাধ্যমে শিশুটির নাম হয়ে যায় ‘ভিনগ্রহী শিশু’। তবে সেই থেকেই নয়াদিল্লি হাসপাতাল তাকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়ে আসছে।

নয়াদিল্লি হাসপাতালে শিশুটির চিকিৎসক রামসম্পথ ঝা জানান, রুনার মাথার আকার বেড়ে ৯৪ সেন্টিমিটারে (৩৭ ইঞ্চি) পৌঁছেছিল, যা তার মস্তিষ্কের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে। এই বড় মাথার কারণেই শিশুটি হাঁটতে পারত না। ফলে তাকে সব সময় শুয়েই থাকতে হতো।

কয়েকটি অস্ত্রোপচারের পর তার মাথার আকার সর্বশেষ ৫৮ সেন্টিমিটারে পৌঁছেছিল। মারা যাওয়ার একদিন পরই শিশুটির আরেকটি অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

আল্লাহ রিজিকদাতা হলে মানুষ না খেয়ে মারা যায় কেন?

বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবীদ ডা. জাকির নায়েককে প্রশ্ন করা হয়, আল্লাহর ৯৯টি নামের একটি হলো ‘রাজিক’। রাজিক মানে অন্নদাতা। আল্লাহ যদি অন্নদাতা হন তাহলে ইউথুপিয়া ও সোমালিয়ায় মানুষ না খেয়ে মারা যাচ্ছে কেন? উত্তরে ডা. জাকির নায়েক বলেন, কোরআনে বলা হয়েছে আল্লাহ রিজিকদাতা। তিনি রক্ষাকারীও। একই সাথে কোরআনে এ কথাও বলা হয়েছে যে, আমি মানুষকে পরীক্ষা করি সম্পদের অভাব দিয়ে, বিভিন্ন রকম বিপর্যয় দিয়ে। যেমন তিনি আমাদের দুর্ভিক্ষ দিয়ে পরীক্ষা করেন, বন্যা দিয়ে পরীক্ষা করেন। আর এর মাধ্যমে দেখতে চান সত্যিকারের বিশ্বাসী কে? তিনি পরীক্ষা করেন তোমাকে যদি একটু খাবারের কষ্ট দিই, তখনও কি আমাকে বিশ্বাস করবে? তোমাকে যদি দারিদ্রের মধ্যে রাখি, তখনও কি আমাকে বিশ্বাস করবে? সুরা মুলকের ২য় আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘এই পৃথিবীর জীবন পরকালের জন্য পরীক্ষা।’

mr._zakir_naik1আর আল্লাহর পরীক্ষা একেক জনের জন্য একেক রকম হয়ে থাকে। সবার পরীক্ষা একরকম হয় না। আপনি/আমি ভাগ্যবান খাবার পাচ্ছি। কিন্তু আল্লাহ অন্যভাবে আমাদের পরীক্ষা করছেন। সম্পদ দিয়ে তিনি পরীক্ষা করবেন, আপনি তার পথে খরচ করছেন কি না? এমনিভাবে কাউকে সন্তান দিয়ে, কাউকে খাবার দিয়ে, কাউকে স্বামী-স্ত্রী দিয়ে পরীক্ষা করেন। মোটকথা আলাদা আলাদাভাবে সবাইকে পরীক্ষা করেন তিনি। আর পরীক্ষা দিতে বসে নিশ্চয় বলতে পারবেন না ‘সবাইকে একই রকম পরীক্ষা দিতে হবে।’ তবে পরীক্ষা যাই হোক বিচারটা কিন্তু সঠিক হতে হবে। আর আল্লাহ আপনাকে যে পরীক্ষা দিবেন, সে হিসাবেই বিচার করবেন। যেমন ১০০ মিটারের দৌড়ের প্রতিযোগিতায় কেউ যদি খোড়া থাকে তাহলে শুরুতে তাকে ৫০মিটার এগিয়ে রাখা হবে। আর যার কোনো সমস্যা নেই, দুটো পা’ই আছে তাকে প্রথম (১০০মিটার) থেকেই দৌড়াতে হবে। অতএব আল্লাহ আপনাকে যে পরীক্ষা দিবেন, সে অনুযায়ী-ই বিচার করবেন। যদি খাবার দিয়ে করেন, তার ফলাফলও দিবেন।

স্বামী মারা গেলে নারীকে নাকফুল, কানের দুল খুলতেই হবে কি | এ বিষয়ে ইসলাম কি বলে

স্বামী মারা গেলে নারীকে নাকফুল, কানের দুল খুলতেই হবে কি

মহিলাদের স্বামী মারা গেলে নাকফুল, কানের দুল ও হাতের চুড়ি খুলে ফেলার প্রচলন রয়েছে। এলাকাভেদে এটাকে বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। কেউ এসব খুলতে না চাইলে তাকে খুলতে বাধ্য করা হয়। এটা নিয়ে সমাজে এক ধরনের কুসংস্কার চালু আছে।

ইসলামি স্কলারদের মতে, স্বামী মারা গেলে স্ত্রীর জন্য নাকফুল, কানের দুল, হাতের চুড়ি এগুলো খুলে ফেলা বাধ্যতামূলক নয়। স্বামীর মৃত্যুতে স্ত্রীর জন্য পালনীয় বিধান হলো- শুধু ইদ্দত পালন করা।

নারীদের ইদ্দতকালীন সময় চার মাস ১০ দিন। এ সময়ের মধ্যে ওই নারী বিয়ে করতে পারবেন না, বিয়ের প্রস্তাব পর্যন্ত গ্রহণ করতে পারবেন না। বিয়ের প্রস্তাবে যেতেও পারবেন না। এটা ইসলামের বিধান। এই সময়টাতে নারীকে সাজসজ্জা করতে নিষেধ করা হয়েছে। এটা ইদ্দতকালীন সময়। এটা শোকের সময় নয়। ইসলামে শোক পালনের কোনো সুযোগ নেই। শোক পালন ও ইদ্দত পালনের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

স্বামী মারা গেলে নারীকে নাকফুল, কানের দুল খুলতেই হবে কি
স্বামী মারা গেলে নারীকে নাকফুল, কানের দুল খুলতেই হবে কি

এখানে মনে রাখতে হবে, সাজসজ্জা করা এক কথা; আর নাকফুল, কানের দুল যেগুলো পরা আছে কিংবা স্বাভাবিক যে অবস্থায় আছে- সে অবস্থায় থাকা ভিন্ন কথা। যদি কারো স্বাভাবিক অবস্থা এমনটি হয়, তাহলে তিনি এ অবস্থায় থাকতে পারেন, কোনো অসুবিধা নেই।

ইসলামের এই বিধানের পেছনে অনেক যুক্তিসংগত কারণ রয়েছে। এ কারণেই মূলত এ বিধান দেওয়া হয়েছে। ইদ্দত পালনকালে তাই নারী সাজসজ্জা করবেন না। তবে স্বাভাবিক নাকফুল, কানফুল, চুড়ি যেটা আছে, সেগুলো থাকতে পারে। এগুলো যদি কারো থেকে যায়, এতে করে কোনো অসুবিধা নেই। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করার কোনো অবকাশ নেই। এটা নাজায়েজ কিছু নয়। শুধুমাত্র বিশেষ কোনো সাজসজ্জা করা যাবে না।

আরেকটি কথা, মেয়েরা চুড়ি ও নাকফুল না পরলে স্বামীর আয়ু কমে যায় বলে একটি ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার সমাজে চালু আছে। এটা সম্পূর্ণ ইসলাম বিরোধী কথা। ইসলামে এ কথার কোনো ভিত্তি নেই। আল্লাহতায়ালা প্রত্যেক মানুষের জীবনকাল নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। সে সময়ের পূর্বে বা পরে কারো মৃত্যু হবে না। তাই ওই সমস্ত ভ্রান্ত ধারণা পরিত্যাগ করা অপরিহার্য।

মারা যাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন ১৭৯ বছরের বৃদ্ধ (ভিডিও সহ)

মারা যাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন ১৭৯ বছরের বৃদ্ধ (ভিডিও সহ)

তাঁর নাতি-নাতনিরাও কেউ এখন আর বেঁচে নেই। অথচ মৃত্যু তাঁকে স্পর্শ করেনি। আক্ষেপ করে ১৭৯ বছরের বৃদ্ধ বলেন, যমে বোধহয় আমাকে নিতে ভুলে গিয়েছে।’শুধু ভারত কিংবা বিশ্বেরই নয়, সমগ্র মানবজাতিতে ১৭৯ বছরের এই বৃদ্ধই নাকি প্রবীণতম! তাঁর নাম রয়েছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও। মহাস্টা মুরেসির জন্ম ১৮৩৫ সালে, ভারতের বেঙ্গালুরুতে। এমনটাই দাবি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেইলি রিপোর্ট ডট কমের। তবে এ খবরের সত্যতা কতটা, তা তর্কযোগ্য। ওয়েবসাইটির আরও দাবি, মুরেসি নাকি এখন দুঃখ করে বলেন, ‘আমার চোখের সামনে আমার নাতি-নাতনিরা মারা গিয়েছে। কিন্তু আমাকে মৃত্যু গ্রাস করেনি। আমি তাই মরার আশা ছেড়ে দিয়েছি।

ভিডিওঃ-

ফেসবুক লাইভে এসে গায়ে আগুন | অতঃপর মৃত্যু (ভিডিও সহ)

ফেসবুক লাইভে এসে গায়ে আগুন | অতঃপর মৃত্যু (ভিডিও সহ)

ফেসবুক লাইভে এসে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন জারেড ম্যাকলেমোর (৩০) নামের যুক্তরাষ্ট্রের একজন সংগীতশিল্পী। পরে হাসপাতালে মারা যান তিনি। স্থানীয় সময় গত শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। গায়ক  হিসেবে বেশ খ্যাতি কুড়িয়েছিলেন টেনেসি অঙ্গরাজ্যের মেমফিস শহরের বাসিন্দা ম্যাকলেমোর। 

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শনিবার সকালে ম্যাকলেমোর স্থানীয় একটি পানশালায় গাড়ি পার্কিংয়ের স্থানে যান। এরপর নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে ওই পানশালার ভেতরে প্রবেশ করেন। তাঁর এ কাণ্ড দেখে আশপাশের লোকজন আতঙ্কে চিৎকার শুরু করেন। ফেসবুকের লাইভেও একই ঘটনা দেখা যায়। 

জিম ডাকওয়ার্থ নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘কেরোসিনের উৎকট গন্ধে পানশালার কক্ষটি ভরে গিয়েছিল। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী কিম্বার্লি কোহলার বলেন, মনে হচ্ছিল সিনেমা দেখছি। যেন কেউ একজন আগুনের পোশাক পরে দৌড়াচ্ছে। অনেকে ভেবেই নিয়েছিল, তাঁদের সঙ্গে মজা করা হচ্ছে।

সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসার জন্যই ম্যাকলেমোর এমন করেছেন বলে ধারণা করছেন কোহলার। তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরেই ম্যাকলেমোরের সাবেক প্রেমিকার কর্মস্থল। একসঙ্গে থাকাকালীন তাঁদের মধ্যে নাকি মোটেও বনিবনা হতো না।   

আদালত সূত্রে জানা যায়, সাবেক প্রেমিকার ওপর অত্যাচার ও হত্যার হুমকি দেওয়ার কারণে ম্যাকলেমোরকে ২০১৬ সালের আগস্টে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই থেকেই তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। এদিকে, ম্যাকলেমোরকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন আরো এক ব্যক্তি। তবে বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভিডিওঃ-

দেখুন, কুমিল্লায় দাফনের ১৩ বছর পরও অক্ষত হাফেজ মাসুদের লাশ | এলাকায় তোলপাড় (ভিডিও সহ)

দেখুন, কুমিল্লায় দাফনের ১৩ বছর পরও অক্ষত হাফেজ মাসুদের লাশ | এলাকায় তোলপাড় (ভিডিও সহ)

২০০৪ সালে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লায় মারা যান এক কোরআনে হাফেজ। ইসলামী রীতি মেনে দাফনও করা হয় তাকে। কিন্তু দীর্ঘ ১৩ বছর পর অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে সেই হাফেজের মরদেহ। এমনটাই জানিয়েছেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মৈশাতুয়া ইউনিয়নের খানাতুয়া গ্রামের বাসিন্দারা। জানা যায়, ওই কোরআনে হাফেজের নাম মোহাম্মদ মাসুদ, ১৩ বছর বয়সে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তিনি খানাতুয়া গ্রামের মৃত মোখলেছুর রহমানের পাঁচ ছেলের মধ্যে সবার ছোট।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে কোরআনে হাফেজ মোহাম্মদ মাসুদ ১৩ বছর বয়সে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। ওই সময় চারদিকে বন্যার পানি বেশি থাকায় তাকে গ্রামের বিরার পুকুর পাড়ে দাফন করা হয়। দাফনের দীর্ঘ ১৩ বছর পর গত ১৪ মে পুকুর পাড়ের মাটি ভেঙে মাসুদের লাশটি পুকুরে পড়ে যায়।

এ সময় স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে লাশটি পানি থেকে উঠায়। ১৩ বছর পরও কাপনের কাপড় অক্ষত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা বিস্ময় প্রকাশ করেন। পরে এলাকাবাসী পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশটি পুনরায় দাফন করে। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর দূরদূরান্ত থেকে মানুষ মাসুদের কবর দেখতে খানাতুয়া গ্রামে ভিড় করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও লাশের ছবি পোস্ট করে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শাহ্ আলম জানান, আমরা লাশটি পুকুরে পড়ে থাকতে দেখে উঠিয়ে পুনরায় দাফন করি। ১৩ বছর পরও কাপনের কাপড় একেবারে অক্ষত দেখে আমরা অবাক হয়ে যাই। মৈশাতুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। এটি সত্যি একটি অলৌকিক ঘটনা।

এ ব্যাপারে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মজিবুর রহমান জানান, যে পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া থাকার কথা ছিল ওই মাটিতে সম্ভবত তা ছিল না। এমনকি একটি লাশ দাফনের সময় যদি কোন প্রকার অতিরিক্ত মেডিসিন বা কেমিকেল ব্যবহার করে থাকে, তাহলে পোকামাকড় আক্রমণ করতে পারে না। এতে ওই লাশ একশত বছরও অক্ষত থাকা সম্ভব।

ভিডিওঃ-