রাসুল (সাঃ)-এর এই ভবিষ্যতবাণী কি ১০০% মিলে যায় নি?

রাসুল (সাঃ) বলেছেন, সিগ্রই আমার উম্মতের কিছু লোক মূর্তিপূজা করবে এবং কিছু লোক মুরতিপুজারিদের সাথে মিশে যাবে। (সুনান ইবনে মাজাহ- ৩৯৫২) Continue reading “রাসুল (সাঃ)-এর এই ভবিষ্যতবাণী কি ১০০% মিলে যায় নি?”

ভারতে শিক্ষার্থীদের খাবারে পাওয়া গেল সাপ!

ভারতে শিক্ষার্থীদের খাবারে পাওয়া গেল সাপ!

ভারতে শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিলের খাবারের গুণগত মান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ‌এবার মিড ডে মিলে পাওয়া গেল সাপ। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে হরিয়ানার সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে। দিনভর আতঙ্কের পর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। খাবার সরবরাহকারী ইস্কন ফাউন্ডেশনকে অন্য স্কুলেও খাবার পাঠাতে নিষেধ করা হয়েছে বলে খবর।

শুক্রবার ফরিদাবাদের নিউ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপের একটি গার্লস স্কুলের মিড ডে মিলে সাপের বাচ্চা দেখতে পায় শিক্ষার্থীরা। তখনই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। স্কুলে হইচই শুরু হয়। ওই এলাকার বেশ কিছু স্কুলে খাবার সরবরাহ করে ইস্কন ফাউন্ডেশন। এই স্কুলটিতেও খাবার সরবরাহের দায়িত্বে ছিল তারা।

ভারতে শিক্ষার্থীদের খাবারে পাওয়া গেল সাপ!
ভারতে শিক্ষার্থীদের খাবারে পাওয়া গেল সাপ!

খাবারে সাপ পাওয়ার পর তাদের সব স্কুলেই খাবার সরবরাহ করতে নিষেধ করা হয়েছে। খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি।এদিকে ইস্কনের তরফে ভাইস চেয়ারম্যান ধনঞ্জয়কৃষ্ণ দাস জানিয়েছেন, আমাদের খাবার বানানো হয় ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আমাদের রান্নাঘরে মাছি গলারও জো নেই। সেখানে সাপ কীভাবে আসবে।

এই খাবার কয়েকজন ছাত্রী খেয়ে ফেলায় তারা স্কুলের মধ্যেই বমি করতে শুরু করে। সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ব্রজ বালা ঘটনাটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

কত বড় অভিনেতা দেখুন | ভাইপোকে খুন করে ভাইয়ের কাছেই মুক্তিপণ দাবি করলো (ভিডিও)

কত বড় অভিনেতা দেখুন | ভাইপোকে খুন করে ভাইয়ের কাছেই মুক্তিপণ দাবি করলো

ভাইপোকে খুন করে ভাইয়ের কাছে মুক্তিপণ চান চাচা ,নয় বছরের ছেলে মাহিন। রাজধানীর মিরপুর এলাকার একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত। ঘটনার দিন বেলা ১১টার দিকে স্কুল থেকে মায়ের সঙ্গে বাসায় ফিরছিল সে। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ দৌড় দিয়ে তার মাকে পেছনে ফেলে তাদের বাসার গলির মুখে চলে আসে। আগে থেকে সেখানে ওত পেতে থাকা শিশুটির আপন চাচা তাকে অপহরণ করেন। এরপর তাকে সাভারে নিয়ে তিনজন মিলে সেদিন বিকেলে খুন করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। অথচ ওই রাতেই তিনি বড় ভাইয়ের বাসায় (শিশুটির বাবা) এসে শিশুটির জন্য কান্নাকাটির অভিনয় করেন। ভাইকে সঙ্গে নিয়ে যান মিরপুর থানায়। আবার পরদিনই ভাইয়ের কাছে মুক্তিপণ চান পাঁচ লাখ টাকা। তবে নিখোঁজের ২০ দিনের মাথায় মাহিনকে হত্যার অভিযোগে তার চাচা সুজন (২০) ও শহীদুল (২৪) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।পরে হত্যার দায় স্বীকার করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সুজন ও শহিদুল। তদন্ত সূত্রে ও শিশুটির মা-বাবার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে এসব তথ্য।

আদালত সূত্র বলছে, গত ১২ মার্চ রাজধানীর মিরপুরের দক্ষিণ পীরেরবাগ বাগ এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় আলোর পথ নামের একটি স্কুলের ছাত্র মাহিন। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মহিউদ্দিন ১৬ মার্চ মিরপুর থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অপহরণ মামলা করেন। তাতে সুজন কিংবা শহিদুলের নাম ছিল না। রাজু, নেছার ঢালী ও বিউটি বেগমকে আসামি করলে পুলিশ ওই দিন তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। তদন্তের একপর্যায়ে সুজন ও শহীদুলকে গ্রেপ্তার করার পর তাঁদের নিয়ে সাভারের বিসিক শিল্পনগরী এলাকা থেকে ৫ এপ্রিল মাহিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ৬ এপ্রিল হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এই দুই আসামি।

জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মুক্তিপণের জন্য নিজের বড় ভাইয়ের ছেলেকে অপহরণ করেন তার সুজন। পরে শিশুটিকে সাভারের ধলেশ্বরী নদীর কাছে নিয়ে সুজন, সাব্বির ও শহিদুল মিলে খুন করেন। কিন্তু সুজন সেদিন ভাইয়ের বাসায় এসে অভিনয় শুরু করেন। কান্নাকাটি করেন। অথচ সুজনই আবার তাঁর সহযোগীদের দিয়ে তাঁর ভাইয়ের কাছে মুক্তিপণের পাঁচ লাখ টাকা চাওয়ান। তবে মুঠোফোনের সূত্র ধরে একপর্যায়ে জানা যায়, সুজন নিজের ভাইপো মাহিনকে খুন করেছেন।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সুজন বলেছেন, তিনি নেশা করেন। টাকার জন্য তিনি মাহিনকে অপহরণ করেন। পরে সাব্বির, শহীদুলসহ মিলে তাকে হত্যা করেছেন। একই কথা বলেছেন অন্য আসামি শহীদুলও।

তদন্ত সূত্র বলছে, স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মাহিনকে ডেকে নিয়ে শ্যামলী থেকে বাসে ওঠেন সুজন, শহীদুল ও সাব্বির। পরে তাকে সাভারের হেমায়েতপুরের নদীর ধারে নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান বলেন, সুজন ও শহীদুল জিজ্ঞাসাবাদে বলেন, অপহরণের কথা ফাঁস করে দেবে এমন ভয় থেকে সাব্বির মাহিনকে খুন করে ফেলার কথা সুজনকে বলেন। পরে সুজন মাহিনের মাথা তার জামা দিয়ে ঢেকে দেন। সাব্বির রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পা ধরে ছিলেন শহিদুল।
মহিউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, মাহিন নিখোঁজের দিন থেকে টানা কয়েক দিন তাঁদের সঙ্গে সুজন পুলিশ ও র‍্যাবের কাছে গেছেন। এখানে-ওখানে খোঁজাখুঁজি করেছেন। কান্নাকাটি করেছেন। এমনকি সুজন বলেছিলেন, যারা মাহিনকে অপহরণ করেছে, যারা মুক্তিপণ চাচ্ছে, তাদের পেলে খুন করে ফেলবেন। ঘুণাক্ষরেও টের পাননি, সুজন এত বড় অভিনেতা, এত বড় খুনি।
মিরপুরের পাইকপাড়ার বাসিন্দা মাহিনের মা লুবনা বিবি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সুজনকে নিজের ছেলের মতো দেখতাম। খুন করার পরও মানুষ যে এত স্বাভাবিক থাকতে পারে, তা চিন্তাও করা যায় না। সুজন সব সময় স্বাভাবিক ছিল। সুজন খুনি। ওর ফাঁসি ছাড়া আর কোনো শাস্তি চাই না।’

মাহিনের পরিবার বলছে, সুজন মাহিনদের বাসায় থাকতেন। তাঁর রাত করে বাসায় ফেরা নিয়ে মহিউদ্দিন কথা বলায় বাসা থেকে চলে যান। পরে মুনির নামের আরেক ভাইয়ের বাসায় ওঠেন। সেখানেও একই কাণ্ড ঘটানোর পর সেখান থেকেও চলে যান। এরপর গত এক বছর সুজনের খোঁজ মহিউদ্দিন কিংবা মনির কেউ নেননি। তবে তিন মাস আগে সুজন মহিউদ্দিনের কাছে এক হাজার টাকা চান। কিন্তু মাত্র তিন শ টাকা দিয়ে তাঁকে বিদায় করে দেন মহিউদ্দিন। পুলিশ বলছে, সুজনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সাব্বির এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়ী। তাঁর নামে কাফরুল থানায় অস্ত্র মামলা রয়েছে। তাঁর বাড়ি বরিশাল। আর আসামি শহিদুল পানির ব্যবসা করেন। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, সুজন নেশা করতেন। আরেক আসামি সাব্বির ও শহিদুলও নেশাখোর। মুক্তিপণের টাকার জন্য মাহিনকে খুন করেছেন সুজনসহ অন্যরা। পলাতক সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তদন্ত শেষ পর্যায়ে। শিগগিরই আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

ভিডিওঃ-